লাগিয়ে পালে খোলা হাওয়া

  • Home
  • India
  • Kakdwip
  • লাগিয়ে পালে খোলা হাওয়া

লাগিয়ে পালে খোলা হাওয়া লাগিয়ে পালে খোলা হাওয়া / Lagiye Pale

আজকে শুরু হলো 57 দিনের অমরনাথ যাত্রা। হর হর মহাদেব। 2011 এর স্মৃতি গুলো মনে পড়ে।
03/07/2026

আজকে শুরু হলো 57 দিনের অমরনাথ যাত্রা। হর হর মহাদেব। 2011 এর স্মৃতি গুলো মনে পড়ে।

13/04/2026

গরমে বাগানের রানী।
08/03/2026

গরমে বাগানের রানী।

05/03/2026
28/12/2025

❤️🥹

ন জনমি যোগম, জপম, নৈব পূজাম।নতোহম  সদা, সর্বদা শুম্ভু-তুভ্যম।রুদ্রনাথ অভিযান……….মোটামুটি নির্বিঘ্নে প্রায় সন্ধ্যা সাড়ে...
25/12/2025

ন জনমি যোগম, জপম, নৈব পূজাম।
নতোহম সদা, সর্বদা শুম্ভু-তুভ্যম।
রুদ্রনাথ অভিযান……….
মোটামুটি নির্বিঘ্নে প্রায় সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা নাগাদ, তারিখটি ছিল ০৪/১০/২০২৫ আমরা পৌঁছে গেলাম সগর গ্রাম,, তো এইবার রাত্রি কাটানোর জন্য প্রয়োজন একটি হোটেল কিছুক্ষণ খোঁজার পরে পাওয়া গেল একটা ভুতুড়ে ঘর, তবে বেশ সস্তা আমরা দলে ১২ জন সবাই পুরুষ, আমাদের কোন ভয়ডর নেই, নিয়েই নিলাম। রাতেই গেসার চালিয়ে গরম জলে স্নান করে নিলাম। আগামীকাল খুব ভোর ভোর ট্রেকিং শুরু করতে হবে। রুদ্রনাথ ট্রেকিং খুবই কঠিন একটি যাত্রা । যেহেতু আমরা প্রস্তুতি নিয়েছিলাম তাই আমরা খুব ভোর ভোর প্রায় পাঁচটা নাগাদ আমাদের রুদ্রনাথের উদ্দেশ্যে ট্রেকিংটি শুরু করতে পারলাম, যথেষ্ট ঠান্ডা ছিল কিন্তু প্রথম থেকেই রাস্তা পুরো চড়াই ছিল তাই কিছুক্ষণ হাঁটার পরেই দরদর করে ঘামতে লাগলাম। প্রায় দুই কিলোমিটার যাওয়ার পর কেদারনাথ বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের চেকপোস্ট, এখানে রসিদ কাটতে হল মাথাপিছু দুশো টাকা করে। এরপর আমাদের দল ভেঙ্গে টুকরো টুকরো হয়ে গেল যে যার মত হাঁটতে শুরু করলাম ধীরে ধীরে পৌঁছে গেলাম পুঙ্গ খরক, একটা সবুজ গালিচা মতো, ইচ্ছে হচ্ছিল এখানে একটু মনের মত করে সময় কাটাই কিন্তু উপায় নাই সামনে প্রচুর রাস্তা যেতে হবে আমাকে। এই পর্যন্ত মোটামুটি ঠিকই ছিল রাস্তা, এর পর থেকেই তো শুরু হল আসল চড়াই , উরি বাবা সিঁড়ি বেয়ে যেন সরাসরি আকাশের দিকে উঠছি, একটা ধাপ সিঁড়ি উঠেই বিশ্রাম নিতে হচ্ছিল , এইভাবে আস্তে আস্তে, ঘামতে ঘামতে পৌঁছে গেলাম মৌলি খরক, এখানে আমরা আমাদের দলের প্রায় আট জন মিলিত হলাম এবং একটু গল্প গুজব করে চা বানালাম, ম্যাগি খেলাম, একটু বিশ্রামও হয়ে গেল। এখনো বহুদূর। হর হর মহাদেব ই একমাত্র ভরসা। এই নাম আওড়াতে আওড়াতে, কত নাম না জানা জলস্রোত, কত উঁচু উঁচু গাছ, কত শ্যাওলা ধরা সুপ্রাচীন পাথর, কাদা ধুলো মাটি, লম্বা লম্বা ঘাস মাড়িয়ে, শর্টকাট রাস্তা ধরে এগিয়ে চলতে লাগলাম। লক্ষ্য একটাই বাবার রুদ্রনাথের মন্দির। ধীরে ধীরে পেরিয়ে এলাম , পুঙ্গ খরক, মৌলি খরক, লিন্টি বুগিয়াল। এই লিন্টি বুগিয়াল থেকে আরো প্রায় ১১ কিলোমিটার বাবা রুদ্রনাথের মন্দির। এই লিন্টি বুগিয়ালে শেষ রাত্রি বাসের সুযোগ আছে, এরপর বাবা রুদ্রনাথের মন্দির পর্যন্ত আর কোন রাত্রিতে থাকার জায়গা নাই, শর্টকাট ধরতে ধরতে এগিয়ে চললাম, কোন বিশ্রাম, কোন খাওয়া-দাওয়া ছাড়াই, সামনে সুউচ্চ 🗻 ওই পাহাড় পেরিয়ে, ওপারে যেতে হবে ও তারপর ওই পাহাড়ের ওপারে ওই পাহাড়ের গা বেয়ে সরল রাস্তা ধরে এগিয়ে যেতে হবে বাবা রুদ্রনাথ 🛕মন্দিরের দিকে। ঠান্ডা দেশের চড়া রৌদ্র, পাথরের চাঙ্গড় দিয়ে তৈরি ভাঙ্গা সিঁড়ির মতো রাস্তা, হর হর মহাদেব ধ্বনি, নিচে সাদা মেঘের আনাগোনা, পাহাড়ি ছোট ছোট গাছ, পাশের গভীর খা্দ সবকিছু অনুভব করতে করতে পৌঁছে গেলাম পানার বুগিয়াল, হে ভগবান সামনেই সবুজ গালিচা সুবৃহৎ সবুজ ঘাসে ঢাকা বিশাল এলাকা জুড়ে নয়নাভিরাম পাহাড়ি উপত্যকা, হতবাক হয়ে বসে পড়লাম, জানিনা এ জীবনে আর কোনদিন এখানে আসতে পারবো কিনা এ দেখাই হয়তো শেষ দেখা, তাই আপ্রানে শুষে নেওয়ার চেষ্টা করলাম এই অভূতপূর্ব সৌন্দর্য, পৃথিবী এত সুন্দর, বারে বারে মনে আসছিল মরিতে চাহিনা আমি এই সুন্দর ভুবনে। সম্বিত ফিরে পেতে একটু সময় লাগলো- এখনো সাত কিলোমিটার বাকি রয়েছে, পাহাড়ের গা বেয়ে সরু পাহাড়ি রাস্তা ধরে সোনালী ঘাসের বুক চিরে এগিয়ে যেতে হব্ কোন ক্লান্তি নেই , মনে হচ্ছিল, এইভাবে হাজার হাজার মাইল আমি অতিক্রম করে ফেলতে পারব। সেই ভাবে হাঁটতে হাঁটতে পাশের সুবিশাল খাদে মেঘের খেলা দেখতে দেখতে পৌঁছলাম পিতৃধার, এইবার প্রায় পাঁচ কিলোমিটারের বেশি উতরাই কম চড়াই রাস্তা পেরোতে হবে, তর তর করে এগোতে থাকলাম বাবা রুদ্রনাথের উদ্দেশ্যে, ভালোই গতিতে যাচ্ছিলাম হঠাৎ পঞ্চগঙ্গার কাছে শুরু হল বরফ বৃষ্টি আর দাঁড়াবো না বরফ বৃষ্টি কে আশীর্বাদ ভেবে নিয়ে চলতেই থাকলাম, কান পেতে শুনতে পেলাম বরফের টুপটাপ করে ঝরে পড়া, কিছু সময়ের মধ্যে পাহাড়ি উপত্যকা সাদা হয়ে গেল, যে দিকে তাকাই শুধু ছোট ছোট বরফের নুড়ি। হাঁটতে থাকলাম, হাঁটতেই থাকলাম বরফ জলে রাস্তায় কোন কোন জায়গায় একটু কাদা কাদা, কিছু পরেই পুরো এলাকা জুড়ে কুয়াশাচ্ছন্নতা, সন্ধ্যে ঘনিয়ে আসছে, পৌঁছাতেই হবে বাবা রুদ্রনাথের মন্দিরে, দেখতে হবে সন্ধ্যা আরতি, যা এক অনন্য অভিজ্ঞতা হয়ে থাকবে, ক্রমশঃ মন্দিরের থেকে শুনতে পেলাম ঘন্টার ধ্বনি, যথাসময়ে পৌঁছে গেলাম বাবা রুদ্রনাথ দেবের দ্বারে, সন্ধ্যা আরতির শুরু হব হব পরিস্থিতি, প্রচন্ড পরিশ্রমে দাঁড়াতেই পারছিলাম না, সন্ধ্যার সেই পূন্য লগ্নে বাবার রুদ্রনাথের পূণ্যভূমিতে অবাক বিস্ময়ে দর্শন করলাম, সন্ধ্যা আরতীর দিব্যদর্শন। শ্রবন করলাম, ডমরুর শ্রুতি মধুর শব্দ, আকাশ বাতাস ধ্বনিত হল হর হর মহাদেব ধ্বনিতে, পাহাড়ে পাহাড়ে গুঞ্জিত হলো ওম শিব শম্ভু, খালি পায়ে বরফ শীতল ঠান্ডা মন্দির চত্বর থেকে মন্দিরের মধ্যে বাবার রুদ্রনাথের দর্শনের জন্য প্রবেশ, সুদীর্ঘ ১৩ ঘন্টা অনবরত হাটার ক্লান্তি, সারাদিন না খাওয়া হেতু কষ্ট, কোন কিছুই অনুভূত হলো না, শুধু বাবার মুখমন্ডল দর্শনের পর মনের মধ্যে খুশির ঝলক আর শরীরে দীপ্ততার আভাস পেলাম, এ কখনো ভুলতে পারবো না, ভোলা সম্ভব নয়, সারা জীবন যতদিন এ দেহে প্রাণ থাকবে শুধুই অনুভব করব এমন পরম মুহূর্তকে, মাটিতে প্রণাম করে নন্দী দেবতার কানে কানে মনের ইচ্ছা ব্যক্ত করে, কিছুক্ষণ ধ্যান মগ্ন রইলাম, হৃদয়ে তখন শুধুই মুগ্ধতা, তারপর ধীরে ধীরে ফিরে এলাম আমাদের তাঁবুতে তখন সেখানে বিতরিত হচ্ছিল সন্ধ্যা আরতির ভোগ প্রসাদ, পরম তৃপ্তিতে ভক্ষণ করে সোজা চলে গেলাম লেপের তলায়, সুগভীর নিদ্রার পর যখন দেখি তখন ভোর অনেকটাই, মুখ চোখ ধুয়ে আবার দিনের মন্দির দেখার জন্য গেলাম, কিছুক্ষণ মন্দির চত্বর ঘুরে এসে ফেরার জন্য রওনা দিলাম প্রকৃতির রূপে বিভোর তো হয়ে ই ছিলাম, ফেরার রাস্তা হাঁটতে হাঁটতে পার করলাম পঞ্চগঙ্গা, পিতৃধা্র, পানার বুগিয়া্ল, লিন্টি বুগিয়াল, পৌছলাম মৌলি খরক। কেউ বলেছিল মৌলি খারাক থেকে গহর একটা শর্টকাট রয়েছে, জঙ্গলের মধ্যে যেতে হয়, আমরা তখন আডভাঞ্চারাস, আমাদের একটি টিম সগর গ্রামের দিকে নামার রাস্তায় বেরিয়ে গেছে, আমরা সাত জন মিলে ঠিক করলাম নতুন রাস্তা এক্সপ্লোর করব। বললাম চলো যাওয়া যাক, বিশাল ভুলটা এখানেই করে ফেললাম সারা জীবনের মধ্যে একটা ভয়ংকর স্মৃতি হিসেবে গনিত হবে। চা ম্যাগি পেট পুরে খেয়ে, এইতো আর ৪ কিলোমিটার রাস্তা (লোক মুখে শুনেছিলাম) বলে বেরিয়ে পড়লাম । রাস্তা বলে তো কিছুই নেই, পাহাড়ি বিশাল বিশাল পাথরের চাঙ্গড় আর পাহাড়ি গাছ চারিদিকে ভর্তি, হাত ও পা উভয়েই কাজে লাগিয়ে মাঝে মাঝে একসাথে ৩০০/৪০০ ফুট খাড়াই খাদে নেমে যাচ্ছি , এভাবেই প্রায় ঘন্টা আড়াই নামার পর আকাশে কালো মেঘের ঘনঘটা দেখতে পেলাম, রাস্তায় প্রায় লোকের দেখা নেই, ভাবলাম রাস্তা বুঝি শেষ হয়ে এসেছে , একদম ভুল ভেবেছিলাম, কিছু পরেই শুরু অঝোরে বৃষ্টি, ২+২+৩ ফরমেশনে আমাদের টিম ভেঙ্গে গেল। আমি ও আরো দু জন সবার পিছনে হাঁটতে আছি, হাঁটতেই আছি । রাস্তার কোন শেষ নেই, আস্তে আস্তে অন্ধকার ঘনিয়ে আসছে, আমরা আপ্রাণ হাঁটতেই আছি, কোথাও আর কেউ নেই, সঠিক রাস্তা বেঠিক রাস্তা কিছুই বোঝা যাচ্ছে না। একটা দুটো লাল রঙের ঘর ওপর থেকে দেখেছিলাম , এই ঘর গুলো বন্ধ । সুদীর্ঘ দিন এই ঘরগুলো ব্যবহার হচ্ছে না বোঝাই যাচ্ছে, যেন কোন অশুভ শক্তির ভয়ে সবাই এখান থেকে পালিয়ে গিয়েছে। কয়েকটা বড় বড় হাড় দেখতে পেলাম, গবাদি পশু বা অন্য কোন জন্তু-জানোয়ারের হতে পারে। সেই শুনশান শ্মশানের মত জায়গায় জনমানবহীন অন্ধকারাচ্ছন্ন পরিবেশ, সন্ধ্যা তখন নামো নামো, এক অজানা ভয়ে গা ছমছম করে উঠলো। এবার আর দিগ্বিদিক জ্ঞান না রেখে মাড়া ধরে হাঁটতে লাগলাম । একটু খানি নামার পর একটি হোমস্টে দেখতে পাওয়া গেলো, যেখানে কেউ আছে বলে মনে হল। তার স্বরে ডাকাডাকির পর মালিক তার প্রিয় ডগি সহ বেরিয়ে এলেন। বললেন, এখনো প্রায় তিন কিলোমিটার রাস্তা বাকি আছে, উনার ওখানে ওই রাত্রি টা থেকে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করলেন । নিদেন পক্ষে একটু চা খাওয়ার অনুরোধ জানালেন, আরো বললেন আপনারা অবশ্যই তিনজন একসাথে থাকবেন। টর্চ আছে কিনা জানতে চাইলেন, আমাদের তখন থরহরি অবস্থা এখনো তিন কিলোমিটার রাস্তা বাকি আছে ! শুনে আর ও শুনলাম সামনের রাস্তায় জঙ্গল আরও ঘন, ভাল্লুক, বাঘরোলের ইত্যাদির উপদ্রব আছে। সবিনয়ে চায়ের আমন্ত্রণ, যদিও কঠিন ছিল তবুও উপেক্ষা করে বেরিয়ে পড়লাম, কেননা আমাদের সবাই প্রায় ফিরে গেছে। মোবাইলের আলো বন্ধ করে টর্চ বের করা হলো, মোবাইলের চার্জ বাঁচিয়ে রাখতে হবে, অবস্থা আরো গুরুতর হবে ধরেই নিয়েছিলাম, বৃষ্টি খানিকটা কমেছে, হালকা হালকা ঝরতেই আছে, আমাদের পোশাক পরিচ্ছদ জুতা মোজা সব ভিজে প্যাচপ্যাচে হয়ে গেছে, বেশ ঠান্ডাও লাগছিল কিন্তু চরম উত্তেজনায় ঠান্ডার মালুম ই হচ্ছিল না, পুরোপুরি অন্ধকার হয়ে গেল। এই সুবিস্তৃত বনাঞ্চলে টর্চের ভরসায় এগিয়ে চললাম তিনজন। রাস্তা আরো খারাপ হয়ে গেল আরো, সম্পূর্ণ আন্দাজে এগিয়ে চললাম পাহাড়ী অরণ্যের বুক চিরে। এক জায়গায় একটি টিনের তৈরি ভুতুড়ে ঘর, নিম গাছ, সরু পাতলা গাছের ডাল দিয়ে বেড়া মত করা আছে। সেই অন্ধকারে উত্তরাখণ্ডের অজানা এক বনাঞ্চলে, পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ 24 পরগনা জেলার বকখালীর বাসিন্দা তিনজন তখন কোন অঘটন ঘটতে পারে, এই আশঙ্কায়, দুরু দুরু মনে ওই ঘরের পাশের ছোট্ট একটা জলপ্রবাহ পেরিয়ে হেঁটে চলেছি যেন কোন অজানার সন্ধানে। এক বাসিন্দা রাস্তার কোথাও কোথাও লাল কাপড়, হলুদ কাপড় বেঁধে দিক নির্দেশ করে রেখেছে, এভাবে ঘন্টা দুই হাঁটার পর হঠাৎ চোখের পড়ল অনেক নিচে কোন বাসিন্দাদের ঘরের আলো, মনে আশার সঞ্চার হল, পরক্ষণে ই মনে হলো এখনো এত রাস্তা নামতে হবে কমপক্ষে আরো দু'ঘণ্টার রাস্তা হবে বৈকি, আমরা তখনই ক্লান্ত শ্রান্ত মুহ্যমান। এখনো এত রাস্তা বাকি এই ঘন অন্ধকারে, ঝোপঝাড় জঙ্গলের মধ্য দিয়ে ভাবতেই, মেরুদন্ড দিয়ে একটা শীতল স্রোত বয়ে গেল। এই ভাবতে ভাবতেই হঠাৎ এসে পড়লাম একটা চাওড়া পাহাড়ী রাস্তায়, বন্ধুদের ফোন করে জানতে পারলাম এখান থেকে আমাদের গাড়ী আর মাত্র এক কিলোমিটার দূরে। পাহাড়ি জায়গা তো, আমাদের আর একধাপ নামতে হবে, এতক্ষণে মনে সাহসের সঞ্চার হল, যাকগে রাস্তা হারাই নি, পকেটে মোটর ভাজা ছিল, চিবোতে, চিবোতে, খোঁজ নিতে নিতে, হাঁটতে হাঁটতে পৌঁছলাম বাসের কাছে, পিছনে ফেলে এলাম এক ভয়ঙ্কর সুন্দর স্মৃতি যা মনের মনি কোঠায় আজীবন গচ্ছিত থাকবে। টিমের সবার চেষ্টায় সুন্দর একটা হোটেল পেয়ে গেলাম, সবাই তড়িঘড়ি ভিজে জামা প্যান্ট খুলে ফ্রেশ হয়ে সোজা লেপের তলায় সেঁধিয়ে গেলাম, সময়ের আগেই চলে এলো রাতের খাবার, খুবই উপাদেয় লেগেছিল। আর এক মুহূর্ত দেরি না করে লেপের তলায় শরীর গরম করতে করতে ঘুমানোর ঠিক আগের মুহূর্তে ভাবছিলাম কোথায় সেই বঙ্গোপসাগরের উপকূল থেকে বেরিয়ে পড়েছিলাম বাবার রুদ্রানাথের উদ্দেশ্যে, এই উত্তরাখণ্ডের কোন এক বনভূমির লোকহীন অরণ্যে রাত্রির অন্ধকারে ফেরার পথ হাতড়াচ্ছি, হয়তো আর কোনদিনই ফে্রা হয়ে উঠত না, বাংলার আমার এই প্রিয় এই পল্লী গ্রামে, ওই বঙ্গোপসাগরের তীরে, ওই গঙ্গা সাগরের পুন্যভুমিতে। এই অরণ্যের রাত্রি আমাদের যেন প্রশ্ন করছিল, কিসের তোমাদের এত নেশা, কেন এতো অজানাকে জানার ইচ্ছে… এই প্রকৃতির কোল যেন আমাদের আহবান করছিল, আমাদের তাদের আত্মীয়তা স্বীকার করতে… কিন্তু আমি জানিয়েছিলাম আমাদের এখনো অনেক রাস্তা অতিক্রম করতে হবে… এবার মদমহেশ্বর…………
শ্রী রুদ্রম… ওম নমঃ ভগবতে রুদ্রায়………………

Address

Pathar Pratima, Namkhana, South 24 Pgs
Kakdwip

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when লাগিয়ে পালে খোলা হাওয়া posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share