Tanzim Online&Tourism Service

Tanzim Online&Tourism Service Unforgettable experiences await. Plan your dream vacation with us today

06/05/2026

💥আজ ৬ মে, এখন পর্যন্ত টুরিস্ট ভিসার কোন আপডেট নেই। কিছু লোক বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে টুরিস্ট বিভ্রান্ত ছড়াচ্ছে এবং এই সুযোগে কিছু প্রতারক চক্র গ্রাহকদের থেকে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। তাই কেউ বিভ্রান্ত হবেন না। এবং অতি উৎসাহে করো ফাঁদে পা দিবেন না। যদি টুরিস্ট ভিসার কোন আপডেট থাকে সকল আপডেট আমাদের এই গ্রুপে দেওয়া হবে। ধন্যবাদ💢💢

13/04/2026
জেনে নিন!থাইল্যান্ড ই-ভিসা আবেদন করার পদ্ধতি: সহজ ধাপে ধাপে গাইড  থাইল্যান্ডে ভ্রমণ করতে চান? এখন আবেদন প্রক্রিয়া আরও স...
21/12/2024

জেনে নিন!
থাইল্যান্ড ই-ভিসা আবেদন করার পদ্ধতি: সহজ ধাপে ধাপে গাইড

থাইল্যান্ডে ভ্রমণ করতে চান? এখন আবেদন প্রক্রিয়া আরও সহজ! e-Visa পদ্ধতিতে ঘরে বসেই ভিসার জন্য আবেদন করা সম্ভব। নিচে পুরো প্রক্রিয়াটি ব্যাখ্যা করা হলো:

---

ধাপ ১: রেজিস্ট্রেশন এবং আবেদন
1. ওয়েবসাইট ভিজিট করুন:
[https://www.thaievisa.go.th](https://www.thaievisa.go.th)।
2. একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করুন:
- একটি অ্যাকাউন্ট থেকে সর্বোচ্চ ১০ জনের আবেদন জমা দেওয়া যাবে।
- পাসপোর্ট বায়োডাটা পেজ এবং ছবি আপলোড করুন (jpg ফাইল, ৩MB এর কম)।
- পাসপোর্ট থেকে তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফর্মে আসবে। তথ্য সঠিকভাবে যাচাই করুন।
3. তথ্য এবং ডকুমেন্ট আপলোড করুন:
- প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস যেমন ব্যাঙ্ক স্টেটমেন্ট বা বর্তমান অবস্থানের প্রমাণ আপলোড করুন।
4. ভিসার ধরন নির্বাচন করুন:
ভিসা ফি (টাকা):
- ট্যুরিস্ট ভিসা (সিঙ্গেল এন্ট্রি): ৩,৫০০
- ট্যুরিস্ট ভিসা (মাল্টিপল এন্ট্রি): ১৭,০০০
- অন্যান্য ভিসার বিস্তারিত ফি ও তথ্য ওয়েবসাইটে পাবেন।
5. এম্বেসি নির্বাচন করুন:
- বাংলাদেশ থেকে আবেদনকারীরা শুধুমাত্র ঢাকার রয়্যাল থাই এম্বেসির মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।

---

ধাপ ২: পেমেন্ট প্রক্রিয়া
1. পেমেন্ট ইনফো সামারি (P*S) শীট:
- আবেদন জমা দেওয়ার পর এটি পাবেন। শীটটিতে QR কোড এবং রেফারেন্স নম্বর থাকবে।
2. পেমেন্ট করুন:
- [Commercial Bank of Ceylon](https://www.combank.net.bd/thaievisa)-এর ওয়েবসাইটে যান।
- ভিসা ফি জমা দেওয়ার পর P*S শীটটি পেমেন্ট প্ল্যাটফর্মে আপলোড করুন।
- পেমেন্ট নিশ্চিত হলে ই-রিসিট ইমেইলে পাঠানো হবে।

---

ধাপ ৩: ভিসা অনুমোদন
1. প্রসেসিং সময়:
- আবেদন প্রক্রিয়ার জন্য অন্তত ১০ কার্যদিবস সময় লাগবে।
- অতিরিক্ত ডকুমেন্ট চাওয়া হতে পারে।
2. ই-ভিসা গ্রহণ:
- ইমেইলের মাধ্যমে অনুমোদিত ভিসা পাবেন।
- ই-ভিসা প্রিন্ট করে থাই ইমিগ্রেশনে দেখান।

---

কী প্রাপ্তি ও সময়সূচি (পয়েন্ট আকারে)

- রেজিস্ট্রেশন:
- অ্যাকাউন্ট এবং পাসওয়ার্ড পাবেন।

- আবেদন জমা দেওয়ার পর:
- P*S শীট (QR কোড এবং পেমেন্ট তথ্য সহ) পাবেন।

- পেমেন্টের পর:
- ই-রিসিট পাবেন।

- অনুমোদনের পর:
- ই-ভিসা / অতিরিক্ত তথ্যের অনুরোধ / আবেদন প্রত্যাখ্যান সংক্রান্ত ই-মেইল পাবেন।

---

থাইল্যান্ড ভ্রমণ এখন আরও সহজ এবং দ্রুত। সময় নষ্ট না করে আজই আবেদন করুন! .

27/09/2024

জেনে রাখা ভালো :
সস্তায় বিমান টিকিট কেনার ৭টি টিপস

১. মঙ্গলবার এবং বুধবার বুক করুন

মঙ্গলবার এবং বুধবার হল বিমান টিকিট কেনার সেরা দিনগুলির মধ্যে একটি। বেশিরভাগ এয়ারলাইনস সাধারণত মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭:০০ টায় তাদের বুকিং সিস্টেম আপডেট করে। কারণ এয়ারলাইনস জানে যে বেশিরভাগ যাত্রী শুধুমাত্র সপ্তাহের দিনগুলোতে টিকিট বুক করার সময় পান। পরিসংখ্যান অনুযায়ী প্রমাণিত হয়েছে, আমাদের বেশিরভাগই সাধারণত শুক্রবার, শনিবার বা রবিবার টিকিটের দাম দেখেন।

২. আগে বুক করুন, তবে খুব বেশি আগে নয়

অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে, ভ্রমণের তারিখের কমপক্ষে ২১ দিন আগে টিকিট বুক করা উচিত। বেশিরভাগ এয়ারলাইনস তাদের সিস্টেমগুলো এমনভাবে সেট করেছে যাতে যত বেশি সম্ভব টিকিট বিক্রি করতে পারে। তাই, সিস্টেমের মধ্যে একটি নির্দিষ্ট কোটা থাকে সস্তা টিকিটের জন্য। উদাহরণস্বরূপ, কুয়ালালামপুর থেকে লন্ডনের ফ্লাইটের জন্য সিস্টেমে নির্ধারণ করা হয় যে প্রথম ২০ জন যাত্রী সবচেয়ে কম দাম পাবেন। পরবর্তী ২০০ জন মাঝারি দাম পাবেন, এবং বাকিরা সম্ভবত আরও বেশি মূল্য দিতে হতে পারে। সংক্ষেপে, এয়ারলাইন্সের সিস্টেম কুয়ালালামপুর থেকে লন্ডন যাওয়ার সময় তারা যে মার্জিন চায় তার উপর ভিত্তি করে টিকিটের দাম নির্ধারণ করবে।

৩. উড়ার জন্য উপযুক্ত দিন

মঙ্গলবার বা বুধবার উড়ার জন্য টিকিট বুক করার চেষ্টা করুন। বেশিরভাগ এয়ারলাইনস এই দুই দিনকে ‘কম ব্যস্ত দিন’ হিসেবে নির্ধারণ করে বুকিং সিস্টেমের জন্য। এয়ারপোর্টও সাধারণত এই দুই দিন অন্যান্য দিনের তুলনায় কম ব্যস্ত থাকে, বিশেষ করে শুক্রবার এবং রবিবার যখন বুকিং সিস্টেম এবং এয়ারপোর্ট অনেক ব্যস্ত হয়ে ওঠে।

৪. আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের জন্য 'বেস্ট ডিল' খুঁজুন

বেশিরভাগ এয়ারলাইনস আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের জন্য প্রায় ১১ থেকে ১২ সপ্তাহ আগে 'বেস্ট ডিল' অফার করে। তাই, এই সময়ের মধ্যে নিয়মিত টিকিটের দাম পরীক্ষা করুন।

৫. ছোট এয়ারপোর্ট বেছে নিন

এই পদ্ধতি চেষ্টা করতে পারেন, যা হল প্রধান এয়ারপোর্টে না নেমে গন্তব্যের কাছাকাছি একটি ছোট এয়ারপোর্টে নামা। উদাহরণস্বরূপ, আপনি যদি লন্ডনে যেতে চান, অনেকেই সাধারণত হিথ্রোতে নামেন। পরের বার, হিথ্রোতে না নেমে, হিথ্রোর কাছাকাছি একটি ছোট এয়ারপোর্ট যেমন ম্যানচেস্টারের এয়ারপোর্টে নামার চেষ্টা করুন। তারপর ম্যানচেস্টার থেকে আপনি ট্রেনে করে লন্ডনে যেতে পারেন। এই পদ্ধতি চেষ্টা করুন, এটি সস্তা হওয়া উচিত!

৬. 'কুকিজ' ক্লিয়ার করুন

অনেকে এটা জানেন না। যদি আপনি ৩০ দিনের মধ্যে এয়ারলাইনের ওয়েবসাইটে গিয়ে থাকেন, তাহলে আপনার ল্যাপটপ, স্মার্টফোন এবং পিসি থেকে কুকিজ ক্লিয়ার করুন। কারণ এই কুকিজের মাধ্যমে এয়ারলাইনের বুকিং সিস্টেম মনে করবে যে আপনি বারবার তাদের ওয়েবসাইট দেখেছেন। তাই, বুকিং সিস্টেম একই দাম দেখাবে এমনকি যদি আপনি বহুবার ওয়েবসাইটে যান। কখনও কখনও দাম বাড়তেও পারে! তাই, আপনার ইন্টারনেট ব্রাউজারের কুকিজ ক্লিয়ার করার অভ্যাস তৈরি করুন। আপনি যদি জানেন না কিভাবে তা মুছতে হয়, তাহলে গুগলকে জিজ্ঞাসা করুন!

৭. দাম তুলনা করুন

গুগল করতে এবং আপনি যে টিকিট কিনতে চান তার দাম অন্যান্য ওয়েবসাইটে তুলনা করতে অলস হবেন না। শুধু এক ওয়েবসাইটে ফোকাস করবেন না। আপনি অবাক হবেন, কারণ কখনও কখনও আপনি একই এয়ারলাইনের টিকিট আরও সস্তা পাবেন। এখানে কিছু সার্চ ইঞ্জিন রয়েছে যা আমি প্রায়ই ভ্রমণের জন্য ব্যবহার করি:

1. Skyscanner
2. CheapFlight
3. Momondo
4. Kayak
5. Google Flight
6. Ita Software

18/09/2024

👉বিদেশ যেতে চাইলে নিচের এই বিষয় জানা দরকার
🍁🍁🍁🍁🍁🍁🍁🍁🍁🍁
‘সবাই বিদেশ যাচ্ছে, আমিও যাবো’ –এই চিন্তা থেকে যারা বিদেশ যেতে চায়, তারা অনেকগুলো ভুল করে। এই ভুলের কারণে তাদের বিদেশ যাওয়া বিলম্ব হয়। এমনকি ভুল সংশোধন করতে অনেকের লক্ষাধিক টাকাও ব্যয় করতে হয়!

◾ ১. আপনি যেদিন থেকে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বিদেশ যাবেন, সেটা আগামী মাসে হোক বা ২ বছর পর হোক, আপনাকে অনেকগুলো ডকুমেন্টস রেডি করতে হবে। প্রথমত আপনার ভোটার আইডি কার্ড, আপনার মা-বাবার ভোটার আইডি কার্ড, আপনার জন্ম-নিবন্ধন, আপনার SSC-HSC সার্টিফিকেট, মার্কশিট সবগুলোতে কয়েকটা বিষয় একই আছে কিনা দেখতে হবে।

👉 আপনার নামের বানান (বাংলা-ইংরেজি) সবগুলোতে এক কিনা

👉 আপনার জন্ম-তারিখ এক কিনা

👉 আপনার মা-বাবার নামের বানান এক কিনা

সাধারণত প্রায় ৮০% মানুষেরই এসব ডকুমেন্টসে ভুল থাকে। বিদেশ না গেলেও এগুলো ঠিক করা লাগবে। বিদেশ যেতে চাইলে তো ঠিক না করে উপায় নেই।

◾২. পাসপোর্ট রেডি করে ফেলতে হবে।

আমাদের অনেক শিক্ষার্থী IELTS –এ ভর্তি হবার পর পাসপোর্ট রেডি করে। এটা স্ট্রাটেজিক্যাল ভুল। আপনি IELTS –এ ভর্তিই হয়েছেনই বিদেশ যাবার জন্য। IELTS দিতে চাইলেও পাসপোর্ট থাকাই লাগবে। তাহলে আপনি কেনো IELTS –এর প্রস্তুতি নেবার সময় পাসপোর্ট বানাবেন?

ঐ সময় বেশিরভাগের মনোযোগ বিঘ্ন ঘটে। পাসপোর্ট বানানোর সময় দৌড়াদৌড়ি করতে হয়। ভুল হলে দুশ্চিন্তা করতে হয়। এর ফলে IELTS প্রস্তুতি কয়েকদিন ঠিকমতো হয় না।

ভালো রেজাল্ট করতে গেলে নির্বিঘ্নে পড়ালেখা জরুরি। এজন্য IELTS –এ ভর্তি হবার আগেই পাসপোর্ট বানানো থেকে শুরু করে ডকুমেন্টস সংশোধনের জন্য যা যা প্রয়োজন, সব তৈরি করে নিন।

◾৩. আপনার সংগৃহীত SSC-HSC সার্টিফিকেট, মার্কশিট এবং অনার্স সম্পন্ন করলে সেটার মার্কশিট শিক্ষা এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে ভ্যারিফাই করে নিন।

অনেকেই এটা জানেন না। যখন এটা দরকার হয়, তখন দৌড়াদৌড়ি করেন। কেউ কেউ তো আবার এসব কাজের জন্যও দালাল খুঁজেন। এটা একটা বদ-অভ্যাস। কারণ, এখন অনলাইনে খুব সহজে এগুলো শেখা যায়। প্রক্রিয়া অনুসরণ করে নিজে নিজেই প্রায় ৯৫% ভুল সংশোধন করা যায়।

◾৪. আপনি নিজের পাসপোর্ট আবেদন করা নিজেই শিখুন।

শিখতে লাগবে সর্বোচ্চ ১০ মিনিট, পাসপোর্ট আবেদন করতে লাগবে আরো ১০ মিনিট।

এটা শুধুমাত্র পাসপোর্ট আবেদনের টাকা বাঁচানোর জন্যই করবেন না। বরং এটা একটা স্কিল। বিদেশে গেলে এরকম অনেক কাজ অনলাইনে আপনাকেই করতে হবে, তখন ‘দালাল’ পাবেন না!

আপনি যদি একবার এরকম কাজ করেন, সেটা পাসপোর্টের আবেদন হতে পারে, ভুল সংশোধনের কাজ হতে পারে, আপনার মধ্যে তখন আত্মবিশ্বাস তৈরি হবে।

আমাদের বেশিরভাগ শিক্ষার্থীর মধ্যে আত্মবিশ্বাস নেই। তারা অনার্সে পড়ে, অনার্স-মাস্টার্স পাশ করেও নিজের পাসপোর্ট নিজে আবেদন না করে দোকানে গিয়ে করায়। সেই আবেদন তারা করে, যাদের যোগ্যতা তারচেয়েও কম!

সফল হবার অন্যতম শর্ত হলো আত্মবিশ্বাস। এই আত্মবিশ্বাস একবার যদি আপনার মধ্যে তৈরি হয়, আপনাকে কেউ আটকাতে পারবে না।

পৃথিবীর অনেক যোগ্য মানুষও সফল হতে পারে না আত্মবিহস্বাসের অভাবে, অন্যদিকে অনেক কম যোগ্যতাসম্পন্ন মানুষও সফল হয় শুধুমাত্র আত্মবিশ্বাসের কারণে।

◾ ৫. আপনি পড়ালেখা ছাড়া কোনোদিন আর কোনো কাজ করেননি। রাঁধতে পারেন না, বাইক চালাতে পারেন না, প্রাইভেট কার চালাতে পারেন না; এমনকি সাইকেল চালাতেও পারেন না।

তাহলে বিদেশ গিয়ে সার্ভাইভ করা আপনার জন্য অনেক কঠিন হবে। এজন্য দেশে থাকতেই আপনি অন্তত চলনসই রান্না এবং প্রাইভেট কার বা অন্তত সাইকেল চালানো শিখে ফেলুন।

দেশে অনেক কাজ ম্যানুয়ালি হয়। কিন্তু, বিদেশে গেলে বেশিরভাগ কাজ কম্পিউটারে করতে হবে। কম্পিউটারের বেসিক ফাংশন শিখে নিন।

আমাদের দেশে যেরকম রাস্তার পাশেই কম্পিউটারের দোকানে গেলে সব আবেদন করে দেয়, বিদেশে এই সুযোগ যেমন কম, তেমনি ডলার-পাউন্ড ব্যয় করেই এগুলো করতে হবে।

অথচ নিজে সপ্তাহখানেক বা মাসখানেক সময় দিয়ে এগুলো শিখতে পারলে তখন কারো মুখাপেক্ষী হওয়া লাগবে না। ..
আপনাদের সর্বাঙ্গীন সফলতা কামনায়-
⚖ Md Rasel
☎+88 01712-647530

পাসপোর্ট করলে কী কী সুবিধা পাবেন?★★অনেকেই মনে করেন, "এখন তো বিদেশ যাবো না, পাসপোর্ট করে কী হবে?"শুধুমাত্র বিদেশ যাবার প্...
03/09/2024

পাসপোর্ট করলে কী কী সুবিধা পাবেন?
★★অনেকেই মনে করেন, "এখন তো বিদেশ যাবো না, পাসপোর্ট করে কী হবে?"

শুধুমাত্র বিদেশ যাবার প্রসেস হলেই পাসপোর্ট করবেন, এমন না।
একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে আপনার পাসপোর্ট থাকাটা খুবই জরুরি। পাসপোর্ট থাকলে আপনি বিভিন্ন সুবিধা পাবেন, যেটা পাসপোর্ট ছাড়া সম্ভব না।

পাসপোর্ট থাকলে কী কী সুবিধা পাবেন? আসুন দেখে নিই:⤵️

১.ভিসা-ফ্রি দেশে যাবার সুবিধা:

★★বাংলাদেশী পাসপোর্ট দিয়ে প্রায় ৪০টি দেশে ভিসা-ফ্রি বা অন-এরাইভাল সুবিধা পাওয়া যায়। সেসব দেশে খুব সহজেই ভ্রমণ করতে পারবেন আপনার যদি একটা পাসপোর্ট থাকে।

★★অর্থাৎ, শুধুমাত্র লন্ডন-আমেরিকা যাবার জন্যই পাসপোর্ট না। ঐসব দেশ ছাড়াও অনেক দেশে পাসপোর্ট ছাড়া যাওয়া যায়।

২.ইমার্জেন্সি চিকিৎসা সুবিধা:

★★আপনার যদি হঠাৎ এমন কোনো অসুখ হয় যেটার চিকিৎসার জন্য বিদেশ যেতে হবে, সেক্ষেত্রে আপনার পাসপোর্ট থাকা আবশ্যক। সেই মুহূর্তে সময়ের অনেক মূল্য। ইমার্জেন্সি পাসপোর্ট করতে যতোদিন সময় লাগবে, এতোদিনে আপনার চিকিৎসা হবে না। এজন্য পাসপোর্ট থাকা দরকার।

৩.পাসপোর্ট হলো ইন্টারন্যাশনাল আইডেন্টিটি কার্ড:

★★আপনার ভোটার আইডি কার্ড বা যেটাকে ন্যাশনাল আইডি কার্ড বলা হয়, এটা দেশের মধ্যেই ব্যবহার করতে পারবেন। কিন্তু, বিদেশের কোনো কিছু করতে গেলে আপনার পাসপোর্ট লাগবে। এমনকি আপনি দেশে থেকে বিদেশে ব্যবসা করতে গেলে, অনেক কোম্পানিতে জব করতে গেলে আপনার পাসপোর্ট লাগতে পারে।

৪.স্কলারশিপের আবেদন, কনফারেন্সে যাবার সুযোগ:

★★বেশিরভাগ ভার্সিটিতে আবেদনের সময় পাসপোর্ট লাগে। শুধু তাই না, বিদেশী অনেক ভার্সিটিতে বিভিন্ন প্রোগ্রাম থাকে যেখানে ফ্রি-তে যাবার সুযোগ থাকে। অনেকসময় আপনি যে কলেজ-ভার্সিটিতে পড়েন, সেখানকার উদ্যোগেও ঐসব কনফারেন্সে যাবার সুযোগ মিলে।

এরকম শর্ট-নোটিশে যেতে চাইলে পাসপোর্ট থাকতে হয়।

অনেকেই আছে যাদের শুধুমাত্র পাসপোর্ট না থাকার কারণে অনেক কনফারেন্সে সুযোগ থাকা সত্ত্বেও তারা অংশগ্রহণ করতে পারেনি।

৫.পরীক্ষা দিতে পাসপোর্ট প্রয়োজন:

★★বাংলাদেশে থেকেও বিভিন্ন পরীক্ষা দিতে চাইলে পাসপোর্ট প্রয়োজন। যেমন: IELTS, GRE, GMAT, SAT, TOEFL ইত্যাদি।

৬. ডুয়েল কারেন্সী ডেবিট কার্ড:
দেশের বাহিরে অনলাইনে ই-কমার্স বা ইন্টারন্যাশনাল ট্রাঞ্জেকশন করতে অবশ্যই বাংলাদেশের ব্যাংকের কার্ড পাসপোর্ট দিয়ে ডলার এন্ডোর্স্মেন্ট করে নিতে হবে।
এক্ষেত্রেও পাসপোর্ট লাগবে।

যারা পাসপোর্ট করবেন তারা আগে সার্টিফিকেট,এনআইডি কার্ড, পিতা-মাতার এনআইডি কার্ডে আপনার নাম,পিতা/মাতার নাম যেনো একই থাকে লক্ষ্য রাখবেন যদি অমিল থাকে আগে সব কিছু ঠিক করবেন তারপর পাসপোর্ট করবেন অন্যথায় ভোগান্তিতে পড়বেন❤️
পাসপোর্ট সম্পর্কে কিছু জানার থাকলে কমেন্ট করতে পারেন❤️

03/09/2024

যারা পাকিস্তান যেতে চান!
পাকিস্তান ট্যুরের নিয়মাবলী:

🇧🇩✈️🇵🇰 ভিসা আবেদন:

প্রথম ধাপেই অনলাইনে পাকিস্তানের ভিসা আবেদন করতে হবে। সহজেই ঘরে বসে বা কাছের কোনো কম্পিউটার দোকান থেকে আবেদন করা যাবে। বর্তমানে ভিসা ফ্রি হওয়ায় কোন টাকা পয়সার প্রয়োজন নেই। আবেদন সম্পন্ন করার পর আপনি ই-ভিসা পেয়ে যাবেন।

★টিকেট বুকিং:

ভিসা পাওয়ার পরেই টিকেট কনফার্ম করতে হবে। উত্তরাঞ্চল ঘুরতে চাইলে লাহোরকে বেছে নিন, কারণ ইসলামাবাদ বা করাচীর তুলনায় লাহোরের টিকেটের দাম তুলনামূলক কম। ঢাকা থেকে লাহোর রাউন্ড ট্রিপের টিকেটের দাম ৫৫ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত ওঠানামা করতে পারে। তাই নিজের সুবিধা অনুযায়ী কম খরচের একটি এয়ারলাইন্সের টিকেট বুক করুন।

★লাহোর থেকে ইসলামাবাদ:

লাহোর এয়ারপোর্টে পৌঁছে সিটি বাস স্টেশনে যেতে হবে। এখান থেকে কোনো একটি বাসে উঠে ৫ ঘণ্টার জার্নি শেষে পৌঁছাবেন ইসলামাবাদে। বাস ভাড়া প্রায় ১ হাজার টাকা।

★ইসলামাবাদে থাকা:

ইসলামাবাদে বিভিন্ন ক্যাটাগরির হোটেল রয়েছে, আপনার বাজেট অনুযায়ী একটি হোটেল বেছে নিন। ইসলামাবাদকে বিশ্বের অন্যতম সুন্দরতম রাজধানী হিসেবে বিবেচনা করা হয়, তাই এখানে কিছুদিন অবস্থান করে শহরটি ঘুরে দেখা দারুণ অভিজ্ঞতা হতে পারে।

★কারেন্সি চেঞ্জিং:

লাহোরে পৌঁছানোর পর প্রথম কাজ হবে বাংলাদেশি টাকাকে রুপিতে কনভার্ট করা। ১০০ টাকা সাধারণত ১৯০ রুপি সমান, তবে কনভার্টের সময় কিছুটা কম পাওয়া যেতে পারে।

★প্রাথমিক থাকা/হোটেল বুকিং:

পাকিস্তানে যাওয়ার আগে বা পৌঁছে প্রথমে ১-২ দিন লাহোর বা ইসলামাবাদে থাকতে হবে। আপনি চাইলে আগেই অনলাইনে হোটেল বুক করতে পারেন, তবে অনলাইন বুকিং করা হোটেলগুলো সাধারণত ব্যয়বহুল হয়। পরিবারের সাথে থাকলে আগে থেকে হোটেল বুকিং করে রাখুন।

★মূল ট্যুর:

ইসলামাবাদ থেকে শুরু হবে আপনার মূল ট্যুর। খাইবার পাখতুনখা, গিলগিট-বাল্টিস্তান এবং আজাদ কাশ্মীরের যেকোনো অঞ্চল থেকে ঘুরতে পারবেন।

★ট্যুরের পদ্ধতি:

1. স্বাধীনভাবে: নিজের ইচ্ছামতো ট্যুর করতে পারেন, তবে খরচ কম হবে।
2. ট্রাভেল এজেন্সি: একাধিক এজেন্সি আপনার জন্য গাইডসহ জিপ গাড়ির ব্যবস্থা করে দেবে। এতে খরচ কিছুটা বেশি হলেও সুবিধা বেশি।

খরচ বিবরণ:

পাকিস্তানে থাকা-খাওয়া ও অভ্যন্তরীণ যাতায়াত খরচ বাংলাদেশের মতো বা তার চেয়ে কম হতে পারে। তবে মূল খরচ হবে বিমান ভাড়া। অনুমান করা খরচ:

• ভিসা: ফ্রি
• ঢাকা-লাহোর বিমান ভাড়া: ৫৫ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা
• লাহোর-ইসলামাবাদ বাস ভাড়া: প্রায় ২/৩ হাজার টাকা
• ১৫-২০ দিন অবস্থানের জন্য আনুমানিক খরচ: ১৫-২৫ হাজার টাকা (হোটেল, খাবার, যাতায়াত ও ঘোরাঘুরি)

ভ্রমণস্থল:

নর্থ পাকিস্তানে পর্যটন স্থানের অভাব নেই। কয়েকটি আকর্ষণীয় স্থানের মধ্যে:

1. সোয়াত: কামরাট ভ্যালি, কালাম ভ্যালি, মহোদন্ড লেক
2. হুনজা: হুনজা ভ্যালি, আতাবাদ লেক, বালতিত ফোর্ট
3. স্কার্দু: সার্ফারাঙ্গা কোল্ড ডেজার্ট, কাচুরা লেক
4. আজাদ কাশ্মীর: মুজাফফরাবাদ সিটি, নীলাম ভ্যালী

★থাকা/হোটেল:

সব প্রধান পর্যটন অঞ্চলে আবাসিক হোটেল আছে, বিশেষ করে হুনজা এবং সোয়াতে হোটেলের পরিমাণ বেশি। স্কার্দুতে হোটেল কম। বড় হোটেলের লোকেশন অনলাইনেই পাওয়া যায়। আপনি চাইলে পোর্টেবল তাবু নিয়ে নিরিবিলি স্থানে থাকতে পারেন।

★অতিরিক্ত অভিজ্ঞতা:

• কারাকোরাম হাইওয়ে: পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর সড়কগুলোর মধ্যে অন্যতম।
• বাবুসর পাস: বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু সড়ক, যেখানে মেঘও আপনার নিচে দিয়ে বইবে।

সুইজারল্যান্ডের মতো জায়গা ঘোরার খরচের তুলনায় পাকিস্তান ট্যুর অনেক সস্তা।

ধন্যবাদ সবাইকে, আশাকরি এই নির্দেশনা আপনার ট্যুরকে আরো সহজ ও আনন্দময় করে তুলবে।

এখন থেকে পাকিস্তানের ফ্রি ভিসা পাবে ১২৬ দেশ, তালিকায় বাংলাদেশও। ১২৬টি দেশের জন্যে ভিসা করে দেওয়া হয়েছে একদম বিনামূল্য...
15/08/2024

এখন থেকে পাকিস্তানের ফ্রি ভিসা পাবে ১২৬ দেশ, তালিকায় বাংলাদেশও। ১২৬টি দেশের জন্যে ভিসা করে দেওয়া হয়েছে একদম বিনামূল্যে! অনলাইনে মাত্র ৩০ প্রশ্নের উত্তর দিলেই ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পাওয়া যাবে ই-ভিসা...

30/07/2024

কলকাতা ঘুরতে কলকাতায় কোথায় কি বিশেষ খাবার পাওয়া যায় জেনে রাখুন :

১) নিউ মার্কেট - নিজাম'স এর কাঠি রোল ও বটী কাবাব !
২) ধর্মতলা নিউ আলিয়া - মাটন স্পেশাল বিরিয়ানী, মাটন টিক্কা, মটন স্টিউ, ফিরনি ও হালিম।
৩) পার্ক স্ট্রিটে পিটার ক্যাট - চেলো কাবাব !!
৪) ডেকার্স লেন চিত্ত দার দোকান - রুমালি রুটি + চিকেন ভর্তা, চিকেন আর মাটন্ স্ট্যু।
৫) শোভাবাজার - বিডন স্ট্রীটের এলেন কিচেন - প্রন কাটলেট , চিকেন স্টিক !!
৬) শোভাবাজার মেট্রো স্টেশন আর গ্রে স্ট্রীটের ক্রসিংয়ে মিত্র ক্যাফে - ব্রেন চপ , ব্রেন স্যুপ, টোস্ট, ফিস ফ্রাই এবং কবিরাজি !!
৭) পার্ক সার্কাস রয়াল - মাটন বিরিয়ানি + চিকেন আর মাটন চপ !!
৮) বাঙালি বুফে - ৬ বালিগঞ্জ প্লেস !!
৯) কলেজ স্ট্রিট প্যারামাউন্ট - ডাব সরবত
আর কালিকা - বিভিন্ন রকম চপ !!
১০) মিষ্টি - বলরাম মল্লিক , নকুড় , পুটিরাম , গাঙ্গুরাম !!
১১ ) দ্যা ভোজ কোম্পানী অবশ্যই নতুন ব্রাঞ্চ টা!
১২) বিবেকানন্দ রোডের কাছে বিধান সরণীর ওপর স্বামিজীর বাড়ির উল্টো ফুটে চাচার !হোটেলের ফিস ফ্রাই আর মাটন্ কাটলেট।
১৩) শ্যামবাজারে ভূপেন বোস অ্যাভিনিউয়ে মণীন্দ্র কলেজের উল্টো দিকের গলিতে গৌরীমাতা সরণীতে মামুর দোকানের ( বড়ুয়া এ্যান্ড দে ) মাটন্ প্যান্থারাস্ আর ব্রেইজড্ কাটলেট।
১৪) গিরীশ পার্ক মেট্রো স্টেশনের (পশ্চিম পাড়ে) ঠিক পাশেই নিরঞ্জন আগারের মাটন্ চপ ও লিভার কষা।
১৫) হেদুয়ার মোড়ে বসন্ত কেবিনের এবং দক্ষিনে লেক মার্কেটের কাছে রাদু বাবুর দোকানের চা এবং চপ, কাটলেট।
১৬) হাতিবাগানে টাউন স্কুলের উল্টো দিকের ফুটপাথে মালঞ্চর কবিরাজী কাটলেট।
১৭) কলেজ স্ট্রীটে পুঁটিরামের কচুরী।
১৮) প্যারামাউন্টের সরবত ।
১৯) কপিলা আশ্রমের সরবত!
২০) রয়্যালের মটন চাঁপ।
২১) সিরাজের বিরিয়ানি।
২২) সাবিরের রেজালা।
২৩) স্যাঙ্গিভ্যালি রেস্তরাঁর চপ, কাটলেট।
২৪) সিমলার নকুড়ের সন্দেশ।
২৫) ফড়িয়াপুকুরে সেন মহাশয়ের বাবু সন্দেশ।
২৬) ভবানীপুরের শ্রীহরির লুচি/ কচুরী আর পাতলা ছোলার ডাল।
২৭) বাগবাজার নবীন দাশের রসগোল্লা ।
২৮) শ্যামবাজার স্ট্রীটের চিত্তরঞ্জনের রসগোল্লা ও মধুপর্ক।
২৯) শ্যামবাজারের স্ট্রিট ভবতারিণীর রসগোল্লা ।
৩০) ফড়িয়াপুকুরে অমৃতের দই।
৩১) বাগবাজারে পটলার দোকানের তেলেভাজা আর কচুরী।
৩২) নিউটাউন বাস স্ট্যান্ডে বিরিয়ানী বার - বিরিয়ানী, চাপ, রেজালা, কাঠি রোল।
৩৩) নিউ মার্কেট এর নাহুম্স এর বেকারী
৩৪) পার্ক স্ট্রিট ন্যাচারালস এর টেন্ডার কোকোনাট আইসক্রিম।
৩৫) কলেজ স্ট্রিট কফি হাউসের আড্ডা সহযোগে কফি।
৩৬) বউবাজার জাংশনে ভিমনাগের সন্দেশ
৩৭) স্কুপের ড্রাইফ্রুট আইসক্রিম ।
৩৮) এসপ্লানেড মোড়ের কেসি দাসের রসগোল্লা
৩৯) আওধের বিরিয়ানি ।
৪০) রিপন স্ট্রিটের জামজামের বিফ বিরিয়ানি ও মালাই।
৪১) গুপ্তা সুইটস এর ক্যাডবেরি সন্দেশ।
৪২) কস্তুরীর কচু পাতা বাটা চিংড়ি ।
৪৩) সল্টলেকের চার্নক সিটির ডাব চিংড়ি ।
৪৪) ভজহরি মান্নার নলেন গুড়ের আইসক্রিম।
৪৫) সিদ্ধেশ্বরী আশ্রমের বাঙালি খাদ্যসামগ্রী।
৪৬) খিদিরপুরের "ইন্ডিয়া" এর কাচ্চি বিরিয়ানি, গলৌটি কাবাব, চিকেন চাপ ও তন্দুরি।
৪৭) এম জি রোড বড়বাজার দেশবন্ধু মিষ্টান্নর সীতাভোগ ও সিঙাড়া।
৪৮) দমদমের হাজির মাটন বিরিয়ানি আর মালাই কাবাব।
৪৯) আগমনীর লাল ক্ষীর দই আর সরভাজা।
৫০) গড়িয়ার ফুটব্রিজের নীচের লাল আটার ফুচকা চুরমুর ও মোমো।
৫১) লেকটাউনে জয়া সিনেমা হলের উলটো দিকে চিকেন রোল।
৫২) বিরাটী মোড়ে ভোরের আলোর রসগোল্লা।।
৫৩) সিকিম হাউসের মোমো, পর্ক শাপটা।
৫৪) কালিঘাটে আপনজনের ফিশ চপ, ফিস ওরলি, মাটনের পুর ভরা আর কিমা মোগলাই।
৫৫) ফ্রেন্ডস্ এর চীজ ওনিয়ন ধোসা ।
৫৬) মাদ্রাস টিফিনের ধোসা।
৫৭) ওলি পাবের বিফ স্টিক।
৫৮) গড়িয়াহাট ক্যাম্পারির চিকেন কাটলেট ।
৫৯) গড়িয়াহাট দাস কেবিনের মোগলাই ।
৬০) হাজরা মোড় ক্যাফের পুডিং, চিকেন স্টু, কাটলেট, ফিস ফ্রাই।
৬১) করিমস এর বিরিয়ানি ও তন্দুরি পদ।
৬২) টেরিটিবাজার ছাত্তাওলা গলির চাইনিজ: তুং নাম।
৬৩) নন্দলালের কচুরী ও ছোলার ডাল।
৬৪) বোহেমিয়ান এর ফিউশান ফুড - গন্ধরাজ জোলেপ্, চিলি পিকল্ চীজ বেকড্ ক্রাব সংগে কলমী গ্রীণস।
৬৫) স্পাইসক্রাফ্ট এর ফিউশান ফুড - দাজাজ চারমৌলা, বীয়ার ক্যান টেম্পুরা ফিশ, জ্যাক ডানিয়েলস্ মৌশে।
৬৬) কাবুল কোলকাতার মটন রোশ, চিকেন সিজি।
৬৭) মোকাম্বো রেস্তরাঁর বেকড্ ক্রাব ও মিক্সড গ্রীলড্ প্লাটার।
৬৮) খিদিরপুর ফ্যান্সির পাশে ঠেলাগাড়ির বিফ হালিম।
৬৯) নিউ মার্কেট টিপু সুলতান মসজিদের পাশে ফালুদা।
৭০) ডেকার্স লেনের অগ্রণী গলিতে ম্যাংগো লস্যি
৭১) জ্যাকারিয়া স্ট্রিট সুফিয়া- নিহারি, হালিম।
৭২) জ্যাকারিয়া স্ট্রিট দিল্লি সিক্স- পেয়ারে কাবাব, শিরমল, আফগানি কাবাব।
৭৩) জ্যাকারিয়া স্ট্রিট হাজি লিয়াকত- মুসকত হালুয়া
৭৪) জ্যাকারিয়া স্ট্রিট হাজি আলাউদ্দিন- হালুয়া ও গুলাব জামুন।
৭৫) জ্যাকারিয়া স্ট্রিট দিলশাদ - বিফ মালাই কাবাব ও অন্যান্য।
৭৬) জ্যাকারিয়া স্ট্রিট আডামস্ - সুতলি কাবাব ।
৭৭) জ্যাকারিয়া স্ট্রিট বোম্বে হোটেল- বিফ চাপ।
৭৮) মানজিলাৎ ফতিমা - আওধি কুজিন।
৭৯) নিউ মার্কেট এর রালিস্ এর কুলফি।
৮০) শ্যামবাজারের মেট্রো গেট - লস্যি ।
৮১) চাইনিজ: বারবিকিউ ( ফ্লেভারস ওফ চায়না), চায়নাটাউন ( কাফুলক), নমনম ( সল্টলেক)।
৮২) সি ফুড: সান্তাস ফানটাসিয়া, ফিউসন ফানটাসিয়া ।
৮৩) শ্যামবাজারের রুপা- মটন কষা।
৮৪) শ্যামবাজারের তৃপ্তির মোমো।
৮৫) আহিরিটোলা- ভূতনাথ লিট্টি।
৮৬) আহিরিটোলা সাধুর চা।
৮৭) সিটি সেন্টারের কাছে চৌরাসিয়া - পাওভাজি ও চাট।
৮৮) হাজরা কাফে - পুডিং ।
৮৯) যতিনদাস পার্ক মেট্রোয় পণ্ডিত স্যান্ডউইচ।
৯০) নিউ মার্কেট এর ইন্দ্রমহল এর কুলফি।
৯১) বারুইপুরের "আসমা হোটেল"-এর চিকেন ।চাঁপ আর লাচ্ছা পরোটা।
৯২) শিয়ালদা শিশির মার্কেট লাগোয়া "কল্পতরুর" লস্যি।
৯৩) ঢাকুরিয়া স্টেশন লাগোয়া "জিহ্বার জল"-এর ধোকা ভাজা, সোয়াবিনের চপ্।
৯৪) রাজপুরের মঙ্গল দা'র দোকানের কচুরী।
৯৫) গড়িয়া মোড়ে "জিতেন মাহাতো"র চিকেন মোমো।
৯৬) সোনারপুর বৈকুণ্ঠপুর মোড়ের লুচির সাইজের ফুচকা।
৯৭) গড়িয়া "আমিনিয়া"র চিকেন চট্-পটা
৯৮) সোনারপুর স্টেশন লাগোয়া "সুবোল সাহা"র লস্যি
৯৯) হোন্ডোর বিফ বার্গার।
১০০) কলেজস্ট্রিট এ কল্পতরুর পান।

11/07/2024

জেনে রাখুন
টাঙ্গুয়ার ভ্রমন নামে আপনাকে যা দেখানো হয়🌝
= = = = = = = = = = = = = = =
প্রতি বছর বর্ষা ও শরৎকালে প্রায় অর্ধলক্ষাধিক পর্যটক টাঙ্গুয়ার হাওর ভ্রমন করেন। যদি বলি যে, এই পর্যটকদের ৯৫% টাঙ্গুয়ার হাওর না গিয়েই টাঙ্গুয়ার হাওর ভ্রমন সম্পন্ন করে ফেলেন, কথাটি কি বিশ্বাস করবেন? জ্বী, দূর্ভাগ্যজনক হলেও এটাই সত্য। টাঙ্গুয়ার হাওর ভ্রমন নামে যা চলে তার প্রায় সবই “ফলস সামিট”।

একটু বিস্তারিত বলি।
সুনামগঞ্জ ও নেত্রকোনা জেলায় হাওর, বাওর ও বিলের সংখ্যা কয়েক শত। সুনামগঞ্জের তাহিরপুর থেকে মধ্যনগর এর মধ্যবর্তী এলাকার উল্লেখযোগ্য হাওর-বিল গুলো হলো, শনির হাওর, মতিয়ান বিল, বানুয়ার হাওর, পালাইর বিল, বটকাই বিল, সংসার বিল, রাউয়ার বিল, নাবাই বিল, ঘড়িয়াকুরি বিল, পচাশোল বিল, পাকেরতলা বিল, সোনার বিল, খাজুয়াউরি বিল, শৈলদিঘা বিল, টাঙ্গুয়ার হাওর ইত্যাদি। অর্থাৎ তাহিরপুর থেকে মধ্যনগর পর্যন্ত যে বিস্তীর্ণ জলরাশি, তা পুরোটাই টাঙ্গুয়ার হাওর নয়। এই পোস্টের সাথে সংযুক্ত তাহিরপুর এলাকার জলাভূমির ম্যাপ দেখলে বুঝতে পারবেন যে, টাঙ্গুয়ার হাওরের অবস্থান ওয়াচ টাওয়ারের উত্তর-পশ্চিম দিকে।

সুনামগঞ্জ বা তাহিরপুর কেন্দ্রিক পর্যটকবাহী বিভিন্ন ট্রলার ও হাউজবোটগুলির তথাকথিত টাঙ্গুয়ার হাওর ভ্রমনের রুট হলো সুনামগঞ্জ বা তাহিরপুর থেকে ছেড়ে শনির হাওর, মতিয়ান বিল, বটকাই বিল প্রভৃতি পার হয়ে বওলাই নদীর পারের হিজল বনের ধারে ওয়াচ টাওয়ার। এখানে পর্যটকরা গোছল করে, ওয়াচ টাওয়ারে উঠে হাওর দেখে। এরপর পর্যটকদের নিয়ে যাওয়া হয়, পালাইর বিল, বড়্গপ বিল প্রভৃতি পার হয়ে টেকেরঘাটে। সেখানে তারা শহীদ সিরাজ লেক (নিলাদ্রী লেক) ও লাকমাছড়া ভ্রমন করে টেকেরঘাটে রাত যাপন করে। পরদিন সকালে মূলত নদী ও খাল দিইয়ে তাদের নিয়ে যাওয়া হয় যাদুকাটা নদীতে। ভারতের সীমান্ত সংলগ্ন বারিক্কা টিলা ও শিমুল বাগান দেখে পর্যটকদের তথাকথিত টাঙ্গুয়ার হাওর ভ্রমন শেষ হয়। লক্ষ্যনীয় বিষয় হলো এই দুই দিনে বিভিন্ন হাওর বিল ঘুরলেও ওয়াচ টাওয়ার পার হয়ে টাঙ্গুয়ার হাওরে তাদের আর যাওয়া হয়না। ওয়াচ টাওয়ার থেকে উত্তর-পশ্চিম দিকে অল্প কিছুসময় গেলেই টাঙ্গুয়ার হাওর পাওয়া যায়। কিন্তু সুনামগঞ্জ/ তাহিরপুর কেন্দ্রিক ট্রলার ও হাউজবোটগুলির প্রায় কোনোটিই এই দিকে আর বোট নেয় না, কারন টুরিস্টরা জানে না, টাঙ্গুয়ার হাওর কোনটি। খুবই অল্প কিছু বোট ওয়াচ টাওয়ারে যাওয়ার সময় সামান্য একটু সময় টাঙ্গুয়ার হাওরে ঢোকে।

এখন কথা হলো ৯৫% পর্যটকের কথা কেন বলা হয়েছে? ৫% পর্যটক কারা যারা টাঙ্গুয়ার হাওর ভ্রমন করে? উত্তর হলো, যারা মধ্যনগর দিয়ে টাঙ্গুয়ার হাওর ভ্রমন করেন তাদের বেশিরভাগই টাঙ্গুয়ার হাওর দেখতে পায়। মধ্যনগরের বোট গুলো ওয়াচ টাওয়ার বা টেকেরঘাট গেলে তাদেরকে কয়েক ঘন্টা ধরে টাঙ্গুয়ার হাওরের উপর দিয়েই যেতে হয়। এই পথটা সৌন্দর্যের দিক থেকেও তাহিরপুর রুটের চেয়ে অনেক অনেক বেশি সুন্দর। টাংগুয়ার হাওরের চমৎকার সৌন্দর্য, জলজ ইকোসিস্টেম, জলতলের জলজ উদ্ভিদরাজির দেখা পাওয়া যায় টাংগুয়ার স্বচ্ছ জলের নিচে। এই পথে টাঙ্গুয়ার ভ্রমন করলে বোঝা যাবে, বাংলাদেশের আর দশটা বিল হাওরের পরিবর্তে টাঙ্গুয়াকেই কেন ইউনেস্কো 'ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ রামসার সাইট' ঘোষনা করেছে।

প্রতিবছর অর্ধলক্ষাধিক পর্যটক, কয়েক কোটি টাকা খরচ করে “টাঙ্গুয়ার হাওর ভ্রমন” করলেও তাদের ৯৫% পর্যটকই টাঙ্গুয়ার হাওর এর দেখাই পান না? টাঙ্গুয়ার হাওর ভ্রমন এর নামে অন্য কিছু বিল হাওর দেখে, আরও কিছু তথাকথিত “স্পট কাভার” করে, পেট ভরে খেয়ে তারা ফিরে যান। তারা জানতেও পারেন না টাঙ্গুয়ার হাওরের রুপ, রঙ, রস ও কেমন।

11/07/2024

সম্ভাব্য
ইন্ডিয়ান ভিসা রিজেক্ট এর কারণ সমূহ:

১)"লস্ট পাসপোর্ট" , সবথেকে বেশি সমস্যা।
২)NID/ পাসপোর্ট নাম আলাদা বা বানান ভুল।
৩)সিঙ্গেল নামের পাসপোর্ট ।
৪)অন্য দেশ থেকে ডিপর্ট স্ট্যাম্প ।
৫)পূর্বে ভারতে গিয়ে "ওভার স্টে" করা।
৬)এমন কোনো তথ্য যেটা ধারণার উপর দেওয়া ।
৭)এছাড়াও কোন ডিপার্টমেন্ট জব , সেই ডিপার্টমেন্ট ছাড়পত্র দিচ্ছে কিনা।
৮)পুলিশ / আর্মি / জার্নালিস্ট প্রফেশন।
৯) এজেন্ট ব্যাংক স্টেটমেন্ট।
১০ ) অরিজিনাল প্রেসক্রিপশন ও ডাক্তারের রেকোমেন্ডেশন লেটার না দেওয়া ( মেডিক্যাল ভিসা তে প্রয়োজন হয়। )
১১) ডবল এন্ট্রি ভিসার ক্ষেত্রে , VFS Global Appointment ছাড়া সাবমিট করা।
১২) ট্রানজিট ভিসার ক্ষেত্রে হোটেল বুকিং/ অন্য কান্ট্রি কনফার্ম ভিসা / ফ্লাইট টিকিট না দেওয়া।
১৩) মেডিক্যাল ভিসায় রেস্ট্রিকশন আছে এমন স্টেট এন্ট্রি নেওয়া। ( সিকিম / অরুণাচল প্রদেশ, লাদাখ)
১৪) পুরানো ছবি দিলে ও 2 x 2 মাপের ছবি ব্যবহার না করলে।
১৫ ) সব পুরানো পাসপোর্ট ( অ্যানালগ, MRP, E-passport যুক্ত না করলে।
১৬ ) কোনো ধরনের ফেক ডকুমেন্ট ব্যবহার করলে।
১৭) বাংলাদেশের কোর্টে , ক্রিমিনাল মামলা থাকলে।
১৮ ) যে হসপিটালের নাম মেডিক্যাল ভিসায় উল্লেখ আছে FRRO চেঞ্জ অফ্ হসপিটাল না করে অন্য হসপিটালে ট্রিটমেন্ট নিলে, পাসপোর্ট ব্ল্যাক লিস্ট হবে।

Address

Zilla Sadar Road, Bottala
Tangail
1900

Telephone

+8801711736452

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Tanzim Online&Tourism Service posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Tanzim Online&Tourism Service:

Share

Category