Amar Bhromoner Dinguli

Amar Bhromoner Dinguli Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Amar Bhromoner Dinguli, Travel and transport, Calcutta Bara Bazar.

Permanently closed.

:আমার ভ্রমণের দিনগুলি :

অনেক দিন ধরেই ইচ্ছে ছিল নিজের ঘোরার অভিজ্ঞতাগুলো লিখে রাখি। এই পৃথিবীটা অনেক বড়, আর আমরা যা দেখি, তা কেবলই এক টুকরো অংশ। তাই ভাবলাম, সেই টুকরো টুকরো অভিজ্ঞতাগুলোই একসাথে জড়িয়ে রাখি এই ব্লগে – "আমার ভ্রমণের দিনগুলি"।

https://youtu.be/ms6CGvmw9EU
08/04/2026

https://youtu.be/ms6CGvmw9EU

মালদ্বীপ মানেই কি লাখ লাখ টাকার বিলাসবহুল রিসোর্ট আর সেলিব্রিটিদের আনাগোনা? একদমই নয় ! নমস্কার বন্ধুরা, আজকের এই ...

কোচবিহার বিমানবন্দর: এক রাজকীয় উৎথান ও পতনের কাহিনী ১৯৩০-এর দশকে কোচবিহারের মহারাজা নৃপেন্দ্র নারায়ণের ব্যক্তিগত ব্যবহা...
07/12/2025

কোচবিহার বিমানবন্দর: এক রাজকীয় উৎথান ও পতনের কাহিনী

১৯৩০-এর দশকে কোচবিহারের মহারাজা নৃপেন্দ্র নারায়ণের ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য "নীল কুঠি" নামে এই বিমানবন্দরটি তৈরি হয়েছিল। ১৯৪৭ সালের দেশভাগের পর যখন অসমের সঙ্গে রেল যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়, তখন এই বিমানবন্দরই উত্তর-পূর্ব ভারতের সাথে যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম হয়ে দাঁড়ায় ।
দীর্ঘ যাত্রাপথ:

শুরুর দিনগুলিতে (১৯৪৮): এভিয়েশন, কলিঙ্গা এয়ারওয়েজের মতো সংস্থাগুলি এখানে পরিষেবা দিত।

বন্ধ ও চালুর খেলা: ১৯৭৪ সালে প্রথম পরিষেবা বন্ধ হয়। এরপর ১৯৮৪ সালে স্বল্প সময়ের জন্য 'বায়ুদূত' পরিষেবা চালু হলেও, ১৯৯৫ সালের পর তা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। এরপর থেকে এটি মূলত সামরিক বা ভিআইপি ফ্লাইট ছাড়া অচল ছিল।
শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের ভ্রমণকাহিনিতে এই বিমানবন্দরের উল্লেখ আছে। উনি একবার এখানথেকে মালবাহী বিমানে কলকাতা ফিরে আসেন।

স্বপ্নপূরণ ও 'উড়ান' প্রকল্প: দীর্ঘ টালবাহানার পর, ২০২৩ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি কেন্দ্রীয় সরকারের 'উড়ান' (UDAN) প্রকল্পের অধীনে ৯ আসনের একটি ছোট বিমান কলকাতা-কোচবিহার রুটে পরিষেবা শুরু করে। একইঞ্জিন বিশিষ্ট এই বিমানটিতে কোনো টয়লেট ছিল না। এবং যাত্রী ও পাইলট পাশাপাশি যাত্রা করতেন। মাটির খুব কাছদিয়ে যাত্রাকালে এই বিমানটি বাংলাদেশের আকাশসীমা ব্যাবহার করতো। এই বিমানে কোনো বিমানসেবিকা ছিল না। এটি ছিল কোচবিহারবাসীর কাছে এক বিরাট স্বস্তি।

বর্তমান পরিস্থিতি:

তবে, এই পরিষেবাও দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। পরিকাঠামোগত সমস্যা, সরকারের ডোনেশন বন্ধ করে দেওয়া , বিশেষ করে বড় বিমান ওঠানামার জন্য পর্যাপ্ত রানওয়ের অভাব এবং বাণিজ্যিক কারণে, ইন্ডিয়া ওয়ান এয়ার (IndiaOne Air) সংস্থা ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারী মাস থেকে পরিষেবা বন্ধ করার কথা জানিয়েছে। যদিও শেষ গতকাল পর্যন্ত এই বিমানটি ৯ জন যাত্রী নিয়েই যাত্রা করেছিল। যাত্রাকালে টিকেট মূল্য ছিল ৩৮০০ টাকা।

কোচবিহার বিমানবন্দরের এই উত্থান-পতনের ইতিহাস আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে পরিকাঠামোর উন্নয়ন কতটা জরুরি। স্থানীয় মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি, রানওয়ে সম্প্রসারণ করে যাতে বড় বিমান পরিষেবা চালু রাখা যায়। দেখা যাক, এই ঐতিহ্যের ডানা আবার কবে পুরোপুরি মেলে!

মানালির  স্বাদের সফর — এক ভ্রমণ গল্পআমরা ২০২১ সালে মানালি ঘুরতে গিয়েছিলাম।  আসল উদ্দেশ্য ছিল "সার পাস " ট্রেকিং তবে যাবা...
20/11/2025

মানালির স্বাদের সফর — এক ভ্রমণ গল্প
আমরা ২০২১ সালে মানালি ঘুরতে গিয়েছিলাম। আসল উদ্দেশ্য ছিল "সার পাস " ট্রেকিং তবে যাবার পথে আমরা ২ দিন মতো মানালীতে ছিলাম। দারুন সুন্দর জায়গা এই মানালী। মানালি মানেই বরফ, পাহাড়, নদীর স্রোত—আর তার থেকেও বড় কথা, পথের ধারে লুকিয়ে থাকা অসাধারণ সব স্ট্রিট ফুড। এই প্ৰবন্ধে আমি ঠিক সেরকমই কিছু খাবারের সন্ধান দেব , যেগুলোর ইতিহাস, স্বাদ ও ঐতিহ্য মানালিকে আরও মোহময়ী করে তুলবে ।

১) সিদ্ধু — কাঠের আগুনে পাহাড়ি স্বাদ

( দাম ১৫০ টাকা পার প্লেট )

যেদিন পৌছুলাম সেদিন সন্ধ্যাবেলাতে ইতিউতি ঘুরতে ঘুরতে বাঙালি পিঠের মতো দেখতে এই অদ্ভূৎ খাবারটা দেখতে পেলাম। একটা কিনে আমি আর সপ্তপর্ণী ভাগ করে খেলাম। শীতের সন্ধ্যায় গরম গরম সিদ্ধু ঝাল ঝাল চাটনী দিয়ে খেতে মন্দ লাগলো না। তবে এত বড়ো জিনিস একা খাওয়া খুব মুশকিল। সবথেকে বড়ো কথা এটা খাবার পর আর আমাদের রাতের খাবার লাগে নি।
এটি মূলত হিমাচলের ঐতিহ্যবাহী রুটি, যা গমের ময়দা দিয়ে বানানো হয় এবং ভেতরে থাকে আখরোট, তিল, পোস্তদানা, কিংবা পালং শাকের স্টাফিং।
সিদ্ধুর ইতিহাস খুব পুরোনো—একসময় কঠিন ঠান্ডায় শক্তি ধরে রাখতে পাহাড়ি মানুষরা এই কার্বোহাইড্রেট-সমৃদ্ধ খাবার খেতেন। কাঠের চুলায় ধীরে ধীরে সিদ্ধু ফুলে ওঠে এবং ঘি মাখানো গরম অবস্থায় এর স্বাদ অতুলনীয়।
এটি শুধু খাবার নয়, পাহাড়ি মানুষের জীবনধারার প্রতীক ও বটে।

2)ট্রাউট ফিশ — বিয়াস নদীর উপহার

( দাম ২৫০-৫০০ টাকা পার প্লেট )

মানালিতে পৌঁছে আমি প্রথম সপ্তপর্ণীর কাছে জানতে চাইলাম - এই নদীতে আবার মাছ পাওয়া যায় নাকি ? ও বললো তা আবার যায় না। এই সব জায়গা ট্রাউট ফিশ এর জন্য বিখ্যাত। বাঙালি বলে কথা মাছ ছাড়া থাকা যায় অতএব এ মাছ আমায় খেতেই হবে। সুতরাং খোঁজ শুরু হলো। মোনেস্ট্রির কাছে অনেকগুলো ননভেজ দোকান পেলাম। তারই একটাতে ঢুকে পড়লাম। টাটকা মাছ গ্রিল করে ১০ মিনিটের মধ্যে চাটনি সহযোগে প্লেট এ হাজির হলো। দারুন খেতে। মাঝে শুধু একটা কাঁটা। অনেকটা ভেটকীর মতো স্বাদ। ওদের কাছে শুনলাম এই সব পাহাড়ী মাছ নাকি আজকাল ফার্মিংও হচ্ছে।বিয়াস নদীতে বিশেষভাবে চাষ করা হয় এই ট্রাউট মাছ .
ব্রিটিশ আমলে হিমাচলে ট্রাউট চাষ শুরু হয় এবং তখন থেকেই এটি পর্যটকদের প্রধান আকর্ষণ। মানালির খাবারের তালিকায় ট্রাউট যেন ‘স্টার ডিশ’।
এই খাবারের বিশেষত্ব হলো—মাছটিকে অতিরিক্ত মশলা নয়, লেবু, বাটার, কালো মরিচ ও পাহাড়ি হার্ব দিয়ে হালকা গ্রিল করা হয়। এতে মাছের প্রকৃত স্বাদ বেরিয়ে আসে।

3)লাফিং — ঠান্ডার মাঝে টক-ঝালের লাজবাব স্বাদ

( দাম ১০০ টাকা পার প্লেট )

তিব্বতি লাফিং মানালির গলিতে গলিতে মেলে। লাফিং মূলত মুগডাল বা তিসির জেলির মতো একটা রোল, যাকে পাতলা করে কেটে তাতে ঝাল-টক চিলি সস, সয়া সস আর ভিনেগার মেশানো হয়।
এর ইতিহাস তিব্বতি বৌদ্ধ ভিক্ষুদের কাছ থেকে এসেছে, যারা উপবাসের সময় সহজপাচ্য এই খাবার খেতেন।
ঠান্ডার মাঝে এর ঝাঁঝালো স্বাদ শরীরে একদম উষ্ণতা এনে দেয়!

4) জিলেপি — পাহাড়ি সকালে গরম গরম মিষ্টি

( ২০ টাকা পিস )

মানালির বাজারে সকালে গেলে গরম-গরম জিলেপি ভাজার দৃশ্য চোখে পড়বেই। ময়দা ও টক দইয়ের ফারমেন্টেড ব্যাটার দিয়ে তৈরি এই গোল পাকানো মিষ্টির ইতিহাস ভারতীয় শাসকদের আমল থেকেই চলে আসছে।
পাহাড়ি দোকানদারেরা আজও তামার কড়াইয়ে ঘি বা তেলে জিলেপি ভেজে সুগন্ধ ছড়িয়ে দেন।

5) ছোট গোল গুলাবজাম — নরম, গরম, স্বর্গীয়
( দাম ৩০ টাকা পার প্লেট। ১০ পিস মতো থাকে। )

মানালিতে “মিনি গুলাবজামুন” খুব বিখ্যাত। ছানার বদলে এটি অনেক সময় খোয়া দিয়ে তৈরি করা হয়, ফলে মিষ্টিটা আরও নরম ও স্যাঁতস্যাঁতে হয়।
গোল করে ভেজে গরম চিনির রসে ডুবিয়ে শালপাতার পাত্রে গরম গরম পরিবেশন করা হয়। এর উৎপত্তি মূলত পারস্য থেকে, পরে মুঘল আমলে ভারতীয় রূপ পায়।
মানালির ঠান্ডায় গরম গুলাবজাম খেলে মনে হয় আনন্দ যেন জিভ থেকে সোজা মনে ঢুকে যাচ্ছে।

6) দই চাট — টক-মিষ্টি ক্রাঞ্চের মেলবন্ধন

( ১৫০ টাকা / প্লেট। একটু বেশী দাম। এই বস্তুতটা না খেলে কোনো
মহাভারত অশুদ্ধ হবে বলে আমার মনে হয় না। )

মানালির স্ট্রিট ফুডে দই চাট অপরিহার্য। এখানে আলু, চনা, পেঁয়াজ, ধনেপাতা, দই, ইমলি চাটনি আর ভুজিয়া একদম পারফেক্টভাবে মেশানো হয়।উত্তর ভারতের চাট সংস্কৃতি থেকে এটির জন্ম।
ভ্রমণ ক্লান্তি কাটাতে এক বাটি ঠান্ডা দই চাট হলো একদম চমৎকার রিফ্রেশমেন্ট।

ধাম — হিমাচলের ঐতিহ্যের থালি

(৩৫০ টাকা। আমরা এই খাবারটি হিমাচল ডেভলপমেন্ট অথোরিটির রেস্তুরাঁ থেকে খেয়েছিলাম। বাজারে আরো কম দামে এটি পাওয়া যায়। )

ধাম—হিমাচলির পূর্ণ ঐতিহ্যবাহী ভোজ। এই খাবারের ইতিহাস ১০০০ বছরেরও বেশি পুরোনো। রাজাদের বিয়ে বা পুজোর সময় ‘বোটিই’ নামে ব্রাহ্মণ রান্নাবিদরা বিশেষ ভোজ রান্না করতেন, সেখান থেকেই ধামের উৎপত্তি।
ধামে থাকে—
• রাজমা
• চনা মদরা
• তিল ও দইয়ের ভাজি
• রাইস
• সবজি
সব খাবারই ঘি, দই, স্থানীয় মসলা ও পাহাড়ি চালের সঙ্গে তৈরি হয়।
এককথায় ধাম হলো হিমাচলের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও আতিথেয়তার প্রতীক।

কাসোল গুরুদোয়ারার লঙ্গর — নিরাময়ের স্বাদ, সমতার বার্তা

মানালি থেকে কাসোল যাওয়ার পথে গুরুদোয়ারা সাহিব। পাহাড়ের মাঝে এত শান্ত, এত পবিত্র পরিবেশে বসে লঙ্গর খাওয়া সত্যিই আলাদা অভিজ্ঞতা।
গুরুদোয়ারার লঙ্গর শতাব্দীপুরোনো শিখ ঐতিহ্যের অংশ—যেখানে জাত, ধর্ম, অর্থ কোনও ভেদাভেদ নেই। সবাই একই সঙ্গে বসে খায়, সবাইকে একই রকম খাবার পরিবেশন করা হয়।
লঙ্গরের খাবার সাধারণ হলেও তার স্বাদ অসাধারণ—
• গরম রুটি
• ডাল
• সবজি
• রাইস
• আর শেষে মিষ্টি গুর

এই খাবারের বিশেষত্ব হলো—এটি ভালোবাসা, সেবাশ্রদ্ধা এবং সমতার আদর্শ নিয়ে রান্না হয়।
গুরুদোয়ারার স্বেচ্ছাসেবকরা (সেওয়াদার) নিজের হাতে তৈরি করেন প্রতিটি পদ। পাহাড়ি জলের স্বচ্ছতা আর মানুষের মন থেকে দেওয়া সেবার ফলে খাবারের স্বাদ যেন আরও পবিত্র হয়ে ওঠে।
কাসোল গুরুদোয়ারার লঙ্গর যাত্রার শেষে আমার মনে একটাই কথা—
“এটা শুধু খাবার নয়, এটা আত্মার শান্তি।”
________________________________________

মানালির মালাই দুধ ও স্থানীয় মিষ্টির গল্প —
পাহাড়ি সন্ধ্যার স্বাদ , মানালির ঠান্ডা সন্ধ্যা, রাস্তায় হালকা কুয়াশা, আর মল রোডের দোকানগুলোর সামনে ধোঁয়া ওঠা কড়াই—এই পরিবেশেই জন্ম নেয় এক অনন্য স্বাদ—মানালির মালাই দুধ। মিষ্টি, ঘন, উষ্ণ এই দুধ মানালির পথচলার এক অবিচ্ছেদ্য অংশ।
মানালির মালাই দুধ এমনই বিখ্যাত যে সন্ধ্যার পরপরই দোকানগুলোর সামনে লাইন পড়ে যায়। বড় কড়াইয়ে দুধ দীর্ঘক্ষণ ধরে জ্বাল দেওয়া হয়, যতক্ষণ না তা ঘন হয়ে উঠে আসা মালাইয়ে ভরে ওঠে।
কিভাবে তৈরি হয়?
• প্রথমে খাঁটি গরুর দুধ ঘণ্টার পর ঘণ্টা স্লো ফ্লেমে ফুটানো হয়।
• ওপরে জমতে থাকা মালাই বারবার আলাদা করে রাখা হয়।
• শেষে এলাচ, জাফরান ও অল্প পরিমাণ চিনি বা গুড় মেশানো হয়।
• গরম দুধ ঢালা হয় মাটির ভাঁড়ে, তার ওপরে ভাসানো হয় মোটা মালাইয়ের স্তর।
শীতল পরিবেশে এই গরম মালাই দুধ খাওয়ার আনন্দই আলাদা—হাত গরম হয়, মন গরম হয়, আর শরীরে যেন নতুন এনার্জি ফিরে আসে।
আপনি যদি মানালি যাবার কথা ভাবেন তবে এই খাবারগুলো অবশ্যই চেখে দেখতে ভুলবেন না। শেষ প্রাকৃতিক দুর্যোগে গুরুদ্বোযারা পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। ছবিতে যে ব্রিজটা দেখছেন তা সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে গেছে। এখন নতুন ব্রিজ তৈরি হয়েছে। হিমালয় নিয়ে মানুষ যে ছেলেখেলা শুরু করেছে তার শাস্তির হাত থেকে ঈশ্বর ও রক্ষা পাচ্ছেন না।
কলকাতা থেকে মানালি—কিভাবে যাবেন ?

মানালি হিমাচল প্রদেশের একটি জনপ্রিয় পাহাড়ি শহর। কলকাতা থেকে সরাসরি মানালি যাওয়ার ট্রেন বা ফ্লাইট নেই, তবে কয়েকটি সহজ উপায়ে আপনি মানালিতে পৌঁছে যেতে পারেন।

১) ফ্লাইটে কলকাতা থেকে মানালি

কলকাতা → দিল্লি → কুলু -মানালি (ভুন্টার এয়ারপোর্ট) . এখান থেকে ট্যাক্সি করে মানালি। খরচ অনেক। ১৫০০০ এর কাছাকাছি।

A. কলকাতা থেকে দিল্লি ফ্লাইট

কলকাতা (CCU) থেকে দিল্লি (DEL) প্রতিদিন অনেক ফ্লাইট আছে।

ফ্লাইট সময়: ২ ঘণ্টা ১৫ মিনিট (প্রায়)।

B. দিল্লি থেকে মানালি (ভুন্টার এয়ারপোর্ট)

মানালির সবচেয়ে কাছের বিমানবন্দর হলো ভুন্টার / কুল্লু এয়ারপোর্ট (KUU)। দিল্লি থেকে ভুন্টারে ছোট বিমান চলে। ভুন্টার থেকে মানালি দূরত্ব প্রায় ৫০ কিমি, গাড়িতে ১.৫–২ ঘণ্টা। এটাই সবচেয়ে দ্রুত পথ।

২) কলকাতা → দিল্লি → মানালি (ভলভো বাসে) দিল্লি থেকে মানালি ৯৫০-১০৫০ টাকা।

এটি সবথেকে ভালো রুট।

A. প্রথমে কলকাতা থেকে দিল্লি ফ্লাইট

প্রতিদিন প্রচুর ফ্লাইট। সময়: ২ঘণ্টা+ খরচ ৫০০০

B. দিল্লি থেকে মানালি ভলভো বাস (৯৫০-১০৫০ টাকা। )

কাশ্মীরি গেট বা মজান্না থেকে বাস ছাড়ে। সময় নেয় ১২–১৪ ঘণ্টা। সব নাইট সার্ভিস। ভয়ানক রাস্তা। ভীষণ জোরে বাস চলে। আরামদায়ক Volvo AC/Sleeper পাওয়া যায়।

৩) ট্রেনে কলকাতা থেকে মানালি

মানালি পর্যন্ত সরাসরি কোনও ট্রেন নেই। আপনাকে নিকটবর্তী স্টেশন পর্যন্ত যেতে হবে।

Option A — কলকাতা → দিল্লি → মানালি

কলকাতা থেকে দিল্লি পর্যন্ত অনেক ট্রেন চলে। সেখান থেকে আবার বাস/ট্যাক্সি/ফ্লাইটে মানালি।
এছাড়াও অনেকে চন্ডিগড় হয়েও যাতায়াত করে। কলকাতা থেকে চন্ডিগড় ফ্লাইট এ তারপর বাস। ৮-৯ ঘন্টা মতো সময় নেয় বাস এ। আমরা প্রথমে ফ্লাইট এ দিল্লী এসে তারপর কাশ্মীরি গেট থেকে বাস ধরেছিলাম। অনলাইন বাস টিকিট বুক করা যায়। রেড বাস এর এপ্লিকেশন ও ব্যবহার করতে পারেন।

কোথায় থাকবেন ?

1) Hotel Him Regency (Mall Road থেকে ~0.11 কিমি) ≈ ₹ 1,155 + ট্যাক্স / রাত
2)The Veer Villa (Mall Road ~0.11 কিমি) ≈ ₹ 1,028 + ট্যাক্স / রাত
3)Hotel Snow View (Mall Road ~0.14 কিমি) ≈ ₹ 1,874 + ট্যাক্স / রাত
4)Aloka Resort (Mall Road সংলগ্ন) ≈ US $ 63.21 ≈ ₹ ৫,৫০০ / রাত
5)Rockland Cottage (Mall Road এলাকায়) রেট শুরু হয় প্রায় ₹ 945/রাত থেকে

বেনারসের পথে ঘাটে কলকাতা থেকে বারাণসী: এক অবিস্মরণীয় আধ্যাত্মিক যাত্রা— আমার ভ্রমণ অভিজ্ঞতাভারতের মানচিত্রে এমন কিছু শহ...
18/11/2025

বেনারসের পথে ঘাটে
কলকাতা থেকে বারাণসী: এক অবিস্মরণীয় আধ্যাত্মিক যাত্রা
— আমার ভ্রমণ অভিজ্ঞতা
ভারতের মানচিত্রে এমন কিছু শহর আছে, যেগুলো শুধু ভ্রমণের গন্তব্য নয়—বরং অনুভূতিরও ঠিকানা। তেমনই একটি শহর বারাণসী। সকালবেলার সূর্যের মতো উজ্জ্বল, আর গঙ্গার ঢেউয়ের মতো শান্ত, এই শহরের আধ্যাত্মিকতায় হারিয়ে যাওয়া যায় অনায়াসে।
কীভাবে গেলাম:
কলকাতা থেকে বারাণসী যাওয়ার জন্য বেশ কয়েকটি পথ আছে। আমার যাত্রা শুরু হয়েছিল হাওড়া স্টেশন থেকে।

ট্রেনে (সবচেয়ে সহজ ও জনপ্রিয় উপায়)
হাওড়া বা শিয়ালদহ থেকে প্রতিদিন বারাণসীর উদ্দেশ্যে কয়েকটি ট্রেন ছাড়ে। যেমন—
হাওড়া–বারাণসী বিভূতি এক্সপ্রেস (১২৩৩৩/১২৩৩৪) (প্রতিদিন ১৯.৫৫ হাওড়া)
দুন এক্সপ্রেস (130009/13010) ২০.২৫
হাওড়াASR মেল (১3005) ১৯.১৫
কলকাতা জট এক্সপ্রেস (১৩১৫১)
এছাড়াও
পূর্বা এক্সপ্রেস (12381) বুধ বৃহস্পতিবার ও শনিবার (৮.১৫ হাওড়া)
রাজধানী (গয়া স্টেশন এ নামতে হবে)
ভাড়া যুক্তিযুক্ত, আর ভোরে বা বিকেলে ট্রেনে উঠলে পরের দিনের সকালেই বারাণসী পৌঁছে যাওয়া যায়।

ফ্লাইটে বারাণসী যাত্রা
কলকাতা থেকে বারাণসী (ডাইরেক্ট ফ্লাইট)
কলকাতা এয়ারপোর্ট থেকে প্রতিদিন ডাইরেক্ট ফ্লাইট পাওয়া যায়।
সময়: মাত্র ১ ঘণ্টা ২০ মিনিট
এয়ারলাইনস: IndiGo, Akasa ইত্যাদি
যারা দ্রুত পৌঁছাতে চান, তাদের জন্য বেস্ট অপশন।

দূর্গাপুর (Kazi Nazrul Islam Airport) → বারাণসী ফ্লাইট
বর্ধমান ও আসানসোল–দূর্গাপুর অঞ্চলের যাত্রীদের জন্য এটি ভীষণ সুবিধাজনক রুট।
বর্তমানে দূর্গাপুর থেকে বারাণসী-এর সরাসরি ফ্লাইট IndiGo পরিচালনা করছে।
উড়ান সময়: প্রায় ১ ঘণ্টা ১০ মিনিট
দূর্গাপুর এয়ারপোর্ট খুবই সহজগম্য—বর্ধমান থেকেও অ্যাক্সেস করা সুবিধাজনক।
যারা ট্রেন এড়িয়ে দ্রুত পৌঁছাতে চান, তাদের জন্য পারফেক্ট।
রোড ট্রিপ (অ্যাডভেঞ্চারপ্রেমীদের জন্য)
দূরত্ব প্রায় ৭০০ কিমি।
NH19 ধরে গাড়িতে গেলে সময় লাগে প্রায় ১২–১৩ ঘণ্টা। রাস্তা বেশ ভালো, আর পথে খাবার-দাবারের প্রচুর অপশন। যাবার পথে রানিগঞ্জের লিটি চোকা খেতে ভুলবেন না ।

🏨 যেখানে থাকলাম
বারাণসীতে হোটেলের অভাব নেই। গঙ্গার ঘাটের কাছে থাকলে সকালে আরতি দেখা আরও সহজ হয়।
মন্দির ট্রাস্ট এর হোটেলগুলো ভালো তবে এখানে সিগারেট বা মদ নিষিদ্ধ । আপনি ওদের ওয়েবসাইট থেকে বুক করতে হয় । তবে আগে থেকে বুক করাই ভালো ।
একদম নদীর ধারে থাকতে হলে হোটেল অলকা । খুব ভালো । দাম ৪০০০ কাছাকাছি । ব্যবহার খুব ভালো ।
সকালের গঙ্গা আরতি দেখতে হলে বা সকালের সূর্যোদয় enjoy করতে হলে আসসিঘাটের কাছের হোটেল নিতে হবে । চমৎকার শান্ত পরিবেশ।

লাক্সারি/ পাঁচ তারা হোটেল: যেমন Taj Ganges, Varanasi, BrijRama Palace, Varanasi—নদীর পাড়ে, বিলাসবহুল অভিজ্ঞতা। (খরচ ১০ থেকে ২৫০০০ পর্যন্ত)

বারাণসীতে আমার দিনলিপি
প্রথম দিন—ঘাটে ঘাটে ঘুরে বেড়ানো
গঙ্গার ধারে বসে থাকা মানেই অন্য এক জগতে চলে যাওয়া। সানি ঘাট, দশাশ্বমেধ ঘাট, মানিকর্ণিকা ঘাট—প্রতিটি ঘাটই যেন গল্পের মতো।
সন্ধ্যার গঙ্গা আরতি
দশাশ্বমেধ ঘাটের সন্ধ্যার গঙ্গা আরতি—জীবনে একবার না দেখলে যেন কিছুই দেখা হলো না।
ঢাকের আওয়াজ, শঙ্খ, মন্ত্র—সব মিলিয়ে এক অপূর্ব পরিবেশ।আপনি নৌকো ভাড়া করে নিতে পারেন দাম ২৫০০
কাশীর স্বাদ
কচুরি–সবজি - রাম ভান্ডার (ঠাটেরই বাজার)
মালাইইও - শ্রী জি সুইটস (ঠাটেরই বাজার)
লাস্সি - ব্লু লস্যি শপ (মণিকর্ণিকা ঘাট)
টমেটো চাট- কাশী চাট ভান্ডার
চা- বান মাসকা- লক্ষ্মী টি ষ্টল
পাপ্পু চায় ওয়াল- লেমন টি খুব বিখ্যাত । প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী এখানে চা খেতে আসেন । আসসিঘাট।
চৌরাসিয়া পানওয়াল- আসসিঘাট। মোদীজী এখানে পান খেতে খুব ভালোবাসেন ।
চাচী কা দুকান- হিং এর কচুরি । আসসিঘাট। এদের ব্যবহার খুব ভালো ।
এখানকার খাবার এত সুস্বাদু যে মন ভরে যায়।
কালভৈরভ মন্দির দর্শন -
পুরীর রাজা ও ব্রহ্ম হত্যার দায়ে দুষ্ট কালভৈরভ মন্দির দর্শন করে তবেই বিশ্বনাথ মন্দির দর্শন করা উচিত ।
কাশী বিশ্বনাথ মন্দির দর্শন
দ্বিতীয় দিনের সকালে কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরে গিয়েছিলাম। কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরের অফিসে জুতো ওয়ালেট মোবাইল রেখে ৪ নাম্বার গেট দিয়ে মন্দিরে ঢুকে পড়লাম । মসজিদকে পাশে রেখে মন্দিরের প্রবেশ দ্বার এ প্রবেশ করলাম । দিল্লির ঘটনার জন্য নিরাপত্তার খুব কড়াকড়ি ছিলো । মন্দিরটির কিছুদিন আগেই সংস্কার হয়েছে তাই দারুণ সুন্দর । মূল মন্দিরের চুড়া স্বর্ণখচিত ভোরের আলোয় দারুণ লাগছে । বাবা বিশ্বনাথ এর বৈভব দেখে খুব মজা লাগলো ।আমার আরাধ্য এই দেবতাকে আমি রুদ্রনাথ এ দেখেছি সেখানে সামান্য মেষপালকদের জন্য রুদ্রনাথ হিমালয়ের দুর্গম স্থানে অধিষ্টিত । কিংবা আমি তাঁকে সব ত্যাগ করে নীলকণ্ঠ হতে শুনেছি । কিন্তু তিনি এখানে কর্পোরেট কালচার র পলিটিক্সের হাতে বন্দি হয়েছেন । নন্দীর কানে কানে তাই প্রশ্ন করলাম আর কতদিন নিরীহ মানুষ মরবে? উত্তর জানে বলে মনে হলো না ।
সুগম দর্শন এর টিকিট কাটা থাকায় খুব সহজেই দর্শন হয়ে গেল।

কাশী বিশ্বনাথ মন্দির — Sugam Darshan কীভাবে বুক করবেন?
📱 Step-by-step — অনলাইনে Sugam Darshan বুকিং
- [ ] অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে যান
https://www.shrikashivishwanath.org
“Darshan / Pooja Booking” অপশনে ক্লিক করুন
হোমপেজে ঢুকেই ডানদিকে “Online Services” বা “Darshan Booking” দেখতে পাবেন।
যদি আগে অ্যাকাউন্ট না থাকে—
নাম, মোবাইল নম্বর, ইমেল, OTP ভেরিফাই
এগুলো দিয়ে নতুন অ্যাকাউন্ট খুলে নিন।
Login করে—- Sugam Darshan অপশন সিলেক্ট করুন
“Darshan Type” বা “Services” তালিকা থেকে SUGAM DARSHAN বেছে নিন।
তারিখ ও টাইম স্লট নির্বাচন করুন
সুগম দর্শনের জন্য নির্দিষ্ট সময় থাকে।
যে দিন দর্শন করতে চান সেই দিনের উপলব্ধ স্লট দেখে পছন্দমতো সময় নিন।
এক অ্যাকাউন্ট থেকে সাধারণত ৫–৬ জন পর্যন্ত বুক করা যায়।
প্রতিটি ভিজিটরের
নাম
বয়স
পরিচয়পত্র (Aadhaar / PAN / Passport)
এগুলো দিতে হয়।
পেমেন্ট মোড:
UPI/Net Banking/Debit/Credit Card
পেমেন্ট সফল হলেই আপনার ই-মেইলে ও ড্যাশবোর্ডে E-Ticket চলে আসবে।
এটি প্রিন্ট করে রাখবেন । আইডি প্রুফ সঙ্গে নিন
সাইটে গিয়ে কীভাবে এন্ট্রি করবেন?
টিকিটে লেখা গেট নাম্বার দেখে প্রবেশ করুন। টিকিট + আইডি দেখাতে হবে। টাইম স্লট মিস করলে দর্শন কঠিন হয়ে যায়—১০–১৫ মিনিট আগে পৌঁছান।
মহা শিবরাত্রি, সোমবার বা বিশেষ উৎসবের দিন স্লট দ্রুত ফুরিয়ে যায়, তাই আগে থেকেই বুক করুন।
কয়েকটি টিপস
সম্ভব হলে শীতকালে বারাণসী ভ্রমণ করুন।
ঘাটে ঘুরতে গেলে জুতো-চটি সহজে খুলে-পরা যায় এমন নিন।
মন্দিরে মোবাইল নিয়ে ঢোকা নিষেধ—আগেই লকারে রাখুন।
রাইড বাছতে Ola/Uber খুব সুবিধাজনক।
শেষ কথা
কলকাতা থেকে বারাণসী যেতে সময় লাগে সামান্য, কিন্তু ফিরতে ফিরতেই মনে হবে—শহরটা আপনার মনের একটা অংশ চুরি করে নিয়েছে।
শহরটাই এমন—অলৌকিক, শান্ত, আধ্যাত্মিক, আর গল্পে ভরা।আপনার যদি বারাণসী ঘোরার প্ল্যান থাকে, তবে একবার ঘুরে আসুন। গঙ্গার হাওয়া আর মন্দিরের ঘণ্টাধ্বনি আপনার মন ভালো করে দেবে।

25/05/2020
“May Lord Buddha guide us all on the path of Love, peace, truth & harmony.”Happy Buddha Purnima.🙏🏻
07/05/2020

“May Lord Buddha guide us all on the path of Love, peace, truth & harmony.”

Happy Buddha Purnima.
🙏🏻

🤣
05/05/2020

🤣

(RS)-2-[{4-[(7-chloroquinolin-4-yl)amino]pentyl}(ethyl)amino]ethanol🤣
13/04/2020

(RS)-2-[{4-[(7-chloroquinolin-4-yl)amino]pentyl}(ethyl)amino]ethanol

🤣

Address

Calcutta Bara Bazar

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Amar Bhromoner Dinguli posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share