Kojagar

Kojagar Eco-Homestay, Amlasol, Jhargram

ঠিক সন্ধ্যে নামার মুখে...                                                            📷 Roy Sourav
27/04/2026

ঠিক সন্ধ্যে নামার মুখে... 📷 Roy Sourav

কালো দীঘি জল।                                                                      গ্রামে ঢুকতেই প্রথম যা চোখে পড়ে।    ...
24/04/2026

কালো দীঘি জল। গ্রামে ঢুকতেই প্রথম যা চোখে পড়ে। 📷 Santanu Dey

সকল বন্ধুদের নববর্ষের শুভেচ্ছা!                                           📷 Subrata Mistry
15/04/2026

সকল বন্ধুদের নববর্ষের শুভেচ্ছা! 📷 Subrata Mistry

14/04/2026

চৈত্র পবনে...

আকাশে আজ রঙের খেলা মনে মেঘের মেলা।                        📷 Sukalyan Ghosh
12/04/2026

আকাশে আজ রঙের খেলা মনে মেঘের মেলা। 📷 Sukalyan Ghosh

খেলিলে হোলি ধূলায় ঘাসে ঘাসে......                                      বসন্তে কোজাগর।                                  ...
11/04/2026

খেলিলে হোলি ধূলায় ঘাসে ঘাসে...... বসন্তে কোজাগর। 📷 Subrata Mistry

এক পশলা বৃষ্টির পর কোজাগর ....                                   📷 Partha Sarathi Moulik
09/04/2026

এক পশলা বৃষ্টির পর কোজাগর .... 📷 Partha Sarathi Moulik

অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিলেন  Saikat Chanda ........ পাহাড় জঙ্গলে ঘেরা জঙ্গলে মহলের ছোট্ট গ্রাম আমলাশোল।ঝাড়খন্ড সীমান্তের কা...
06/04/2026

অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিলেন Saikat Chanda ........ পাহাড় জঙ্গলে ঘেরা জঙ্গলে মহলের ছোট্ট গ্রাম আমলাশোল।ঝাড়খন্ড সীমান্তের কাছে, ঘাটশিলা স্টেশন থেকে ২০ কিমি দূরত্বে প্রকৃতির কোলে এক শান্ত নিরিবিলি জনপদ....শাল, মহুয়া, কুসুমের জঙ্গল, ইতিউতি পলাশের হাতছানি, ছোট ছোট টিলা, আর মানুষের অনাড়ম্বর দিন গুজরান্....এই আমলাশোল। এর ই মাঝে লাল দেওয়াল লাল মেঝের এক আন্তরিক ঠিকানা 'কোজাগর'।দেয়ালের গায়ে শঙ্কর দা'র আঁকা ছবি...ঘরের পিছনের দিকের বারান্দায় দাড়ালে দেখা যায় ধানক্ষেত, ক্ষেত পার করে জঙ্গল আর পাহাড়ের সারি... বারান্দার পাশে আম গাছের ছায়ায় ঝোলানো দোলনা টি কোজাগরের অন্যতম আকর্ষণ। অনেক দিন থেকে যাব যাব করে মার্চ মাসের প্রথম সপ্তাহে শেষমেশ যাওয়া হল দু দিনের জন্য। সন্দীপন‌ দা আর স্নিগ্ধা দি কে ধন্যবাদ জানানোর ধৃষ্টতা আমি করব না, তবে এত সুন্দর অভিজ্ঞতার জন্য আমাদের সবার তরফ থেকে কৃতজ্ঞতা জানাই...এই দু দিন আমাদের যাবতীয় আব্দার মিটিয়েছেন 'মামা' আর দুই দিদি যত্ন করে আমাদের রেধে বেড়ে খাইয়েছেন।। প্রকৃতির কোলে শান্তিতে দু তিন দিন অনায়াসেই কাটিয়ে আসতে পারেন।

লিখলেন Bithika Dasgupta.....................পশ্চিমবঙ্গের ঝাড়গ্রাম জেলার বেলপাহাড়ি অঞ্চলের একটি গ্রাম হলো  আমলাশোল ।একস...
27/03/2026

লিখলেন Bithika Dasgupta.....................

পশ্চিমবঙ্গের ঝাড়গ্রাম জেলার বেলপাহাড়ি অঞ্চলের একটি গ্রাম হলো আমলাশোল ।
একসময় অনাহার ও অনুন্নয়নের কারণে এই গ্রামটি খবরের শিরোনামে থাকত । এখন পরিস্থিতির পরিবর্তন হয়েছে ।

চারদিকে পাহাড়ের মাঝে সবুজে মোড়া এই গ্রামটি পর্যটকদের মন কেড়ে নিয়েছে এবং তার ফলে ওখানকার মানুষজনের কর্মসংস্থানের সুযোগ হয়েছে । ছুটি পেলেই শহরের মানুষ ভীড় করছেন এই গ্রামে , অপূর্ব প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করার জন্য ।
গ্রামের সহজ সরল মানুষগুলোর মুখে হাসি ফুটেছে । এই পর্যটন শিল্পকে কেন্দ্র করে তারা নতুন ভাবে বাঁচতে শিখেছে।

আমরা সাতজন মিলে চলে গেছিলাম আমলাশোল গ্রামে এই অক্টোবর মাসে ।

কোজাগর হোমস্টেতে আমরা ছিলাম।

দুধারে শালবন আর মাঝে রাস্তা ....
জঙ্গলের মধ্য দিয়ে চলেছি আর গোগ্রাসে সব গিলতে গিলতে চলেছি।
চারদিকে সবুজ পাহাড় । লালমাটির পথ এঁকেবেঁকে চলেছে । দুধারে ধানক্ষেত কাঁচাপাকা রঙে চোখ জুড়িয়ে যাচ্ছে । পুকুর পাড়ে তালগাছ , খেজুর গাছে হাড়ি বাঁধা , আদিবাসীদের রঙবেরঙের মাটির ঘর , দেওয়ালে সুন্দর আঁকা...এসব দেখলে মন আরো রঙীন হয়ে যায় ।
এই সুন্দর নিরিবিলি শান্ত পরিবেশে দু তিনদিন থাকতেই মন চায় ....
কোজাগর হোমস্টের সামনে সবুজের যেন মেলা বসেছে !
চারপাশে সবুজ পাহাড় আর সবুজ ক্ষেত
সামনে সবুজ জমি ....ঠিক যেন খেলার মাঠ !

বিকেলে পৌঁছোলাম খড়্গপুর থেকে গাড়িতে করে কোজাগর হোমস্টেতে।
সবুজের ছোঁয়ায় মন নেচে উঠল ।
আর দেখি এক এক করে আদিবাসী শিশুরা ওই সবুজ মাঠে ঢুকছে , উদ্দেশ্য একটাই ....খেলা
কি যে ভালো লাগছিল !
ওরা ভীষণ সহজ সরল ....
সবাই পড়াশোনা করার চেষ্টা করে। প্রাইমারী ইশকুলে পড়তে যায়।

দু'দিন এই হোমস্টেতে ছিলাম।
মন হালকা হয়ে যাবে
আনন্দে গেয়ে উঠতে ইচ্ছে করবে
মামা , সুমিত্রা আর মথুরের হাতে শালপাতা মোড়া চিকেন আগুনে ঝলসে যা তৈরী হয় যাকে পাতা পোড়া চিকেন বলে তা খেতে বারবার আসতে ইচ্ছে করবেই ।
ফুলকো লুচি আর সাদা আলুর তরকারি ...
পুরো জমে যাবে।

অসম্ভব সুন্দর প্রকৃতির রূপ আর তার সাথে এই হোমস্টের পরিবেশ ..... অনবদ্য

আর একটা কথা বলতেই হবে .....
এখানে প্রচুর বিভিন্ন ধরণের পাখী আসে তাই যারা পাখীপ্রেমিক তাদের জন্য কোজাগর হোমস্টে একেবারে আদর্শ । একটাই কারণ নিরিবিলি শান্ত পরিবেশ।

আরো লিখতে ইচ্ছে করছিল কিন্তু এর শেষ নেই তাই বাকীসব ভেতরেই থাক!

মন খারাপ নিয়ে ফিরে গেলাম।
আবার নয় বারবার আসতেই হবে।

এই আনন্দ পেতে গেলে কোজাগরেই আসতে হবে .........

কিছু ছবি ক্যামেরার লেন্সে বন্দী করলাম।
CANON SX70HS

পশ্চিমবঙ্গের ঝাড়গ্রাম জেলার বেলপাহাড়ি অঞ্চলের একটি গ্রাম হলো  আমলাশোল ।একসময় অনাহার ও অনুন্নয়নের কারণে এই গ্রামটি খব...
27/03/2026

পশ্চিমবঙ্গের ঝাড়গ্রাম জেলার বেলপাহাড়ি অঞ্চলের একটি গ্রাম হলো আমলাশোল ।
একসময় অনাহার ও অনুন্নয়নের কারণে এই গ্রামটি খবরের শিরোনামে থাকত । এখন পরিস্থিতির পরিবর্তন হয়েছে ।

চারদিকে পাহাড়ের মাঝে সবুজে মোড়া এই গ্রামটি পর্যটকদের মন কেড়ে নিয়েছে এবং তার ফলে ওখানকার মানুষজনের কর্মসংস্থানের সুযোগ হয়েছে । ছুটি পেলেই শহরের মানুষ ভীড় করছেন এই গ্রামে , অপূর্ব প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করার জন্য ।
গ্রামের সহজ সরল মানুষগুলোর মুখে হাসি ফুটেছে । এই পর্যটন শিল্পকে কেন্দ্র করে তারা নতুন ভাবে বাঁচতে শিখেছে।

আমরা সাতজন মিলে চলে গেছিলাম আমলাশোল গ্রামে এই অক্টোবর মাসে ।

কোজাগর হোমস্টেতে আমরা ছিলাম।

দুধারে শালবন আর মাঝে রাস্তা ....
জঙ্গলের মধ্য দিয়ে চলেছি আর গোগ্রাসে সব গিলতে গিলতে চলেছি।
চারদিকে সবুজ পাহাড় । লালমাটির পথ এঁকেবেঁকে চলেছে । দুধারে ধানক্ষেত কাঁচাপাকা রঙে চোখ জুড়িয়ে যাচ্ছে । পুকুর পাড়ে তালগাছ , খেজুর গাছে হাড়ি বাঁধা , আদিবাসীদের রঙবেরঙের মাটির ঘর , দেওয়ালে সুন্দর আঁকা...এসব দেখলে মন আরো রঙীন হয়ে যায় ।
এই সুন্দর নিরিবিলি শান্ত পরিবেশে দু তিনদিন থাকতেই মন চায় ....
কোজাগর হোমস্টের সামনে সবুজের যেন মেলা বসেছে !
চারপাশে সবুজ পাহাড় আর সবুজ ক্ষেত
সামনে সবুজ জমি ....ঠিক যেন খেলার মাঠ !

বিকেলে পৌঁছোলাম খড়্গপুর থেকে গাড়িতে করে কোজাগর হোমস্টেতে।
সবুজের ছোঁয়ায় মন নেচে উঠল ।
আর দেখি এক এক করে আদিবাসী শিশুরা ওই সবুজ মাঠে ঢুকছে , উদ্দেশ্য একটাই ....খেলা
কি যে ভালো লাগছিল !
ওরা ভীষণ সহজ সরল ....
সবাই পড়াশোনা করার চেষ্টা করে। প্রাইমারী ইশকুলে পড়তে যায়।

দু'দিন এই হোমস্টেতে ছিলাম।
মন হালকা হয়ে যাবে
আনন্দে গেয়ে উঠতে ইচ্ছে করবে
মামা , সুমিত্রা আর মথুরের হাতে শালপাতা মোড়া চিকেন আগুনে ঝলসে যা তৈরী হয় যাকে পাতা পোড়া চিকেন বলে তা খেতে বারবার আসতে ইচ্ছে করবেই ।
ফুলকো লুচি আর সাদা আলুর তরকারি ...
পুরো জমে যাবে।

অসম্ভব সুন্দর প্রকৃতির রূপ আর তার সাথে এই হোমস্টের পরিবেশ ..... অনবদ্য

আর একটা কথা বলতেই হবে .....
এখানে প্রচুর বিভিন্ন ধরণের পাখী আসে তাই যারা পাখীপ্রেমিক তাদের জন্য কোজাগর হোমস্টে একেবারে আদর্শ । একটাই কারণ নিরিবিলি শান্ত পরিবেশ।

আরো লিখতে ইচ্ছে করছিল কিন্তু এর শেষ নেই তাই বাকীসব ভেতরেই থাক!

মন খারাপ নিয়ে ফিরে গেলাম।
আবার নয় বারবার আসতেই হবে।

এই আনন্দ পেতে গেলে কোজাগরেই আসতে হবে .........

কিছু ছবি ক্যামেরার লেন্সে বন্দী করলাম।
CANON SX70HS

গত মার্চে কোজাগরের আশেপাশে
28/02/2026

গত মার্চে কোজাগরের আশেপাশে

লিখলেন Babita Saha............................................     গত প্রায় এক বছর ধরে পরিকল্পনার পর অবশেষে আমরা সাতজন ...
15/02/2026

লিখলেন Babita Saha............................................ গত প্রায় এক বছর ধরে পরিকল্পনার পর অবশেষে আমরা সাতজন সহকর্মী ঘুরে এলাম ঝাড়গ্রাম জেলার অন্তর্গত আমলাশোল এর কোজাগর হোমস্টে থেকে।
বেশ কিছুদিন যাবৎ ফেসবুক এবং একটি প্রদর্শনীতে কোজাগরের ছবি দেখার পর কোজাগর যেন আমাদের সবাইকে টানছিল।
খড়গপুর অব্দি ট্রেনে গিয়ে আমরা একটি গাড়ি করে আমলাশোলের পথে রওনা দিলাম। খড়গপুর ছাড়িয়ে কিছুদূর যাওয়ার পর থেকেই পথের দু'ধারের সবুজ সৌন্দর্য্য মন একেবারে ভরিয়ে দিল। পুরো পথ জুড়েই কখনো সবুজ ধানের ক্ষেত,কখনো ঘনশালের জঙ্গল, দূরে ছোট বড় পাহাড়,আর তারই মাঝে মাঝে গ্রাম্য জীবনের ছবি ফুটে উঠতে লাগলো।
এই সৌন্দর্য্য অতিক্রম করার পর আরও এক সৌন্দর্য্য আমাদের জন্য অপেক্ষা করেছিল সেটা হলো কোজাগর।
চারিদিকে ছোট বড় পাহাড়, ঘনশালের জঙ্গল, পাকা ধানে ভরা ক্ষেত। তারি মাঝখানে বিরাজ করছে কোজাগর। সবুজ গালিচার মত আঙিনাকে ঘিরে কোজাগরের খাওয়ার জায়গা, থাকার জায়গা এবং কয়েকটি টেন্ট। কোজাগর থেকে বেরোলে যেদিকেই যাওয়া যাবে সেদিকেই সুন্দর সাজানো ছবির মত গ্রাম।
কোজাগরের সকাল দুপুর বিকেল রাত সব বেলাই যেন আলাদা আলাদা সৌন্দর্য্য নিয়ে আমাদের চোখে ধরা দিল। খুব ভোরে শিশির ভেজা ঘাস, মোরগের ডাক। বেলা বাড়লে আশেপাশের গ্রামের দৈনন্দিন কাজের শুরু, গরু -ছাগল- হাঁস- মুরগির খোয়ার থেকে বেরিয়ে চড়তে যাওয়া, দরিদ্র শিশুদের নগ্ন পায়ে বই বগলে পড়তে যাওয়া, খেজুর রস এ জ্বাল দেওয়া ইত্যাদি কত কিছুই না দেখলাম। গ্রামের প্রতিটি বাঁক এবং প্রতিটি মানুষই যেন ছবির বিষয়বস্তু। কোনায় কোনায় সৌন্দর্য্য।
কোজাগরে আমরা দুটো দিন ছিলাম। সেই দুটো দিনে যে কি নির্ভেজাল আনন্দ লাভ করেছি তা বলবার নয়। আমরা নিজেরা সাত জন।তার সাথে আমরা আনন্দের ভাগীদার হিসেবে পেয়েছিলাম কোজাগরেরই অন্যতম দুই কর্ণধার সন্দীপন ও পার্থকে ( স্নিগ্ধা তো সঙ্গেই ছিল )। এর সাথে উপরি পাওনা ছিল মহুল,মাদল আর মিষ্টু। এই তিনজন বিশেষ করে মাদল থাকার জন্য কোজাগরের সবুজ মাঠে সারাদিন ছিল অনেক তারাপদ আর রাজুর অবিরাম আনাগোনা ( সকলের নাম মনে রাখতে পারিনি ) তাদের প্রাণোচ্ছল খেলাধুলা, ঝগড়া বিবাদ,মান অভিমান দেখে নিজেরাও যেন শৈশবে ফিরে গিয়েছিলাম। গ্রামে কোন নেটওয়ার্ক না থাকার জন্য বাচ্চাদের মধ্যে প্রকৃত শৈশব এবং গ্রামের মানুষদের মধ্যে অসীম সরলতা আমরা প্রত্যক্ষ করলাম। এরকম গ্রামে এলে বোঝা যায় যে শহুরে বাচ্চাদের শৈশব মোবাইল কিভাবে কেড়ে নিয়েছে।খালি গায়ে, খালি পায়ে বাচ্চা গুলোর প্রাণে যে কি আনন্দ। কি যে ছবি তোলার সময় টুকু ছাড়া নিজেরাও দুদিন মোবাইল থেকে মুক্তি পেলাম।

দুদিন ধরে ঘুরে বেড়িয়ে গ্রামের মানুষদের সাথে আলাপচারিতায় মনটা বড় ভালো হয়ে গেল। কত সহজ-সরল মানুষ।
এখানে যাদের কথা না বললেই নয় তাদের একজন হলেন কোজাগরের মামা, যিনি ওই গ্রামের লোক না হয়েও গ্রামের মানুষদের সাথে নিজেকে একাত্ম করে ফেলেছেন। সব দিকেই তার নজর।আবার রেঁধে বেড়ে খাওয়ানোতেও তিনি পটু। মামারই সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করে যাচ্ছে সুমিত্রা আর মথুর। রান্না বান্না যত্নআত্তি আর এখানকার বিশেষ একটি পদ পাতা পোড়া চিকেন বানাতেও এরা সিদ্ধ হস্ত। এই পাতা পোড়া চিকেন বানানোর ব্যাপারটাও এখানকার সন্ধ্যা কে অন্যরকম মাত্রা দেয়।
এরপর আসি কোজাগরের রাতের কথায়। অনেক রাতে চাঁদের আলোয় ঘন জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে হেঁটে গিয়ে এক পুকুর পাড়ে বসে সন্দীপন আর মহলের গান শোনার অভিজ্ঞতাও অনন্য। চাঁদের আলোয় জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে হেঁটে যেতে মনে পড়ল বুদ্ধদেবে গুহর সেই উপন্যাসের কথা, বন জ্যোৎস্না য় সবুজ অন্ধকার ।আমাদের বেড়ানোর এটা একটা বিশেষ পাওনা।
কোজাগর এবং আশেপাশের গ্রামে ঘোরাঘুরি করতে করতে এবং মানুষগুলিকে দেখে খুব অরণ্যের দিনরাত্রি সিনেমাটার কথা মনে হচ্ছিল। মনে হচ্ছিল শহুরে সভ্যতা থেকে দূরে সেই পালামৌ এর জঙ্গলেই আমরা ঘুরে বেড়াচ্ছি। কিছু কিছু মহিলাকে দেখে মনে হচ্ছিল অরন্যের দিন-রাত্রি র সেই ডুলির কথা।

আবার রাতে খাওয়া দাওয়ার পর রাত জেগে চাঁদের আলোয় মাঠে বসে স্নিগ্ধা সন্দীপন আর পার্থ র গান কোজাগর নামটিকে যথার্থ করে তুলেছিল।আকাশে চাঁদ থাকলে রাত এখানে জাগতেই হবে। নাহলে যে এখানে আসাটাই অসম্পূর্ণ থেকে যাবে। নামটাই তো রাত জাগার কথা বলে দেয়।

দুদিন কোজাগরের গ্রাম্য জীবন যেন আমাদের অনেকদিনের প্রানশক্তির যোগান দিলো। কর্মব্যস্ত শহুরে জটিলতা থেকে দূরের এই গ্রাম্য জীবন আমাদের অনেক কিছু দিলো। বুদ্ধদেব গুহর কথা ধার করেই বলতে হয়, নির্জনতা কখনো কাউকে খালি হাতে ফেরায় না।
আবার যাওয়ার অপেক্ষায় রইলাম।প্রানশক্তি ফুরিয়ে এলেই আবার দলবেঁধে চলো কোজাগর।

Address

KOJAGAR, Amlasole
Jhargram
722161

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Kojagar posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Kojagar:

Share

Category