27/09/2026
১৬ কি.মি. রাস্তার মধ্যে স্টপেজ তিনটা হল বুড়িমারী এক্সপ্রেস এর।
একটি ট্রেন ৩০ থেকে ৪০ মিনিট পর পর বিরতি দিলে সাধারণ জনগণ সাধারণত বিরক্ত হয় না। যখন ট্রেনের স্টপেজ ৮ থেকে ১০ মিনিট পর পর হবে যেকোনো সাধারণ জনগণ বিরক্ত বোধ করে। স্টপেজ ব্যতীত কোন স্টেশনে ক্রসিং হলে বিরক্তি রাগে রূপ নেয়। এর দায় রেলের নয়, স্থানীয় প্রতিনিধি অনেক ক্ষেত্রে রেলের বড় অফিসাররা দায়ী থাকেন।
বাংলাদেশ রেলওয়ে পক্ষে প্রতিটা স্টেশন স্টপেজ দিয়ে আন্তঃনগর পরিষেবা দেওয়া সম্ভব নয়। সম্ভব হলে সেটি পরিষেবা বলে না বরং জনগণ চাপ প্রয়োগ করে আন্তঃনগরকে লোকাল বানিয়ে আন্তঃনগর ভাড়া দিয়ে যাতায়াত করে। অর্থাৎ নিজের অপকর্মে নিজেই প্রতারিত হচ্ছেন বাকিদেরও করছেন।
সান্তাহার থেকে লালমনিরহাট পর্যন্ত করতোয়া এক্সপ্রেস যতগুলো স্টপেজ দেয়, সমান স্টপেজ বুড়িমারী দিবে।
সান্তাহার কাউনিয়া এমন এক রুট এখানে ১০ টা ঢাকার ট্রেন ঘরে ঘরে স্টপেজ দেবার পরও ১১ নাম্বার ট্রেন সেমিননস্টপ যাবে এমন স্বপ্ন দেখা উচিৎ না।
লালমনিরহাট বুড়িমারী বাসী আপনাদের হাতে সুযোগ ছিল রংপুর কে ইস্যু করে লালমনিরহাট ছেড়ে রংপুর থেকে ঢাকা ননস্টপ চালানোর। যা পরবর্তীতে বুড়িমারী বর্ধিত করে নিতে পারতেন। যেহেতু শেড, গার্ড অফিস ছিলই, মধ্যবর্তী স্থানে অপারেশনাল প্রয়োজন হত না এবং রংপুর থেকে আরামে ননস্টপ যাবার দাবি আদায় করে নিতে পারতেন। হয়তো রংপুরে ৩০০ আসন দিতে হত তবে ভোগান্তি কম হত।
অদূর ভবিষ্যতে সিরাজগঞ্জ বগুড়া রেল লাইন বাস্তবায়ন হলে দেখবেন কাউনিয়া থেকে ঢাকা ট্রেনের গড় স্টপেজ হবে মিনিমাম ১৭ টা।
সিরাজগঞ্জে বগুড়া বাস্তবায়ন থাকা অবস্থায় তারপরেও বলবো রংপুর কে ইস্যু করে ননস্টপ নিতে পারবেন সে ক্ষেত্রে রংপুর পীরগাছা লাইন প্রয়োজন হবে।