Saidpur,Nilphamari,Rajshahi

Saidpur,Nilphamari,Rajshahi Mint

12/10/2017

সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানা ঘুরে দেখলো
ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের ক্ষুদে শিক্ষার্থীরা!!
*
দেশের বৃহত্তম সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার উত্পাদন প্রক্রিয়া নিজ চোখে দেখলো একদল শিশু শিক্ষার্থী। বুধবার সকালে সৈয়দপুরের ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের শতাধিক শিক্ষার্থীরা কারখানার বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে ঘুরে দেখেন।
শিক্ষার্থীরা বলে, এটা আমাদের জীবনে বড় অভিজ্ঞতা। কীভাবে রেলওয়ে যান তৈরি হয়, ওয়াগন তৈরি হয় ও রেলওয়ে ক্যারেজের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ তৈরি হওয়া দেখলাম। কারখানার বিশাল কর্মযজ্ঞ দেখে শিক্ষার্থীরা অভিভূত হয়ে পড়ে। তারা সকালে কারখানায় প্রবেশ করে দিনব্যাপী কারখানার ২৮টি উপ-কারখানার কর্মকাণ্ড দেখতে থাকে। ১১০ একর জমির উপর গড়ে উঠা রেলওয়ে কারখানায় ২৮টি শপ (উপ-কারখানা) কর্মকর্তা- কর্মচারীদের কাজ প্রত্যক্ষ করে।
পরে সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার শিক্ষানবিশ প্রশিক্ষণ কেন্দ্র মিলনায়তনে ওইসব শিক্ষার্থীদের অভ্যর্থনা জানানো হয়। রেলওয়ে কারখানার বিভাগীয় তত্ত্বাবধায়ক (ডিএস) মুহাম্মদ কুদরত-ই খুদা কারখানার কর্মযজ্ঞ সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরেন। এ সময় শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখেন— কার্য ব্যবস্থাপক (ডাব্লিউএম) আমিনুল হাসান, সাংবাদিক এম আর আলম ঝন্টু, আমিরুজ্জামান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক নিলুফার ইয়াছমিন লিপি প্রমুখ। ইত্তেফাক

12/10/2017

সৈয়দপুর বিমানবন্দর আন্তর্জাতিকমানে উন্নীতকরণে প্রাথমিক কাজ সম্পন্ন✔
😃
ছবিতে সৈয়দপুর বিমানবন্দরের রানওয়ে
😃
দেশের আভ্যন্তরীন বিমানবন্দরগুলোর মধ্যে যাত্রী সংখ্যার দিক থেকে সৈয়দপুর বিমানবন্দরের অবস্থান বর্তমানে শীর্ষে রয়েছে। প্রতিদিন রংপুর বিভাগের ৮ জেলার ৭ শ যাত্রী সৈয়দপুর বিমানবন্দর হয়ে ঢাকায় যাতায়াত করছে। প্রতিদিন পাঁচটি যাত্রীবাহী বিমান ঢাকা-সৈয়দপুর-ঢাকা সকাল বিকাল চলাচল করছে। এর মধ্যে জাতীয় পতাকাবাহী মাত্র একটি বিমান এ রুটে যাতায়াত করে। দিন দিন যাত্রীসংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় চাহিদার তুলনায় বিমানের সংখ্যা অর্ধেক। বিশেষ করে প্রাইভেট বিমানগুলোর টিকেটের মূল্য কমিয়ে সহনীয় পর্যায়ে নিয়ে আসলে প্রতিদিন কমপক্ষে ১০টি যাত্রীবাহী বিমান এই বিমানবন্দর হয়ে আকাশ পথে ঢাকা চলাচল করতে পারবে। দেশের অন্যতম সফল বৃহৎ রপ্তানী প্রক্রিয়াকরন অঞ্চল উত্তরা ইপিজেড সৈয়দপুর সংলগ্ন এলাকায় গড়ে ওঠায় দেশী-বিদেশী যাত্রীর সংখ্যা দেশের অন্যান্য বিমানবন্দরের চেয়ে এই বিমানবন্দরে অনেক বেশী। দেশের আভ্যন্তরীন অন্য বিমানবন্দরের তুলনায় সৈয়দপুর বিমানবন্দরের সরকারের রাজস্ব আদায় তুলনামুলক অনেক বেশি। বিশিষ্টজনদের অভিমত সৈয়দপুর বিমানবন্দর থেকে নেপালের কাঠমুন্ড, ভুটান এবং ভারতের বেশ ক’টি রাজ্যের বিমানবন্দরের আকাশ পথে যাতায়াতে ৪০ থেকে ৫০ মিনিট সময় ব্যয় হবে। কার্গো সার্ভিস চালু করা হলে উত্তরাঞ্চলের শাক-সবজি অল্প সময়ে নেপাল ও ভুটানে নিয়ে যাওয়া সম্ভব। এতে করে বৈদেশিক মূদ্রা যেমন অর্জন হবে, তেমনি রংপুর বিভাগের সবজি চাষীরা আর্থিকভাবে লাভবান হবেন। সে কারণে এ জনপদের মানুষ দ্রুত সৈয়দপুর বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিকমানের বিমানবন্দরে উন্নীত করার দাবি দীর্ঘদিন ধরে জানিয়ে আসছে। বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জনগুরুত্বপূর্ণ এ দাবীকে বাস্তব রূপ দেয়ার ঘোষণা দিলেও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে ফাইল চালাচালি হচ্ছে অত্যন্ত ধীরগতিতে বলে অভিযোগ রয়েছে।
সৈয়দপুর বিমানবন্দর ব্যবস্থাপক শাহীন আহমেদ জানান, এ বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার প্রাথমিক কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। জাপানভিত্তিক সংস্থা জাইকার অর্থায়নে নির্মাণ করা হয়েছে ডিভিওআর। নিরাপত্তার চাদরে মোড়ানো হয়েছে বিমানবন্দরকে। রানওয়ের চারপাশে কাটাতারের বেড়া দেয়া হয়েছে। সার্বক্ষণিক নিরাপত্তার দায়িত্বে আছেন ৩৭ জন আনসার ও ৩১ জন পুলিশ। সিভিল এ্যাভিয়েশনের নিজস্ব ১২ জন সশস্ত্র নিরাপত্তা প্রহরী কাজ করছে। বিমানবন্দর এলাকায় কড়া নজরদারি করতে ১৫টি সিসি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। বিমানবন্দরের টার্মিনালে স্থাপন করা হয়েছে স্ক্যানিং মেশিন ও আরসিও গেট। নিরাপত্তা কর্মীদের হাতে থাকছে হ্যান্ডমেটাল ডিডেক্টর। যা দিয়ে যাত্রীদের দেহে নিরাপত্তার স্বার্থে তল্লাশী চালানো হয়। তিনি আরও জানান, ইতোমধ্যে এ বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিকমানে উন্নীত করতে দফায় দফায় সম্ভাব্যতা যাচাই করা হয়েছে। যাচাইকারী প্রতিনিধি দল সন্তুষ্ট হয়ে জমি অধিগ্রহণের জন্য মন্ত্রণালয়কে সুপারিশ করেছে। অধিগ্রহণের ব্যয় বাবদ অর্থ ছাড়ের জন্যও ওই প্রতিনিধি দল সুপারিশ করেছে। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় জমি অধিগ্রহণে নির্দেশনা নীলফামারী জেলা প্রশাসনকে অবগত করলেই রানওয়ে সম্প্রসারণে ভূমি ব্যবস্থাপনার কাজ শুরু হবে। তার মতে এ কাজটি খুব শিগগির হবে বলে আশা প্রকাশ করেন। (রিপোর্ট সাংবাদিক জাকির হোসেন)
এ/এম/রিফান/

12/10/2017

সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানায় মেরামত হচ্ছে
লালমনি এক্সপ্রেসের ১৮টি কোচ..
×
👉 লালমনি এক্সপ্রেস আন্তঃনগর ট্রেনটির জন্য কোচ বানাচ্ছে দেশের বৃহত্তম সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানা। দ্রুতগতি সম্পন্ন আধুনিক মানের ওই কোচ পুনর্বাসনের কাজ (রিহাবিল্যাটিশেন) চলতি জুলাই মাসে শুরু হয়। আগামী জানুয়ারিতে এসব হস্তান্তর করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানা সূত্র জানায়, উত্তরাঞ্চলের লালমনিরহাট থেকে ঢাকা অভিমুখে চলাচলকারী লালমনি এক্সপ্রেস ট্রেনটির বগিগুলো অনেক পুরাতন। ফলে এটি জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে, গতিও কমে গেছে। যাত্রীদের সুবিধার দিক মাথায় রেখে ওই ট্রেন বহরে অপেক্ষাকৃত উন্নতমানের কোচ সংযোজনের চিন্তাভাবনা শুরু করেছে কর্তৃপক্ষ। অবশ্য ওই ট্রেন বহরে নতুন বগি সংযোজনের জন্য এই অঞ্চলের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে দাবি জানিয়ে আসছিলো।
সূত্র মতে, ইতোমধ্যে বাংলাদেশ রেলওয়ে সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানায় পুরাতন ১৮টি কোচ পাঠিয়েছে। এসব কোচ ইরানে তৈরি হলেও এর আন্ডার ফ্রেম (বগি) জার্মান প্রযুক্তির। এর আগে ওই কোচগুলো ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে একটি আন্তঃনগর ট্রেনে ব্যবহার হত।
সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানা সূত্র বলেছে, ওই কোচগুলো সুপার স্ট্রাকচার (পূর্ণাঙ্গ অবকাঠামো) সম্পূর্ণ খুলে ফেলা হচ্ছে। এসব সম্পূর্ণ নতুনরূপে করা হবে। আর প্রতিটি কোচ নির্মাণে ব্যয় হবে প্রায় ৭০ লাখ টাকা। এ সংক্রান্ত ব্যাপারে রেলপথ মন্ত্রণালয় হতে অতিরিক্ত ১৩ কোটি টাকার বরাদ্দ প্রত্যাশা করছে সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানা। রাজস্ব খাত হতে ওই কোচগুলোর নির্মাণ ব্যয় নির্বাহ করা হবে।
সূত্র জানায়, ১২টি কোচ নির্মাণ শেষে আগামী জানুয়ারি মাসে রেলওয়ের ট্রাফিক বিভাগে হস্তান্তর করা হবে। যা দিয়ে নতুন রূপে চালু হবে লালমনি এক্সপ্রেস ট্রেনটি। বাকি ৬টি কোচ থাকবে অপেক্ষমাণ। মিটার গেজে চলাচলকারী (এমজি) ওই ট্রেনটি দ্রুতগতির হবে। কারণ এর আন্ডার ফ্রেমে টেকসই প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে কারখানার বগি শপে। আর কোচগুলোর সুপার স্ট্রাকচার তৈরি হচ্ছে ক্যারেজ শপে। ট্রেনের পুরাতন স্ট্রাকচার খুলে ফেলা হচ্ছে। লালমনি এক্সপ্রেসের রং কি হবে তা এখুনি নিশ্চিত করতে পারেনি কর্তৃপক্ষ।
গত ১৯ জুলাই বাংলাদেশ রেলওয়ের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (রোলিং স্টক) মো. শামসুজ্জামান এসব কোচের নির্মাণ দেখতে সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানা পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি কোচগুলো দ্রুত নির্মাণের তাগিদ দেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের প্রধান যন্ত্র প্রকৌশলী (সিএমই) ইফতেখার হোসেন, প্রধান সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রক (সিওএস) বেলাল হোসেন সরকার প্রমুখ।
এ প্রসঙ্গে কথা হয় সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার বিভাগীয় তত্ত্বাবধায়ক (ডিএস) মুহাম্মদ কুদরত-ই খুদার সঙ্গে। তিনি বলেন, ১৮টি কোচ এরই মধ্যে কারখানায় এসেছে। এসব কোচের নতুনভাবে পুনর্বাসন শুরু হয়েছে। আমরা আশা করছি, আগামী জানুয়ারিতে ১২টি কোচ হস্তান্তর করা সম্ভব হবে, যা লালমনি এক্সপ্রেস ট্রেনে সংযোজন হবে। কোচগুলোর নির্মাণ কাঠামো অনুযায়ী দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমবে, সেই সাথে গতিও বাড়বে। কোচগুলোতে চেয়ার কোচ সংযোজন করা হচ্ছে। এর মধ্যে একটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কোচও থাকবে।
বাংলাদেশ রেলওয়ের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (এডিজি, আর এস) মো. শামসুজ্জামানের সাথে মুঠোফোনে কথা হয়। তিনি জানান, লালমনি এক্সপ্রেস ট্রেনকে আধুনিক করতে ওই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে ট্রেনটিতে বিদ্যমান যে কোচগুলো রয়েছে তা সেকালের। ফলে যাত্রী সেবা বাড়াতে সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানায় ১৮টি কোচ পুনর্বাসনের জন্য পাঠানো হয়েছে।

12/10/2017

সৈয়দপুর বিমানবন্দরে অবস্থিত অত্যাধুনিক আকাশ যোগাযোগ প্রযুক্তি!!📡
ছবি 📷তুলেছেন সৈয়দপুর নিউজ প্রতিনিধি লুবিত রহমান..
অত্যাধুনিক এই আকাশ যোগাযোগ প্রযুক্তি স্থাপন হয়েছে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে। ব্যস্ততম ওই বিমানবন্দরটিতে ডপলার ভেরি হাই ফ্রিকুইয়েন্সি অমনি ডাইরেকশনাল রেডিও রেঞ্জ(ডিভিওআর) ও ডিসটেন্স ম্যাজারিং ইকুইপমেন্ট(ডিএমই) নামে দুটি যন্ত্র স্থাপন করা হয়েছে। আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর ডিভিওআর ও ডিএমই স্থাপন করা হয়েছে বিমানবন্দরের টার্মিনাল ভবনের পাশে। প্রায় ২০ শতক জায়গার ওপর নির্মাণ হয়েছে ওই আকাশ যোগাযোগ স্থাপনাটি।

12/10/2017

সৈয়দপুর সেনানিবাসে অবস্থিত
"সৈয়দপুর চিড়িয়াখানায় - আরণ্যক "🐒🐅
*
কে কে গিয়েছিলেন এই মিনি চিড়িয়াখানায়? ?😍😗

Saidpur Airport
12/10/2017

Saidpur Airport

আসন সংখ্যা ৩৭০,টিকিট পেতে ভোগান্তি
ঢাকাগামী হাজারো যাত্রীর জন্য সৈয়দপুরে ফ্লাইট চলছে মাত্র ৫টি!!✈
[রিপোর্ট সাংবাদিক মিজানুর রহমান মিলন]
সৈয়দপুর থেকে সড়ক ও রেল পথে যাতায়াতের দুঃসহ ভোগান্তি থেকে বাঁচতে বিমানমুখী হয়ে উঠেছেন উত্তরের ৮ জেলায় বিমান যাত্রীরা। কিন্তু সৈয়দপুরে বিমানবন্দরে পর্যাপ্ত ফ্লাইট না থাকায় বিমান যাত্রা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন এ অঞ্চলের যাত্রীরা। সৈয়দপুর বিমানবন্দর উত্তরের রংপুর বিভাগের ৮ জেলার একমাত্র বিমানবন্দর হওয়ায় দিনদিন যাত্রী সংখ্যা উচ্চহারে বাড়ছে। অথচ যাত্রী সংখ্যার তুলনায় ফ্লাইট সংখ্যা বৃদ্ধি না পাওয়ায় চাহিদামত টিকিট জুটছে না যাত্রীদের। প্রতিদিন বিমানের ঢাকামুখী হাজারো যাত্রীর বিপরীতে সীমিত আসনের কারণে টিকিট সংগ্রহে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। ভূক্তভোগী যাত্রীরা বিমানের আসন বাড়াতে ফ্লাইট সংখ্যা বৃদ্ধির দাবি জানিয়েছেন। সরকারি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ বিমানসহ বেসরকারি বিমান সংস্থার সৈয়দপুর-ঢাকা রুটে প্রতিদিন ৫টি ফ্লাইট যাতায়াত করে। এই ৫টি ফ্লাইট সকাল-বিকাল মিলিয়ে দৈনিক ৩৭০ জন যাত্রী বহন করা হয়। ফলে চাহিদা থাকলেও পর্যাপ্ত ফ্লাইটের অভাবে যাত্রীরা বিমান যাত্রা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। কারণ বিমানের যে ৩৭০টি আসন রয়েছে তা ৫ থেকে ৭ দিন আগেই আগাম টিকিট বিক্রি হয়ে যায়। অতি জরুরী কাজেও তারা ঢাকা যেতে পারেন না। কারণ ৭ দিন পর্যন্ত কারও পক্ষেই টিকিট সংগ্রহ করা সম্ভব হয় না। এতে করে ঢাকামুখী দৈনিক ৫/৬শ’ যাত্রী টিকিট পেতে ব্যর্থ হন। এসব যাত্রী সড়ক ও রেল পথে যাতায়াত করতে বাধ্য হন। সড়ক পথে যানজট ও সময়সূচী মেনে ট্রেন না চলায় আকাশ পথে যাতায়াতের বিপুল চাহিদা তৈরি হয়েছে। প্রতিদিন এ অঞ্চলের হাজার হাজার মানুষকে বিভিন্ন কাজে ঢাকা যেতে হয়। এসব যাত্রীর একটি অংশ স্বস্তিতে যেতে বিমানমুখী হয়েছেন। কিন্তু পর্যাপ্ত ফ্লাইটের অভাবে বিমান যাত্রা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন তারা। বিশেষ করে বিমানের টিকিটের মূল্য সাশ্রয়ী হওয়ায় যাত্রী সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। রংপুর বিভাগের ৮ জেলার যাত্রী ছাড়াও এ রুটে মন্ত্রী-এমপি ও গুরুত্বপূর্ণ সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ব্যক্তিসহ বিদেশিরা নিয়মিত যাতায়াত করেন। এতে করে অভ্যন্তরীন এ বিমানবন্দর দেশের অন্যতম ব্যস্ত বিমানবন্দর হয়ে উঠেছে। আকাশ পথের এ রুট লাভজনক হওয়ায় বিমানের ফ্লাইট বৃদ্ধির বিপুল চাহিদা তৈরি হলেও তা কাজে লাগানো হচ্ছে না। দীর্ঘদিন ধরে এ অঞ্চলের মানুষ বিমানের ফ্লাইট বৃদ্ধির দাবি জানিয়ে আসছে। অথচ আজ পর্যন্ত ওই দাবি পূরণ হয়নি।
সৈয়দপুরের ট্রাভেল ব্যবসায়ী সায়মা ট্রাভেল ইন্টারন্যাশনাল এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মহসিন মন্ডল মিঠু বলেন, ঢাকা যেতে প্রতিদিনই হাজারো যাত্রী টিকিটের জন্য আসেন। কিন্তু সীমিত আসনের কারণে সবাইকে টিকিট দেয়া সম্ভব হয় না। যাত্রীদের মাঝে টিকিটের চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় এ রুটে আরও ১/ ২টি ফ্লাইট চালানো সম্ভব। আমাদের পক্ষ থেকে ফ্লাইট বৃদ্ধির দাবি আছে। তারপরও ফ্লাইট বাড়ানো হচ্ছে না।
জানতে চাইলে সৈয়দপুর বিমানবন্দরের দায়িত্বশীল একটি সূত্র যাত্রী সংখ্যা বৃদ্ধি সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ফ্লাইট বৃদ্ধি না পাওয়ায় এ রুটে শতভাগ যাত্রী পরিবহন করা সম্ভব হচ্ছে না। ফ্লাইট বাড়ানো গেলে যাত্রী চাহিদা মেটানো সম্ভব হত। ফ্লাইট বৃদ্ধির বিষয়টি সরকারি বেসরকারি বিমান সংস্থার উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিতে রয়েছে। তবে বিষয়টি সরকারি ও বেসরকারি বিমান সংস্থাগুলোর সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্তের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। এ ক্ষেত্রে আমাদের করণীয় কিছু নেই।
এদিকে সৈয়দপুর বিমানবন্দর উত্তরের ব্যস্ত বিমানবন্দর হয়ে ওঠায় বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা কঠোর করা হয়েছে। বিমানবন্দরের টার্মিনাল ও রানওয়ের সার্বক্ষণিক নিরাপত্তার দায়িত্বে আছেন ৩৭জন আনসার ও ৩১ জন পুলিশ। সিভিল এ্যাভিয়েশনের নিজস্ব ১২ জন সশস্ত্র নিরাপত্তা প্রহরী কাজ করছে। বিমানবন্দর এলাকায় কড়া নজরদারি করতে ১৫টি সিসি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। বিমানবন্দরের টার্মিনালে স্থাপন করা হয়েছে স্ক্যানিং মেশিন ও আরসিও গেট। নিরাপত্তা কর্মীদের হাতে থাকছে হ্যান্ডমেটাল ডিডেক্টর। যা দিয়ে যাত্রীদের দেহে নিরাপত্তার স্বার্থে তল্লাশি চালানো হয়। ফলে ফ্লাইট পরিচালনায় সর্বোচ্চ নিরাপত্তা বলায় রয়েছে বিমানবন্দর। এতে করে ফ্লাইট সংখ্যা বাড়লেও বিমান চলাচলে বিদ্যমান সুবিধা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা যথেষ্ট বলে জানায় সংশ্লিষ্ট সূত্র।

12/10/2017

বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট,সাধু পানি উপকেন্দ্রে সৈয়দপুর"
ইনস্টিটিউট টি সৈয়দপুর-রংপুর মহাসড়কের পাশে অবস্থিত।☺

12/10/2017

সৈয়দপুর রেল কারখানায় উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনা চূড়ান্ত"তৈরি হবে যাত্রীবাহী কোচ ও মালবাহী ওয়াগন।

সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানায় তৈরি হবে যাত্রীবাহী কোচ ও মালবাহী ওয়াগন। এজন্য রেলওয়ের পক্ষ থেকে একটি উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনা (ডিপিপি) চূড়ান্ত করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
সৈয়দপুর রেল কারখানার বিদ্যমান ওয়ার্কশপের সঙ্গে নতুন করে কোচ-ওয়াগন তৈরির ওয়ার্কশপ নির্মাণ করা হবে। ভারতের ঋণে এই প্রকল্প বাস্তবায়নের কথা রয়েছে।
সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানায় বছরে ৫৭০টি মিটারগেজ ও ব্রডগেজ কোচ (যাত্রীবাহী) ও ৪৩০টি ওয়াগন (পণ্যবাহী) মেরামতের সক্ষমতা রয়েছে। তবে কারখানার মেরামত সক্ষমতার চেয়ে কোচ-ওয়াগনের চাহিদা বেড়ে গেছে। মেরামতের অপেক্ষায় থাকা কোচ-ওয়াগনের সংখ্যা প্রতিনিয়ত বাড়ছে। পাশাপাশি ১৮৭০ সালে প্রতিষ্ঠিত এ কারখানার বিভিন্ন যন্ত্রপাতির সক্ষমতা কমছে। এখানে প্রায় ১৫০ বছরের পুরনো যন্ত্রপাতি দিয়ে শ্রমিক-কর্মচারীরা কাজ করছেন। বর্তমানে কারখানায় জনবল ৩১৪১ জনের স্থলে রয়েছে ১২৪৩ জন। ৩৮ ভাগ জনবল নিয়ে কাজ চলছে দেশের বৃহত্তম সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানায়।
সূত্র জানায়, চাহিদা বাড়ায় বিগত তিন বছরে ভারত থেকে ২২০টি মিটারগেজ পণ্যবাহী ওয়াগন কেনা হয়েছে। আর ভারত থেকে ১২০টি ব্রডগেজ এবং ইন্দোনেশিয়া থেকে ১০০টি মিটারগেজ ও ৫০টি ব্রডগেজ কোচ কেনা হয়েছে। আরও ৪০০টি মিটারগেজ ও ৫০টি ব্রডগেজ কোচ কেনার প্রক্রিয়া চলমান। নতুন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা গেলে আরও অনেক কোচ-ওয়াগন তৈরি ও মেরামত করা যাবে দেশেই। এমন অনেক বিষয় সম্ভাব্যতা সমীক্ষায় উঠে আসবে। পাশাপাশি ওয়ার্কশপের বিস্তারিত নকশা ও আউটলেটও প্রণয়ন করা হবে প্রস্তাবে।
অন্যদিকে সৈয়দপুরে বিদ্যমান ওয়ার্কশপের ভেতরে পতিত জমিতে প্রস্তাবিত ওয়ার্কশপে বছরে ৬০টি কোচ তৈরি করা যাবে। এর মধ্যে রয়েছে ৪০টি মিটারগেজ ও ২০টি ব্রডগেজ কোচ। পরে এ সক্ষমতা আরও বাড়ানো হবে।
সূত্র জানায়, এরই মধ্যে প্রকল্পটির বিষয়ে নীতিগত সম্মতি দিয়েছে ভারত। বর্তমানে এর ডিপিপি প্রণয়নের কাজ চলছে। বর্তমান সরকারের আমলে রেলওয়ের উন্নয়নকে অনেক গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। এজন্য বিগত কয়েক বছরে ট্রেনের চাহিদা অনেক বেড়েছে। নতুন বেশকিছু রেলপথও নির্মাণ করা হচ্ছে। ফলে দিন দিন ট্রেনের চাহিদা বাড়ছে। ভবিষ্যতে রেলকে গতিশীল করার জন্য আরও অনেক বেশি কোচ-ওয়াগন প্রয়োজন হবে। ১৮৭০ সালে নীলফামারী জেলার সৈয়দপুরে ২২২ একর জমির মধ্যে ১১০ একর জমির ওপর রেলওয়ে ওয়ার্কশপ প্রতিষ্ঠা করে তৎকালীন ব্রিটিশ সরকার। সেখানে ২৬টি শপ রয়েছে- যেগুলোতে কোচের বেশকিছু সরঞ্জাম তৈরি করা হয়। ওয়ার্কশপের ভেতর আরও ১১২ একর জমি পতিত অবস্থায় রয়েছে। স্বাধীনতার আগে ও পরে মেরামতের পাশাপাশি সীমিত কিছু কোচ তৈরি করা হতো সৈয়দপুরের ওয়ার্কশপে। তবে ১৯৯৩ সালে তা বন্ধ করে দেয়া হয়। এছাড়া ১৯৪৭ সালে চট্টগ্রামের পাহাড়তলীতে আরেকটি ওয়ার্কশপ নির্মাণ করা হয়। দু’টি ওয়ার্কশপেই কোচ ও ওয়াগন মেরামতের কাজ চলে বলে চাহিদা মেটাতে আমদানিই ভরসা রেলওয়ের।
রেলওয়ে শ্রমিক লীগ কারখানা শাখার সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোখছেদুল মোমিন জানান, বর্তমানে কারখানার সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে জনবল সংকট। দ্রুত জনবল নিয়োগ করা প্রয়োজন। রেলমন্ত্রী কারখানা পরিদর্শনের সময় পরিত্যক্ত জায়গায় নতুন করে আরও উপ-কারখানা নির্মাণের প্রস্তাবনা দেওয়া হয়েছে।
রেলওয়ে কারখানার বিভাগীয় তত্ত্বাবধায়ক (ডিএস) মুহাম্মদ কুদরত-ই খুদা বলেন, সরকার রেলকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছে। যাত্রী সাধারণের কথা বিবেচনায় নিয়ে রেলের কোচ নির্মাণ ও মেরামতে জোর দেয়া হয়েছে। উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনা বাস্তবায়িত হলে রেলওয়ে কারখানায় আবারও প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে আসবে।
সৌজন্যে :বাংলা নিউজ

12/10/2017

Address

New Babupara
Saidpur
5310

Telephone

01882004584

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Saidpur,Nilphamari,Rajshahi posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share