Century travel & tourism services

Century travel & tourism services Travel & tourism related services

20/08/2025

05/08/2025

জরুরি সরকারি হস্তক্ষেপের আবেদন: ডিজিটাল প্রতারণার নতুন চক্র এবং বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পের ভবিষ্যৎ রক্ষার রূপরেখা

ভূমিকা: একটি ডিজিটাল সুনামির আশঙ্কা

বাংলাদেশের পর্যটন শিল্প এক নীরব অথচ বিধ্বংসী ডিজিটাল সুনামির মুখে দাঁড়িয়ে আছে। অনলাইন ট্রাভেল এজেন্সি বা OTA-এর নামে গড়ে ওঠা কিছু অসাধু চক্র অভিনব কৌশলে বাজার থেকে শত শত কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে পালিয়ে যাচ্ছে, যা কেবল হাজারো গ্রাহক এবং সৎ ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের সর্বস্বান্ত করছে না, বরং দেশের উদীয়মান ডিজিটাল অর্থনীতি, ব্যাংকিং খাত এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ভাবমূর্তিকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। এই প্রতারণা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; এটি একটি সুসংগঠিত আর্থিক অপরাধ যা পর্যটন শিল্পের বিভিন্ন অংশীদারদের (Stakeholders) প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সহযোগিতায় ভয়ংকর রূপ নিয়েছে। এই অপরাধ চক্রকে সমূলে উৎপাটন করতে এবং ভবিষ্যতে এর পুনরাবৃত্তি রোধে একটি জরুরি, সমন্বিত এবং কঠোর সরকারি পদক্ষেপ অত্যাবশ্যক।
প্রতারণার এই জটিল চক্রের প্রতিটি স্তর উন্মোচন করা হলো এবং এর প্রতিকারে সুস্পষ্ট সরকারি কর্মপরিকল্পনার রূপরেখা দেওয়া হলো।
________________________________________
প্রতারণার ব্লুপ্রিন্ট: যেভাবে সাজানো হয় এই ডিজিটাল ফাঁদ
প্রতারক OTA-গুলোর কার্যপদ্ধতি একটি নিখুঁত "পনজি স্কিম" (Ponzi Scheme)-এর আধুনিক সংস্করণ। তাদের কার্যক্রম কয়েকটি ধাপে বিভক্ত:
1. বাজার দখল (Market Predation): অবিশ্বাস্য এবং অবাস্তব ছাড় (কখনো কখনো ৩০-৪০%) দিয়ে গ্রাহক ও ক্ষুদ্র এজেন্টদের আকৃষ্ট করা হয়। এই ছাড়ের টাকা তারা ভর্তুকি দেয় মূলত অন্য গ্রাহক বা ক্ষুদ্র এজেন্টদের থেকে নেওয়া অগ্রিম অর্থ থেকে।
2. নগদ প্রবাহ (Cash Flow) তৈরি: ক্ষুদ্র এবং নন-IATA এজেন্টদেরকে আকর্ষণীয় ক্যাশব্যাক অফার দিয়ে তাদের কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা অগ্রিম আমানত (Advance Wallet Deposit) সংগ্রহ করা হয়। এই টাকাই হয়ে ওঠে তাদের প্রতারণার মূল চালিকাশক্তি।
3. কৃত্রিম বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জন: ব্যাংক, এয়ারলাইন্স এবং অ্যাসোসিয়েশনের সাথে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে নিজেদেরকে একটি নির্ভরযোগ্য ব্র্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হয়। মিডিয়া এবং সামাজিক মাধ্যমে চলে ব্যাপক প্রচার।
4. অর্থ আত্মসাৎ এবং পলায়ন (The Great Escape): যখন বাজারে তাদের দেনার পরিমাণ সম্পদের চেয়ে বহুগুণে বেড়ে যায় এবং নতুন গ্রাহক বা এজেন্টদের কাছ থেকে আসা অর্থের প্রবাহ কমে আসে, তখন তারা হঠাৎ করেই সমস্ত কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়। সার্ভার বন্ধ, অফিস তালাবদ্ধ এবং পরিচালকরা লাপাত্তা—এই হলো তাদের শেষ দৃশ্য।
________________________________________
সহযোগী অংশীদারদের ভূমিকা: কারা এবং কীভাবে এই প্রতারণার জাল বুনতে সাহায্য করে?
এই ভয়াবহ প্রতারণা OTA-গুলোর একার পক্ষে সম্ভব নয়। শিল্পের বিভিন্ন প্রভাবশালী অংশীদারদের লোভ, উদাসীনতা এবং দুর্বল নীতিমালার সুযোগ নিয়েই এই চক্রটি শক্তিশালী হয়।
১. এয়ারলাইন্স এবং জিএসএ (GSA): বিক্রয় লক্ষ্যমাত্রার অন্ধ প্রতিযোগিতা
• ভূমিকা: এয়ারলাইন্সগুলো বিক্রয় বাড়ানোর জন্য OTA-সহ বিভিন্ন এজেন্টদের বিক্রয় লক্ষ্যমাত্রা (Sales Target) বেঁধে দিয়ে আকর্ষণীয় প্রণোদনা বা ইনসেনটিভ (Volume Incentive) অফার করে। প্রতারক OTA-গুলো এই ইনসেনটিভ পাওয়ার লোভে উৎপাদন খরচের চেয়েও কম দামে টিকিট বিক্রি করে একটি কৃত্রিম বিক্রয় উল্লম্ফন তৈরি করে।
• সরকারের জন্য সতর্কবার্তা: এয়ারলাইন্সগুলো কেবল তাদের টিকিট বিক্রি হওয়া নিয়ে সন্তুষ্ট থাকে। একটি OTA কীভাবে বা কোন মূল্যে টিকিট বিক্রি করছে, সেই ব্যবসায়িক মডেলটি টেকসই কি না, তা খতিয়ে দেখার কোনো ব্যবস্থা তাদের নেই। তাদের এই উদাসীনতাই প্রতারকদের প্রাথমিক পুঁজি যোগাতে সাহায্য করে।
২. ব্যাংক: ক্রেডিট কার্ডের অফারের নামে অসুস্থ প্রতিযোগিতা
• ভূমিকা: ব্যাংকগুলো তাদের ক্রেডিট কার্ডের লেনদেন বাড়াতে OTA-গুলোর সাথে জোট বেঁধে এমন সব ছাড় অফার করে, যা এয়ারলাইন্স কর্তৃক নির্ধারিত এজেন্টের কমিশনের (সাধারণত ৭%) চেয়ে অনেক বেশি। এই অতিরিক্ত ছাড়ের টাকা যে OTA নিজের লোকসানি তহবিল থেকে দিচ্ছে, তা জেনেও ব্যাংকগুলো এই চুক্তি চালিয়ে যায়।
• সরকারের জন্য সতর্কবার্তা: ব্যাংকগুলোর এই অনৈতিক জোট কেবল সুস্থ প্রতিযোগিতাকেই ধ্বংস করে না, বরং গ্রাহকদেরকে প্রতারণার ফাঁদে পা দিতে উৎসাহিত করে। অ্যাসোসিয়েশন অব ট্রাভেল এজেন্টস অব বাংলাদেশ (আটাব) বারবার আপত্তি জানালেও ব্যাংকগুলো নিজেদের ব্যবসায়িক স্বার্থে এই কার্যক্রম বন্ধ করেনি। ব্যাংকিং খাতের এই দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণ প্রতারকদের একটি বৈধতার মুখোশ পরিয়ে দেয়।
৩. গ্লোবাল ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেম (GDS): সেগমেন্ট জালিয়াতি (Churning)
• ভূমিকা: GDS প্ল্যাটফর্মে প্রতিটি টিকিট বুকিংকে একটি "সেগমেন্ট" বলা হয় এবং এর জন্য এজেন্টরা নির্দিষ্ট অর্থ পায়। প্রতারক OTA-গুলো কোনো প্রকৃত ভ্রমণ ছাড়াই একই যাত্রীর নামে বারবার টিকিট বুকিং এবং বাতিল করার মাধ্যমে হাজার হাজার নকল সেগমেন্ট তৈরি করে। এই প্রক্রিয়াকে "Churning" বলা হয়, যা এক ধরনের ডিজিটাল জালিয়াতি। এর মাধ্যমে তারা GDS থেকে অবৈধভাবে বিপুল অর্থ আয় করে।
• সরকারের জন্য সতর্কবার্তা: GDS কোম্পানিগুলো এই জালিয়াতি সম্পর্কে অবগত থাকলেও তাদের প্রতিরোধ ব্যবস্থা অত্যন্ত দুর্বল। তাদের প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে যে একটি আর্থিক অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে, সে বিষয়ে তারা সম্পূর্ণরূপে উদাসীন থাকে।
৪. ক্ষুদ্র এবং নন-IATA এজেন্ট: নির্ভরশীলতা এবং লোভের শিকার
• ভূমিকা: দেশের হাজার হাজার ক্ষুদ্র ট্রাভেল এজেন্ট, যাদের IATA লাইসেন্স নেই, তারা টিকিট ব্যবসার জন্য বড় OTA-গুলোর ওপর নির্ভরশীল। প্রতারক OTA-গুলো এদেরকে সামান্য বেশি লাভ বা ক্যাশব্যাকের লোভ দেখিয়ে তাদের ওয়ালেটে কোটি কোটি টাকা অগ্রিম জমা রাখতে বাধ্য করে। এই ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরাই এই প্রতারণার সবচেয়ে বড় শিকার।
• সরকারের জন্য সতর্কবার্তা: এই ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের রক্ষা করার কোনো প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা নেই। তাদের পুঁজি এবং স্বপ্ন দুটোই এই প্রতারক চক্রের কারণে ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে, যা দেশের অর্থনীতিতে একটি নীরব রক্তক্ষরণ ঘটাচ্ছে।
৫. অ্যাসোসিয়েশন: দুর্বল নজরদারি এবং আপোস
• ভূমিকা: ট্রাভেল এজেন্টদের নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে পরিচিত অ্যাসোসিয়েশনগুলোর দায়িত্ব হলো শিল্পের শৃঙ্খলা রক্ষা করা। কিন্তু প্রায়শই দেখা যায়, তারা এই প্রতারক OTA-গুলোর কাছ থেকে মোটা অঙ্কের চাঁদা বা স্পনসরশিপ গ্রহণ করে এবং বিভিন্ন অনুষ্ঠানে তাদের প্রচার করে।
• সরকারের জন্য সতর্কবার্তা: এই অ্যাসোসিয়েশনগুলোর দুর্বল নজরদারি এবং ক্ষেত্রবিশেষে আপোসকামিতার কারণে প্রতারক প্রতিষ্ঠানগুলো সহজে সমাজে বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জন করে। নিয়ন্ত্রকদের এই ব্যর্থতা পুরো শিল্পকে ঝুঁকির মুখে ফেলে দিয়েছে।
________________________________________
প্রস্তাবিত জরুরি সরকারি পদক্ষেপ: প্রতারণা নির্মূলের সমন্বিত রূপরেখা
এই ডিজিটাল অপরাধ চক্রকে সমূলে উৎপাটন করতে এবং ভবিষ্যতে এর পুনরাবৃত্তি রোধে সরকারের বিভিন্ন সংস্থাকে নিয়ে একটি সমন্বিত টাস্কফোর্স গঠন করে নিম্নলিখিত পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করা অপরিহার্য:
১. কঠোর লাইসেন্সিং এবং মনিটরিং ব্যবস্থা:
• বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়-এর অধীনে OTA-গুলোর জন্য একটি পৃথক এবং কঠোর লাইসেন্সিং ব্যবস্থা চালু করতে হবে।
• লাইসেন্সের শর্ত হিসেবে ন্যূনতম পরিশোধিত মূলধন (Paid-up Capital), ব্যাংক গ্যারান্টি এবং বাধ্যতামূলক অডিট রিপোর্টের বিধান রাখতে হবে।
২. আর্থিক অপরাধ তদন্ত এবং আন্তঃসংস্থা সমন্বয়:
• বাংলাদেশ ব্যাংক, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR), ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী-এর সমন্বয়ে একটি স্থায়ী "OTA মনিটরিং সেল" গঠন করতে হবে।
• অস্বাভাবিক কম মূল্যে টিকিট বিক্রিকারী OTA-গুলোর আর্থিক লেনদেন এবং ব্যবসায়িক মডেল নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করতে হবে।
৩. ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ:
• বাংলাদেশ ব্যাংক-কে নির্দেশ দিতে হবে যেন কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান এয়ারলাইন্স নির্ধারিত কমিশনের চেয়ে বেশি ছাড়ের অফার দিয়ে OTA-এর সাথে চুক্তি করতে না পারে। এই নিয়ম লঙ্ঘন করলে সংশ্লিষ্ট ব্যাংককে মোটা অঙ্কের জরিমানা করতে হবে।
৪. এয়ারলাইন্স এবং GDS-এর দায়বদ্ধতা:
• এয়ারলাইন্সগুলোকে তাদের এজেন্টদের ব্যবসায়িক কার্যক্রম পর্যবেক্ষণের জন্য দায়বদ্ধ করতে হবে। কোনো OTA অস্বাভাবিক কম দামে টিকিট বিক্রি করলে তা খতিয়ে দেখার দায়িত্ব এয়ারলাইন্সের ওপর বর্তাবে।
• GDS কোম্পানিগুলোকে "Churning" বা সেগমেন্ট জালিয়াতি রোধে কার্যকর প্রযুক্তি ব্যবহার করতে এবং জালিয়াতির প্রমাণ পেলে সংশ্লিষ্ট OTA-এর বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে বাধ্য করতে হবে।
৫. ভোক্তা এবং ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা সুরক্ষা:
• প্রতারণার শিকার হওয়া ক্ষুদ্র এজেন্টদের জন্য সহজ শর্তে প্রণোদনা বা ঋণ সহায়তা প্রদানের ব্যবস্থা করতে হবে।
• বিটিআরসি (BTRC) এবং সরকারের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে গ্রাহকদের সচেতন করার জন্য ব্যাপক প্রচার চালাতে হবে। বিজ্ঞাপনে "শর্ত প্রযোজ্য" লেখার মতো প্রতারণামূলক ফাঁকফোকর বন্ধ করতে হবে।
উপসংহার
OTA প্রতারণা এখন আর কেবল কিছু গ্রাহকের টাকা হারানোর ঘটনা নয়; এটি একটি জাতীয় সংকট, যা আমাদের ডিজিটাল অর্থনীতির বিশ্বাসযোগ্যতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। "ফ্লাইট এক্সপার্ট", "২৪টিকেট.কম" বা "হালট্রিপ"-এর মতো ঘটনাগুলো এই খাতের নিয়ন্ত্রকহীনতার ভয়াবহ পরিণতির উদাহরণ। সরকার যদি এখনই কঠোর এবং সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণ না করে, তবে ভবিষ্যতে আরও বড় ধরনের ডিজিটাল বিপর্যয় ঘটা অবশ্যম্ভাবী। দেশের পর্যটন শিল্প এবং ডিজিটাল অর্থনীতির স্বার্থে এই প্রতারক চক্র এবং তাদের সহযোগীদের এখনই রুখে দেওয়া অপরিহার্য।
-সংগৃহীত

👉👉ভিজিট ভিসা ✈️✈️এয়ার টিকেট ♦️♦️ ট্যুর প্যাকেজ🏦🏦 হোটেল বুকিং ♦️♦️  ♦️♦️উপরের বিষয়গুলো নিতে এখনি আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন...
18/05/2023

👉👉ভিজিট ভিসা ✈️✈️এয়ার টিকেট ♦️♦️ ট্যুর প্যাকেজ
🏦🏦 হোটেল বুকিং ♦️♦️ ♦️♦️
উপরের বিষয়গুলো নিতে এখনি আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন, নিচের নাম্বারে কল করুন
☎ 01922121198

Century Travel & TourismFly to any International and Domestic Destination and get Attractive Prices on Air Ticket Purcha...
07/01/2023

Century Travel & Tourism

Fly to any International and Domestic Destination and get Attractive Prices on Air Ticket Purchases..!

Our services
Air Ticket Booking
Tourist Visa Processing
Hotel Booking
Tour Guide
Holiday Packages
Foregin Dollar Endosement

Century Travel & Tourism
Address: Century Centre, -225, Progati Sarani, Merul Badda, Dhaka - 1212

Call or what's up
Ali Razz: 01707-221082
Soyeb: 01922-121198

facebook: https://www.facebook.com/CenturyTravellersClubBd
website: https://www.centurygroup.info/

১০ দিন ও ১৪ দিনের প্যাকেজে।   ✅ ⬇️ ১০ দিনের প্যাকেজ - (১ রুমে ৪ জন) ▶ ইকোনোমি প্যাকেজ (৩* হোটেল) – ১,৪০,৫০০ /- (জনপ্রতি ...
05/09/2022

১০ দিন ও ১৪ দিনের প্যাকেজে।
✅ ⬇️ ১০ দিনের প্যাকেজ - (১ রুমে ৪ জন)
▶ ইকোনোমি প্যাকেজ (৩* হোটেল) – ১,৪০,৫০০ /- (জনপ্রতি – ১ রুমে ৪ জন)
▶ স্ট্যান্ডার্ড প্যাকেজ (মক্কায় ৫/মদিনা ৩ হোটেল) – ১,৭২,৫০০ /- (জনপ্রতি – ১ রুমে ৪ জন)
▶ ভি আই পি প্যাকেজ (৫* হোটেল) – ২,১০,৫০০ /- (জনপ্রতি – ১ রুমে ৪ জন)

✅ ⬇️ ১০ দিনের প্যাকেজ - (১ রুমে ২ জন)
▶ ইকোনোমি প্যাকেজ (৩* হোটেল) – ১, ৪৭,৫০০ /- (জনপ্রতি – ১ রুমে ২ জন)
▶ স্ট্যান্ডার্ড প্যাকেজ (মক্কায় ৫/মদিনা ৩ হোটেল) – ১,৭৯,৫০০ /- (জনপ্রতি – ১ রুমে ২ জন)
▶ ভি আই পি প্যাকেজ (৫* হোটেল) – ২,১৭,৫০০ /- (জনপ্রতি – ১ রুমে ২ জন)

✅ ⬇️ ১৪ দিনের প্যাকেজ - (১ রুমে ৪ জন)
▶ ইকোনোমি প্যাকেজ (৩* হোটেল) – ১,৫১,৫০০ /- (জনপ্রতি – ১ রুমে ৪ জন)
▶ স্ট্যান্ডার্ড প্যাকেজ প্যাকেজ (মক্কায় ৫/মদিনা ৩ হোটেল) – ২,০৪,৫০০ /- (জনপ্রতি – ১ রুমে ৪ জন)
▶ ভি আই পি প্যাকেজ (৫* হোটেল) – ২,২৭,৫০০ /- (জনপ্রতি – ১ রুমে ৪ জন)

✅ ⬇️ ১৪ দিনের প্যাকেজ - (১ রুমে ২ জন)
▶ ইকোনোমি প্যাকেজ (৩* হোটেল) – ১,৫৮,৫০০/- (জনপ্রতি – ১ রুমে ২ জন)
▶ স্ট্যান্ডার্ড প্যাকেজ প্যাকেজ (মক্কায় ৫/মদিনা ৩ হোটেল) – ২,১১,৫০০/-(জনপ্রতি – ১ রুমে ২ জন)
▶ ভি আই পি প্যাকেজ (৫* হোটেল) – ২,৩৪,৫০০/- (জনপ্রতি – ১ রুমে ২ জন)

প্যাকেজে কি কি থাকছে :

✈️ রিটার্ন এয়ার টিকেট - সরাসরি ফ্লাইট (বাংলাদেশ বিমান / সাউদিয়া এয়ারলাইন্স)
ওমরাহ্ ভিসা
হেলথ ইনস্যুরেন্স
৫* ও ৩ *হোটেল
সকল ট্রান্সপোর্টঃ জেদ্দা – মক্কা – মদিনা সৌদি আরবের সকল পরিবহন (বাস/প্রাইভেট কার/মাইক্রো ইকোনোমি ও ভি আই পি প্যাকেজ অনুয়াযী ফিক্সড হয় )
মক্কায়ঐতিহাসিক স্থানসমূহ পরিদর্শন - জিয়ারা
মদিনায় ঐতিহাসিক স্থানসমূহ পরিদর্শন - জিয়ারা

🍜 ব্রেকফাস্ট (শুধু ভি আই পি প্যাকেজে অন্তর্ভুক্ত )
স্কলারস উমরাহ্ ও জিয়ারা গাইড

🥘 সবগুলো প্যাকেজে খাবার অন্তর্ভুক্ত নয় ।

🛂 ** শর্ত প্রযোজ্য ( রিয়ালের রেট পরিবর্তনের কারণে ও মাসের ক্ষেত্রে প্যাকেজ মূল্য পরিবর্তন হতে পারে।)

উমরাহ্ সফরের তারিখসূমহ : সেপ্টেম্বর, অক্টোবর, নভেম্বর, ডিসেম্বর – ২০২২

২০২২ সালের উমরাহ্ সফরের তারিখ :

সেপ্টেম্বর ২০২২ – ১৫, ২৮
অক্টোবর ২০২২ – ১৩, ২৭
নভেম্বর ২০২২ – ০৯, ২৩, ৩০
ডিসেম্বর ২০২২ – ০৭, ২১, ২৮

আপনার উমরাহ্ বুকিং করতে বা কনফার্ম করতে আমাদের ম্যানেজারের সাথে কথা বলুন -
Soyeb: 01922-121198
Ali Razz: 01707-221082

07/02/2020

ট্র্যাভেল ডেস্ক : 'এত স্নিগ্ধ নদী কাহার/ কোথায় এমন ধুম্র পাহাড়/ কোথায় এমন হরিৎক্ষেত্র আকাশ তলে মেশে?' কবি দ্বিজেন্দ্...

Address

Century Centre, Kha-225 Pragoti Sarani, Merul Badda, Gulshan
Dhaka
1212

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Century travel & tourism services posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Century travel & tourism services:

Share