ভ্রমন বিলাশ - Bhromon Bilash"

ভ্রমন বিলাশ - Bhromon Bilash" ভ্রমন পিপাসুদের আড্ডা।

লোকেশন: খানেপুর,বান্দুরা,ঢাকা।
18/12/2023

লোকেশন: খানেপুর,বান্দুরা,ঢাকা।

তুরংছড়া,উৎমাছড়া,ভোলাগঞ্জ। সে এক বিচিত্র দৃশ্য, সে এক নয়নাভিরাম প্রকৃতি, সে এক অপরিমেয় তৃপ্তি,ভালো লাগা ভালোবাসার এই ভূমি...
15/09/2021

তুরংছড়া,উৎমাছড়া,ভোলাগঞ্জ।
সে এক বিচিত্র দৃশ্য,
সে এক নয়নাভিরাম প্রকৃতি,
সে এক অপরিমেয় তৃপ্তি,
ভালো লাগা ভালোবাসার এই ভূমিতে কত যে দেখা অদেখা প্রাকৃতিক লাবন্য লুকিয়ে আছে তার সীমানা অজানা।
ভ্রমণ পিপাসু এই মন খুজে ফিরতে চায় সেই অনন্ত লুকায়িত লাবণ্য।

05/09/2021

ঢাকা সিলেট মহাসড়ক।

23/08/2021

অবাক চোখে তাকিয়ে থাকার মতনই একটি পরিবেশ।

প্রকৃতি এতো সুন্দর চোখে না দেখলে বিশ্বাস করা সত্যিই কঠিন।আলহামদুলিল্লাহ মহান আল্লাহ আমাকে নিজ চোখে এই সুন্দর প্রকৃতি দেখ...
22/08/2021

প্রকৃতি এতো সুন্দর চোখে না দেখলে বিশ্বাস করা সত্যিই কঠিন।
আলহামদুলিল্লাহ মহান আল্লাহ আমাকে নিজ চোখে এই সুন্দর প্রকৃতি দেখার সুযোগ করে দিয়েছেন।
স্থানঃ বাংলাদেশ ভারত সীমান্ত ঘেঁষে থাকা মেঘালয় পাহাড়।

রাজশাহী বিভাগের চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় শিবগঞ্জ উপজেলার শাহবাজপুর ইউনিয়নে সুলতানি স্থাপত্যের রত্ন হিসাবে আখ্যায়িত ছোট সোনা ...
19/09/2020

রাজশাহী বিভাগের চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় শিবগঞ্জ উপজেলার শাহবাজপুর ইউনিয়নে সুলতানি স্থাপত্যের রত্ন হিসাবে আখ্যায়িত ছোট সোনা মসজিদ (Choto Sona Mosque) অবস্থিত। ছোট সোনা মসজিদের প্রধান প্রবেশ পথের উপরে স্থাপিত শিলালিপি থেকে জানা যায়, ১৪৯৩ থেকে ১৫১৯ সালের মধ্যে সুলতান হুসাইন শাহর শাসনকালে জনৈক মনসুর ওয়ালী মুহম্মদ বিন আলী ছোট সোনা মসজিদটি নির্মাণ করেন। প্রচলিত আছে, একসময় মসজিদের গম্বুজগুলো সোনা দিয়ে মোড়ানো ছিল এবং সে কারণেই মসজিদটি সোনা মসজিদ হিসাবে পরিচিতি পায়। আর বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের কাছে ভারতে আয়তনে বড় আরেকটি সোনা মসজিদ থাকায় এই মসজিদটি সকলের কাছে ছোট সোনা মসজিদ নামে প্রসিদ্ধ হয়ে উঠে। মসজিদের সামনের আঙ্গিনা পশ্চিম থেকে পূর্বে ৪২ মিটার এবং দক্ষিণ থেকে উত্তরে ৪৩.৫ মিটার পর্যন্ত বিস্তৃত।

সোনা মসজিদে গ্রানাইটের টালি ব্যবহৃত হয়েছে। সুলতানি স্থাপত্য শৈলীতে নির্মিত ছোট সোনা মসজিদে ইটের তৈরি ১২ টি গম্বুজ রয়েছে। আর মসজিদের চারপাশের দেওয়াল প্রায় ৬ ফূট চওড়া এবং ভেতর ও বাহিরে পাথরের টালি দিয়ে আবৃত। মসজিদের চার কোনায় ৪ টি আটকোনা মিনার রয়েছে। ছোট সোনা মসজিদের পূর্বে ৫ টি এবং দক্ষিণ ও উত্তর দিকে ৩ টি করে ৬ টি খিলান প্রবেশ পথ রয়েছে। পূর্ব দিকের প্রবেশ পথের সোজাসুজি পশ্চিম দিকের দেয়ালে নকশা খচিত ৫ টি মিহরাব আছে।

ঢাকা থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জের দূরত্ব প্রায় ৩০২ কিলোমিটার আর রাজশাহী হয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জের দূরত্ব ৩১৯ কিলোমিটার। চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার কোতোয়ালী গেইট থেকে মাত্র ৩ কিলোমিটার এবং তাহখানা কমপ্লেক্স থেকে আধা কিলোমিটার দূরে ছোট সোনা মসজিদ অবস্থিত। মসজিদের উত্তর পাশে রয়েছে বিশাল এক দিঘী। মসজিদের পশ্চিম দিকে বাংলাদেশ সরকারের প্রত্নতত্ত্ব অধিপ্তর কতৃক নির্মিত একটি আধুনিক গেষ্ট হাউস রয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশ সরকারের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ ঐতিহাসিক ছোট সোনা মসজিদটি তত্ত্বাবধান করছে।

কিভাবে যাবেনঃ

ঢাকা থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ বিভিন্ন ভাবে যেতে পারবেন। ঢাকা থেকে বাসে চাঁপাইনবাবগঞ্জ যেতে চাইলে রাজশাহী হয়ে কিংবা সরাসরি চাঁপাইনবাবগঞ্জ যাওয়া যায়। তবে ঢাকা থেকে ট্রেন কিংবা বিমানে করে যেতে চাইলে আপনাকে আগে রাজশাহী এসে তারপর চাঁপাইনবাবগঞ্জ এতে হবে। মডার্ন, হানিফ এবং শ্যামলী পরিবহনের বাসে রাজশাহী হয়ে সহজে চাঁপাইনবাবগঞ্জ যাওয়া যায়। চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহর থেকে সিএনজি, অটোরিক্সা বা বাসে করে সরাসরি ছোট সোনা মসজিদে যেতে পারবেন।

ঢাকা থেকে রাজশাহী হয়ে সোনা মসজিদ
রাজধানী ঢাকা শহর থেকে সড়ক, রেল এবং আকাশ পথে রাজশাহী যাওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। ঢাকার গাবতলী, কল্যাণপুর থেকে গ্রীন লাইন এবং দেশ ট্রাভেলসের এসি বাস ৮০০ থেকে ১০০০ টাকা ভাড়ায় রাজশাহীর উদ্দেশ্যে যাতায়াত করে। আর শ্যমলি, হানিফ, ন্যাশনাল ট্রাভেলস, বাবলু এন্টারপ্রাইজ প্রভৃতি নন-এসি বাস ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা ভাড়ায় চলাচল করে।

ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশান থেকে সিল্কসিটি এক্সপ্রেস ও পদ্মা এক্সপ্রেস ট্রেন রাজশাহীর উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। এসব ট্রেনে শ্রেনীভেদে ভাড়া শোভন চেয়ার ৩৫০, স্নিগ্ধা ৬০৪, এসি সিট ৭২৫ এবং এসি বার্থ ১০৮১ টাকা।

আকাশ পথে রাজশাহীতে যেতে চাইলে ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স এবং ইউনাইটেড এয়ারের বিমানে ৩৫০০ থেকে ৪৫০০ টাকায় ভ্রমণ করতে পারবেন।

রাজশাহী থেকে লোকাল বাসে চড়ে ৭০ টাকা ভাড়ায় কানসাট এসে, সেখান থেকে ১০ টাকা অটো ভাড়ায় ছোট সোনা মসজিদে পৌঁছাতে পারবেন।

কোথায় থাকবেন

চাঁপাইনবাবগঞ্জে শহরে রাতে থাকার জন্য বেশকিছু হোটেল আছে। শহরেই আছে থ্রি স্টার মানের স্কাই ভিউ ইন (+88 01955 66 88 99)। এছাড়া কম খরচে থাকার জন্যে উল্লেখযোগ্য হোটেলের মধ্যে রয়েছে হোটেল রোজ (01761-855471), লাল বোডিং (01718-279841), হোটেল আল নাহিদ (01713-376902), হোটেল স্বপ্নপুরী (01711-416041), নবাবগঞ্জ বোডিং (01715-167646), হোটেল রংধনু (01712-339687) ইত্যাদি।

কোথায় খাবেন

ছোট সোনা মসজিদের আশেপাশে খাবারের তেমন কোন ব্যবস্থা নেই। তবে চাপাইনবাবগঞ্জে খাবারের জন্য বেশ কিছু বিভিন্ন মানের হোটেল/রেস্টুরেন্ট পাবেন। তবে শিবগঞ্জের আদি চমচম খেতে ভুলবেন করবেন না।

মুক্তাগাছা জমিদার বাড়ি ময়মনসিংহ জেলার মুক্তাগাছা উপজেলার একটি ঐতিহ্যবাহী প্রাচীন স্থাপনা। ময়মনসিংহ থেকে ১৭ কিলোমিটার ...
16/09/2020

মুক্তাগাছা জমিদার বাড়ি ময়মনসিংহ জেলার মুক্তাগাছা উপজেলার একটি ঐতিহ্যবাহী প্রাচীন স্থাপনা। ময়মনসিংহ থেকে ১৭ কিলোমিটার দূরে এই মুক্তাগাছা রাজবাড়ির অবস্থান। তৎকালীন মুক্তাগাছার জমিদার বৃটিশদের কাছ থকে প্রথমে রাজা এবং পরবর্তিতে মহারাজা উপাধি পেয়েছিলেন। তাই জমিদারের এই বাসভবনকে মুক্তাগাছা রাজবাড়ী বলা হয়। মুক্তাগাছা জমিদারির ১৬ টি অংশ ১৬ জন জমিদার শাসন করতেন। মুক্তাগাছা জমিদার বাড়ির প্রবেশমুখে আছে বিশালাকার সিংহ দরজা। রাজবাড়ির ভেতরে আছে জমিদারের মায়ের ঘর, মন্দির, দরবার হল, কাচারিঘর, অতিথি ঘর, সিন্দুক ঘর এবং অন্যান্য ভবন। এছাড়াও এই রাজ বাড়িতে প্রায় ১০,০০০ বইয়ের একটি দূর্লভ লাইব্রেরি ছিল, যা বিভিন্ন সময়ে হুমকির সম্মুখীন হয়। বর্তমানে এর কিছু অংশ মুক্তাগাছা বাংলা একাডেমীতে রক্ষিত আছে। প্রায় ১০০ একর জায়গার ওপর নির্মিত মুক্তাগাছা রাজবাড়িটি প্রাচীন স্থাপত্যশৈলীর অনন্য নিদর্শনের সাক্ষী হয়ে আছে। বর্তমানে রাজবাড়িটি বাংলাদেশ প্রত্নতত্ব অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে রয়েছে।

ইতিহাস:
জমিদার আচার্য চৌধুরীর পূর্বপুরুষ ছিলেন বগুড়ার বাসিন্দা। ১৭২৫ সালে মুক্তাগাছা শহরে জমিদারির গোড়াপত্তন করেন। মুর্শিদ কুলি খাঁর কাছ থেকে শ্রীকৃষ্ণ আচার্য্য পুরস্কার হিসাবে এই বিনোদবাড়ির জমিদারি পান। মুক্তাগাছার পূর্ব নাম ছিল বিনোদবাড়ি। আচার্য চৌধুরী বংশের প্রথম পুরুষ শ্রীকৃষ্ণ আচার্য চৌধুরী মুর্শিদাবাদের দরবারে রাজস্ব বিভাগে কর্মরত ছিলেন। তিনি ১১৩২ সালে মুক্তাগাছাকে আলাপসিং পরগণার অন্তর্ভুক্ত করার বন্দোবস্ত করেন।

কিভাবে যাবেন:
ঢাকা থেকে এনা, আলম এশিয়া, শামীম এন্টারপ্রাইজ (এসি/ননএসি), শৌখিন কিংবা নিরাপদ পরিবহনের এসি/নন-এসি বাসে করে ১৮০ থেকে ৩৭০ টাকা ভাড়ায় ময়মনসিংহ যেতে পারবেন। ঢাকা থেকে ময়মনসিংহ যেতে আড়াই থেকে তিন ঘণ্টা সময় লাগে।

ঢাকা থেকে ট্রেনে ময়মনসিংহ ভ্রমণ করতে চাইলে তিস্তা এক্সপ্রেস (সকাল ৭ঃ৩০), মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেস (দুপুর ২ঃ২০), যমুনা এক্সপ্রেস (বিকেল ৪ঃ৪০), ব্রহ্মপুত্র (সন্ধ্যা ৬ঃ০০) এবং হাওর এক্সপ্রেস (রাত ১১ঃ৫০) এইসব ট্রেনের যে কোনটায় আপনার সময় ও পছন্দমত ট্রেনে সরাসরি ময়মনসিংহ যেতে পারবেন। শ্রেণীভেদে ভাড়া ১২০ থেকে ৩৬০ টাকা। যেতে সময় লাগবে ৩ থেকে ৪ ঘন্টা।

ময়মনসিংহ এসে টাঙ্গাইলগামী বাসে করে ২০-৩০ টাকা ভাড়ায় মুক্তাগাছা যেতে পারবেন। সিএনজি রিজার্ভ বা লোকাল সিএনজিতেও যাওয়া যায় মুক্তাগাছা। লোকাল সিএনজি ভাড়া ৪০-৪৫ টাকা। রিজার্ভ নিতে হলে আপনাকে খরচ করতে হবে ২০০-২৫০ টাকা। ময়মনসিংহ থেকে মুক্তাগাছার দূরত্ব ১৭ কিলোমিটার। যেতে সময় লাগবে ৪০-৫০ মিনিট। মুক্তাগাছা নেমে হেঁটে কিংবা রিক্সা নিয়ে বাজারের ভেতর দিয়ে একটু হাঁটলে মুক্তাগাছা জমিদার বাড়িতে পৌঁছে যাবেন।

ঢাকা থেকে সরাসরি ইসলাম পরিবহনের বাসে করে মুক্তাগাছা আসতে পারবেন, এক্ষেত্রে সময় বেশি লাগবে। এছাড়া আপনার নিজের ব্যক্তিগত গাড়ি নিয়েও মুক্তাগাছা রাজবাড়ীতে যেতে পারবেন।

কোথায় থাকবেন:
মুক্তাগাছায় বেশ কিছু আবাসিক হোটেল রয়েছে। প্রয়োজনে সেগুলিতে থাকতে পারেন। কিংবা ময়মনসিংহ শহরে বিভিন্ন মানের হোটেল থেকে আপনার জন্য ভাল হোটেল বেছে নিতে পারেন। তাছাড়া ভরসা করতে পারেন ময়মনসিংহের আমির ইন্টারন্যাশনাল, হোটেল মুস্তাফিজ অথবা সিলভার ক্যাসেল এর উপর।

কোথায় খাবেন ও কি খাবেন:
মুক্তাগাছার বিখ্যাত মন্ডা খেতে ভুলে গেলে আপনার এই আনন্দময় ভ্রমণ অপূর্ণ থেকে যাবে তাই মন্ডা খেতে অবশ্যই ভুলে যাবেন না। দেড়শ বছরের ঐতিহ্যবাহী গোঁপাল পালের মন্ডার দোকান রাজবাড়ী এর সামনেই। এই মন্ডা সুনাম সারা দেশের মানুষের কাছেই অতি সুপরিচিত। একমাত্র মুক্তাগাছাতেই পাবেন সেই আসল ও অকৃত্রিম একমাত্র মন্ডার দোকান। প্রতি পিস মন্ডার দাম ২২ টাকা, কেজি প্রতি ৪৪০ টাকা।

এছাড়া ভারি খাবার খেতে চাইলে মুক্তাগাছা বাজারেই মোটামুটি মানের হোটেল আছে, খেয়ে নিতে পারবেন। এছাড়া ময়মনসিংহ শহরে খেতে চাইলে প্রেসক্লাব ক্যান্টিনের মোরগ পোলাওয়ের স্বাধ চেখে দেখতে পারেন। এছাড়া ভাল মানের খাবারের জন্য হোটেল ধানসিঁড়ি ও হোটেল সারিন্দার বেশ সুনাম রয়েছে।

বন্দর নগরী চট্টগ্রাম থেকে প্রায় ১৪ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত বাংলাদেশ নেভাল একাডেমি। নৌবাহিনীর শিক্ষানবিশ ক্যাডেটদের শি...
14/09/2020

বন্দর নগরী চট্টগ্রাম থেকে প্রায় ১৪ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত বাংলাদেশ নেভাল একাডেমি। নৌবাহিনীর শিক্ষানবিশ ক্যাডেটদের শিক্ষা দান ও মৌলিক প্রশিক্ষণের জন্য প্রতিষ্ঠিত একটি জাতীয় প্রতিষ্ঠান। সুবজে ঢাকা এই একাডেমির ও পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতের সৌন্দর্য আরও বাড়িয়ে দিয়েছে নেভাল সমুদ্র সৈকত। বাংলার অপরূপ সৌন্দর্য যেন আছড়ে পড়ছে।

সৌন্দর্যে অপরূপ হলেও ইচ্ছা করলেই সাধারণ জনগণের প্রবেশের অনুমতি নেই। বিশেষ ক্ষেত্রে নৌবাহিনীর অনুমতি মিললে তবেই প্রবেশ করতে পারবেন সাধারণ মানুষ। তবে ভেতরে প্রবেশ করতে না পারলেও পাশেই পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত। সেখানে দাঁড়িয়ে নেভেল সমুদ্র সৈকতের অপরূপ দৃশ্য দেখা যায়।

নেভাল সমুদ্র সৈকতটি মূলত নৌবাহিনীর প্রশিক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়। সেখান থেকে সমুদ্রের বুকে শত শত জাহাজের দৃশ্য চোখে পড়ে। নৌবাহিনীর অধীনে পরিচালিত হওয়ায় এটি যেমন নিরাপদ তেমনি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও সাজানো। ১৯৯১ সালের ঘূর্ণিঝড়ে এই সৈকতটি ভয়াবহভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।

বর্তমানে সমুদ্র সৈকতে সিমেন্ট দিয়ে তৈরি করা বেড়িবাঁধ দেয়া হয়েছে। আর সেই বাধের উপর লাগানো হয়েছে ঘাস। সমান করে ছাটা ঘাস যেন সবুজ কার্পেট। পাশেই পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত। যা কর্ণফুলী নদীর মোহনায় অবস্থিত। দুটি সৈকতের মধ্যে মাত্র কাঁটাতারের বেড়া দূরত্ব। ফলে পতেঙ্গা থেকেও সৌন্দর্য উপভোগ করা যায় নেভাল সৈকতের।
পতেঙ্গা সৈকতে ভ্রমণ পিপাসুদের আনা-গোনা আগের চেয়ে অনেক বেড়েছে। ফলে সংস্কার করা হয়েছে রাস্তাঘাট। জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা। রয়েছে ট্যুরিস্ট পুলিশ। সমুদ্র সৈকতের ঝাউবনের ছায়াতলে রয়েছে খাবারের দোকানসহ হরেক রকম পণ্যের দোকান-পাট। সৈকতে বাতির আলোয় রাতে ভ্রমণকারী পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়েছে।

পতেঙ্গা সৈকতের প্রস্থ খুব বেশি না হওয়ার সমুদ্রে সাঁতার কাটা ঝুঁকিপূর্ণ। এ ছাড়া জোয়ারের সময় অনেকটা উত্তাল হয়ে ওঠে। সমুদ্র সৈকতজুড়ে ভাঙন ঠেকাতে কংক্রিটের দেয়াল এবং বড় পাথরের খণ্ড দিয়ে বাধ তৈরি করা হয়েছে।

পতেঙ্গা বা নেভাল সমুদ্র সৈকতে যেতে হলে প্রথমে চট্টগ্রাম যেতে হবে। সেখান থেকে বাস, সিএনজি বা হিউমেন হলার দিয়ে যাওয়া যাবে পতেঙ্গা বা নেভাল সমুদ্র সৈকতে।

Address

Nababganj
Dhaka
1320

Telephone

+8801953185518

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ভ্রমন বিলাশ - Bhromon Bilash" posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share