Jamuna Railway Bridge - যমুনা রেল সেতু

Jamuna Railway Bridge - যমুনা রেল সেতু The Jamuna Railway Bridge is an under-construction dual-gauge, double-track railway bridge on Jamuna River.

This bridge connects Sirajganj with Tangail by railway network.After construction this bridge will be the longest solo railway bridge in Bangladesh

15/01/2026

নীলফামারী থেকে ঢাকাগামী ট্রেনের টিকেট কালোবাজারিদের হাতে চলে যায়। সাধারণ মানষু টিকেট পায় না।
এই কালোবাজারি বন্ধে আপনার পরিকল্পনা কী?

#তুহিনচৌধুরী

আসন্ন গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে আইটি সাপোর্টেড পোস্টাল ব্যালটে (OCV-ICPV) ভোট প্রদানের নিমিত্তে রেজি...
29/12/2025

আসন্ন গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে আইটি সাপোর্টেড পোস্টাল ব্যালটে (OCV-ICPV) ভোট প্রদানের নিমিত্তে রেজিস্ট্রেশনের সময় ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ খ্রিঃ পর্যন্ত বৃদ্ধি সংক্রান্ত

#নির্বাচন #গণভোট #বিএনপি

ঢাকা-চট্টগ্রাম পথে বসছে কর্ডলাইন, দূরত্ব কমবে ৯০ কিমি=================================বন্দরনগরী চট্টগ্রামকে বলা হয় দেশের...
29/04/2025

ঢাকা-চট্টগ্রাম পথে বসছে কর্ডলাইন, দূরত্ব কমবে ৯০ কিমি
=================================

বন্দরনগরী চট্টগ্রামকে বলা হয় দেশের দ্বিতীয় রাজধানী। সড়ক পথে ঢাকা-চট্টগ্রামের দূরত্ব ২৮০ কিলোমিটার হলেও রেলপথে এ দূরত্ব ৩২০ কিলোমিটার। এই পথে ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে যাতায়াত করতে হয় টঙ্গী-ভৈরব-আখাউড়া ঘুরে। এতে সময় বেশি লাগে। এই বাড়তি সময় কমিয়ে এনে ট্রেনযাত্রা সহজ করতে ঢাকা-লাকসাম কর্ডলাইন নির্মাণের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। এখন এর সমীক্ষার কাজ চলছে।

এদিকে এই পথে হাইস্পিড বা দ্রুত গতিসম্পন্ন ট্রেন চালুর যে উদ্যোগ আগে নেওয়া হয়েছিল, তা আপাতত স্থগিত রয়েছে। বাংলাদেশ রেলওয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আপাতত কর্ডলাইন নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েই এগোচ্ছেন তারা।

বাংলাদেশ রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা-চট্টগ্রাম পথে কর্ডলাইন নির্মাণের এ উদ্যোগ অনেক আগের। এই উদ্যোগ বাস্তবায়নে প্রকল্পটি সম্ভাব্যতা যাচাই করা হয়েছিল ২০১০ সালে। সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের আওতায় ২০১২ সালে এই লাইন নির্মাণের একটি প্রস্তাবও তৈরি করেছিল রেলপথ মন্ত্রণালয়। তবে অজ্ঞাত কোনো কারনে সে উদ্যোগ আর এগোয়নি।

রেলপথ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, কর্ডলাইন নির্মাণে রেলের তৎকালীন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা আগ্রহ দেখাননি। উল্টো ওই পথে হাইস্পিড ট্রেন লাইন নির্মাণে আগ্রহী হয়ে ওঠেন তারা। ৯৭ হাজার কোটি টাকা ব্যয় ধরে হাইস্পিড প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রাথমিক সমীক্ষাও শেষ করে ফেলেন তারা। চায়না রেলওয়ে ডিজাইন করপোরেশন এবং বাংলাদেশের মজুমদার এন্টারপ্রাইজ ওই সমীক্ষা করতে নেয় ১১০ কোটি টাকা। যে কাজ কিছুদিন পরেই বন্ধ রাখার নির্দেশনা আসে। অর্থাৎ ওই ১১০ কোটি টাকা কার্যত জলেই গেছে। লুটপাট হয়েছে বরাদ্দের বেশিরভাগ টাকা।

১১০ কোটি টাকাসহ টঙ্গী-ভৈরব, আখাউড়া-লাকসাম প্রকল্প ঘিরে দুর্নীতির যে অভিযোগ, তা তদন্ত করে লুটেরাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেছেন কর্ডলাইন নির্মাণের পক্ষে থাকা রেলপথ মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ রেলওয়ের কর্মকর্তারা। ওই সময়ে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের ওই সিদ্ধান্ত নিয়ে সমালোচনাও করেছিলেন বিশেষজ্ঞরা। তারা সরকারেরও ওই উদ্যোগকে উচ্চভিলাষী আখ্যা দিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন যে, বাংলাদেশ রেলওয়ে যেখানে বৈদ্যুতিক রেলসেবা শুরু করতে পারেনি, সেখানে উচ্চগতির রেল পরিচালনার সক্ষমতা কতটুকু?

কর্ডলাইন নির্মাণের পক্ষে থাকা কর্মকর্তারা বলেছেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে সর্বোচ্চ যাত্রী পরিবহণের পাশাপাশি রেলে আয় বাড়তো। যা চলমান ট্রেন দিয়ে যুগ পার হলেও সম্ভব হতো না। বর্তমান চলমান রুটে মাত্র তিন শতাংশ মালামাল ট্রেনে বহণ করা সম্ভব হচ্ছে। বাকি ৯৭ শতাংশ মালামাল সড়ক পথেই পরিবহণ হয়ে থাকে। কর্ডলাইন নির্মাণ হলে রেলে মালামাল পরিবহন বাড়তো প্রায় ৩৭ শতাংশ। সব মিলিয়ে যাত্রী ও মালামাল উভয় দিক থেকেই রেলের আয় বাড়তো বলে জানান রেলসংশ্লিষ্ট সাবেক রেল কর্মকর্তারা।

হাইস্পিড ট্রেনের ভূত অসাধু কর্মকর্তাদের মাথা থেকে নামার পরে ফের আলোচনায় আসে কর্ডলাইন নির্মাণ প্রসঙ্গ। এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) এই প্রকল্পে আগ্রহ দেখানোর পর ২০২০ সালে ২৩৫ কোটি ৩৭ লাখ টাকার কারিগরি সহায়তা প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়। এর পর ‘রেলওয়ে কানিক্টিভিটি ইমপ্রুভমেন্ট প্রিপারেটরি ফ্যাসিলিট’ নামের একটি প্রকল্পের মাধ্যমে ঢাকা-লাকসাম রুটে কর্ডলাইন নির্মাণের জন্য সমীক্ষার কাজ শুরু করা হয়।

জাপান, ফ্রান্স ও মালয়েশিয়ার তিন পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের একটি কনসোর্টিয়ামকে এ কাজে নিযুক্ত করা হয়। কিন্তু ২০২৪ সালে সেই কাজ থেমে যায় তখনকার আওয়ামী লীগ সরকারের নির্দেশেই। এর পর গত ৫ আগস্ট ছাত্র জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গঠিত হয় অন্তবর্তী সরকার। এই অন্তবর্তী সরকারই বন্ধ হয়ে যাওয়া সেই কর্ডলাইন সমীক্ষার কাজ ফের শুরুর উদ্যোগ নেয়। এটি বাস্তবায়নে গেল বছরের নভেম্বরে এসংক্রান্ত একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সে বৈঠক থেকেই সমীক্ষা পুনরায় শুরুর নির্দেশনা আসে।

রেলপথ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, আগের সমীক্ষা যাচাই-বাছাই করে ঢাকা-কুমিল্লা-লাকসাম কর্ডলাইনের জন্য মোট চারটি বিকল্প রুটের কথা উপস্থাপন করেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। সেখানে অপশন-১ এ , অপশন-১বি, অপশন-২, অপশন-৩ নির্ধারন করা হয়। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, বর্তমানে ঢাকা-চট্টগ্রামে পথে বর্তমানে যাতায়াতে সময় লাগে ৫ ঘণ্টার বেশি। এই পথে কর্ডলাইন নির্মাণ হলে সময় কমবে দেড় ঘণ্টা, আর দূরত্ব কমবে প্রায় ৯০ কিলোমিটার।

কর্ডলাইন নির্মাণে এই রুটে সাতটি স্টেশন নির্মাণের প্রস্তাব করা হয়েছে। কর্ডলাইনের অগ্রগতি সম্পর্কে ‘কর্ডলাইন কারিগরি সহায়তা প্রকল্প’র পরিচালক মো. আবিদুর রহমান সারাবাংলাকে বলেন, ‘আমাদের সবশেষ বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এই প্রকল্পে সমীক্ষার কাজ চলমান। এটির মেয়াদ শেষ হচ্ছে জুনে।’ তিনি আরও বলেন, ‘সবশেষ বৈঠকে বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সমীক্ষা শেষে চূড়ান্ত করা হবে কোন কোন প্রস্তাব বাস্তবায়ন করা সহজ হবে।’

ঢাকা-চট্টগ্রাম রুট বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রাণ। এ রুটে রেল সংযোগ উন্নয়নে কয়েকবছর ধরেই দু’টি গুরুত্বপূর্ণ বিকল্প নিয়ে আলোচনা চলছে। এর মধ্যে নারায়ণগঞ্জ-লাকসাম ডুয়েল গেজ কর্ডলাইন নির্মাণ এবং একটি সম্পূর্ণ নতুন হাই-স্পিড রেলপথ নির্মাণ। যদিও আপাতত হাইস্পিড পরিকল্পনা থেকে সরে এসেছে সরকার। নাম প্রকাশ না করার শর্তে রেলওয়ের সাবেক এক কর্মকর্তা সারাবাংলাকে বলেন, ‘কর্ডলাইন নির্মাণ ব্যয় কম, আবার নির্মাণে সময়ও লাগবে কম। অন্যদিকে হাইস্পিড ব্যয়বহুল, সময়ও লাগবে আবার কারিগরি জটিলতা অনেক বেশি।’

তিনি বলেন, ‘বর্তমান আর্থিক বাস্তবতা, বিদ্যমান রেল নেটওয়ার্কের পরিপ্রেক্ষিতে এবং কার্যকর যাত্রীসেবা নিশ্চিতে নারায়ণগঞ্জ-লাকসাম কর্ডলাইনে টালগো ইন্টারসিটি মডেলটি বেশি উপযোগী। এটি দ্রুত বাস্তবায়নযোগ্য, তুলনামূলক সাশ্রয়ী এবং বহুমাত্রিক ব্যবহারের উপযোগী।’ তিনি আরও বলেন, ‘হাইস্পিড ট্রেনের বিকল্প হিসেবে টালগো ইন্টারসিটি ট্রেন অনেক লাভজনক। এটি প্রচলিত রেললাইনেই অন‍্যান‍্য ট্রেনের পাশাপাশি ১৬০-১৮০ কিলোমিটার গতিতে চলতে সক্ষম। যা আয়তন হিসেবে বাংলাদেশের হাইস্পিড ট্রেনের চাহিদা সাশ্রয়ী মূল‍্যে পূরণ করতে সক্ষম।’ স্পেনিশ প্রযুক্তির যাত্রীবান্ধব বিশেষ ধরনের এই ট্রেন বিশ্বের বহু দেশেই ১১০ থেকে ৩০০ কিমি গতিতে চালু রয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

হাই-স্পিড রেল ভবিষ্যতের জন্য দ্বিতীয় পর্যায়ে বিবেচনায় আনা যেতে পারে সুপারিশ রেখে তিনি বলেন, ‘সরকারের উচিত ধাপে ধাপে অগ্রসর হওয়া। প্রথম ধাপে কর্ডলাইন বাস্তবায়ন করে যাত্রী চাহিদা ও অর্থনৈতিক কার্যকারিতা যাচাই করা।’ একই কথা বলছেন যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক ও যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ ড. শামসুল হক। তিনি বলেন, ‘রেলে অবশ্যই পরিবর্তন আনতে হবে। বাংলাদেশ রেলওয়ে এখনো মান্ধাতা আমলের সিস্টেমে চলছে। রেলের পরিবর্তনে ইলেকট্রিক ট্র্যাকশনের কোনো বিকল্প নেই। লোকসান কমিয়ে লাভের মুখ দেখতে হলে রেলকে ঢেলে সাজাতে হবে।’

উল্লেখ্য, গত ১৫ বছরে প্রায় সোয়া এক লাখ কোটি টাকার প্রকল্প নেওয়া হয়েছে রেল খাতে। এর মধ্যে ৭২ হাজার কোটি টাকাই খরচ করা হয়েছে নতুন রেলপথ নির্মাণে। গত কয়েক বছরে পদ্মা রেলসংযোগ সেতু সহ চারটি রেলপথ নতুন নির্মাণ করা হয়েছে। চলমান রয়েছে আরও বেশ কয়েকটি নতুন রেলপথ নির্মাণ প্রকল্প। এত খরচের পরেও নতুন রেলপথ, নতুন ইঞ্জিন-কোচে গতি ওঠেনি। অনিয়ম দুর্নীতির কারনে রেলপথে কোটি কোটি ঢালার পরেও সুফল মেলেনি।

দেশের দীর্ঘতম রেলসেতুর উদ্বোধন, তিন মিনিটে যমুনা নদী পার===================================দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর যমুনা নদী...
18/03/2025

দেশের দীর্ঘতম রেলসেতুর উদ্বোধন, তিন মিনিটে যমুনা নদী পার
===================================

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর যমুনা নদীর ওপর নির্মিত রেলসেতুর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সকালে সেতুর পূর্ব প্রান্ত থেকে অতিথিদের নিয়ে উদ্বোধনী ট্রেনটি তিন মিনিটে সেতু পার হয়ে সিরাজগঞ্জের সয়দাবাদে পৌঁছায়।

দুপুর ১২টা ৬ মিনিটে সেতুর পূর্ব প্রান্তের ইব্রাহিমাবাদ স্টেশন থেকে উদ্বোধনী ট্রেন যাত্রা শুরু করে। দুপুর ১২টা ১২ মিনিটে ট্রেনটি পূর্ব প্রান্ত থেকে সেতুতে ওঠে। মাত্র ৩ মিনিটে ১২টা ১৫ মিনিটে সেতু পার হয়। পরে পশ্চিম প্রান্তের সয়দাবাদ স্টেশনে দুপুর ১২টা ২১ মিনিটে পৌঁছে যায়।

সম্ভাবনার দুয়ারে পথের কাঁটা সিঙ্গেল লাইন==========================দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর যমুনা নদীর মূল সেতুর ৩০০ মিটার অদূ...
15/02/2025

সম্ভাবনার দুয়ারে পথের কাঁটা সিঙ্গেল লাইন
==========================

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর যমুনা নদীর মূল সেতুর ৩০০ মিটার অদূরে চালু হয়েছে যমুনা রেল সেতু। বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টা ১২ মিনিটে যমুনা রেল সেতু দিয়ে রাজশাহী থেকে ছেড়ে আসা যাত্রীবাহী সিল্কসিটি ট্রেনটি মাত্র ৬ মিনিটে পাড়ি দেয়। ওই সময় ট্রেনের গতি ছিল ঘণ্টায় ৭০ কিলোমিটার। সেতুতে ট্রেনের এই গতি এলেও উত্তরের মানুষের গলার কাঁটা হয়ে থাকলো ১১৪ কিলোমিটার সিঙ্গেল রেললাইন।

রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, রাজশাহী থেকে যমুনা রেলসেতু পর্যন্ত রেলপথের দূরত্ব ১৩৪ কিলোমিটার। এরমধ্যে নাটোরের আব্দুলপুর জংশন থেকে ঈশ্বরদী পর্যন্ত ২০ কিলোমিটার রেলপথ ডাবল লাইন। আর ঈশ্বরদী থেকে রেলসেতু পর্যন্ত ৭১ কিলোমিটার এবং রাজশাহী থেকে আব্দুলপুর পর্যন্ত ৪৩ কিলোমিটার মিলে মোট ১১৪ কিলোমিটার রেলপথ সিঙ্গেল লাইন। এই ১১৪ কিলোমিটারে ট্রেন পাসিংয়ের জন্য দাঁড়াবে। ফলে যাত্রীদের দুর্ভোগ ঠিকই হবে। যদিও জয়দেবপুর থেকে ঈশ্বরদী পর্যন্ত রেললাইনকে ডাবল লাইনে উন্নীত করতে রেলওয়ের একটি প্রকল্প থাকলেও কাজ চলছে না।

এদিকে নতুন সেতুকে ঘিরে উত্তরের মানুষের স্বপ্ন বেড়েছে অনেকগুণ। পণ্য পরিবহণ থেকে শুরু করে এই অঞ্চলে বাড়বে শিল্পে বিনিয়োগ, একইসঙ্গে রাজশাহী থেকে কনটেইনার ট্রেন চলবে চট্টগ্রাম বন্দর পর্যন্ত। পাশাপাশি কক্সবাজার পর্যন্ত এক্সপ্রেস ট্রেনের প্রত্যাশা এই অঞ্চলের মানুষের বেশ পুরোনো। তবে বাস্তবতা ভিন্ন। এ পথে পশ্চিমাঞ্চলের ৬৬টি ট্রেনকে পরস্পরকে ক্রসিং করতে গতি হারায় ট্রেন, নষ্ট হয় সময়। তাতে বাণিজ্যিক সুবিধা খুব বেশি মিলবে না বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

Jamuna Bridge to be 4-lane road corridor=============================The country's first road-cum-rail bridge over the J...
24/01/2025

Jamuna Bridge to be 4-lane road corridor
=============================

The country's first road-cum-rail bridge over the Jamuna will revert to its original four-lane road bridge 26 years after its inauguration as train operations through the 4.8-km bridge will end soon.

The development comes as the Bangladesh Railway has already completed a dedicated rail bridge over the same river and operated a trial run successfully.

The Jamuna Bridge, which was later named as Bangabandhu Jamuna Bridge, was built deviating from its original design by adding rail service at the last minute.

The then longest multipurpose bridge was inaugurated in June 1998.

Following the test run over the newly built railway bridge, sources said, the Bangladesh Bridge Authority (BBA) has been planning to remove all tracks from Jamuna Bridge to convert the track area into roadway.

It plans to invite an international tender to carry out the bridge's road work through a feasibility study soon after the termination of train operations.

As Jamuna Bridge has been under operation following cracks on it since 2006, the BBA is considering the need for an international firm for the conversion work, according to the sources.

The bridge is 18.5 metres in width, which is standard for a four-lane road. But its width shrank for installing a single rail track on 6.3 metres.

The old bridge gets 18,000-20,000 vehicles every day for its strategic location linking between eastern and western parts of the country.

The bridge also bears importance for its location within the regional corridor, including Asian Highway and SASEC.

BBA chief engineer Quazi Mohammad Ferdous said apart from removing rail track, the bridge might need some work like seismic vibration test.

"The entire plan of the bridge's renovation, restoration or reformation could be finalised after the feasibility study," he told the FE.

Since assuming charge from the Jamuna Multipurpose Bridge Authority, the BBA has long been maintaining the rail-cum-road bridge.

Since inception, the bridge has been earning toll money to the tune of Tk 10 million annually from the Bangladesh Railway for using the bridge.

But the BBA lowered the speed limit of trains to 20 kph after a crack first developed in box girder in 2006, which experts considered damaging for the country's first expensive bridge.

The crack work was retrofitted by a Chinese company through using a carbon fibre reinforced polymer technique in 2013.

Due to slow rail movement amid vulnerability of the bridge, the then Awami League government initiated to build a dedicated rail bridge amid demand from various quarters.

The new bridge location was fixed upstream of its predecessor. It was finally completed last December with the financial support of the Japan International Cooperation Agency (JICA).

The original Jamuna Bridge was built at a cost of $962 million with the financial assistance of multiple foreign donors.

Mr Ferdous, however, said the actual cost of the repair or renovation work of the Jamuna road bridge would be assessed after the feasibility study.

Address

CQ3G+3W, Porabari
Sirajganj

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Jamuna Railway Bridge - যমুনা রেল সেতু posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share