Wanderlust Tales by SomNath & Pujaa

Wanderlust Tales by SomNath & Pujaa Passionate explorer, chasing new horizons & collecting memories from every corner of the globe�

||বুদ্ধপূর্ণিমাতে নাগপুর ||
22/05/2025

||বুদ্ধপূর্ণিমাতে নাগপুর ||

||অজন্তা গুহা||অজন্তা গুহা ভারতের ইতিহাস ও শিল্পকলার এক অপূর্ব নিদর্শন। মহারাষ্ট্রের অওরঙ্গাবাদ জেলার কাছে ওয়াঘোরা নদীর...
12/05/2025

||অজন্তা গুহা||

অজন্তা গুহা ভারতের ইতিহাস ও শিল্পকলার এক অপূর্ব নিদর্শন। মহারাষ্ট্রের অওরঙ্গাবাদ জেলার কাছে ওয়াঘোরা নদীর তীরে অবস্থিত এই গুহাগুলি প্রাচীন ভারতীয় স্থাপত্য, চিত্রকলা এবং ধর্মীয় ঐতিহ্যের এক অনন্য সমন্বয়।অজন্তা গুহাগুলির সৃষ্টি খ্রিস্টপূর্ব ২য় শতাব্দী থেকে খ্রিস্টীয় ৫ম শতাব্দী পর্যন্ত বিস্তৃত। এই গুহাগুলি মূলত বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের জন্য তৈরি করা হয়েছিল। এগুলি ছিল বৌদ্ধ ভিক্ষুদের জন্য মঠ (বিহার) এবং উপাসনার জন্য প্রার্থনা কক্ষ (চৈত্য)। গুহাগুলি দুটি প্রধান পর্যায়ে নির্মিত হয়েছিল। প্রথম পর্যায়ে (খ্রিস্টপূর্ব ২য় শতাব্দী থেকে খ্রিস্টপূর্ব ১ম শতাব্দী) নির্মিত গুহাগুলি হীনযান বৌদ্ধধর্মের প্রভাব বহন করে, যেখানে বুদ্ধকে প্রতীকী রূপে (যেমন, বোধি বৃক্ষ বা পদচিহ্ন) উপস্থাপন করা হতো। দ্বিতীয় পর্যায়ে (খ্রিস্টীয় ৫ম-৬ষ্ঠ শতাব্দী) মহাযান বৌদ্ধধর্মের প্রভাবে গুহাগুলিতে বুদ্ধের মূর্তি এবং জটিল চিত্রকলা দেখা যায়।অজন্তা গুহার নির্মাণে বাকাটক রাজবংশের শাসকদের পৃষ্ঠপোষকতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। কিন্তু ৭ম শতাব্দীর পর এই গুহাগুলি পরিত্যক্ত হয় এবং প্রকৃতির কোলে হারিয়ে যায়। ১৮১৯ সালে ব্রিটিশ সেনা অফিসার জন স্মিথ শিকারের সময় এই গুহাগুলি পুনরায় আবিষ্কার করেন, যা বিশ্বের কাছে অজন্তার অপরূপ সৌন্দর্যকে তুলে ধরে।অজন্তায় মোট ৩০টি গুহা রয়েছে, যদিও কিছু গুহা অসম্পূর্ণ। এই গুহাগুলি হাতুড়ি ও ছেনির সাহায্যে পাহাড়ের শিলা কেটে তৈরি করা হয়েছে যা আজকের দিনে ভাবলেও যেন অবিশ্বাস্য লাগে। কক্ষগুলি দুই ধরনের কাঠামোতে বিভক্ত: চৈত্য (প্রার্থনা কক্ষ) এবং বিহার (মঠ)।অজন্তা গুহার সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হল এর অপূর্ব চিত্রকলা এবং ভাস্কর্য। গুহার দেয়ালে আঁকা ম্যুরালগুলি বৌদ্ধ জাতক কাহিনী, বুদ্ধের জীবনী এবং সমসাময়িক সমাজের চিত্র তুলে ধরে। এই চিত্রকলাগুলি প্রাকৃতিক রঙ ব্যবহার করে আঁকা হয়েছিল, যা আজও তাদের উজ্জ্বলতা ধরে রেখেছে।অজন্তা গুহা কেবল শিল্পকলার নিদর্শন নয়, বরং প্রাচীন ভারতের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যেরও প্রতীক। এই গুহাগুলি বৌদ্ধধর্মের বিস্তার এবং এর শান্তিবাদী দর্শনের প্রমাণ বহন করে। জাতক কাহিনীগুলির চিত্রণ নৈতিক শিক্ষা ও করুণার বার্তা প্রচার করে। এছাড়া, গুহাগুলির চিত্রকলা ও ভাস্কর্যে তৎকালীন ভারতীয় সমাজের বৈচিত্র্য, বাণিজ্য এবং শিল্পের উন্নতি্ প্রতিফলিত হয়।।

|| দৌলতাবাদ দুর্গ  || ঔরঙ্গাবাদের (বর্তমানে সম্ভাজিনগর ) অনতিদূরেই অবস্থিত দৌলতাবাদ ফোর্ট। দৌলতাবাদ দুর্গ ইতিহাসের পাতায়...
14/03/2025

|| দৌলতাবাদ দুর্গ ||

ঔরঙ্গাবাদের (বর্তমানে সম্ভাজিনগর ) অনতিদূরেই অবস্থিত দৌলতাবাদ ফোর্ট। দৌলতাবাদ দুর্গ ইতিহাসের পাতায় অজেও দুর্গ হিসেবেও পরিচিত। এই দুর্গ কেও কখনো যুদ্ধে জয় করতে পারেননি। প্রতিরক্ষা পরিকল্পনা ও স্থাপত্যের এক চূড়ান্ত নিদর্শন এই দুর্গটি। যাদব বংশের রাজা ভিল্লাম পঞ্চম দ্বাদশ শতাব্দীতে সর্বপ্রথম এই দুর্গের নির্মাণকাজ শুরু করেছিলেন। এই যাদবরা ভগবান শ্রীকৃষ্ণেরই বংশধর বলে মনে করা হয়। দুর্গটি নির্মাণ করতে প্রায় ১০০ বছরেরও অধিক সময় লাগে।১৩০৮ সালে আলাউদ্দিন খলজির সেনাপতি মালিক কাফুর দেবগিরি বা দৌলতাবাদ জয় করেন।যুদ্ধে দুর্গজয় সম্ভব নয় জেনে মালিক কাফুর শত্রুদের অবরুদ্ধ করে খাদ্য ও পানীয়ের সরবরাহ বন্ধ করে দেন। ফলে দুর্গের ভিতরে খাদ্যাভাব দেখা দেয়।দীর্ঘদিনের অবরোধের পর রাজা রামচন্দ্রদেব আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হন। পরবর্তীতে ১৩২৭ সালে দিল্লির সুলতান মহম্মদ বিন তুঘলক তার রাজধানি দিল্লি থেকে দৌলতাবাদে স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নেন। সেই সময় দুর্গটির নাম পরিবর্তন করে 'দৌলতাবাদ' রাখা হয়, যার অর্থ 'ধনসম্পদের শহর'। পূর্বে এর নাম ছিল দেবগিরি।
১৩২৭-১৩৩৪ প্রায় ৭ বছর এই দুর্গ আর দৌলতাবাদ-ই ছিলো দেশের রাজধানী। ১৩৩৪ এ সুলতান আবার দিল্লিতে রাজধানী স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নেন। ইতিহাসের পাতায় যার জন্য হয়ে যান "পাগলা রাজা"।
পরবর্তীকালে এটি বাহমনি সুলতানদের হাতে আসে। বাহমনি সুলতান দ্বিতীয় আলাউদ্দিন আহমদ শাহ ১৪৪৫ খ্রিস্টাব্দে চারমিনারের অনুকরণে এখানে 'চাঁদমিনার' গড়ে তোলেন। এরপর এটি মুঘলদের হাতে আসে। মোগল সম্রাট শাহজাহান বহুদিন কাটিয়েছিলেন এই
দুর্গে। এরপর হাইদ্রাবাদের নিজামদের হাতে আসে এই দুর্গ এবং স্বাধীনতার পর ভারত সরকারের হাতে। বর্তমানে 'Archeological Survey Of India' দেখরেখ-এ আছে এই দুর্গ। ইংরেজ, ডাচ ও মোগল আমলের বহু কামান ও তোপ রাখা হয়েছে দুর্গটিতে। দুর্গটিতে একটি হিন্দু-মন্দির ছিল তবে বহু মুসলিম শাসকের হাতে এসে তা মসজিদে রূপান্তরিত হয়। তবে মন্দির নির্মাণ-এর মূল ভিত্তি বা গঠনশৈলী আজও বর্তমান।বর্তমানে মন্দির-মসজিদের সংঘর্ষ আটকাতে এটি "ভারতমাতা মন্দির" নামে নামকরণ করা হয়েছে এবং তাতে ভারতমাতার এক মূর্তিও রাখা হয়েছে।
সম্ভাজিনগর ভ্রমণকালে অজন্তা-ইলোরা এবং ঘৃষ্ণেশ্বর জ্যোতির্লিঙ্গ-র মতোই দৌলতাবাদ দুর্গও অবশ্য দর্শনীয় এক স্থান।
#দৌলতাবাদ #ভ্রমণ

|| মোগল সম্রাট ঔরঙ্গজেবের সমাধি ||১৬৩৬ খ্রিস্টাব্দে শাহজাহান তার পুত্র ঔরঙ্গজেবকে পাঠান দাক্ষিনাত্যের শাসনকর্তা হিসেবে।দ...
01/02/2025

|| মোগল সম্রাট ঔরঙ্গজেবের সমাধি ||

১৬৩৬ খ্রিস্টাব্দে শাহজাহান তার পুত্র ঔরঙ্গজেবকে পাঠান দাক্ষিনাত্যের শাসনকর্তা হিসেবে।দাক্ষিনাত্যের "ফাতেহনগর" জায়গাটির তিনি নামকরণ করেন "ঔরঙ্গাবাদ"। সম্রাট হয়ে দিল্লিতে রাজত্ব করার পর জীবনের শেষ কিছু বছর তিনি এই ঔরঙ্গাবাদে কাটান এবং তার শেষ নিঃস্বাস ত্যাগ করেন। বর্তমানে তার সমাধি রয়েছে ঔরঙ্গাবাদ তথা ছত্রপতি সম্ভাজিনগরের সামনেই "দৌলতাবাদ" নামক স্থানে। কট্টরপন্থী ঔরঙ্গজেব তার জীবনকালে বহু কুকর্ম করে শেষ জীবনে এসে ইচ্ছে রাখেন যে তার সমাধির উপর যাতে কোনোরকম ইমারত না তৈরী করা হয়। তার সমাধি যাতে তৈরী হয় তারই অর্জিত টুপি সেলাই -এর অর্থ থেকে। তাই খোলা আকাশের নিচেই তার সমাধি নির্মাণ হয়।পরবর্তীকালে ব্রিটিশ ভাইসরয় লর্ড কার্জন সমাধির চারপাশে একটি সাদা মার্বেলের বেষ্টনী তৈরি করেছিলেন সংরক্ষণের জন্য।
তার সমাধির কাছেই রয়েছে ঔরঙ্গজেবের পুত্র আজম শাহ ও সুফি সাধক শেখ জয়নুদ্দিনের দরগাহ-র সমাধি।

|| ঘৃষ্ণেশ্বর জ্যোতির্লিঙ্গ মন্দির ||মহারাষ্ট্র রাজ্যের আওরঙ্গাবাদ থেকে ৩০ কিলোমিটার এবং দৌলতাবাদ (দেবগিরি) থেকে ১০ কিলো...
28/01/2025

|| ঘৃষ্ণেশ্বর জ্যোতির্লিঙ্গ মন্দির ||

মহারাষ্ট্র রাজ্যের আওরঙ্গাবাদ থেকে ৩০ কিলোমিটার এবং দৌলতাবাদ (দেবগিরি) থেকে ১০ কিলোমিটার দূরে ইলোরা গুহার কাছে অবস্থিত ঘৃষ্ণেশ্বর জ্যোতির্লিঙ্গ মন্দির দ্বাদশ জ্যোতির্লিঙ্গের অন্যতম এক মন্দির ।ঘৃষ্ণেশ্বর শব্দের অর্থ "করুণার প্রভু"। ব্রাহ্মণপত্নী ঘুশ্মার নাম অনুসারে এই মন্দিরের নামকরণ। সংক্ষেপে বললে,পুরাকালে এই ব্রাহ্মণপত্নীর তপস্যায় সন্তুষ্ট হয়ে শিব তাকে বর চাওয়ার জন্য আহ্বান করলে তিনি উত্তর দেন "মানুষের কল্যাণে তুমি চিরকাল এই জায়গায় থাকো।''-সেই থেকেই ঘৃষ্ণেশ্বর মহাদেব নামে তিনি এই স্থানে তার লিঙ্গ-মূর্তি রূপে বিরাজমান।শিবপুরান, স্কন্দপুরান, রামায়ণ ও মহাভারতে এই জ্যোতির্লিঙ্গের উল্লেখ আছে। ত্রয়োদশ ও চতুর্দশ শতকে দিল্লির মুসলমান শাসক দ্বারা ধ্বংস প্রাপ্ত হওয়ার পর মারাঠাবীর শিবাজীর দাদু মালোজি ভোসলে এটিকে 16 শতকে প্রথম পুনরুদ্ধার করেন এবং মুঘল সাম্রাজ্যের পতনের পর ইন্দোরের রাণী গৌতম বাই হোলকারের পৃষ্ঠপোষকতায় 1729 সালে এটির বর্তমান রূপটি পুনর্নির্মাণ করা হয়।

#ঘৃষ্ণেশ্বর #জ্যোতির্লিঙ্গ

|| শনি শিঙ্গনাপুর ||মহারাষ্ট্রের আহমেদনগর শহর থেকে প্রায় ৩৫ কিমি দূরে অবস্থিত শিঙ্গনাপুর গ্রাম। গ্রামটি এমন এক গ্রাম যেখ...
23/01/2025

|| শনি শিঙ্গনাপুর ||

মহারাষ্ট্রের আহমেদনগর শহর থেকে প্রায় ৩৫ কিমি দূরে অবস্থিত শিঙ্গনাপুর গ্রাম। গ্রামটি এমন এক গ্রাম যেখানে "ঈশ্বর আছে মন্দির নেই, ঘর আছে দরজা নেই,গাছ আছে ছায়া নেই, ভয় আছে শত্রু নেই"। "শনিদেব" এখানে সয়ম্ভু কালো পাথরের মূর্তিতে বিরাজমান যা কলিযুগের শুরু থেকেই বিদ্যমান। শনিদেবের কোনও ছাদের দরকার নেই কারণ পুরো আকাশই তার ছাদ এবং তিনি খোলা আকাশের নীচে থাকতে পছন্দ করেন। গ্রামের কোনো বাড়ি বা দোকানেই নেই কোনো দরজা, আছে শুধু দরজার ফ্রেম।অথচ সমগ্র গ্রামে নেই কোনো চুরির খবর-কারণ শনিদেব কর্মের ফল দেন। শনিদেবের প্রকোপ বা সাড়ে সাতি-কে কে না ভয় পাই! আর শুধু মানুষ-ই বা কেন?শনিদেবের ভয়ে এখানে বিরাজমান তার সাড়ে পাঁচ ফুট উঁচু কালো শিলামূর্তি-র উপর ছায়া দেবার সাহস পাননা এখানের পার্শ্ববর্তী নিমগাছ গুলিও।এখানে শনিদেবকে তুষ্ট করার একটি প্রচলিত প্রথা 'তৈলাভিষেক'।তাইতো শনিদেবের ভক্তিতে বা তার তুষ্টিকরণে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ দেশ-বিদেশ থেকে ছুটে আসেন এই শিঙ্গনাপুরে তার শিলা মূর্তিতে তেল ঢালার উদ্যেশ্যে।

|| সাঁই বাবা ও শিরডি ||ভারতীয় গুরু ও সাধু  সাঁই বাবা "শিরডির সাঁই বাবা" নামেই পরিচিত।আজকের দিনেও মহারাষ্ট্রের শিরডি শহর...
18/01/2025

|| সাঁই বাবা ও শিরডি ||

ভারতীয় গুরু ও সাধু সাঁই বাবা "শিরডির সাঁই বাবা" নামেই পরিচিত।আজকের দিনেও মহারাষ্ট্রের শিরডি শহরের প্রাণকেন্দ্র তিনিই। এই শহরের হোটেল, রেস্তোরাঁ, পথ-ঘাট, মন্দির থেকে শুরু করে প্রতিটি বিন্দুতেই যেন তার নাম ও মহিমা ছড়িয়ে রয়েছে। তাঁকে ঘিরেই সেজে উঠেছে এই শহর।তাঁর প্রকৃত জন্মস্থান ও জন্ম তারিখ অজানা।১৮৫৮ খ্রিস্টাব্দ থেকেই তাঁর শিরডিতে পাকাপাকিভাবে বাসস্থান।সাদা কাফন পরিহিত এই ফকির বা সাধু সাঁই বাবার মূল দর্শন ছিল সর্বধর্ম সমন্বয়। তিনি হিন্দু, মুসলিম, খ্রিস্টান,এবং অন্যান্য ধর্মের মানুষের প্রতি সমান শ্রদ্ধা প্রদর্শন করতেন। তাইতো যে "মসজিদ"-এ বাসস্থান করেছেন তার নাম রেখেছেন "দ্বারকামাই"।
সাঁই বাবাকে অলৌকিক ক্ষমতার অধিকারী মনে করা হয়। তাঁর জীবনের অসংখ্য ঘটনায় এমন কিছু ঘটনা ঘটেছে যা তাঁর অলৌকিক ক্ষমতার প্রমাণ হিসেবে ধরা হয়। তিনি বিভিন্ন রোগের চিকিৎসা করতেন, এবং অনেকের মতে, তিনি প্রার্থনার মাধ্যমে রোগ মুক্তি দিতেন। তাঁর চিকিৎসার পদ্ধতি ছিল সাধারণ কিন্তু কার্যকরী।
১৯১৮ সালের ১৫ অক্টোবর সাঁই বাবা মহাসমাধিতে গমন করেন। তাঁর দেহ শিরডিতেই সমাধিস্ত করা হয়েছে এবং বর্তমানে এটির উপরেই নির্মিত সাঁই বাবা মন্দির।মন্দিরটিতে প্রতিদিন গড়ে ২৫,০০০ তীর্থযাত্রী আসেন।মন্দিরের অভ্যন্তর এবং বাইরের শঙ্কু উভয়ই স্বর্ণে আচ্ছাদিত। মন্দিরের অভ্যন্তরে, সাই বাবার মূর্তিটি ইতালীয় মার্বেল দিয়ে খোদাই করা হয়েছে এবং রাজকীয় কাপড়ে মোড়া, সোনার মুকুট পরা এবং তাজা ফুলের মালা দিয়ে সজ্জিত দেখা যায়। মন্দিরটি শ্রী সাই বাবা সংস্থা ট্রাস্ট দ্বারা পরিচালিত হয়।

|| ত্র্যম্বকেশ্বর জ্যোতির্লিঙ্গ ||মহারাষ্ট্রের নাসিক শহর থেকে প্রায় ২৮ কিমি দূরে ত্রিম্বক শহরে অবস্থিত দ্বাদশ জ্যোতির্লি...
13/01/2025

|| ত্র্যম্বকেশ্বর জ্যোতির্লিঙ্গ ||

মহারাষ্ট্রের নাসিক শহর থেকে প্রায় ২৮ কিমি দূরে ত্রিম্বক শহরে অবস্থিত দ্বাদশ জ্যোতির্লিঙ্গের অন্যতম ত্র্যম্বকেশ্বর জ্যোতির্লিঙ্গ। ত্র্যম্বকের ব্রহ্মগিরি পর্বত-ই হলো পবিত্র গোদাবরী নদীর উৎপত্তিস্থল। তারই পাদদেশে বিরাজমান ত্র্যম্বকেশ্বর মহাদেব।বাকি সমস্ত জ্যোতির্লিঙ্গের মতোই ত্র্যম্বকেশ্বর মহাদেবের ক্ষেত্রেও রয়েছে পৌরাণিক কথা তথা পৌরাণিক ইতিহাস। সত্য যুগে ঋষি গৌতম ও তার স্ত্রী অহল্যার বাসস্থান ছিল এই ব্রহ্মগিরি পর্বত। তীব্র খরা থেকে এই অঞ্চলকে রক্ষা করার জন্য তিনি মহাদেবের তপস্যা করেন - যাতে মা গঙ্গা এখানে প্রবাহিত হন।মহাদেব
তপস্যায় তুষ্ট হয়ে মা গঙ্গাকে নির্দেশ দেন এই অঞ্চলে প্রবাহিত হবার জন্য। তবে মহেশ্বরের উপস্থিতি ছাড়া মা গঙ্গা থাকতে রাজী নন। সেই থেকেই মহাদেব, ত্র্যম্বকেশ্বর নাম নিয়ে এই স্থানে বসবাস করছেন এবং গোদাবরী নাম নিয়ে মা গঙ্গা বয়ে চলেছেন তার পাশ দিয়ে। এজন্যই গোদাবরীকে "দক্ষিণ ভারতের গঙ্গা"-ও বলা হয়। গোদাবরী নামের অর্থ যে গো-হত্যারও পাপ খণ্ডন করতে পারে।কথিত আছে ঋষি গৌতম এই নদীর জলেই স্নান করে তার অনিচ্ছাকৃতভাবে করা গো-হত্যার পাপ খণ্ডন করেন-সেই থেকেই এই নাম।
এখানের মূলমন্দির বহুবার ধ্বংস হয়েছে ও বহুবার পুনর্নির্মাণও করা হয়েছে।বাকি বহু হিন্দু মন্দিরের মতোই এই মন্দিরটিও ধ্বংস করতে ভোলেননি মোগল সম্রাট ঔরঙ্গজেব। মন্দিরের বর্তমান যে রূপটি দেখি এটি ১৭৫৬-১৭৮৬ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে নির্মিত।নির্মাণকর্তা পেশোয়া বালাজি বাজিরাও।সে যুগে প্রায় ১৬ লক্ষ টাকা খরচ হয় মন্দিরটির নির্মাণকার্যে।ঐতিহাসিকরা বলেন- মন্দিরটি নির্মাণকার্যের সময় পেশোয়া শিবলিঙ্গের মুকুটের জন্য এক বিরাট হিরের আংটি প্রদান করেছিলেন তবে তৃতীয় মারাঠা-ইংরেজ যুদ্ধে জয়লাভ করে ইংরেজরা তা আত্মসাৎ করে।

|| সপ্তশ্রুঙ্গি মাতা মন্দির ||মহারাষ্ট্রের নাসিক শহর থেকে প্রায় ৬০ কিমি দূরে সোহাদ্রি  (পশ্চিমঘাট) পর্বতমালার অন্তর্গত '...
11/01/2025

|| সপ্তশ্রুঙ্গি মাতা মন্দির ||

মহারাষ্ট্রের নাসিক শহর থেকে প্রায় ৬০ কিমি দূরে সোহাদ্রি (পশ্চিমঘাট) পর্বতমালার অন্তর্গত 'সপ্তশ্রুঙ্গি (সাতটি শৃঙ্গ ) গড়'-এ অবস্থিত মাতা সপ্তশ্রুঙ্গি, দেবী দুর্গার এক রূপ। মাতার ৫১টি শক্তিপিঠের মধ্যে এক অন্যতম শক্তিপীঠ। ভগবান বিষ্ণুর সুদর্শন চক্রে খণ্ডিত দেবীদেহের ডান বাহু পড়েছিল এই স্থানটিতে। প্রায় ৪৫০০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত মন্দিরটিতে পৌঁছাতে অতিক্রম করতে হয় ৫১০ টি সিঁড়ির ধাপ। এখানে দেবী তার আঠারো-বাহুতে ( অষ্ট-দশা ভুজা ) বিরাজমান। মহিষাসুরকে বধ করার জন্য দেবীকে বিভিন্ন অস্ত্র উপহার দেওয়া হয়েছিল যা এই বাহুগুলিতে দেবী ধারণ করেছিলেন। মান্যতা আছে এই স্থানটিতেই দেবী মহিষাসুরকে বধ করেছিলেন, তবে তা নিয়ে মতভেদ রয়েছে।

Address

Sambhaji Nagar
Aurangabad

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Wanderlust Tales by SomNath & Pujaa posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share