25/03/2026
নরেন্দ্র মোদী আজ লোকসভায় পশ্চিম এশিয়ার বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, ভারত এখন “অপ্রত্যাশিত চ্যালেঞ্জের” মুখে দাঁড়িয়ে এবং সেই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দেশবাসীকে COVID-19 অতিমারির সময়ের মতো প্রস্তুত ও ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।
প্রধানমন্ত্রী জানান, এই যুদ্ধের প্রভাব দীর্ঘদিন ধরে ভারতের উপর পড়তে পারে। বিশেষ করে অর্থনীতি, জাতীয় নিরাপত্তা এবং মানবিক দিক—সব ক্ষেত্রেই এর প্রভাব অনুভূত হবে। পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলির সঙ্গে ভারতের গভীর বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।
তিনি আরও বলেন, ভারতের জ্বালানি চাহিদার বড় অংশ এই অঞ্চল থেকেই পূরণ হয়। পাশাপাশি প্রায় এক কোটি ভারতীয় উপসাগরীয় দেশগুলিতে কর্মরত, ফলে পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ স্বাভাবিক। এই প্রেক্ষিতে তিনি দেশবাসীর ঐক্যের ওপর জোর দেন।
জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী হরমুজ প্রণালী-র গুরুত্ব উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, এই গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ অবরুদ্ধ করা বা পণ্যবাহী জাহাজে হামলা কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
সরকারের প্রস্তুতি সম্পর্কে তিনি আশ্বাস দিয়ে বলেন, পেট্রল, ডিজেল এবং গ্যাসের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সবরকম চেষ্টা করা হচ্ছে। বর্তমানে ভারত ৪১টি দেশ থেকে জ্বালানি আমদানি করছে, যা আগে ছিল ২৭টি। পাশাপাশি দেশে কয়লা, গ্যাস এবং সারের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে বলেও তিনি জানান।
অন্যদিকে বিরোধীদের পক্ষ থেকে রাহুল গান্ধী অভিযোগ করেন, প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে আন্তর্জাতিক রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলি এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে। প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বঢরা-ও বলেন, বিষয়টি নিয়ে সংসদে বিস্তারিত আলোচনা হওয়া জরুরি।
মোটের উপর, পশ্চিম এশিয়ার অস্থিরতা ভারতের জন্য শুধু কূটনৈতিক নয়, অর্থনৈতিক ও সামাজিক দিক থেকেও বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে—এই বার্তাই স্পষ্ট করেছেন প্রধানমন্ত্রী।
পোস্ট টি শেয়ার করে সকলকে দেখার সুযোগ করে দেবেন।
Indian Political Action Committee