Saiyma Enterprise C&F Agent

Saiyma Enterprise C&F Agent Sayma Enterprise is an established Clearing & Forwarding Agent situated in Dhaka. Our working philos

28/02/2016

-::: জরুরি ঘোষণা :::-

নতুন ট্যাক্স সংক্রান্ত রিপোস্ট...

[মোবাইল]
২টি শুল্কমুক্ত। আরও ৩টি শুল্কযুক্ত, প্রতিটির মুল্যের উপর ৩৫%। মোট ৫টির বেশি না আনাই ভাল, BTRC'র ছাড়পত্র লাগবে।

[ল্যাপটপ]
১টি শুল্কমুক্ত। আরও ১টি ২০% শুল্কযুক্ত। মোট ২টির বেশি হলে CCI&E'র ছাড়পত্র লাগবে।

[টেলিভিশন]
২১" পর্যন্ত শুল্কমুক্ত। ২২"-২৯" হলে ১০,০০০ টাকা, ৩০"-৩৬" হলে ১৫,০০০ টাকা, ৩৭"-৪২" হলে ২০,০০০ টাকা, ৪৩"-৪৬" হলে ৩০,০০০ টাকা, ৪৭"-৫২" হলে ৫০,০০০ টাকা, ৫৩" এর বেশি হলে ৭০,০০০ টাকা শুল্ক।

[মুদ্রা]
বাংলাদেশী মুদ্রা মাত্র ৫০০০, বৈদেশিক মুদ্রা আনলিমিটেড। ৫,০০০ ডলার/সমমানের বেশি হলে কাস্টমসের নিকট FMJ ফরমে ঘোষণা দিতে হবে। অন্যথা সাদা টাকা কালো হয়ে যাবে।

[সিগারেট]
মাত্র ১ কার্টন তথা ২০০ শলাকা

[হার্ড ড্রিংকস]
কেবল বিদেশী পাসপোর্টধারীদের জন্য ১ লিটার

[স্বর্ণালংকার]
১০০ গ্রাম পর্যন্ত শুল্কমুক্ত। অতিরিক্ত প্রতি গ্রামে ১,৫০০ টাকা শুল্ক। বাণিজ্যিক পরিমাণ বিবেচিত হলে CCI&E'র ছাড়পত্র লাগবে। চোরাচালান মনে হলে জেলে যাবেন

স্বর্ণবার/বিস্কুট
শুল্কযুক্ত। প্রতি ১১.৬৬৪ গ্রামে (১ ভরি) ৩,০০০ টাকা। ২০০ গ্রাম পর্যন্ত আনতে পারবেন।

গ্রিন পোর্টের তালিকায় আবারও অন্তর্ভুক্ত চট্টগ্রামকঠোর নজরদারির পাশাপাশি দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার ফলে চট্টগ্রাম বন্দর এবং বন্...
17/02/2016

গ্রিন পোর্টের তালিকায় আবারও অন্তর্ভুক্ত চট্টগ্রাম
কঠোর নজরদারির পাশাপাশি দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার ফলে চট্টগ্রাম বন্দর এবং বন্দরের বহির্নোঙ্গর এলাকায় জলদস্যুতার হার শূন্যের কোটায় নেমে এসেছে। অপেক্ষমাণ জাহাজে ছোটখাটো রশি কিংবা মালামাল চুরির ঘটনা ঘটলেও গত কয়েক বছরে ক্যাটাগরি ওয়ান অর্থাৎ কোনো বিপজ্জনক ঘটনা ঘটেনি এ অঞ্চলে। যে কারণে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর ঝুঁকিপূর্ণ বন্দরের তালিকা থেকে গ্রিন পোর্টের তালিকায় ফিরে এসেছে চট্টগ্রাম বন্দর। বুধবার সময় টিভি'র এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য ওঠে আসে। প্রতিবেদনে বলা হয়, কয়েক বছর আগেও গভীর বঙ্গোপসাগর এবং বহির্নোঙ্গরে জলদস্যুতার কারণে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর ঝুঁকিপূর্ণ বন্দরের তালিকায় প্রথমদিকেই ছিলো চট্টগ্রাম বন্দরের নাম। যে কারণে এখানে আসা জাহাজের বীমার পরিমাণও ছিলো তুলনামূলক বেশি। ছোট ছোট প্রতিষ্ঠানের জাহাজগুলো কোনোভাবে আসলেও বিশ্বের নামকরা প্রতিষ্ঠানের জাহাজগুলো আসত না। কিন্তু এখন পরিস্থিতি অনেকটা পাল্টে গেছে। চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স সভাপতি মাহবুবুল আলম বলেন, ‘আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ শ্রীলঙ্কা, করাচী বন্দর, মায়ানমার বন্দরের থেকে চট্টগ্রাম বন্দর অনেকদূর এগিয়ে গেছে।’ ক্রমাগতভাবে জলদস্যুতা বাড়ার কারণে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো ২০০৪ সালে চট্টগ্রাম বন্দরকে ঝুঁকিপূর্ণ বন্দরের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে। এরপর থেকে বন্দর কর্তৃপক্ষ এবং কোস্টগার্ডের নানামুখী উদ্যোগে জলদস্যুতার পরিমাণ অনেকটা কমে আসে। কোস্টগার্ড মহাপরিচালক রিয়ার এডমিরাল এম মকবুল হোসেন বলেন, ‘আমরা ২০১৩ সালে পৃথিবীর ঝুঁকিপুর্ণ বন্দর থেকে বাংলাদেশের নাম কেটে ফেলেছি। আমাদের আর ঝুঁকিপুর্ণ বন্দর বলা হয় না।’ ইন্টারন্যাশনাল মেরিটাইম সংস্থাগুলোর তথ্য অনুযায়ী, ২০১১ সাল থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত বন্দরের বহির্নোঙ্গরে ৫৭টি ছোটখাট চুরির ঘটনা ঘটেছে। তবে ক্যাটাগরীর ওয়ান টাইপের কোনো ঘটনা ঘটেনি বলে দাবি করেন চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ প্রশাসন ও পরিকল্পনা সদস্য জাফর আলম। গ্রিন পোর্ট হিসেবে পরিচিতি পাওয়ায় এর সুফল হিসেবে গত বছর চট্টগ্রাম বন্দরে এসেছে প্রায় দু’হাজার পণ্যবাহী জাহাজ। আর বন্দর কর্তৃপক্ষ হ্যান্ডলিং করেছে অন্তত ২০ লাখ টিইউএস কন্টেইনার।

মুঠোফোন আমদানিকারক চার প্রতিষ্ঠানের ওপর তদন্ত প্রতিবেদনকম মূল্য দেখিয়ে শুল্ক ফাঁকি ১৮ কোটি টাকামিথ্যা ঘোষণায় কম মূল্য ...
15/02/2016

মুঠোফোন আমদানিকারক চার প্রতিষ্ঠানের ওপর তদন্ত প্রতিবেদন

কম মূল্য দেখিয়ে শুল্ক ফাঁকি ১৮ কোটি টাকা

মিথ্যা ঘোষণায় কম মূল্য দেখিয়ে মুঠোফোন আমদানিতে শুল্ক ফাঁকি দেওয়া হয়েছে। রাজধানীর চারটি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান ওকাপিয়া, উইনম্যাক্স, উইনস্টার ও ম্যাক্সিমাস ব্র্যান্ডের মুঠোফোন আমদানি করে ১৮ কোটি ৩০ লাখ টাকার শুল্ক ফাঁকি দিয়েছে। শুল্কায়ন করার সময় আমদানিকারকেরা এসব মুঠোফোনের প্রকৃত মূল্যের চেয়ে কম দেখিয়ে প্রাপ্য শুল্ক-কর দেয়নি।
প্রতিষ্ঠানগুলো হলো রাজধানীর মোতালিব প্লাজার তাহসিন এন্টারপ্রাইজ, নামিরা এন্টারপ্রাইজ, গুলশানের কোয়ারটেল ইনফোটেক লিমিটেড এবং উত্তরার অ্যান্ড বি ট্রেডিং। এসব প্রতিষ্ঠান চীন ও হংকং থেকে মুঠোফোন আমদানি করে শুল্ক ফাঁকি দিয়েছে।
সম্প্রতি শুল্ক মূল্যায়ন ও অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা কমিশনারেটের এক তদন্ত প্রতিবেদনে শুল্ক ফাঁকির এ চিত্র উঠে এসেছে। এই কমিশনারেটের কর্মকর্তারা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত বছরের জানুয়ারি মাসে এ চারটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেন। সম্প্রতি তদন্ত প্রতিবেদন চূড়ান্ত করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রাথমিকভাবে ঢাকা ও চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসে দাখিল করা ওই চারটি প্রতিষ্ঠানের ২৩২টি বিল অব এন্ট্রি (বিই) পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে তদন্ত দল। এসব বিল অব এন্ট্রির মাধ্যমে ২৫ লাখ ৬৬ হাজার ৫৪৫টি মুঠোফোন সেট খালাস করা হয়েছে। এসব সেটের প্রকৃত মূল্য গোপন করে ১৮ কোটি ২৯ লাখ ৮৪ হাজার টাকার শুল্ক-কর ফাঁকি দেওয়া হয়েছে।
সবচেয়ে বেশি ১৩ কোটি ৩১ লাখ টাকা শুল্ক-কর ফাঁকি দিয়েছে উইনমিক্স ব্র্যান্ডের আমদানিকারক তাহসিন এন্টারপ্রাইজ। এ ছাড়া ওকাপিয়া ব্র্যান্ডের আমদানিকারক অ্যান্ড বি ট্রেডিং ৭৭ লাখ টাকা, উইনস্টার ব্র্যান্ডের আমদানিকারক নামিরা এন্টারপ্রাইজ ১ কোটি ৭ লাখ টাকা এবং ম্যাক্সিমাস ব্র্যান্ডের আমদানিকারক ৩ কোটি ১৪ লাখ টাকার শুল্ক-কর না দিয়ে মুঠোফোন খালাস করেছে।
এ বিষয়ে শুল্ক মূল্যায়ন ও অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা কমিশনারেটের কমিশনার এস এম হুমায়ূন কবীর প্রথম আলোকে বলেন, ‘অনেক দিন ধরেই বিভিন্ন আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান মুঠোফোন আমদানিতে শুল্ক-কর ফাঁকি দিয়ে আসছে। আমরা এসব প্রতিষ্ঠানের ফাঁকি কাগজে-কলমে ধরেছি। এখন ফাঁকি দেওয়া শুল্ক-কর আদায়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ফাঁকি দেওয়া শুল্ক আদায় করা হলে অন্য আমদানিকারকের কাছে এটি শিক্ষণীয় হবে।’
চলতি অর্থবছর থেকে মুঠোফোনের ওপর আমদানি শুল্কের হার ৫ শতাংশ। গত বছর এ হার ছিল ১২ শতাংশ।
ইতিমধ্যে তদন্ত প্রতিবেদনটি জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে (এনবিআর) পাঠানো হয়েছে। এরপর এনবিআর থেকে ফাঁকি দেওয়া রাজস্ব আদায়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে শিগগিরই ঢাকা ও চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসকে নির্দেশ দেওয়া হবে বলে সূত্র জানায়।
নিরীক্ষা পদ্ধতি: শুল্ক ফাঁকি ধরতে তদন্ত দল বিশেষ পদ্ধতি বা অবরোহী পদ্ধতি অবলম্বন করেছে। প্রথমে বাজার থেকে এসব ব্র্যান্ডের মুঠোফোনের বিক্রয়মূল্য সংগ্রহ করা হয়েছে। এরপর ধাপে ধাপে বিক্রয়মূল্য থেকে খুচরা বিক্রেতার সাড়ে ১২ শতাংশ, পাইকারি বিক্রেতার ৫ শতাংশ ও আমদানিকারকের ৮ শতাংশ বাদ দেওয়া হয়। এরপর শুল্ক-কর, আমদানিকারকের বন্দর খরচ ১ শতাংশ, বৈদেশিক মুদ্রার প্রিমিয়াম বাদ দেওয়া হয়। এরপর ২৩২টি বিল অব এন্ট্রির মধ্যে যেগুলোর শুল্কায়ন মূল্যের সঙ্গে অবরোহী পদ্ধতিতে প্রাপ্ত মূল্যের পার্থক্য ১০ শতাংশ বেশি হয়েছে, সেগুলোতে শুল্ক ফাঁকি দেওয়া হয়েছে।

 # #ফেসবুকে  ’ থাকছে না আর আগের মতন  # #“ভুমিকম্প হচ্ছে”। দিলাম ‘LIKE’! বন্ধুর আত্মীয় মারা গিয়েছে। দিলাম ‘LIKE’! ফেসবুকে...
03/02/2016

# #ফেসবুকে ’ থাকছে না আর আগের মতন # #

“ভুমিকম্প হচ্ছে”। দিলাম ‘LIKE’! বন্ধুর আত্মীয় মারা গিয়েছে। দিলাম ‘LIKE’! ফেসবুকে ‘LIKE’ নিয়ে এরকম বিব্রত পরিস্থিতিতে প্রায়ই আমাদের পড়তে হয়। আজকাল গুরুত্বপূর্ণ পোস্টের শেষে অনেকে লিখেই দেয় “লাইক দিয়ে বিব্রত করবেন না”।

বেশ কিছুদিন ধরে ফেসবুক ব্যবহারকারীরা দাবি জানাচ্ছে “ডিজলাইক” বাটন চালু করার জন্য। কিন্তু ডিজলাইক বাটন চালু করলেই সব সমস্যার সমাধান হয় না। বন্ধুর প্রিয় কেউ মারা যাওয়ার পোস্টে যেমন ‘LIKE’ মানানসই নয়, তেমনি ডিজলাইকও না। ফেসবুক তাই ‘LIKE’ অপশনে আনছে নতুনত্ব।

এই নতুন পদক্ষেপের নাম দেওয়া হয়েছে “ফেসবুক রিঅ্যাকশন”। এর মধ্যেই কার্যক্রম শুরু হয়ে গিয়েছে চিলি, আয়ারল্যান্ড, জাপান, ফিলিপাইন, পর্তুগাল এবং স্পেনের মত দেশগুলিতে। সম্প্রতি ফেসবুকের চিফ প্রডাক্ট অফিসার জানিয়েছেন, খুব শীঘ্রই যুক্তরাষ্ট্রের ফেসবুক ব্যবহারকারীরা নতুন মোড়কে ‘LIKE’ দেখতে পাবেন।

চার অক্ষরের নাম ‘LIKE’

‘Bloomberg Business’ আর্টিকেলে বলা হয়েছে, বিশ্বে ফেসবুক ব্যবহারকারীদের সংখ্যা ১.৬ বিলিয়ন। এরা প্রতিদিন প্রায় ৬ বিলিয়নের মত পোস্টে ‘LIKE’ দেন। এই ‘LIKE’ দেবার সংখ্যা গুগলে কোন পোস্ট “Search” করার চাইতেও বেশী। বাস্তবে প্রতিদিন পৃথিবীর ৮০ শতাংশ মানুষও একে অপরকে “LIKE’ করে কিনা সন্দেহ! Bloomberg আর্টিকেলটি প্রকাশ করেছেন ক্রিস কক্স। ফেসবুক টিমের সঙ্গে ২০০৫ সালে অংশগ্রহণ করা ক্রিস কক্স এখন কোম্পানির “বিগ ব্লু অ্যাপ” এর প্রধান।

বললে ভুল হবে না, এই “LIKE’ বাটনটাই হয়ে উঠেছে ফেসবুকের একটি অপরিহার্য অঙ্গ। এর পাশাপাশি ফেসবুক প্রতিনিয়ত জোরদার রিসার্চ চালায় আরেকটি বিষয়ের উপর। সেটি হল ‘Public’ করে রাখা সমস্ত পোস্ট বিশ্বের সব ফেসবুক ব্যবহারকারীদের নিউজফিডে কীভাবে পৌছে দেয়া যায়!

এতক্ষণে নিশ্চয়ই বুঝে গেছেন আপনাদের প্রিয় “LIKE” আসলে ফেসবুকের কাছেও কতটা প্রিয়! তবে অনেক সময় খুব সিরিয়াস পোস্টগুলোতে আপনাদের নিশ্চয় “LIKE” দিতে অস্বস্তি হয়! ওগুলো ঠিক “ডিজলাইক” এর জিনিসও না! হয়ত ঐসময় অনুভূতি হয় বিস্ময়, দ্বিধা বা স্মিত হাস্যের। যথাস্থানে যথোপযুক্ত “আবেগ” প্রকাশের জন্য ফেসবুক তাই তাদের প্রিয় “LIKE” কে আনছে নতুনভাবে!

“ইমো”রা প্রকাশ করবে ‘LIKE’ এর ধরন

এতদিন ধরে অনেকেই ‘Dislike” বাটনের কথা বলে এসেছেন। ফল স্বরূপ আসছে পরিবর্তন। তবে স্ক্রিন আগের মতই থাকবে। যখন কোন পোস্টের “LIKE” বাটনে ক্লিক করতে যাবেন, তখনই পপ-আপ হিসেবে চলে আসবে ফেসবুকের জনপ্রিয় কিছু ইমোরা।

ইমো হিসেবে প্রাথমিক ভাবে রাগ, দুঃখ, ওয়াও, হাহা, ইয়াহ এবং ভালোবাসার ইমোটিকনদের বাছাই করা হয়েছে।

আগে কি দেখা হত! কোন পোস্টে কতটা “LIKE”! তাই তো? ফেসবুকের “ইমো”দের জয়জয়কারে এখন দেখা যাবে কোন পোস্টে কতগুলা “রাগ”, “দুঃখ” কিংবা “ওয়াও” পড়ল!

তবে ‘ইয়াহ’কে বাদ দেওয়ার কথাই বলেছেন একজন ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। Bloomberg আর্টিকেল তিনি বলেছেন “ইয়াহ” সর্বজনবিদিত কোন “ইমো” নয়!

‘ফেসবুক রিঅ্যাকশন’ নিয়ে যত রিঅ্যাকশন

আচ্ছা, ফেসবুকের ব্যবহারকারীদের কী মত এই পরিবর্তনে? কিংবা ফেসবুকের বিজ্ঞাপন দাতাদের?

ফেসবুকের বিজ্ঞাপনের ক্ষেত্রে কি ‘LIKE” আসলেই খুব বেশী প্রয়োজন? হ্যাঁ, প্রয়োজন সেই অর্থে যখন একজনের ‘LIKE” দেবার ফলে বিজ্ঞাপনের ঐ পোস্ট তার সব বন্ধুদের নিউজফিডে চলে যাবে! সেই ক্ষেত্রে ‘LIKE’ বাটনের তো গুরুত্ব নেই! কারণ এই “ইমো” সমূহ দিয়ে নিজেদের “ইমোশন” ব্যক্ত করলেও, পোস্টটি চলে যাবে অন্যান্য বন্ধুদের নিউজফিডে।

বেশি বেশি ব্যবহারকারীদের নিউজফিডে যাওয়া কিংবা পোস্ট কতবার বুস্ট হল এর উপরেই নির্ভর করে ফেসবুক বিজ্ঞাপনের সফলতা। বরং এই “ইমো” অপশন এলে খুব সহজেই বোঝা যাবে কোন প্রডাক্টের উপর মানুষের আস্থা আসলে কি রকম? ব্যবহারকারী কি আসলেই নিশ্চিত প্রডাক্টটি নিয়ে নাকি দ্বিধা-দ্বন্দ্বিত?

তবে যেসব দেশে এই “ফেসবুক রিঅ্যাকশন” কার্যক্রম শুরু হয়েছে তাদের প্রতিক্রিয়া ভীষণ ইতিবাচক।

ডাবলিন শহরের ম্যারি বোরান নামক একজন লেখক তার “I tried Facebook's 'Like' replacement and it stressed me out” নামক লেখায় বলেছেন “ইমোশন কোন পাবলিক কন্টেন্টে প্রকাশ করা খুব সহজ। এক্ষেত্রে ফেসবুক “ইমো”রা ভীষণ কাজে দিবে। কিন্তু ইস্যু যদি হয় পার্সোনাল, তখন “ইমো” ব্যবহার করার ক্ষেত্রে মাঝে মাঝে তালগোল পাকিয়ে যায়”। উদাহরণ স্বরূপ, তিনি একটি গল্প বলেছেন। তার এক বন্ধুর গার্লফ্রেন্ড চলে গিয়েছিল। বন্ধুটি তা নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট দেন। লেখক বুঝতে পারছিলেন না আসলে কোন “ইমো”টা সেক্ষেত্রে উপযুক্ত ছিল! “দুঃখ” এর ইমো দিলে সে ভাবত তাকে করুণা করা হচ্ছে! “রাগ” এর ইমো দিলে আরও বেশি জল ঘোলা হত! আর যদি ওয়াও বলা হত তাহলে সে বুঝত তাকে ব্যঙ্গ করা হচ্ছে। অবশেষে “কয়েকদিন পর সব ঠিক হয়ে যাবে, ডুড” এই কমেন্ট লিখে সে যাত্রায় বেঁচে গিয়েছিলেন লেখক!

তাই সময়ই বলে দিবে, কতটুকু সফল “ফেসবুক রিঅ্যাকশন” এর নতুন “LIKE” !

 # # এবার ই-পাসপোর্ট চালুর সিদ্ধান্ত # #মেশিন রিডেবল পাসপোর্টের (এমআরপি) পাশাপাশি ইলেকট্রনিক পাসপোর্ট (ই-পাসপোর্ট) চালুর...
26/01/2016

# # এবার ই-পাসপোর্ট চালুর সিদ্ধান্ত # #

মেশিন রিডেবল পাসপোর্টের (এমআরপি) পাশাপাশি ইলেকট্রনিক পাসপোর্ট (ই-পাসপোর্ট) চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বয়সভেদে পাঁচ ও দশ বছর মেয়াদি পাসপোর্ট দেওয়া হবে। গতকাল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, যাঁদের এখন এমআরপি পাসপোর্ট আছে, মেয়াদ শেষ হলে তাঁদের ই-পাসপোর্ট নিতে হবে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ই-পাসপোর্টে পাতায় থাকা চিপসে পাসপোর্টধারীর সব তথ্য সংরক্ষিত থাকবে। এতে চোখের মণির ছবি ও আঙুলের ছাপসহ সিকিউরিটি চিহ্ন থাকবে। এই সিকিউরিটি ব্যবস্থার কারণে পরিচয় গোপন করা কঠিন হবে। যেসব দেশে ই-পাসপোর্টের সুবিধা রয়েছে, সেখানে যাত্রীদের ভোগান্তি পোহাতে হয় না। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডাসহ প্রায় ১১৮টি দেশে এই ধরনের পাসপোর্ট চালু আছে।
এসব সিদ্ধান্তের কথা নিশ্চিত করে বহিরাগমন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) পদে মো. মাসুদ রেজওয়ান প্রথম আলোকে বলেন, সব ধরনের নিরাপত্তার বিষয়টি চিন্তা করে ই-পাসপোর্ট চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই প্রকল্পটি কীভাবে শুরু করা যায় এবং কীভাবে সাশ্রয়ী হয়, তা খতিয়ে দেখতে একটি কমিটি করে দেওয়া হয়েছে। কমিটি আগামী সাত থেকে দশ দিনের মধ্য এ বিষয়ে প্রতিবেদন দিলেই কাজ শুরু করা হবে। তিনি জানান, ই-পাসপোর্টের পরই বিমানবন্দরে ই-গেট হবে। প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের এ টু আই সেল থেকে ফরম পূরণে পাসপোর্ট অফিসকে সব ধরনের সহায়তা করা হবে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, পাসপোর্টের মেয়াদ বয়সভেদে পাঁচ ও দশ বছর করার বিষয়টি চূড়ান্ত করা হয়েছে। জানা গেছে, ১৮ বছরের নিচে ও ৫৫ বছরের বেশি বয়সীদের পাঁচ বছর মেয়াদি পাসপোর্ট এবং ১৯ থেকে ৫৫ বছর বয়সীদের জন্য ১০ বছর মেয়াদি পাসপোর্ট দেওয়া হবে।
বর্তমানে সাধারণ ও জরুরি পাসপোর্ট করতে যথাক্রমে তিন হাজার ও ছয় হাজার টাকা ফি দিতে হয়। এবার পাঁচ ও দশ বছর মেয়াদি পাসপোর্ট নিতে যথাক্রমে সাড়ে ৫ হাজার ও ১১ হাজার টাকা ফি লাগবে। এর সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত হলে সাধারণ পাসপোর্ট করতে ৬ হাজার ৩২৫ টাকা এবং জরুরি পাসপোর্টে ১২ হাজার ৬৫০ টাকা খরচ হবে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র, বাংলাদেশি শ্রমিক-অধ্যুষিত মালয়েশিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব দূতাবাসের কর্মকর্তাদের সুপারিশের ভিত্তিতে পাসপোর্টের মেয়াদ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। কিছুদিন আগে সংযুক্ত আরব আমিরাতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত মো. ইমরান পাসপোর্টের মেয়াদ ১০ বছর করার সুপারিশ করে স্বরাষ্ট্রসচিবের কাছে একটি আধা সরকারি পত্র (ডিও) দেন।
এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, এটি কার্যকর হলে প্রবাসে কর্মরত লাখ লাখ বাংলাদেশি উপকৃত হবেন। প্রবাসে কর্মক্ষেত্রে দীর্ঘ মেয়াদে অবস্থান করতে পারবেন। বিশেষ করে পাসপোর্টের মেয়াদ বাড়ানো হলে বিদেশে কর্মরত শ্রমিকদের ভিসা ও ওয়ার্ক পারমিট সংগ্রহ করা সহজ হবে।

21/01/2016

$$রেমন্ড ব্র্যান্ডের কাপড় আমদানি $$

ভারত থেকে রেমন্ড ব্র্যান্ডের কাপড় আমদানিতে ঢাকার তিনটি প্রতিষ্ঠান ৪০ কোটি টাকা রাজস্ব ফাঁকি দিয়েছে। প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে ইসলাম ট্রেডার্স, রিলায়েন্স ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল ও টপটেন ফেব্রিকস অ্যান্ড টেইলার্স।

শুল্ক মূল্যায়ন ও অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা কমিশনারেট কার্যালয় এ ফাঁকি উদ্ঘাটন করে ২ সেপ্টেম্বর ৩৫ পৃষ্ঠার একটি প্রতিবেদন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে (এনবিআর) জমা দিয়েছে। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠান তিনটির কাছ থেকে টাকা আদায়ের ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ জানিয়েছে।
যোগাযোগ করলে কমিশনার এস এম হুমায়ুন কবীর গতকাল রোববার প্রথম আলোকে বলেন, ‘তিন প্রতিষ্ঠানে শুধু রেমন্ড ব্র্যান্ডের কাপড়েই আমরা প্রায় ৪০ কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকির তথ্য পেয়েছি। এ ধরনের ঘটনা আরও আছে বলে মনে হয়।’
ফাঁকি উদ্ঘাটনে গত জুলাইয়ে চার সদস্যের কমিটি গঠন করে ঢাকা শুল্ক মূল্যায়ন ও অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা কমিশনারেট কার্যালয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, ইসলাম ট্রেডার্স ও রিলায়েন্স ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল একই মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান এবং ইসলাম ট্রেডার্সের একার ফাঁকিই ১৭ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। আর রিলায়েন্স ট্রেডের ফাঁকি ১৩ কোটি ৬২ লাখ টাকা। অন্যদিকে টপটেন ফেব্রিকস ফাঁকি দিয়েছে ৮ কোটি ৭৮ লাখ টাকা।
প্রতিবেদন তৈরিতে নয়াদিল্লির বাংলাদেশ হাইকমিশনের কাছ থেকে তথ্যও নিয়েছে তদন্ত দল। হাইকমিশনের কমার্শিয়াল কাউন্সিলর নাহিদ রশীদ নয়াদিল্লিতে থাকা রেমন্ডের শোরুমগুলো সরেজমিনে পরিদর্শন করে গত ২৩ জুন এক চিঠিতে রেমন্ডের কাপড়ের মূল্যের তথ্য জানান।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসলাম ট্রেডার্স ও রিলায়েন্স রাজস্ব ফাঁকি দিয়েছে তিনটি উপায়ে। এগুলো হচ্ছে আন্ডারইনভয়েসিং বা মূল্য কম দেখিয়ে শুল্ক কম দেওয়া, আমদানি-পরবর্তী সংযোজনের ওপর মূসক না দেওয়া এবং বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান হওয়া সত্ত্বেও বন্ডেড সুবিধায় পণ্য আমদানি। প্রতিষ্ঠান দুটি পণ্য আমদানি করেছে কেজিতে।
সর্বনিম্ন মূল্য বিবেচনায় নিলেও রিলায়েন্স ট্রেডের প্যান্ট-স্যুটের ঘোষিত মূল্য হবে প্রতি কেজি ৯ দশমিক ৮০ ডলার। অথচ প্রতিষ্ঠানটি দেখিয়েছে ২ দশমিক ৬৫ ডলার। যদিও শুল্কায়ন হয়েছে ৩ দশমিক ০৬ ডলারে।
আর টপটেন ফেব্রিকস বন্ডেড সুবিধায় আমদানি না করলেও রাজস্ব ফাঁকি দিয়েছে অন্য দুই পদ্ধতিতে। এ প্রতিষ্ঠান কাপড় এনেছে মিটারে এবং প্যান্ট-স্যুটের কাপড়ের দাম দেখিয়েছে মিটারপ্রতি শূন্য দশমিক ৭২ ডলার। তবে শুল্কায়ন হয়েছে শূন্য দশমিক ৯৬ ডলারে। অথচ কম করে ধরলেও মূল্য হবে ৫ দশমিক ৭৯ ডলার। নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশন জানায়, মিটারপ্রতি এই দর কয়েক গুণ বেশি।
আন্ডারইনভয়েসিংয়েই বেশি ফাঁকি: প্রতিবেদন বিশ্লেষণে দেখা যায়, আন্ডারইনভয়েসিং বা মূল্য কম দেখিয়েই বেশি ফাঁকি দেওয়া হয়েছে। ইসলাম ট্রেডার্স এবং রিলায়েন্স ট্রেড ঢাকা ও চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস দিয়ে ভারত থেকে রেমন্ড ব্র্যান্ডের প্যান্ট, শার্ট ও স্যুটের কাপড় আমদানি করে।
তদন্ত দল ২০১৩ সালের ১ জুলাই থেকে ২০১৫ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত আমদানি তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখেছে, দুই বছরে প্রতিষ্ঠান দুটি ফাঁকি দিয়েছে ৩০ কোটি ৮১ লাখ টাকা। প্রতিবেদনে বলা হয়, আন্ডারইনভয়েসিংয়ের মাধ্যমে ইসলাম ট্রেডার্সের ফাঁকি ১৩ কোটি ৩৬ লাখ ও রিলায়েন্স ট্রেডের ফাঁকি ১০ কোটি ১৬ লাখ ৩৩ হাজার টাকা।
ইসলাম ট্রেডার্সের বন্ডেড লাইসেন্স না থাকলেও গত ২২ মার্চ বন্ড সুবিধার আওতায় রাজস্ব ফাঁকি দিয়েছে ৯ লাখ ৬ হাজার টাকা। এ ছাড়া আমদানি-পরবর্তী সংযোজনের ওপর মূল্য সংযোজন কর (মূসক) ফাঁকি দিয়েছে ৪ কোটি ১৫ হাজার টাকা। রিলায়েন্স ট্রেডও বন্ডেড সুবিধায় ৩৭ হাজার এবং আমদানি-পরবর্তী সংযোজনের ওপর মূসক ফাঁকি দিয়েছে ৩ কোটি ৪৫ লাখ ৪০ হাজার টাকা।
টপটেন আন্ডারইনভয়েসিংয়ের মাধ্যমে রাজস্ব ফাঁকি দিয়েছে ৭ কোটি ৬৪ লাখ ৭০ হাজার টাকা। আর আমদানি-পরবর্তী মূল্য সংযোজনের ওপর মূসক ফাঁকি দিয়েছে ১ কোটি ১৩ লাখ ৪৯ হাজার টাকা।
জানতে চাইলে ইসলাম ট্রেডার্স ও রিলায়েন্স ট্রেডের স্বত্বাধিকারী আমিরুল ইসলাম গতকাল মোবাইলে প্রথম আলোকে বলেন, তাঁর কোনো প্রতিষ্ঠান রাজস্ব ফাঁকি দেয়নি, সরকার অবরোহী পদ্ধতিতে হিসাব করেছে, যা আদালতেও গ্রহণযোগ্য নয় বলে তিনি মনে করেন।
একই দাবি করেন টপটেন ফেব্রিকসের স্বত্বাধিকারী সৈয়দ হোসেনও। তিনি বলেন, তাঁর প্রতিষ্ঠানও রাজস্ব ফাঁকি দিচ্ছে না। এর সপক্ষে তিনিও কোনো যুক্তি দেখাতে পারেননি।

21/01/2016

# # অস্তিত্বহীন-কোম্পানির-নামে-আমদানি # #

ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা তৈরি কারখানায় মিলল তৈরি পোশাকের পাটের গুদাম। রাজধানীর রামপুরার পূর্ব হাজীপাড়ার ৭১১ নম্বর ঠিকানায় লোটাস অটোবাইক ইন্ডাস্ট্রিজ নামের একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার কারখানা থাকার কথা। কথা ছিল, এ প্রতিষ্ঠানের মালিক বিদেশ থেকে বিভিন্ন যন্ত্রাংশ আমদানি করে অটোরিকশা বানাবেন। এটি হয়ে উঠবে অটোরিকশা তৈরির একটি সংযোজন শিল্পকারখানা। এ ধরনের সংযোজন শিল্প গড়ে তোলার জন্য কর–সুবিধাও নিয়েছিলেন ওই প্রতিষ্ঠানটির মালিক।
কিন্তু বাস্তবে ওই ঠিকানায় এ প্রতিষ্ঠানের কোনো অস্তিত্বই নেই। সেখানে রয়েছে নামহীন একটি পাটের গুদাম।
এভাবে বছরের পর বছর লোটাস অটোবাইক নামের প্রতিষ্ঠানটি এই ঠিকানা ব্যবহার করে মোটর, অটোরিকশার চার্জার, ব্যাটারি ও অন্যান্য যন্ত্রাংশ আমদানি করেছে। শুল্ক-কর ফাঁকি দিতে উৎপাদক প্রতিষ্ঠান হিসেবে আমদানিকারক নিবন্ধন নিয়েছেন। কিন্তু নিজেরা অটোরিকশা না বানিয়ে এসব যন্ত্রপাতি খোলাবাজারে বিক্রি করে দিয়েছেন।
সম্প্রতি জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) শুল্ক গোয়েন্দাদের অনুসন্ধানে এমন এক অস্তিত্বহীন কোম্পানির সন্ধান পাওয়া গেছে। অনেকটা কেঁচো খুঁড়তে গিয়ে সাপ বেরিয়ে পড়েছে।
সম্প্রতি সহকারী কমিশনার ইফতেখার আলম ভূঁইয়ার নেতৃত্বে ঢাকার শুল্ক মূল্যায়ন ও অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা কমিশনারেট থেকে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। সরেজমিনে গিয়ে তদন্তকারীরা ওই ঠিকানায় এই নামের কোনো প্রতিষ্ঠান পাননি। ওই ঠিকানায় তৈরি পোশাকের জপাটের গুদাম, যা তালাবদ্ধ অবস্থায় রয়েছে। পরে পার্শ্ববর্তী বিসমিল্লাহ ট্রেডার্স ও দোলন এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারীদের কাছ থেকে লিখিত নেওয়া হয় যে, ওই স্থানে কখনো লোটাস অটো নামে কোনো প্রতিষ্ঠান ছিল না।
পরে তদন্তকারী দল শুল্ক কর্তৃপক্ষের ভ্যালুয়েশন ডেটাবেইজ থেকে ওই প্রতিষ্ঠানের আমদানির বিল অব এন্ট্রিসহ যাবতীয় তথ্য সংগ্রহ করে। ওই প্রতিষ্ঠানটি ২০১২ সালের জুলাই থেকে ২০১৫ সালের জুন মাস পর্যন্ত ৪৩টি বিল অব এন্ট্রি (বিই) বা চালানে পণ্য এনেছে। এসব চালান পরীক্ষা করে দেখা গেছে, ওই সময়ে লোটাস অটো মোট ৭ কোটি ৯ লাখ ৭৪ হাজার টাকা রাজস্ব ফাঁকি দিয়েছে। কমলাপুর আইসিডি দিয়ে ২৮টি চালান খালাস করে ৫ কোটি ১৬ লাখ টাকা এবং মংলা বন্দর দিয়ে ১৫টি চালানে ১ কোটি ৯৩ লাখ টাকা কর ফাঁকির প্রমাণ পেয়েছেন শুল্ক গোয়েন্দারা।
জানা গেছে, যেকোনো পণ্য বাণিজ্যিক আমদানিকারকের পাশাপাশি উৎপাদক হিসেবে আমদানি করা যায়। বাণিজ্যিক আমদানিকারকদের আমদানি পণ্যের শুল্কায়ন পদ্ধতি হলো আমদানি শুল্ক, সম্পূরক শুল্ক ও নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্কের যোগফলেরও ২৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ মূল্য সংযোজন ধরে ৪ শতাংশ অগ্রিম ব্যবসায় মূসক (এটিভি) দিতে হয়। কিন্তু উৎপাদক হিসেবে কোনো আমদানিকারককে এ মূল্য সংযোজন ধরে এটিভি দিতে হয় না। আর লোটাস অটো কর্তৃপক্ষ নিজেদের উৎপাদক হিসেবে মোটর, অটোরিকশার চার্জার, ব্যাটারি ও অন্যান্য যন্ত্রাংশ আমদানি করেছে। তাই বাড়তি মূল্য সংযোজন ধরে প্রতিষ্ঠানটি বাড়তি এটিভি দেয়নি।
এ সম্পর্কে জানতে চাইলে ইফতেখার আলম ভূঁইয়া প্রথম আলোকে বলেন, প্রতিষ্ঠানটির উৎপাদক হিসেবে আমদানিকারকের লাইসেন্স বাতিল করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া কমলাপুর আইসিডি ও মংলা বন্দর কাস্টমস কর্তৃপক্ষকে ফাঁকি দেওয়া টাকা আদায়ে দাবিনামা পাঠানোর সুপারিশ করা হয়েছে বলে তিনি জানান।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে লোটাস অটোবাইক ইন্ডাস্ট্রিজের কবির হোসেনের সঙ্গে একাধিকার যোগাযোগ করা হলে তাঁর মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

21/01/2016

বন্ড সুবিধায় পণ্য এনে তা রপ্তানি না করে স্থানীয় বাজারে বিক্রি করে দিয়েছে খুলনা প্রিন্টিং অ্যান্ড প্যাকেজিং লিমিটেড। আবার কাস্টমস কর্তৃপক্ষের হিসাবে নেই, গুদামজাত করার রেজিস্ট্রারেও নেই, আছে বন্ড রেজিস্ট্রারে—এমন পণ্যের অস্তিত্বও মিলেছে। বন্ড সুবিধায় পণ্য খালাস করে মাঝপথেই তা বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে। এসব অনিয়ম করে রাজস্ব ফাঁকি দেওয়া হয়েছে প্রায় ২৭২ কোটি টাকা।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) এক তদন্ত প্রতিবেদনে কর ফাঁকির এ চিত্র উঠে এসেছে। ইতিমধ্যে প্রতিষ্ঠানটিকে এই টাকা দেওয়ার জন্য নোটিশ পাঠিয়েছে এনবিআর।
লকপুর শিল্পগোষ্ঠীর খুলনা প্রিন্টিং অ্যান্ড প্যাকেজিং মূলত প্রচ্ছন্ন রপ্তানি করে থাকে। এর মানে হলো, বিদেশ থেকে কাঁচামাল হিসেবে ডুপ্লেক্স বোর্ড আমদানি করে। পরে সেই ডুপ্লেক্স বোর্ড ব্যবহার করে রপ্তানি পণ্যের কার্টনসহ অন্যান্য আনুষঙ্গিক পণ্য তৈরি করে, যা পরে মূল রপ্তানিকারকের কাছে বিক্রি করে। যেহেতু এই প্রতিষ্ঠানের কার্টনসহ অন্য পণ্য মূল পণ্যের সঙ্গে বিদেশে যায়, তাই এই প্রতিষ্ঠানটি ‘প্রচ্ছন্ন রপ্তানি’ করে বলে ধরে নেওয়া হয়।
এ জন্য এই প্রতিষ্ঠানটি অন্য রপ্তানিকারকের মতো কাঁচামাল আমদানিতে বন্ড সুবিধা পায়। এর মানে কাঁচামালের ওপর কোনো শুল্ককর দিতে হয় না। তবে এ ধরনের বন্ড সুবিধা পেতে প্রচ্ছন্ন রপ্তানিকারককে মূল রপ্তানিকারকের কাছ থেকে পণ্য বিক্রি বাবদ মার্কিন ডলারে মূল্য লেনদেন করতে হয়। কিন্তু খুলনা প্রিন্টিং নিজেদের শিল্পগোষ্ঠীর অন্য সহযোগী প্রতিষ্ঠানের কাছে পণ্য বিক্রি করে দিয়েছে বলে এনবিআরের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, খুলনা প্রিন্টিং তিন ধরনের কর ফাঁকি দিয়েছে। প্রচ্ছন্ন রপ্তানির শর্ত হিসেবে বৈদেশিক মুদ্রায় লেনদেন না করে ২৪৪ কোটি ১৫ লাখ টাকা এবং প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন নথির সঙ্গে বাস্তবে পণ্যের লেনদেনে মিল না রেখে ২৭ কোটি ২৫ লাখ টাকা এবং বন্ড সুবিধায় পণ্য এনে নিজস্ব গুদামে ওঠানোর আগেই খোলাবাজারে বিক্রি করার মাধ্যমে ৩১ লাখ টাকার শুল্ককর ফাঁকি দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে এনবিআরের চেয়ারম্যান নজিবুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, ‘কর ফাঁকি দিয়ে কেউ পার পাবে না। এই কেসটি আমরা আরও তদন্ত করছি, আরও গভীরে যাচ্ছি। এ ঘটনার সঙ্গে কর্তৃপক্ষের কেউ জড়িত আছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’ তিনি জানান, ফাঁকি দেওয়া কর আদায়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
গত ৫ জুলাই আপিল বিভাগে দায়ের করা একটি লিভ টু আপিলের আদেশে খুলনা প্রিন্টিং অ্যান্ড প্যাকেজিং লিমিটেডের ৭৫টি ঋণপত্রের (এলসি) বিল অব এন্ট্রি ছাড়া পণ্য খালাসের বিষয়ে তদন্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়। এরপর এনবিআর এই তদন্ত করে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে খুলনা প্রিন্টিং অ্যান্ড প্যাকেজিংয়ের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আমজাদ হোসেন বলেন, আদালত বলেছেন যদি শুল্ক পাওনা থাকে, তবে শুল্ক আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে। কিন্তু এনবিআর এখন ওই সমপরিমাণ অর্থ দাবি করছে। আর এটি ৭৬টি এলসি নিয়ে মামলা। কিন্তু এনবিআর তিন বছরের নিরীক্ষা করেছে। তিনি বলেন, ‘এ নিয়ে আমরা উচ্চ আদালতে রিভিউ পিটিশন করেছি। আদালত তা গ্রহণও করেছেন।’
এনবিআরের তদন্ত দল সরেজমিনে পরিদর্শন ও কাগজপত্র ঘেঁটে দেখেছে, ২০১২-১৩, ২০১৩-১৪ ও ২০১৪-১৫ বন্ড মেয়াদে কোম্পানিটি কার্টন রপ্তানির বন্ড সুবিধার অপব্যবহার করেছে। নিজেদের শিল্পগোষ্ঠীর অন্য কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের কাছে এসব কার্টন বিক্রি করে দিয়েছে। ওই সব প্রতিষ্ঠানের কোনো বন্ড লাইসেন্সও নেই। তিন মেয়াদে প্রচ্ছন্ন রপ্তানির জন্য যে এলসি খোলা হয়েছে, তা ডলারের পরিবর্তে স্থানীয় মুদ্রায় হয়েছে। এতে বন্ড সুবিধার শর্ত ভঙ্গ হয়েছে।
তদন্ত দল হিসাব করে দেখেছে, এভাবে ২০১২-১৩ মেয়াদে ৮৮ কোটি টাকা, ২০১৩-১৪ মেয়াদে ৯১ কোটি ৮৮ লাখ এবং ২০১৪-১৫ মেয়াদে ৬৪ কোটি ২৬ লাখ টাকার শুল্ককর ফাঁকি দিয়েছে খুলনা প্রিন্টিং অ্যান্ড প্যাকেজিং। রপ্তানিকারকের লিয়েন ব্যাংক হিসেবে সোনালী ব্যাংকই এ তথ্য জানায় তদন্ত দলকে।
এ ছাড়া বন্ড সুবিধা নিয়ে প্রতিষ্ঠানটি কী পরিমাণ পণ্য এনেছে, তাও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়। দেখা গেছে, ২০১২-১৩ থেকে ২০১৪-১৫ সালের মধ্যে তিন মেয়াদে ১ হাজার ২০৪টি চালান বন্ড সুবিধায় এনেছে প্রতিষ্ঠানটি। এর মধ্যে ৭৬টি এলসির কিছু চালান বন্ড রেজিস্ট্রারে ওঠানো হলেও শুল্ক কর্তৃপক্ষের হিসাবে ওঠানো হয়নি। আবার বন্ড রেজিস্ট্রারে ওঠানো হলেও তা প্রতিষ্ঠানের গুদামজাত রেজিস্ট্রারে ওঠানো হয়নি। এর ফলে যে পরিমাণ পণ্য গুদামে থাকার কথা ছিল, এর চেয়ে কম ছিল। এসব পণ্য খোলাবাজারে বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে। এতে রাজস্ব ফাঁকির পরিমাণ ২৭ কোটি ২৫ লাখ টাকা। আর দুটি চালানের তথ্য বন্ড রেজিস্ট্রারেও পাওয়া যায়নি। এতে রাজস্ব ফাঁকির পরিমাণ ৩১ লাখ ৩৪ হাজার টাকা।

‘ব্যাগেজ রুলস’ নতুন নিয়ম অনুযায়ীই কোনো ব্যক্তি বাংলাদেশে আসার সময় সর্বোচ্চ ২০০ গ্রাম সোনা বা রুপার অলঙ্কার ও বার আনতে পা...
21/01/2016

‘ব্যাগেজ রুলস’ নতুন নিয়ম অনুযায়ীই কোনো ব্যক্তি বাংলাদেশে আসার সময় সর্বোচ্চ ২০০ গ্রাম সোনা বা রুপার অলঙ্কার ও বার আনতে পারবেন। এর আগে, ‘ব্যাগেজ রুলস’ এর বাইরে বাংলাদেশ ব্যাংকের বিশেষ আদেশে সর্বোচ্চ দুই কেজি সোনা বা রুপার বার আনা যেত। ১৯৯৬ সালের ১৪ জানুয়ারি বাংলাদেশ ব্যাংক ওই বিশেষ আদেশ জারি করে। বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রানীতি বিভাগ নতুন নিয়মের সার্কুলার জারি করেছে। সার্কুলারে ১৯৯৬ সালের ওই আদেশ বাতিলও করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই সিদ্ধান্ত দেশের সোনা-রুপার ব্যবসায় কোনো নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে না বলে মনে করছেন বাংলাদেশ জুয়েলারি সমিতির (বাজুস) সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক খান। কারণ হিসেবে তিনি বলেন, দুই কেজি সোনা আনার বিধানটি শুধু কাগজেই ছিল। নতুন নিয়ম অনুযায়ী বাংলাদেশে আগত একজন যাত্রী করমুক্ত অবস্থায় ১০০ গ্রাম সোনা বা রুপার অলঙ্কার আনতে পারবেন। ১০০ গ্রামের বেশি আনতে কর লাগবে; তবে ২০০ গ্রামের বেশি আনতে পারবেন না।

এরা চোর, এদের চিনে রাখুন।এরা শাহ্ জালাল বিমান বন্দরে প্রবাশীদের লাগেজ কেটে মালামাল চুরির মুহুর্তে ধরা পড়ে। পরে ভ্রাম্যমা...
20/01/2016

এরা চোর, এদের চিনে রাখুন।এরা শাহ্ জালাল বিমান বন্দরে প্রবাশীদের লাগেজ কেটে মালামাল চুরির মুহুর্তে ধরা পড়ে। পরে ভ্রাম্যমান আদালত এদেরকে ১ বছর করে সাজা দিয়ে জেলে পাঠায়। প্রবাশীরা যত পারেন শেয়ার করুন, যাতে সবাই এই চোরদেরকে চিনতে পারে।

শাহজালালে সাড়ে ৩ কোটি টাকার মোবাইল হ্যান্ডসেট জব্দ হজরত শাহ জালাল আর্ন্তজাতিক বিমানবন্দর থেকে ১৬ মাস্টার কার্টনে সাড়ে ৩ ...
14/01/2016

শাহজালালে সাড়ে ৩ কোটি টাকার মোবাইল হ্যান্ডসেট জব্দ

হজরত শাহ জালাল আর্ন্তজাতিক বিমানবন্দর থেকে ১৬ মাস্টার কার্টনে সাড়ে ৩ কোটি টাকা মূল্যের ১৭০২টি স্মার্ট মোবাইল ফোন জব্দ করেছ ঢাকা কাস্টমস হাউজ। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিমান বন্দরের কার্গো ভিলেজ এলাকা থেকে এসব স্মার্টফোন জব্দ করে কাস্টমস হাউজের প্রিভেন্টিভ দল। জানা গেছে, গত ৮ নভেম্বর হংকং থেকে দেশটির একটি এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটে (এইচএক্স ৯০৬১) মিথ্যা ঘোষণায় এ হ্যান্ডসেটগুলো নিয়ে আসে এএফ এন্টারপ্রাইজ নামে একটি প্রতিষ্ঠান। তবে ওই মোবাইল সেটগুলোর সন্ধান পাওয়া যায় বৃহস্পতিবার দুপুরে। জব্দ মোবাইল হ্যান্ডসেটের মধ্যে আইফোন, স্যামসাং, সনি, এক্সপ্রেস, এইচটিসি, আসুসসহ বিভিন্ন ব্র্যান্ড রয়েছে। ঢাকা কাস্টম হাউসের সহকারী কমিশনার (এসি) শহীদুজ্জামান সরকার জানান, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে প্রেভেন্টিভ টিম কার্গো এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে ১৬টি কার্টন জব্দ করে। পরে সেখান থেকে এই হ্যান্ডসেটগুলো জব্দ করা হয়। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কোন মামলা হয়নি। তবে এ বিষয়ে শিগগির আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান শহীদুজ্জামান সরকার।

সাবধান! বিমানবন্দরে বিকাশ পার্টি!সাবধান এয়ারপোর্ট বিকাশ পার্টি থেকেচট্টগ্রামে থাকেন সাইফ সুমন। দীর্ঘ দিন ধরেই একটি ডিএসএ...
12/01/2016

সাবধান! বিমানবন্দরে বিকাশ পার্টি!

সাবধান এয়ারপোর্ট বিকাশ পার্টি থেকেচট্টগ্রামে থাকেন সাইফ সুমন। দীর্ঘ দিন ধরেই একটি ডিএসএলআর ক্যামেরা কেনার জন্য অনলাইনে পণ্য বেচা-কেনার বিভিন্ন সাইটে খোঁজ নিচ্ছেন তিনি। এই সময় বিক্রয় ডট কমের একটি পোস্ট নজরে আসে তার। মাত্র ২২ হাজার ৫০০ টাকায় পাওয়া যাবে ডিএসএলআর ক্যামেরা। যদিও ক্যামেরাটির বাজার মূল্য ন্যূনতম ৯০ হাজার টাকারও বেশি। পোস্টে দেওয়া নম্বর দেখে সাইফ ফোন করলে তার কল কেটে একটি মেসেজ আছে তার নম্বরে।
মেজেজে ক্যামেরা মূল্য ইংরেজিতে লেখা ২২ হাজার টাকা। এই পণ্য নতুন, কখনও ব্যবহার হয়নি। আমি আমার অফিস এয়ারপোর্ট কাস্টম থেকে এটি সংগ্রহ করেছি। কিন্তু আমি এটি আনঅফিসিয়ালি বিক্রি করছি। তাই মার্কেটে বা সরাররি আমি উপস্থিত হয়ে বিক্রি করতে পারছি না। আপনি যদি কিনতে আগ্রহী হন, তাহলে টাকা বিকাশ করুন। টাকা পাঠিয়ে এয়ারপোর্টের কাস্টমস অফিসের সামনে এসে ফোন দিন। তখন আমার পিয়ন আপনাকে ক্যামেরা দেবে। কোনও নগদ টাকা বা অন্য পদ্ধতিতে বিক্রি হবে না। যদি আপনার বিশ্বাস হয়, তাহলে যোগাযোগ করুন। ইফতেখার আহমেদ, সিকিউরিটি ইনচার্জ, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর।
মূল্য দেখে সাইফ সুমনের এটি বিশ্বাস হচ্ছিল না, আবার লোভও সামলাতে পারছিলেন না তিনি। সুমন আবার কল দিয়ে সেই নম্বরে কথা বলেন। পুরো বিশ হাজারের বদলে অর্ধেক দশ হাজার টাকা বিকাশ করে বাকি টাকা ক্যামেরা কেনার সময় দেওয়ার প্রস্তাব করলেন। অন্য প্রান্ত থেকেও সম্মতি আসে। চট্টগ্রাম থেকেই ১০ হাজার টাকা বিকাশ করেন সুমন। আর ঢাকাতে থাকা তার এক আত্মীয়কে যেতে বলেন এয়ারপোর্টে। দাঁড়িয়েই থাকতে হয় সাইফ সুমনের আত্মীয়কে, কেউ আর আসেন না। তার সেই নম্বরও হয়ে যায় বন্ধ। ততক্ষণে সাইফ বুঝতে পারেন তিনি প্রতারিত হয়েছে। তবে, প্রতারিত হলেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে অভিযোগ করেননি তিনি।
জানা গেছে, প্রায় একই রকমভাবে প্রতারিত হয়েছেন অনেকেই। বিমান বন্দরকেন্দ্রিক ঘটনা হওয়ায় সেখানের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের কাছেও অভিযোগ করেছেন কেউ-কেউ। তবে, এ সব ঘটনায় ভুক্তভোগীরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে অভিযোগ না করায়অপরাধীরা থেকে যাচ্ছেন ধরা-ছোঁয়ার বাইরে।

Address

Akash Plaza
Dhaka
1230

Telephone

+8801711042550

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Saiyma Enterprise C&F Agent posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Saiyma Enterprise C&F Agent:

Share