Import Export Trade - আমদানি রপ্তানি বাণিজ্য

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • Import Export Trade - আমদানি রপ্তানি বাণিজ্য

Import Export Trade - আমদানি রপ্তানি বাণিজ্য All info About Import Export Trade

কিভাবে স্বর্ণ আমদানির লাইসেন্স করতে হয় ?? How to import gold?যে বিপুল পরিমাণ   স্বর্ণ  বেচাকেনা হয় দেশে তার একটি বড় অংশ...
28/11/2019

কিভাবে স্বর্ণ আমদানির লাইসেন্স করতে হয় ?? How to import gold?

যে বিপুল পরিমাণ স্বর্ণ বেচাকেনা হয় দেশে তার একটি বড় অংশ আসে চোরাই পথে। স্বর্ণ আমদানি লাইসেন্স দেওয়ার বিষয়টি স্বর্ণ নীতিমালা ২০১৮ টি ২০১৮ এর অক্টোবরে মন্ত্রীসভায় নীতিমালাটি অনুমোদিত হয়। এবং স্বর্ণ আমদানি লাইসেন্স পাওয়ার আবেদনপত্র বিতরণ শুরু হয়েছে ২০১৯ এর ১৮ মার্চ থেকে।

* অবেদন পত্রটি যে কোন প্রতিষ্ঠান যে কোন ব্যক্তি নিতে পারবে। আপনি যদি আপনার প্রতিষ্ঠানের জন্য স্বর্ণ আমদানি লাইসেন্স পেতে চান এক্ষেত্রে আপনার লাগবে,

১- প্রতিষ্ঠানের ট্রেড লাইসেন্স।

২- টিআইএন এর সনদ পত্র ।

৩- ব্যবসা শনাক্ত করন নম্বরের সনদ পত্র।

৪- স্বর্ণ ক্রয়, সংরক্ষন ও বিতরণ আদেশ ১৯৮৭ অওতায় লাইসেন্স কপি।

৫- সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী সংগঠনের সদস্য কপি।

৬- দোকান যদি ভাড়া হয় তাহলে চুক্তিনামার কপি।

৭- মুল্ধন লাগবে ১ কোটি টাকা।

৮- ব্যাংকে ৫ লক্ষ টাকার অফেরত যোগ্য পে অর্ডার থাকতে হবে।

* অনুমোদিত ডিলার ব্যাংকের ক্ষেত্রে এ ছাড়া আরো লাগবে,

১ - অনুমদিত ডিলারের লাইসেন্স কপি।

২- ব্যাংক লাইসেন্স কপি।

৩- ব্যাংকের জনবল, নিরাপত্তা, তথ্য বিষয়ে বিবরণ দিতে হবে।

উপরুক্ত বিষয়ের ডকুমেন্ট নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা নীতি বিভাগে আবেদন পত্রের সাথে জমা দিলে তারা আপনাকে স্বর্ন আমদানির লাইসেন্স দিয়ে দিবে।

এক সুত্রে যানা যায় স্বর্ণ আমদানির লাইসেন্স এর মেয়াদ ২ বছর। স্বর্ন আমদানির লাইসেন্স শেষ হওয়ার ৩ মাস আগে ২ লাখ টাকা নবায়ন ফ্রি দিয়ে লাইসেন্স নবায়ন করতে হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম বলেন, স্বর্ণ আমদানির লাইসেন্স নেওয়া শুরু হলে ব্যাক্তি পর্যায়ে মানুষ হয়রানি মুক্ত হবে এবং সরকার লাভবান হবে কারণ সরকার স্বর্ণ আমদানি থেকে শুল্ক পাবে।

সরকারের এই উদোগকে তাদের সংগঠন (বাংলাদেশ জুয়েলারি ম্যনুফ্যকচারার্স এন্ড এক্সপোর্ট এসোসিয়েশন) স্বাগত জানান। এবং তারা বলেন, সরকারকে সহনশীল মাত্রায় শুল্ক নির্ধারণ করতে হবে। তা না হলে ব্যবসায়ীরা ক্ষতির মুখে পড়বে।

বাংলাদেশ সরকার বিদেশ থেকে মছের খাদ্য , হাঁস ও মুরগীর খাদ্য, পশু খাদ্য আমদানির ক্ষেত্রে কিছু নিয়মাবলি প্রদান করেছে। এসব ন...
28/11/2019

বাংলাদেশ সরকার বিদেশ থেকে মছের খাদ্য , হাঁস ও মুরগীর খাদ্য, পশু খাদ্য আমদানির ক্ষেত্রে কিছু নিয়মাবলি প্রদান করেছে। এসব নিয়ম আপানকে
১০০% মেনে চলতে হবে। অন্যথায় আপনার আমদানি কৃত দ্রব্য কাস্টমস বাজেয়াপ্ত করতে পারে। সেজন্য মছের খাদ্য , হাঁস ও মুরগীর খাদ্য, পশু খাদ্য আমদানির ক্ষেত্রে
এসব নিয়ম মেনে চলবেন।

(১) মছের খাদ্য , হাঁস ও মুরগীর খাদ্য, পশু খাদ্য আমদানির ক্ষেত্রে রপ্তানিকারক দেশের উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ প্রদত্ত তেজষ্ক্রিয়তা পরীক্ষণ সম্পর্কিত প্রতিবেদন
এবং উক্ত মছের খাদ্য , হাঁস ও মুরগীর খাদ্য, পশু খাদ্য, পশুর খাওয়ার উপযোগী মর্মে প্রত্যয়নপত্র, রপ্তানিকারকের শিপিং ডকুমেন্টস এর সাথে বাধ্যতামূলকভাবে থাকতে
হবে এবং উক্ত প্রতিবেদনে তেজষ্ক্রিয়তা পরীক্ষায় আমদানিকৃত পণ্য জাহাজীকরণ সময়ে প্রতি কিলোগ্রামে (সিজিয়াম-১৩৭) এর মাত্রা কি পরিমাণ পাওয়া
গেছে তা সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে।

(২)
(ক) আমদানিকৃত পণ্য যদি মৎস খাদ্য হয় তবে এসব খাদ্য ক্লোরামফেনিকল ও নাইট্রেফিউরান সহ সকল প্রকার ক্ষতিকারক ঔষধ, হরমোন ও স্টেরয়েড মুক্ত
থাকতে হবে;
( খ) মছের খাদ্য , হাঁস ও মুরগীর খাদ্য, পশু খাদ্য আমদানির ক্ষেত্রে প্যাকেট এর গায়ে সকল উপাদানসমূহ উল্লেখ থাকতে হবে এবং উক্ত খাদ্য ক্লোরামফেনিকল,
নাইট্রোফুরান ও এন্টিবায়োটিক এবং মেলামাইন মুক্ত বলে উল্লেখ থাকতে হবে ও Genetically Modified Organism নাই মর্মে রপ্তানিকারক দেশের
উপযুক্ত কতৃর্পক্ষের সনদপত্র কাস্টমস বরাবর দাখিল করতে হবে। এ ই সকল খাদ্য বন্দরে পৌছার সাথে সাথে আমদানিকারক পণ্যের নাইট্রোফুরান ও এন্টি বায়োটিক পরীক্ষা করাতে হবে।

(৩) উপ - অনুচ্ছেদ
(১) উল্লেখিত নিয়ম অনুযায়ী মছের খাদ্য , হাঁস ও মুরগীর খাদ্য, পশু খাদ্যের তেজষ্ক্রিয়তা গ্রহণযোগ সীমার মধে থাকলেই শুধু তা কাস্টমস থেকে ছাড়
করা যাবে, অন্যথায় রপ্তানি কারক নিজ ব্যয়ে সকল পণ্য চালান ফেরত নিতে বাধ্য থাকবে।

(৪) যদি কেউ Meat Bone Meal আমদানি করতে চায় তবে প্রাণি সম্পদ অধিদপ্তরের পূর্বানুমতিক্রমে আমদানি করা যাবে এবং
Meat Bone Meal আমদানির ক্ষেত্রে উৎস ও প্রাণীর নাম উল্লেখ করতে
হবেঃ তবে শর্ত থাকে যে, শুকরের Meat Bone Meal আমদানি করা যাবে না । Meat Bone Meal আমদানির জন্য আমদানিকারককে রপ্তানিকারী
দেশের উপযুক্ত কতৃপক্ষ হইতে নিম্নলিখিত প্রত্যয়ন পত্র পণ্য খালাসের সময় কাস্টমস কতৃপক্ষের নিকট দাখিল করতে হবে ,
যথা: -
( ক) আমদানিকৃত পন্যটি ক্ষতিকারক এন্টিবায়োটিকসহ ক্লোরামফেনিকল ও নাইেট্রা ফিউরানমুক্ত;
( খ) আমদানিকৃত পণ্যটি শুকরের বাই প্রোডাক্ট মুক্ত;
( গ) আমদানিকৃত পণ্যটি ম্যালামাইনমুক্ত।
(৫) অন্যন্য প্রাণীর উৎস হইতে উৎপাদিত Meat I Bone Meal আমদানির ক্ষেত্রে রপ্তানিকারক দেশ
Bovine Spongiform Encephalopathy (BSE) , Transmissible Spongiform 26 Encephalopathy (TSE) ,
এ্যানথ্রাক্স ও টিবিমুক্ত এই মর্মে রপ্তানিকারক দেশের যথোপযুক্ত কর্তৃপে ক্ষর
সার্টিফিকেট প্রদান করতে হবে ।
(৬) পোল্ট্রি ও পোল্ট্রিজাত শিল্পে ব্যবহারের জন্য রেজিস্টার্ড ভ্যাকসিন ও ডায়গনস্টিক রিএজেন্ট মৎস ও প্রাণি সম্পদ অধিদপ্তরের
অনুমতিক্রমে আমদানিযোগ্য হবে।
(৭) হাঁস মুরগী ও পাখি আমদানির ক্ষেত্রে Avian Influeuanja মুক্ত মর্মে রপ্তানিকারক দেশের যথোপযুক্ত কর্তৃপক্ষের
সার্টিফিকেট শুল্ক কর্তৃপক্ষের নিকট দাখিল করতে হবে।
(৮) মৎস বা হাঁস - মুরগী বা পশুখাদ্য আমদানির জন্য ঋণপত্র খোলার সময় এই অনুচ্ছেদে উল্লিখিত শর্তবলি
এল সি তে উল্লেখ করতে হবে।
(৯) মৎস বা হাঁস - মুরগী বা পশুর খাদ্য আমদানির ক্ষেত্রে বাংলাদেশের বন্দরে পৌঁছার পর তেজষ্ক্রিয়তা মাত্রা পুনরায় পরীক্ষা করার
প্রয়োজন হইবে না।

জীবিত পশু পাখি, মাংস আমদানির ক্ষেত্রে কিছু নিয়মাবলী:বাংলাদেশ সরকার বিদেশ থেকে জীবিত পশু পাখি, মাংস আমদানির ক্ষেত্রে কিছু...
27/11/2019

জীবিত পশু পাখি, মাংস আমদানির ক্ষেত্রে কিছু নিয়মাবলী:

বাংলাদেশ সরকার বিদেশ থেকে জীবিত পশু পাখি, মাংস আমদানির ক্ষেত্রে কিছু নিয়মাবলি প্রদান করেছে। এসব নিয়ম আপানকে
১০০% মেনে চলতে হবে। অন্যথায় আপনার আমদানি কৃত দ্রব্য কাস্টমস বাজেয়াপ্ত করতে পারে। সেজন্য জীবিত পশু পাখি, মাংস আমদানির ক্ষেত্রে
এসব নিয়ম মেনে চলবেন।

(১) টিন জাতীয় মোড়কে আমদানিকৃত মাছের ক্ষেত্রে (Canned Fish) মোড়কের গায়ে পণ প্রস্তুত ও মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার তারিখ এবং
প্রকৃত ওজন (নেট ওয়েট) বাংলা বা ইংরেজিতে সুস্পষ্টভাবে এমবুস অথবা অমোচনীয় কালি দ্বারা কম্পিউটারাইজড প্রিন্টিং করা থাকতে হবে এবং পৃথকভাবে
লেবেল ছাপাইয়া মোড়কের গায়ে লাগানো যাবে না।
(২ ) মাছ আমদানির ক্ষেত্রে সংশ্লি ষ্ট রপ্তানিকারক দেশের সরকার বা সরকার কর্তৃকীকত সংশ্লিষ্ট সংস্থা কর্তৃক মাছে ফরমালিন নাই মর্মে সনদপত্র শুল্ক কর্তৃপক্ষের নিকট দাখিল করিতে হইবে।
(৩) আমদানিকৃত মাছে ফরমালিন ব্যবহার করা হয়েছে কিনা তা সরকারী প্রতিষ্ঠান কর্তৃক বাংলাদেশের বন্দরে প্রবেশের পর পরীক্ষা
করাইতে হবে এবং ফরমালিন নাই মর্মে প্রত্যয়ন সাপেক্ষে খালাসযোগ হবে।
( ৪ ) গরু, ছাগল ও মুরগীর মাংস ও মানুষের খাওয়ার উপযোগী অন্যান্য পশুর মাংস
আমদানির ক্ষেত্রে মোড়কের গায়ে রপ্তানিকারক দেশের মাংস উৎপাদনের তারিখ ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ এমবুস বা প্রিন্টেড থাকতে হবে এবং তাতে
সংরক্ষণের পদ্ধতি উল্লেখ করতে হবে এবং পৃথকভাবে লেবেল ছাপাইয়া মোড়কের গায়ে লাগানো যাবে না।
(৫) আমদানিকৃত পণ্য Bovine Spongiform Encephalopathy (BSE) এবং Avian influenja মুক্ত মর্মে রপ্তানিকারক দেশের যথোপযুক্ত
কর্তৃপক্ষের সনদপত্র থাকতে হবে।
(৬) ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহ হইতে মাংস আমদানির ক্ষেত্রে “ ম্যাড কাউ ডিজিজ মুক্ত ” মর্মে রপ্তানিকারক দেশের যথোপযুক্ত কর্তৃপক্ষ হইতে প্রত্যয়নপত্র
শুল্ক কর্তৃপক্ষের নিকট দাখিল করতে হবে।
(৭) আমেরিকা ও ইউরোপসহ অন্যান্য দেশ হইতে বোনমিল, মিটমিল ও মিট এন্ড বোনমিলের দ্বারা প্রত্যয়নকৃত প্রোটিন কনসেনট্রেট আমদানির ক্ষেত্রে
রপ্তানিকারক দেশের ভেটেরিনারী কর্তৃপক্ষের নিকট হতে উৎপাদিত পণ্য কোনভাবেই Transmissible Spongiform Encephalopathy
দ্বারা সংকৃমিত নয় এই মর্মে প্রত্যয়ন পত্র এবং আমদানি কারককে রপ্তানিকারী দেশের উপযুক্ত কতৃপক্ষ হইতে নিম্নলিখিত প্রত্যয়নপত্র শিপিং ডকুমেন্টস
এর সাথে অবশ্যই দাখিল করতে হইবে, যথা: -

( ক) আমদানিকৃত পন্যটি ক্ষতিকারক এন্টিবায়োটিক ক্লোরামফেনিকল ও নাইট্রেফিউরান মুক্ত ;
( খ) আমদানিকৃত পণ্যটি শুকরের বাই প্রোডাক্ট মুক্ত ;
( গ) আমদানিকৃত পণ্যটি ম্যালামাইন মুক্ত
( ঘ) আমদানিকৃত পণ্যটি এ্যানথ্রাক্স ও টিবিমুক্ত।

ইন্ডিয়া থেকে বাইক আমদানি করবেন কিভাবে?? ।। How to import Motor Bike from India??ইন্ডিয়াতে মোটরসাইকেলের দাম খুবই কম । কা...
26/11/2019

ইন্ডিয়া থেকে বাইক আমদানি করবেন কিভাবে?? ।। How to import Motor Bike from India??

ইন্ডিয়াতে মোটরসাইকেলের দাম খুবই কম । কারণ ইন্ডিয়াতে মোটরসাইকেল উৎপাদন করা হয়। তাই যে কেউ চাইলেই একটা করে আমদানি লাইসেন্স (IRC) করে ইন্ডিয়া থেকে বাইক আমদানি করতে পারেন।

কিভাবে নতুন আমদানি রপ্তানি লাইসেন্স করতে হয়, নতুন আমদানি রপ্তানি লাইসেন্স ফি কত টাকা ? এসব নিয়ে আমদের ব্লগে বিস্তারিত আছে । সুতরাং আপনিও চাইলে আমদানি রপ্তানি লাইসেন্স IRC করার পরে নিজে ভারতে গিয়ে মটরসাইকেল আমদানি করতে পারবেন।

উল্লেখ্য কলকাতা থেকে বেনাপোল / পেট্রাপোল কাস্টমস এর দুরত্ব মাত্র ৮৭ কিঃমিঃ। আর বেনাপোল থেকে ঢাকার দূরত্ব ২৭০ কিঃমিঃ এর মত। এক্ষেত্রে ট্রান্সপোর্ট খরচ ও অনেক কম।
ভারত ও বাংলাদেশ সরকার ল্যান্ড কাস্টমস এর মাধ্যমে মটরসাইকেল আমদানিরপ্তানি বানিজ্যকে অনুমোদন দিয়েছে।

সে ক্ষেত্রে ভারত থেকে যশোর এর বেনাপোল কাস্টমস এর মাধ্যমে সড়ক পথে ইন্ডিয়া থেকে বাইক আমদানি করা যাবে। ইন্ডিয়া থেকে বাইক আমদানি কার্যাধি অনেকের কাছেই অনেক কঠিন বলে মনে হয়। জানা থাকলে কিন্ত এটা সাধারন একটা ব্যাপার।

পুরাতন মোটরসাইকেল আমদানিতে সিসি সীমা বৃদ্ধি করে নতুন আদেশ জারি করা হয়েছে। নতুন নিয়মে তিন বছরের অধিক পুরনো এবং ১৬৫ সিসির ঊর্ধ্বে সকল প্রকার মোটরসাইকেল
আমদানি নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

এর আগের আদেশে ১৫৫ সিসির ঊর্ধ্বে সব মোটরসাইকেল আমদানি নিষিদ্ধ ছিল।

তবে সর্বোচ্ছ তিন বছরের পুরাতন মোটর সাইকেল আমদানি করতে পারবেন। এই তিন বছর প্রমানের জন্য PSIC (Pre-shipment Inspection Certificate) লাগবে। এটা এজন্য যে আপনার গাড়িটি কত বছরের পুরাতন সেটা জানতে।

এতক্ষণে আপনাদের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে মোটর বাইক মনে হয় বেনাপোলে নিয়ে আসলেই হবে। এর পর কিছু ট্যাক্স দিলেই কাজ শেষ।

এভাবে না। একটা মোটর সাইকেল আমদানি করতে আপনাকে নিচের ধাপ গুলি অনুসরণ করতে হবে।

১। প্রথমে সেলারের সাথে দর দাম ঠিক করে একটা পি আই নিয়ে আসতে হবে। পি আই কি? কিভাবে পি আই আনতে হয়, এই লিঙ্কে বিস্তারিত দেয়া আছে।

২। এই পি আই দিয়ে আপনাকে ব্যাংক থেকে LC করতে হবে। সহজ ভাষায় LC কি ?? LC করার সহজ নিয়ম এখান থেকে বিস্তারিত দেখে নিতে পারেন।

৩। ব্যাংকে এল সি ওপেন করার পর সেলার আপনাকে পণ্য পাঠাবে। সেটা বেনাপোল বা যে কোন বন্দর দিয়ে পাঠাতে পারে।

৪। এবার আমদানি করার সকল কাগজ পত্র ব্যাংকে থেকে নিয়ে কোন সি এন্ড এফ কে দিতে হবে। ওরাই আপনার হয়ে সকল কাজ সম্পন্ন করে মোটরসাইকেল আপনাকে বুঝিয়ে দিবে।

৫। বাংলাদেশে আসার পর তা BRTC থেকে পরিক্ষা করিয়ে নিতে হবে।

৬। ১৫১% ডিউটি বা ট্যাক্স দিতে হবে।

৭। ১% রেফারেন্স ভেলু ট্যাক্স দিতে হবে

কত ট্যাক্স আসতে পারে??
উল্লেখ্য যে বিগত বছর গুলোর তুলনায় চলতি অর্থ বছরে ২০১৬-১৭ ফোর স্ট্রোক এর ৫০ সিসি থেকে অনধিক ২৫০ সিসি ক্ষমতাযুক্ত মোটরসাইকেল এর আমদানিশুল্ক অনেকটা কমিয়ে আনা হয়েছে।
ফোর স্ট্রোক এর ৫০ সিসি থেকে অনধিক ২৫০ সিসি ক্ষমতাযুক্ত মোটরসাইকেল এর সর্বমোট আমদানিশুল্ক ধার্য করা হয়েছে শতকরা ১৫১%।

যদি ও পুলিশ ছাড়া ১৫৫ সিসি এর অধিক ক্ষমতাযুক্ত মটরসাইকেল ব্যবহার করার অনুমতি নেই। তবে ক্ষেত্র বিশেষে ১৫০ সিসি এর অধিক ক্ষমতাযুক্ত মটরসাইকেল এর অনুমতি দেয়া হয়ে থাকে নিলাম আর বিশেষ অনুমতি ক্রমে।

অর্থাৎ ১৫২% মোট ট্যাক্স আসবে। মূল দামের উপর।

তাহলে একটা মোটর সাইকেল আমদানি করতে খরচ কত লাগবে ?? ধরুন আপনি ভারত একটি R15 v3 আনবেন। এর দাম ইন্ডিয়ান এক লাখ ২৫ হাজার রুপির মত , বাংলা টাকায় এক লাখ ৭৫ হাজার টাকার মত হবে । এবার মূল আলোচনায় আসি

বাইকের দাম=১,৭৫০০০ টাকা
১৫২% ট্যাক্স = ২৭০০০০ টাকা
এল সি খরছ=২০০০০ টাকা
ট্রান্সপোর্ট = ৫০০০ টাকা
সি এন্ড এফ খরচ=২০০০০ টাকা
BRTA এবং অন্যান্য খরচ মিলিয়ে ২০০০০ টাকা।
--------------------------
৫১০০০০ টাকা

বাঙ্গালদেশে দাম হলো ৫২৫০০০ টাকা । আপনি যদি বেশি পরিমাণে আমদানি করেন তবে এই খরচ আরও কমে আসবে।

যাহোক এবার আসি আপনাদের মনের ঘুরপাক দূর করতে। তাহলে কিভাবে বিভিন্ন কোম্পানি লাভ করে।

তবে কোন উৎপাদন কারী কোম্পানি ১৫২% ট্যাক্স দেয় না। তারা CKD (Completely Knocked Down) পণ্য নিয়ে আসে। অর্থাৎ তারা সকল পার্টস গুলি খুলে নিয়ে আসে। এজন্য সরকার তাদের ইন্ডাস্ট্রিয়াল সুবিধা দেয়। আর আপনার টা CBU (Completely Built Up) । কাজেই আপনি এই সুবিধা পাবেন না।

এজন্য তারা আপনার চেয়ে কমে আমদানি করতে পারেন এবং লাভ অনেক বেশি করতে পারেন। মনে রাখবেন আপনি আমদানি করলে সব দায় দায়িত্ব কিন্তু আপনারই থেকে যাবে। নষ্ট হলে আপনি সেটা ইন্ডিয়াতে পাঠাতে পারবেন না। কারণ সেটা আবার পাঠাতে হলে এক্সপোর্ট এর আওতায় পড়বে।

এছাড়াও আপনি আমদানি লাইসেন্স না করেও ইন্ডিয়া থেকে বাইক আমদানি করতে পারবেন। সেটা আপনি সাম্পাল হিসাবে এক পিস নিয়ে আনতে পারবেন। আপনি ইন্ডিয়া থেকে বাইক ক্রয় করে বেনাপোল সিমান্তে নিয়ে আসবেন। সেখানে কাস্টমস ইনস্ট্যান্ট আপনার ইন্ডিয়া থেকে নিয়ে আসা বাইকের উপর একটা ট্যাক্স ধরবে। তবে এই ট্যাক্সটা নির্ভর করবে কাস্টমস অফিসার এর উপর। সেজন্য এই ট্যাক্সের কোন পরিমাণ বলা যায়না।

তবে এভাবে আমদানি করলেও ট্যাক্স কিন্তু কম আসবেনা।

আমদানি লাইসেঞ্চ করতে কি কি লাগে? সর্ব মোট কত টাকা লাগবে?আমদানি রপ্তানি ব্যবসা করার জন্য লাইসেন্স করা খুবই জরুরী। যেহেতু ...
25/11/2019

আমদানি লাইসেঞ্চ করতে কি কি লাগে? সর্ব মোট কত টাকা লাগবে?

আমদানি রপ্তানি ব্যবসা করার জন্য লাইসেন্স করা খুবই জরুরী। যেহেতু আপনাকে সমস্ত ব্যবসা করার জন্য সরকার থেকে একটা নিয়ম নিতি পালন করতে হয় তাই এই ব্যবসার জন্য আমদানি রপ্তানি লাইসেন্স করাটা একান্তই জরুরী। তবে আমদানি করার চেয়ে রপ্তানি করার চেষ্টা করুন। দেশের ও নিজের কল্যাণ করুন।

এবার আলোচনা করবো আমদানি রপ্তানি লাইসেন্স ফি কত টাকা হবে। তবে আমদানি এবং রপ্তানি লাইসেন্স করার জন্য সরকার ভিন্ন ভিন্ন ফি নির্ধারণ করেছে । আপনার আমদানি টাকার সীমা অনুযায়ী এই ফি নির্ধারণ করা করা হয়েছে। একটি আমদানি লাইসেঞ্চ করতে আপনাকে কয়েকটি লাইসেঞ্চ করতে হবে। এগুলি সাথে না থাকলে আপনি আমদানি লাইসেঞ্চ করতে পারবেন না ।

* আমদানি ও সরবরাহ কারী ট্রেড লাইসেঞ্চ - সরকারী ফি- ৪২০০ টাকা ১৫% ভ্যাট ৬৩০ টাকা সহ মোট-৪৮৩০ টাকা।

* ই টিন - সরকারী ফি নাই ।

* ই ভ্যাট- সরকারী ফি নাই ।

* আমাদানি লাইসেঞ্ছ - সরকারী ফি ৬০০০ টাকা ১৫% ভ্যাট ৯০০ টাকা সহ মোট ৬৯০০।

* যেকোনো চেম্বার অব কমার্সের মেম্বারশিপ সার্টিফিকেট - ২০০০ টাকা।

একটি কমপ্লিট আমাদানি লাইসেঞ্ছ করতে আপনাকে সর্বমোট পরিশোধ করতে হবে ১৩৭৩০ টাকা ।

আপনাকে যেসব কাগজ পত্র সংগ্রহ করতে হবেঃ

# যদি বাড়ির ঠিকানায় লাইসেঞ্চ করান তবে বাড়ির দলিলের কপি অথবা ট্যাক্স হোল্ডিং রিসিট।
# আর যদি দোকানের নামে করান তবে দোকানের ডিডের কাগজ।
# ছবি ৫ কপি।
# ন্যাশনাল আই ডি কার্ডের ফটো কপি।

চায়না হতে আমদানি করবেন কিভাবে?আমদানি ব্যবসা এখন বেশ একটি লাভজনক ব্যবসা। বাংলাদেশে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করা হ...
24/11/2019

চায়না হতে আমদানি করবেন কিভাবে?

আমদানি ব্যবসা এখন বেশ একটি লাভজনক ব্যবসা। বাংলাদেশে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করা হয়ে থাকে। তার মধ্যে অন্যতম দেশ হল চায়না। বাংলাদেশ থেকে সরকারী হিসাব মতে সবচেয়ে বেশী আমদানি হয় চায়না থেকে। আজকের পোষ্টে আমি কিভাবে চায়না হতে আমদানি করবেন সে বিষয়ে বিস্তারিত লেখার চেষ্টা করবো।
চায়না হতে আমদানি করার জন্য আপনাকে কয়েকটি ধাপ অনুসরণ করতে হবে। যদি সিদ্ধান্ত নিয়েই থাকেন কি চায়না প্রোডাক্ট আপনি চায়না হতে আমদানি করতে চান তবে আপনি প্রথমেই ঠিক করতে হবে কি ভাবে চায়না প্রোডাক্ট সোরচিং করবেন। যদি অফলাইনে সোরচিং করতে চান তবে আপনি ভিসা করে চায়না চলে যেতে পারেন। সাধারণত বাংলাদেশিরা সেনজিনে গিয়ে থাকে। সেখানে প্রচুর চায়না প্রোডাক্ট পাবেন। ভিসা করে চায়না যেতে আপনাকে ১ লাখ টাকার মত খরচ করতে হবে।
তবে যেহেতু চায়নাতে গিয়ে চায়না হতে আমদানি করতে প্রাথমিক ভাবে অনেক খরচ হয়ে যাবে তাই আপনি চাইলে অনলাইন থেকে দাম ঠিক করতে এবং অনলাইনের মাধ্যমে চায়না হতে আমদানি করতে পারবেন। তাহলে চলুন শুরু করি কিভাবে অনলাইনে চায়না হতে আমদানি করবেন।
আপনারা নিশ্চয়ই আলিবাবা ডট কম নামে একটি সাইটের কথা জেনে থাকবেন । আলিবাবা ডট কম থেকে খুব সহজেই পণ্য আমদানি করতে পারবেন । আমি কয়েক ধাপে আলিবাবা ডট কম দিয়ে চায়না হতে আমদানি করার বিষয়টা আলোচনা করবো।

প্রথম ধাপ (এ্যাকাউন্ট খোলা)

আলিবাবাতে এ্যাকাউন্ট খোলা। আলিবাবাতে এ্যাকাউন্ট খোলা খুবই সহজ প্রক্রিয়া। আলিবাবার এ্যাকাউন্ট দুই ধরনের হয় ৷ একটি হলো সেলার এ্যাকাউন্ট ৷ আরেকটি হলো বায়ার এ্যাকাউন্ট ৷
সেলার হলো তাদের এ্যাকাউন্ট, যারা আলিবাবাতে পণ্য বিক্রয় করবেন ৷ আর বায়ার এ্যাকাউন্ট হলো আমরা যারা আলিবাবা থেকে পণ্য ক্রয় করবেন ৷ তবে আলিবাবাতে একটি এ্যাকাউন্ট দিয়ে বায়ার
সেলার দুটোই হতে পারবেন ৷ আলিবাবাতে এ্যাকাউন্ট করতে প্রথমে এখান থেকে ক্লিক করুন ৷ এবার আপনার ভ্যালিড ইমেইল দিয়ে alibaba.com এ একটি এ্যাকাউন্ট করুন খুব সহজেই ৷
আপনি আপনার ইমেইল দিয়ে দিন। এবার তারা আপনাকে একটি ভেরিফিকেসন কোড পাঠাবে। ইমেইল থেকে সেন্ড লিঙ্ক এ ক্লিক করে ভেরিফিকেসন কোড দিয়ে আকাউন্ট কনফার্ম করুন।
এখানে আপনি বায়ার হলে খুব বেশী তথ্য দিতে হবেনা। তবে আপনি যদি সেলার হোন তবে অনেক কিছু দিতে হবে। আপনার যথা সম্ভব তথ্য দিয়ে ফর্ম টি পূরণ করে এ্যাকাউন্ট খোলার কাজটি শেষ করুন।

কিন্তু আপনি আলিবাবাতে এ্যাকাউন্ট না খুলেও আপনি পন্য ক্রয় করতে পারবেন ৷
তবে যোগাযোগ প্রক্রিয়া নির্ভরযোগ্য করতে alibaba.com এ এ্যাকাউন্ট করতে হয় ৷ কারণ সেলার আপনাকে
পুনরায় খুজে পেতে পারবে। অন্যথায় আপনার অর্ডার হারিয়ে ফেলতে পারে। এ্যাকাউন্ট খোলা হলে এক ধরণের ম্যাসেজ করার সফটওয়্যার দেয়া হবে আপনাকে। যাতে করে আপনি সেলারের সাথে
সরাসরি যোগাযোগ করতে পারেন । আবার অনেক সময় আপনি তাদের ইনকুয়ারি দিতে গেলে আপানকে এ্যাকাউন্ট খোলতে বলবে। সেজন্য আগেই এ্যাকাউন্ট খুলে নিলে ভালো হবে। যেহেতু আপনি বায়ার, সেহেতু তেমন কোন তথ্য দেবার প্রয়জনীয়তা নেই ৷ মন চাইলে দিবেন না হয় দিবেননা ৷
তবে আপনি যদি সকল তথ্য দিয়ে আকাউন্ট খুলেন তাহলে আপনার ইমেইল সেলারের কাছে ভালো গ্রহন যোগ্যতা পাবে।

দ্বিতীয় ধাপ (পন্য খুজে বের করা)

এ্যাকাউন্ট খুলা শেষ হলে alibaba.com ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে আপনার কাঙ্ক্ষিত পণ্যটি alibaba.com থেকে খুজে বের করা।
প্রথমে আপনি alibaba.com ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে আপনার কাঙ্ক্ষিত পণ্যটির নাম সার্সবারে গিয়ে লিখুন ৷ আপনি যে পন্য চাইবেন সেটাই লেখতে পারেন ৷
তবে পণ্যের নামটি অবশ্যই ইংরেজিতে লেখতে হবে। যেমন কলম কিনতে চাইলে pen লেখে সার্স করলে দেখবেন কয়েক শ , কলম সেলারের ঠিকানা চলে আসবে ৷

তৃতীয় ধাপ (সেলার নির্বাচন করতে কোন কোন বিষয় গুলি মাথায় রাখতে হবে?)
সেলার নির্বাচন করতে অবশ্যই চেষ্টা করবেন গোল্ড সাপ্লায়ার সেলার নির্বাচন করতে ৷ কারণ গোল্ড সাপ্লায়ার সেলার হলো, alibaba.com এর এক বিশেষ ধরণের ভেরিফিকেসন ব্যবস্থা ।
প্রত্যেক সেলারকে গোল্ড সাপ্লায়ার সেলার হতে হলে মিনিমাম ১২০০ ডলার বাৎসরিক ফি দিতে হয়। alibaba.com এর এক বিশেষ টিম এসে সেলারের অফিস ভিজিট করে তাদের সেলিং
সিস্টেম ভিজিট করে ভেরিফিকেসন করে। সুতরাং গোল্ড সাপ্লায়ার সেলার থেকে পণ্য আমদানি করা অনেক বেশী নিরাপদ।

চেষ্টা করবেন 5 Years gold suppliers চিহ্ন আছে এরকম কাউকে বেছে নেবার জন্য । তবে আপনি চাইলে তার কমও 3 Years gold suppliers নিতে পারেন ৷
কিন্তু সাবধানে কাজ করবেন ৷

পণ্যের দাম কি FOB নাকি CFR এটা ভালো করে দেখে নিবেন । অনেকেই হয়তো জানেননা FOB বা CFR কি বিষয়। সহজ ভাষায় FOB হলো সেলার আপনাকে পণ্য কেবল তার দেশের
পোর্ট পর্যন্ত পৌঁছে দিবে। ট্রান্সপোর্ট ফি আপনাকে পরিশোধ করতে হবে। কিন্তু যদি দামের জাগায় CFR লেখা থাকে তবে বুজবেন সেলার আপনাকে পণ্য আপনার দেশের পোর্ট পর্যন্ত পৌঁছে দিবে।
ট্রান্সপোর্ট ফি তারা পরিশোধ করে দিবে।

এবারের কাজ হলো Country of origin লেখাটা ভালো করে দেখে নিবেন। অর্থাৎ পণ্যটি কোথায় উৎপাদিত এটা দেখে নেয়া জরুরী। না হয় এমন ও হতে পারে আপনি জাপানের পণ্য অর্ডার করে
চায়না পণ্য ও পেতে পারেন। ৷ আবার চায়না পন্য, তাইওয়ান বলেও চালিয়ে দিতে পারে ৷ অনেক সময় তারা এক দেশের সেলার আরেক দেশের পণ্য সেল করে ।
এটা করা যায় । কিন্তু আপনি চেষ্টা করবেন যে দেশের পণ্য সে দেশের সেলার থেকে ক্রয় করতে ।

সর্বশেষ দেখবেন সেলার কি পণ্য নিজে উৎপাদন করে নাকি সোর্সি করে । যদি তারা পন্য নিজেরা উৎপাদন না করে তবে তারা দাম বেশী চাইবে । কারন তারা Middle man হিসাবে কাজ করে ।
আর যদি তারা নিজেরা সরাসরি উৎপাদন করে তবে তারা অন্যদের চেয়ে কম দামে দিতে পারবে চতুর্থ ধাপ (সেলারের সাথে যোগাযোগ করা)

যাহোক পন্য সিলেক্ট করলেই দেখবেন, পাশে Contact Seller বা Get latest price নামে সেলার কে মেসেজ বা ইমেইল করার বাটন আছে৷ বাটনে ক্লিক করলেই সেলারকে
মেসেজ করার একটা অপশন চলে আসবে। মেসেজে আপনার কি পণ্য, কি পরিমাণ লাগবে সেটা বিস্তারিত বলুন। সাথে আপনার পারসোনাল ইমেইল আইডিটা দিয়ে দিবেন৷ যাতে তারা
পরবরতিতে আপনার সাথে যোগাযোগ করতে পারে । তবে যা কিছু লেখবেন অবশ্যই সেটা English এ হতে হবে ।
না হয় তারা বুঝবেনা । তবে এই মেসেজ লেখতে আপনাকে ইংরেজিতে এক্সপার্ট হওয়া লাগবেনা ৷ স্বাভাবিক ভাবে লেখলেই চলবে ৷

মেসেজে আপনি তাদের জিজ্ঞাসা করবেন কোন পন্য কত দামে তারা বিক্রয় করে । তবে তারা অনলাইনে যে দাম প্রদান করে তা অধিকাংশ সময়ই সঠিক থাকেনা। তাই অনলাইনে কম দাম দেখে এত
বেসি উৎসাহি হবেননা । এবার হলো অপেক্ষা করার পালা ৷ দেখবেন কিছু দিন পর তারা ইমেইলে আপনাকে রিপ্লাই দিবে ৷ অথবা আলিবাবাতে এ্যাকাউন্ট থাকলে ইনবক্স চেক করতে পারেন ৷
দাম দর ঠিক করুন ৷ আর পেমেন্ট করা, এলসি করা , শিপিং সিস্টেম ইত্যাদি ঠিক করুন ৷
পঞ্চম পর্ব (সাম্পাল আমদানি করা)
এই স্যাম্পল অধিকাংশ সময় ফ্রি দিয়ে থাকে। তবে দামি কোন পণ্য হলে ওরা আপনাকে ফ্রি দিবেনা। যদি ফ্রি না দেয় তবে আপানকে
পণ্যের মূল্য তারা যে ভাবে চায় সেভাবে পরিশোধ করতে হবে। এক্ষেত্রে আপনি তাদের ওয়েস্টার্ন ইউনিয়ন এর মদ্দমে পরিশোধ করতে পারেন অথবা ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমেও পরিশোধ করতে
পারেন। কিন্তু আপনার এই কার্ড অবশ্যই দুই কারেন্সির সাপোর্ট করতে হবে।
এবার আপনাকে শিপিং চার্জ পরিশোধ করতে হবে। এটা একটু জটিল। কারণ সাধারণত সেলাররা DHL,FEDEX,TNT ইত্যাদি
কুরিয়ার আপনার সাম্পাল পাঠাবে। যাদের এসব কুরিয়ার সার্ভিসে আকাউন্ট আছে তাদেরকে পণ্য ওরা পাঠিয়ে দিবে। আপনি
বাংলাদেশে পেমেন্ট করে পণ্য নিয়ে নিতে পারবেন। কিন্তু আপনার যদি DHL,FEDEX,TNT তে আকাউন্ট না থাকে তবে স্যাম্পল এর জন্য আপানকে আগেই সেলারকে কুরিয়ার চার্জ পরিশোধ করতে হবে।
এবার আপনাকে কুরিয়ার থেকে ফোন করে জানানো হবে আপনার পণ্য চলে আসেছে । দুই ভাবে আপনি পণ্যটি পেতে পারেন।
কুরিয়ার কোম্পানি আপনার কাছে পৌঁছে দিবে অথবা আপনাকে পণ্যের সকল কাগজ পত্র দিয়ে যাবে, আপনি ঢাকা এয়ারপোর্ট থেকে সি এন্ড এফ দিয়ে পণ্য ছাড়িয়ে নিতে পারবেন।
কত খরচ লাগবে পারে ?
সাধারণত DHL,FEDEX,TNT একটা নরমাল পণ্য কুরিয়ার নিয়ে আসতে ২০০০ টাকা নিয়ে থাকে। ১ গ্রাম থেকে ১০০০ গ্রাম।
কাস্টমস এর ট্যাক্স বিভিন্ন রকম হতে পারে। ৩০০০ টাকা নরমাল খরচ হবে। তাহলে সব মিলিয়ে ৪০০০ টাকা চলে আসলো।

সাম্পাল ঠিক হয়ে গেলে এবার এলসি করে পণ্য আনার ব্যবস্থা করতে হবে। কিভাবে এলসি করতে হবে তা নিয়ে পোষ্ট দেয়া আছে।

ভারত থেকে কি কি পন্য আনা যায় । ভারত থেকে আমদানি পণ্য তালিকা:ভারত থেকে পণ্য আমদানি করতে চান অনেকেই । আপনি যদি লাইচেঞ্ছ দ...
24/11/2019

ভারত থেকে কি কি পন্য আনা যায় । ভারত থেকে আমদানি পণ্য তালিকা:

ভারত থেকে পণ্য আমদানি করতে চান অনেকেই । আপনি যদি লাইচেঞ্ছ দিয়ে আমদানি করতে চান তবে সকল প্রকার পণ্য ভারত থেকে আমদানি করতে পারবেন। আজকের পোষ্টে লেখার চেষ্টা করবো ভারত থেকে আমদানি পণ্য তালিকা। তবে কিছু পণ্য আছে যেসব পণ্য ভারত থেকে আমদানি করা নিষেধ। আজকের ভারত থেকে আমদানি পণ্য তালিকায় আপনাদের সাথে ভারত থেকে নিষিদ্ধ আমদানি পণ্য তালিকা দেয়ার চেষ্টা করবো।

ভারত থেকে আমদানি পণ্য তালিকাঃ
শাম্পু, সিনে, থটিক ডিটারজেন্ট বেজড, টয়লেট সোপ, সিরামিক তৈজসপত্র, মিল্ক পাউডার এন্ড ক্রিম পাউডার, লজেন্সেস, থ্রিপিস
লুঙ্গি, জুতা, পাঞ্জাবী, জামস (ফ্রুট প্রিজার্ভস) , এন্ড জেলীস, সয়াবিন অয়েল, চিনি, ফ্রট জুসে, চীপস , মধু, সস্, সফ্ট ড্রিংস, ইন্সটান্ট নুড
এডিবল সানফ্লাওয়ার অয়েল, টুথপেষ্ট, লিপস্টিক, আফটার সেভ লোশন , কার্বনেটেড বেভারেজেস, জামাকাপড় , পেন্সিল, বল পেন ইত্যাদি।

এছাড়া মেয়েদের সকল আণ্ডার গার্মেন্টস, ছেলেদের সকল প্রকার আণ্ডার গার্মেন্টস, থ্রি পিস, কুর্তা, শেরওয়ানী সহ সকল জামা কাপড়।

ভারত থেকে নিষিদ্ধ আমদানি পণ্য তালিকা:

* চিংড়ি মাছ আমদানি নিষিদ্ধ,
* পপি সীড ও পোস্তা দানা আমদানি নিষিদ্ধ,
* ঘাস এবং ভাং আমদানি নিষিদ্ধ,
* আফিম আমদানি নিষিদ্ধ,
* ঘন চিনি আমদানি নিষিদ্ধ
* কৃত্তিম সরিষার তেল আমদানি নিষিদ্ধ ।

কি ভাবে রপ্তানি শুরু করবেন এ টু জেড।আমদানি ব্যবসার চেয়ে রপ্তানি ব্যবসা করা সবচেয়ে লাভজনক। অনেকেই আছেন যারা আমাকে জিজ্ঞাস...
23/11/2019

কি ভাবে রপ্তানি শুরু করবেন এ টু জেড।

আমদানি ব্যবসার চেয়ে রপ্তানি ব্যবসা করা সবচেয়ে লাভজনক। অনেকেই আছেন যারা আমাকে জিজ্ঞাসা করে থাকেন কিভাবে রপ্তানি করতে হবে।
কোথায় থেকে রপ্তানি ব্যবসা শুরু করবেন। আজকের পোষ্টে আপনাদের আমি বিস্তারিত বলার চেষ্টা করবো। তবে এর আগে রপ্তানি ব্যবসা আপনাদের কিছু
সাধারণ ধরনা নিয়ে নিতে হবে। যেমন কিভাবে রপ্তানি লাইচেঞ্চ করতে হবে। কিভাবে টিন, ভ্যাট , ট্রেড লাইচেঞ্চ করতে হবে। আসা করি এই বিষয়টা নতুন
করে বলতে হবেনা।

রপ্তানি করার প্রথম ধাপঃ
রপ্তানি করার প্রথম ধাপে আপনি একটি রপ্তানি লাইসেন্স করতে হবে। কিভাবে রপ্তানি লাইসেন্স করতে হবে তা নিয়ে আমাদের বিস্তারিত পোষ্ট আছে দেখে নিতে পারেন। এর পরও একটু লিখলাম ।

রপ্তানি লাইসেন্স ফি কত টাকা ??
সরকার রপ্তানি করার জন্য রপ্তানিকারকদের সর্বাত্মক সহযোগিতা করে থাকে। কারন রপ্তানি কারীরা দেশের জন্য প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জন করে থাকেন।
এজন্য সরকার রপ্তানী লাইসেন্স ফি করা বাবদ আপনার থেকে মাত্র ৮০০০/- টাকা নিবে। * ১৫% ভ্যাট চালান প্রযোজ্য।

কতদিন লাগবে আমদানি রপ্তানি লাইসেন্স করতে?
আমি আগের পোস্টে বলেছিলাম যদি দ্রুত করতে চান তবে কাউকে দিয়ে আমদানি রপ্তানি লাইসেন্স করিয়ে নিতে। কারন আপনি নিজে আমদানি
রপ্তানি লাইসেন্স করতে গেলে অনেক সময় লাগবে। তবে কাউকে দিয়ে করালে ৩ থেকে ৫ দিন সময় লাগতে পারে। বা বেশীও লাগতে পারে।
এক্ষেত্রে আপনি যাকে দিয়ে কাজটি করাবেন তার সাথে ভালো ভাবে কথা বলে নিবেন।

দ্বিতীয় ধাপ
আসা করি রপ্তানি লাইসেন্স করা শেষ। এবারের কাজ হল পি আই প্রদান করা। আপনার থেকে বায়ার যে পণ্য আমদানি করতে চায় তার একটা পি আই তৈরি করে নিন।
পি আই কি কিভাবে পি আই করতে হবে এসব নিয়ে বিস্তারিত আমাদের ওয়েবসাইটে দেয়া আছে দেখে নিতে পারেন।

পি আইতে সাধারনত প্রতিষ্ঠানের নাম, ঠিকানা থাকে, পন্যের বিবরণ ইত্যাদি থাকে। সেলারের ঠিকানা এবং তাদের ইনভয়েস নাম্বার পি আই তে খুবই জরুরি ৷
কেননা আপনি যখন এলসি করবেন তখন ইনবয়েস নাম্বারটি দিতে হবে। পি আই এর তারিখ অর্থাৎ, কোন তারিখে PI ( Proforma Invoice )
টি ইস্যু করা হয়েছিলো । তবে বিভিন্ন কোম্পানি বিভিন্ন ফরমেটে PI ( Proforma Invoice ) টি তৈরি করে থাকে । কিন্তু তথ্য মোটামুটি একই রকম ।

পি আই তে আপনি আপনার কোম্পানির সিল দিয়ে সাইন করে দিবেন। এই পি আই নিয়ে বায়ার যখন তার ব্যাংক এ যাবেন তখন তারা এল সি ওপেন করতে পারবে।

তৃতীয় ধাপ
এবারের কাজ হল আপনি যে ব্যাংকের সুইফট কোড দিয়ে পি আই বানিয়েছিলেন সেই ব্যাংক এ গিয়ে যোগাযোগ করা। তাদের বলতে হবে যে আপনার বায়ার
আপনার কোম্পানির নামে একটি এলসি ইস্যু করেছে।
ওরা আপনাকে একটি এল সি কপি দিবে। আর একটা EXP ফর্ম দিবে। এই EXP ফর্ম এ আপনি যে
পণ্য রপ্তানি করবেন তার বিস্তারিত থাকবে। ব্যাংক আপনাকে এলসির টাকা দিয়ে দিবে। ডলার কনভার্ট করতে কিছু খরচ নিবে।

চতুর্থ
এবারের কাজ হল পণ্য রপ্তানি করা। ঢাকা এয়ারপোর্ট অথবা চট্টগ্রাম বন্দর যেকোনো পোর্ট দিয়েই পণ্য রপ্তানি করেন না কেন আপনাকে সি এন্ড এফ নিজুক্ত করতে
হবে। C&F মানে Custom clearing and forwarding agent. এই প্রতিষ্ঠান গুলি রপ্তানি পন্যের কাষ্টমস প্রসিডিউর সম্পন্য করে সরকারী
ট্যাক্স প্রদানে রপ্তানীকারককে সহযোগীতা করে ৷ এরা সরকার কতৃক বিশেষ লাইসেন্স প্রাপ্ত ৷

কত টাকা ট্রান্সপোর্ট ফি?
সাধারণত রপ্তানি করতে খরচ একটু কম আমদানির চেয়ে। একটা ২০ ফিট ফুল কন্টেনার ভাড়া করতে আপনাকে ৮০০ থেকে ৯০০ ডলার লাগবে। আর বিমানে প্রতি কেজি
৪-৫ ডলার লাগবে।

সরকারকে কত ট্যাক্স দিতে হবে?
রপ্তানি করতে সরকারকে কোন ট্যাক্স দিতে হয়না। উপরন্তু কিছু পণ্য আছে জেগুলো রপ্তানি করতে পারলে সরকার আপনাকে ভর্তুকি দিবে। ১০০ কোটি টাকার পণ্য রপ্তানি
করতে আপনাকে ৪-৫ হাজার টাকা খরচ হতে পারে।

পঞ্চম ধাপ
এবারের কাজ হল আপনার সকল কাগজ পত্র যেমন ইনভয়েস, পি আই, প্যাকিং লিস্ট, বি এল ইত্যাদি ব্যাংক এ জমা দেয়া। ব্যাংক থেকে এসব কাগজ পত্র বিদেশে
আপনার বায়ারের কাছে পাঠিয়ে দিবে। তারা এসব কাগজ পত্র দিয়ে পণ্য বন্দর থেকে ছাড়িয়ে নিবে।

আপাদত সংক্ষিপ্ত ভাবে এটাই হল রপ্তানি প্রক্রিয়া। আপনার যদি আরও বেশী কিছু জানার থাকে তবে কমেন্ট করতে পারেন।

কিভাবে ইন্ডিয়া থেকে থ্রি পিস আমদানি করবেন? How to import Three piece from India?যদিও বাংলাদেশ ইন্ডিয়ার চেয়ে পোশাক উৎপাদন...
23/11/2019

কিভাবে ইন্ডিয়া থেকে থ্রি পিস আমদানি করবেন? How to import Three piece from India?

যদিও বাংলাদেশ ইন্ডিয়ার চেয়ে পোশাক উৎপাদনে অনেক এগিয়ে, কিন্তু সেসব পোশাক আন্তর্জাতিক বাজার দখল করে আছে। তবে লোকাল বাজারের পোশাক গুলি এখনও ইন্ডিয়া, পাকিস্তান অথবা
চায়না কাপড়ে সয়লাব হয়ে আছে।

এসব কাপড়ের মধ্যে ইন্ডিয়ান থ্রি পিস গুলি বাংলাদেশে এখন প্রচুর পরিমাণে বিক্রি হয়ে থাকে। বাংলাদেশের মেয়েদের পছন্দের প্রথম সারিতে আছে ইন্ডিয়ান আর পাকিস্তানি থ্রি পিস। তবে আমি ব্যক্তি গত ভাবে বলবো আমদের দেশিয় থ্রি পিস গুলিও কিন্তু ভালো। বিদেশি পণ্য পরিহার করার চেষ্টা করবেন। আজকের পোষ্ট টা আমি তৈরি করেছি ইন্ডিয়ান পণ্য আমদানি কারক ব্যবসায়ীদের জন্য। ছোট বড় সকল ব্যবসায়ীরাই এভাবে ইন্ডিয়া থেকে থ্রি পিস সহজে আমদানি করতে পারেবেন।

ইন্ডিয়ান থ্রি পিস আমদানি করতে আপনাকে কয়েকটি ধাপ পার করতে হবে।আমি বিস্তারিত লিখবো ।

আমদানি লাইসেন্স
বৈধ ভাবে বিশ্বের যে কোন রাষ্ট্র থেকে পণ্য আমদানি করতে আপনাকে আমদানি লাইসেন্স করতে হবে। আমদানি লাইসেন্স কিভাবে করতে হয় সেটি নিয়ে আমদের ওয়েবসাইটে অনেক বড় পোষ্ট আছে পড়ে নিবেন।

সংক্ষিপ্ত করে বলি, আমদানি লাইসেন্স করতে আপনাকে একটা ট্রেড লাইসেন্স , ভ্যাট, টিন করতে হবে প্রথমে। এগুলি নিয়ে আমদানি নিবন্ধকের কার্যালয়ে জমা দিতে হবে। তবে এসব ঝামেলা আপনি কোন এজেন্ট দিয়ে করিয়ে নিলেই ভালো হবে। তারা দ্রুত করতে পারবেন। একটি কমপ্লিট আমাদানি লাইসেন্স করতে আপনাকে কম বেশী ২৫০০০-৩০০০০ টাকা খরচ করতে হবে।

স্যাম্পল দেখা
আপনি যদি অনলাইনে ইন্ডিয়ান সেলারের সাথে কথা বলেন তবে ফাইনাল অর্ডার করার আগে স্যাম্পল এনে দেখে নিবেন। আর যদি আপনি সরা সরি ইন্ডিয়াতে গিয়ে পণ্য দেখে আসেন তবে স্যাম্পাল আমদানি করার দরকার নাই। সাধারণত বিদেশ থেকে স্যাম্পল আমদানি করতে গেলে আপনাকে ৪-৫ হাজার টাকা খরচ করতে হবে। ১০ হাজার টাকা খরচ করলে আপনি ইন্ডিয়া গিয়েই পণ্যের স্যাম্পল নিয়ে আসতে পারবেন।
তবে আপনি যদি নিজেই ইন্ডিয়া যান, তাহলে কম পক্ষে ৫-১০ পিস নিয়ে আসবেন । এতে করে আপনি স্যাম্পল বিক্রি করে কাস্টমারের ফিডব্যাক জানতে পারেন।

Exporter Code (IEC)
এবারের কাজ হলো ইন্ডিয়ান যে থ্রি পিস সেলার আছে তার Importer Exporter Code (IEC) আছে কিনা তা নিশ্চিত করতে হবে। কারণ Importer Exporter Code (IEC) ছাড়া ইন্ডিয়া থেকে পণ্য রপ্তানি করা যায়না। বিক্রেতা দোকানদারের এসব না থাকলে আপনি কোন এজেন্ট ধরে তাদের দিয়ে রপ্তানির কাজ করিয়ে নিতে পারবেন। অনেক কোম্পানি আছে যারা এসব করে দিবে। এজন্য তাদের কিছু ফি দেয়া লাগবে।আপনি বিভিন্ন দোকান থেকে পণ্য ক্রয় করে তাদের দিয়ে আসলে তারা বাংলাদেশে পৌঁছে দেয়ার ব্যবস্থা করে দিবে।

পি আই আনা:
এবারের কাজ হল সেলারের কাছ থেকে পি আই বা Proforma Invoice আনা। PI Proforma Invoice কি আমদানিতে PI এর গুরুত্ব কেন বেশি, এসব নিয়ে বিশাল পোষ্ট আছে। দেখে নিবেন। পি আই তে আপনার কোম্পানির একটি সিল মেরে সাইন দিয়ে আপনি যে ব্যাংক থেকে এলসি করতে চান সে ব্যাংকে চলে যাবেন। পি আইতে আপনার পণ্যের দাম, ওজন, পরিমাণ, আমদানিকারকের নাম, রপাতানি কারকের নাম,
রপ্তানি কারকের ব্যাংক আকাউন্ট নাম্বার ইত্যাদি উল্লেখ থাকবে।

ইন্ডিয়ান থ্রি পিস আনতে কত ট্যাক্স দিতে হবে??
এই বিষয়টা খুব জটিল । অনেকেই হিসেব করতে পারেননা কত ট্যাক্স আসতে পারে। আমি আগেও বলেছিলাম , যেসব পণ্য আমাদের দেশে উৎপাদন হয় সেসব পণ্য আমদানি করলে ট্যাক্স অনেক বেশী দিতে হয়। আমার কাছে নিচের HS Code টি ইন্ডিয়ান থ্রি পিস এর জন্য অধিক যুক্তি যুক্ত মনে হচ্ছে।
62041200
Women'S Or Girls' Suits Of Cotton
25.00
45.00
15.00
5.00
3.00
4.00
0.00
------------------
127.84

টোটাল ট্যাক্স আসে ১২৭.৮৪ টাকা । তার মানে আপনি ১০০০ টাকার ইন্ডিয়ান থ্রি পিস আমদানি করলে আপনাকে ট্যাক্স দিতে হবে ১২৭৮ টাকা ( কম বেশী)
তবে কাস্টমস প্রতি ইন্ডিয়ান থ্রি পিস কম বেশী ১০ ডলার ধরে আসেসমেন্ট করবে। অর্থাৎ আপনি যদি ৫ ডলার ঘোষণা দেন, তাহলেও ১০ ডলার ধরেই আসেসমেন্ট হবে।

এলসি করা
এবার পি আই নিয়ে কোন একটা ব্যাংকে চলে যাবেন। যত ডলার এল সি করতে চান তাদের বলবেন। তবে এলসিতে আপনি যে পণ্য আমদানি করবেন মূল ক্রয় দাম উল্লেখ করতে হয়।
খুব সাবধানে এলসি ফর্ম পুরন করতে হবে। এখানে আপনি যে পণ্য আনবেন তার নাম এবং HS কোড এবং ফুল ভালু উল্লেখ করতে হবে। কোন ভাবেই জেন HS কোড ভুল না হয়।
এবার ব্যাংক সকল কাগজ পত্র সেলারকে পাঠাবে। সেলার সব যাচাই বাছাই করে, ট্রাক চালান, এল সি ফর্ম, পি আই, কমার্শিয়াল ইনভএস, প্যাকিং লিস্ট পুনরায় বাঙ্কে পাঠাবে।
ব্যাংক সকল কাগজ পত্র সাইন করে আপনাকে দিয়ে দিবে।

পণ্য ছাড় করানো
এবার এসব আপনি বেনাপোল বা যে সীমান্ত দিয়ে আমাদনি করবেন সেখানে কোন সি এন্ড এফের মাধ্যমে কাস্টমে জমা দিবেন।
সি এন্ড এফে আপনাকে ৩-৪ দিনে পণ্য খালাস করে দিবে। সি এন্ড এফ কি তা নিয়ে বিশাল পোষ্ট আছে। দেখে নিবেন

✅ অল্প পুঁজিতে করা যায় এমন কিছু লাভজনক বিজনেস আইডিয়া।ব্যবসার প্রতি দিন দিন আগ্রহ বাড়ছে মানুষের। বিশেষ করে তরুণ-তরুণেরা এ...
23/11/2019

✅ অল্প পুঁজিতে করা যায় এমন কিছু লাভজনক বিজনেস আইডিয়া।

ব্যবসার প্রতি দিন দিন আগ্রহ বাড়ছে মানুষের। বিশেষ করে তরুণ-তরুণেরা এখন নিজেই কিছু করতে চায়। নিজে চাকরী না করে অন্যকে চাকরী দিতে চায়। এদের মধ্যে বেশীরভাগ সল্পপুঁজির অভাবে ব্যবসা শুরু করতে পারে না। চলুন জেনে নিই এমন কিছু ব্যবসা সম্পর্কে যেগুলোতে লাভের পরিমান বেশ ভাল। আবার পুঁজিও লাগে কম।

চায়ের দোকান: “অল্প পুঁজি দিয়ে ছোটখাটো যেসব ব্যবসা করা যেতে পারে চা’র দোকান এর মধ্যে অন্যতম। একটু ভিন্ন ভাবে আপনি আপনার চায়ের দোকান সাজাবেন সেই সাথে একটু স্মার্টলি কিছু ব্যবস্থা রাখতে হবে । বেশ কয়েক পদের চা পরিবেশনের ব্যবস্থা রাখুন + সেই সাথে চা এর কাপটা একটু ভিন্ন রকমের হলে খুব ভালো হয় + চা এর পাশাপাশি কফি রাখুন। পরিবারের যে কোনো বয়সের ব্যক্তি চা’র দোকান চালাতে পারে।

⛳ ব্যানার ও সাইনবোর্ডের দোকান: ব্যানার মূলত স্বল্প সময়ের অধিবেশন ও স্বল্পকালীন তথ্য প্রদানের জন্য ব্যবহৃত হয়। তাই ব্যানার সাধারণত কাপড়ের উপর বিভিন্ন রং দিয়ে লেখা হয়। সাইনবোর্ড সাধারণত দোকান, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান যেমন- স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, অফিস, আদালত, দোকান প্রভৃতির সামনে ব্যবহার করা হয়।

এছাড়া রাস্তার পাশে বিভিন্ন নির্দেশ ও নানান দীর্ঘমেয়াদি বিজ্ঞাপণ প্রচারের জন্য সাইনবোর্ড ব্যবহার করা হয়। সাইনবোর্ড সাধারণত বেশি সময়ের জন্য ব্যবহৃত হয়। এ কারণে সাইনবোর্ডে লেখার জন্য অ্যালুমিনিয়াম, টিন, স্টিল বা কাঠ ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

⛳ গুঁড়ামসলা তৈরি ও প্যাকেটজাতকরণ: উন্নত উপায়ে বিভিন্ন রকমের মসলা গুঁড়া করে বাজারজাত করতে পারলে লাভবান হওয়া সম্ভব। রান্নার কাজটি দ্রুত ও ঝামেলাহীনভাবে শেষ করার জন্য বর্তমানে বাটা মসলার জায়গায় গুঁড়া মসলার ব্যবহার বাড়ছে। এর মধ্যে জিরা, ধনিয়া, হলুদ, মরিচ, গরম মসলা ইত্যাদি অন্যতম। কাঁচামাল ভালোভাবে রোদে শুকিয়ে মেশিনে গুঁড়া করে উন্নত উপায়ে প্যাকেটজাত করতে পারলে এ ব্যবসার মাধ্যমে স্বাবলম্বী হওয়া সম্ভব।

⛳ প্যাকেজিং ব্যবসা: গ্রাম বা শহর সব জায়গার শাড়ি, জুতা, মিষ্টি, খাবার প্রভৃতির দোকানে প্যাকেট দরকার হয়। ভালো প্যাকেজিং ছাড়া ব্যবসা-বাণিজ্যের উন্নতি সম্ভব হয় না। উন্নতমানের প্যাকেজিং বাক্স তৈরি করে দেশীয় চাহিদা মিটিয়ে বিদেশেও রপ্তানি করা যেতে পারে। বিভিন্ন ধরনের পণ্যসামগ্রী বাজারজাত এবং আকর্ষণীয়ভাবে উপস্থাপন করার জন্য বিভিন্ন ধরনের প্যাকেট ব্যবহৃত হয়। যেমন- শাড়ির বাক্স, জুতোর বাক্স, মিষ্টির বাক্স, বিরিয়ানীর বাক্স ইত্যাদি। মোটা, শক্ত কাগজ দিয়ে এসব প্যাকেট তৈরি করাকে প্যাকেজিং বলা হয়।

⛳ ধান ভাঙানোর মিল: ধান ভাঙানোর মিল কনটেন্টটিতে চালের মিল -এর ব্যবসা কীভাবে শুরু করা যায়, ব্যবসা শুরু করার জন্য কোথায় প্রশিক্ষণ নেওয়া যায়, এই ব্যবসা শুরু করার জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণ, পরিমাণ, মূল্য ও প্রাপ্তিস্থান এবং সর্বোপরি এর মাধ্যমে কীভাবে বাড়তি আয় করা সম্ভব, সেই বিষয় সম্পর্কে বর্ণনা করা হয়েছে।

⛳ খাবারের দোকান বা হোটেল: হোটেল বা খাবারের দোকান এমন স্থান যেখানে টাকার বিনিময়ে খাবার পাওয়া যায়। ঘরের বাইরে থাকলে, ভ্রমণকালে, অফিস থেকে বাসা দূরে হলে এবং সময় বাঁচাতে হলে অল্প খরচে পরিচ্ছন্ন ও পুষ্টিকর খাবার নির্দিষ্ট সময়ে নিয়মিত হাতের কাছে পাওয়াটা কঠিন ব্যাপার। হোটেল বা খাবারের দোকান এই সমস্যার সমাধান করে দেয়। সেই সাথে ভালো হোম ডেলিভারির ব্যবস্থা রাখতে পারলে তো খুব ভাল ।

⛳ কাগজের ব্যাগ উৎপাদন: যে কোনো পণ্য উৎপাদনের পর তা প্যাকেটজাত করে ক্রেতা বা ব্যবহাকারীর কাছে পৌঁছে দিতে হয়। পরিবেশবান্ধব ও দেশীয় কাঁচামাল দিয়ে তৈরি করা যায় বলে প্যাকেটজাতকরণে কাগজের ব্যাগ ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। পলিথিন ব্যাগ এখন সরকারিভাবে নিষিদ্ধ। আগে যেখানে পলিথিনের ব্যাগ ব্যবহার করা হত বর্তমানে সেখানে ব্যবহার করা হচ্ছে কাগজের ব্যাগ। নানান রকম কাগজ দিয়ে কাগজের ব্যাগ তৈরি হচ্ছে। কাগজের ব্যাগ তৈরি করে স্থানীয় দোকানগুলোতে তা সরবরাহ করা যাবে

⛳ আগরবাতি: আগরবাতির চাহিদা প্রায় সারাবছরই থাকে। মন্দির, মসজিদ, গির্জা প্রভৃতি উপাসনালয়ে বা বাড়িতে পূজা বা মিলাদে আগরবাতি ব্যবহার করা হয়। এছাড়া সুগন্ধি হিসেবে এখন অনেকে প্রতিদিন ঘরে বা দোকানেও আগরবাতি ব্যবহার করেন। স্থানীয় বাজার, থানা শহর অথবা উপজেলা শহরে আগরবাতি বিক্রি করা যায়। পাইকারি হিসেবে দোকানদারদের কাছে অথবা খোলা বাজারে বা হাটে খুচরাভাবে ক্রেতাদের কাছে আগরবাতি বিক্রি করা সম্ভব। সবচেয়ে বেশি বিক্রি করা যায় মাজারের কাছে। এছাড়া বিভিন্ন উপাসনালয়ে আগরবাতি বিক্রি করা সম্ভব।

⛳ কাগজের খাম তৈরি: সাধারণত খামে করে অফিস-আদালত, ব্যবসা-বাণিজ্য, স্কুল-কলেজের জরুরি কাগজপত্র ও চিঠিপত্র পাঠানো হয়। এছাড়া নববর্ষ, ঈদ, পূজা, হালখাতা, সেমিনার, বিয়ে, জন্মদিন ইত্যাদির দাওয়াতপত্র ও শুভেচ্ছা কার্ড বিভিন্ন রকম খামে ভরে পাঠানো হয়। তাই খামের চাহিদা সব সময় থাকে। বিভিন্ন মাপের খাম তৈরি করে অফিস-আদালত ও স্টেশনারি দোকানে সরবরাহ করে আয় করা সম্ভব।

⛳ কাপড় সেলাই/দর্জি
“সাধারণভাবে পোশাক বলতে সেলাই করা কাপড়কেই বুঝানো হয়ে থাকে। বর্তমানে আধুনিক যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চলার জন্য সৌখিন নারী-পুরুষেরা বিভিন্ন ডিজাইনের কাপড় পরার প্রতি আগ্রহী। তাই পোশাক কেনার পাশাপাশি তারা দর্জির কাছ থেকে নিজের ইচ্ছা অনুযায়ী মাপ ও ডিজাইন দিয়ে বিভিন্ন পোশাক তৈরি করে নেয়। এ কারণে কাপড় সেলাই বা দর্জির চাহিদা সব সময়ই থাকে। কাপড় সেলাই শুরুর আগে দক্ষতা অর্জন করা অবশ্যই প্রয়োজন। তাই কাপড় কাটা ও সেলাইয়ে দক্ষতা অর্জনের জন্য প্রশিক্ষণ নিতে হবে। ”

⛳ ছবি বাঁধানোর ব্যবসা: ছবি বাঁধিয়ে রাখার মূল উদ্দেশ্য হল দৃষ্টি আকর্ষণ, গৃহসজ্জা ও দীর্ঘদিন সংরক্ষণ। ছবি বাঁধানো এখন একটি শিল্পের অন্তর্ভুক্ত হয়ে গেছে। সারাদেশে অনেক মানুষ এই পেশার সাথে যুক্ত আছে। মানুষ দিন দিন তার গৃহসজ্জার প্রতি সচেতন হয়ে উঠছে। ফলে এর অংশ হিসেবে বাড়ছে ছবি বাঁধাই-এর কাজ। বিভিন্ন ডিজাইন ও রঙের ফ্রেমে এখন ছবি বাঁধাই করা হচ্ছে।

⛳ স্ক্রিন প্রিন্ট: ব্লক প্রিন্ট, বাটিক, টাই-ডাই ইত্যাদির পাশাপাশি বর্তমানে কাপড় ছাপার অন্যতম জনপ্রিয় মাধ্যম হচ্ছে স্ক্রিন প্রিন্ট। স্ক্রিন প্রিন্টের সবচেয়ে বড় সুবিধা হল শুধু কাপড়ই নয়, কাগজেও ছাপা বা প্রিন্ট করা যায়। স্ক্রিন প্রিন্ট এক ধরনের ছাপার পদ্ধতি। স্ক্রিন প্রিন্ট অনেকদিন আগে থেকেই ছাপার কাজে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। তবে বর্তমানে এটি খুবই জনপ্রিয়।

⛳ সেমাই তৈরি: “সেমাই খুবই সুস্বাদু একটি খাবার। ছোটবড় সবাই সেমাই খেতে পছন্দ করে। আমাদের দেশে বিভিন্ন উৎসব উপলক্ষে ঘরে ঘরে সেমাই রান্না করতে দেখা যায়। বিভিন্ন ধর্মীয় বা সামাজিক উৎসবে খাবার হিসেবে সেমাই-এর ব্যবহার রয়েছে। গ্রাম বা শহর সব জায়গাতেই ছোটবড় সবার কাছে সেমাই-এর কদর রয়েছে। বর্তমানে আমাদের দেশে উন্নতমানের সেমাই তৈরি হচ্ছে এবং এগুলো বিদেশে রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা আয় করাও সম্ভব হচ্ছে।

⛳ পরিত্যক্ত প্লাস্টিকের ব্যবসা: দৈনন্দিন জীবনে অব্যবহৃত পরিত্যক্ত প্লাস্টিক ব্যবহার করে যে কেউ ব্যবসা করতে পারে। ব্যবসা করতে হলে প্রাথমিকভাবে দুটি মেশিন লাগবে। গ্রীন পিপি, সাদা পিপি, ব্লু পিপি, লাল পিপি, প্যারস্যুট, প্রাণ ইত্যাদি বিভিন্ন প্লাস্টিক সংগ্রহ করে ব্যবহার করতে হবে।

⛳ ভ্যান-এ শাকসবজি: বিক্রেতারা ভ্যান-এ করে প্রয়োজনীয় শাকসবজি মানুষের বাড়ি বাড়ি নিয়ে বিক্রি করে। এর ফলে মানুষ তাদের প্রয়োজনীয় শাকসবজি যেমন ঘরে বসেই কিনতে পারে তেমনি এটিকে কেন্দ্র করে কিছু মানুষও ব্যবসা করার সুযোগ লাভ করে। আগ্রহী যে কেউই অল্প পুঁজি নিয়ে এই ব্যবসা শুরু করতে পারেন। এক্ষেত্রে বিক্রেতারা বাজারের তুলনায় অপেক্ষাকৃত একটু কম দামে সবজি বিক্রি করতে পারে। কারণ বাজারের ঘর ভাড়া দিতে হয় না।

⛳ দুধের দোকান: “দুধের দোকানের ব্যবসা করে স্বাবলম্বী হতে পারেন। সাধারণত বিকাল বেলাতেই দুধের দোকানের ব্যবসা ভালো জমে। চা-এর দোকানের মতো দুধের দোকানেও একটি চুলায় দুধ জ্বাল হয় এবং ক্রেতারা একটি নির্দিষ্ট দামে দুধ কিনে খায়। আবার অনেক সময় কাঁচা দুধও বিক্রি হয়, সেক্ষেত্রে ক্রেতাকে প্রতিদিন একটি নির্দিষ্ট সময়ে দোকানে আসতে হয়।

গ্রামে-গঞ্জে বা শহরে অনেক জায়গাতেই আজকাল দুধ বিক্রির দোকান দেখা যায়। বাজারে প্রচলিত পানীয় থেকে দুধ অনেক উপকারী। আজকাল দেশে অনেক গরুর ফার্ম তৈরি হয়েছে সেখান থেকে প্রচুর পরিমাণে দুধ সংগ্রহ করাও বেশ সহজ। এ হিসেবে দেখা যায় অল্প পরিশ্রমে এবং স্বল্প পুঁজিতে দুধের ব্যবসা বেশ লাভজনক হতে পারে। ”

⛳ ফুলের দোকান: “নানান অনুষ্ঠানে অনেক বেশি পরিমাণে ফুলের প্রয়োজন হয়। এই ফুলের জোগান দিয়ে থাকে ফুলের দোকান। আমাদের দেশের প্রায় সকল ধর্মীয় ও সামাজিক অনুষ্ঠানে ফুল ব্যবহার করা হয়। সাধারণত সারাবছরই ফুলের চাহিদা থাকে। বিশেষ করে শীতকালে বিয়ে, গায়ে হলুদ, নানান সামাজিক অনুষ্ঠান, সভা ইত্যাদি বেশি থাকে বলে এই সময় ফুলের চাহিদাও বেশি থাকে।

এছাড়া গৃহসজ্জার কাজেও সৌখিন মানুষ ফুল কিনে থাকে। ফুলের দোকান দেবার জন্য উপযুক্ত স্থান নির্বাচন করতে হবে। বাজারের কেন্দ্র বা যে সব স্থানে লোকসমাগম হয় সে রকম স্থানে ফুলের দোকান দিতে হবে। ”

⛳ ফলের দোকান: “আমাদের দেশে বেশ কিছু মৌসুমী ফল পাওয়া যায়। যেমন: আম, লিচু, কাঁঠাল, আনারস, জলপাই, কামরাঙ্গা ইত্যাদি। এসব মৌসুমি ফলে প্রচুর ভিটামিন পাওয়া যায়। এসব মৌসুমি ফলের পাশাপাশি সারাবছর যে সব ফল পাওয়া যায় সেসব ফলের প্রচুর চাহিদা থাকে।

এসব ফল বিক্রি করে আয় করা সম্ভব। স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, বাসস্ট্যান্ড, রেল স্টেশনের কাছে বা হাসপাতালের সামনে ফলের দোকান দিলে ব্যবসা ভালো চলবে। এছাড়া আবাসিক এলাকায় মুদি দোকানের কাছে ফলের দোকান দেয়া যেতে পারে। ” শহরে এলাকা হলে হোম ডেলিভারির ব্যবস্থা রাখুন ।

⛳ মুদি দোকান: “মুদি দোকান বলতে এমন একটি দোকানকে বোঝায় যেখানে নিত্য-প্রয়োজনীয় বিভিন্ন পণ্যসামগ্রী কিনতে পাওয়া যায়। যে কোনো বেকার নারী বা পুরুষ মুদি দোকানের মাধ্যমে নিজের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে পারেন। শারীরিকভাবে প্রতিবন্ধী নারী-পুরুষ, ভারী কাজে অক্ষম ব্যক্তিরাও ঘরে বসে থেকেই মুদি দোকানের ব্যবসা পরিচালনা করতে পারেন।

মুদি দোকানের যে সব পণ্য বিক্রি করা হয় তার চাহিদা সারাবছরই থাকে। এ ব্যবসায় লোকসানের সম্ভাবনা কম থাকে। মুদি দোকান মূলত হাটে, বাজারে বা রাস্তার মোড়ে দেখা যায়। অথবা বসতবাড়ির বাইরের অংশে মুদির দোকান দেয়া যেতে পারে। ”

⛳ স্টেশনারি: বই-পুস্তক, খাতা-কলমের চাহিদা দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। দেশের উন্নতির সাথে সাথে বাড়ছে অফিস আদালত, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং এর সংশ্লিস্ট দপ্তরগুলোও। এসব প্রতিষ্ঠানে রেজিস্টার খাতা, পেন্সিল, কলম, ফাইল ইত্যাদির প্রয়োজন হয়। স্টেশনারিতে এই সব প্রয়োজনীয় খাতা, কলম, পেন্সিল, স্কেল ইত্যাদি পাওয়া যায়। এসব উপকরণের চাহিদা সব সময়ই থাকে।

⛳ মেকআপ বা সাজসজ্জা: বিয়ে, উৎসব কিংবা বিভিন্ন অনুষ্ঠানে নারী-পুরুষ উভয়ের জন্যেই সাজসজ্জা বা মেকআপ একটি অত্যাবশ্যকীয় বিষয় হয়ে উঠছে বিগত কয়েক বছর ধরে অনলাইনের মাধ্যমে আপনিও এই সেবা নিয়ে কাজ করতে পারেন অফলাইনের জন্যে এবং অর্ডার অনুযায়ী এই বিষয়ক বিভিন্ন প্রোডাক্ট বিক্রি থেকে শুরু করে কাস্টমারদের অনুষ্ঠানে আপনার প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সার্ভিস দিতে পারেন। বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান হিসেবে নিজের প্রতিষ্ঠানের গ্রহণযোগ্যতা যত বৃদ্ধি পাবে ততই নতুন এক সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে আপনার ও প্রতিষ্ঠানের।

⛳ লন্ড্রি: বাসার কাপড় ধোয়া থেকে শুরু করে ইস্ত্রি করা নিয়ে অনেক সমস্যায় পরতে হয় কর্মচঞ্চল এই ঢাকা শহরের মানুষকে। অনলাইনে লন্ড্রি সেবা নিয়েও আপনার প্রতিষ্ঠান কাজ শুরু করতে পারে এলাকা ভিত্তিক কিংবা পুরো শহরজুড়ে। এতে করে ঘরে বসেই মানুষজন সার্ভিস নিতে পারবে।

⛳ রেন্ট এ কার:: দেশের বিভিন্ন প্রান্তে যেতে আমাদের বিভিন্ন সময় গাড়ি ভাড়া করতে হয়, কিন্তু অনলাইনেই যদি এই গাড়ি ভাড়ার নেয়ার ব্যবস্থা থাকে এবং নিজের পছন্দ অনুযায়ী গাড়ি ভাড়া নিয়ে নিজের কাজে ঢাকার বাইরে কিংবা অন্য শহর থেকে ঢাকাতে আসা যায়, তবে কেমন হয়? বিশ্বস্ত একটা প্রতিষ্ঠানই পারে সহজে দেশের যেকোন প্রান্তের মানুষকে অনলাইনের মাধ্যমে এই সেবা নেয়ার জন্যে গাড়ি বুকিং সার্ভিস।

⛳ কম্পিউটার সার্ভিসিং এবং ইলেকট্রিক বা ইলেক্ট্রনিক্স সার্ভিস: ব্যস্ত শহরে যানজট ঠেলে কে চায় তার বাসার কম্পিউটার বা ল্যাপটপ এর সমস্যার জন্যে দোকানে যেতে, কিন্তু বিশ্বস্ত কোন অনলাইন প্রতিষ্ঠান নেই যে নিশ্চিন্তে তাদের বলবে যে আমার বাসা থেকে আমার পিসি বা ল্যাপটপ নিয়ে সার্ভিস দিয়ে আমাকে বাসায় দিয়ে যান।

আপনার প্রতিষ্ঠান দিতে পারে সেই চমৎকার সার্ভিস, সেবাটি ভালভাবে দিতে পারলে এবং জনপ্রিয় করতে পারলে দারুণ এক ব্যবসা শুরু হয়ে যাবে। এছাড়া বিল্ডিং করতে কিংবা বাসা বদলের সময় বিভিন্ন ধরনের ইলেকট্রিক বা ইলেকট্রনিক্স জিনিসপত্রের প্রয়োজন পরে এবং সার্ভিস দেয়ার দরকার পরে, আপনার অনলাইন সাইটের মাধ্যমে সেইসব সার্ভিস কিংবা প্রোডাক্ট সহজে মানুষ পেতে পারে।

⛳ ফটোগ্রাফি এবং ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট: বিয়ে কিংবা বিভিন্ন অনুষ্ঠানে ফটোগ্রাফি থাকবেনা তা কি সম্ভব? কখনোই সম্ভব না। এখন অধিকাংশ ফটোগ্রাফি বিষয়ক অর্ডারগুলো অনলাইনেই হয়। যদি আপনি ভাল ফটোগ্রাফার হয়ে থাকেন তবে আপনার প্রতিষ্ঠানের একটি ওয়েবসাইট করতে পারেন এবং আপনার ফটোগ্রাফি পেশাকে অনলাইন সাইটের মাধ্যমে জনপ্রিয় এবং অনলাইন সাইটের মাধ্যমে অর্ডার নেয়া শুরু করতে পারেন। এর পাশাপাশি কোন প্রতিষ্ঠান ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট সার্ভিসও দিতে পারে।

⛳ অফিস সাজানো এবং ইনটেরিয়র ডিজাইন: অফিসের সুন্দর ইনটেরিয়র ডিজাইন করে দেয়ার সার্ভিস আপনার প্রতিষ্ঠান দিতে পারে এবং অনলাইনে এর অর্ডার নিতে পারে আপনার প্রতিষ্ঠান। এছাড়া বিভিন্ন অফিসের শোভাবর্ধনের জন্যে গাছসহ ফুলের টব কিংবা বিভিন্ন প্রয়োজনীয় জিনিস আপনার প্রতিষ্ঠান সার্ভিস দিয়ে থাকতে পারে। আপনার প্রতিষ্ঠান সুন্দর সুন্দর বাহারি রকমের গাছসহ টব বিভিন্ন অফিসের জন্যে সার্ভিস দিবে এবং তা কয়েকদিন পর পর রক্ষণাবেক্ষণ করে দিবে।

⛳ ভ্রমণ সার্ভিস: শহরের যান্ত্রিকতা ছেড়ে অনেকেরই দেশ-বিদেশের বিভিন্ন জায়গায় ঘুরতে ইচ্ছে করে, কিন্তু কখন কিভাবে সহজে কোথাও ভ্রমণ করবে, কোথায় থাকবে এবং যাতায়াত এর সময় যাবতীয় সহায়তার প্রয়োজন পরে। আর এ জন্যে অনলাইনে ভ্রমণ বিষয়ক সার্ভিস দেয়ার জন্যে সাইট করতে পারেন।

যাতে করে বিভিন্ন জায়গায় ভ্রমণের সার্ভিস অনলাইনে সিলেক্ট করলে এবং পেমেন্ট করে পরবর্তীতে মানুষ সহজে আপনার প্রতিষ্ঠানের সহায়তায় ঘুরতে যেতে পারে। এছাড়া হোটেল এন্ড রিসোর্ট অনলাইনে অগ্রিম বুকিং দেয়ার ব্যবস্থাও থাকতে পারে যদি কেঁউ নিজে নিজে ভ্রমণ করতে চায়।

⛔ বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ মনে রাখবেন কোনো কাজ ছোট নয় । আমরা বিদেশে গিয়ে অনেক নিচু মানের কাজ করে থাকি কিন্তু দেশে ছোট কিছু দিয়ে শুরু করতে লজ্জা পাই। জেনে রাখুন ছোট ছোট উদ্যোগ থেকেই বড় বড় সেক্টর সৃষ্টি হয়, আপনারা অনেকেই আকিজ গ্রুপ এর মালিক কে চেনেন, তিনি কোথা থেকে শুরু করেছিলেন আর এখন তার সৃষ্টি আকিজ গ্রুপ কোথায় আছে ।

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Import Export Trade - আমদানি রপ্তানি বাণিজ্য posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share