ObaheyTrip

ObaheyTrip International Travel Agent. All Visa Consultant, Flight & Tour Booking. Visit Visa Process.

  থাইল্যান্ড “ছয় দেশ, এক গন্তব্য” নামে একটি নতুন পর্যটন ক্যাম্পেইন চালু করতে যাচ্ছে, যার লক্ষ্য দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ছয়টি...
31/05/2025


থাইল্যান্ড “ছয় দেশ, এক গন্তব্য” নামে একটি নতুন পর্যটন ক্যাম্পেইন চালু করতে যাচ্ছে, যার লক্ষ্য দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ছয়টি দেশকে একত্রিত করে পর্যটকদের জন্য সহজ ও উপভোগ্য ভ্রমণ অভিজ্ঞতা তৈরি করা। থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, কম্বোডিয়া ও ভিয়েতনাম ইতিমধ্যে এতে যুক্ত হয়েছে, যদিও ষষ্ঠ দেশের নাম এখনো প্রকাশ হয়নি। এই প্রকল্পে পর্যটকদের জন্য থাকবে বিলাসবহুল জাহাজ ভ্রমণ, ঐতিহ্যবাহী স্থানে সফর, বিভিন্ন দেশের খাবার উপভোগ, নিজে গাড়ি চালিয়ে ঘোরার সুযোগ এবং ঋতুভিত্তিক উৎসব ভ্রমণ। ইউরোপের শেনজেন ভিসার মতো একটি যৌথ ভিসা চালুর পরিকল্পনা করা হয়েছে, যা দিয়ে একবারে সব অংশগ্রহণকারী দেশে প্রবেশ করা যাবে। ইমিগ্রেশন চেকপয়েন্টে দ্রুত প্রবেশের বিশেষ সুবিধাও থাকবে। পর্যটকদের জন্য থাকছে হোটেল ও রেস্টুরেন্টের বিশেষ প্যাকেজ। ক্যাম্পেইনটি শুরু হবে ২০২৫ সালের শেষদিকে, প্রস্তুত দেশগুলো শুরুতে এতে অংশ নেবে। এই উদ্যোগ কেবল পর্যটন নয়, বরং অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর মধ্যে বন্ধুত্ব ও সংস্কৃতি বিনিময়ও বাড়াবে। একটি যৌথ কমিটি এই প্রকল্পের বাস্তবায়ন তদারকি করবে। সফল হলে এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় ভ্রমণকে আরও সহজ, আকর্ষণীয় ও স্মরণীয় করে তুলবে।

ভিয়েতনাম ট্যুরিস্ট ভিসা কিভাবে আবেদন করবেন  🇻🇳পূর্বে বাংলাদেশি পাসপোর্ট হোল্ডারদের ভিয়েতনামভ্রমণের জন্য Visa approval ...
12/01/2025

ভিয়েতনাম ট্যুরিস্ট ভিসা কিভাবে আবেদন করবেন 🇻🇳
পূর্বে বাংলাদেশি পাসপোর্ট হোল্ডারদের ভিয়েতনাম
ভ্রমণের জন্য Visa approval letter required ছিল।১৫ই আগস্ট ২০২৩ থেকে বাংলাদেশি পাসপোর্ট হোল্ডারদের Vietnam e-visa eligible করা হয়েছে।
এখন বর্তমানে ভিয়েতনাম ভ্রমণ করার জন্য ট্রাভেল এজেন্সি থেকে visa approval letter প্রয়োজন নেই
আপনি e-visa অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন
https://evisa.xuatnhapcanh.gov.vn
Visa apply Link
আবেদন ফি
Single entry 25 USD
Multiple 50 USD (3 Months)
এছাড়া থার্ড পার্টির অনেক ওয়েবসাইট আছে।
সেক্ষেত্রে আবেদন ফি সাইটের উপর ডিপেন্ড করে কম বেস হয়।উপরের দেওয়া লিংকটি গভারমেন্ট
ভিত্তিক।
Documents required
1)Passport Scan copy
2)Dgital photo
টিকেট বুকিং লাগবেনা।
Processing time
নরমালি তিন থেকে সাত কর্ম দিবসের মধ্যে আপনার ইমেইলের মধ্যে e-visa পেয়ে যাবেন।
e-visar ক্ষেত্রে Airport immigration entry and exit seal পাবেন।
কেউ যদি Visa sticker/Visa level নিতে চান।
সে ক্ষেত্রে on arrival কাউন্টারে থেকে এক্সট্রা
২৫ ডলার ফি দিয়ে visa sticker নিতে হবে।



Vietnam evisa, evisa Vietnam, Vietnam immigration, Vietnam visa, visa Vietnam, Vietnam visa for tourist

12/01/2025

আপনি যদি নিজে নিজে কানাডার ভিসা আবেদন করতে চান তবে এই গাইডটি আপনার জন্য। নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করে সহজেই আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারবেন।

১. প্রাথমিক প্রস্তুতি
প্রথমে, আপনার ব্রাউজার (Chrome, Firefox, Safari) ওপেন করুন এবং সার্চ বারে "IRCC" লিখে সার্চ করুন। IRCC (Immigration Refugees and Citizenship Canada) ওয়েবসাইটে যান এবং GCKey বাটনে ক্লিক করে GCKey একাউন্ট খুলুন। একাউন্ট খোলার সময় আপনাকে ইমেইল অ্যাড্রেস, পাসওয়ার্ড এবং সিকিউরিটি কোশ্চেন সেভ করে রাখতে হবে। একাউন্ট ক্রিয়েট করার পর এই তথ্যগুলো দিয়ে আপনি লগইন করবেন।

২. অ্যাপ্লিকেশন শুরু

আপনার GCKey একাউন্টে লগইন করুন এবং "Start an application" বাটনে ক্লিক করুন। তারপর "Apply to come to Canada" ক্লিক করুন। ভিসা ক্যাটাগরি থেকে "Visitor Visa, Study and Work Permit" সিলেক্ট করুন। তারপর যে প্রশ্ন আসবে তার উত্তর দিন, যেমন "What is your current country/territory of residence?" এখানে "Bangladesh" সিলেক্ট করুন।

৩. প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট আপলোড

সব প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার পর আপনাকে ডকুমেন্ট রিকোয়ারমেন্ট এর তালিকা দেওয়া হবে। নিচের তিনটি PDF ফর্ম সঠিক ইনফরমেশন দিয়ে পূরণ করতে হবে:
1. Application Form (IMM5257)
2. Family Information (IMM5245)
3. Schedule 1 (IMM5227)

আপলোড করতে হবে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট:
1. অ্যাপ্লিকেশন ফর্ম
2. ট্রাভেল হিস্ট্রি (ভিসা ও ইমিগ্রেশন এন্ট্রি এক্সিট সিল)
3. পাসপোর্ট কপি
4. ব্যাংক স্টেটমেন্ট ও ব্যাংক সলভেন্সি
5. সাম্প্রতিক ছবি
6. ট্রাভেল ইটিনারি, হোটেল রিজার্ভেশন, ইনভাইটেশন বা স্পন্সরশিপ
7. ফ্যামিলি ইনফরমেশন
8. শিডিউল ১ ফর্ম
9. ক্লায়েন্ট ইনফরমেশন বা কাভার লেটার
10. কর্মচারী সার্টিফিকেট বা অফিস আইডি কার্ড বা NOC

সব ডকুমেন্ট স্ক্যান করে আপলোড করুন।

৪. পেমেন্ট

ডকুমেন্ট আপলোড করার পর পেমেন্ট অপশন আসবে। ইন্টারন্যাশনাল ক্রেডিট কার্ড বা ডেবিট কার্ডের মাধ্যমে পেমেন্ট করুন।
অ্যাপ্লিকেশন ফি: 100 CAD
বায়োমেট্রিক্স ফি: 85 CAD
মোট: 185 CAD

৫. বায়োমেট্রিক্স

পেমেন্ট করার পর বায়োমেট্রিক রিকোয়েস্ট ইমেইল আসবে। বায়োমেট্রিক দেওয়ার জন্য VFS গ্লোবাল থেকে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিন। অ্যাপয়েন্টমেন্ট অনুযায়ী VFS আপনার ফিঙ্গারপ্রিন্ট এবং ছবি নেবে। বায়োমেট্রিক সম্পন্ন হলে আপনাকে পাসপোর্ট ফেরত দেওয়া হবে।

৬. রেজাল্টের জন্য অপেক্ষা

আপনার ইমেইলে নোটিশ আসলে IRCC পোর্টালে GCKey একাউন্ট চেক করুন। ভিসা রিকুয়েস্ট ডাউনলোড করে পুনরায় VFS অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে পাসপোর্ট সাবমিট করুন। ভিসা অনুমোদন হলে ২ সপ্তাহের মধ্যে পাসপোর্ট ভিসাসহ ফেরত পাবেন।

৭. রিজেকশন ও পুনরায় আবেদন

যদি কোন কারণে ভিসা রিজেক্ট হয়, তাহলে GCKey একাউন্টে রিজেকশন লেটার আসবে। বায়োমেট্রিক দিলে তা ১০ বছর মেয়াদে রিজার্ভ থাকে। পুনরায় আবেদন করার সময় বায়োমেট্রিক্স ফি দিতে হবে না, শুধু 100 CAD ভিসা ফি দিয়ে আবেদন করতে পারবেন।

এই প্রক্রিয়াগুলো অনুসরণ করে নিজে নিজে কানাডার ভিসা প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারবেন।
সকলের সৌভাগ্য কামনা করছি!

12/01/2025

বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীরা বর্তমানে ভিসা ছাড়াই বা ভিসা-অন-অ্যারাইভাল সুবিধার মাধ্যমে মোট ৪২টি দেশ ও অঞ্চলে ভ্রমণ করতে পারবেন:

✅ এশিয়া:
✓ ভুটান: ভিসা ছাড়াই ভ্রমণ করা যায়।
✓ নেপাল: ভিসা ছাড়াই ভ্রমণ করা যায়।
✓ মালদ্বীপ: ভিসা-অন-অ্যারাইভাল সুবিধা পাওয়া যায়।
✓ শ্রীলঙ্কা: ইলেকট্রনিক ট্রাভেল অথরাইজেশন (ETA) প্রয়োজন।
✓ কম্বোডিয়া: ভিসা-অন-অ্যারাইভাল সুবিধা পাওয়া যায়।
✓ পূর্ব তিমুর (টিমর-লেস্টে): ভিসা-অন-অ্যারাইভাল সুবিধা পাওয়া যায়।

✅ আফ্রিকা:
✓ কেপ ভার্দে: ভিসা-অন-অ্যারাইভাল সুবিধা পাওয়া যায়।
✓ কমোরোস: ভিসা-অন-অ্যারাইভাল সুবিধা পাওয়া যায়।
✓ গিনি-বিসাউ: ভিসা-অন-অ্যারাইভাল সুবিধা পাওয়া যায়।
✓ মাদাগাস্কার: ভিসা-অন-অ্যারাইভাল সুবিধা পাওয়া যায়।
✓ মৌরিতানিয়া: ভিসা-অন-অ্যারাইভাল সুবিধা পাওয়া যায়।
✓ মোজাম্বিক: ভিসা-অন-অ্যারাইভাল সুবিধা পাওয়া যায়।
✓ রুয়ান্ডা: ভিসা-অন-অ্যারাইভাল সুবিধা পাওয়া যায়।
✓ সেশেলস: ভিসা ছাড়াই ভ্রমণ করা যায়, তবে প্রবেশ পারমিট প্রয়োজন।
✓ সিয়েরা লিওন: ভিসা-অন-অ্যারাইভাল সুবিধা পাওয়া যায়।
✓ সোমালিয়া: ভিসা-অন-অ্যারাইভাল সুবিধা পাওয়া যায়।
✓ টোগো: ভিসা-অন-অ্যারাইভাল সুবিধা পাওয়া যায়।
✓ লেসোথো: ভিসা-অন-অ্যারাইভাল সুবিধা পাওয়া যায়।

✅ ওশেনিয়া:
✓ কুক দ্বীপপুঞ্জ: ভিসা ছাড়াই ভ্রমণ করা যায়।
✓ ফিজি: ভিসা ছাড়াই ভ্রমণ করা যায়।
✓ কিরিবাতি: ভিসা ছাড়াই ভ্রমণ করা যায়।
✓ মাইক্রোনেশিয়া: ভিসা ছাড়াই ভ্রমণ করা যায়।
✓ নিউয়ে: ভিসা ছাড়াই ভ্রমণ করা যায়।
✓ সামোয়া: ভিসা-অন-অ্যারাইভাল সুবিধা পাওয়া যায়।
✓ টুভালু: ভিসা-অন-অ্যারাইভাল সুবিধা পাওয়া যায়।
✓ ভানুয়াতু: ভিসা ছাড়াই ভ্রমণ করা যায়।

✅ ক্যারিবিয়ান অঞ্চল:
✓ বাহামাস: ভিসা ছাড়াই ভ্রমণ করা যায়।
✓ বার্বাডোস: ভিসা ছাড়াই ভ্রমণ করা যায়।
✓ ডোমিনিকা: ভিসা ছাড়াই ভ্রমণ করা যায়।
✓ গ্রেনাডা: ভিসা ছাড়াই ভ্রমণ করা যায়।
✓ হাইতি: ভিসা ছাড়াই ভ্রমণ করা যায়।
✓ জামাইকা: ভিসা ছাড়াই ভ্রমণ করা যায়।
✓ সেন্ট কিটস ও নেভিস: ভিসা ছাড়াই ভ্রমণ করা যায়।
✓ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইনস: ভিসা ছাড়াই ভ্রমণ করা যায়।
✓ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো: ভিসা ছাড়াই ভ্রমণ করা যায়।
✓ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ: ভিসা ছাড়াই ভ্রমণ করা যায়।
✓ মন্টসেরাট: ভিসা ছাড়াই ভ্রমণ করা যায়।

✅ দক্ষিণ আমেরিকা:
✓ বলিভিয়া: ভিসা-অন-অ্যারাইভাল সুবিধা পাওয়া যায়।

✅ উল্লেখযোগ্য তথ্য:
✓ ভ্রমণের আগে নিশ্চিত করুন যে আপনার পাসপোর্টের মেয়াদ কমপক্ষে ছয় মাস রয়েছে।

✓ কিছু দেশে প্রবেশের সময় ফেরত টিকিট, আর্থিক সামর্থ্যের প্রমাণ এবং নির্দিষ্ট স্বাস্থ্য বীমা থাকতে পারে।

✓ ভ্রমণের আগে প্রতিটি দেশের নির্দিষ্ট প্রবেশ নীতি ও শর্তাবলী সম্পর্কে অবগত হওয়া গুরুত্বপূর্ণ।

✅ নোট: এই তথ্যগুলো বিভিন্ন উৎস থেকে সংগৃহীত, এবং সময়ের সাথে পরিবর্তিত হতে পারে। ভ্রমণের আগে সর্বশেষ তথ্যের জন্য সংশ্লিষ্ট দেশের দূতাবাস বা কনসুলেটের সাথে যোগাযোগ করা সুপারিশ করা হচ্ছে

12/01/2025

🇹🇭 Thailand E-visa 🇹🇭
থাইল্যান্ডের ই-ভিসা আবেদন করার পদ্ধতি:
থাইল্যান্ডের আবেদন প্রক্রিয়া এখন আরও সহজ! e-Visa পদ্ধতিতে ঘরে বসেই ভিসার জন্য আবেদন করা সম্ভব। নিচে পুরো প্রক্রিয়াটি ব্যাখ্যা করা হলো:
প্রথম ধাপ: রেজিস্ট্রেশন এবং আবেদন
১. ওয়েবসাইট ভিজিট করুন:
[https://www.thaievisa.go.th](https://www.thaievisa.go.th)
২. একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করুন:
- একটি অ্যাকাউন্ট থেকে সর্বোচ্চ ১০ জনের আবেদন জমা দেওয়া যাবে।
- পাসপোর্ট বায়োডাটা পেজ এবং ছবি আপলোড করুন (jpg ফাইল, ৩MB এর কম)।
- পাসপোর্ট থেকে তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফর্মে আসবে। তথ্য সঠিকভাবে যাচাই করুন।
৩. তথ্য এবং ডকুমেন্ট আপলোড করুন:
- প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস যেমন ব্যাঙ্ক স্টেটমেন্ট বা বর্তমান অবস্থানের প্রমাণ আপলোড করুন।
৪. ভিসার ধরন নির্বাচন করুন:
ভিসা ফি (টাকা):
- ট্যুরিস্ট ভিসা (সিঙ্গেল এন্ট্রি): ৩,৫০০
- ট্যুরিস্ট ভিসা (মাল্টিপল এন্ট্রি): ১৭,০০০
- অন্যান্য ভিসার বিস্তারিত ফি ও তথ্য ওয়েবসাইটে পাবেন।
৫. এম্বেসি নির্বাচন করুন:
- বাংলাদেশ থেকে আবেদনকারীরা শুধুমাত্র ঢাকার রয়্যাল থাই এম্বেসির মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।
২য় ধাপ: পেমেন্ট প্রক্রিয়া
১. পেমেন্ট ইনফো সামারি (P*S) শীট:
- আবেদন জমা দেওয়ার পর এটি পাবেন। শীটটিতে QR কোড এবং রেফারেন্স নম্বর থাকবে।
২. পেমেন্ট করুন:
[Commercial Bank of Ceylon](https://www.combank.net.bd/thaievisa)-এর ওয়েবসাইটে যান।
- ভিসা ফি জমা দেওয়ার পর P*S শীটটি পেমেন্ট প্ল্যাটফর্মে আপলোড করুন।
- পেমেন্ট নিশ্চিত হলে ই-রিসিপ্ট ইমেইলে পাঠানো হবে।
৩য় ধাপ: ভিসা অনুমোদন
১. প্রসেসিং সময়:
- আবেদন প্রক্রিয়ার জন্য অন্তত ১০ কার্যদিবস সময় লাগবে।
- অতিরিক্ত ডকুমেন্ট চাওয়া হতে পারে।
২. ই-ভিসা গ্রহণ:
- ইমেইলের মাধ্যমে অনুমোদিত ভিসা পাবেন।
- ই-ভিসা প্রিন্ট করে থাই ইমিগ্রেশনে দেখান।
কী প্রাপ্তি ও সময়সূচি (পয়েন্ট আকারে)
★রেজিস্ট্রেশন:
- অ্যাকাউন্ট এবং পাসওয়ার্ড পাবেন।
★আবেদন জমা দেওয়ার পর:
- P*S শীট (QR কোড এবং পেমেন্ট তথ্য সহ) পাবেন।
★পেমেন্টের পর: ই-রিসিপ্ট
★অনুমোদনের পর:
- ই-ভিসা / অতিরিক্ত তথ্যের অনুরোধ / আবেদন প্রত্যাখ্যান সংক্রান্ত ই-মেইল পাবেন।
সহজেই আবেদন করুন, নিরাপদে ভ্রমন করুন থাইল্যান্ড।

06/09/2024

★★ভারত হয়ে বাই রোডে পাকিস্তান ভ্রমনের প্রসেস★★

ভারত থেকে কোনো বিদেশি ব্যাক্তি বাই রোডে পাকিস্তানে ঢুকতে হলে তাকে লাহোর সংলগ্ন ওয়াগা বর্ডার হয়ে পাকিস্তানে ঢুকতে হয়। কিন্তু দুঃখ্যের ব্যাপার হলো, ওয়াগা বর্ডার দিয়ে এক্সিটের জন্য ভারত কোনো ট্রানজিট ভিসা দেয়না। অতএব পরিস্কার ভাবে জেনে নিন, বাই রোডে পাকিস্তান যাওয়ার জন্য কোনো ট্রানজিট ভিসা পাওয়া যায়না। তাই ট্রানজিট ভিসার পরিবর্তে আপনাকে ভারতের ট্যুরিস্ট ভিসা নিতে হবে।

পরবর্তিতে ভারতে ঢুকার পর ওয়াগা বর্ডার দিয়ে পাকিস্তানে ঢুকার জন্য ভারতের FRRO অফিসে এক্সিট পারমিটের জন্য আবেদন করতে হবে। এক্সিট পারমিটের জন্য এপ্লাই করতে যা যা লাগবে....

১. পাসপোর্টের ১ম দুই পেইজের ফটোকপি
২. পাসপোর্টের যে পেইজে ইন্ডিয়ান ভিসার স্ট্যাম্প সিল মারা হয়েছে সেই পেইজের ফটোকপি।
৩. হোটেল থেকে দেয়া সি-ফর্ম
৪. পাসপোর্ট সাইজের ছবি।
৫. যেই ট্রেন/বাস/প্লেনে করে ভারত এসেছেন তার টিকেট।
৬. এপ্লিকেশন
(কি কারনে পাকিস্তান প্রবেশ করতে চাচ্ছেন তার কারন দেখিয়ে এপ্লিকেশনটা লেখবেন। কারন হিসেবে সোজা লেখে দেবেন ট্যুরের জন্য প্রবেশ করতে চান)

এই সবগুলো জিনিসকে স্ক্যান করে পিডিএফ ফরমেটে নিতে হবে। কারন এগুলো সবই অনলাইনে জমা দিতে হবে। এই এক্সিট পারমিটের আবেদন কিন্তু বাংলাদেশে থাকা অবস্থায় করতে পারবেন না। ভারতে ঢুকার পর করতে হবে।

⏩ ট্যুর প্রসেস.....

প্রথমে ভারত এবং পাকিস্তান দুই দেশেরই টুরিস্ট ভিসা নেবেন। কোন দেশেরটা আগে নেবেন এমন কোনো কথা নেই। যেকোনো একটা নিলেই চলবে। তবে পাকিস্তানের ভিসার জন্য আগে আবেদন করতে পারেন, কারন ওটা আসতে সময় একটু বেশি লাগে।

(যতদূর শুনেছি এখন অন এরাইভাল ভিসা দিচ্ছে সুতরাং পাকিস্তান ভিসার ঝামেলা আর নেই,আপনি পাকিস্তান যাওয়ার সাথে সাথে ভিসা দিবে)

এরপর প্রথমেই চলে যাবেন কলকাতায়। ঢাকার কমলাপুর বা আরামবাগ থেকে কলকাতা পর্যন্ত বাস রয়েছে। ভাড়া নেবে প্রায় ১৮০০ টাকার মত। এছাড়া বেনাপোল বন্দর পার হবার সময় ৫০০ টাকা চার্য নিবে। বাংলাদেশে থাকতেই অনলাইনে কলকাতার হোটেল বুকিং করে রাখবেন, তাতে খরচ অনেকটাই কম পরবে।

কোলকাতা পৌছে ১ রাত হোটেলে থাকবেন। এরপর সকালে উঠে তাদের কাছ থেকে সি-ফ্রম নিয়ে নেবেন। হোটেলে উঠার আগেই জিজ্ঞেস করে নেবেন তারা সি-ফ্রম দেয় কিনা। যেই হোটেল সি-ফ্রম দেয়না সেটায় উঠবেন না। আবার ১-২শ টাকা ঘুষ দিলে অনেকে দিয়ে দেয়। তবে অনলাইনে বুকিং কৃত হোটেলগুলো সাধারনত এমনিতেই সি-ফ্রম দেয়।

সি-ফ্রম নিয়েই দেরি না করে কোনো কম্পিউটার দোকানে দিয়ে FRRO এর ওয়েবসাইটে গিয়ে ওয়াগা বর্ডার দিয়ে এক্সিট পারমিটের জন্য FRRO এর দিল্লি শাখায় আবেদন করবেন। আবেদন করতে কি কি লাগবে তা উপরেই বলেছি। আবেদনের পর সেটির একটা হার্ডকপি প্রিন্ট করে নিবেন।

এরপর কলকাতার হাওড়া স্টেশন থেকে ট্রেনে করে দিল্লি পৌছাবেন। কলকাতা-টু-দিল্লি ট্রেনও বাংলাদেশে থাকতেই আগাম বুুক করে রাখবেন। নরমালি ট্রেন ভাড়া প্রায় ৩৫০০ রুপি, আর ৫-৬ দিন আগে বুক করলে ১৭০০ রুপি এর মত পড়বে।

দিল্লি পৌছেই এক্সিট পারমিট আবেদনের হার্ডকপি এবং তার সাথের অন্যান্য কাগজপত্র গুলো দিল্লির FRRO অফিসে জমা দিতে হবে। এরপর অপেক্ষার পালা। নিয়ম অনুজায়ী ২ থেকে ১৪ দিনের ভেতর এক্সিট পারমিট মঞ্জুর করার কথা।

এক্সিট পারমিট পেয়ে গেলেই দিল্লি থেকে ট্রেনে করে ওয়াগা বর্ডার সংলগ্ন অমৃতসর শহরে চলে আসবেন। ভাড়া পরবে ৫০০ রুপির মত।

ওয়াগা বর্ডারে ভারতীয় ভিসা, পাকিস্তানি ভিসা এবং এক্সিট পারমিট দেখিয়ে খুব সহজেই লাহোরে প্রবেশ করবেন।

লাহোর ইমিগ্রেশনে আপনার ভিসা, পাসপোর্ট দেখার পর 'সি-ফ্রম' নামের একটি ফ্রম দিতে পারে, আবার নাও দিতে পারে। যদি ফ্রমটা দেয় তাহলে সেটা ফিলাপ করে দ্রুত কোনো পুলিশ স্টেশনে গিয়ে ফ্রমটা জমা দেবেন। পুলিশ সেই সি-ফ্রমটা জমা নিয়ে আপনাকে 'বি-ফ্রম' নামের আরেকটি ফ্রম দিবে। এই ফ্রমটা খুবই যত্ন করে সাথে রেখে ট্যুর করবেন।

ট্যুর শেষে যেদিন আপনি ভারতে ফিরে আসবেন তার আগেরদিন পুনরায় পুলিশ স্টেশনে গিয়ে বি-ফ্রমটি জমা দিলে তখন আপনাকে পুলিশ স্টেশন থেকে ট্রাভল পারমিট দেবে। এই পারমিট নিয়ে আপনি ওয়াগা বর্ডার দিয়ে পাকিস্তান থেকে বের হয়ে ভারতে এসে পরবেন।

এখানে বলে রাখা ভালো, ওয়াগা বর্ডারে পাকিস্তানী ইমিগ্রেশন থেকে সবাইকে সি-ফ্রম দেয়না। যাকে সন্দেহ হয় তাকেই সি-ফ্রম দেয়া হয়। যদি সি-ফ্রম না দেয় তাহলে তো আর ঝামেলা নেই। কিন্তু যদি দেয়, তাহলে অবহেলা না করে অবস্যই উপরের প্রসেসগুলো কন্টিনিউ করবেন, নয়তো ঝামেলায় পরে ইসলামাবাদে দৌড়াদৌড়ি করতে হবে।

তবে পাকিস্তানি অথরিটি যথেষ্ট আন্তরিক। তারা আপনাকে ভারতীয়দের মত দিনের পর দিন ঘুরাবে না। গেলেই সাথে সাথে কাজ করে দেবে।

পাকিস্তান থেকে বেরুনোর পর আর কোনো কাজ নাই। পূর্বের মত ট্রেন ও বাসে করে ভারত পেরিয়ে বাংলাদেশে চলে আসবেন। আর এভাবেই আপনার বাই রোড ট্যুর সম্পন্ন হবে।

⏩ প্রধান সমস্যা......

বাই রোড ট্যুরের প্রধান সমস্যা হলো ভারতীয় অথরিটির গোয়ার্তুমি। কপাল ভালো হলে তারা কয়েক দিনের ভেতর এক্সিট পারমিট দিয়ে দেয়। কিন্তু মাঝে মাঝে দিনের পর দিন লাগিয়ে দিতে পারে। তখন ভারতে বসে থাকতে হয়, অথবা বাংলাদেশে ব্যাক করতে হয়।
তাই, বাইরোডে গেলে ট্যুর না করেই দেশে ব্যাক করার ঝুকিও থাকবে।

⏩ খরচ....;

ঢাকা-কলকাতা = ১৮০০ টাকা
কলকাতা-দিল্লি= ধরুন ২৫০০ টাকা
দিল্লি-অম্রিতসার= ধরুন ৬০০ টাকা

গাড়ি ভাড়া হিসেব করলে দাড়ায় প্রায় ৫ হাজার টাকা (বাড়িয়ে ধরেছি)। আসার খরচ হিসেব করলে হয় ১০ হাজার টাকা। এছাড়া বেনাপোল বন্দরে ৫০০ টাকা দিতে হবে।

৪-৫ দিনের ভেতর এক্সিট পারমিট পেলে হোটেল বিল ও খাবার খরচ ধরুন ৬ হাজার টাকা। তবে গ্রুপে গেলে রুম শেয়ার করে নিলে ৩-৪ হাজার টাকা হয়ে যাবে।

তাহলে ভারত যদি দ্রুত এক্সিট পারমিট দিয়ে দেয় তাহলে মাত্র ১৫ হাজার টাকার ভেতরেই আপনার পাকিস্তান যাওয়া-আশা হয়ে যাবে। কিন্তু পারমিট দিতে দেরি করলে হোটেল আর খাবার বিল বাড়তে থাকবে 😑। আবার ভারতে থাকা-খাওয়ার খরচও তুলনামুলক বেশি। ভারতে ১০ দিন থাকলে যত টাকা খরচ হবে, ওই টাকায় এর চেয়ে ভালো মানের হোটেল বুক করে পাকিস্তানে ১৭-১৮ দিন থাকা সম্ভব।

সব মিলিয়ে বাই রোডে পাকিস্তান ট্যুরে গেলে ৪০ হাজার টাকা খরচ হতে পারে। তবে সেফটির জন্য অন্তত ৫০ হাজার টাকা হাতে নিয়ে যাবেন।

⏩ পরামর্শ.....;

যারা এখন পর্যন্ত দেশের বাহিরে কোথাও ট্যুরে যাননি, তারা একবার বাই রোডে পাকিস্তান ট্যুরের ট্রাই করতে পারেন। নিউ ট্রাভেলাররা যদি ট্যুর না করতে পেরে দেশেও ফিরে আসেন, তাহলেও তেমন লস হবেনা।

কারন, আগে কোনো দেশে না গিয়ে প্রথমেই যদি পাকিস্তান ট্যুরে যেতে চান তাহলে বাংলাদেশ ইমিগ্রেশনে অনেক ঝামেলা করে। ঝামেলা এড়াতে হলে পাকিস্তান ট্যুরের আগে ভারত বা অন্য কোনো দেশ থেকে কয়েকদিন ঘুরে আসতে হয়। বাইরোড ট্যুরে গেলে আপনার পাসপোর্টে পাকিস্তানের আগে ভারতের সিল পরবে। ফলে ভারত এক্সিট পারমিট না দিলেও হতাশার কিছু নেই। পাসপোর্টে ভারতের সিল থাকার ফলে পরবর্তিতে আপনি এয়ার রুটে পাকিস্তান ট্যুর করার সময় বাংলাদেশ ইমিগ্রেশনে আর সমস্যা করবেনা।

তাই একেবারে নতুন এবং ব্যাচেলর ট্রাভেলাররা রিস্ক নিয়ে হলেও বাই রোড ট্যুরে যেতে পারেন। তবে ফ্যামেলি ট্যুরে গেলে এয়ার রুটে যাবেন।

06/09/2024

★★ভারত হয়ে বাই রোডে পাকিস্তান ভ্রমনের প্রসেস★★

ভারত থেকে কোনো বিদেশি ব্যাক্তি বাই রোডে পাকিস্তানে ঢুকতে হলে তাকে লাহোর সংলগ্ন ওয়াগা বর্ডার হয়ে পাকিস্তানে ঢুকতে হয়। কিন্তু দুঃখ্যের ব্যাপার হলো, ওয়াগা বর্ডার দিয়ে এক্সিটের জন্য ভারত কোনো ট্রানজিট ভিসা দেয়না। অতএব পরিস্কার ভাবে জেনে নিন, বাই রোডে পাকিস্তান যাওয়ার জন্য কোনো ট্রানজিট ভিসা পাওয়া যায়না। তাই ট্রানজিট ভিসার পরিবর্তে আপনাকে ভারতের ট্যুরিস্ট ভিসা নিতে হবে।

পরবর্তিতে ভারতে ঢুকার পর ওয়াগা বর্ডার দিয়ে পাকিস্তানে ঢুকার জন্য ভারতের FRRO অফিসে এক্সিট পারমিটের জন্য আবেদন করতে হবে। এক্সিট পারমিটের জন্য এপ্লাই করতে যা যা লাগবে....

১. পাসপোর্টের ১ম দুই পেইজের ফটোকপি
২. পাসপোর্টের যে পেইজে ইন্ডিয়ান ভিসার স্ট্যাম্প সিল মারা হয়েছে সেই পেইজের ফটোকপি।
৩. হোটেল থেকে দেয়া সি-ফর্ম
৪. পাসপোর্ট সাইজের ছবি।
৫. যেই ট্রেন/বাস/প্লেনে করে ভারত এসেছেন তার টিকেট।
৬. এপ্লিকেশন
(কি কারনে পাকিস্তান প্রবেশ করতে চাচ্ছেন তার কারন দেখিয়ে এপ্লিকেশনটা লেখবেন। কারন হিসেবে সোজা লেখে দেবেন ট্যুরের জন্য প্রবেশ করতে চান)

এই সবগুলো জিনিসকে স্ক্যান করে পিডিএফ ফরমেটে নিতে হবে। কারন এগুলো সবই অনলাইনে জমা দিতে হবে। এই এক্সিট পারমিটের আবেদন কিন্তু বাংলাদেশে থাকা অবস্থায় করতে পারবেন না। ভারতে ঢুকার পর করতে হবে।

⏩ ট্যুর প্রসেস.....

প্রথমে ভারত এবং পাকিস্তান দুই দেশেরই টুরিস্ট ভিসা নেবেন। কোন দেশেরটা আগে নেবেন এমন কোনো কথা নেই। যেকোনো একটা নিলেই চলবে। তবে পাকিস্তানের ভিসার জন্য আগে আবেদন করতে পারেন, কারন ওটা আসতে সময় একটু বেশি লাগে।

(যতদূর শুনেছি এখন অন এরাইভাল ভিসা দিচ্ছে সুতরাং পাকিস্তান ভিসার ঝামেলা আর নেই,আপনি পাকিস্তান যাওয়ার সাথে সাথে ভিসা দিবে)

এরপর প্রথমেই চলে যাবেন কলকাতায়। ঢাকার কমলাপুর বা আরামবাগ থেকে কলকাতা পর্যন্ত বাস রয়েছে। ভাড়া নেবে প্রায় ১৮০০ টাকার মত। এছাড়া বেনাপোল বন্দর পার হবার সময় ৫০০ টাকা চার্য নিবে। বাংলাদেশে থাকতেই অনলাইনে কলকাতার হোটেল বুকিং করে রাখবেন, তাতে খরচ অনেকটাই কম পরবে।

কোলকাতা পৌছে ১ রাত হোটেলে থাকবেন। এরপর সকালে উঠে তাদের কাছ থেকে সি-ফ্রম নিয়ে নেবেন। হোটেলে উঠার আগেই জিজ্ঞেস করে নেবেন তারা সি-ফ্রম দেয় কিনা। যেই হোটেল সি-ফ্রম দেয়না সেটায় উঠবেন না। আবার ১-২শ টাকা ঘুষ দিলে অনেকে দিয়ে দেয়। তবে অনলাইনে বুকিং কৃত হোটেলগুলো সাধারনত এমনিতেই সি-ফ্রম দেয়।

সি-ফ্রম নিয়েই দেরি না করে কোনো কম্পিউটার দোকানে দিয়ে FRRO এর ওয়েবসাইটে গিয়ে ওয়াগা বর্ডার দিয়ে এক্সিট পারমিটের জন্য FRRO এর দিল্লি শাখায় আবেদন করবেন। আবেদন করতে কি কি লাগবে তা উপরেই বলেছি। আবেদনের পর সেটির একটা হার্ডকপি প্রিন্ট করে নিবেন।

এরপর কলকাতার হাওড়া স্টেশন থেকে ট্রেনে করে দিল্লি পৌছাবেন। কলকাতা-টু-দিল্লি ট্রেনও বাংলাদেশে থাকতেই আগাম বুুক করে রাখবেন। নরমালি ট্রেন ভাড়া প্রায় ৩৫০০ রুপি, আর ৫-৬ দিন আগে বুক করলে ১৭০০ রুপি এর মত পড়বে।

দিল্লি পৌছেই এক্সিট পারমিট আবেদনের হার্ডকপি এবং তার সাথের অন্যান্য কাগজপত্র গুলো দিল্লির FRRO অফিসে জমা দিতে হবে। এরপর অপেক্ষার পালা। নিয়ম অনুজায়ী ২ থেকে ১৪ দিনের ভেতর এক্সিট পারমিট মঞ্জুর করার কথা।

এক্সিট পারমিট পেয়ে গেলেই দিল্লি থেকে ট্রেনে করে ওয়াগা বর্ডার সংলগ্ন অমৃতসর শহরে চলে আসবেন। ভাড়া পরবে ৫০০ রুপির মত।

ওয়াগা বর্ডারে ভারতীয় ভিসা, পাকিস্তানি ভিসা এবং এক্সিট পারমিট দেখিয়ে খুব সহজেই লাহোরে প্রবেশ করবেন।

লাহোর ইমিগ্রেশনে আপনার ভিসা, পাসপোর্ট দেখার পর 'সি-ফ্রম' নামের একটি ফ্রম দিতে পারে, আবার নাও দিতে পারে। যদি ফ্রমটা দেয় তাহলে সেটা ফিলাপ করে দ্রুত কোনো পুলিশ স্টেশনে গিয়ে ফ্রমটা জমা দেবেন। পুলিশ সেই সি-ফ্রমটা জমা নিয়ে আপনাকে 'বি-ফ্রম' নামের আরেকটি ফ্রম দিবে। এই ফ্রমটা খুবই যত্ন করে সাথে রেখে ট্যুর করবেন।

ট্যুর শেষে যেদিন আপনি ভারতে ফিরে আসবেন তার আগেরদিন পুনরায় পুলিশ স্টেশনে গিয়ে বি-ফ্রমটি জমা দিলে তখন আপনাকে পুলিশ স্টেশন থেকে ট্রাভল পারমিট দেবে। এই পারমিট নিয়ে আপনি ওয়াগা বর্ডার দিয়ে পাকিস্তান থেকে বের হয়ে ভারতে এসে পরবেন।

এখানে বলে রাখা ভালো, ওয়াগা বর্ডারে পাকিস্তানী ইমিগ্রেশন থেকে সবাইকে সি-ফ্রম দেয়না। যাকে সন্দেহ হয় তাকেই সি-ফ্রম দেয়া হয়। যদি সি-ফ্রম না দেয় তাহলে তো আর ঝামেলা নেই। কিন্তু যদি দেয়, তাহলে অবহেলা না করে অবস্যই উপরের প্রসেসগুলো কন্টিনিউ করবেন, নয়তো ঝামেলায় পরে ইসলামাবাদে দৌড়াদৌড়ি করতে হবে।

তবে পাকিস্তানি অথরিটি যথেষ্ট আন্তরিক। তারা আপনাকে ভারতীয়দের মত দিনের পর দিন ঘুরাবে না। গেলেই সাথে সাথে কাজ করে দেবে।

পাকিস্তান থেকে বেরুনোর পর আর কোনো কাজ নাই। পূর্বের মত ট্রেন ও বাসে করে ভারত পেরিয়ে বাংলাদেশে চলে আসবেন। আর এভাবেই আপনার বাই রোড ট্যুর সম্পন্ন হবে।

⏩ প্রধান সমস্যা......

বাই রোড ট্যুরের প্রধান সমস্যা হলো ভারতীয় অথরিটির গোয়ার্তুমি। কপাল ভালো হলে তারা কয়েক দিনের ভেতর এক্সিট পারমিট দিয়ে দেয়। কিন্তু মাঝে মাঝে দিনের পর দিন লাগিয়ে দিতে পারে। তখন ভারতে বসে থাকতে হয়, অথবা বাংলাদেশে ব্যাক করতে হয়।
তাই, বাইরোডে গেলে ট্যুর না করেই দেশে ব্যাক করার ঝুকিও থাকবে।

⏩ খরচ....;

ঢাকা-কলকাতা = ১৮০০ টাকা
কলকাতা-দিল্লি= ধরুন ২৫০০ টাকা
দিল্লি-অম্রিতসার= ধরুন ৬০০ টাকা

গাড়ি ভাড়া হিসেব করলে দাড়ায় প্রায় ৫ হাজার টাকা (বাড়িয়ে ধরেছি)। আসার খরচ হিসেব করলে হয় ১০ হাজার টাকা। এছাড়া বেনাপোল বন্দরে ৫০০ টাকা দিতে হবে।

৪-৫ দিনের ভেতর এক্সিট পারমিট পেলে হোটেল বিল ও খাবার খরচ ধরুন ৬ হাজার টাকা। তবে গ্রুপে গেলে রুম শেয়ার করে নিলে ৩-৪ হাজার টাকা হয়ে যাবে।

তাহলে ভারত যদি দ্রুত এক্সিট পারমিট দিয়ে দেয় তাহলে মাত্র ১৫ হাজার টাকার ভেতরেই আপনার পাকিস্তান যাওয়া-আশা হয়ে যাবে। কিন্তু পারমিট দিতে দেরি করলে হোটেল আর খাবার বিল বাড়তে থাকবে 😑। আবার ভারতে থাকা-খাওয়ার খরচও তুলনামুলক বেশি। ভারতে ১০ দিন থাকলে যত টাকা খরচ হবে, ওই টাকায় এর চেয়ে ভালো মানের হোটেল বুক করে পাকিস্তানে ১৭-১৮ দিন থাকা সম্ভব।

সব মিলিয়ে বাই রোডে পাকিস্তান ট্যুরে গেলে ৪০ হাজার টাকা খরচ হতে পারে। তবে সেফটির জন্য অন্তত ৫০ হাজার টাকা হাতে নিয়ে যাবেন।

⏩ পরামর্শ.....;

যারা এখন পর্যন্ত দেশের বাহিরে কোথাও ট্যুরে যাননি, তারা একবার বাই রোডে পাকিস্তান ট্যুরের ট্রাই করতে পারেন। নিউ ট্রাভেলাররা যদি ট্যুর না করতে পেরে দেশেও ফিরে আসেন, তাহলেও তেমন লস হবেনা।

কারন, আগে কোনো দেশে না গিয়ে প্রথমেই যদি পাকিস্তান ট্যুরে যেতে চান তাহলে বাংলাদেশ ইমিগ্রেশনে অনেক ঝামেলা করে। ঝামেলা এড়াতে হলে পাকিস্তান ট্যুরের আগে ভারত বা অন্য কোনো দেশ থেকে কয়েকদিন ঘুরে আসতে হয়। বাইরোড ট্যুরে গেলে আপনার পাসপোর্টে পাকিস্তানের আগে ভারতের সিল পরবে। ফলে ভারত এক্সিট পারমিট না দিলেও হতাশার কিছু নেই। পাসপোর্টে ভারতের সিল থাকার ফলে পরবর্তিতে আপনি এয়ার রুটে পাকিস্তান ট্যুর করার সময় বাংলাদেশ ইমিগ্রেশনে আর সমস্যা করবেনা।

তাই একেবারে নতুন এবং ব্যাচেলর ট্রাভেলাররা রিস্ক নিয়ে হলেও বাই রোড ট্যুরে যেতে পারেন। তবে ফ্যামেলি ট্যুরে গেলে এয়ার রুটে যাবেন।

Rangpur-Kusthia-jhinaidah-Jessore-Benapole-Kolkata
06/01/2024

Rangpur-Kusthia-jhinaidah-
Jessore-Benapole-Kolkata

নিয়মিত চলাচল করছে। অগ্রীম টিকেট বুকিং এর জন্য যোগাযোগ করুন:Whats App+ bKash= 01717-010169
30/09/2023

নিয়মিত চলাচল করছে। অগ্রীম টিকেট বুকিং এর জন্য যোগাযোগ করুন:
Whats App+ bKash= 01717-010169


Address

Ershad More, Ranipukur, Mithapukur
Rangpur
5460

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ObaheyTrip posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to ObaheyTrip:

Share