29/10/2025
আমি কোন ভাবেই বৈঠার এই চমৎকার আয়োজন মিস করবো না ! আর আপনেরাও যদি যেতে চান তাহলে এখনি যোগাযোগ করেন …….🦋🥰
নোঙ্গর ফেলি ঘাটে ঘাটে-
কার্তিকী পূর্ণিমায় বৈঠার সাথে ৭ নদী যাত্রা..
কার্তিকের শীতল বাতাস গায়ে মেখে আমরা সুনামগঞ্জ থেকে ৭ নদী পেড়িয়ে পৌঁছে যাব নদীর রানী পদ্মায়
সুরমা নদী থেকে আমাদের যাত্রা শুরু এরপর একে একে ধনু, ঘোড়াউত্রা, মেঘনা, ধলেশ্বরী, ইছামতি হয়ে পদ্মা...
চোখটা বন্ধ করে একটু কল্পনা করুন তো... এই যান্ত্রিকতা ফেলে কার্তিকের শীতল বাতাস গায়ে মেখে, ভরা পূর্ণিমায় মাতাল করা চাঁদের আলো। সেই আলো প্রতিফলিত হয়ে ছড়িয়ে পরছে নদীর জলে। ছাঁদে বসে নদীর কুয়াশা ছুঁয়ে ভোরের মায়াবী সূর্যের আলো গায়ে মেখে শুরু হবে আমাদের বৈঠার যাত্রা।
নাস্তায় খাবো শীতের পিঠা মুড়ির মোয়া, এরপরেই একমগ ধোঁয়া উঠা গুড়ের চা। চা খেতে খেতে আমরা দেখব আমাদের নদীমাতৃক দেশের নদী গুলোর বিভিন্ন রুপবৈচিত্র্য ।
আপনি সুনামগঞ্জ থেকে পদ্মায় পাড়ি দিচ্ছেন এমন একটা হাউজ বোটে যেটাতে থাকবে আড্ডা, গান কবিতা আর পুর্ণিমা উপভোগ করার একদল বাউন্ডুলে ।
টানা ৩ দিন আমরা “ঘাটে ঘাটে নোঙ্গর ফেলি” এর যাত্রায় বয়ে বেড়াবো ৭টি নদীর বুকে।
সুনামগঞ্জের আনোয়ারপুর থেকে রক্তী নদী হয়ে সুরমা নদী দিয়ে ৭ নভেম্বর আমাদের যাত্রা শুরু এরপর ধনু, ঘোড়াউত্রা, মেঘনা, ধলেশ্বরী, ইছামতি হয়ে আমরা পৌঁছে যাব পদ্মা নদীতে।
জেলেদের মাছ ধরা দেখতে দেখতেই হয়তো তাদের কাছ থেকে কেনা হবে সদ্য জালে ধড়া পরা জ্যান্ত মাছ। আমাদের রন্ধন শিল্পীর হাতে রান্নায় সেটাই হবে আমাদের দুপুরের খাবার।
নদীতে সূর্যাস্ত দেখতে দেখতে বিকেলে নাস্তা করে নিব আমরা। গ্রামের বিষণ্ণ করে দেওয়া মাগরিবের আযানের পরপরেই আমরা নোঙ্গর করব অচেনা কোন এক ঘাটে।
সন্ধ্যায় সেখানের বাজার, জীবনযাত্রা দেখে বোটে ফিরে শুরু হবে আমাদের গানের আসর।
রাতের খাবারে হয়তো সেই বাজার থেকেই হাঁস কিনে ভুনা করে ফেলবে আমাদের রন্ধন শিল্পী । রাতের খাবার শেষে চাইলে গানের আড্ডায় থাকতে পারেন কিংবা শীতের রাতে কম্বল মুরি দিয়ে ঘুমাতে পারেন।
১ রুমে ৩ জন= ১৮০০০/-
১ রুমে ২ জন = ১৫০০০/-
১ রুমে ৪ জন - আলোচনা সাপেক্ষে।
টুর প্লান:
৭ তারিখ ঃ সকালে সুনামগঞ্জের আনোয়ারপুর ঘাট থেকে আমরা বোট জার্নি শুরু করবো।
এ দিন আমরা রক্তী, সুরমা এবং ধনু নদী হয়ে ইটনা/মিঠামইন রাত্রি যাপন করবো।
৮ তারিখ ঃ
মিঠামইন হাওড় রিসোর্ট, নিকলী হাওড় এবং অল ওয়েদার রোড দেখবো।
এদিন আমরা ধনু নদী থেকে ঘোড়াউৎরা নদী হয়ে কালনী নদীতে আসবো। শিংগারপুর এর কাছে ঘোড়াউৎরা, কালনী এবং মেঘনা নদীর সংযোগ স্থল হয়ে মেঘনা নদীর যাত্রা শুরু হবে।
আমরা ভৈরব এ এসে রাত্রি যাপন করবো।
৯ তারিখঃ খুব ভোরে ভৈরব থেকে রওনা দিয়ে মেঘনা নদী হয়ে সন্ধ্যায় পদ্মার মাওয়া ঘাটে এসে আমাদের যাত্রা সমাপ্ত করবো।
প্যাকেজে যা যা অন্তর্ভুক্ত থাকবেঃ
১) সুনামগঞ্জের আনোয়ারপুর থেকে পিক করা হবে।
২) মাওয়া ঘাটে ড্রপ।
৩) ৩ টি সকালের খাবার ৩ টি দুপুরের খাবার ২ টি রাতের খাবার। ৬ টি নাস্তা
📞 যোগাযোগ:
Booking Office Dhaka-
H-39,Road-2,Janata Cooperative Housing Society ,Adabar,Dhaka-1207.
মোবাইল - 01740865294/01339808789
wa.me/881740865294