AD LIB

AD LIB Fashion,Style & accessories
[email protected]
http://adlibbd.blogspot.com

We are Producing & Exporting T-shirt, polo shirt, denim part, Cargo shorts, Sweater and for Men, Women Boys &Girls. We are also the supplier all kind of accessories Button, Zipper, Sequin, lace, yarn Etc

All kind of stylish item you find here.

স্মার্ট পুরুষের জন্য স্মার্ট টিপসস্মার্ট পুরুষের স্মার্টনেস শুধু সাজ পোশাকে নয় সময়ানুবর্তিতায়ও। সব কাজ সঠিক সময়ে ঠিকঠাকভ...
07/07/2017

স্মার্ট পুরুষের জন্য স্মার্ট টিপস

স্মার্ট পুরুষের স্মার্টনেস শুধু সাজ পোশাকে নয় সময়ানুবর্তিতায়ও। সব কাজ সঠিক সময়ে ঠিকঠাকভাবে করা স্মার্টনেসের একটি অংশ। কিন্তু অনেকেই সমস্যায় পড়ে যান পরিকল্পনামাফিক কাজ করতে না পেরে। শরীরের সুস্থতা বজায় রেখে সব কাজ সুচারু রূপে সম্পাদন করতে দরকার কিছু কৌশল অবলম্বন করা। আসুন শিখে নেয়া যাক কিভাবে স্মার্ট পুরুষ তার কাজেও স্মার্ট হতে পারেন…

❏ সকালে একটু আগেভাগেই অ্যালার্ম দিয়ে রাখতে পারেন। তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে ওঠার অভ্যাস থাকলে মন যেমন ফুরফুরে থাকবে, তেমনি সময়মতো কর্মক্ষেত্রে পৌঁছানো সহজ হবে।

❏ সকালে গোসল করে বের হলে সারাদিন অফিসে বা কর্মক্ষেত্রে থাকতে কষ্ট কম হয়। কাজের প্রতিও আগ্রহ বাড়ে।

❏ অফিস থেকে ফিরে আবার গোসল করে নিতে পারেন। সারাদিনে শরীরে জমা ময়লা আর ক্লান্তি দুই-ই দূর হবে, রাতের ঘুম হবে অনেক ভালো।

❏ প্রতিদিন সাবান দিয়ে গোসল করার অভ্যাস করুন। ডেটল জাতীয় সাবান ব্যবহার করলে রোগজীবাণু প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে।

❏ পরের দিন যে কাজ করবেন, যার সঙ্গে দেখা করবেন তা আগের দিন ঘুমানোর আগে পরিকল্পনা করে রাখতে পারেন। কোনোমতেই ভুলতে না চাইলে ডায়েরি, মোবাইল বা নির্দিষ্ট কোথাও নোট করে রাখতে পারেন। এতে পরিকল্পনামাফিক কাজ করা সহজ হবে।

❏ বেশি রাত জাগার অভ্যাস ত্যাগ করতে হবে। তাড়াতাড়ি ঘুমালে সকালে বিছানা ছাড়তে সহজ হবে। তাছাড়া দেরি করে ঘুমালে বা দেরি করে ঘুম থেকে উঠলে আপনার সারাদিনের পরিকল্পনা এলোমেলো হয়ে যেতে পারে। এছাড়া রাত জাগাটা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।

❏ কর্মক্ষেত্রের একাধিক পোশাক রাখুন। এক পোশাক বারবার না পরে একদিন পরে ধুয়ে ফেলুন। শরীরের সঙ্গে মানিয়ে যাওয়া হালকা সুগন্ধিও ব্যবহার করতে পারেন। সবসময় ধোয়া এবং আয়রন করা কাপড় পররে শরীরের সঙ্গে মনটাও ফুরফুরে থাকবে।

❏ বাইরে রোদ ও ধুলাবালি এড়াতে ব্যক্তিত্ব ও পোশাকের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ রোদচশমা ব্যবহার করতে পারেন।

‘সৌন্দর্য্য’ কথাটি শুনলেই চোখের সামনে ভেসে উঠবে একটি লাবন্যময় হাসিমাখা মুখের প্রতিচ্ছবি। সুন্দর হতে চায় না এমন মানুষ এ...
24/10/2015

‘সৌন্দর্য্য’ কথাটি শুনলেই চোখের সামনে ভেসে উঠবে একটি লাবন্যময় হাসিমাখা মুখের প্রতিচ্ছবি। সুন্দর হতে চায় না এমন মানুষ এই গ্রহে আছে বলে মনে হয় না। যদিও অনেকেই বলে থাকেন যে আসল সৌন্দর্য্য হচ্ছে মনে আর যার অভিব্যাক্তি পাওয়া যায় চোখে। তবে এটা ভুলে গেলে চলবে না যে এটা আসলে বাহ্যিক সৌন্দর্য্যের সাথে সম্পর্কিত। আর আপনি যদি সেই সৌন্দর্য্যের খোঁজ করেন, তাহলে বিষয়টি হয়তো এখানেই শেষ হতে পারে।

আসুন জেনে নেই সুন্দর ত্বক কী
কারো গায়ের রঙ যখন স্বাভাবিক, সুশ্রী এবং ফর্সা, বাইরে থেকে তার দেহের শিরাগুলো দ্দেখা যায়, তখন আমরা বলি তার ত্বক সুন্দর। ত্বক সুন্দর বা ফর্সা হবার অনেক কারন আছে। যদিও এর বেশিরভাগই বংশগত বা আমরা বলতে পারি জেনেটিক্যাল। তবে কিছু কিছু হোম রেমেডি ব্যবহার করে আপনিও আপনার ত্বককে করে তুলতে পারেন আরো ফর্সা, আরো উজ্জ্বল। এতে আপনার প্রয়োজন হবে না কোন বিউটি পার্লারে যাওয়ার আর কাড়ি কাড়ি টাকা খরচ করার। শুধু একটু যত্ন, ব্যাস!

রোদে পোড়া আর দূষণ থেকে সুরক্ষা
লোকে বলে ‘রোদে বাইরে যেওনা, কালো হয়ে যাবে’। হ্যাঁ, এটা ঘটে ত্বকের মেলানিনের কারনে। রোদে গেলে সূর্যরশ্মির ক্ষতিকর দিক থেকে ত্বককে রক্ষার জন্য ত্বকে ব্যাপক মেলানিন উৎপন্ন হয়। আর এই ব্যাপক মেলানিনের উপস্থিতি ত্বককে করে তোলে কালো কারন মেলানিনের রঙ কালো তাই।

এবার আসুন জেনে নেই কিছু বিউটি টিপস
আপনি যদি সত্যি সত্যি আপনার ত্বকের সৌন্দর্য্য বাড়াতে চান কিংবা হারানো সৌন্দর্য্য ফিরে পেতে চান, তাহলে উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নাই। এমনকি আপনাকে ঘন ঘন বিউটি পার্লারেও যেতে হবে না। শুধুমাত্র ঘরে বসে কিছু টিপস আর নিয়ম মেনে চললেই আপনি পেতে পারেন সুন্দর লাবন্যময় ত্বক – যা আপনি চান।

ত্বকের সৌন্দর্য্য চর্চা দুইভাবে করা যায়

প্রাকৃতিক উপায়ঃ
এটাই আসলে প্রকৃত উপায়। আমরা রুপচর্চায় সাধারনত প্রাকৃতিক কিছু উপাদান যেমন শাক-সবজী, ফল এবং এগুলোর পাল্প বা মন্ড ব্যবহার করি। এটা একদিকে যেমন নিরাপদ তেমনি সাশ্রয়ীও বটে – বলা হয়ে থাকে জিরো কস্ট।

কসমেটিকসঃ
এতে ব্যবহৃত হয় কেমিক্যাল আর কৃত্রিম উপাদান। এর মধ্যে আছে ‘মাড প্যাক এবং অন্যান্য ফেয়ারনেস ক্রীম অথবা বিভিন্ন কেমিক্যাল এজেন্টের মিক্সার।
বেশিরভাগ বিশেষজ্ঞরা ত্বকের সৌন্দর্য্য চর্চায় কসমেটিকসের পরিবর্তে প্রাকৃতিক পদ্ধতির পরামর্শ দিয়ে থাকেন। কসমেটিকস ব্যবহারে আপনি ফল পেতেও পারেন আবার নাও পেতে পারেন। তবে প্রাকৃতিক পদ্ধতি অবলম্বনে সবচেয়ে ভাল ফল পাবেন – এটা নিশ্চিত।

হোম মেইড বিউটি টিপস

মধুঃ
ত্বকের যত্নে এবং উজ্জ্বল, সুন্দর ত্বক পেতে বহুল প্রচলিত এবং উত্তম পদ্ধতি হল মধুর ব্যবহার। একচামচ মধু নিন। মুখের ত্বকে লাগান। আস্তে আস্তে বৃত্তাকারে মেসেজ করুন। এইভাবে দিনে দুইবার সকালে আর রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে ব্যবহার করুন। সপ্তাহ দুই পরে আপনি দেখবেন আপনার ত্বক কেমন উজ্জ্বল আর সোনালী রঙ ধারন করছে। তবে মনে রাখবেন এখানে শুধুই মধু কথা বলা হয়েছে, মধুর সাথে দুধ মিশানোর কথা বলা হয় নি।

পেঁপেঃ
আপনারা হয়তো আগেই জেনে থাকবেন পেঁপের কথা। হ্যাঁ, পেঁপে খাওয়ার উপকারীতা আমরা সবাই জানি। তবে এটা আপনার ত্বকের জন্যও আশির্বাদস্বরুপ। এটাকে টপিক্যাল মেডিসিন হিসাবে ব্যবহার করা হয়। জানেন কি টপিক্যাল মেডিসিন কি? টপিক্যাল মেডিসিন হচ্ছে যা কিছু বাহ্যিকভাবে ব্যবহার করা হয়। ত্বকের যত্নে পেঁপে যেহেতু বাহ্যিকভাবে ব্যবহার করা হয়, সুতরাং পেঁপে একধরনের টপিক্যাল মেডিসিন।

একটা পেঁপে নিন। খোসা ছাড়িয়ে নিন। শাঁসটা পিষে ঘন পেস্টের মত করুন। মুখে লাগান। ইচ্ছে করলে আপনি এই পেস্ট আপনার বাহু কিংবা যেসব স্থান রোদে পুড়ে তামাটে হয়ে গেছে, সেসব স্থানেও লাগাতে পারেন। ১ ঘন্টা এভাবে রাখুন। আপনি যদি ব্যস্ত মানুষ হয়ে থাকেন বা আপনার হাতে সময় কম, সেক্ষেত্রে পেস্ট লাগিয়ে রেখে অন্যান্য কাজ করতে থাকুন কিংবা সকালে অফিসে যাওয়ার প্রস্তুতি নিতে থাকুন। ১ ঘন্টা পর ধুয়ে ফেলুন। এভাবে কমপক্ষে ৩ মাস ব্যবহার করুন। পার্থক্যটা দেখুন।

তুলসিঃ
তুলসিকে বলা হয় ঈশ্বরের দান। এটা খেলে অনেক রোগের উপসম হয়। তবে ত্বকের জন্যও এটা এক বিস্ময়। যারা তুলসির রস ত্বকে ব্যবহার করেন তারা বিভিন্ন ধরনের চর্ম রোগ থেকে আরোগ্য লাভ করেন, সাথে সাথে স্বাভাবিক ত্বকও হয় আরো সুন্দর আর লাবন্যময়। কাজেই রোদে পুড়ে তামাটে হয়ে যাওয়া প্রতিকারে অব্যর্থ ঔষধ তুলসির রস, সাথে উপহার সুন্দর ফর্সা ত্বক।
তুলসির কিছু পাতা নিন। শীল-পাটা দিয়ে বেটে কিংবা পিষে পেস্ট করুন। আস্তে আস্তে ত্বকে লাগান। কয়েক মিনিট রেখে হালকা কুসুম পানিতে ধুয়ে ফেলুন। এভাবে ৩ সপ্তাহ লাগান।

গোলাপ জলঃ
খুব অল্প সময়ে সুন্দর ত্বক পেতে গোলাপ জল অনন্য। গোলাপ ফুল কিনে পাঁপড়িগুলো আলাদা করে একদিন জলে ভিজিয়ে রাখুন। এরপর প্রতিদিন মুখে ব্যবহার করুন। সম্ভব হলে যতবার মুখ ধোবেন, ততবারই গোলাপ জল ব্যবহার করবেন। মনে রাখবেন গোলাপ জলে মুখ ধোয়ার সময় কোন ধরনের সাবান ব্যবহার করবেন না। অনেকের ক্ষেত্রে এমনও দেখা গেছে যে গোলাপ জল নিয়মিত ব্যবহারে ত্বকের রং শুধু সুন্দর ফর্সা হয়েছে তা-ই নয়, একটু গোলাপি বর্নও ধারন করেছে।

হলুদঃ
ত্বকের সৌন্দর্য্যে হলুদের ব্যবহার ভারতীয় উপমহাদেশে ব্যাপকমাত্রায় প্রচলিত। হিন্দু মেয়েরা তাদের পায়ে রঙ মাখাতে হলুদ ব্যবহার করে এবং এটা তাদের কাছে পবিত্র আচার। তবে এখন আর এটা ধর্মীয় আচারে সীমাবদ্ধ নয়। গবেষণায় প্রমানিত যে হলুদের ত্বকের রঙ ফর্সা করার গুন আছে। যেহেতু হলুদ দামী বস্তু নয়, তাই আপনি ইচ্ছে করলে আজই এর ব্যবহার শুরু করতে পারেন। মুখে, হাতে, পায়ে নিয়মিত সকালে এবং রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে হলুদ লাগান। কিছুদিন পরই পার্থক্যটা বুঝবেন। ফর্সা ত্বক! কোন ব্যাপারই না।

দইঃ
দই ছাড়া ডিনার? অসম্ভব! কারন দই ছাড়া আহারের স্বাদটাই যে অপূর্ণ থেকে যাবে! অন্ততঃ দক্ষিন ভারতীয়দের কাছে দই এমনই। সেই দই কি-না আপনার ত্বকও ফর্সা করে! শুনতে অবিশ্বাস্য মনে হলেও এটা সত্যি। প্রতিদিন সকালে ১ টেবিল চামচ দই নিন। মুখে মাখুন। ৪ সপ্তাহের বেশি লাগবে না আপনার মুখে ত্বক ফর্সা হতে। সেই সাথে ব্রণ থাকলে তাও দূর হবে।
দইয়ে যাদের এলার্জি আছে, তারা বিকল্প পদ্ধতি ব্যবহার করতে পারেন। যেমনঃ

শশাঃ
শশা ভোজ্য সবজী হিসাবে খাওয়া হয়, যেমন কাঁচা অবস্থায় তেমনি রান্না করে। শশার রয়েছে ত্বক ফর্সা করার গুন। কম দামী সবজী হওয়ায় এটির ব্যবহার যে কারো জন্যই উত্তম পরামর্শ। শশাতে আছে এমন সব উপাদান যা মেলানিনের উপস্থিতি কমায়, ত্বকের পুড়ে যাওয়া বা তামাটে হওয়া রোধ করে। আর এসব কারনেই বিশেষজ্ঞরা শশা ব্যবহারের পরামর্শ দেন এবং কিছু অংশ খেতেও বলেন। এটা পেস্টের মত করে লাগাতে পারেন অথবা এর রস লাগাতে পারেন।
শশা শুধু ত্বকের সুন্দর করে তা-ই নয়, শশা বাটা বা শশার রস লাগানো স্থানের তাপ কমিয়ে স্থানটি ঠান্ডা রাখে বিশেষ করে চোখের নীচ। নিয়মিত শশা ব্যবহারে কালো দাগ দূর হয়। যখন শশা পেস্ট ত্বকে লাগাবেন, চাক চাক করে কাটা শশার টুকরা চোখের উপর লাগাতে ভুলবেন না যেন। এতে আপনার চোখের নীচে কালো দাগ দূর হবে।

লেবুঃ
লেবুর রসও ত্বকের জন্য আশ্চর্য্য ফল দেয়। এটা আপনি যে কোন সময় ব্যবহার করতে পারেন, তবে দ্রুত ও ভাল ফলের জন্য দিনে বেশ কয়েকবার লাগাতে পারেন। লেবুর রস মাখালে প্রথম কিছুক্ষন হালকা সূচ ফোঁটার মত অনুভূতি হতে পারে - তবে এটা স্বাভাবিক। কাজেই এটাকে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া মনে করবেন না। প্রাকৃতিক উপাদানগুলোর মধ্যে একমাত্র দই ছাড়া অন্য কোনটির পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। দইয়ে কাজেই এটাকে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া মনে করবেন না। প্রাকৃতিক উপাদানগুলোর মধ্যে একমাত্র দই ছাড়া অন্য কোনটির পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। কারো কারো ক্ষেত্রে দইয়ে সামান্য এলার্জি হতে পারে। একবারে ১টা লেবুই যথেষ্ট। ৪ থেকে ৬ সপ্তাহ নিয়মিত লাগান। আয়নায় পার্থক্যটা দেখুন।

টমেটোর রসঃ
আপনারা নিশ্চয়ই ‘লা টোমাটিনা ফেস্টিভাল’ এর কথা শুনে থাকবেন। এটা ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চল থেকে প্রায় ৩০ কি.মি দুরের একটি গ্রামের একমাত্র অনুষ্ঠান যা অন্য কোথাও নেই। এই অনুষ্ঠানে লোকেরা একে অপরের প্রতি পাকা টমেটো ছুঁড়ে মারে। ইতিহাস বলে দূষ্কৃতির প্রতিবাদ হিসাবে তারা সজোরে টমেটো ছুঁড়ে মারে। কিন্তু মজার ব্যাপার হচ্ছে যাদের মুখে টমেটো এসে সজোরে লাগছে, তারা বেশ সতেজ অনুভূতি লাভ করেন, যদিও কেউ কেউ সামান্য ব্যাথা পান। ওখানকার লোকেরা ত্বক সজীব রাখার জন্য নিয়মিত টমেটো ব্যবহার করেন।
এই উৎসবের কিছুদিনের মধ্যে দেখা যায় যারা নিজেকে সতেজ রাখার জন্য নিয়মিত টমেটো ব্যবহার করেন, তাদের ত্বক হয়ে ওঠে আরো সুন্দর। এরপর থেকে পৃথিবীর অনেক স্থানেই টমেটোকে রুপ চর্চার উপকরণ হিসাবে ব্যবহারের প্রচলন শুরু হয়। ১টা টমেটো নিয়ে চেপে রস বের করে মুখে লাগান সাথে শাঁসটাও। প্রতিদিন এভাবে ব্যবহার করুন অন্ততঃ ৬ মাস পর্যন্ত।

আলুঃ
আলু বা গোল আলু অন্যান্য উপকরণের মত ত্বক ফর্সা বা সুন্দর করার জন্য যতটা না ব্যবহার হয় তার চেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় মুখের ত্বকের কালো দাগ দূর করার ক্ষেত্রে। রোদে মুখের ত্বক পুড়ে গেলে কালো দাগ পড়ে। আর সেই কালো দাগ দূর করায় পৃথিবীর অন্য যেকোন বস্তুর তুলনায় আলুই একমাত্র কার্যকরী উপাদান।

কচি ডাবের পানিঃ
বাইরে থেকে ঘরে এসে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব কচি ডাবের পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এতে ত্বকে রোদের ক্রিয়া বা রোদে পোড়া ভাব দূর হবে। আপনাকে দেবে প্রশান্তি আর সতেজ অনুভূতি। চাইলে আপনি কচি ডাবের শাঁসও মুখে মাখতে পারেন। এতে ত্বকের রঙ স্বাভাবিক হওয়ার পাশাপাশি ত্বকের ব্রণও দূর হবে।

ডিমের কুসুমঃ
ত্বকের সৌন্দর্য্য রক্ষায় হোম রেমেডিগুলোর মধ্যে ডিমের কুসুম অন্যতম। ১টি বাটিতে কুসুম নিয়ে ফেটিয়ে পেস্টের মত তৈরী করুন। ১ চামচ মধু আর ১ চামচ দই নিয়ে ভালভাবে কুসুমের সাথে মেশান। ‘ফেইস প্যাকে’র মত করে সারা মুখে লাগান। শুকাতে দিন। তারপর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ২ থেকে ৩ মাস এভাবে প্রতিদিন ব্যবহার করুন আর রেজাল্ট লক্ষ্য করুন।

তরমুজঃ
গ্রীষ্মকালে দৈনিক কমপক্ষে তিনবার তরমুজের টুকরা নিয়ে মুখে ঘষুন। রোদে পোড়া কালো দাগ দূর হবে। তবে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করবেন। কোন ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা দিলে ততক্ষনাৎ ব্যবহার বন্ধ করে দিন।

দুধের সাথে জাফরানঃ
ত্বকের সৌন্দর্য্য রক্ষায় সামান্য কিছু অর্থ খরচ করতে আপনার যদি বিশেষ অসুবিধা না থাকে, তাহলে দুধ আর জাফরান ব্যবহার করতে পারেন। যদিও জাফরান বর্তমানে বেশ দামী উপাদান। ২৫০মি.লি এর মত দুধ নিন। তাতে কিছু জাফরান ফেলে ভালভাবে মেশান। কোন ধরনের মেসেজ করা ছাড়াই মুখের সারা ত্বকে সমানভাবে লাগান। এভাবে কিছুক্ষন থাকুন। জাফরান মিশ্রিত দুধ মুখে লাগানোর পাশাপাশি খেতেও পারেন। এতে আরো ভাল ফল পাবেন। বেশ কয়েকটি গবেষনায় দেখা গেছে যে, দুধ আর জাফরান একসঙ্গে ব্যবহারের ফলে ত্বক ফর্সা হওয়ার পাশাপাশি গোলাপী আভা ধারন করে। মহিলা বিশেষ করে যারা চান তাদের ত্বক যেন ঠিক শিশুদের ত্বকের মত গোলাপী হয়, তাদের জন্য বিশেষ পরামর্শ হল দুধ আর জাফরান একসঙ্গে ব্যবহারের।

চন্দন পেস্টঃ
শেষ ভরসা চন্দন। ১ চিমটি চন্দন কাঠের পেস্টই আপনার এতদিনের ফর্সা হওয়ার স্বপ্ন স্বার্থক করতে পারে। চন্দন পেস্ট ‘ফেইস প্যাকে’র মত করে একটানা ৩০ দিন ব্যবহার করুন। আর আশ্চর্য্য ফল লাভ করুন। আর একারনেই বোধ হয় স্যান্ডাল সোপ এত বেশি জনপ্রিয়।

জাহিদ আকন্দ

30/11/2014
রূপচর্চায় চালের গুঁড়াঘরোয়া উপায়ে ত্বকের যত্ন সময়মতো নিলে অনেক সমস্যা থেকে পরিত্রান পাওয়া সম্ভব ।এরজন্য যে খুব খরচ ...
30/11/2014

রূপচর্চায় চালের গুঁড়া
ঘরোয়া উপায়ে ত্বকের যত্ন সময়মতো নিলে অনেক সমস্যা থেকে পরিত্রান পাওয়া সম্ভব ।
এরজন্য যে খুব খরচ করে দামী প্রসাধন কিনতে হবে তা কিন্তু নয় । আপনার হাতের কাছে্ই আছে এমন সব জিনিষ দিয়ে নিতে পারেন ত্বকের যত্ন ।
আমাদের শরীরের চামড়ায় প্রতিনিয়ত মৃতকোষ গুলা উঠে গিয়ে সেখানে নতুন কোষ জন্মায় । মৃতকোষ শরীরের উপরিভাগে ময়লার আস্তরণ তৈরি করে এবং এতে ত্বকের মসৃণটা কমে গিয়ে ত্বক হয়ে যায় খসখসে। তাই মৃতকোষ পরিষ্কার করার জন্য স্ক্রাব হল সবচেয়ে ভাল পদ্ধতি ।চালের গুড়া ভাল স্ক্রাব এর কাজ করে ।
ব্যবহার পদ্ধতি
চালের গুড়া ( ২ টেবিল চামচ) + দুধ (২ চা চামচ ), লেবুর রস(২ চা চামচ ) পরিমান মতো পানি মিশিয়ে মিশ্রণ তৈরি করুন । মিশ্রণ টা পুরো মুখে আলতো করে লাগান । ১০ মিনিট পর হাল্কা করে ঘষে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন ।
সপ্তাহে ১/২ দিন এটা ব্যবহার করতে পারেন ।
এটা শুধু মুখে না আপনি চাইলে সারা শরীরে ব্যবহার করতে পারেন ।
যাদের মুখ খুব বেশি তৈলাক্ত তারা দুধ এর বদলে শসার রস মিশাতে পারেন ।
আর শুষ্ক ত্বকের অধিকারীরা অনায়াসে দুধ ব্যবহার করতে পারেন , চাইলে কমলার রস,(২ চা চামচ ) যোগ করতে পারেন ।
কমলার রস ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে সাহায্য করে ।
উপকারিতা
১/ চালের গুড়া ব্রণের দাগ কমায় ।
২/ ত্বককে মসৃণ করে ।
৩/ ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়।
৪/ ব্ল্যাক হেডস কমায় ।
সাবধানতা
জোরে জোরে ঘষতে যাবেন না এতে হিতে বিপরীতও হতে পারে ।
রোজ রোজ এটা করতে যাবেন না এতে ত্বকের উপকারের চাইতে ক্ষতি হয়ে যাবে ।
ফেসবুকের নিয়ম অনুসারে পেইজ এর পোস্ট এ নিয়মিত লাইক, কমেন্ট না করলে ধীরে ধীরে পোস্ট আর দেখতে পাবেন না। তাই পোস্ট ভাল
লাগলে লাইক দিয়েশেয়ার করে পেজে একটিভ থাকুন

AD-LIB BD
18/11/2014

AD-LIB BD

AD-LIB
18/11/2014

AD-LIB

ঘরে বসে টিশার্ট কিনুন মাত্র ২৮০ টাকায় সাথে ফ্রি হোম ডেলিভারি।অর্ডার করুন – ০১৮৩৭৭৫১৬২৩
01/09/2014

ঘরে বসে টিশার্ট কিনুন মাত্র ২৮০ টাকায় সাথে ফ্রি হোম ডেলিভারি।
অর্ডার করুন – ০১৮৩৭৭৫১৬২৩

20/08/2014
Exclusive.
11/05/2014

Exclusive.

রুপচর্চায় লেবুরুপচর্চায় আমরা কত কিছুই না ব্যাবহার করে থাকি। কত ধরণের দামী ব্রান্ড এর ক্রিম, ফেসসওয়াশ, শ্যাম্পু আরো অন...
14/04/2014

রুপচর্চায় লেবু

রুপচর্চায় আমরা কত কিছুই না ব্যাবহার করে থাকি। কত ধরণের দামী ব্রান্ড এর ক্রিম, ফেসসওয়াশ, শ্যাম্পু আরো অনেককিছু। কিন্তু একটু খেয়াল করলেই আমরা খুব সহজে প্রাকিতিকভাবেই হাতের কাছের উপাদান রুপচর্চার ক্ষেত্রে ও ব্যাবহার করতে পারি। রুপচর্চার ক্ষেত্রে লেবু অনেক গুরুতপুর্ন। লেবুতে আছে ভিটামিন সি, ক্যালসিয়াম, মিনরেলস এবং এন্টিঅক্সিডেন্টের বিশাল উৎস। এটি ত্বক, চুল এবং নখের সমস্য সমাধান করে এবং এগুলোকে আরও আকর্ষনীয় করে তোলে।

খুশকি দূর করতে লেবুর রস খুব উপকারী। গোসলের একঘন্টা আগে নারিকেল তেল অথবা অলিভ অয়েল, মধু এবং লেবুর রস একসাথে মিশিয়ে স্ক্যাল্পে ম্যাসাজ করুন। সপ্তাহে দুই দিন ম্যাসাজ করলে খুশকি অনেক কমে লেবু।

রুপচর্চায় লেবুচুলের কন্ডিশনার হিসেবেও লেবু ভাল উপকারী। আধা কাপ লেবুর রস এর সাথে আধা কাপ তক দই মিশিয়ে সম্পুর্ন চুলে ভালোভাবে লাগিয়ে নিন। ১ ঘন্টা রেখে শ্যাম্পু করে ফেলুন। এতে চুল সিল্কি হয়।

Address

Khilgaon

Opening Hours

Monday 08:00 - 18:00
Tuesday 08:00 - 18:00
Wednesday 08:00 - 18:00
Thursday 08:00 - 18:00
Friday 08:00 - 18:00
Saturday 08:00 - 18:00
Sunday 08:00 - 18:00

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when AD LIB posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to AD LIB:

Share