তাঁবু লাগবে - Taabu Lagbe?

তাঁবু লাগবে - Taabu Lagbe? ক্যাম্পিং ট্যুরেরও আয়োজন করা হয়।

🌙✨ 𝐄𝐢𝐝-𝐮𝐥-𝐀𝐝𝐡𝐚 𝐌𝐮𝐛𝐚𝐫𝐚𝐤 𝐟𝐫𝐨𝐦 𝐓𝐞𝐚𝐦 𝐓𝐚𝐚𝐛𝐮 𝐋𝐚𝐠𝐛𝐞?May this sacred occasion of sacrifice bring peace, happiness, and countless...
27/05/2026

🌙✨ 𝐄𝐢𝐝-𝐮𝐥-𝐀𝐝𝐡𝐚 𝐌𝐮𝐛𝐚𝐫𝐚𝐤 𝐟𝐫𝐨𝐦 𝐓𝐞𝐚𝐦 𝐓𝐚𝐚𝐛𝐮 𝐋𝐚𝐠𝐛𝐞?

May this sacred occasion of sacrifice bring peace, happiness, and countless blessings to you and your loved ones. 🤍

As we celebrate the spirit of togetherness, faith, and gratitude, we wish you a joyful and blessed Eid filled with beautiful moments.

Eid Mubarak! 🌙

📍 Ruposhi Cascade Camp

আমাদের নতুন প্রজেক্ট এসে গেছে! 😊তাঁবু লাগবে - Taabu Lagbe? পরিবারের নতুন সংযোজন -⛺ Ruposhi CasCade Camp ঝর্নার ধারে মাচা...
25/05/2026

আমাদের নতুন প্রজেক্ট এসে গেছে! 😊
তাঁবু লাগবে - Taabu Lagbe? পরিবারের নতুন সংযোজন -
⛺ Ruposhi CasCade Camp
ঝর্নার ধারে মাচাং এর উপর তাঁবু, পাহাড়ের কোলে রাত, আর ক্যাম্পফায়ারের আলোয় অন্যরকম এক অভিজ্ঞতা। 🔥🌊
এবার শুধু তাঁবু না, পুরো একটা wild experience নিয়ে আসছি তোমাদের জন্য।
📞 Booking এখনই নাও, Eid এর পরদিন থেকে Camp শুরু!
🎟️ Spot limited, এখনই confirm করো!
👤 Ishfat Mahmod — 01836-833083
👤 Montasir Arman — 01533-171789
👤 SI Akib — 01855-511997
(WhatsApp / Call)
📍 রূপসী ঝরনা, বড় দারোগা হাট, মিরসরাই, চট্টগ্রাম

Proud to share that Taabu Lagbe is now the Co-Sponsor of Hult Prize at BGC Trust University Bangladesh 2025-26.Grateful ...
12/12/2025

Proud to share that Taabu Lagbe is now the Co-Sponsor of Hult Prize at BGC Trust University Bangladesh 2025-26.
Grateful to see our mission for sustainable, eco-friendly, and community-focused travel connecting with a global platform that empowers youth and supports key UN SDGs.

Feeling excited for what’s ahead.
Together, we move toward a greener future. 🌿💚

Proud to welcome 𝗧𝗮𝗮𝗯𝘂 𝗟𝗮𝗴𝗯𝗲 as the 𝗖𝗼-𝗦𝗽𝗼𝗻𝘀𝗼𝗿 of Hult Prize at BGCTUB 2025-26.
Their work in eco-friendly camping, environmental care, and community resilience directly supports key UN SDGs and the future of sustainable tourism in Bangladesh.

তাঁবু লাগবে - Taabu Lagbe? isn’t just offering trips. They’re driving a movement for conscious and meaningful travel.

Together we empower youth, protect nature, and move toward a more sustainable tomorrow.


08/12/2025

Waves, open sky, and a night under the stars.
Our beach campsite is open any day of the week, so come whenever you need a break.

For booking, inbox us or call 01836833083
01778903320

📽️ Tanbir Haidar

আসসালামু আলাইকুম প্রিয় পর্যটকবৃন্দ, বাঁশবাড়ীয়া বীচে আমাদের ক্যাম্পিং শুরু হয়েছে। আপনারা এই শীতে ক্যাম্পিং করতে চাইলে আমা...
29/11/2025

আসসালামু আলাইকুম
প্রিয় পর্যটকবৃন্দ, বাঁশবাড়ীয়া বীচে আমাদের ক্যাম্পিং শুরু হয়েছে। আপনারা এই শীতে ক্যাম্পিং করতে চাইলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।

গ্র্যান্ড ওপেনিং উপলক্ষে ২০% ডিসকাউন্টে সমুদ্রের নীল আর নীরবতার মাঝে এক রাত–এক দিনের এক্সক্লুসিভ ক্যাম্পিং এক্সপিরিয়েন্স...
26/11/2025

গ্র্যান্ড ওপেনিং উপলক্ষে ২০% ডিসকাউন্টে সমুদ্রের নীল আর নীরবতার মাঝে এক রাত–এক দিনের এক্সক্লুসিভ ক্যাম্পিং এক্সপিরিয়েন্স এবার হোক সীতাকুণ্ডে।

🍹 প্যাকেজে যা যা থাকছে—
✔ ওয়েলকাম ড্রিংকস + লোকাল ফ্রুটস।
✔ সন্ধ্যার নাস্তা: পাস্তা/নুডলস + চা + পানি।
✔ ডিনার: চিকেন BBQ/ চিকেন মাসালা + পরটা ৩ পিস + সালাদ + কোল্ড ড্রিংকস।
✔ পরের দিন সকালের খাবার: চিকেন খিচুড়ি + ডিম + সালাদ + পানি।
⭐ ২৪ ঘণ্টা আগে জানালে সাদা ভাতের অথবা আপনার পছন্দসই যেকোনো খাবারের আয়োজন করা যাবে।

🏕️ থাকার ব্যবস্থা
▪️তাঁবু (২/৩/৪/৬ জনের)
▪️স্লিপিং ম্যাট।
▪️বালিশ।
▪️চাদর।

🌊 অ্যাক্টিভিটিজ ও ফ্যাসিলিটি
▪️হ্যামক
▪️বীচ চেয়ার
▪️ক্যাম্প ফায়ার
▪️গেইমস
▪️লোকাল গাইড ও সিকিউরিটি।
▪️ওয়াশরুম ও চেঞ্জিং রুম ফ্যাসিলিটি।

✅ চেক ইন- দুপুর ৩ টা।
✅ চেক আউট- পরদিন সকাল ১০ টা।

🟩 বি:দ্র: বৃহস্পতিবার-শুক্রবার সর্বনিম্ন ১ জন হলেও বুকিং করতে পারবেন। এছাড়া সপ্তাহের অন্যান্য দিন সর্বনিম্ন ৮-১০ জন হলে বুকিং করতে পারবেন।
🚩Unmarried Couple Not Allowed, কাপল বুকিং এর ক্ষেত্র বৈবাহিক প্রমানপত্র অগ্রীম (পেইজ ইনবক্স/হোয়াটসআ্যাপে) সাবমিট করে বুকিং করা যাবে।
🚩 নিষিদ্ধ কার্যক্রম:
* অ্যালকোহল/মাদক সেবন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
* সমুদ্রের বিপজ্জনক পয়েন্টে যাওয়া যাবে না।
* অন্য গেস্টদেরদের বিরক্ত করে এমন কোনো আচরণ করা যাবে না।
* ক্যাম্পিং এলাকায় আগুন জ্বালানো শুধুমাত্র অনুমতিপ্রাপ্ত স্থানে করা যাবে।
* বন্যপ্রাণী বা প্রাকৃতিক পরিবেশের ক্ষতি করে এমন কোনো কাজ করা যাবে না।

✨ এছাড়াও আমরা চাহিদা অনুযায়ী যেসব অতিরিক্ত আয়োজন করে থাকি: (অন ডিমান্ড)
▪️দিনব্যাপী পিকনিক।
▪️ক্যান্ডল লাইট ডিনার।
▪️ফুল মাটন BBQ
▪️ফিশ BBQ
▪️বার্থডে/অ্যানিভার্সারি সেটআপ
▪️বীচ ফটোশুট (অ্যারেঞ্জ করা যাবে)
▪️কাস্টমাইজ ফ্যামিলি ফিক্সড গ্রুপ ক্যাম্পিং।

📍লোকেশন: বাড়বকুণ্ড বীচ, সীতাকুণ্ড, চট্টগ্রাম।

(রুট প্ল্যান: ঢাকা কিংবা চট্টগ্রাম যেকোনো জায়গা থেকে সর্বপ্রথম সীতাকুণ্ডের বাড়বকুণ্ড বাজার মেইন রোডে নামতে হবে, বাড়বকুণ্ড বাজার থেকে সিএনজি কিংবা অটো যোগে সরাসরি বীচে আসতে পারবেন)

📞 বুকিং: 01533171789/01836833083

আসসালামু আলাইকুম, সম্মানিত পর্যটকবৃন্দ, আশা করি ভালো আছেন। আপনাদের ভ্রমনের মূহর্তগুলো আরও স্মরণীয় ও সুন্দর করার জন্য পাহ...
21/11/2025

আসসালামু আলাইকুম,
সম্মানিত পর্যটকবৃন্দ, আশা করি ভালো আছেন।
আপনাদের ভ্রমনের মূহর্তগুলো আরও স্মরণীয় ও সুন্দর করার জন্য পাহাড় ও সমুদ্র পাড়ে আমরা আয়োজন করেছি রাত্রি যাপন করার সুবিধা।আপনাদের সীতাকুণ্ড ভ্রমনকে আরও সুন্দর করবে শীতকালীন এই দীর্ঘ রাত। কনকনে শীতে ধোয়া ওঠা চায়ের চুমুক দিয়ে সরা রাত বিশাল সমুদ্র কিংবা বিশাল পাহাড় দেখার এই সুযোগ করে দিচ্ছি আমরা। আপনার ভ্রমনটা সুন্দর ও আরামদায়ক হোক এই কামনা থাকবে।
বর্তমানে আমরা ৩ টা জায়গায় ক্যাম্পিং এর আয়োজন করছি:
১. চন্দ্রভ্যালি
২. বাঁশবাড়ীয়া বীচ
৩. বাড়বকুণ্ড বীচ

বেশ কিছুদিন ধরে লিখে আসছিলাম বাংলাদেশে অতীতে আগ্নেয়গিরির অস্তিত্ব ছিল এবং ধারণা করি সীতাকুন্ডে সুপ্ত আগ্নেয়গিরি থাকার সম...
17/11/2025

বেশ কিছুদিন ধরে লিখে আসছিলাম বাংলাদেশে অতীতে আগ্নেয়গিরির অস্তিত্ব ছিল এবং ধারণা করি সীতাকুন্ডে সুপ্ত আগ্নেয়গিরি থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। এর স্বপক্ষে শক্তিশালী কোন তথ্যপ্রমাণ না থাকলেও ১৭০০ সালের দিকে একটি অগ্ন্যুৎপাত ঘটেছিল বলে প্রথম আলোতেও একটি প্রতিবেদন হয়েছে। ভারতের হায়দ্রাবাদ বিশ্ববিদ্যালয়ের সমূদ্রবিদ্যা ও পরিবেশ বিজ্ঞানের বিজ্ঞানী এম ইসমাইল, কে শ্রীনিবাস এবং ডি সাহা শক্তিশালী একটি তথ্য সামনে এনেছে। তাদের গবেষণায় উঠে এসেছে পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের ভূপৃষ্ঠের ১৬ থেকে ১৮ কিলোমিটার নীচে ব্যাসল্টের বিশাল পুরুত্ব রয়েছে যার উপর পলি জমে বাংলাদেশের ভূমির আজকের অবস্থা।

এছাড়াও বাংলাদেশের বরেন্দ্র এলাকায় ভূপৃষ্ঠ থেকে সামান্য নীচেই ব্যাসল্ট রয়েছে। আগ্নেয়গিরির ম্যাগমা শীতল হয়ে তৈরী হয় এই ব্যাসল্ট। কিছুদিন আগে চট্টগ্রামের একজন কিছু ফসিলের মত বস্তুর ছবি দিয়েছে যেগুলো আগ্নেয়শিলা বলে প্রতীয়মান হয় আর এগুলো তারা পেয়েছে বাঁশবাড়ীয়া সৈকতে যা সীতাকুন্ডের সন্নিকটে। আজ নতুন আরও কিছু শিলা হাতে এসেছে যেগুলো বায়োলাইট বলে জানা যায়। এই বায়োলাইট তৈরী হয় আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের কারণে।

আজ এই শিলা পেয়ে আমার ধারণা আরও পোক্ত হয়েছে বাংলাদেশে অতীতে আগ্নেয়গিরি ছিল এবং এখনও সুপ্ত থাকার সম্ভাবনা প্রবল বিশেষ করে সীতাকুন্ড, মৌলভীবাজার এলাকায়। আগ্নেয়গিরির অস্তিত্ত্বের সাথে রেয়ার আর্থসহ খনিজ সম্ভারের একটি যোগসূত্র রয়েছে। সম্প্রতি দেশে রেয়ার আর্থের বিভিন্ন উপাদান খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে তাই হয়ত অচিরেই আমরা আগ্নেয়গিরি এবং রেয়ার আর্থের বিশাল সম্ভার সম্পর্কে আরও সন্ধান পেতে পারি।

- মোহাম্মদ আব্দুর রহমান
পরিবেশ বিজ্ঞানী এবং উদ্ভাবক
©

04/11/2025

আমি পাহাড়পর্বতে ঘুরে বেড়ানো মানুষ। আমার মতো যারা পাহাড়ে ঘুরে বেড়ায় তাদের সবাইকে একটা প্রশ্ন প্রায়ই শুনতে হয়, “কেন যেতে চাও ওখানে?”

নিতান্ত সাদামাটা, সহজ একটা প্রশ্ন। তবে উত্তরটা মোটেও সাদামাটা নয়। অনেক মানুষ অনেক সময় অনেকভাবে এই প্রশ্নের উত্তর দিয়েছে। কিন্তু সবচেয়ে সুন্দর উত্তরটা কার? এক কথায় বলে দেয়া যায় এ প্রশ্নের সবচেয়ে সুন্দর উত্তরটা দিয়েছিল জর্জ ম্যালোরি, আমার চাইল্ডহুড হিরো, প্রথম মানুষ যিনি এভারেস্টের চূড়ায় পা রেখেছেন।

একটু বোধহয় অবাক হওয়ার কথা সবার। আমরা তো জানি প্রথম এভারেস্টে উঠেছিলেন তেনজিং নোরগে আর এডমন্ড হিলারি। তাহলে ম্যালোরির নাম কোথা থেকে আসছে?

ম্যালোরি প্রথম এভারেস্টে যান ১৯২১ সালে। বৃটিশ আর্মি একদল লোক পাঠাইসিল এভারেস্টে যাওয়ার রাস্তা খোঁজার জন্য। সেই দলে ছিল ম্যালোরি। ম্যালোরি এভারেস্টে গেলেন, দেখলেন, তারপর চূড়ায় যাওয়ার জন্য মোটামুটি একটা রাস্তা দেখে চলে আসলেন। পরেরবছর, ১৯২২ সালে বৃটিশ আর্মির আসল দল পাঠানো হইল এভারেস্ট জয় করার জন্য। অক্সিজেন ট্যাংক আর পাহাড়ে চড়ার অন্যসব যন্ত্রপাতিসহ। এইটাই মানুষের প্রথম এভারেস্ট অভিযান। এইবারও ম্যালোরি দলে।

কিন্তু সফলতা আসল না। ঊনত্রিশ হাজার ফুট উঁচা দানবের শরীর বেয়ে উঠার সময় ঝড় আসল। মারা গেল সাত জন শেরপা। এভারেস্ট চড়তে গিয়া এই প্রথম মানুষ মারা গেল। অল্পের জন্য প্রাণে বাঁইচা গেল ম্যালোরি।

কিন্তু চোখের সামনে সাতজন মানুষ মরতে দেখসে সে। ট্রমা ছাড়ল না বহুদিন। এইদিকে বয়স পঁয়ত্রিশ হয়ে গ্যাছে, বাচ্চা হইসে তিনটা। সবাই ধইরা নিল ম্যালোরি আর পাহাড়টাহাড়ের ধারে কাছে যাবে না। কিন্তু একবার যার মনে পাহাড়ের নেশা ধরে তারে কি আর থামান যায়?

১৯২৪ সালে আবার এভারেস্টের পথ ধরল ম্যালোরি। বউ বাঁধা দিল তারে, যাইতে দিবে না। ম্যালোরি মানিব্যাগ বের করে সেইখানে রাখা বউয়ের ছবিটা দেখাইল, দেখায়া বলল, “এইবার যদি এভারেস্টের চূড়ায় উঠতে পারি তো চূড়ায় তোমার এই ছবি রাইখা আসব।”

এরপর আর আটকানো গেলো না ম্যালোরিরে। ২২ বছরের তরুণ এন্ড্রু আরভিনরে নিয়া আবার এভারেস্টের পথে পা বাড়াইল সে। ততোদিনে নেপালের সাথে বৃটিশদের চরম ঝামেলা শুরু হইসে। নেপাল ঘোষণা দিয়া দিসে কোন বৃটিশ নাগরিক নেপালে ঢুকতে পারবে না।

ম্যালোরিদের দমানো গেল না তাতে। এভারেস্টের একপাশে নেপাল আরেকপাশে তিব্বত। নেপাল না গিয়া সে গেল তিব্বতে। তারপর তিব্বতের পাশ থেকে উঠা শুরু করল এভারেস্টে। চূড়ায় উঠার পথে তারা শেষ ক্যাম্প করল সাতাশ হাজার ফুট উচ্চতায়। এভারেস্টের উচ্চতা ঊনত্রিশ হাজার ফুটের কিছু বেশী।

সেই ক্যাম্প থেকে ম্যালোরি আর আরভিন চূড়ার উদ্দেশ্যে রওনা দিলেন ১৯২৪ সালের ৮ জুন। ক্যাম্পে থেকে যাওয়া বাকি সঙ্গীরা দুপুর সাড়ে বারটার দিকে ওদের দুইজনকে শেষবারের মতো দেখতে পাইল ২৮৮০০ ফুট উচ্চতায়। আর আড়াইশো ফুট উঠলেই এভারেস্ট জয় হয়ে যাবে। কিন্তু ওইটাই শেষ দেখা। এরপর আর কেউ তাদের কোনদিন জীবিত দেখতে পায় নাই।

ম্যালোরি আর আরভিন নিঃখোঁজ হওয়ার পর এক এক করে পঁচাত্তর বছর পার হয়ে গেল। শেষে ১৯৯৯ সালে খুঁজে পাওয়া গেল ম্যালোরির লাশ। তুষার শুভ্র ওই পাহাড়গুলার সবচে ভয়ংকর দিক হইল ঠান্ডা, কিন্তু এই ঠান্ডার কারণেই এতোদিন পরেও ম্যালোরির লাশ পাওয়া গেল একদম অক্ষত অবস্থায়। শুধু লাশ না, লাশের সাথে ম্যালোরি ক্যাম্প থেকে যা যা নিয়ে বের হইসিলেন তার সব পাওয়া গেল। গগলস, ছুড়ি, দড়ি সব। কিন্তু একটা জিনিস পাওয়া গেল না। সেইটা ম্যালোরির বউয়ের ছবি। ম্যালোরি বলসিল এভারেস্ট জয় করতে পারলে ওই ছবি চূড়ায় রেখে আসবে।

১৯২৪ সালে এভারেস্ট অভিযানের আগে ম্যালোরিকে জিজ্ঞেস করা হইসিল, “ইভেন আফটার অল দোজ ড্যাঞ্জার্স এন্ড এক্সিডেন্টস, হোয়াই ডু ইউ ওয়ান্ট টু গো দ্যায়ার?” সেই প্রশ্ন যে প্রশ্ন শুনতে হয় পাহাড়কে ভালোবাসা প্রতিটা মানুষকে। জবাবে ম্যালোরি দিসিলেন এক মহাকাব্যিক উত্তর, “বিকজ ইট ইজ দ্যায়ার।”

আজ থেকে চব্বিশ বছর আগে, ১৯৯৯ সালের পয়লা মে ম্যালোরির লাশ খুঁজে পাওয়া গিয়েছিলো এভারেস্টের বুকে। ম্যালোরি আমার চাইল্ডহুড হিরো। তার থেকে আমি অনুপ্রেরণা পাই। এই লোক আমার মাথা আওলায় দিসিলেন। আমি বিশ্বাস করি, তেনজিং নোরগে আর স্যার এডমন্ড হিলারিরও ২৪ বছর আগে ম্যালোরি এবং তার সঙ্গী অ্যান্ড্রু আরভিন এভারেস্ট জয় করসেন। আরভিনের লাশ আজ পর্যন্ত খুঁজে পাওয়া যায় নাই। এভারেস্টের শুভ্র বুকে, সবার থেকে দূরে তিনি ঘুমিয়ে আছেন।

- গুপ্ত

That's my answer

প্রিয় পর্যটকবৃন্দ, তাঁবু লাগবে আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছে নতুন ক্যাম্পিং সাইট।অনন্য সুন্দর এই ক্যাম্পিং সাইট। বিশাল সাগরের ...
29/10/2025

প্রিয় পর্যটকবৃন্দ, তাঁবু লাগবে আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছে নতুন ক্যাম্পিং সাইট।অনন্য সুন্দর এই ক্যাম্পিং সাইট। বিশাল সাগরের তীরে সাজানো এই নতুন ক্যাম্পিং স্পট এখন প্রকৃতিপ্রেমীদের জন্য এক অনন্য স্বর্গ। সকালের সূর্যের আলো যখন ঢেউয়ের বুক ছুঁয়ে ওঠে, আর রাতে আকাশভরা তারা যখন টেন্টের উপর নেমে আসে — তখন প্রতিটি মুহূর্ত মনে হয় গল্পের মতো।

এখানে পাবেন —
নিরাপদ ও আরামদায়ক টেন্ট ব্যবস্থা
ক্যাম্পফায়ার ও BBQ নাইটের আয়োজন
নীরব প্রকৃতি আর সমুদ্রের অনন্ত সৌন্দর্য
বন্ধুদের সঙ্গে মিউজিক, হাসি আর অফুরন্ত স্মৃতি

📍 লোকেশন: বাড়বকুণ্ড বীচ, চট্টগ্রাম

Address

Sitakund
4312

Telephone

+8801836833083

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when তাঁবু লাগবে - Taabu Lagbe? posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to তাঁবু লাগবে - Taabu Lagbe?:

Shortcuts

Share

Category