Kamalganj Upazila

  • Home
  • Kamalganj Upazila
Directions

Kamalganj Upazila Embark on a journey of discover with us!🌍✈️ explore breathtaking destination. join with us and adventures begin.

একটি প্রাণ হারানোর পর নয়—প্রাণ বাঁচানোর আগেই প্রস্তুতি চাই।কমলগঞ্জের নদী-জলাশয়ে দুর্ঘটনায় নিখোঁজ ব্যক্তিকে দ্রুত উদ্ধারে...
13/09/2026

একটি প্রাণ হারানোর পর নয়—প্রাণ বাঁচানোর আগেই প্রস্তুতি চাই।

কমলগঞ্জের নদী-জলাশয়ে দুর্ঘটনায় নিখোঁজ ব্যক্তিকে দ্রুত উদ্ধারে প্রয়োজন আধুনিক সরঞ্জাম, স্পিডবোট ও প্রশিক্ষিত ডুবুরি দল।

উপজেলা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স ইউনিটের মাধ্যমে একটি স্থায়ী জলজ জরুরি উদ্ধার ব্যবস্থা গড়ে তোলা এখন সময়ের দাবি।

🚤 স্পিডবোট | 🤿 ডুবুরি | 📡 আন্ডারওয়াটার সার্চ | 🛟 রেসকিউ সরঞ্জাম

দুর্ঘটনার পর সরঞ্জাম খোঁজা নয়—উদ্ধার ব্যবস্থা আগে থেকেই প্রস্তুত থাকুক।

#কমলগঞ্জ #নদীউদ্ধার #ফায়ারসার্ভিস #জননিরাপত্তা #প্রাণবাঁচুক

চায়ের কাপের গোলটেবিলরাত সাড়ে দশটা।বাজারের সব দোকান প্রায় বন্ধ। শুধু একটি ছোট ঘরে আলো জ্বলছে। দরজা ভেতর থেকে আটকানো। টেবি...
12/09/2026

চায়ের কাপের গোলটেবিল

রাত সাড়ে দশটা।

বাজারের সব দোকান প্রায় বন্ধ। শুধু একটি ছোট ঘরে আলো জ্বলছে। দরজা ভেতর থেকে আটকানো। টেবিলে চায়ের কাপ, কয়েকটা কাগজ আর কিছু নাম।

আলোচনা শুরু হলো—

—“বিষয়টা তো ছড়িয়ে গেছে। এখন কীভাবে সামলাব?”

একজন বলল,
—“ঘটনা পুরোপুরি অস্বীকার করা যাবে না। মানুষ অনেক কিছু জানে।”

অন্যজন চুপচাপ চায়ে চুমুক দিয়ে বলল,
—“তাহলে সত্যটা সামনে আনব?”

ঘরে কয়েক সেকেন্ড নীরবতা।

—“সব সত্য একসঙ্গে সামনে আনা যায় না। কাউকে ছাড় দিতে হবে, কাউকে সামনে রাখতে হবে।”

কাগজের ওপর কয়েকটি নাম লেখা হলো।

একটির পাশে টিক।
একটির পাশে প্রশ্নবোধক চিহ্ন।
আরেকটির পাশে শুধু লেখা—“এখন নয়।”

—“তদন্তের কথা বলব?”

—“অবশ্যই। তদন্ত শব্দটা মানুষকে অপেক্ষা করাতে পারে।”

পরদিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঝড় উঠল—

“বড় অনিয়মের তথ্য!”
“তদন্ত শুরু হয়েছে!”
“শিগগিরই নাম প্রকাশ!”

মানুষ আলোচনা করল। ক্ষোভ দেখাল। প্রশ্ন তুলল।

তারপর?

কয়েকদিন পর সব চুপ।

নাম প্রকাশ হলো না।
তদন্তের ফল জানা গেল না।
অভিযোগটাও ধীরে ধীরে হারিয়ে গেল অন্য আলোচনার ভিড়ে।

কিন্তু প্রশ্নটা থেকে গেল—

অভিযোগ সত্য হলে, সত্য প্রকাশে এত ভয় কেন?

আর যদি কেউ সত্যিই অপরাধী না হয়, তাহলে তদন্তের ফল প্রকাশে বাধা কোথায়?

হয়তো উত্তরটা ফেসবুকের পোস্টে নেই।

হয়তো উত্তরটা লুকিয়ে আছে কোনো এক বন্ধ ঘরে—
যেখানে চায়ের কাপের পাশে বসে ঠিক হয়,

কাকে ছাড় দেওয়া হবে,
কাকে সামনে আনা হবে,
আর কোন সত্যটা আপাতত আড়ালেই থাকবে।

লাউয়াছড়ার নীরব প্রশ্নসকালটা ছিল অদ্ভুত সুন্দর।লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের ভেতর তখনও রোদের তেজ পুরোপুরি পৌঁছায়নি। উঁচু গাছের ...
11/09/2026

লাউয়াছড়ার নীরব প্রশ্ন

সকালটা ছিল অদ্ভুত সুন্দর।

লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের ভেতর তখনও রোদের তেজ পুরোপুরি পৌঁছায়নি। উঁচু গাছের পাতার ফাঁক দিয়ে সূর্যের আলো মাটিতে ছোট ছোট ছোপ তৈরি করছিল। চারপাশে ভেজা মাটির গন্ধ। কোথাও পাখির ডাক, কোথাও পাতার মর্মর শব্দ।

একজন পর্যটক ধীরে ধীরে হাঁটছিলেন। হাতে ক্যামেরা। উদ্দেশ্য একটাই—পাখির ছবি তোলা।

তিনি ঘুরতে আসেননি শুধু। তিনি এসেছিলেন বনকে দেখতে, শুনতে এবং ক্যামেরায় ধরে রাখতে।

হঠাৎ কিছুদিন আগের একটি ঘটনার কথা মনে পড়ল তাঁর।

সেগুন গাছ কাটার ঘটনা।

মনে প্রশ্ন জাগল—যারা এর সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছিল, তাদের কী হলো? তদন্ত কতদূর এগোল? কেউ কি শাস্তি পেল? নাকি সময়ের সঙ্গে ঘটনাটিও হারিয়ে গেল বনের পাতার আড়ালে?

আরেকটি ঘটনা তাঁকে আরও ভাবিয়ে তুলেছিল।

সেদিন তিনি কয়েকটি পাখির ছবি তুলতে চেয়েছিলেন। কিন্তু বনকর্মীরা তাঁকে ছবি তুলতে দেননি। বলা হয়েছিল, পাখিগুলো নাকি রেসকিউ করা হয়েছে।

কিন্তু তাঁর মনে প্রশ্ন থেকেই গেল—রেসকিউ করা হলে তাদের পরবর্তী অবস্থা কী? কোথা থেকে উদ্ধার করা হয়েছিল? কোথায় রাখা হয়েছিল? এখন তারা কোথায়?

সেদিন তিনি বনের ভেতর একঝাঁক বনমোরগের ডাক শুনেছিলেন।

দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে শুধু শুনেছিলেন।

আজ আবার সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে তাঁর মনে হলো—

ওরা কি এখনো আছে?

নাকি সেই ডাকও একদিন লাউয়াছড়ার স্মৃতি হয়ে যাবে?

তিনি ভাবলেন, অভিযোগ করলেই কি সব সমস্যার সমাধান হবে?

হয়তো না।

তার চেয়ে বড় প্রয়োজন—কমলগঞ্জের মানুষকে সচেতন করা। বনকে শুধু কাঠের উৎস হিসেবে নয়, নিজেদের ভবিষ্যৎ হিসেবে দেখা।

কারণ লাউয়াছড়া শুধু একটি পর্যটনকেন্দ্র নয়।

এটি একটি জীবন্ত বন।

এখানে গাছ আছে, পাখি আছে, বনমোরগ আছে, বন্য শূকর আছে, অসংখ্য প্রাণী আছে—যাদের অনেকের অস্তিত্ব আমরা চোখে দেখি না, কিন্তু তাদের উপস্থিতিই এই বনের ভারসাম্য ধরে রাখে।

কিছুদিন আগেও বনের চারপাশে বন্য শূকর দেখা যেত—এমন কথাও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়।

তাহলে এখন তারা কোথায়?

বনের প্রাণীদের সংখ্যা কমছে কি না, তাদের আবাসস্থল সংকুচিত হচ্ছে কি না—এসব কি নিয়মিতভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে?

আর যদি কোথাও বন্যপ্রাণী ধরা, বিক্রি বা পাচারের অভিযোগ থাকে—সেগুলোর তদন্তই বা কোথায়?

পর্যটকটি এবার একটু থামলেন।

তার মনে হলো, প্রশ্নগুলো শুধু বন বিভাগের কাছে নয়।

প্রশ্ন প্রশাসনের কাছে।

প্রশ্ন স্থানীয় মানুষের কাছে।

প্রশ্ন নীতিনির্ধারকদের কাছে।

প্রশ্ন আমাদের সবার কাছে।

দেশের প্রশাসন, আমলাতন্ত্র, বন বিভাগ ও সরকার—সবাই কি জানে লাউয়াছড়ার ভেতরে আসলে কী ঘটছে?

নাকি সবাই জানে, কিন্তু কেউ যথেষ্ট জোরে প্রশ্ন করছে না?

পর্যটকটি আবার ক্যামেরা হাতে নিলেন।

সামনে একটি পাখি ডালে এসে বসল।

তিনি ক্যামেরা তুললেন।

ক্লিক।

একটি ছবি বন্দী হলো।

কিন্তু ছবির সঙ্গে বন্দী হলো আরও কিছু—একটি প্রশ্ন।

আর কতদিন এই পাখিটিকে এখানে দেখা যাবে?

হাঁটতে হাঁটতে তিনি বুঝলেন, লাউয়াছড়ায় তাঁর সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি কোনো ছবি নয়।

প্রাপ্তি হলো কিছু প্রশ্ন।

আর সেই প্রশ্নগুলোর শেষ কথাটি খুব সহজ—

“আমি এখানে আসি শুধু পাখির ছবি তুলতে। কিন্তু যদি একদিন পাখিই না থাকে, তাহলে আমি ছবি তুলব কীসের?”

লাউয়াছড়ার গভীর বন তখনও নীরব।

কিন্তু সেই নীরবতার ভেতর যেন হাজারো পাখির ডাক মিলেমিশে একটি কথাই বলছিল—

“আমাদের বাঁচতে দাও।”

10/09/2026

কমলগঞ্জ উপজেলা, মৌলভীবাজার 🤍🌸

কমলগঞ্জ - প্রকৃতির স্বর্গরাজ্য 🇧🇩ভোরের আলো ফুটতেই কমলগঞ্জের সবুজ পাহাড় আর চা-বাগানের ওপর নেমে এলো সোনালি রোদের ঝিলিক। দূ...
07/09/2026

কমলগঞ্জ - প্রকৃতির স্বর্গরাজ্য 🇧🇩

ভোরের আলো ফুটতেই কমলগঞ্জের সবুজ পাহাড় আর চা-বাগানের ওপর নেমে এলো সোনালি রোদের ঝিলিক। দূরের পাহাড়ের গায়ে মেঘের আস্তরণ, গাছের ডালে পাখিদের কিচিরমিচির-মনে হলো প্রকৃতি যেন নতুন দিনের গল্প বলতে শুরু করেছে।

গ্রামের ছোট্ট ঘরটির সামনে তখন ব্যস্ততা। কেউ দিনের কাজের প্রস্তুতি নিচ্ছে, কেউ পর্যটকদের পথ দেখানোর জন্য তৈরি হচ্ছে। পাশের মাঠে কয়েকজন পরিবার নিয়ে ক্যাম্প করেছে। ছোট্ট শিশুটি আগুনের পাশে বসে আনন্দে তাকিয়ে আছে, আর বড়রা গল্পে মেতে উঠেছে।

এদিকে কয়েকজন তরুণ-তরুণী ব্যাগ কাঁধে নিয়ে বেরিয়ে পড়েছে পাহাড়ি পথের অভিযানে। কারও হাতে ক্যামেরা, কারও হাতে লাঠি। একজন বারবার আকাশের দিকে তাকিয়ে পাখিদের উড়ে যাওয়া দেখছে।
তাদের সামনে সরু মাটির পথটি এঁকেবেঁকে চলে গেছে সবুজের গভীরে।
পথের মাঝখানে একজন পরিচ্ছন্নতাকর্মী ব্যস্তভাবে পড়ে থাকা ময়লা সংগ্রহ করছিলেন। পর্যটকদের একজন তাকে দেখে বলল—
-আপনি না থাকলে এই সুন্দর জায়গাটা এত সুন্দর থাকত না।

তিনি হেসে বললেন—
-প্রকৃতি আমাদের সবার। তাই এটাকে পরিষ্কার রাখার দায়িত্বও আমাদের সবার।

আরেকদিকে দুজন অভিযাত্রী মানচিত্র হাতে দাঁড়িয়ে পথ খুঁজছিল। তারা কোথায় যাবে বুঝতে না পেরে একটু দ্বিধায় পড়েছিল। স্থানীয় এক পথচারী এগিয়ে এসে বললেন—

-“এই পথটা ধরে এগিয়ে যান। সামনে গেলে আরও সুন্দর জায়গা পাবেন।”

তারা ধন্যবাদ দিয়ে আবার যাত্রা শুরু করল।
কিছুদূর যেতেই পাহাড়ের বুক চিরে দেখা দিল সবুজের বিশাল সমুদ্র। চা-বাগানের সারি, উঁচু গাছ, পাহাড়ি ঝরনা আর নির্মল বাতাস দেখে সবাই থমকে দাঁড়াল।

একজন বিস্ময়ে বলল-
-“এত সুন্দর জায়গা আমাদের এত কাছে, অথচ আমরা জানতামই না!”

পাশ থেকে আরেকজন বলল-
- “এটাই তো কমলগঞ্জ।”
বিকেলে সবাই ফিরে এলো সেই বিশাল গাছটির নিচে। কেউ বেঞ্চে বসে বিশ্রাম নিচ্ছে, কেউ ফুলের সৌন্দর্য দেখছে, কেউ ছবি তুলছে। দূরে শিশুরা খেলছে, আর ক্যাম্পে থাকা পরিবারটি সন্ধ্যার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
হঠাৎ আকাশের দিকে তাকিয়ে সবাই দেখল-এক ঝাঁক সাদা পাখি ডানা মেলে উড়ে যাচ্ছে।

কিছুক্ষণ সবাই নীরব।

মনে হলো, পাখিগুলো যেন বলছে-
“এই সৌন্দর্য শুধু উপভোগ করার নয়, রক্ষা করারও।”
সূর্য ধীরে ধীরে পাহাড়ের আড়ালে হারিয়ে গেল। চারদিকে নেমে এলো সন্ধ্যার কোমল আলো। পর্যটকেরা নিজেদের ব্যাগ গুছিয়ে ফিরতে শুরু করল। কিন্তু যাওয়ার আগে তারা সবাই একটি সিদ্ধান্ত নিল-
কমলগঞ্জের প্রকৃতিকে তারা ভালোবাসবে, পরিচ্ছন্ন রাখবে এবং অন্যদেরও এই সৌন্দর্যের কথা জানাবে।
কারণ কমলগঞ্জে শুধু পাহাড় নেই, শুধু চা-বাগান নেই, শুধু বন বা ঝরনাও নেই।
এখানে আছে প্রকৃতি, মানুষ, ভ্রমণ, সংস্কৃতি, দায়িত্ববোধ আর ভালোবাসার একসঙ্গে বেঁচে থাকার গল্প।

আর সেই গল্পের একটাই নাম-
‘কমলগঞ্জ’
প্রকৃতির স্বর্গরাজ্য 🌿

লাউয়াছড়াসহ কমলগঞ্জের পাহাড় ও বনাঞ্চল রক্ষায় আগের ১৫ দফা নাগরিক দাবিই যথেষ্ট ভিত্তি। তবে সাম্প্রতিক গাছ চুরির মতো ঘটনা ঠে...
07/09/2026

লাউয়াছড়াসহ কমলগঞ্জের পাহাড় ও বনাঞ্চল রক্ষায় আগের ১৫ দফা নাগরিক দাবিই যথেষ্ট ভিত্তি। তবে সাম্প্রতিক গাছ চুরির মতো ঘটনা ঠেকাতে দাবিগুলোতে প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি ও চোরাচালান চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা আরও স্পষ্টভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে।

06/09/2026

উপজেলা পরিষদ কমলগঞ্জ 🤍
পুকুরটির চারপাশে যদি ফুল ও ফলের চারাগাছ রোপন করা হতো আরও সুন্দর লাগতো।

নদী বাঁচান, কৃষক বাঁচানকমলগঞ্জ উপজেলা নাগরিক দাবি — ১৫ দফা১. ধলাই নদী ও সকল নদী-ছড়া দখল ও লুট বন্ধ করতে হবে।নদী-ছড়া কোনো...
03/09/2026

নদী বাঁচান, কৃষক বাঁচান
কমলগঞ্জ উপজেলা নাগরিক দাবি — ১৫ দফা

১. ধলাই নদী ও সকল নদী-ছড়া দখল ও লুট বন্ধ করতে হবে।
নদী-ছড়া কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর ব্যক্তিগত সম্পদ নয়। অবৈধ দখল, ভরাট ও বালু লুট বন্ধ করে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিত করতে হবে।

২. অবৈধ বালু ও সিলিকা বালু উত্তোলন সম্পূর্ণ বন্ধ করতে হবে।
ড্রেজার, এক্সকাভেটর বা যেকোনো যান্ত্রিক পদ্ধতিতে অবৈধ উত্তোলনের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক অভিযান ও আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে।

৩. বালু উত্তোলনের নামে নদী, কৃষিজমি ও জনপদ ধ্বংস বন্ধ করতে হবে।
সেতু, বাঁধ, নদীতীর, বসতবাড়ি ও কৃষিজমির ঝুঁকি তৈরি করে এমন কোনো উত্তোলন অনুমোদন করা যাবে না।

৪. বালুমহালের পূর্ণ তথ্য জনগণের সামনে প্রকাশ করতে হবে।
কোন বালুমহাল বৈধ, কার ইজারা, কত টাকায় ইজারা, সীমানা কোথায় এবং কী শর্ত—সব তথ্য উপজেলা ও জেলা প্রশাসনের ওয়েবসাইট/নোটিশে প্রকাশ করতে হবে।

৫. বৈধ ইজারার আড়ালে অবৈধ উত্তোলন বন্ধ করতে হবে।
ইজারার নির্ধারিত সীমানার বাইরে এক ইঞ্চি বালুও উত্তোলন করা যাবে না। ইজারাদার শর্ত ভাঙলে ইজারা বাতিলসহ আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে।

৬. নদীভাঙন ও ঝুঁকিপূর্ণ বাঁধের জরুরি তালিকা করতে হবে।
কমলগঞ্জের ঝুঁকিপূর্ণ নদীতীর ও বাঁধ চিহ্নিত করে সময়সীমা নির্ধারণ করে স্থায়ী প্রতিরোধমূলক কাজ করতে হবে।

৭. ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের ক্ষয়ক্ষতির সরকারি হিসাব করতে হবে।
নদীভাঙন, বালু উত্তোলন বা জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষিজমির তালিকা তৈরি করে ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ ও ন্যায্য ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা করতে হবে।

৮. কৃষিজমি রক্ষায় অবৈধ মাটি কাটা বন্ধ করতে হবে।
ফসলি জমি থেকে অনুমতিহীন মাটি কাটা, মাটি বিক্রি ও কৃষিজমির শ্রেণি পরিবর্তনের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।

৯. নদী-ছড়ার সরকারি সীমানা জরিপ ও ডিজিটাল ম্যাপ প্রকাশ করতে হবে।
প্রতিটি নদী, ছড়া, খাল ও জলাশয়ের সীমানা চিহ্নিত করে সরকারি রেকর্ডের সঙ্গে মিলিয়ে জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করতে হবে।

১০. নদী-ছড়া দখল করে স্থাপনা নির্মাণ উচ্ছেদ করতে হবে।
অবৈধ স্থাপনা, বাঁধ, মাটি ভরাট ও দখল চিহ্নিত করে আইন অনুযায়ী উচ্ছেদ করতে হবে এবং উদ্ধারকৃত জায়গা পুনরায় দখল ঠেকাতে সীমানা নির্ধারণ করতে হবে।

১১. অবৈধ উত্তোলনের যন্ত্রপাতি জব্দ ও পুনঃব্যবহার বন্ধ করতে হবে।
ড্রেজার, এক্সকাভেটর, পাম্প, পাইপ ও পরিবহনযান আইন অনুযায়ী জব্দ করার পাশাপাশি পুনরায় ব্যবহারের সুযোগ বন্ধ করতে হবে।

১২. প্রভাবশালী পরিচয় নয়-প্রমাণের ভিত্তিতে ব্যবস্থা চাই।
কেউ রাজনৈতিক, সামাজিক বা অর্থনৈতিকভাবে প্রভাবশালী হলেও আইনের ঊর্ধ্বে থাকবে না। আবার প্রমাণ ছাড়া কাউকেও হয়রানি করা যাবে না।

১৩. প্রশাসনিক অভিযানের ফলাফল প্রকাশ করতে হবে।
কতটি অভিযান হয়েছে, কত মামলা হয়েছে, কত জরিমানা আদায় হয়েছে, কত বালু/যন্ত্রপাতি জব্দ হয়েছে এবং মামলাগুলোর বর্তমান অবস্থা-নিয়মিতভাবে জনগণকে জানাতে হবে।

১৪. নদী ও কৃষি রক্ষায় নাগরিক পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা চালু করতে হবে।
নাগরিক প্রতিনিধি, কৃষক, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক ও সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের সমন্বয়ে একটি স্বচ্ছ পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে; অভিযোগ গ্রহণ ও নিষ্পত্তির সময়সীমাও নির্ধারণ করতে হবে।

১৫. ‘কমলগঞ্জ নদী–কৃষি সুরক্ষা মহাপরিকল্পনা’ গ্রহণ করতে হবে।
নদী, ছড়া, খাল, কৃষিজমি, বাঁধ, সেচ, পরিবেশ ও কৃষকের জীবিকা-সবকিছুকে একসঙ্গে বিবেচনায় নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে এবং এর বাস্তবায়নের জন্য জবাবদিহিমূলক সময়সীমা নির্ধারণ করতে হবে।

আমাদের অবস্থান

নদী কোনো সিন্ডিকেটের সম্পদ নয়।
কৃষিজমি কোনো লুটের ক্ষেত্র নয়।
প্রাকৃতিক সম্পদ জনগণের সম্পদ।

অবৈধ দখল বন্ধ করুন।
বালু লুট বন্ধ করুন।
নদী রক্ষা করুন।
কৃষককে রক্ষা করুন।

একটাই দাবি—

নদী বাঁচান, কৃষক বাঁচান।
কমলগঞ্জ বাঁচান।

03/09/2026

প্রাকৃতিক স্বর্গ কমলগঞ্জ উপজেলা 🤍🌸

#কমলগঞ্জ 🤍

31/08/2026

আপনি কতবার গিয়েছেন না যাচ্ছেন খুব শীগ্রই...
কমলগঞ্জের অনেকেই এখনো যান নাই!

হামহাম জলপ্রপাত, কমলগঞ্জ

Address

Kamalgonj
Moulvi Bazar
3220

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Kamalganj Upazila posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

  • Want your business to be the top-listed transport service?

Share