06/05/2026
বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মত ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় Ai প্রযুক্তি ব্যবহার শুরু করছে বিএনপি সরকার।
২০ কোটি জনসংখ্যার দেশে, গুটি কয়েক ট্রাফিক পুলিশ দিয়ে কি কখনো ট্রাফিক সামলানো সম্ভব? তারওপর ঘুষ, দূর্নীতি, ছোটখাট বিষয়ে মামলা দিয়ে দেয়ার মত বিষয় তো আছেই।
এজন্য এখন থেকে ঢাকায় ট্রাফিকের ব্যবস্থাপনা পর্যায়ক্রমে Ai বেজড করার জন্য কাজ শুরু করেছে সরকার। এই প্রযুক্তি -
★ সিসিটিভির মাধ্যমে ফিটনেসবিহীন গাড়ি, ট্রাফিক আইনভঙ্গ করা যানবাহন সরাসরি স্ক্যান করবে।
★ সিসিটিভি সরাসরি গাড়ির নাম্বার প্লেট স্ক্যান করে এবং সম্ভব হলে ড্রাইভারের চেহারাও শনাক্ত করা হয়।
★ স্ক্যান করার পর Ai সেই ডেটা বিশ্লেষণ করবে।
★ ডেটা বিশ্লেষণের পর অপরাধের ধরন ভেদে অটোমেটিক আইনি নোটিশ চলে যাবে ড্রাইভারের মোবাইলে।
★ নোটিশ অনুযায়ী ফোনে বিকাশ/নগদ/ব্যাংকের মাধ্যমেই জরিমানা পরিশোধ করতে পারবেন ব্যক্তি। জরিমানা পরিশোধ না করলে সমন জারি হয়ে ট্রাফিক আইনভঙ্গকারী গ্রেফতার হয়ে যেতে পারে।
দেখেন, কি স্মুথ প্রসেস। ঘুষের সুযোগ নাই, দূর্নীতির সুযোগ নাই। টোটালি অটোমেটিক প্রসেস। ট্রাফিক আইনভঙ্গ করবেন, তো অটোমেটিক নোটিশ চলে যাবে।
কিন্তু Ai তো ভুল করতেই পারে তাই না? তারজন্য থাকছে আপিলের সুযোগ। কোনো নোটিশ আপনার কাছে ভুল মনে হলে আপিল করতে পারবেন সহজেই ফোনের মাধ্যমেই।
১০০% ট্রান্সপ্যারেন্ট, ১০০ এফেশিয়েন্ট।
এই সিস্টেম যদি ঠিকঠাক কাজ করে তাহলে হয়তো ভবিষ্যতে আবারও ট্রাফিক লাইট বসানো হবে এবং ট্রাফিক পুলিশের মাধ্যমে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ অনেকটাই কমে আসবে।
# bangladesh