রিয়াদ কার্গো এসোসিয়েশন

রিয়াদ কার্গো এসোসিয়েশন Riyadh cargo association

04/02/2026

“কোনো প্রবাসী বিদেশে কর্মরত অবস্থায় ইন্তেকাল করলে রাষ্ট্রীয় খরচে তাঁর লাশ দেশে আনা হবে।”
জামায়াতের ইশতেহারের ঘোষণা❤️

প্রায় পনেরো বছর পর হঠাৎ একদিন হোটেলের লবিতে দেখা হয়ে গেল আমার এক পুরনো বন্ধুর সাথে। শৈশবের সেই মৃদুভাষী, ভদ্র, শান্ত ছেল...
25/11/2025

প্রায় পনেরো বছর পর হঠাৎ একদিন হোটেলের লবিতে দেখা হয়ে গেল আমার এক পুরনো বন্ধুর সাথে। শৈশবের সেই মৃদুভাষী, ভদ্র, শান্ত ছেলেটি, যে খুব সাধারণ জীবন যাপন করত, আজও সেই আগের মতোই রয়ে গেছে। চেহারায় বিনয়ের ছাপ, পরনে সাধারণ পোশাক, চালচলনে নেই কোনো বাহুল্য।

কুশল বিনিময়ের পর আমি বললাম, "চল, তোকে আমার গাড়িতে করে বাড়ি পৌঁছে দেই।"

আসলে বন্ধুকে গাড়িতে তুলতে চাওয়ার পিছনে আমার একটা গোপন উদ্দেশ্য ছিল। আমার দামি মার্সিডিজ গাড়িটা ওকে দেখানো! বন্ধু দেখুক, আমি কত সফল, কত বড়লোক হয়েছি! কিন্তু সে বিনয়ের সাথে জানাল, “না, থাক, আমি আমার গাড়িতেই চলে যাব।”

পার্কিং লটে দুজন পাশাপাশি হেঁটে এলাম। বন্ধুর গাড়িটা একেবারেই সাধারণ। মনে মনে হাসলাম, ও এখনও এমন পুরোনো মডেলের গাড়ি চালায়!

সপ্তাহখানেক পরে ওকে ডিনারে আমন্ত্রণ জানালাম। ও পরিবার সহ এলো। ওর স্ত্রী, দুই সন্তান, সবাই এতটাই নম্র আর মার্জিত যে দেখে অবাক হলাম। সাজ-পোশাকে কোনো আড়ম্বর নেই, কিন্তু একটা প্রশান্তি, একটা শান্ত সৌন্দর্য লেগে আছে চোখেমুখে!

সেই রাতে কথার ফাঁকে ফাঁকে আমি বন্ধুকে বুঝিয়ে দিলাম আমার অভিজাত জীবন, দামি গাড়ি বাড়ি, আসবাবপত্র, আমার লাক্সারিয়াস লাইফ স্টাইল, অফিসের বিদেশ ভ্রমণ, লেটেস্ট ট্রেন্ড আর ফ্যাশনের প্রতি ঝোঁক, কত হাই ক্লাস লোকজনের সঙ্গে যোগাযোগ!

সত্যি কথা বলতে, আমি যেন আমার আভিজাত্য ওকে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিতে চাইছিলাম। মোবাইলে একটার পর একটা ছবি দেখাচ্ছিলাম, গল্পের ফাঁকে ফাঁকে আমার অফিসের বিজনেস ডিলের প্রসঙ্গ তুলছিলাম।

কিন্তু ও যেন এসব নিয়ে খুব একটা উৎসাহী না। বরং ওর মুখে তখন অন্য এক আলো! শৈশবের স্কুল, পুরোনো বন্ধু, প্রিয় স্যারদের কথা, কতদিন কার খোঁজ নেওয়া হয় না, কতজন এখন আর বেঁচে নেই —এসব মনে করে ওর চোখের কোণে একটুখানি অশ্রুও দেখা গেল।

আমি বিরক্তি গোপন না করে বলেই ফেললাম, “শুধু পুরোনো স্মৃতি আর নীতিকথা মনে করে থাকলে জীবনে এগোনো যায় না!”

ডিনারের পরে ওরা চলে গেল। আমি ভাবলাম, এবার নিশ্চয় ও বুঝতে পারল, কে কতদূর এগিয়েছে!

কয়েক সপ্তাহ পর ফোন এলো বন্ধুর কাছ থেকে। বলল, "আগামীকাল দুপুরে ফ্রি আছো? সবাই মিলে আমার বাড়িতে বেড়াতে আসো।”

সেদিন আমার স্ত্রী আমার বাল্য বন্ধুটির ওপর বেশ বিরক্ত হয়েছিল। ওকে তাই অনেকটা জোর করে রাজি করিয়ে গেলাম বন্ধুর বাসায়।

গিয়ে দেখি, সবকিছু গোছানো, পরিপাটি, কিন্তু একদম সাধারণ। দামি আসবাব নেই, ঝকমকে কিছু নেই, তবু কি যে শান্ত আর আপন একটা পরিবেশ! যেন একটা মমতার ঘ্রাণ চারপাশে ভেসে বেড়াচ্ছে।

টেবিলের উপর চোখ পড়তেই দেখি, আমার কোম্পানির পাঠানো একটা সুন্দর গিফট বক্স!

আমি বিস্মিত হয়ে বললাম, “এই কোম্পানিতে তো আমি চাকরি করি! তুই এটা কোথায় পেলি?”

ও হেসে বলল, “ডেভিড পাঠিয়েছে।”

আমি থমকে গিয়ে বললাম, “কোন ডেভিড? ডেভিড থমসন?”

সে মাথা নেড়ে বলল, “হ্যাঁ, ডেভিড আমার পুরোনো বন্ধু। আমরা বহুদিন ধরেই আমরা একসাথে ব্যবসা করি।”

আমি যেন বিশ্বাস করতে পারছিলাম না! এই মানুষটাই আমাদের কোম্পানির ৭০% এর মালিক! যার নামে আমরা সম্মানে মাথা নিচু করি, সেই ডেভিড থমসনের পার্টনার — এই আমার সেই ছোটবেলার সাধারণ বন্ধু!

আমি যেন মুহূর্তেই ভেতরে ভেতরে খুব ছোট হয়ে গেলাম। যে মানুষটিকে আমি আমার দামি জিনিসপত্র দেখিয়ে মুগ্ধ করতে চেয়েছি, সে তো নিজেই আমার চাকরিদাতার বন্ধু। এমনকি কোম্পানির বেশিরভাগ মালিকানাও তার!

আমার অহংকার, দম্ভ, গর্ব সব যেন এক নিমেষে ধুলায় মিশে গেল। গাড়িতে ফিরে স্ত্রীর দিকে তাকালাম। দেখলাম, সেও চুপচাপ। আমাদের মুখে কোনো কথা নেই, কিন্তু মনের মধ্যে চলছে অনেক কিছু!

হঠাৎ মনে পড়ল আমাদের স্কুলের সেই প্রিয় স্যার বলতেন, "যে নদী যত গভীর, তার বয়ে চলার শব্দ তত কম।” আজ মর্মে মর্মে উপলব্ধি করলাম কথাটার মানে। যাদের হৃদয়, মানসিকতা আর আত্মবিশ্বাস গভীর, তারা কখনও বড় বড় কথা বলে না, বাহারি জিনিস দেখিয়ে বড় হওয়ার চেষ্টা করে না। তারা নীরবে বয়ে চলে, কিন্তু তাদের গভীরতায় সত্যিকারের আভিজাত্য প্রকাশ পায়।

27/09/2025

কুরআন ও হাদিস জানা ও মানার জন্য এই গ্রুপে সদস্য (এড) হওয়ার অনুরোধ রহিল।

কুরআন ও হাদিসের আলোয় জীবন গড়ি”

“সুন্নাহর পথে ফিরি, জান্নাতের পথে চলি”

“আল্লাহর বাণী, জীবনের মানী”

“হক কথা বলি, হক পথে চলি”

“কুরআন ও হাদিস – মুক্তির চাবিকাঠি”

“ইলম ও আমল – এই আমাদের দাওয়াত”

“সুন্নাহকে ভালোবাসি, বিদআতকে ছাড়ি”

“আল্লাহর পথে ডাকাই আমাদের লক্ষ্য”

11/07/2025

পশ্চিমা সংস্কৃতিতে " One night stand ( এক রাতের সম্পর্ক) " বহুলভাবে প্রচলিত। ছেলে এবং মেয়ে উভয়েই জানে, তারা মিলিত হচ্ছে পরস্পরের শুধুমাত্র দৈহিক চাহিদা পুরনের জন্য। তারা একসাথে ডিনারে গেলে ৫০/৫০ স্প্লিট করে। এ সম্পর্কে অর্থনৈতিক এবং মানসিক আবেগের কোন স্হান নেই।

" রাত খতম তো বাত খতম"- রাত পোহালেই সম্পর্ক শেষ।

পাশ্চাত্যে তরুনদের মাঝে তরুনীদের নিয়ে একটা কথা প্রচলিত আছে,

"Wife Material" বা " Use/GF material". কোন মেয়েকে দেখার পরে, দুই বন্ধুর গল্পে তারা নির্নিত করে, এ মেয়ে বিয়ে করার যোগ্য নাকি জাস্ট টাইম পাস্ করার মতো।

সপ্তাহে সোম হতে শুক্রবার গরুর মতো খাটবে। শুক্রবারে অফিস শেষে, সন্ধ্যায় পার্টি ড্রেস পড়ে পাব ( pub ) এ যাবে জ্বলমলে কিন্তু পাতলা ড্রেস পড়ে। প্রচন্ড শীতের মাঝেও মেয়েরা মিনিস্কাট পড়ে, যখন ছেলেরা জ্যাকেট পড়ে থাকে। যে কোন ক্লাবে গেলেই মেয়েদের আদিখ্য সাধারনত ছেলেদের চাইতে বরং বেশীই থাকে।

যেহেতু এডাল্ট হয়ে যাবার পরে বেশীরভাগ ছেলে মেয়েরা বাবা মায়ের বাড়ি ছেড়ে independently স্বাধীনভাবে বসবাস করে, তাদের ঘরে ফিরে যাবার তাড়া নেই। এসব তরুন তরুনীদের বড় একটা অংশের , মা আবার single mother. হয় তারা জানেনা বাবা কে, অথবা, তাদের বাবা মা লীভ টুগেদার করে তাদের জন্মের পরে আলাদা হয়েছে। বাবার সাথে বছরে ২/১ বার দেখা হয়। ফলে, আমাদের বাঙালী সমাজে একজন মেয়েকে বাবা যেভাবে আগলে রাখে, সে নিরাপত্তার বেষ্ঠনী, মেয়েটার উপরে নেই।

আমাদের বাংলাদেশী তরুন তরুনী, যারা দেশে থাকতে মডার্ন হতে চাইতো, পাতলা বা টাইট কাপড় পড়ে, স্মার্ট দেখাতে চাইতো, মাঝে মাঝে বন্ধুদের সাথে আড্ডায় দু এক প্যাক মারতো বা গান্জায় শুক টান দিতো, তারা পশ্চিমা দেশে এসে, একেবারেই বদলে যায়।

৯৯% এর উপরে বাংলাদেশী তরুন তরুনী মদের বার এ যায় না, পানির চাইতে ও সস্তায় পাওয়া মদ কিনে না। এমনকি অবিবাহিত তরুন তরুনীরা বেশীরভাগ ই কোন অনৈতিক সম্পর্কে জড়ায় না। বরং একেবারে U - Turn নিয়ে ধার্মিক হয়ে যায়। তার নিজের ধর্মের প্রতি দায়িত্ববোধ যেমন বাড়ে , ঠিক তেমনিভাবে বেড়ে যায় বাংলাদেশের প্রতি দেশপ্রেম।

তারা ভাবে, " আমার কারনে, আমার ধর্ম এবং দেশকে যেন অন্য জাতির মানুষেরা খারাপ মনে না করে"।

তারা ভার্সিটি যাচ্ছে সপ্তাহে ৪ দিন, ক্লাস শেষ করে সন্ধ্যায় কাজ করছে, এমনকি শনি রবিবারে ও কাজ করে। কারন, তাদের উপর প্রচন্ড অর্থনৈতিক প্রেসার থাকে। রৃন পরিশোধ, টিউসনির টাকা, বাসা ভাড়া আর ভিসার টাকা যোগাড়ের চিন্তায়, তারা নষ্ট হবার ফুরসৎ ই পায় না। অথচ, এ তরুন তরুনী ই দেশের মাটিতে ইয়াবা খেয়ে ভুদ হচ্ছে, বাবা মাকে মারছে। কেন? কারন, তাদের কাজ নেই।

যে দেশে এক দুজন নয় , দুই হাজার তরুন তরুনী বুকে বুলেট নিতে জানে সৈরাচার খুনী বিদায় করতে, সে দেশ পিছিয়ে থাকবে কিভাবে? শুধুমাত্র দরকার, সঠিক নেতৃত্ব। যে নেতৃত্ব, তরুনদের প্রশক্কিত করবে, কাজ দিবে আর দিবে নৈতিকতার শিক্ষা। আপনি মাদ্রাসা পড়া, ধর্ম - কর্ম মানা, কোরআন হাদীস জানা, কাউকে চাদাবাজি করতে দেখেছেন? ছিনতাই করতে দেখেছেন?

তাই, বাংলাদেশকে বিশ্বের দরবারে গর্বের সাথে মাথা তুলে দাড় করাতে গেলে ধার্মিক এবং তরুনদের আগামীতে নির্বাচিত করুন।

এখন আসল কথায় ফিরি। কোন জিনিস দেখে বুঝবেন, একটা মেয়ে " wife material"- অর্থাৎ বিবাহ করার যোগ্য।

1. কাপড়ে চোপড়ে শালীন। সে পাছা এবং বুক দেখিয়ে ছেলেদের আকৃষ্ট করে না।
2. কথাবার্তায় শালীন। সে কথা বলে নিম্ন স্বরে। হা হা হা করে অট্রহাসি দেয় না, উচ্চস্বরে কথা ও বলে না।
3. চাল-চলনে শালীন। সে ছেলে বন্ধুর কোলে ঝাপিয়ে পড়ে না, কাধে ঢলে পড়ে না।
4. Not a Gold digger. সে স্বর্ন খোদক না। শুধুমাত্র ধনী বন্ধুদের সাথে সে বন্ধুত্ব করে না। যার তার কাছ হতে গিফট্ নেয় না। বন্ধুর টাকায় সব সময় চাইনিজ খায় না। গাড়ি ওয়ালা বন্ধু দেখলেই উঠে পড়ে না।
5. সে ছেলেদের দিয়ে এসাইনমেন্ট করিয়ে নেয়ার জন্য, রসিয়ে রসিয়ে বনিতা করে না। প্রতি সেমিস্টারে তার নতুন নতুন বন্ধু হয় না।
6. তার চোখেমুখে থাকে লজ্জার আভা। চোখে মুখে ঠুট নাড়িয়ে ছেলেদের নাচায় না।

আপনি কেমন মেয়ে বিয়ে করবেন? সাংসারিক নাকি পোচপাচ মারা মডেল মার্কা লাস্যময়ী। আপনার বউ কি শুধু আপনার হবে, নাকি তার রুপ লাবন্য বিক্রি করে, ব্যক্তিত্বহীনের মতো আপনাকে চলতে হবে। আপনার স্ত্রী কি আপনার অনুগত হবে, নাকি আপনাকে নাকে দড়ি দিয়ে ঘুরাবে।
Baraka Trading Ltd

18/05/2025

আমরা সবাই পাপী,আপন পাপের বাটখারায়
অন্যের পাপ মাপিঃ---কাজী নজরুল ইসলাম

বেশ্যা কি শুধু দেহ বি‌ক্রিকা‌রি‌কেই ব‌লে ? অবৈধ ভাবে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করে যারা আজ সামাজিক ভাবে প্রতিষ্ঠিত এরাই হলো সমাজের সবচেয়ে নিকৃষ্ট বেশ্যা।

কিন্তু বেশ্যা চরিত্রটা কি খুব খারাপ ?

★ অর্থের বিনিময়ে যে নারী দেহ বেচে সে বেশ্যা।
★ অর্থের বিনিময়ে যে নৈতিকতা বেচে সেও বেশ্যা।
★ অর্থের বিনিময়ে যে ফাইলে সই করে সেও বেশ্যা।
★ অর্থের বিনিময়ে যে চাকুরিতে নিয়োগ দেয় সেও বেশ্যা।
★ অর্থের বিনিময়ে যে আসামীকে জামিন দেয় সেও বেশ্যা।
★ অর্থের বিনিময়ে যে দলের পদ বেচে সেও বেশ্যা।
★ অর্থের বিনিময়ে যে নমিনেশন বেচে সেও বেশ্যা।
★ তবে যার বেচার মত অবশিষ্ট আর কিছু থাকেনা
সেই নারী শুধু দেহ বেচে।
কার কাছে বেচে তার নাম কি???

বেশ্যা"
বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম

সাধুর নগরে বেশ্যা মরেছে, পাপের হয়েছে শেষ,
বেশ্যার লাশ হবে না দাফন, এইটা সাধুর দেশ।
জীবিত বেশ্যা ভোগে তো আচ্ছা, মরিলেই যত দোস?
দাফন কাফন হবে না এখন, সবে করে ফোস ফোস।
বেশ্যা তো ছিল খাস মাল, তোদের রাতের রানী,
দিনের বেলায় ভুরু কোচ কাও?
মরিলে দেওনা পানি!
সাধু সুনামের ভেক ধরিয়া দেখালি দারুন খেলা,
মুখোশ তোদের খুলবে অচিরে, আসবে তোদের বেলা।
রাতের আধারে বেশ্যার ঘর স্বর্গ তোদের কাছে,
দিনের আলোতে চিননা তাহারে?
তাকাও নাকো লাজে!

চিনি চিনি ভাই সব সাধু রেই হরেক রকম সাজ,
সুযোগ পেলেই দরবেশী ছেরে দেখাও উদ্দাম নাচ!
নারী আমাদের মায়ের জাতি বেশ্যা বানালো কে?
ভদ্র সমাজে সতীর ছেলেরা খদ্দের সেজেছে?
গরীবের বৌ সস্তা জিনিস সবাই ডাকো ভাবি,
সুযোগ পেলেই প্রস্তাব দাও আদিম পাপের দাবি।
স্বামী যখন মরলো ভাবির দুধের শিশু কোলে,
ভদ্র দেবর সুযোগ খোঁজে সহানুভূতির ছলে,
দিনের মত দিন চলে যায়, হয় না তাতে দোষ
মরা লাশের সুযোগ পেয়ে মোল্লার রোষ।

মোল্লা সাহেব নায়েবে রাসুল ফতোয়া ঝারিশা কয়,
পতিতা নারীর জানাজা কবর এই এলাকায় নয়।
শুধাই আমি ওরে মোল্লা জানাযায় যত দোষ,
বেশ্যার দান নিয়াছো ঝোলিয়ে তুমি বেটা নির্দোষ?
বেশ্যার তবু আছে পাপ বোধ নিজেকে সে ভাবে দোষী,
তোমরা তো বেটা দিন বেচে খাও হচ্ছেয় খোদার খাসি।
আল্লাহর ঘর মসজিদে ও আছে বেশ্যার দান -কলেমা পড়েছে সে ওতো তবে নামেতে মোসলমান!
বেশ্যা নারী ব্যবসায় নারী পুরুষরা পুরুষরা সব সৎ?
জানি মোল্লা খুলবে না মুখ চাকরি যাওয়ার পথ!
আর কতকাল থাকবি অমন মুখোশ ধারীর দল,
আসবো এবার মশাল নিয়ে ভাঙতে তোদের কল।

ছ‌বি-সংগৃহিত:

17/02/2025

✍️মানুষের জীবনের প্রতিটি মুহূর্তে সঠিক সিদ্ধান্ত এবং নীতির গুরুত্ব অপরিসীম। সঠিক নীতি অনুসরণ করলে জীবনের মান উন্নত হয়, আর ভুল নীতি আপনাকে বিপদে ফেলতে পারে। নিচে কিছু মূল্যবান নিয়ম এবং জীবনব্যবস্থা উল্লেখ করা হলো যা আপনাকে জীবনে সাফল্যের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে:

---

**১. নিজেকে কখনো বড় করে প্রকাশ করবেন না।**
নিজেকে বড় করে তুলে ধরা আত্মবিশ্বাস নয়, অহংকার। এটি অন্যের চোখে আপনাকে ছোট করে তোলে। বিনয়ী এবং নম্র আচরণ মানুষের মন জয় করার চাবিকাঠি।

---

**২. ভুল স্বীকার করুন এবং "Thank you", "Please" বলুন।**
ভুল স্বীকার করা দুর্বলতা নয় বরং আত্মজ্ঞান এবং সাহসিকতার পরিচয়। ছোট কথাগুলো যেমন "ধন্যবাদ" বা "অনুগ্রহ করে" মানুষকে সম্মানিত করে এবং সম্পর্ক উন্নত করে।

---

**৩. নিজের গোপন কথা কাউকে বলবেন না।**
গোপন বিষয় শেয়ার করা ঝুঁকিপূর্ণ। কাউকে অন্ধভাবে বিশ্বাস করলে আপনাকে বিপদে পড়তে হতে পারে। সবসময় সতর্ক থাকুন।

---

**৪. অভিজ্ঞতা ছাড়া ব্যবসায় ঝাঁপ দেবেন না।**
অর্থ এবং সময়ের অপচয় এড়াতে যেকোনো ব্যবসায় নামার আগে জ্ঞান এবং অভিজ্ঞতা অর্জন করুন।

---

**৫. পর্নোগ্রাফিতে আসক্ত হবেন না।**
পর্ন আসক্তি আপনাকে সাময়িক আনন্দ দিলেও দীর্ঘমেয়াদে আপনার আত্মবিশ্বাস, সম্পর্ক এবং মনস্তাত্ত্বিক স্থিতি নষ্ট করে দেয়।

---

**৬. পরচর্চা করবেন না।**
যে অন্যের নিন্দা করে, সে আপনার পেছনেও নিন্দা করবে। নিজের সময় এবং মানসিক শক্তি নষ্ট না করে ইতিবাচক কাজে মনোযোগ দিন।

---

**৭. গাধার সঙ্গে তর্ক করবেন না।**
তর্কের শুরুতেই সে আপনাকে তার স্তরে নামিয়ে আনবে এবং আপনাকে অপদস্থ করবে। তাই, যুক্তিহীন তর্ক এড়িয়ে চলুন।

---

**৮. কোনো কাজ পরে করার জন্য ফেলে রাখবেন না।**
যদি কাজ ফেলে রাখেন, তা আর কখনোই সম্পন্ন হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। "এখনই" কাজ শেষ করার অভ্যাস তৈরি করুন।

---

**৯. ‘না’ বলতে শিখুন।**
সবসময় অন্যকে খুশি করার জন্য নিজেকে বোঝার মধ্যে ফেলবেন না। প্রয়োজনে দৃঢ়ভাবে ‘না’ বলুন। এটি আত্মসম্মান রক্ষার অংশ।

---

**১০. বাবা-মা এবং জীবনসঙ্গীকে সমান গুরুত্ব দিন।**
কোনো সম্পর্কের কারণে অন্য কোনো গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে উপেক্ষা করবেন না। পরিবার হলো জীবনের মূল শক্তি।

---

**১১. সবাইকে সন্তুষ্ট করার চেষ্টা করবেন না।**
আপনি যদি সবসময় অন্যকে সন্তুষ্ট করার জন্য নিজেকে পরিবর্তন করেন, তবে নিজের ব্যক্তিত্ব হারাবেন। নিজের মূল্য বুঝতে শিখুন।

---

**১২. ঝুঁকি ছাড়া সাফল্য আসে না।**
সফল হতে হলে জীবনে হিসাব করা ঝুঁকি নিতে হবে। সঠিক পরিকল্পনা এবং সাহসিকতার মাধ্যমে এগিয়ে যান।

---

**১৩. স্মার্টফোনে আসক্ত হবেন না।**
স্মার্টফোন জীবন সহজ করে, তবে অতিরিক্ত ব্যবহার আপনার সময় এবং মনোযোগ নষ্ট করে। গুগলে সব প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যায় না, তাই বাস্তব জীবনেও অভিজ্ঞতা অর্জন করুন।

---

**১৪. ইচ্ছা প্রকাশ করতে দেরি করবেন না।**
নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে ভয় পাবেন না। দেরি করার ফলে হয়তো কখনোই তা আর প্রকাশ করা হবে না, যা সারা জীবনের আফসোস হয়ে থাকতে পারে।

---

**১৫. মানসিক শান্তি নষ্ট করে এমন সম্পর্ক থেকে সরে আসুন।**
যে সম্পর্ক আপনাকে কষ্ট দেয়, তা আঁকড়ে ধরা উচিত নয়। মানসিক যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিন।

---

**১৬. লক্ষ্যের পিছু ধাওয়া করা বন্ধ করবেন না।**
আপনি কখনোই জানেন না যে সাফল্য ঠিক কতটা কাছাকাছি। তাই ধৈর্য ধরে চেষ্টা চালিয়ে যান। বেশিরভাগ মানুষ হাল ছেড়ে দেয় সাফল্যের ঠিক আগে।

---

**১৭. অকারণে শত্রু তৈরি করবেন না।**
অকারণে কারো সঙ্গে শত্রুতা তৈরি করা নিজের ক্ষতি ডেকে আনে। সম্পর্ক রক্ষা করতে যতটা সম্ভব কৌশলী থাকুন।

---

**১৮. কারো ধর্মবিশ্বাসে আঘাত করবেন না।**
ধর্ম এবং বিশ্বাস মানুষের অন্তরের গভীরে থাকে। এটি নিয়ে কটূক্তি করা বা সোশ্যাল মিডিয়ায় আপত্তিকর পোস্ট দেওয়া সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে।

---

**১৯. একান্ত মুহূর্তের ছবি বা ভিডিও করবেন না।**
ব্যক্তিগত মুহূর্তের ছবি বা ভিডিও রেকর্ড করা ভবিষ্যতে বিপদের কারণ হতে পারে। এ ধরনের ভুল থেকে দূরে থাকুন।

---

**২০. সম্মান বিসর্জন দিয়ে সম্পর্ক টিকিয়ে রাখবেন না।**
যে জায়গায় আপনার সম্মান নেই, সেখানে থাকা নিজের আত্মসম্মানকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। নিজেকে মূল্য দিন।

---

**২১. টাকার পেছনে দৌড়ে প্রিয়জনদের উপেক্ষা করবেন না।**
টাকা গুরুত্বপূর্ণ, তবে তা যেন প্রিয়জনদের সময় এবং ভালোবাসার বিকল্প না হয়। ব্যালান্স বজায় রাখুন।

---

**২২. যা হারিয়েছেন তা নিয়ে আফসোস করবেন না।**
হারানো জিনিস বা সময় নিয়ে আফসোস করা কেবল আপনাকে পেছনে টানে। ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যাওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।

---

এই নিয়মগুলো অনুসরণ করলে জীবন আরও সমৃদ্ধ, শান্তিময় এবং সফল হয়ে উঠবে। জীবনের প্রতিটি মুহূর্তে সচেতন হয়ে সিদ্ধান্ত নিন।

24/12/2024

গ্রুপিং নাই, পদ নিয়ে মারামারি নাই,
অনুষ্ঠানের চেয়ার ও খাবার নিয়ে ধাক্কাধাক্কি নাই।

স্বজন প্রীতি নাই,টাকা দিয়ে পদ নেয়ার সুযোগ নাই। আমিরের ছেলে আমির হওয়ার সুযোগ নাই।একজন নেতা যা খাবেন কর্মীকেও তা খাওয়াবেন।
একমাত্র নিজের শিক্ষা ও যোগ্যতায় উপরে যেতে হয়। এমন একটি দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

ছবিতে সামনের সারিতে বসা কোনো জামাত নেতার সন্তান বর্তমানে কেন্দ্রীয় কোনো দায়িত্বে নাই। যেখানে অন্যান্য সংগঠনের নেতাদের ছেলেরা সংগঠন তাদের বাপের দেওয়া সম্পত্তি মনে করে।

১ম সারির সবাই শহীদ, দ্বিতীয় সারির নেতাদের নেতৃত্বে বর্তমান বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

“আমার মেয়ে কখনোই একজন গরিব মানুষের সঙ্গে বিয়ে করবে না!”বিল গেটস ব্যাখ্যা করেন কেন তিনি তার মেয়েকে একজন গরিব মানুষের সঙ্গ...
04/11/2024

“আমার মেয়ে কখনোই একজন গরিব মানুষের সঙ্গে বিয়ে করবে না!”

বিল গেটস ব্যাখ্যা করেন কেন তিনি তার মেয়েকে একজন গরিব মানুষের সঙ্গে বিয়ে দিতে নিষেধ করেন।

“কিছু বছর আগে আমি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে একটি সম্মেলনে গিয়েছিলাম যা বিনিয়োগ এবং অর্থায়নের উপর ছিল। সেখানে একজন বক্তা ছিলেন বিল গেটস, এবং প্রশ্নোত্তরের সময় আমি এমন একটি প্রশ্ন করেছিলাম যা সবার মধ্যে হাস্যরস তৈরি করেছিল।

আমি জানতে চেয়েছিলাম, বিশ্বের সবচেয়ে ধনী মানুষ হিসেবে, তিনি কি তার মেয়ের একজন গরিব বা সাধারণ মানুষের সঙ্গে বিয়ে হতে দিতে পারেন। তার উত্তর আমার জীবনকে একেবারে পাল্টে দিল;

বিলের উত্তর ছিল এরকম:

প্রথমত, আপনাকে বুঝতে হবে যে সম্পদ মানে একটি বড় ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থাকা নয়!

সম্পদ মূলত সম্পদ তৈরি করার ক্ষমতা।

উদাহরণস্বরূপ: একজন ব্যক্তি লটারি বা জ্যাকপট জিতলে। যদিও সে 100 মিলিয়ন ডলার জিতেছে, সে আসলে একজন ধনী মানুষ নয়: সে প্রচুর টাকা সহ একজন গরিব মানুষ, এবং এ কারণে 90% লটারি বিজেতা 5 বছরের মধ্যে আবার গরিব হয়ে যায়।

আপনার কাছে এমন ধনীরা আছে যারা টাকায় নিঃস্ব। উদাহরণস্বরূপ, অধিকাংশ উদ্যোক্তা।

তারা আসলে সম্পদের পথে আছেন, যদিও তাদের কাছে টাকা নেই, কারণ তারা তাদের আর্থিক বুদ্ধিমত্তা বিকাশ করছেন এবং সেটাই হলো সম্পদ।

ধনী এবং গরিবের মধ্যে পার্থক্য কি?

এটি আসলে এরকম: ধনীরা মারা যেতে পারে ধনী হওয়ার জন্য, যখন গরিবরা ধনী হওয়ার জন্য হত্যা করতে পারে।

যদি আপনি একটি যুবককে দেখেন যে স্নাতক হতে চায়, নতুন জিনিস শিখতে চায়, এবং সবসময় নিজেকে উন্নত করতে চায়, তবে জানবেন সে একজন ধনী ব্যক্তি।

যদি আপনি একটি যুবককে দেখেন যে বিশ্বাস করে সমস্যা সরকারের, এবং সব ধনী লোককে চোর মনে করে এবং তাদের প্রতি সমালোচনা করে, তবে জানবেন সে একজন গরিব, কারণ তার চিন্তাভাবনা গরিব!

ধনীরা বিশ্বাস করে যে তারা শুধু তথ্য এবং প্রশিক্ষণের প্রয়োজন উন্মোচন করার জন্য, যখন গরিবরা মনে করে অন্যদের তাদের জন্য টাকা দিতে হবে শুরু করার জন্য।

শেষে, যখন আমি বলি যে আমার মেয়ে গরিব মানুষের সঙ্গে বিয়ে করবে না, আমি টাকার কথা বলছি না। আমি ওই ব্যক্তির সম্পদ তৈরি করার ক্ষমতার কথা বলছি।

আমি যা বলব সে জন্য দুঃখিত, কিন্তু অধিকাংশ অপরাধী গরিব। যখন তারা প্রচুর টাকা সামনে পান, তারা তাদের মাথা হারিয়ে ফেলে, এবং এ কারণেই তারা চুরি করে, লুট করে ইত্যাদি…

তাদের জন্য, এটি একটি আশীর্বাদ, কারণ তারা জানে না তারা কিভাবে নিজেদের জন্য টাকা উপার্জন করতে পারে।

একদিন, একজন ব্যাংক নিরাপত্তারক্ষক একটি ব্যাগ ভর্তি টাকা পায়, এবং সে ব্যাগটি ব্যাংকের পরিচালকের কাছে দেয়।

মানুষজন এই ব্যক্তিকে বোকা মনে করেছিল, কিন্তু সে আসলে কেবল একজন ধনী ব্যক্তি ছিল যার কাছে টাকা নেই।

এক বছরের মধ্যে, ব্যাংক তার জন্য একজন রিসেপশনিস্টের পদ প্রস্তাব করে, এবং তিন বছরের মধ্যে সে গ্রাহক ব্যবস্থাপক হয়ে যায়, এবং দশ বছরের মধ্যে সে ওই ব্যাংকের আঞ্চলিক শাখা পরিচালনার দায়িত্বে আসে, যেখানে সে শতাধিক কর্মচারী পরিচালনা করে এবং তার বার্ষিক পুরস্কার সেই ব্যাগের মূল্যকে অতিক্রম করে!

সম্পদ প্রথমে একটি মানসিক অবস্থা, বন্ধু…”

Happy Reading 📖

Address

Riyadh
12345

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when রিয়াদ কার্গো এসোসিয়েশন posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share