13/08/2024
আজ আমি স্বেচ্ছায়, সজ্ঞানে ঘোষণা করছি, আমরা যারা ২০২৪ সালে স্বৈরাচার সরকার থেকে মুক্তির জন্য দ্বিতীয় মুক্তিযুদ্ধ করলাম তাদেরকে যদি সরকারিভাবে কখনো কোনো ভাবে সার্টিফিকেট দিয়ে ভাতা দিয়ে মূল্যায়ন করার চেষ্টা করা হয় বা ট্রাফিকের দায়িত্ব যারা পালন করেছে তাদেরকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যে সনদ দেয়ার কথা চিন্তা করছে, কোন কিছুতেই আমি আমার নাম ইনক্লুড দেখতে চাই না।
আমি নিজে তো কখনো সার্টিফিকেট পাওয়ার জন্য আমার নাম দিবই না, কেউ যদি ভালোবেসেও আমার নাম দিয়ে থাকেন সেখান থেকে দয়া করে আমার নাম কেটে দিবেন।
আমি বৈষম্যের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছি নতুন করে সার্টিফিকেট পাওয়ার জন্য নয় বা কোন স্বীকৃতি পাওয়ার জন্য নয়। আমি চাইনা ভবিষ্যতে আমার বংশধরেরা কখনো আবার আমার সার্টিফিকেট নিয়ে রাস্তায় দাঁড়িয়ে আবার বৈষম্যের পথে হাঁটুক।
যারা দায়িত্ব নিয়েছেন যারা কাজ করেছে তাদের নাম ইনক্লুড করে দেয়ার, আপনারা সবাই দয়া করে যারা প্রকৃতপক্ষেই আন্দোলন করেছে এবং ট্রাফিকের দায়িত্ব নিজের ভালো লাগা থেকে পালন করেছে গত কয়েকদিন ধরে নিরলস ভাবে, তাদের খুঁজে খুঁজে বের করে নাম এন্ট্রি করে দিন প্লিজ। তা না হলে এখানেও একটা বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হবে।
টাঙ্গাইলের বাস্তব পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে আমি দেখতে পাচ্ছি, একটা বিশাল জনসমষ্টি যারা খুব ভালোভাবে কয়েকদিন রাস্তায় পরিশ্রম করেছে তাদের নাম সার্টিফিকেট লিস্টে ইনক্লুড করা হয়নি , আমি প্রচুর অভিযোগ পাচ্ছি।।
কিন্তু আমি আমারটা আবারও বলে যাচ্ছি,
বিতর্কিত কোন লিস্টে এবং যে লিস্ট নিয়ে ভবিষ্যতে দেশের বৃহত্তর জনসমষ্টির মধ্যে স্বার্থের কারণে আবারও রক্তারক্তি হতে পারে সেই লিস্টে কোন ভাবেই আমার নাম ইনক্লুড করাতে চাই না, কেউ আমার নাম ইনক্লুড করে ফেললেও আমি সেখান থেকে প্রত্যাখ্যান করে নিলাম নিজেকে।
১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের পরে মুক্তিযুদ্ধের সনদধারী সবাই না, তবে অধিকাংশ মুক্তিযোদ্ধাই ছিল ভুয়া। অপরদিকে যারা প্রকৃতপক্ষে রণাঙ্গনে যুদ্ধ করেছিলেন নিঃস্বার্থভাবে, তারা কখনোই সার্টিফিকেটের ধার ধার ধারেননি।
N ZauaD