20/01/2025
যারা আমেরিকাতে যেতে চাচ্ছেন, কিন্তু প্রোফাইল একবারে লো, তাদের ১ বছরের একটা প্ল্যান থাকা উচিত ।
ধরুন আপনি নতুন পাসপোর্ট করলেন, একটা ব্যবসা করেন, অথবা একটা চাকুরী করেন । আপনার Bank Statement এ অনেক Transection করে Bank Statement ভারী করে তার পরে আবেদন করবেন।
আপনার উচিত B1/ B2 ( ভিজিট) ক্যাটাগরিতে আবেদন করা/ অন্তত এম্বাসীর অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে নেওয়া । ( মাস্টার ক্লাসে সবাইকে আমি আমি রুটিন প্লান দিয়ে দেবো )
আপনি হয়তো ছয় মাস পর এপয়েন্টমেন্ট পাবেন । এই ৬ মাসে আপনি আপনার প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টগুলো রেডি করে ফেলুন । ( কোথায় কি করতে হবে বিস্তারিত মাস্টার ক্লাসে জানিয়ে দেবো )
যেমন, আপনি যদি ব্যবসায়ী হন তাহলে আপনার ট্রেড লাইসেন্স, টিন সার্টিফিকেট, ব্যাংক স্টেটমেন্ট ( ব্যাংক স্টেটমেন্ট না থাকলেও চলবে, অনেক ব্যাংক লোন দেয় ) ইত্যাদি।
আপনি যদি চাকরিজীবী হন তাহলে, যেখানে চাকরি করেন সেখান থেকে No objection certificate নিয়ে নিবেন ।
এছাড়া আপনার, আপনার পরিবারের, সকল তথ্যগুলো ম্যানেজ করবেন । কারণ আবেদন করার সময় প্রত্যেকটা তথ্য সঠিকভাবে পূরণ করতে হয় ।
কি কি তথ্য লাগবে তা আমি মাস্টার ক্লাসে দিয়ে দিব আপনাদের । সেটা দেখে সকল তথ্যগুলো রেডি রাখবেন ।
আপনি অন্তত ১ /২ টি দেশ ভিজিট করতে পারেন । ( যদিও এটা বাধ্যতামূলক না ) হতে পারে মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড কিংবা ভিয়েতনাম ।
হয়তো আপনার ৭০ হাজার টাকার মতো খরচ হবে ।
এতে করে আপনার প্রোফাইলটা সুন্দর হবে, ভিসা পাওয়ার হার অনেক বেড়ে যাবে ।
বর্তমানে বাংলাদেশ থেকে প্রতিমাসে গড়ে ২৫০০ থেকে ৪০০০ আমেরিকার ভিসা হচ্ছে । অর্থাৎ প্রতিদিন ১০০ জনের বেশি ভিসা পাচ্ছে ।
ভিজিট ভিসা আবেদন করতে শুধুমাত্র ১৮৫ ডলার খরচ হয় । বাংলা টাকায় ২২-২৫,০০০ টাকা । এছাড়া আপনি যদি কোন এক্সপার্ট এর দ্বারা ফাইল প্রসেস করেন তার কনসালটেন্সি চার্জ ।
এর বাইরে আর কোন খরচ নেই ।
একবার আমেরিকার ভিসা পেয়ে গেলে পৃথিবীর অন্য যেকোনো দেশের ভিসা পাওয়া একেবারেই সহজ হয়ে যাবে ।
ভিজিট ভিসা নিয়ে আমেরিকাতে EB3 সহ পরিবারসহ অন্যান্য ক্যাটাগরিতে সহজে আবেদন করতে পারবেন এবং পার্মানেন্ট হওয়ার অনেক উপায় রয়েছে ।
আপনারা অনেকেই আমাকে হোয়াটসঅ্যাপে নক দিয়েছিলেন, আসলে আমি একটু সময় নিচ্ছি । আপনাদের জন্য মাস্টার ক্লাসের প্রস্তুতি নিচ্ছি । এই মাস্টার ক্লাস যারা করবেন, আমি সবাইকে ছয় মাসের একটা প্ল্যান দিয়ে দেব। আপনারা বিনা পয়সায় নিখুঁতভাবে আবেদন করতে পারবেন ।
আমি মাস্টার প্লাস শেষে, আপনাদের কয়েকটা ব্যাচে ভাগ করব, প্রত্যেকটা ব্যাচে একজন করে এক্সপার্ট রাখবো ।
আবেদন করতে গিয়ে যদি কোন সমস্যায় পড়েন, আমাদের সাপোর্ট টিম আপনাদের সাহায্য করবে । এছাড়াও সরাসরি আমাদের সাপোর্ট নেওয়ার ব্যবস্থা থাকবে ইনশাল্লাহ । ( খুব সীমিত পরিসরে) ।
শুধুমাত্র ১৮৫ ডলার এম্বাসি ফি দিয়ে ঘরে বসে আপনি আপনার অ্যাপ্লিকেশন নিজেই করতে পারবেন । আমার কথামতো যদি পাঁচ / ছয় মাস সময় নিয়ে নিজের প্রোফাইলটা গুছিয়ে নেন আপনার ভিসা অবশ্যই হবে ইনশাল্লাহ । ( অবশ্যই মাস্টার ক্লাস করলে আপনার সবকিছু সম্পর্কে ধারণা হয়ে যাবে ইনশাল্লাহ)
আমার দেখা মতে, অনেক লো প্রোফাইল এর মানুষ এই মুহূর্তে ভিসা পাচ্ছে । কেউ যদি নিজেকে একটু গুছিয়ে আবেদন করে তাহলে তার ভিসা পাওয়ার চান্স অনেক বেশি ।
আমি মাস্টার ক্লাসে EB3/ B1/B2/F1 সবকিছু দেখিয়ে দেবো ইনশাল্লাহ ।
আপনারা জানেন আমি কিছু মানুষকে একদম ফ্রিতে এ টু জেড আবেদন করে দেব । তাদের জন্য একটা লটারি ব্যবস্থা করব । আপনারা আপনার বন্ধুদের এই পেজে ইনভাইট করবেন ।
আপনারা এই পোস্টে অবশ্যই শেয়ার করবেন । এবং কমেন্টে দেওয়া ফেসবুক এবং টেলিগ্রাম গ্রুপে জয়েন করবেন ।
Follow : Road To USA