The Moving Horizon- ভ্রামণিক

The Moving Horizon- ভ্রামণিক Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from The Moving Horizon- ভ্রামণিক, Travel Service, portobello, Ottawa, ON.

ভ্রমণ আমার রক্তে, ধমণীতে। ১ কি ২ ঠিক কত বছর বয়সে আমি বেড়াতে শুরু করি তার কিছুই মনে নেই। দেশে থাকাকালীন বাবা মার সাথে পুরো বাংলাদেশ ঘুরেছি আলহামদুলিল্লাহ। এখন নিজেই পরিবার নিয়ে ঘুরি। এটা আমার ভ্রমণ পরিক্রমার সংকলন

প্যারিসের কাছে ছিমছাম ছোট্ট শহর ভার্সেই। সেই ভার্সেই যেখানে কবি মধুসূদন দত্ত তার বিখ্যাত 'কপোতক্ষ নদ' কবিতা লিখেছেন। সেই...
09/15/2025

প্যারিসের কাছে ছিমছাম ছোট্ট শহর ভার্সেই। সেই ভার্সেই যেখানে কবি মধুসূদন দত্ত তার বিখ্যাত 'কপোতক্ষ নদ' কবিতা লিখেছেন। সেই সুন্দর শহরে গিয়ে আমারও ভীষণ দেশের কথা মনে পড়লো। কত সুন্দর আমার দেশ। এমন সাজিয়ে গুছিয়ে রাখতে পারলে কি ভালো হতো!!
ভার্সেই প্রাসাদে নতুন কিছু নেই। সেই ভিক্টোরিয়ান যুগের সাজ সজ্জা। এরচেয়ে বোটানিক্যাল গার্ডেনটা ইন্টারেস্টিং। পুরোটা সুন্দর ল্যান্ডস্কেপ করা। ঘুরতে গিয়ে আমাদের সোনালুর মত একটা ফুল খুঁজে পেলাম।

প্যারিস নিয়ে অবসেশনের শুরু বোধহয় সেই স্কুল লাইফে অন্নদাশংকর রায়ের পথে-প্রবাসে পড়ার পর থেকে। এমিলি ইন প্যারিসে যে চকচকে ঝ...
09/12/2025

প্যারিস নিয়ে অবসেশনের শুরু বোধহয় সেই স্কুল লাইফে অন্নদাশংকর রায়ের পথে-প্রবাসে পড়ার পর থেকে। এমিলি ইন প্যারিসে যে চকচকে ঝকঝকে প্যারিস দেখায় বাস্তবে তেমন লাগেনি মোটেই। বরং অনেক ওভাররেটেড লেগেছে। এরচেয়ে ফ্রান্সের অন্য শহরগুলো অনেক বেশি সুন্দর আর গোছানো। প্রচুর মানুষ, টুরিস্টের সংখ্যা তো অবশ্যই অনেক বেশি। রাস্তার ধারে হাঁটতে হাঁটতে পাওয়া যায় সুন্দর সাজানো ক্যাফে। সেখানকার কফির স্বাদও অবর্ণনীয়।

প্যারিসের তথা ইউরোপের খাবারের কথা আর কি বলবো!! সুবহান আল্লাহ। Boulangrie হোক বা patisseire, বেকড আইটেম আর ডেসার্টের বর্ণনা দেবার ভাষা আমার নেই। ক্রসেন্ট এর নামে এদেশে যে কি খাই 😵‍💫 নাম জানা/অজানা প্রতিটা ডেসার্ট এত চমৎকার মিষ্টি দেয়া। হালাল খাবারও প্রচুর আলহামদুলিল্লাহ। হোটেলের কাছে আবার মিলে গেল এক বাংগালী ভাইয়ের সুশির দোকান।

পাবলিক ট্রান্সিটে যথারীতি ইউরোপ অতুলনীয়। মেট্রো আর বাস মিলিয়েই ঘোরা হলো। টুকটাক ফ্রেঞ্চ জানায় একা চলাফেরা করতেও সমস্যা হয়নি আলহামদুলিল্লাহ। সবচেয়ে মজার ব্যাপার এখানে প্রায় সব দেশেই টয়লেটে যেতে পে করতে হয়। আর কানাডায় আমরা খুব সহজে যেই ওয়াটার ফাউন্টেন পাই, তা এদেশে দূর্লভ।

অতিরিক্ত হাঁটাহাঁটির ভয়ে লুভ্যে যেতে চাইনি। মেয়ের জোরাজুরিতে যেয়ে পরে বুঝলাম কি মিসটাই না করতাম। বিশ্ব সেরা মিউজিয়াম বোধহয় এমনই হয়!!

বাংগালী ছেলে মেয়েরা ইদানীং দেখি পাকিস্তানি বলতে পাগল। এরা ফরাসি নারী পুরুষ দেখলে বুঝতো রূপ কাকে বলে 😂

টরোন্টো এখন একটা পরিপূর্ণ মাল্টিকালচারাল শহর যেখানে হালাল খাবার আর মসজিদের কোন অভাব নেই আলহামদুলিল্লাহ। এবার একটা নতুন র...
08/29/2025

টরোন্টো এখন একটা পরিপূর্ণ মাল্টিকালচারাল শহর যেখানে হালাল খাবার আর মসজিদের কোন অভাব নেই আলহামদুলিল্লাহ।
এবার একটা নতুন রেস্টুরেন্ট প্রিয়র তালিকায় যুক্ত হলো। হালাল থাইফুডের Thairoomgrand. এর আগে আমি অস্ট্রেলিয়ায় হালাল থাইফুড খেয়েছি কিন্তু এত মজা লাগেনি। এবার পিকারিং এর এই রেস্টুরেন্টে খেয়ে দিল খুশ হয়ে গেলো আলহামদুলিল্লাহ।
বন্ধু টুম্পাকে অনেক ধন্যবাদ সাজেশনের জন্য ☺️

২০০৫- ২০০৯ এ আমরা যখন বুয়েটে পড়তাম তখন খুব জনপ্রিয় একটা খাবার ছিলো চাইনিজ সেট মেন্যু। হুটহাট বন্ধুরা মিলে চলে যাওয়া হতো ...
08/25/2025

২০০৫- ২০০৯ এ আমরা যখন বুয়েটে পড়তাম তখন খুব জনপ্রিয় একটা খাবার ছিলো চাইনিজ সেট মেন্যু। হুটহাট বন্ধুরা মিলে চলে যাওয়া হতো নিউমার্কেটের আশেপাশের চাইনিজ রেস্টুরেন্টে এই সেট মেন্যু খেতে। এইদেশে এসে দেশী চাইনিজের স্বাদ প্রায় ভুলেই গিয়েছিলাম। নিজে যা পারি করে মন ভুলাতাম।
আজকে বহু বহু বছর পরে টরোন্টোর এক রেস্টুরেন্টে একদম দেশী স্বাদের ফ্রায়েড রাইস পেলাম। আল্লাহর কসম একদম সেই স্বাদ। রেস্টুরেন্টের নাম পদ্মা। দেশ থেকে গণহারে মানুষ আসায় কানাডার অধিবাসীরা বেশ বিরক্ত। আজকে একটা পজিটিভ দিক দেখলাম, যাক ভালো শেফরাও আসছে আলহামদুলিল্লাহ।
থাই স্যুপটা খেলে বুঝতাম ১০০ তে ১০০ পাবে কিনা। ইনশাআল্লাহ নেক্সট টাইম।

🍼 বেড়ানোর সময় বাচ্চার খাওয়া ও ঘুমবেড়াতে গেলে বাচ্চাদের খাওয়ার অনেক অনিয়ম হয় — সেটা আগেই বলেছি। আমার তিনটা বাচ্চাই এ...
07/31/2025

🍼 বেড়ানোর সময় বাচ্চার খাওয়া ও ঘুম
বেড়াতে গেলে বাচ্চাদের খাওয়ার অনেক অনিয়ম হয় — সেটা আগেই বলেছি। আমার তিনটা বাচ্চাই এক্সক্লুসিভলি ব্রেস্টফেড ছিল, তাই ওদের নিয়ে ঘোরার ঝামেলা ছোটবেলায় কম ছিল। আমি প্রচুর বাইরে যাই বলে অর্গানিক জার ফুড খাওয়ানোর অভ্যাস করতাম। এছাড়া বাচ্চারা ছোট থেকেই রেস্টুরেন্টের খাওয়ায় অনেক বেশি অভ্যস্ত থাকায় বাইরে গেলে ঝামেলা কিছুটা কম হয়েছে। এখন বাচ্চারা বড়, তাই আমরা যেখানে যাই, ওরা খুব সহজেই বাইরে খেয়ে নেয় আলহামদুলিল্লাহ। যেমন কানাডায় টিম হর্টনের এগ অ্যান্ড চিজ ব্রেকফাস্ট মাফিন, একটা ছোট মিল্ক প্যাক আর অ্যাপল সস — বেশ ভালো একটা ব্রেকফাস্ট হয়ে যায়।
ইউরোপে অনেক দেশে রেস্টুরেন্ট এক্সপেনসিভ হওয়ায় আমি সুপারশপ থেকে রেডি ফুড কিনে নিতাম। যেমন: এগ স্যান্ডউইচ, সুশি বোল, রাইস বোল — এগুলো লাঞ্চ-ডিনারের জন্য দারুণ!
মূল কথা: বাচ্চাদের ছোট থেকেই বাইরে খাওয়ায় অভ্যস্ত করলে বেড়ানোর সময় খাওয়ানো অনেক সহজ হয়। তখন বাইরে খাওয়া ওদের কাছে আনন্দের হয়।

🌙 এবার আসি বাচ্চার ঘুম
অনেক বাচ্চা গাড়িতে উঠলে ঘুমিয়ে পড়ে। কিন্তু আমার বাচ্চারা এরকম না। একবার অটোয়া থেকে পোর্টল্যান্ড, মেইন ৮ ঘণ্টা জার্নিতে আমার দুই বছর বয়সী ইব্রাহিম পুরোটা সময় জেগে ছিল!
তাই আমি ধরে নিই — "গাড়িতে ঘুমাবে" এমনটা নাও হতে পারে। এরচেয়ে বরং রাতের ঘুমটা নিশ্চিত করি। দিনে ঘুম কম হলে রাতে ক্লান্ত হয়ে ঘুমিয়ে যায়। যদি তাও না ঘুমায়, তাহলে কিডস মেলাটোনিন দেই — ডাক্তার অনুমোদিত, নিরাপদ, কোনো সাইড ইফেক্ট নেই আলহামদুলিল্লাহ।

🩺 বাচ্চার অসুখ-বিসুখ — বেড়ানোর সময় বড় টেনশন!
এই জন্য বেড়ানোর আগে অনেক দোয়া করে নেই।
আমার মেয়ে ছোটবেলায় বিভিন্ন সময় অন্য দেশে গিয়ে অসুস্থ হওয়ায় এখন আমি অনেক সাবধান থাকি।
একটা তথ্য শেয়ার করি, কানাডা আর অস্ট্রেলিয়া ছাড়া অন্য কোন দেশেই ট্যাপের পানি ডিরেক্ট খাওয়া যায়না। ইউএস-এ তো একদমই না। তাই যেখানে যাই, পানির বোতল কিনে খাই। সৌদিতে একটা সুবিধা আছে — জমজমের পানি খাওয়ানো যায়! কিন্তু অন্য দেশে বোতল কিনে নিতে হয়। এছাড়া আমি সবধরনের ওষুধ সাথে রাখি। এয়ারপোর্টে সমস্যা হয় না, শুধু এক জিপলকে ১০টার বেশি জার রাখা যায়না।

🌟 **বাচ্চাদের নিয়ে ভ্রমণ** 🌟🧒👧 বাচ্চাদের নিয়ে বেড়ানো মোটেও সহজ কিছু নয়। আমার মেয়ের তিন মাস বয়স থেকে আমি প্রথম বেড়ানো শুর...
07/30/2025

🌟 **বাচ্চাদের নিয়ে ভ্রমণ** 🌟

🧒👧 বাচ্চাদের নিয়ে বেড়ানো মোটেও সহজ কিছু নয়। আমার মেয়ের তিন মাস বয়স থেকে আমি প্রথম বেড়ানো শুরু করি। এর আগে দরিদ্র গ্রাজুয়েট স্টুডেন্ট ছিলাম বলে সামর্থ্য ছিল না। সেইসাথে ড্রাইভিং লাইসেন্স না থাকায় গাড়ি চালানোও সম্ভব ছিল না।
এত ছোট বয়স থেকে আমার বাচ্চারা ঘুরতে অভ্যস্ত হলেও, আমার ভ্রমণ কিন্তু মোটেও সহজ হয় না 😵‍। ওইযে কিছু মীম থাকেনা—মায়েদের ভ্রমণ মানে শুধুমাত্র লোকেশন বদলানো, বাচ্চাদের রেস্পন্সিবিলিটি কিন্তু কিছুই কমে না 🤹‍♀️👩‍👧‍👦। বেড়াতে আমি ভীষণ ভালোবাসি, তাই সব অগ্রাহ্য করেই বেড়িয়ে যাই

💡 যেহেতু কিছুটা অভিজ্ঞতা আছে, তাই ভাবলাম কিছু টিপস শেয়ার করি

1️⃣ বেড়াতে বের হবার শুরুতেই মাথায় রাখতে হবে—এখন বাচ্চার অনিয়ম হবেই। সবসময় খাওয়া-ঘুম ইত্যাদি টাইমলি নাও হতে পারে 😕। এতে প্যানিক করা যাবে না। বাবা-মা প্যানিক করলে বাচ্চারা ঝামেলা আরও বেশি করে 😵।

2️⃣ আমার বাচ্চাদের ডিভাইস ধরিয়ে দিতে ঘোর আপত্তি 🙅‍♀️
তাই সব আউটিং-এ প্রচুর এক্টিভিটি রাখি আলহামদুলিল্লাহ। রোড ট্রিপ হলে ডলার স্টোর থেকে হাবিজাবি কিনি—যেমন:
🖍️ রঙ, 📓 স্কেচবুক, ✏️ পেন্সিল, 🟡 প্লেডো, 💦 স্লাইম, 🧱 ছোট লেগোসেট ইত্যাদি। সাধারণত ৩ ঘণ্টা পরপর ব্রেক নেই রেস্ট জোনে ছোটাছুটি, খাওয়া-দাওয়া এসব করে বিজি রাখি।এক্টিভিটি একটা একটা করে বের করি আকর্ষণ ধরে রাখার জন্য।

3️⃣ ফ্লাইট হলে একটু বাড়তি প্রস্তুতি দরকার 🛫😴। এয়ারপোর্টে অনেক আগে পৌঁছাতে হয়, কখনো সারারাত ফ্লাইট থাকে। সারাক্ষণ এক্টিভিটি দিয়ে বিজি রাখা যায় না, কিছুটা ঘুমাতেও হয়। এয়ারপোর্টে গিয়ে প্লে জোনে খেলতে দিয়ে ওদের ক্লান্ত করে ফেলি। প্লেনে উঠে মনিটরে একটু মুভি দেখতে দেই। নির্ধারিত সময় শেষে চাইল্ড মেলাটোনিন দিয়ে ঘুম পাড়িয়ে দেই 🌙💤। ইউরোপ ফ্লাইটে এই পদ্ধতি বেশ কাজে দেয়—
সারারাত জার্নি, সকালে উঠেই ঘোরা শুরু হয় বলে।

4️⃣ ট্রাভেল ডেস্টিনেশনে সারাদিন ঘুরে বাচ্চারা এমনিতেই অনেক টায়ার্ড হয়ে যায়। তখন হোটেলে ফিরে একটু টিভি দেখতে দেই। তারপর শাওয়ার নিয়ে ঘুম।

📍চলবে.....
পরের পর্বে আলোচনা করব দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে: বাচ্চার খাওয়া এবং ঘুম।

ভিক্টোরিয়া হচ্ছে ব্রিটিশ কলম্বিয়ার রাজধানী। সাগরের তীরে একটা শহর। ২০২১-এ আমি যখন গিয়েছি, অনেক শান্ত ও পরিপাটি ছিল। হা...
07/08/2025

ভিক্টোরিয়া হচ্ছে ব্রিটিশ কলম্বিয়ার রাজধানী। সাগরের তীরে একটা শহর। ২০২১-এ আমি যখন গিয়েছি, অনেক শান্ত ও পরিপাটি ছিল। হারবারের কাছে ওদের লেজিসলেটিভ বিল্ডিং অবস্থিত। দেখতে ভালোই লাগে। এখানে গেলে ওদের সি-ফুড অবশ্যই খাওয়া উচিত। ভিক্টোরিয়াতে একটা পার্ক আছে, Beacon Hill Park যেখানে ময়ূর ঘুরে বেড়ায়। এত এত মানুষের ভিড়ে কোনো ভয় বা সংকোচ ছাড়াই ময়ূর ঘুরে বেড়াচ্ছে — বেশ আশ্চর্য ব্যাপারটা।

ব্রিটিশ কলাম্বিয়া প্রভিন্সের মাস্ট মাস্ট মাস্ট ভিজিট হচ্ছে ভ্যানকুভার আইল্যান্ড। BC র পরিপূর্ণ সৌন্দর্য উপভোগ করতে হলে স...
07/07/2025

ব্রিটিশ কলাম্বিয়া প্রভিন্সের মাস্ট মাস্ট মাস্ট ভিজিট হচ্ছে ভ্যানকুভার আইল্যান্ড। BC র পরিপূর্ণ সৌন্দর্য উপভোগ করতে হলে সেখানে যেতেই হবে।
ভ্যাংকুউভার সিটি হারবার থেকে মাত্র দেড় ঘন্টা ফেরি রাইডে চলে যাওয়া যায় ওই আইল্যান্ডে। ফেরিতে গাড়ি সহ ভ্রমণ করা যায় এবং বাচ্চাদের জন্য বেশ ভালো সুব্যবস্থাও আছে।
ভ্যাংকুউভার আইল্যান্ডে বেশ কিছু শহর আমরা ঘুরেছি। তার মাঝে প্রথম ছিলো বে'র কাছে Butchart Garden. এই ভদ্রমহিলার গড়ে তোলা বাগানটা যে কি সুন্দর তা বলে বোঝানো যাবেনা। বিভিন্ন ভাগে বিভক্ত গার্ডেনে আছে জাপানিজ গার্ডেন, ইংলিশ গার্ডেন, মেডিটেরিয়ান গার্ডেন, ট্রপিকাল গার্ডেন ইত্যাদি। গোলাপ আমার খুবই প্রিয় হওয়ায় ওদের ইংলিশ রোজ গার্ডেন অনেক বেশি ভালো লেগেছে।
জাপানিজ গার্ডেন এত শান্তিপূর্ণ আর গোছানো হয়ে থাকে, ছবিতে তা বোঝা সম্ভব না।

আমি যে শুধু অন্যান্য দেশই ঘুরি তা নয়। নিজে যেই দেশটায় থাকি ওই দেশটাও প্রায় পুরো ঘুরে ফেলেছি আলহামদুলিল্লাহ। ১০টা প্রভিন্...
07/01/2025

আমি যে শুধু অন্যান্য দেশই ঘুরি তা নয়। নিজে যেই দেশটায় থাকি ওই দেশটাও প্রায় পুরো ঘুরে ফেলেছি আলহামদুলিল্লাহ।
১০টা প্রভিন্স আছে কানাডায়। এর অধিকাংশ ঘোরার পরে আমার মনে হয়েছে সবচেয়ে সুন্দর প্রভিন্স ব্রিটিশ কলাম্বিয়া।

কানাডার পশ্চিমে অবস্থিত BC বা ব্রিটিশ কলাম্বিয়া, সমুদ্র আর পাহাড়ের মিশেলে অদ্ভুত সুন্দর এক প্রভিন্স। ভ্যাংকুউভার এই প্রভিন্সের রাজধানী। প্রচন্ড এক্সপেন্সিভ এই শহরে ট্রাফিক জ্যাম কিন্তু কম না। তবুও যখন হাইওয়ে দিয়ে যেতে যেতে একপাশে সমুদ্র আর অন্যপাশে বরফে ঢাকা পাহাড়ের দেখা মিলে, জ্যামের বিরক্তি মুহূর্তে গায়েব হয়ে যায়।

প্রচুর প্রচুর ভারতীয় থাকায় আছে প্রচুর ইন্ডিয়ান রেস্টুরেন্ট। কাজেই হালাল খাওয়া কোন সমস্যাই না। অল্প খরচে বেশ ভালো খাবার মেলে। আমার ভালো লেগেছে সাউথ ইন্ডিয়ান একটা রেস্টুরেন্টের থালি। খুব রিফ্রেশিং ছিলো আলহামদুলিল্লাহ।

বেড়ানোর জায়গায় ছিলো Stanley Park, VanDusen Botanical Garden, Sea beaches, Vancouver Harbour, Whistler

05/30/2025

#হজ্জের_গল্প
১০ম জ্বিলহাজ্জ

১০ম জ্বিলহাজ্জ বা ঈদের দিন হজ্জের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিন। এই দিনে কয়েকটি রিচ্যুয়াল শেষ করতে হয়-
১. প্রথমবার জামারাতে শয়তানকে পাথর মারা
২. কুরবানী করা
৩. চুল কাটা
৪. তাওয়াফ এ জিয়ারাহ এবং সাঈ

মুজদালিফা থেকে ফিরে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিয়ে আমি রুমমেটদের সাথে বেরিয়ে যাই জামারাতে পাথর মারতে। পাথর আগের রাতে মুজদালিফায় সংগ্রহ করে রাখতে হয়। এই জামারাতে যাওয়ার পথ অনেক দীর্ঘ এবং প্রচন্ড ভীড় হয়। ফজরের পর থেকে যোহর পর্যন্ত পাথর মারা সুন্নাহ। এই দিনে শুধুমাত্র বড় জামারাতে পাথর মারতে হয়। অনেক বছর আগে এই পাথর মারতে গিয়ে প্রচুর মানুষ পিষ্ট হতো। এখন আলহামদুলিল্লাহ এমনভাবে বিল্ডিংটা ডিজাইন করা, সবকিছু বেশ সুশৃঙ্খলভাবে হয়। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে সঠিক পথ নির্দেশনা বা সাইন না থাকা। তাই পাথর মারা শেষে কোনদিকে যাবো বিভ্রান্ত হতে হয়।

আমরা যাওয়ার সময় ঠিকঠাক গেলেও, আসার পথে আমি এবং একজন মহিলা পথ হারিয়ে ফেলি। সৌদি আরবের এ এক অদ্ভুত অবস্থা। না কোন গার্ড, ভলান্টিয়ার ইংরেজি বোঝে, না বলতে পারে। কোন এক অজ্ঞাত কারণে তারা ভাবে মুসলিম মাত্রই আরবী পড়তে, বলতে পারে। কাজেই রাস্তায় প্রচুর ভলান্টিয়ার, গাইড থাকা সত্ত্বেও শুধুমাত্র গুগল ম্যাপের সাহায্য নিয়ে ১.৫ ঘন্টার পথ ৪ ঘন্টা হেঁটে মীনায় ফিরি। এরপর অপেক্ষা কুরবানির। তারপর চুল কেটে মক্কায় যেতে হবে তাওয়াফ সাঈর জন্য।

নর্থ আমেরিকা ক্যাম্পে সুযোগ্য গাইড না থাকার বিড়ম্বনায় আমরা আবার পড়ি দিন শেষে তাওয়াফ করতে গিয়ে। মীনা থেকে বাসের ব্যবস্থা করা বেশ কঠিন হয় এরাবিক না জানার কারণে। ক্যাম্পের এরাবিক স্পিকিং বান্ধবী লায়লার সাহায্যে আমরা সকলে মীনা থেকে হারামে চলে যাই। বেশ শান্তিপূর্ণভাবে তাওয়াফ সাঈ করে মীনায় ফিরে আসি আলহামদুলিল্লাহ।
এই পর্যায়ে অনেকেই মক্কা থেকে হোটেলে ফিরে যান অথচ ১১ জ্বিলহাজ্জ পর্যন্ত মীনায় থাকা সুন্নাহ। কিন্তু প্রচন্ড গরম, ক্যাম্পে থাকার কষ্ট সহ্য করতে না পেরে অনেকেই সুন্নাহর সাওয়াব থেকে বঞ্চিত হন। হজ্জ আসলে এমনই। শারীরিক সক্ষমতা এবং ধৈর্যের পরীক্ষা।

 #হজ্জের_গল্পহায় মুজদালিফা মুজদালিফা নিয়ে খুব পরিস্কার কোন ধারণা আমার ছিলোনা। আম্মুর কাছে শুনেছি খোলা আকাশের নিচে নারী প...
05/16/2025

#হজ্জের_গল্প
হায় মুজদালিফা

মুজদালিফা নিয়ে খুব পরিস্কার কোন ধারণা আমার ছিলোনা। আম্মুর কাছে শুনেছি খোলা আকাশের নিচে নারী পুরুষ সবাই এক জায়গায় অবস্থান করে। একটা পুরো রাত। অবাক লাগতো শুনে। এরপর নিজে সেই রাতের অভিজ্ঞতা লাভ করলাম।

আরাফাতের ময়দান থেকে মুজদালিফার উদ্দেশ্যে আমাদের বাস ছাড়ে অনেক দেরী করে। বাসের জন্য কি সেই প্রচন্ড ভীড়। ঠেলাঠেলি করে একটা বাসে উঠে দেখি ইহরাম পড়া আমাদের মুসলিম পুরুষেরা আরামে বসে আছে। পাশে একজন নারী দাঁড়িয়ে, কিন্তু কোন বিকার নেই।
যাইহোক অনেক দেরীতে পৌঁছে দেখি মোটামুটি সবাই চলে এসেছে নর্থ আমেরিকা এবং ইউরোপ ক্যাম্পের। দামী (!!) দেশের জন্য নির্ধারিত এলাকা বলে মাটিতে পুরু কার্পেট বিছানো সাথে প্রত্যেক হাজিকে দিচ্ছে স্লিপিং ব্যাগ, বালিশ এবং ডিনার। দেরীতে পৌঁছে স্লিপিং ব্যাগ পাইনি কিন্তু ডিনার পেলাম। চারিদিকে তাকিয়ে দেখি মানুষ আর মানুষ। কোন স্পট খালি নেই। স্বামী স্ত্রী বিশাল জায়গা নিয়ে আয়েশ করে শুয়ে আছে হাত পা ছড়িয়ে। আর মনিরের সাথে আমি হতভম্ব হয়ে আছি কোথায় একটু বসার জায়গা পাবো।
বিশ্বাস করেন পাঠক, এই মুজদালিফার অংশটা হজ্জের পরে আমি লিখতে পারিনি। আমার কাছে এখনো ওই রাত হাশরের ময়দানের স্বরূপ। যেখানে কেউ কাউকে চিনেনা। কত মানুষকে আমি অনুরোধ করেছি সরে একটু জায়গা দিতে। কেউ দেয়নি। কেউনা।
অনেকক্ষণ ঘুরে মনির পুরুষদের কাছে একটা জায়গা পায়। আমি তারও পরে লন্ডনের কিছু আপার পাশে জায়গা পাই। আমাকে জায়গা দেবার কারণে নেতৃ স্থানীয় এক মহিলা বেশ রাগ করেন। কিন্তু মমতাময়ী আমার বাংগালী বোনেরা তাতে পিছুপা হননি।
ধাতস্থ হয়ে বসে খেয়াল হয় মাগরিব এশার কসর পড়তে হবে। বাংগালী লন্ডনী বোনদের নিয়ে ওয়াশরুমে গিয়ে দেখি, দামী (!!) দেশের জন্য তৈরি ওয়াশরুমে শুধু আছে হাই কমোড। আর সবকয়টি নষ্ট। সাথে পানি নাই। কি আর করা, আবার জায়গায় ফিরে এসে স্প্রে বোতল দিয়ে কোনভাবে ওজু সেরে নামাজ আদায় করলাম।
কি অদ্ভুত, লোকে লোকারণ্য সেই সংকীর্ণ জায়গায় শুয়ে সত্যি চোখে ঘুম জড়িয়ে গেলো। দুই ঘন্টা ঘুমিয়ে উঠে দেখি ফজরের প্রস্তুতি। মুজদালিফা থেকে জামারাতে মারার পাথর নিতে হয়। কার্পেট সরাতেই দেখি অসংখ্য নুরি পাথর। গুণে গুণে পাথর নিয়ে নিলাম জামারাতের জন্য।
মহিলা, অসুস্থ ইত্যাদি ক্ষেত্রে মুজদালিফায় ফজর না পড়লেও চলে। ওয়াশরুমের দুরাবস্থার কারণে আমি সিদ্ধান্ত নেই মিনায় ফিরে ফজর পড়ার। হঠাৎ আমাদের ক্যাম্পের বাস ও পেয়ে যাই। পরেরদিন যেহেতু অনেক কয়টা রিচ্যুয়াল তাই না হেঁটে বাসেই মিনায় ফিরি হাজি বোনদের সাথে।
ক্যাম্পে ঢুকে শুনি তালা আল বাদরু (খুব বিখ্যাত একটা এরাবিক গান) গাইছে আমাদের জন্য সাহায্যকারী মেয়েরা। আরেহ এটাতো ঈদের দিন!! আমার চোখের পানি আর বাঁধ ভাংগে না। আমার তিনটা কলিজাকে ছেড়ে জীবনে প্রথম আমি ঈদের দিন দূরে। কিভাবে আমার ঈদ হবে?

নিচের ছবিটা পরদিন বাস থেকে তোলা মুজদালিফার ছবি। একটা মাত্র রাত থেকে মানুষ জায়গাটা ময়লার ভান্ডার বানিয়েছে। সেই মুহূর্তে আমার মনে হয় হজ্জ আয়োজন করে সৌদিরা নিজেদের যতই শ্রেষ্ঠ মনে করুক, এটা তাদের জন্য বিশাল এক পরীক্ষা।

05/12/2025

#হজ্জের গল্প
আরাফাহ
হজ্জের প্রথম দিন মিনায় অবস্থানের পরে গন্তব্য আরাফাত। আরাফাত বলতে সাধারণ মানুষ একটা পাহাড় মনে করে। কিন্তু মূলত এটা একটা সীমানা নির্ধারিত এলাকা। আরাফার দিনই হজ্জের প্রধান দিন। ওই দিন নির্ধারিত সীমানার মধ্যে না থাকলে হজ্জের ফরজ বাতিল হয়ে যাবে। সূর্যাস্তের আগে এখানেই অবস্থান করতে হবে।

আমাদের কানাডা-ইউরোপ ক্যাম্প থেকে ফজরের পরেই আরাফার বাস রওনা শুরু হয়ে যায়। ইতালি, বেলজিয়াম, সুইস একের পর এক দেশের নাম ডাকছিলো। আমিও প্রস্তুত হয়ে ছিলাম রওনা দেবার জন্য। ফোনে শুনলাম ছেলেদের কখন নিবে কেউ জানেনা। আরাফার পরে মুজদালিফায় যাত্রা। তাই আমি বেশি কিছু সাথে নিতে চাইনি। অনেকেই ক্যারিওন নিচ্ছিলো। আমি একটা ব্যাকপ্যাকে এক সেট কাপড়, ছাতা আর প্রয়োজনীয় টুকিটাকি নিয়েছি শুধু। মুজদালিফার জন্য ফোল্ডিং স্লিপিং ম্যাট, বালিশ এসব আবু মিনহাহ জোর করে ধরিয়ে দিয়েছিলো।
আনুমানিক ১০ টার দিকে আরাফার জন্য আমরা মেয়েরা বাসে উঠি। মোটামুটি এক ঘন্টার মধ্যেই পৌঁছে যাই আলহামদুলিল্লাহ। অদ্ভুত ব্যাপার আরাফায় প্রচুর গাছ লাগানো। যার অনেক গুলো নীম গাছ। প্রেসিডেন্ট জিয়ার উপহার। আমাদের মেয়েদের জন্য নির্ধারিত ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হয়। আলহামদুলিল্লাহ ভীড়ের কোন সমস্যা হয়নি।

আরাফার ময়দানে বিশেষ কোন ইবাদাত নেই। এক্টাই দুয়া আছে। সেটাই বারংবার পড়তে হয়। সকাল থেকে কিছু রেস্ট নেয়া যায়। জোহর-আসর একত্রে কসর পড়ে দুয়ার সময় শুরু হয়। অনেকে অস্থির থাকে পাহাড়ে ওঠার জন্য। যার কোন প্রয়োজন নেই। তবে আরাফার দিনটা খুব গুরুত্বের সাথে পালন করা প্রতিটা মুসলিমের কর্তব্য। শুধু দুয়া, দুয়া, দুয়া। আল্লাহর ওয়াদা তিনি ওইদিন তাঁর বান্দাদের সকল গুনাহ মাফ করে নিষ্পাপ করে দিবেন আলহামদুলিল্লাহ। অথচ কি অদ্ভুত ব্যাপার এই মূল্যবান দিনটা ওই জায়গায় থেকে কত মানুষ অবলীলায় নষ্ট করে। দেখেছি কেউ এসি তার দিকে ঘোরাবার জন্য ঝগড়া করছে, কেউ গরমে টায়ার্ড হয়ে ঘুমিয়ে পড়ছে, কেউ দল বেঁধে গল্প করছে। আর আমি? আসরের কসর শেষ হয়ে যাবার সাথে সাথে পেট মোচড় দিয়ে অসুস্থ হয়ে গেলাম। আরাফায় পেট খারাপ হওয়ার মানে যারা গিয়েছে তারা জানে। আলহামদুলিল্লাহ আমাদের ওয়াশরুম বেশ পরিস্কারই ছিলো। ঠিক ওই মুহূর্তে আমি হাতে হাতে দুয়া কবুলের প্রমাণ পেয়ে গেলাম। শিফার দুয়া করে আল্লাহর কাছে সুস্থতা চাইলাম। আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহ দ্রুত কবুল করে নিলেন। খোলা আকাশের নিচে দুয়া করা উত্তম। ৪৫°সেলসিয়াসে পুরো সময় সম্ভব ছিলোনা আমার জন্য। বিকালে কিছু সময় বাহিরে গিয়েছি।
যারা ভবিষ্যতে যাবেন, তাদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই, ওই জায়গায় এই দিন আমাদের জীবনে দ্বিতীয় কোনদিন আসবে কিনা জানা নেই। আমরা যেন পার্থিব জীবন থেকে সরে দিনটির সঠিক মূল্যায়ন করতে পারি।

Address

Portobello
Ottawa, ON
K4A0V4

Telephone

+12896391423

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when The Moving Horizon- ভ্রামণিক posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category