ভ্রমন বিলাশ - Bhromon Bilash"

ভ্রমন বিলাশ - Bhromon Bilash" ভ্রমন পিপাসুদের আড্ডা।

লোকেশন: খানেপুর,বান্দুরা,ঢাকা।
18/12/2023

লোকেশন: খানেপুর,বান্দুরা,ঢাকা।

তুরংছড়া,উৎমাছড়া,ভোলাগঞ্জ। সে এক বিচিত্র দৃশ্য, সে এক নয়নাভিরাম প্রকৃতি, সে এক অপরিমেয় তৃপ্তি,ভালো লাগা ভালোবাসার এই ভূমি...
15/09/2021

তুরংছড়া,উৎমাছড়া,ভোলাগঞ্জ।
সে এক বিচিত্র দৃশ্য,
সে এক নয়নাভিরাম প্রকৃতি,
সে এক অপরিমেয় তৃপ্তি,
ভালো লাগা ভালোবাসার এই ভূমিতে কত যে দেখা অদেখা প্রাকৃতিক লাবন্য লুকিয়ে আছে তার সীমানা অজানা।
ভ্রমণ পিপাসু এই মন খুজে ফিরতে চায় সেই অনন্ত লুকায়িত লাবণ্য।

05/09/2021

ঢাকা সিলেট মহাসড়ক।

23/08/2021

অবাক চোখে তাকিয়ে থাকার মতনই একটি পরিবেশ।

প্রকৃতি এতো সুন্দর চোখে না দেখলে বিশ্বাস করা সত্যিই কঠিন।আলহামদুলিল্লাহ মহান আল্লাহ আমাকে নিজ চোখে এই সুন্দর প্রকৃতি দেখ...
22/08/2021

প্রকৃতি এতো সুন্দর চোখে না দেখলে বিশ্বাস করা সত্যিই কঠিন।
আলহামদুলিল্লাহ মহান আল্লাহ আমাকে নিজ চোখে এই সুন্দর প্রকৃতি দেখার সুযোগ করে দিয়েছেন।
স্থানঃ বাংলাদেশ ভারত সীমান্ত ঘেঁষে থাকা মেঘালয় পাহাড়।

রাজশাহী বিভাগের চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় শিবগঞ্জ উপজেলার শাহবাজপুর ইউনিয়নে সুলতানি স্থাপত্যের রত্ন হিসাবে আখ্যায়িত ছোট সোনা ...
19/09/2020

রাজশাহী বিভাগের চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় শিবগঞ্জ উপজেলার শাহবাজপুর ইউনিয়নে সুলতানি স্থাপত্যের রত্ন হিসাবে আখ্যায়িত ছোট সোনা মসজিদ (Choto Sona Mosque) অবস্থিত। ছোট সোনা মসজিদের প্রধান প্রবেশ পথের উপরে স্থাপিত শিলালিপি থেকে জানা যায়, ১৪৯৩ থেকে ১৫১৯ সালের মধ্যে সুলতান হুসাইন শাহর শাসনকালে জনৈক মনসুর ওয়ালী মুহম্মদ বিন আলী ছোট সোনা মসজিদটি নির্মাণ করেন। প্রচলিত আছে, একসময় মসজিদের গম্বুজগুলো সোনা দিয়ে মোড়ানো ছিল এবং সে কারণেই মসজিদটি সোনা মসজিদ হিসাবে পরিচিতি পায়। আর বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের কাছে ভারতে আয়তনে বড় আরেকটি সোনা মসজিদ থাকায় এই মসজিদটি সকলের কাছে ছোট সোনা মসজিদ নামে প্রসিদ্ধ হয়ে উঠে। মসজিদের সামনের আঙ্গিনা পশ্চিম থেকে পূর্বে ৪২ মিটার এবং দক্ষিণ থেকে উত্তরে ৪৩.৫ মিটার পর্যন্ত বিস্তৃত।

সোনা মসজিদে গ্রানাইটের টালি ব্যবহৃত হয়েছে। সুলতানি স্থাপত্য শৈলীতে নির্মিত ছোট সোনা মসজিদে ইটের তৈরি ১২ টি গম্বুজ রয়েছে। আর মসজিদের চারপাশের দেওয়াল প্রায় ৬ ফূট চওড়া এবং ভেতর ও বাহিরে পাথরের টালি দিয়ে আবৃত। মসজিদের চার কোনায় ৪ টি আটকোনা মিনার রয়েছে। ছোট সোনা মসজিদের পূর্বে ৫ টি এবং দক্ষিণ ও উত্তর দিকে ৩ টি করে ৬ টি খিলান প্রবেশ পথ রয়েছে। পূর্ব দিকের প্রবেশ পথের সোজাসুজি পশ্চিম দিকের দেয়ালে নকশা খচিত ৫ টি মিহরাব আছে।

ঢাকা থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জের দূরত্ব প্রায় ৩০২ কিলোমিটার আর রাজশাহী হয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জের দূরত্ব ৩১৯ কিলোমিটার। চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার কোতোয়ালী গেইট থেকে মাত্র ৩ কিলোমিটার এবং তাহখানা কমপ্লেক্স থেকে আধা কিলোমিটার দূরে ছোট সোনা মসজিদ অবস্থিত। মসজিদের উত্তর পাশে রয়েছে বিশাল এক দিঘী। মসজিদের পশ্চিম দিকে বাংলাদেশ সরকারের প্রত্নতত্ত্ব অধিপ্তর কতৃক নির্মিত একটি আধুনিক গেষ্ট হাউস রয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশ সরকারের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ ঐতিহাসিক ছোট সোনা মসজিদটি তত্ত্বাবধান করছে।

কিভাবে যাবেনঃ

ঢাকা থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ বিভিন্ন ভাবে যেতে পারবেন। ঢাকা থেকে বাসে চাঁপাইনবাবগঞ্জ যেতে চাইলে রাজশাহী হয়ে কিংবা সরাসরি চাঁপাইনবাবগঞ্জ যাওয়া যায়। তবে ঢাকা থেকে ট্রেন কিংবা বিমানে করে যেতে চাইলে আপনাকে আগে রাজশাহী এসে তারপর চাঁপাইনবাবগঞ্জ এতে হবে। মডার্ন, হানিফ এবং শ্যামলী পরিবহনের বাসে রাজশাহী হয়ে সহজে চাঁপাইনবাবগঞ্জ যাওয়া যায়। চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহর থেকে সিএনজি, অটোরিক্সা বা বাসে করে সরাসরি ছোট সোনা মসজিদে যেতে পারবেন।

ঢাকা থেকে রাজশাহী হয়ে সোনা মসজিদ
রাজধানী ঢাকা শহর থেকে সড়ক, রেল এবং আকাশ পথে রাজশাহী যাওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। ঢাকার গাবতলী, কল্যাণপুর থেকে গ্রীন লাইন এবং দেশ ট্রাভেলসের এসি বাস ৮০০ থেকে ১০০০ টাকা ভাড়ায় রাজশাহীর উদ্দেশ্যে যাতায়াত করে। আর শ্যমলি, হানিফ, ন্যাশনাল ট্রাভেলস, বাবলু এন্টারপ্রাইজ প্রভৃতি নন-এসি বাস ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা ভাড়ায় চলাচল করে।

ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশান থেকে সিল্কসিটি এক্সপ্রেস ও পদ্মা এক্সপ্রেস ট্রেন রাজশাহীর উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। এসব ট্রেনে শ্রেনীভেদে ভাড়া শোভন চেয়ার ৩৫০, স্নিগ্ধা ৬০৪, এসি সিট ৭২৫ এবং এসি বার্থ ১০৮১ টাকা।

আকাশ পথে রাজশাহীতে যেতে চাইলে ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স এবং ইউনাইটেড এয়ারের বিমানে ৩৫০০ থেকে ৪৫০০ টাকায় ভ্রমণ করতে পারবেন।

রাজশাহী থেকে লোকাল বাসে চড়ে ৭০ টাকা ভাড়ায় কানসাট এসে, সেখান থেকে ১০ টাকা অটো ভাড়ায় ছোট সোনা মসজিদে পৌঁছাতে পারবেন।

কোথায় থাকবেন

চাঁপাইনবাবগঞ্জে শহরে রাতে থাকার জন্য বেশকিছু হোটেল আছে। শহরেই আছে থ্রি স্টার মানের স্কাই ভিউ ইন (+88 01955 66 88 99)। এছাড়া কম খরচে থাকার জন্যে উল্লেখযোগ্য হোটেলের মধ্যে রয়েছে হোটেল রোজ (01761-855471), লাল বোডিং (01718-279841), হোটেল আল নাহিদ (01713-376902), হোটেল স্বপ্নপুরী (01711-416041), নবাবগঞ্জ বোডিং (01715-167646), হোটেল রংধনু (01712-339687) ইত্যাদি।

কোথায় খাবেন

ছোট সোনা মসজিদের আশেপাশে খাবারের তেমন কোন ব্যবস্থা নেই। তবে চাপাইনবাবগঞ্জে খাবারের জন্য বেশ কিছু বিভিন্ন মানের হোটেল/রেস্টুরেন্ট পাবেন। তবে শিবগঞ্জের আদি চমচম খেতে ভুলবেন করবেন না।

মুক্তাগাছা জমিদার বাড়ি ময়মনসিংহ জেলার মুক্তাগাছা উপজেলার একটি ঐতিহ্যবাহী প্রাচীন স্থাপনা। ময়মনসিংহ থেকে ১৭ কিলোমিটার ...
16/09/2020

মুক্তাগাছা জমিদার বাড়ি ময়মনসিংহ জেলার মুক্তাগাছা উপজেলার একটি ঐতিহ্যবাহী প্রাচীন স্থাপনা। ময়মনসিংহ থেকে ১৭ কিলোমিটার দূরে এই মুক্তাগাছা রাজবাড়ির অবস্থান। তৎকালীন মুক্তাগাছার জমিদার বৃটিশদের কাছ থকে প্রথমে রাজা এবং পরবর্তিতে মহারাজা উপাধি পেয়েছিলেন। তাই জমিদারের এই বাসভবনকে মুক্তাগাছা রাজবাড়ী বলা হয়। মুক্তাগাছা জমিদারির ১৬ টি অংশ ১৬ জন জমিদার শাসন করতেন। মুক্তাগাছা জমিদার বাড়ির প্রবেশমুখে আছে বিশালাকার সিংহ দরজা। রাজবাড়ির ভেতরে আছে জমিদারের মায়ের ঘর, মন্দির, দরবার হল, কাচারিঘর, অতিথি ঘর, সিন্দুক ঘর এবং অন্যান্য ভবন। এছাড়াও এই রাজ বাড়িতে প্রায় ১০,০০০ বইয়ের একটি দূর্লভ লাইব্রেরি ছিল, যা বিভিন্ন সময়ে হুমকির সম্মুখীন হয়। বর্তমানে এর কিছু অংশ মুক্তাগাছা বাংলা একাডেমীতে রক্ষিত আছে। প্রায় ১০০ একর জায়গার ওপর নির্মিত মুক্তাগাছা রাজবাড়িটি প্রাচীন স্থাপত্যশৈলীর অনন্য নিদর্শনের সাক্ষী হয়ে আছে। বর্তমানে রাজবাড়িটি বাংলাদেশ প্রত্নতত্ব অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে রয়েছে।

ইতিহাস:
জমিদার আচার্য চৌধুরীর পূর্বপুরুষ ছিলেন বগুড়ার বাসিন্দা। ১৭২৫ সালে মুক্তাগাছা শহরে জমিদারির গোড়াপত্তন করেন। মুর্শিদ কুলি খাঁর কাছ থেকে শ্রীকৃষ্ণ আচার্য্য পুরস্কার হিসাবে এই বিনোদবাড়ির জমিদারি পান। মুক্তাগাছার পূর্ব নাম ছিল বিনোদবাড়ি। আচার্য চৌধুরী বংশের প্রথম পুরুষ শ্রীকৃষ্ণ আচার্য চৌধুরী মুর্শিদাবাদের দরবারে রাজস্ব বিভাগে কর্মরত ছিলেন। তিনি ১১৩২ সালে মুক্তাগাছাকে আলাপসিং পরগণার অন্তর্ভুক্ত করার বন্দোবস্ত করেন।

কিভাবে যাবেন:
ঢাকা থেকে এনা, আলম এশিয়া, শামীম এন্টারপ্রাইজ (এসি/ননএসি), শৌখিন কিংবা নিরাপদ পরিবহনের এসি/নন-এসি বাসে করে ১৮০ থেকে ৩৭০ টাকা ভাড়ায় ময়মনসিংহ যেতে পারবেন। ঢাকা থেকে ময়মনসিংহ যেতে আড়াই থেকে তিন ঘণ্টা সময় লাগে।

ঢাকা থেকে ট্রেনে ময়মনসিংহ ভ্রমণ করতে চাইলে তিস্তা এক্সপ্রেস (সকাল ৭ঃ৩০), মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেস (দুপুর ২ঃ২০), যমুনা এক্সপ্রেস (বিকেল ৪ঃ৪০), ব্রহ্মপুত্র (সন্ধ্যা ৬ঃ০০) এবং হাওর এক্সপ্রেস (রাত ১১ঃ৫০) এইসব ট্রেনের যে কোনটায় আপনার সময় ও পছন্দমত ট্রেনে সরাসরি ময়মনসিংহ যেতে পারবেন। শ্রেণীভেদে ভাড়া ১২০ থেকে ৩৬০ টাকা। যেতে সময় লাগবে ৩ থেকে ৪ ঘন্টা।

ময়মনসিংহ এসে টাঙ্গাইলগামী বাসে করে ২০-৩০ টাকা ভাড়ায় মুক্তাগাছা যেতে পারবেন। সিএনজি রিজার্ভ বা লোকাল সিএনজিতেও যাওয়া যায় মুক্তাগাছা। লোকাল সিএনজি ভাড়া ৪০-৪৫ টাকা। রিজার্ভ নিতে হলে আপনাকে খরচ করতে হবে ২০০-২৫০ টাকা। ময়মনসিংহ থেকে মুক্তাগাছার দূরত্ব ১৭ কিলোমিটার। যেতে সময় লাগবে ৪০-৫০ মিনিট। মুক্তাগাছা নেমে হেঁটে কিংবা রিক্সা নিয়ে বাজারের ভেতর দিয়ে একটু হাঁটলে মুক্তাগাছা জমিদার বাড়িতে পৌঁছে যাবেন।

ঢাকা থেকে সরাসরি ইসলাম পরিবহনের বাসে করে মুক্তাগাছা আসতে পারবেন, এক্ষেত্রে সময় বেশি লাগবে। এছাড়া আপনার নিজের ব্যক্তিগত গাড়ি নিয়েও মুক্তাগাছা রাজবাড়ীতে যেতে পারবেন।

কোথায় থাকবেন:
মুক্তাগাছায় বেশ কিছু আবাসিক হোটেল রয়েছে। প্রয়োজনে সেগুলিতে থাকতে পারেন। কিংবা ময়মনসিংহ শহরে বিভিন্ন মানের হোটেল থেকে আপনার জন্য ভাল হোটেল বেছে নিতে পারেন। তাছাড়া ভরসা করতে পারেন ময়মনসিংহের আমির ইন্টারন্যাশনাল, হোটেল মুস্তাফিজ অথবা সিলভার ক্যাসেল এর উপর।

কোথায় খাবেন ও কি খাবেন:
মুক্তাগাছার বিখ্যাত মন্ডা খেতে ভুলে গেলে আপনার এই আনন্দময় ভ্রমণ অপূর্ণ থেকে যাবে তাই মন্ডা খেতে অবশ্যই ভুলে যাবেন না। দেড়শ বছরের ঐতিহ্যবাহী গোঁপাল পালের মন্ডার দোকান রাজবাড়ী এর সামনেই। এই মন্ডা সুনাম সারা দেশের মানুষের কাছেই অতি সুপরিচিত। একমাত্র মুক্তাগাছাতেই পাবেন সেই আসল ও অকৃত্রিম একমাত্র মন্ডার দোকান। প্রতি পিস মন্ডার দাম ২২ টাকা, কেজি প্রতি ৪৪০ টাকা।

এছাড়া ভারি খাবার খেতে চাইলে মুক্তাগাছা বাজারেই মোটামুটি মানের হোটেল আছে, খেয়ে নিতে পারবেন। এছাড়া ময়মনসিংহ শহরে খেতে চাইলে প্রেসক্লাব ক্যান্টিনের মোরগ পোলাওয়ের স্বাধ চেখে দেখতে পারেন। এছাড়া ভাল মানের খাবারের জন্য হোটেল ধানসিঁড়ি ও হোটেল সারিন্দার বেশ সুনাম রয়েছে।

বন্দর নগরী চট্টগ্রাম থেকে প্রায় ১৪ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত বাংলাদেশ নেভাল একাডেমি। নৌবাহিনীর শিক্ষানবিশ ক্যাডেটদের শি...
14/09/2020

বন্দর নগরী চট্টগ্রাম থেকে প্রায় ১৪ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত বাংলাদেশ নেভাল একাডেমি। নৌবাহিনীর শিক্ষানবিশ ক্যাডেটদের শিক্ষা দান ও মৌলিক প্রশিক্ষণের জন্য প্রতিষ্ঠিত একটি জাতীয় প্রতিষ্ঠান। সুবজে ঢাকা এই একাডেমির ও পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতের সৌন্দর্য আরও বাড়িয়ে দিয়েছে নেভাল সমুদ্র সৈকত। বাংলার অপরূপ সৌন্দর্য যেন আছড়ে পড়ছে।

সৌন্দর্যে অপরূপ হলেও ইচ্ছা করলেই সাধারণ জনগণের প্রবেশের অনুমতি নেই। বিশেষ ক্ষেত্রে নৌবাহিনীর অনুমতি মিললে তবেই প্রবেশ করতে পারবেন সাধারণ মানুষ। তবে ভেতরে প্রবেশ করতে না পারলেও পাশেই পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত। সেখানে দাঁড়িয়ে নেভেল সমুদ্র সৈকতের অপরূপ দৃশ্য দেখা যায়।

নেভাল সমুদ্র সৈকতটি মূলত নৌবাহিনীর প্রশিক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়। সেখান থেকে সমুদ্রের বুকে শত শত জাহাজের দৃশ্য চোখে পড়ে। নৌবাহিনীর অধীনে পরিচালিত হওয়ায় এটি যেমন নিরাপদ তেমনি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও সাজানো। ১৯৯১ সালের ঘূর্ণিঝড়ে এই সৈকতটি ভয়াবহভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।

বর্তমানে সমুদ্র সৈকতে সিমেন্ট দিয়ে তৈরি করা বেড়িবাঁধ দেয়া হয়েছে। আর সেই বাধের উপর লাগানো হয়েছে ঘাস। সমান করে ছাটা ঘাস যেন সবুজ কার্পেট। পাশেই পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত। যা কর্ণফুলী নদীর মোহনায় অবস্থিত। দুটি সৈকতের মধ্যে মাত্র কাঁটাতারের বেড়া দূরত্ব। ফলে পতেঙ্গা থেকেও সৌন্দর্য উপভোগ করা যায় নেভাল সৈকতের।
পতেঙ্গা সৈকতে ভ্রমণ পিপাসুদের আনা-গোনা আগের চেয়ে অনেক বেড়েছে। ফলে সংস্কার করা হয়েছে রাস্তাঘাট। জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা। রয়েছে ট্যুরিস্ট পুলিশ। সমুদ্র সৈকতের ঝাউবনের ছায়াতলে রয়েছে খাবারের দোকানসহ হরেক রকম পণ্যের দোকান-পাট। সৈকতে বাতির আলোয় রাতে ভ্রমণকারী পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়েছে।

পতেঙ্গা সৈকতের প্রস্থ খুব বেশি না হওয়ার সমুদ্রে সাঁতার কাটা ঝুঁকিপূর্ণ। এ ছাড়া জোয়ারের সময় অনেকটা উত্তাল হয়ে ওঠে। সমুদ্র সৈকতজুড়ে ভাঙন ঠেকাতে কংক্রিটের দেয়াল এবং বড় পাথরের খণ্ড দিয়ে বাধ তৈরি করা হয়েছে।

পতেঙ্গা বা নেভাল সমুদ্র সৈকতে যেতে হলে প্রথমে চট্টগ্রাম যেতে হবে। সেখান থেকে বাস, সিএনজি বা হিউমেন হলার দিয়ে যাওয়া যাবে পতেঙ্গা বা নেভাল সমুদ্র সৈকতে।

পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত (Patenga Sea Beach) বাংলাদেশের সুন্দর ও জনপ্রিয় সমুদ্র সৈকতগুলোর মধ্যে অন্যতম। চট্টগ্রাম থেকে মাত্র ...
13/09/2020

পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত (Patenga Sea Beach) বাংলাদেশের সুন্দর ও জনপ্রিয় সমুদ্র সৈকতগুলোর মধ্যে অন্যতম। চট্টগ্রাম থেকে মাত্র ১৪ কিলোমিটার দূরত্বে অবস্থিত এই সমুদ্র সৈকতে সহজেই যাওয়া যায় বলে পর্যটকদের কাছে জনপ্রিয়তা দিন দিন বাড়ছেই। এছাড়া এই সৈকতকে আরও আকর্ষণীয় করে তোলার জন্যে বেশ কিছু পরিকল্পণা বাস্তবায়িত হচ্ছে। ৫ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের পতেঙ্গা সৈকতকে আধুনিক ও বিশ্বমানের পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ চলছে। ইতিমধ্যে সম্পন্ন হওয়া দৃষ্টিনন্দন সাজসজ্জা নজর কেড়েছে সবাইকে।

কর্ণফুলী নদী ও সাগরের মোহনায় অবস্থিত পতেঙ্গায় সূর্যোদয় কিংবা সূর্যাস্তের দৃশ্য খুবই মনোরম। বিশেষ করে বিকেল, সূর্যাস্ত ও সন্ধ্যার সময়টুকু অবশ্যই ভাল লাগবে। চট্টগ্রাম বন্দরের জন্যে অপেক্ষমান সারি সারি ছোট বড় জাহাজ এইখানের পরিবেশে ভিন্নতা নিয়ে আসে। পতেঙ্গায় রয়েছে স্পীড-বোটে চড়ে সমুদ্রে ঘুরে বেড়ানোর সুযোগ রয়েছে। সমুদ্র তীরে ঘুরে বেড়ানোর জন্যে আছে সী বাইক ও ঘোড়া। কেনাকাটার জন্যে আছে বার্মিজ মার্কেট। খাওয়া দাওয়ার জন্যে আছে হরেক রকক মজাদার স্ট্রিট ফুড।

পতেঙ্গা বিচের কাছেই রয়েছে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, বাংলাদেশ নৌ বাহিনীর ঘাটি, চট্টগ্রাম বন্দরের অনেক জেটি এবং প্রজাপতি পার্ক। এইসব গুলো জায়গা কাছাকাছি হওয়ায় ঘুরে দেখতে পারবেন একসাথেই। বন্ধু বান্ধব কিংবা পরিবার পরিজন নিয়ে সুন্দর সময় কাটানোর জন্যে চট্টগ্রাম জেলার এই পতেঙ্গা সৈকত আসলেই এক সুন্দর স্থান।
পতেঙ্গা যাওয়ার উপায়
পতেঙ্গা যেতে চাইলে প্রথমে আপনাকে চট্টগ্রাম আসতেই হবে। চট্টগ্রাম থেকে বিভিন্ন উপায়ে পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতে যেতে পারবেন।

ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম
ঢাকা থেকে সড়ক, রেল এবং আকাশপথে চট্টগ্রাম যাওয়া যায়। ঢাকার সায়দাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে সৌদিয়া, ইউনিক, টি আর ট্রাভেলস, গ্রিন লাইন, হানিফ এন্টারপ্রাইজ, শ্যামলী, সোহাগ, এস. আলম, মডার্ন লাইন ইত্যাদি বিভিন্ন পরিবহনের এসি-নন এসি বাস চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। শ্রেণী ভেদে বাসগুলোর প্রতি সীটের ভাড়া ৫০০ টাকা থেকে ১২০০ টাকার পর্যন্ত হয়ে থাকে।

ঢাকা থেকে ট্রেনে চট্টগ্রাম ভ্রমণ করতে চাইলে কমলাপুর কিংবা বিমানবন্দর রেলস্টেশান হতে সোনার বাংলা, সুবর্ন এক্সপ্রেস, তূর্ণা-নিশীথা, মহানগর প্রভাতী/গোধূলী, চট্রগ্রাম মেইলে যাত্রা করতে পারেন। এছাড়া বেশকিছু বিমান ঢাকা থেকে সরাসরি চট্টগ্রাম ফ্লাইট পরিচালনা করে থাকে।

অন্যান্য জেলা থেকে চট্টগ্রাম
দেশের প্রায় সব জেলা থেকেই চট্টগ্রাম আসার ব্যবস্থা রয়েছে। পতেঙ্গা বীচে যাওয়ার জন্যে আপনি আপনার সুবিধামত যানবাহনে চট্টগ্রাম চলে আসুন।

চট্টগ্রাম থেকে পতেঙ্গা
চট্টগ্রাম জিরো পয়েন্ট থেকে পতেঙ্গা ১৪ কিলোমিটার দক্ষিনে অবস্থিত। চট্টগ্রাম শহর নিজস্ব গাড়ি, সিএনজি বা লোকাল বাসে করে পতেঙ্গা যেতে পারবেন। চট্টগ্রাম শহর থেকে যেতে সময় লাগবে এক ঘন্টার মত। সিএনজি দিয়ে গেলে ভাড়া নিবে ২৫০-২৮০ টাকার মত। বাসে যেতে চাইলে বেশ কিছু জায়গা থেকে সী বীচ গামী বাস লোকাল পাওয়া যায়, তার মধ্যে নিউমার্কেট, রেল স্টেশন রোড, বহাদ্দারহাট, লালখান বাজার মোড়, জিইসি মোড় এবং চক বাজার মোড় থেকে বাস পাবেন।

চট্টগ্রাম রেল স্টেশনের সামনে থেকে যেতে চাইলে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করলে ৬ নং বাস পাবেন। তবে জিজ্ঞেস করে নিবেন সী বীচ পর্যন্ত যাবে কিনা। যদি বাস ফ্রিপোর্ট বা কাঠগড় পর্যন্ত যায় তাহলেও যেতে পারেন। সেখানে থেকে নেমে ইজিবাইকে করে বীচে যেতে পারবেন।

একদিনে পতেঙ্গা ভ্রমণ
ঢাকা থেকে চাইলে একদিনে পতেঙ্গা সহ আরও কোন জায়গা ঘুরে আবার ফিরে যেতে পারবেন। সেইক্ষেত্রে আপনাকে ঢাকা থেকে রাতের ট্রেন বা বাসে রওনা হতে হবে। সকালে চট্টগ্রাম পৌঁছে নাস্তা করে প্রথমেই চলে যান পতেঙ্গায়। সেখানে ঘুরে দুপুরে মধ্যে ফিরে এসে খাওয়া দাওয়া সেরে নিন। তারপর সোনার বাংলা ট্রেনে অথবা বাসে করে চলে আসুন ঢাকায়।

খাবেন কোথায়
পতেঙ্গা সী বিচেই স্ট্রিট ফুডের দোকান রয়েছে। সেখানে মজাদার বেশ কিছু খাবার পাওয়া যায় যেমন ভাজাপোড়া, পেয়াজু, কাঁকড়া ভাজা সহ সামুদ্রিক মাছ ভাজা খেতে পারেন। এছাড়া ফূড কোর্ট গুলোতে ফাস্ট ফুড আইটেম পাবেন খাওয়ার জন্যে।

যদি চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী খাবার চেখে দেখতে চান তবে চট্টগ্রাম শহরে এসে চলে যেতে পারেন হোটেল জামান-এ। আর মেজবানি খেতে চাইলে চলে যেতে পারেন চকবাজারে অবস্থিত “মেজবান হাইলে আইয়্যুন” রেস্তোরায়। এছাড়াও চট্টগ্রাম শহরে ছড়িয়ে আছে বেশকিছু ভাল মানের রেস্টুরেন্ট এদের মধ্যে বারকোড ক্যাফে, মিলেঞ্জ রেস্টুরেন্ট, গ্রিডি গাটস, ক্যাফে ৮৮, সেভেন ডেইজ, ধাবা, হান্ডির নাম, গলফ গার্ডেন রেস্টুরেন্ট, কোষ্টাল মারমেইড রেস্টুরেন্ট এন্ড লাউঞ্জ, বোনানজা পোর্ট রেস্টুরেন্ট ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।

থাকবেন কোথায়
পতেঙ্গায় থাকার জন্যে বেশি অপশন নাই। চট্টগ্রাম শহরের কাছে বলে সাধারণত পর্যটকগণ রাতে থাকার জন্যে চট্টগ্রাম শহরেই চলে আসে। সৈকতের কাছে ভালো কোথাও থাকার জন্যে থাকতে পারেন বাটারফ্লাই পার্ক রিসোর্টে। এখানে থাকতে খরচ হবে চার হাজার থেকে সাত হাজার টাকা। এছাড়া কম খরচে পতেঙ্গার কাছে থাকতে হলে আপনাকে CEPZ এলাকায় কোন মাঝারি মানের হোটেলে থাকতে হবে।

আর আপনি যদি চট্টগ্রাম চলে আসেন তাহলে এখানে বিভিন্ন মানের অনেক হোটেল পাবেন। আপনার পছন্দমত ও বাজেট অনুযায়ী কোন এক হোটেল একটু যাচাই করে নিশ্চিন্তে রাত্রিযাপন করতে পারবেন। প‌্যারামাউন্ট রুম ভাড়া ৮০০ টাকা থেকে ১৮০০ টাকা পর্যন্ত। হোটেল অবকাশ রুম ভাড়া ১২০০ থেকে ২০০০ টাকা। হোটেল লর্ডস ইন, সি এন্ড বি জিইসি মোড়, প্রতি রুম ভাড়া ২০০০ থেকে ৭০০০ টাকা পর্যন্ত। হোটেল এশিয়ান এসআর রুম ভাড়া ১৫০০ থেকে ৪০০০ টাকা। আগ্রাবাদ অবস্থিত হোটেল ল্যান্ডমার্ক এ রাত্রি যাপন করতে গেলে রুম প্রতি নূন্যতম ২৫০০ টাকা খরচ করতে হবে। আর হোটেল রেডিসন ব্লু-তে থাকতে গেলে এক রাতের জন্য গুনতে হবে ১৮০০০ টাকা।

বুদ্ধ ধাতু জাদি যা বান্দরবন স্বর্ণ মন্দির নামে সুপরিচিত, বাংলাদেশের বান্দরবন শহরের বালাঘাটা এলাকায় অবস্থিত। ধাতু বলতে ক...
12/09/2020

বুদ্ধ ধাতু জাদি যা বান্দরবন স্বর্ণ মন্দির নামে সুপরিচিত, বাংলাদেশের বান্দরবন শহরের বালাঘাটা এলাকায় অবস্থিত। ধাতু বলতে কোন পবিত্র ব্যক্তির ব্যবহৃত বস্তুকে বোঝায়। এই বৌদ্ধ মন্দিরে বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বুদ্ধ মূর্তি রয়েছে এবং এটি বাংলাদেশের সর্বাপেক্ষা বড় হীনযান বৌদ্ধ মন্দির। ২০০০ সালে দক্ষিণ পূর্ব এশীয় ধাঁচে বার্মার স্থাপত্যবিদের তত্ত্বাবধানে মন্দিরটি নির্মিত হয়। এই পাহাড়ে একটি পুকুর আছে, নাম দেবতা পুকুর। দেবতা পুকুরটি সাড়ে ৩শত ফুট উচুতে হলে ও সব মৌসুমেই পানি থাকে। বৌদ্ধ ভানে-দের মতে, এটা দেবতার পুকুর তাই এখানে সব সময় পানি থাকে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যের লীলাভূমি বান্দরবানের পর্যটন কেন্দ্র গুলোর মধ্যে অন্যতম একটি হল বুদ্ধ ধাতু জাদি ক্যাং। এই জাদিটি এখন বৌদ্ধ সমপ্রদায়ের তীর্থ স্থানই নয় দেশী বিদেশী পর্যটকদের জন্য অন্যতম আকর্ষনীয় স্পটে পরিণত হয়েছে। এটি স্বর্ণমন্দির নামে পরিচিত পেলেও এটি স্বর্ণ নির্মিত নয়। মূলত সোনালী রঙের জন্যেই এটির নাম হয়েছে স্বর্ণমন্দির।

যাতায়াত :
প্রথমে বান্দরবান আসতে হবে। ঢাকার বিভিন্ন জায়গা থেকে এস. আলম, সৌদিয়া, সেন্টমার্টিন পরিবহন, ইউনিক, হানিফ, শ্যামলি, ডলফিন ইত্যাদি পরিবহনের বাস বান্দারবানের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। জনপ্রতি এসব বাসের ভাড়া যথাক্রমে নন এসি ৬২০-৬৫০ টাকা ও এসি ৯৫০-১৫০০ টাকা। ঢাকা থেকে বাসে বান্দরবান যেতে সময় লাগে ৮-১০ ঘন্টা।

ট্রেনে যেতে চাইলে ঢাকা থেকে চট্রগ্রাম গামী সোনার বাংলা, সুবর্ণ এক্সপ্রেস, তূর্ণা নিশিতা, মহানগর গোধূলি এইসব ট্রেনে করে চট্রগ্রাম যাওয়া যাবে। শ্রেনীভেদে ভাড়া ৩৫০ থেকে ১২০০টাকা। এছাড়া ঢাকা থেকে আকাশ পথে সরাসরি চট্রগ্রাম আসা যায়।

চট্টগ্রামের বদ্দারহাট থেকে পূবালী ও পূর্বানী নামের দুটি বাস বান্দারবানের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। এ দুটি বাসে জনপ্রতি ১২০ টাকা ভাড়া লাগে। চট্রগ্রামের ধামপাড়া বাস স্ট্যান্ড থেকে ২০০-৩০০ টাকা ভাড়ায় বাসে করে বান্দরবান আসা যায়।

বান্দরবান থেকে স্বর্ণমন্দির

ভ্রমণবিধি :
বৌদ্ধধর্মাবলম্বী ব্যতীত অন্যান্য ভ্রমনার্থীদের টিকিটের বিনিময়ে মন্দিরটি দর্শনের ব্যবস্থা রয়েছে। তবে মন্দিরের মূল অংশে অর্থাৎ যেখানে জাদিটি আছে সেখানে সাধারণ দর্শনার্থীদের প্রবেশ করতে দেয়া হয় না। সন্ধ্যা ছয়টার পরে মন্দিরে সাধারণ দর্শনার্থীদের প্রবেশ নিষেধ। মন্দির চত্ত্বরে শর্টপ্যান্ট, লুঙ্গি এবং জুতা পায়ে প্রবেশ নিষিদ্ধ।

রাত্রিযাপন সম্পাদনা
থাকার জন্যে বেশ কিছু হোটেল, রিসোর্ট ও কটেজ রয়েছে। বান্দরবান শহর ও তার আশেপাশেই হোটেল ও রিসোর্ট গুলোর অবস্থান। বান্দরবান থাকার জন্যে যে সকল হোটেল ও রিসোর্ট রয়েছে তার মধ্যে:

হোটেল হিল ভিউ: বান্দরবান শহরের বাস স্ট্যান্ড এর পাশেই। ভাড়া ৮০০ থেকে ২৫০০ টাকা।
হোটেল হিলটন: বান্দরবান শহরের বাস স্ট্যান্ড এর কাছেই। ভাড়া ৮০০ থেকে ৩০০০ টাকা।
হোটেল প্লাজা: বাস স্ট্যান্ড থেকে ৫মিনিট হাঁটা দূরত্বে। ভাড়া ৬০০ থেকে ৩০০০ টাকা।
রিভার ভিউ: শহরের সাঙ্গু নদীর তীর ঘেষে হোটেলটির অবস্থান। ভাড়া ৬০০ থেকে ২০০০ টাকা।
পর্যটন মোটেল: পাহাড় ও লেকের পাশেই অবস্থিত। শহর থেকে ৪ কি:মি: দুরে মেঘলায় অবস্থিত। ভাড়া ১২০০ থেকে ২৫০০ টাকা।
ভোজন :
বান্দরবান শহরে খাওয়ার জন্যে রয়েছে বেশি কিছু রেস্তোরা, তার মধ্যে তাজিং ডং ক্যাফে, মেঘদূত ক্যাফে, ফুড প্লেস রেস্টুরেন্ট, রুপসী বাংলা রেস্টুরেন্ট, রী সং সং, কলাপাতা রেস্টুরেন্ট ইত্যাদি।

নিকটবর্তী দর্শনীয় স্থান :
চিম্বুক পাহাড়
সাইরু হিল রিসোর্ট
শৈল প্রপাত
মেঘলা পর্যটন কেন্দ্র
নীলাচল
নীলগিরি
বগালেক

Address

Nababganj
Dhaka
1320

Telephone

+8801953185518

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ভ্রমন বিলাশ - Bhromon Bilash" posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share