City Grip

City Grip Global Education Consultancy

15/05/2026
সাবধান, !!!!!  সাবধান,,!!!! সাবধান,!!!! " #সতর্কতামূলক_পোস্টকানাডা ভিসা ২০ লাখ !! আমেরিকা ভিসা ২০ লাখ !! ইউরোপ ভিসা ১৫ ল...
23/01/2021

সাবধান, !!!!! সাবধান,,!!!! সাবধান,!!!! "
#সতর্কতামূলক_পোস্ট
কানাডা ভিসা ২০ লাখ !! আমেরিকা ভিসা ২০ লাখ !! ইউরোপ ভিসা ১৫ লাখ !! ভিসার আগে বা পরে ১ টাকাও নয়, সমস্ত পেমেন্ট পৌঁছানোর পরে।।
এরকম রংচং মাখা বিজ্ঞাপনের ফাঁদে পা দিয়ে, আমার পরিচিত এক ভাই এই ফাঁদে পা দিয়ে তার সর্বশেষ খুয়িয়েছেন।। তার করুন কাহিনী হুবহু তুলে ধরা, যদি কারো কোনও উপকার এ আসে।।
সে এমনই কোনও এক বিজ্ঞাপন দেখে ঢাকায় অভিজাতো এলাকায় একটা অফিসে গিয়েছিলেন, সেখানে তাদের কাছ থেকে বিস্তারিত জানতে চায়। এবং তারা বলে যে, আমরা গ্রান্টি দিয়ে আপনাকে বিদেশ নিয়ে যাবো, ২ বছর এর জন্যে জব ভিসা, মাসিক ২০০০-২৫০০ ডলার বেতন, ৫ বছর পরে নাগরিকত্ত পেতে আমরাই সাহায্য করবো।। এমনকি ভিসার আগে ও পরে কোনও অর্থ প্রদান করতে হবে না, সমস্ত খরচ আপনি বিদেশ পৌঁছানর পরে আপনি যখন বিদেশ থেকে আপনার পরিবার কে ফোন দিয়ে বলবেন যে আপনি ভালোভাবে পৌঁছে গেছেন, তার পর আপনার পরিবার আমাদের টাকা দিবে।। আমাদের আমেরিকা কানাডা তে সরাসরি প্রতিনিধি আছে, তারাই সরসরি আমেরিকা কানাডা থেকে আপনার নামে ভিসা ইসু করে পাঠাবে, তাই এখানে এম্বাসি ফেস করার কোনও ঝামেলা নেই।।
এক সঙ্গে এতো অফার পেয়ে বেচারা কনফিউস হয়ে গেলো !! সে নিজেকে প্রশ্ন করতে লাগলো বিদেশ যাওয়া এতো সোজা ?? নিজে নিজে উত্তর ও খুজে নিলো, আরে কি আর, এক বার চেষ্টা করে দেখি, আমার তো ২৫ পয়সাও আগে দিতে হবে না, সমস্ত খরচ যেখানে আমেরিকা/কানাডা পৌঁছানর পরে, সেখানে আমার আবার টেনশন কি !! যেই কথা সেই কাজ, বাড়িতে গিয়ে বাবা-মা এর সাথে আলোচনা করলো।। যেখানে সমস্ত খরচ পৌঁছানর পরে সেহেতু বাবা-মা আর দ্বিধা না করে রাজী হয়ে গেলো, শুরু হয়ে গেলো সুদের টাকা গুছানো ও অবশিষ্ট জমিজমা বিক্রি করার প্রস্তুতি।। ১৮-২০ দিনের মাথায় টাকা গুছানোর প্রস্তুতি শেষ করে পাসপোর্ট নিয়ে আবার অফিসে গিয়ে নিজের নামটা বুকিং দিয়ে আশা, বুকিং এর সময় অরিজিনাল পাসপোর্ট সহ ২ কপি ফটো ও ন্যাশনাল আইডি এর ফটোকপি রাখলো সঙ্গে মোবাইল নাম্বার।।
৭ দিন পরে, তাকে ফোন করে অফিসে ডাকা হলও।। যথারীতি, অফিসে যাবার পরে দেখলও সেখানে তার মতো আরও ১১ জন অপেক্ষা করছে কানাডা বা আমেরিকা যেতে চায়।। এর পরে অফিস থেকে তাদের বলা হলও, টোটাল ১২ জন এর একটা গ্রুপ এদের প্রত্যেকের (৯ জন কানাডা, ৩ জন আমেরিকা) ভিসা রেডি, এনাদের ফ্লাইট আগামী ৪ দিন পরে।। ফ্লাইট ভারতের নিউ দিল্লী থেকে সরাসরি, তাই প্রত্যেকের পাসপোর্ট এ ইন্ডিয়ান ভিসা লাগানো আছে, ২ দিন এর ভীতর ১২ জন এর গ্রুপ বাংলাদেশ থেকে নিউ দিল্লী এর উদ্দেশে রউনা দিতে হবে, সঙ্গে তাদের প্রতিনিধি থাকবে।। তাদের প্রত্যেকের ভিসা অনলাইন এ ইসু হয়ে গেছে, অনলাইন ভিসা কপি ও বিমান টিকিট নিউ দিল্লী থেকেই উনাদের প্রতিনিধি প্রত্যেক ক্যান্ডিডেট এর হাতে দিয়ে দেবে।।
এই ১২ জন এর ভীতর ২/১ জন এর মনে প্রশ্ন তৈরি হয়েছিলো যে, পাসপোর্ট এর স্টাম্প ছাড়া কি আসলেই তারা কানাডা যেতে পারবে তো, আবার নির্ভয়ে ২/১ জন এই প্রশ্ন করেও ফেলে, কিন্তু তারা রিতিমত ধমক খেয়ে যায়।। আরে মিয়া, আপ্নারা কি আমাদের থেকে বেশি বোঝেন, আমরা ২৫ বছর ধরে এই লাইন এ, আমাদের অভিজ্ঞতা আছে, আপনাদের আগে আমাদের যে সব ক্যান্ডিডেট বিদেশ গেছে, এই নেন ফোন নাম্বার, এদের সাথে কথা বলেন।।
আপনাদের কি টেনশন ?? আপনার কি ২৫ পয়সা পেমেন্ট করেছেন??? আপনাদের পিছনে আমাদের কত করে ইনভেস্ট করতে হয়েছে জানেন?? একটা কানাডা এর ভিসা রেডি করতে কতো টাকা লাগে জানেন?? এর পরে প্লেন এর টিকিট নেটে সার্চ দিয়ে দেখেন কত খরচ ।। কথাগুলি (ঝারি) শোনার পরে সবাই চুপ হয়ে গেলো ও নির্ধারিত তারিখ সবাই নিউ দিল্লী এর উরদ্দেশে রউনা দিলো।।
ঢাকা থেকে ট্রেনে কোলকাতা, এর পর কোলকাতা থেকে নিউ দিল্লী ট্রেনে সবমিলিয়ে ২/৩ দিন পরে তারা নিউ দিল্লী পউছালো !! নিউ দিল্লী স্টেশন থেকে প্রায় ৩/৪ ঘন্টা প্রাইভেটকারে করে কোথায় নিয়ে গিয়ে রাতে এই ১২ জন এর গ্রুপ কে রাখা হলো কেউ সঠিক বলতে পারলো না।।
((একটা নিরিবিলি এপার্টমেন্ট, আশেপাশে ফাঁকা সর্বশান্ত পরিবেশ))
প্রত্যেকে ২/৩ ঘন্টা করে পিটালো আলাদা ভাবে, এবং সারারাত রাতে কোনও ফাঁকা রুমে আটকিয়ে রাখলো (খাবার পানি ছাড়াই সারারাত)।। পরেরদিন সকাল এ এক একজন করে অন্য ফাঁকা রুমে নিয়ে গেলো এবং মাথায় পিস্টল ঠেকিয়ে বাড়িতে ফোন করতে বাদ্ধ করলো যে " মা/বাবা আমার আজ রাতে কানাডা এর ফ্লাইট আমার জন্যে দোয়া করবে সবাই" !!
প্রত্যেকে আলাদাভাবে তাদের পরিবার এর সাথে একই কথা বলালো এবং এর পরে ২ দিন তাদের একসাথে সেই বদ্ধ ঘরে আটকিয়ে রাখলো (দিনে ১ বার খাবার সহ)।।
২ দিন পরে একই স্টাইল এ মাথায় পিস্টল ঠেকিয়ে বাড়িতে ফোন করতে বাধ্য করলো যে " মা/বাবা আমি ভালো ভাবে কানাডা পৌঁছে গেছি, কোথাও কোনও সমস্যা হয়নি, এমন কি আগামিকাল থেকে আমি কাজে জয়েন্ট করবো, তোমরা এনাদের প্রাপ্প টাকা দিয়ে দাও "!!
নিরিহ বাবা মা দ্বিধা না করে সবাই সবার চুক্তি সরূপ টাকা দিয়ে দিলো !!! টাকা হাতে পাবার গ্রিন সিগ্নাল পাবার পরে, প্রত্যেক কে একই স্টাইল এ নিউ দিল্লী স্টেশন এ পৌঁছে দেয় কোনও এক রাতের বেলায়, সঙ্গে কোলকাতা ফেরার ট্রেন এর টিকিট সহ।
আমাদের অনেক পরিচিত আত্মীয়সজন যাতে এইরুপ প্রতারণার না পড়ে তাই পোস্ট করা....
#কালেক্টেড

15/04/2019

Windrush scheme
উইন্ডরাস স্কিম : ব্রিটেনে বাংলাদেশের কেউ কি আসার সুযোগ পাবেন ?

ব্যারিস্টার আবুল কালাম চৌধুরী:

২০১৮ সালের মাঝামাঝি থেকে বিষয়টি নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে খুব বেশি আগ্রহ এবং প্রভাব পড়েছে। এই বিষয়টি নিয়ে অনেকের মধ্যে ভিন্ন ধারণা রয়েছে এবং অনেকেই আমার কাছে সামাজিক মাধ্যম, সরাসরি অথবা টেলিফোনে জিজ্ঞেস করেছেন। বেশ কিছুদিন থেকে বিষয়টি লিখার খুব ইচ্ছে ছিলো, কিন্তু সময়ের অভাবে সম্ভব হয়ে ওঠেনি। বিষয়টি ব্রিটেনে বাংলাদেশী কমিউনিটির মধ্যে যেমন বেশি আগ্রহ রয়েছে তেমনি বাংলাদেশেও এর প্রভাব রয়েছে। অনেকে লিফলেট ছাপিয়ে, অফিসে বড় বড় সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে আগ্রহীদের দরখাস্ত করার জন্য আহ্বান করছেন। অনেকেই জেনে আবার অনেকেই না জেনে দরখাস্ত করছেন। সেই সাথে প্রতারণার ও একটি ক্ষেত্ৰ তৈরী হয়েছে। আর এ জন্য সকল ধুম্রজাল কিংবা ধুয়াশা পরিষ্কার করাই হলো আমার এই লেখার মূল উদ্দেশ্য।
প্রথমেই জেনে নেয়া যাক উইন্ড রাস স্কিম কি?
বিবিসির বদৌলতে জানা যায় ১৯৪৮ সালের ২২শে জুন এমবি এম্পায়ার উইন্ডরাস নামে একটি জাহাজ আফ্রিকা থেকে ৪৯২জন যাত্রী নিয়ে বৃটেনের এসেক্স শহরের টিলবাড়ির ডকে এসে ভিড়ে। এই যাত্রীদের মধ্যে বেশিরভাগ ছিলেন জামাইকা, ত্রিনিদাদ এবং টোবাগোর বাসিন্দা। এছাড়া এই যাত্রীদের মধ্যে বেশিরভাগ ছিলেন অল্পবয়স্ক শিশু অর্থাৎ ১৮ বছরের নিচের ছেলে মেয়ে। বৃটেনের লেবার সংকট মোকাবেলা করাই ছিল এদের নিয়ে আসার মূল কারণ।
এর ধারাবাহিকতায় ১৯৪৮ সাল থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত ব্রিটেনে পর্যাক্রমে শুধু ক্যারাবিয়ান নয় অন্যান্য দেশ থেকেও লোক আনা হয় অথবা লোকজন আসেন। আর এই সময়ে আসা লোকজনদের বলা হয় উইন্ডরাস জেনারেশন। বিবিসির রিপোর্ট অনুযায়ী ২০১৭ সালে এই উইন্ডরাস জেনারেশন এর সংখ্যা ইউকে ন্যাশনাল ৪৬৭ হাজার আর নন ইউকে ন্যাশনাল ৫৭ হাজার। তার মধ্যে জ্যামাইকা ১৫ হাজার ইন্ডিয়া ১৩ হাজার এবং অন্যান্য ন্যাশনাল ২৯ হাজার এর মধ্যে রয়েছেন পাকিস্তান, কেনিয়া এবং সাউথ আফ্রিকা। বিবিসির রিপোর্টে বাংলাদেশের কোন সুনির্দিষ্ট সংখ্যা না থাকলেও আমার মনে হয়েছে বাংলাদেশের সংখ্যাটি ইন্ডিয়া এবং পাকিস্তানের সাথে সন্বিবেশিত হয়ে গেছে। কারণ আমার জানামতে বাংলাদেশি কয়েকজনকে আমি পেয়েছি যারা এই উইন্ডরাশ স্কিমের মধ্যে পড়েছেন। সেজন্য বিবিসির রিপোর্টে বাংলাদেশের নাম না থাকলেও আমি মনে করি বাংলাদেশের এফেক্টেড লোকজনের সংখ্যা অস্বীকার করার মত নয়।
উইন্ডরাস জেনারেশন কি ভাবে স্থায়ী ভাবে বসবাসের সুযোগ পান:
১৯৭১ সাল পর্যন্ত যারা ব্রিটেনে এসেছিলেন তাদেরকে তৎকালীন সরকার স্থায়ী বসবাসের সুযোগ করে দিয়েছিলেন। কিন্তু সমস্যা হল অনেকেরই তখন তাদের পিতা-মাতার পাসপোর্টের মধ্যে নাম থাকার জন্য স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ পেলেও তাদের ব্যক্তিগত কাগজপত্র না থাকার জন্য তাদের স্থায়ী বসবাসের অনুমতি তাদের পিতা মাতার পাসপোর্টেই থেকে যায়। অনেকেই দীর্ঘদিন থেকে তাদের পিতা-মাতার পাসপোর্ট এর রেফারেন্স দিয়ে এই দেশে বসবাস করছিলেন। ব্রিটেনে চিকিৎসা সেবা, কাজের অধিকার, বেনিফিট কিংবা বহির্বিশ্বের যাতায়াতের জন্য তাদের পিতা-মাতার পাসপোর্ট ব্যবহার করে আসছিলেন। অর্থাৎ তাদের ব্যক্তিগত কোন কাগজপত্র স্থায়ী বসবাসের জন্য ছিল না।
উইন্ডরাস জেনারেশনের বিপত্তি কি:
২০১২ সালে ইমিগ্রেশন আইনে অনেকগুলো পরিবর্তন আনা হয়। তখন কাজের অনুমতি, চিকিৎসা সেবা কিংবা বসবাসের কাগজপত্র না থাকার জন্য বৈধ থেকে ও অবৈধ হয়ে যান। অনেকে কাগজপত্র না থাকার জন্য বৃটেনের বাইরে থেকে ফিরে আসতে পারেননি। অনেককে আবার অবৈধ অভিবাসী হিসেবে অভিহিত করে জেলে ঢোকানো হয়। অনেককে আবার অবৈধ অভিবাসী হিসেবে আখ্যা দিয়ে ব্রিটেন থেকে জোরপূর্বক তাদের নিজের দেশে পাঠানো হয়। তখন এই বিষয়টি খুব গুরুত্ব সহকারে মিডিয়াতে আসে। বিশেষ করে একজন আফ্রিকান বংশোদ্ভূত ওয়েস্ট মিনিস্টার পার্লামেন্টের এমপি ডেভিড লামি সহ আফ্রিকান অনেকগুলো দেশের সরকারপ্রধান থেকে শুরু করে আইনজীবীগন ও ব্রিটিশ সরকারের এই পদক্ষেপকে অবৈধ এবং অমানবিক হিসাবে বর্ণনা করে, এর বিরুদ্ধে সোচ্চার হোন এবং বিভিন্নভাবে সরকারের সাথে যোগাযোগ করেন এবং সেই সাথে মিডিয়াতে ক্যাম্পেইন শুরু করেন।
উইন্ডরাস জেনারেশন স্কিম কি ভাবে চালু হয়:
২০১৮ সালের ২৩ এপ্রিল অবশেষে ব্রিটিশ সরকার একটি ঘোষণা দেন যে ঘোষণাটি উইন্ডরাস জেনারেশন স্কিম হিসেবে বিবেচিত। এই ঘোষণার মধ্যে উইন্ডরাস জেনারেশনের দীর্ঘদিনের উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা এবং লাঞ্ছনার সমাপ্তি ঘটে। এখন দেখা যাক উইন্ডরাস স্কিম এর মধ্যে আসলে সরকার কি ঘোষণা দিয়েছেন এবং কারা উইন্ডরাস কিম এর মধ্যে আসবেন এবং কিভাবে এই উইন্ডরাস স্কিমের আবেদন গুলো বিবেচনা করা হবে।
উইন্ডরাস জেনারেশন বলতে কমনওয়েলথ ভুক্ত দেশগুলোর থেকে যারা ১৯৭৩ সালের আগে এই ব্রিটেনে এসেছিলেন এবং যারা ১৯৭৩ সালের আগে পাঁচ বছর কিংবা এর অধিক সময় ব্রিটেনে ছিলেন, ইমিগ্রেশন অ্যাক্ট ১৯৭১ অনুযায়ী তারা সবাই ব্রিটেনে স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ পেয়েছিলেন। এখানে বলা বাহুল্য যে ১৯৭৩ সালের আগে যারা এই দেশে স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ পেয়েছিলেন তাদের আইন অনুযায়ী দেয়া হলেও তাদের কোন প্রমানের জন্য সুনির্দিষ্ট কাগজপত্র দেয়া হয়নি কিংবা দেয়ার প্রয়োজন হয়নি।

উইন্ডরাস স্কিমের এর মূল বিষয়গুলো:
সরকারের ঘোষণার মধ্যে নিম্ন লিখিত বিষয়গুলো ছিলো উল্লেখযোগ্য:
প্রথমত: বলা হয়েছে যারা উইন্ডরাস জেনারেশন হিসেবে বিবেচিত হবেন অর্থাৎ যারা উইন্ডরাস স্কিমের আওতায় আসবেন তারা সবাই ব্রিটিশ নেশনালিটির জন্য আবেদন করতে পারবেন।
দ্বিতীয়তঃ ১৯৪৮ সাল থেকে ১৯৭৩ সাল পর্যন্ত শুধুমাত্র আফ্রিকা নয় যদি কমনওয়েলথ ভুক্ত দেশ থেকেও আসেন তারাও সমান সুযোগ পাবেন।
তৃতীয়তঃ সরকার ব্রিটিশ সিটিজেনশিপ এর জন্য যে নির্ধারিত ফিস রয়েছে উইন্ডরাস জেনারেশন অথবা তাদের ছেলেমেয়েদের জন্য যাদের কোনো কাগজপত্র নেই কিন্তু তারা প্রমাণ করতে পারবেন যে তারা উইন্ডরাস জেনারেশন তাদের ব্রিটিশ সিটিজেনশিপ ফি ও মওকুফ করা হবে।
চতুর্থত: কমনওয়েলথ সিটিজেন এর বাহিরে যারা ১৯৭১ সালে এই দেশে এসেছেন এবং তাদের সাথে যারা ১৯৭৬ সাল থেকে ১৯৮৮ সাল পর্যন্ত এই দেশে আছেন অথবা তাদের সাথে যোগ দিয়েছেন তাদের ক্ষেত্রে ও বলা হয়েছে, তারা কোন ফি দিতে হবে না কিন্তু তাদেরকে স্থায়ীভাবে বসবাসের কাগজপত্রের প্রমাণ দিতে হবে। তাদের ছেলেমেয়েদের বেলায় বলা হয়েছে তারাও বিনা খরচে ব্রিটিশসিটিজেনশিপ আবেদন করতে পারবেন।
পঞ্চমত: তাদের কারো জন্য প্রচলিত ইংরেজি ভাষার দক্ষতা এবং ব্রিটেনের জীবনমান সম্পর্কে পরীক্ষা লাইফ ইন দা ইউকে টেস্ট দিতে হবে না।
ষষ্টতঃ যারা এই স্কিমের আওতায় আছেন অথচ আইনের মারপেঁচে পড়ে তারা তাদের নিজ দেশে বসবাস করছেন তাদেরকে ফেরত আনার জন্য ব্রিটিশ সরকার খরচ বহন করবে।
কারা এই স্কিমের মধ্যে আসতে পারেন:
যদিও উইন্ডরাস স্কিম বলতে আফ্রিকান দেশগুলো কে বোঝায় কিন্তু বাস্তবে শুধু আফ্রিকান দেশ নয় কমনওয়েলথ ভুক্ত দেশগুলোর মানুষ ও কিন্তু এই স্কিমের আওতায় আসেন। আর সেজন্য সরকারি ঘোষণা শুধু আফ্রিকান দেশগুলোর মধ্যে সীমাবদ্ধ হয়নি কমনওয়েলথ ভুক্ত দেশগুলোকে ও এর আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে। এই স্কিমের আওতায় যাদের নিয়ে আসা হয়েছে তাদের বর্ণনা নিম্নরূপ:
১. কমনওয়েলথ ভুক্ত দেশ থেকে যারা ১৯৭৩ সালের পহেলা জানুয়ারির আগে ব্রিটেনে এসেছেন এবং ব্রিটেনে স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন অথবা তাদের রাইট অফ এবড (Right of Abode) আছে। রাইট অফ এবড নিয়ে আমি পরবর্তীতে আলাপ করব।
২. কমনওয়েলথ ভুক্ত দেশের নাগরিক যিনি ১৯৭৩সালের পহেলা জানুয়ারির পূর্ব থেকে এই দেশে স্থায়ীভাবে বসবাস করছিলেন, কিন্তু দুই বছর কিংবা তার বেশি সময় বৃটেনের বাহিরে থাকার কারণে উনার স্থায়ী বসবাসের ভিসা বাতিল হয়েছে, তিনি বর্তমানে স্থায়ীভাবে ব্রিটেনে বসবাস করছেন এবং এই ব্রিটেনের সাথে উনার সম্পর্ক সবচেয়ে বেশি। সম্পর্ক বলতে বুঝায় উনার কাজ, ব্যবসা বাণিজ্য, পরিবার পরিজন, এমন কি সামাজিক যোগাযোগ এবং সম্পর্ক।
৩. কমনওয়েলথ ভুক্ত দেশের নাগরিকের ছেলে মেয়ে, যিনি ব্রিটেনে জন্মগ্রহণ করেছেন অথবা ব্রিটেনে ১৮ বছর পূর্ণ হবার আগে এসেছেন এবং জন্ম গ্রহণ কিংবা আসার দিন থেকে এখন পর্যন্ত স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন। এবং তাদের পিতা অথবা মাতা ১৯৭৩ সালের পয়লা জানুয়ারির আগে ব্রিটেনে স্থায়ী বসবাস করছিলেন অথবা তাদের রাইট অফ এবড ছিলো অথবা তাদের রাইট অফ এবাউড এর শর্ত পূরণ করার যোগ্যতা ছিলো এবং তারা এখন ব্রিটিশ নাগরিক।
৪. কমনওয়েলথ ভুক্ত দেশের নাগরিক নন এমন কোন ব্যক্তি যিনি ৩১ ডিসেম্বর ১৯৮৮ সালের আগে এই দেশে এসেছেন এবং তখন থেকে ব্রিটেনে স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন।
৫. কমনওয়েলথ ভুক্ত দেশের নাগরিক যিনি ১৯৭৩ সালের পহেলা জানুয়ারির আগে এই দেশে স্থায়ীভাবে বসবাস করছিলেন কিন্তু উনার কোনো কাগজপত্র নাই। অথবা দুই বছরের বেশি সময় বৃটেনের বাইরে থাকার কারণে উনার স্থায়ী বসবাসের অনুমতি বাতিল হয়ে গেছে।
উপরের যে পাঁচটি গ্রূপের উদাহরণ দেওয়া হয়েছে সেগুলো আসলে আইনের অনুরূপ বাংলা। আমি চেষ্টা করেছি আইনের হুবহু বাংলা অনুবাদ করে বোঝানোর জন্য। আমি জানি অনেকেই বিষয়টা বুঝতে পারবেন তথাপি এই পাঁচটি আইনের মধ্যে যে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো সন্নিবেশিত করা হয়েছে সেই বিষয়ে গুলো একটু বিশদ ব্যাখ্যা প্রয়োজন।

প্রথমেই একটা বিষয় বারবার বলা হয়েছে ১৯৭৩ সালের আগে যারা এই দেশে এসেছেন, জন্মগ্রহণ করেছেন অথবা স্থায়ীভাবে বসবাস করছিলেন শুধুমাত্র তারা এই আইনের আওতায় আসবেন। যারা ১৯৭৩ সালের আগে এই দেশে আসেননি বসবাস করেননি জন্মগ্রহণ করেননি তাদের এই আইনে আসার কোন সুযোগ নেই।
দ্বিতীয়তঃ বলা হয়েছে দুই বছরের বেশি বৃটেনের বাহিরে থাকলে স্থায়ী বসবাসের যোগ্যতা বাতিল হলে। এই বিষয়টি দিয়ে যেটা বুঝানো হয়েছে, বৃটেনের প্রচলিত আইন অনুযায়ী যদি কেউ স্থায়ী বসবাসের অনুমতি পাওয়ার পর দুই বছর কিংবা আরো অধিক সময় বৃটেনের বাহিরে থেকেন তাহলে আইন অনুযায়ী উনার স্থায়ী বসবাসের যোগ্যতা বাতিল হয়ে যায়। সেই ক্ষেত্রে উনি উনার নিজের দেশ থেকে আবার নতুন ভাবে আবেদন করতে হয় এবং এই আবেদন গ্রহণের ক্ষেত্রে ব্রিটিশ সরকার যে বিষয়গুলো গুরুত্বসহকারে দেখবে সেগুলো হলো উনার পরিবার-পরিজন, ব্যবসা বাণিজ্য, কাজ, ঘরবাড়ি, সামাজিক সম্পর্ক সবকিছু যদি দেখা যায় আবেদনকারীর বৃটেনের সাথে সম্পৃক্ত শুধুমাত্র তখনই কেবল এই সমস্ত আবেদনগুলো বিবেচিত হয়।
রাইট অফ এবড (Right of Abode): রাইট অফ এবাড হলো। বৃটিশ সিটিজেনশিপের্ প্রমান। যখন কোন ব্যক্তি ব্রিটিশ সিটিজেনশিপ হবার পর উনি ব্রিটিশ পাসপোর্ট গ্রহণ না করে নিজের দেশের পাসপোর্ট ব্যবহার করেন তখন তার নিজের (নন ইউকে) পাসপোর্টে যে ভিসা দেয়া হয় থাকে বলে রাইট অফ এবড। আবার ব্রিটিশ সিটিজেনশিপ গ্রহণ করার পরে, সিটিজেনের ঘরে কোন সন্তানাদি জন্মগ্রহণ করলে, ওই সন্তান অটোমেটিক্যালি ব্রিটিশ সিটিজেন হিসাবে গণ্য হন। আইনের ভাষায় বলে ব্রিটিশ সিটিজেন বাই ডিসেন্ট। অর্থাৎ পিতা-মাতা ব্রিটিশ হলে সন্তানাদি ব্রিটেন কিংবা ব্রিটেনের বাহিরে পৃথিবীর যেকোন দেশে জন্মগ্রহণ করলে অটোমেটিক্যালি ব্রিটিশ হয়ে যাবেন।
উইন্ডরাশ স্কীমে আবেদন করার সময় উপরোক্ত বিষয়গুলো খুব যত্ন সহকারে পড়ে নিবেন। অন্যতায় সময় ও অর্থ দুটোই নষ্ট হবে।
লেখক:
ব্যারিস্টার আবুল কালাম চৌধুরী
সলিসিটার এন্ড কমিশনার ফর অথ
ফ্যামিলি এন্ড ইমিগ্রেশন ল স্পেশালিস্ট
প্রিন্সিপাল সলিসিটার
কেসি সলিসিটার, লন্ডন ইউকে

🇸🇪 Study in Sweden || Session Autumn 2019 ||********************************************:::English medium students can a...
14/12/2018

🇸🇪 Study in Sweden || Session Autumn 2019 ||
********************************************
:::English medium students can apply without IELTS
:::Bengali medium students min IELTS required 6.5

🇸🇪Why Choose Sweden??
************************
✅Flexible scholarship opportunities
✅Study opportunity in QS World ranked universities
✅Student can work full time beside studies
✅Quality education in safe and modern environment.
✅Programs are taught in English
✅Highest visa success ratio
✅Schengen Visa
✅After study permanent residence (PR) opportunity
✅Paid internships available
✅Apply with/without IELTS for Masters
✅6 Months of job searching Visa after study
✅Flexible dependent/spouse Visa
✅Flexible sponsor required

Grab your place
************************************************
Documents required for application??
**********************************
✅Updated Curriculum-vitae (C.V.)
✅All academic transcripts & certificates
✅IELTS test report (If available)
✅Passport Copy – First and Last Page
✅Work Experience certificate (if applicable)
✅Statement of Purpose (SOP)
✅Two Letters of Recommendation
✅Passport size photograph
✅Medium of instruction certificate (if applicable)

To know more details about studying in Sweden
*********************************************
please contact:
**************
360 Visa’s
4(4th)floor ,
West World Shopping City ,
West Zindabajar , Sylhet.
📧 [email protected]
📞 01715-465530

05/12/2018

🎓 STUDY IN MALTA
IELTS ছাড়াই MALTA তে ভিসা।

❇Tuition Fees After VISA
⚛Package Available
❇Payment After VISA
#⃣ Deadline:
20 December_2018
✳পড়াশুনা শেষ করার পর স্থায়ীভাবে সেটেল হবার সুযোগ 🇲🇹

📚Avaible Program:
⚛BSc in Civil Engineering
⚛BSc in Mechanical Engineering
⚛BSc in Industrial Engineering
⚛BA in in Business Administration
⚛BA in Accounting
⚛BA in Business and Finance
⚛BSc in Electronics and Communications
⚛BSc in Graphic Design and Animation
⚛Masters in Business Administration ( MBA)

*️⃣ফোনে বা মেসেজে বিস্তারিত জানার সুযোগ নেই, সরাসরি অফিসে এসে কথা বলুন ।
( রবি থেকে বৃহস্পতি দুপুর ২ টা থেকে রাত ৭ টা পর্যন্ত)

যোগাযোগ:
🏚 Office : 360 Visa’s
(Level - 5, Lift - 4, Room-04 )
"WestWorld Shopping centre"
ZINDABAZAR
📱01715465530 (WhatsApp)
📧 [email protected]

22/10/2018

Study in Canada || Session: Winter/Summer 2019 ||
Limited time Gauranteed Visa ************************************************
🇨🇦 Minimum IELTS required 5.5
🇨🇦 Tuition fee before/after visa
🇨🇦 Visa without interview
🇨🇦 Scholarship opportunities
🇨🇦 Credit transfer opportunities

🇨🇦 Academic qualification required:
*********************************
✅O Level/AS Level/HSC/GED for Under Graduate Level

✅4 Years of bachelor required for Post Graduate Level

🇨🇦English Proficiency Required:
******************************
✅ IELTS 5.5/6.0 with no band less than 5.5/5 for diploma

✅IELTS 6.5 with no band less than 6.0/5.0 for Under Graduate

✅IELTS 6.5 with no band less than 6.0 for Post Graduate

🇨🇦We provide following services:
*******************************
✅ Quick admission & application process
✅ Guidance for obtaining scholarships
✅ Proper course & university selection
✅ Complete Visa application guidance
✅ Proper sponsor guideline
✅ Travel & accommodation arrangement
✅ Pre-departure briefing & many more.

🇨🇦 To know more about studying in Canada Get in touch
**************

360 Visa’s
West World Shopping City, 4(4th ) Floor ,
West Zindabazar, Sylhet.
+8801715465530

Address

West World Shopping Centre , (9th Floor) Zinda Bazar
Sylhet
3100

Opening Hours

Monday 11:00 - 19:00
Tuesday 11:00 - 19:00
Wednesday 11:00 - 19:00
Thursday 11:00 - 19:00
Saturday 11:00 - 19:00
Sunday 11:00 - 19:00

Telephone

+8801309731555

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when City Grip posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to City Grip:

Share

Category