03/04/2026
•••• চারখোল ভিলেজ ••••
নিউ জলপাইগুড়ি থেকে বাগরাকোট হয়ে চারখোলের দূরত্ব প্রায় ৮০ কিলোমিটার। কালিম্পং থেকে মাত্র ৩৮ কিলোমিটার দূরে চারখোল। চারখােল পৌছেই আপসােস হবে, আগে কেন আসা হয়নি। প্রায় ৩,৫০০ ফুট উচ্চতায় পাইন, সাইপ্রাস, ওক, শাক, গুরাস আর বরফঢাকা কাঞ্চনজঙ্ঘা দৃশ্য নিয়ে নিশ্চুপে রয়েছে চারখোল। খোলা আকাশে পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে তুষারাবৃত কাঞ্চনজঙ্ঘা। এমন দৃশ্য দেখার জন্যই তো বাঙালি বার বার ছুটে যায় উত্তরকন্যার কোলে। কিন্তু এখন উত্তরের অজানা-অচেনা পাহাড়ি গ্রামগুলো বেশি জনপ্রিয় পর্যটকদের কাছে। শুধু কাঞ্চনজঙ্ঘার দেখার লোভে নয়, কিছু দিন শান্ত পরিবেশে ছুটি কাটানোর জন্য বাঙালি বার বার বেছে নিচ্ছে উত্তরবঙ্গের অফবিট ডেস্টিনেশনগুলিকে। পাহাড়ি গ্রামে থাকতে এবং সেখানকার মনোরম পরিবেশ উপভোগ করতে আপনিও বেড়িয়ে আসতে পারেন চারখোল থেকে। বর্তমানে যে অফবিট ডেস্টিনেশনগুলো পর্যটকদের মধ্যে জনপ্রিয় হয়েছে চারখোল। ন্যাওড়াভ্যালি ন্যাশানাল পার্কের কোলে অবস্থিত হওয়ায় এখানে সবচেয়ে বেশি নজর কাড়ে বিভিন্ন ধরনের হিমালয়ান পাখি। তাছাড়া এখানেই সবুজ পরিবেশ আপনার ছুটি কাটানোর আমেজকে আরও স্বর্গীয় করে তুলবে। যেহেতু চারদিক খোলা তাই জায়গার নামও চারখোল। একদিকে কালিম্পংয়ের পাহাড়, অন্যদিকে সর্বদা দাঁড়িয়ে রয়েছে কাঞ্চনজঙ্ঘা। আর একদিকে দেখা যায় শিলিগুড়ির সমতল। সব মিলিয়ে নৈসর্গিক পরিবেশ তৈরির করে চারখোল। গ্রামের অদুরে থাকা ঝান্ডিদারা ভিউ পয়েন্ট থেকে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের নিসর্গ দৃশ্য আরও মন ভরিয়ে দেবে আপনার। চারখোলের এই ভিউ পয়েন্টটি অনবদ্য। সবচেয়ে আকর্ষণীয় বিষয় হল, আকাশ যদি খুব পরিষ্কার থাকে তাহলে মাউন্ট এভারেস্টের কিছু অংশেরও দেখা মেলে এখান থেকে। পুরো গ্রামটাই আপনাকে ঘুরতে হবে মূলত পায়ে হেঁটে। কাছে পিঠে দর্শনীয় স্থান বলতে আপনি চারখোল থেকে ঘুরে নিতে পারবেন লাভা, লোঁলেগাও, রিশপ, কোলাখাম, রিকিশাম, পেডংয়ের মতো জনপ্রিয় পাহাড়ি জনপদগুলো। তবে চারখোলে বসে রাতের কালিম্পং শহর বেশি রোমাঞ্চকর।
★রিসর্টের খরচ-খরচা -----
••(Standard room) @১,৮০০/- টাকা মাথাপিছু প্রতিদিন সমস্ত মিলসহ ।
••(Deluxe Fire place room) @২১০০/- টাকা মাথাপিছু প্রতিদিন সমস্ত মিলসহ ।
★নিউ জলপাইগুড়ি থেকে রিসর্ট পর্যন্ত একটি রিজার্ভ গাড়ির ভাড়া (আনুমানিক) @৩৫০০/- টাকা মতো খরচ পরতে পারে।