Maitree Express- মৈত্রী এক্সপ্রেস

Maitree Express- মৈত্রী এক্সপ্রেস Maitree Express- মৈত্রী এক্সপ্রেস

19/11/2022
22/05/2022

ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ট্রেন সেবার পুনরারম্ভ
ভারতীয় হাই কমিশন
ঢাকা
প্রেস বিজ্ঞপ্তি
ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ট্রেন সেবার পুনরারম্ভ
ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে আন্তঃসীমান্ত ট্রেন চলাচল শিগগিরই চালু হবে ৷ ঢাকা-কলকাতার মধ্যে মৈত্রী এক্সপ্রেস এবং কলকাতা-খুলনার মধ্যে বন্ধন এক্সপ্রেস ২৯ মে ২০২২ তারিখে পুনরায় চালু হবে ৷ মৈত্রী এক্সপ্রেস ঢাকা থেকে তার যাত্রা শুরু করবে এবং বন্ধন এক্সপ্রেস কলকাতা থেকে তার যাত্রা শুরু করবে ৷
নিউ জলপাইগুড়ি-ঢাকার মধ্যে মিতালি এক্সপ্রেস ০১ জুন ২০২২ তারিখে ভারত ও বাংলাদেশের রেলমন্ত্রীদের ভার্চুয়াল লঞ্চের পর নিউ জলপাইগুড়ি থেকে যাত্রা শুরু করবে ৷
আগ্রহী যাত্রীরা মৈত্রী ও বন্ধন এক্সপ্রেসের পুনরায় চালু এবং মিতালি এক্সপ্রেস লঞ্চের তারিখ নোট করে রাখতে পারেন ৷
ঢাকা
১৯ মে ২০২২

এখন থেকে মৈত্রী এক্সপ্রেস ও বন্ধন এক্সপ্রেস সপ্তাহের ৫ দিন চলবে।
02/02/2020

এখন থেকে মৈত্রী এক্সপ্রেস ও বন্ধন এক্সপ্রেস সপ্তাহের ৫ দিন চলবে।

23/06/2019

২টি এসি চেয়ার টিকেট আছে
ভ্রমণ ডেট: ২৬/০৬/২০১৯
সকাল: ৮.১০ মি.
এই তারিখের মধ্যে কারো কনফার্ম প্রয়োজন হলে ইনবক্স করুন

03/06/2019

জেনে নিন ঢাকা-কলকাতা- ঢাকা মৈত্রী এক্সপ্রেস ট্রেনের বিস্তারিত!!

মৈত্রী এক্সপ্রেস (Maitree Express) ঢাকা থেকে কলকাতা সপ্তাহে ৪ দিন যায়, বুধবার, শুক্রবার, শনিবার এবং রবিবার আর কলকাতা থেকে ঢাকা আসে সপ্তাহে ৪ দিন, সেটা হলো সোমবার, মঙ্গলবার, শুক্রবার এবং শনিবার। ঢাকা থেকে সকাল ৮ টা ১৫ মিনিটে ছাড়ে এবং কলকাতা পৌঁছাবে বিকাল ৪ টার সময় । ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট স্টেশন থেকে ছাড়ে আর কলকাতা চিতপুর স্টেশন এ পৌঁছায় এবং আসার সময় কলকাতা চিতপুর স্টেশন থেকে ছাড়ে আর ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট স্টেশনে পৌঁছায়। কলকাতা থেকে ছেড়ে আসার সময় হচ্ছে সকাল ৭ টা ১০ মিনিটে আর ঢাকা পৌঁছাবে বিকাল ৪ টা ০৫ মিনিটে।

টিকেট ভাড়া ঢাকা টু কলকাতা :-
AC কেবিন – ২৫২২ টাকা + ৩৭৮ টাকা (ভ্যাট)+ ৫০০ টাকা ট্রাভেল ট্যাক্স = ৩৪০০ টাকা
AC চেয়ার – ১৭৪৮ টাকা +২৫২ টাকা ( ভ্যাট ) + ৫০০ ট্রাভেল ট্যাক্স = ২৫০০ টাকা। শিশুদের জন্য ৫০% ডিস্কাউন্ট হবে যদি ১ থেকে ৫ বছরের মধ্যে বয়স হয়ে থাকে নতুবা ফুল ভাড়া দিয়ে টিকিট কাটতে হবে। পাসপোর্ট অনুসারে বয়স ধরা হয়ে থাকে।
ট্রাভেল ট্যাক্স প্রতিজনের জন্য ৫০০ টাকা করে যা টিকিট এর টাকার সাথে যুক্ত। কলকাতা টু ঢাকা :-
AC কেবিন – ২০১৫ রুপি
AC চেয়ার – ১৩৪৫ রুপি

টিকেট কাটার সম্পূর্ণ তথ্য :-
ঢাকা টু কলকাতা —-

ঢাকা টু কলকাতা এর টিকিট কাটতে হবে “কমলাপুর রেল স্টেশন” ও “চট্টগ্রাম রেল স্টেশন” গিয়ে। ঢাকা-কলকাতা মৈত্রী ট্রেনের টিকিট আর কোথাও বিক্রি করে না।
কলকাতা টু ঢাকার ট্রেনের টিকিট কমলাপুর রেল স্টেশন থেকে কাটতে পারবেন তবে ২০% টিকিট দিতে পারে ঢাকা থেকে সেক্ষেত্রে আপনার ভাগ্য ভালো থাকলে পাবেন অথবা পাবেন না। আর বাকি ৮০% টিকিট কলকাতা কাউন্টার থেকে দিয়ে থাকে। সকাল ৯ টা থেকে রাত ৭ টা পর্যন্ত টিকিট দেওয়া হয়। আর কমলাপুর রেল স্টেশন থেকে টিকিট পাবেন। আর ২৯ দিন আগ পর্যন্ত অগ্রিম টিকিট নিতে পারবেন তবে যাবার মিনিমাম ১০/১২ দিন আগে না নিলে টিকিট পাবেন বলে মনে হয় না কারণ প্রচন্ড চাপ থাকে। ৩০/৩১/৩২ দিন আগে কোন অগ্রিম টিকিট নিতে পারবেন না মানে দিবে না। মানে ২ মাস আগে কোন টিকিট দেওয়া হয়না। আপনি হায়েস্ট ২৯ দিন আগের টিকিট নিতে পারবেন।

কলকাতা টু ঢাকা —–

ঢাকা টু কলকাতা এর টিকিট কাটতে হবে ফেয়ারলী প্লেস অথবা কলকাতা স্টেশনে গিয়ে। কলকাতা-ঢাকা ট্রেনের টিকিট আর কোথাও বিক্রি করে না।
*ফেয়ারলী প্লেস:-
সকাল ১০ টা থেকে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত টিকিট দেওয়া হয়।
*কলকাতা স্টেশন:-
বিকাল ৪ টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত টিকিট দেয়া হয়। স্টেশনের ২য় তলায় যেতে হবে মৈত্রী ট্রেনের টিকিটের জন্য।
*টিকিট কাটার জন্য প্রথমে পাসপোর্ট দেখিয়ে ফরম নিতে হবে ফরমে সিরিয়াল নাম্বার লিখে দিবে তারপর ফরম পূরন করে অপেক্ষা করতে হবে সিরিয়াল অনুযায়ী ডাকা হবে টিকিট নেয়ার জন্য।
মৈত্রী ট্রেনের ইমিগ্রেশন :-
ঢাকা থেকে কলকাতা যাওয়ার সময় —-
ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট স্টেশনে পৌছানোর পর কাজ হলো ইমিগ্রেশন ফর্ম নিয়ে সেটা পূরণ করা । ফর্ম এর মধ্যে পাসপোর্ট ইনফো এবং ভিসা ইনফো ঠিকঠাক লিখেবেন ।যাওয়ার সময় কাস্টম সেরকম কিছু জিগেশ করে না । হাতে একটু সময় নিয়ে আগে থাকে স্টেশনে পৌঁছাবেন!
কলকাতা স্টেশনে পৌছানোর আগেই ট্রেনে একটা ইন্ডিয়ান ইমিগ্রেশন ফরম দিবে সেটা ঠান্ডা মাথায় পূরন করবেন সব গুলো তথ্য পূরন করবেন একটাও বাদ দিবেন না। ফরমে ঠিকানা ও ফোনের জায়গায় আপনার হোটেলের ঠিকানা ও ফোন নম্বর দিবেন যারা আত্মীয়ের বাসায় উঠবেন তারা আত্মীয়ের ঠিকানা ও তার পুরো নাম ঠিকানার জায়গায় লিখবেন এবং তার ফোন নাম্বার দিবেন। ট্রেন থামার পর ইমিগ্রেশন লাইনে দাড়াবেন তখন একটি ডিকলারেশন ফরম দিবে সেটি পূরন করবেন ফরমের দুদিকে বাংলা/ইংরেজী দুটি ভাষাই আছে যে কোন একভাবে পূরণ করবেন, সেটা নিয়ে ইমিগ্রেশনে যাবেন, আপনার বিষয়ে কিছু প্রশ্ন করবে, না ঘাবড়িয়ে উত্তর দিবেন।

***চাকুরীজীবীদের NOC সাথে রাখা আবশ্যক।

যত দ্রুত ইমিগ্রেশন শেষ করবেন তত দ্রত কলকাতা প্রবেশ করবেন তাই ট্রেন থামা মাত্রই নেমে লাইন ধরুন।

কলকাতা থেকে ঢাকা আসার সময় —-

কলকাতা স্টেশনে প্রথম কাজ হল ডিকলারেশন ফরম নিয়ে পূরণ করে ইমিগ্রেশনে দাড়ানো। ইমিগ্রেশনের আগে ও পরে ৩/৪ বার ব্যাগেজ ও বডি চেক হবে কুকুর, মেশিন ও বি এস এফ দ্বারা এবং এগুলো খুব দ্রুতই হয়ে যায়। আর স্টেশনে ৬টার দিকে পৌছে যাওয়াই ভাল।
ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট স্টেশনে পৌঁছানোর পর কেবিন যাত্রী ও চেয়ার কোচ যাত্রীদের আালাদা লাইন করা হয় এবং প্রথম দিকের যাত্রীদের সময় নিয়ে কাস্টম, ইমিগ্রেশন করা হয় আর শেষের দিকে যাত্রীদের দ্রুত ইমিগ্রেশন করে ছেড়ে দেয়।

মৈত্রী এক্সপ্রেস এর ট্রাভেল ব্যাগ এর ওজন :-

একজন পূর্ণবয়স্ক ব্যক্তি ৩৫ কেজি পর্যন্ত ফ্রি নিতে পারবেন মানে দু’টা লাগেজে ৩৫ কেজি পর্যন্ত নিতে পারবেন আর শিশুদের ক্ষেত্রে ২০ কেজি পর্যন্ত মানে সাথে যদি বাচ্চা থাকে তার জন্য ২০ কেজি পর্যন্ত ফ্রি নিতে পারবেন। ৩৫ কেজি বেশি নিলে কত চার্জ দিতে হবে ৩৫ কেজি থেকে ৫০ কেজি হলে প্রতি কেজিতে ২ ডলার করে এক্সট্রা ফি দিতে হবে প্রতি কেজিতে এবং ৫০ কেজির বেশি হলে প্রতি কেজিতে ১০ ডলার করে গুনতে হবে।

আপনার ইন্ডিয়া ভ্রমণ কে করে তুলুন সুন্দর ও আনন্দময়।

29 days আগে থেকে অগ্রীম টিকেট কাটা যায়।2500 Tk = AC Chair3400 Tk = AC CabinDhaka to Kolkata ট্রেন = Friday, Saturday, Su...
24/03/2019

29 days আগে থেকে অগ্রীম টিকেট কাটা যায়।
2500 Tk = AC Chair
3400 Tk = AC Cabin
Dhaka to Kolkata ট্রেন = Friday, Saturday, Sunday, Wednesday...
Departure Time: 08:10 AM
Kolkata to Dhaka ট্রেন = Friday, Saturday , Monday, Tuesday...
Departure Time = 07:10 AM

ঢাকা-কলকাতা-ঢাকা ননস্টপ মৈত্রী এক্সপ্রেস ট্রেনে ভ্রমণের যাবতীয় তথ্যাদি===========================================মৈত্রী ...
27/10/2018

ঢাকা-কলকাতা-ঢাকা ননস্টপ মৈত্রী এক্সপ্রেস ট্রেনে ভ্রমণের যাবতীয় তথ্যাদি
===========================================
মৈত্রী এক্সপ্রেস ঢাকা থেকে কলকাতা সপ্তাহে ৪ দিন যায়, বুধবার, শুক্রবার, শনিবার এবং রবিবার। ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট স্টেশন থেকে সকাল ৮:১৫ সময়ে ছেড়ে কলকাতা চিতপুর স্টেশন এ পৌঁছায় বিকাল ৪টায়।

কলকাতা থেকে ঢাকা আসে সপ্তাহে ৪ দিন। সোমবার, মঙ্গলবার, শুক্রবার এবং শনিবার। কলকাতা চিতপুর স্টেশন থেকে ছাড়ে সকাল ৭:১০ সময়ে আর ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট স্টেশনে পৌঁছায় বিকাল ৪:০৫ সময়ে।

ভাড়ার হারঃ-, ঢাকা টু কলকাতা: AC কেবিনের প্রতি সিট = ২৫২২ টাকা + ৩৭৮ টাকা (ভ্যাট) + ৫০০ টাকা ট্রাভেল ট্যাক্স = ৩৪০০ টাকা, AC চেয়ার = ১৭৪৮ টাকা + ২৫২ টাকা ( ভ্যাট ) + ৫০০ ট্রাভেল ট্যাক্স = ২৫০০ টাকা,

কলকাতা টু ঢাকা : AC কেবিনের প্রতি সিট = ২০১৫ রুপি, AC চেয়ার = ১৩৪৫ রুপি। শিশুদের জন্য ৫০% ডিস্কাউন্ট প্রযোজ্য হবে যদি ১ থেকে ৫ বছরের মধ্যে বয়স হয়ে থাকে। পাসপোর্ট অনুসারে বয়স নির্ধারিত হবে। সিংগেল কেবিনে ৩ টি সিট, এবং ডাবল কেবিনে ৬ টি সিটের টিকিট দেয়া হয়।

টিকিট সংগ্রহের পদ্ধতি: ঢাকা টু কলকাতা এর টিকিট কাটতে হবে “কমলাপুর রেল স্টেশন” ও “চট্টগ্রাম রেল স্টেশন” গিয়ে। ঢাকা-কলকাতা মৈত্রী ট্রেনের টিকিট আর কোথাও বিক্রয় হয় না। প্রতিদিন সকাল ৯ টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত টিকিট দেয়া হয়। যাত্রার ২৯ দিন আগ থেকে অগ্রিম টিকিট সংগ্রহ করা যাচ্ছে।

প্রত্যেক টিকেটের জন্য কাউন্টারে পাসপোর্টের মূলকপি (কোনো ফটোকপি গ্রহনযোগ্য নয়) দেখিয়ে ফরম নিতে হবে। এসময় ফরমে সিরিয়াল নাম্বার লিখে দেয়া হবে। তারপর ফরমটি পূরন করে অপেক্ষা করতে হবে। সিরিয়াল অনুযায়ী ডাকা হবে টিকিট নেয়ার জন্য। ভিসা না থাকলেও টিকিট দেয়া হয় কাউন্টার থেকে। তবে ফিরতি টিকিটের জন্য ভিসা আবশ্যক।

টিকিট ফেরত: যাত্রা শুরুর ১২০ ঘণ্টা পূর্বে ফেরতের ক্ষেত্রে সার্ভিস চার্জ বাবদ ২৫ টাকা, ১২০ ঘণ্টার কম ও ৯৬ ঘণ্টার বেশি সময়ের ক্ষেত্রে সার্ভিস চার্জ বাবদ ৫০% ভাড়া কর্তনযোগ্য হবে প্রতি টিকিটে। ৯৬ ঘণ্টার কম ও ৭২ ঘণ্টার বেশি সময়ের ক্ষেত্রে সার্ভিস চার্জ বাবদ টিকিটের মূল্যের ৭৫% টাকা কর্তনযোগ্য। অন্যান্য ক্ষেত্রে কোনো মূল্য ফেরতযোগ্য নয়।

কলকাতা টু ঢাকা ট্রেনের টিকিট কমলাপুর রেল স্টেশন থেকে কাটতে পারবেন। মোট টিকিটের ২০% টিকিট দেয়া হয় ঢাকা থেকে। আর বাকি ৮০% টিকেট কলকাতা কাউন্টার থেকে দেয়া হয়। কলকাতা টু ঢাকা এর টিকিট কাটতে হবে ডালহৌসীর “ফেয়ারলী প্লেস রেলওয়ে বিল্ডিং” অথবা চিতপুরের “কলকাতা টার্মিনাল” স্টেশনে গিয়ে। কলকাতা-ঢাকা ট্রেনের টিকিট আর কোথাও বিক্রয় হয় না।

ফেয়ারলী প্লেসে সকাল ১০ টা থেকে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত টিকিট দেওয়া হয়। আর কলকাতা স্টেশনে টিকিট দেয়া হয় বিকাল ৪ টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত স্টেশনের ২য় তলায়। মৈত্রী ট্রেনের ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়া ঢাকা থেকে কলকাতা যাওয়ার সময় –

ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট স্টেশনে পৌঁছানোর পর “ইমিগ্রেশন ফর্ম” সংগ্রহ করে সেটা পূরণ করুন। কলকাতা স্টেশনে পৌঁছানোর আগেই ট্রেনে ভারতীয় ইমিগ্রেশনের ডিসএমবারকেশন কার্ড বা অবতরণপত্র বিতরণ করা হবে। সেটি পূরন করবেন। ফরমে ঠিকানা ও ফোননম্বরের জায়গায় আপনার হোটেলের ঠিকানা ও ফোন নম্বর দিবেন। তবে যারা আত্মীয়ের বাসায় উঠবেন তারা আত্মীয়ের পুরো নাম, ঠিকানা ও ফোন নাম্বার দিবেন।

ট্রেন থামার পর দ্রুত ইমিগ্রেশন লাইনে দাঁড়ান। এ সময় ভারতীয় কাস্টমসের পক্ষ থেকে একটি Declaration ফরম দেয়া হবে। সেটি পূরন করবেন। ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করার পর মালপত্র স্ক্যানিং মেশিনে তুলে তল্লাশি করিয়ে বের হওয়ার আগে পূরণকৃত ফরমটি জমা দিতে হবে। চাকুরীজীবীদের NOC সাথে রাখা আবশ্যক।

কলকাতা থেকে ঢাকা আসার সময় – সকাল ৫টার মধ্যে কলকাতা চিতপুর স্টেশনে পৌঁছাবেন। কলকাতা স্টেশনে প্রথম কাজ হল Declaration ফরম নিয়ে তা যথাযথভাবে পূরন করে ইমিগ্রেশনের লাইনে দাঁড়ানো।

ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট স্টেশনে পৌঁছানোর পর যাত্রীদের ইমিগ্রেশনের এমবারকেশন কার্ড বা আরোহণ পত্র বিতরণ করা হবে। এছাড়া কাস্টমস আনুষ্ঠানিকতার জন্য কেবিন যাত্রী ও চেয়ারকোচ যাত্রীদের জন্য আলাদা লাইন রয়েছে এই স্টেশনে।

ট্রাভেল ব্যাগ এর ওজন: একজন পূর্ণবয়স্ক ব্যক্তি ৩৫ কেজি পর্যন্ত মালামাল বিনা মাশুলে নিতে পারবেন দুটো লাগেজে। যদি বাচ্চা থাকে তবে তার জন্য ২০ কেজি পর্যন্ত বিনামাশুলে নিতে পারবেন সাথে। ৩৫ কেজির বেশি মালামালের ক্ষেত্রে, ৩৫ কেজি থেকে ৫০ কেজি হলে প্রতি কেজিতে ২ ডলার করে মাশুল দিতে হবে প্রতি কেজিতে। এবং ৫০ কেজির বেশি হলে প্রতি কেজিতে ১০ ডলার করে গুনতে হবে মাশুল।

ট্রেনে সম্মানিত যাত্রীদের সুবিধার্থে সংযোজিত খাবার গাড়ীতে হালকা খাবার ও পানীয়র ব্যবস্থা রয়েছে যা যাত্রী কর্তৃক নির্ধারিত মূল্য পরিশোধ সাপেক্ষে সরবরাহ করা থাকে। খাবারের মেনু ও মূল্যতালিকা খাবার গাড়ীতে প্রদর্শিত থাকে। ভ্রমণকালীন সময়ে ট্রেন কোথাও অনির্ধারিত যাত্রাবিরতিতে দাঁড়িয়ে পড়লে ট্রেন থেকে ওঠা/নামা দন্ডনীয় অপরাধ। এরুপ চেষ্টাকারীকে রেলওয়ে পুলিশের আওতায় ধরিয়ে দেয়া হবে।

জানুয়ারী’২০১৭ → আগষ্ট’২০১৭ সময়কালে মৈত্রী এক্সপ্রেসে যাত্রী সংখ্যার একটা পরিসংখ্যান, জানুয়ারী – ১৩,৩২০ জন, ফেব্রুয়ারী – ১১,৪৯২ জন, মার্চ – ১৩,৫১৭ জন, এপ্রিল – ১৩,৬০৫ জন, মে – ১৪,১৯৩ জন, জুন – ১০,৫২০ জন, জুলাই – ১৩,৮৪৮ জন, আগষ্ট – ১২,০১৩ জন, উক্ত আট মাসে সর্বমোট ১,০২,৫১৮ যাত্রীর মধ্যে ঢাকা – কলকাতা রুটের ৫৬,৮৮৫ জন ও কলকাতা ঢাকা রুটের ৪৫,৬৩৩ জন যাত্রী ছিলেন।

কলকাতা ৩ দিন এবং মুর্শিদাবাদ ২ দিন (৫ দিনের ভ্রমণ), কে কে আগ্রহী?
03/02/2018

কলকাতা ৩ দিন এবং মুর্শিদাবাদ ২ দিন (৫ দিনের ভ্রমণ), কে কে আগ্রহী?

26/01/2018

মৈত্রী এক্সপ্রেসের টিকিট প্রাপ্তিস্থান ও মূল্য সমূহ :
========================================
আবার নতুন করা নিয়ম, যেকোনো পোর্টে এন্ট্রি থাকলে আকাশ, রেল ও হরিদাশপুর হয়ে স্থলপথে ভারতে প্রবেশ করার সুবিধা দেয়ায় বিষয়টা হয়ে গেছে আরও অনেক সহজ। আর তাই যে কোন পোর্টের এন্ট্রি/এক্সিট থাকলে আপনি খুব সহজেই ট্রেনে করে ঢাকা থেকে কলকাতা যেতে পারেন। ট্রেনে খরচ কম, ঝামেলা কম এবং আগামীতে যে পরিকল্পনা করা হয়েছে, সেটা ৩রা নভেম্বর শুরু হলে ইমিগ্রেশন সংক্রান্ত ঝামেলা সবাই ঢাকার ক্যান্টনমেন্ট স্টেশন থেকেই করে যেতে পারবেন, তাই ঝামেলা আরও কমছে।

তাই যারা ট্রেনে করে কলকাতা যেতে আগ্রহী, তাদের জন্য মৈত্রী ট্রেন এর সময়সূচী, ভাড়া ও অন্যান্য তথ্য আজ দেয়া হল।

* মৈত্রী ট্রেন ঢাকা থেকে সকাল আটটা দশ মিনিটে (০৮:১০) ছাড়ে। কলকাতার চিতপুর স্টেশন থেকে ছাড়বে সকাল সাতটা ১০ মিনিটে।

* ছাড়বার স্থান হল ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট স্টেশন।

* টিকিট ক্রয় করতে হয় একমাত্র কমলাপুর স্টেশন থেকে। অন্যকোথাও কাটা যায় না।

* ট্রেন এর রিটার্ন টিকিট কাটা সম্ভব কমলাপুর স্টেশন থেকেই। তবে রিটার্ন টিকিটের মাত্র ২০ শতাংশ দেয়া হয় ঢাকা থেকে। বাকি ৮০ শতাংশ কলকাতা থেকে কাটার জন্য বরাদ্দ থাকে। তাই রিটার্ন টিকিট কিনতে পারাটা কিছুটা ভাগ্যের বিষয়।

* আপাতত সপ্তাহে তিনবার করে আপ এবং ডাউন করছে মৈত্রী। তবে সামনে আরও বাড়বে বলে শোনা যায়।

* ঢাকা থেকে কলকাতা: শুক্রবার (রেলগাড়ি নং ৩১০৭), শনিবার (রেলগাড়ি নং ৩১১০), রবিবার (রেলগাড়ি নং ৩১০৭), বুধবার (রেলগাড়ি নং ৩১১০)।

* কলকাতা থেকে ঢাকা: শনিবার (রেলগাড়ি নং ৩১০৮), সোমবার (রেলগাড়ি নং ৩১০৮), মঙ্গলবার (রেলগাড়ি নং ৩১০৯), শুক্রবার (রেলগাড়ি নং ৩১০৯)।

* ট্রেন ঢাকা থেকে কলকাতা পৌছাতে সময় নেবে প্রায় বারো ঘণ্টা। সাধারণত সন্ধ্যা সাতটা দিকেই পৌঁছে যায়, তবে ইমিগ্রেশন ও বিভিন্ন কারণে দেরি হতে পারে।

* ট্রেন কলকাতা থেকে ঢাকা পৌছাতে সময় নেবে প্রায় বারো ঘণ্টা, সাধারণত বারো ঘণ্টা সময় লাগে, তবে ইমিগ্রেশন ও বিভিন্ন কারণে দেরি হতে পারে।

* ঢাকা টু কলকাতা পথের দূরত্ব প্রায় ৩৯৩ কিলোমিটার।

টিকেটের মূল্য: মৈত্রী ট্রেনে করে কলকাতা যাওয়া বাসের তুলনায় বেশ সস্তা। তাই অনেকেই এটাই চেষ্টা করেন।

এসি ফার্স্টক্লাস কেবিন: ৩৪০০ টাকা। (ভ্রমণ ট্যাক্স সহ)

এসি চেয়ার কার: ২৫০০ টাকা ( (ভ্রমণ ট্যাক্স সহ)

৫০ শতাংশ ডিসকাউন্ট রয়েছে ১ থেকে ৫ বছরের শিশুদের জন্য। বয়স নির্ধারণ করা হবে পাসপোর্টে উল্লেখিত জন্মতারিখ অনুসারে। ৫ বছর এর উপরে হলে পুরো টিকিট করতে হবে। আন্তর্জাতিক পরিবহন বলে খরচের হিসেবটা ডলারে দেখানো হয়েছে। সময়ে সময়ে সেটা কিছুটা ওঠানামা করতে পারে।

এর আগে ট্রাভেল ট্যাক্স ছিল জনপ্রতি ৫০০ টাকা। সেটা এখন জনপ্রতি ৫৪০ টাকা হয়েছে শুধুমাত্র বেনাপোল ও ট্রেন এর যাত্রীদের জন্য গত ১লা জুলাই থেকে।

টিকিট কোথায় পাওয়া যাবে?

ভারত বাংলাদেশ ট্রেন মৈত্রী ট্রেন এর টিকিট পাওয়া যায় একমাত্র কমলাপুর স্টেশনে। টিকিট নেবার সময় সকাল নটা থেকে সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত। ত্রিশ দিন পর্যন্ত অগ্রিম টিকিট নিতে পারবেন, তবে পাঁচ বা ছয় দিন আগে গেলে টিকিট নাও পেতে পারেন। সস্তা ও আরামদায়ক হবার কারণে অনেকের প্রথম পছন্দ থাকে ট্রেন। ত্রিশ দিনের আগে কোনভাবেই অগ্রিম টিকিট নিতে পারবেন না।

ব্যাগেজ: ভ্রমণে ব্যাগেজ একটা বেশ বড় ঝামেলাই বটে, আর যদি হয় লম্বা জার্নি, তাহলে তো কথাই নেই। যেহেতু আপনি আন্তর্জাতিক ভ্রমণ করছেন, তাই ব্যাগেজ বিষয়ে আপনাকে সচেতন হতে হবে। কারণ আপনাকে ইমিগ্রেশন পার হতে হবে।

সর্বোচ্চ কত কেজি? একজন পূর্ণবয়স্ক যাত্রী ত্রিশ কেজি পর্যন্ত বাড়তি খরচ করা ছাড়াই নিতে পারবেন। সাথে যদি শিশু থাকে, তার ক্ষেত্রে ২০ কেজি পর্যন্ত বাড়তি খরচ ছাড়া নেয়া সম্ভব।

বাড়তি লাগেজ এর জন্য বাড়তি চার্জ? বাড়তি চার্জ এর পরিমাণ আসলেই বেশি পড়ে যায়। ৩১ কেজি থেকে ৫০ কেজি পর্যন্ত নিতে হলে প্রতি কেজিতে বাড়তি দিতে হবে দুই ডলার সমপরিমাণ অর্থ। ৫১ কেজি থেকে ১০০ কেজি পর্যন্ত প্রতি কেজিতে বাড়তি দিতে হবে ১০ ডলার। এই বিশাল পরিমাণ খরচ বাঁচাবার জন্য সেরা উপায় হল, লাগেজ এর ওজন ৩০ কেজির মাঝেই সীমাবদ্ধ রাখলে।

লাগেজ এডজাস্টমেন্ট: তবে কয়েকজন গেলে ওজন এডজাস্ট করার সুযোগ রয়েছে। মনে করুন আপনার লাগেজ চল্লিশ কেজি, আপনার সঙ্গীর লাগেজ এর ওজন বিশ কেজি। দু'জনে মিলে ষাট কেজি হলে সমস্যা হবে না।

সম্পূর্ণ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত এই ট্রেনে যাওয়া যথেষ্ট আরামদায়ক। মাঝে ইমিগ্রেশন এর কাজ সম্পন্ন করার জন্য আপনাকে নামতে হবে সীমান্তে। সেখানে দর্শনা রেলস্টেশনে লাগেজ সহ নেমে সেগুলো স্ক্যান করিয়ে বাংলাদেশ ইমিগ্রেশন থেকে পাসপোর্টে এক্সিট সীল নিতে হবে। এর পরে আবার ভারতের দিকে গিয়ে লাগেজ স্ক্যান করিয়ে ভারত ইমিগ্রেশন থেকে এন্ট্রি সীল দিয়ে নিতে হবে পাসপোর্টে। এই সময় দালাল থেকে সাবধান থাকবেন। অনেক সময় সাধারণ বিষয়ে ভুল তথ্য দিয়ে ও ভয় দেখিয়ে আপনার কাছ থেকে সামান্য কাজের বিনিময়ে চড়া মূল্য আদায় করবে তারা।

বিশাল অংকের ভাড়া বাড়লো মৈত্রী এক্সপ্রেসে============================৮ ডিসেম্বর, ২০১৭ থেকে কার্যকর হচ্ছে মৈত্রী এক্সপ্রেস...
27/11/2017

বিশাল অংকের ভাড়া বাড়লো মৈত্রী এক্সপ্রেসে
============================

৮ ডিসেম্বর, ২০১৭ থেকে কার্যকর হচ্ছে মৈত্রী এক্সপ্রেসের নতুন ভাড়া। ঢাকা কলকাতা রুটে চলাচলকারীদের পছন্দের তালিকায় সব সময়ই আছে মৈত্রী এক্সপ্রেস। প্রতিদিন ভোরের আলো ফোঁটার আগে থেকে সন্ধ্যা ৭ টায় টিকিট কাউন্টার বন্ধ হওয়া পর্যন্ত বিশাল লাইন লেগে থাকে ঢাকা-কলকাতার মধ্যে চলাচলকারী এই একমাত্র ট্রেন সার্ভিসটিতে। সপ্তাহে মাত্র ৪ দিন ঢাকা থেকে কলকাতায় চলাচলকারী এই ট্রেন সার্ভিসের কাছে যাত্রীদের চাওয়া ছিল যাত্রী সেবার মান উন্নয়ন, ট্রেনের সংখ্যা বৃদ্ধি, টিকিটের প্রাপ্তি নিশ্চিতকরণসহ আরো অনেক কিছু। তবে সবচাইতে বেশি যে আবেদনটি এই রুটের যাত্রীরা করে থাকেন তা ছিল আসন সংখ্যা বৃদ্ধি করা। মাত্র ৪৫৬টি আসনের এই মৈত্রী এক্সপ্রেস কখনই যাত্রীদের টিকিটের চাহিদা পূরণ করতে পারেনি।

যাত্রীদের এত সব চাহিদা আর আকাঙ্ক্ষার সামনে নিরাশার বার্তা নিয়ে এলো মৈত্রী এক্সপ্রেস। আগামী ৮ ডিসেম্বর, ২০১৭ থেকে শতকরা ৫০ শতাংশ হারে ভাড়া বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত আসায় যাত্রীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। একলাফে প্রায় ৫০% ভাড়া বৃদ্ধি পাওয়ায় অনেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। মৈত্রী এসি সিটের ভাড়া যেখানে ছিল ১,৬৪৪ টাকা এটি বর্তমানে ২,৫০০ টাকা। এসি চেয়ারের ভাড়া আগে ছিল ২,৩৮০ টাকা। বর্তমানে এটি ৩,৪০০ টাকা। কলকাতা গমন এখন আর সাধ্যের মধ্যে নয়, বরং হয়ে গেল যথেষ্ট ব্যায়বহুল। সাথে ট্রাভেল ট্যাক্স তো রয়েছেই।

ট্রেনের এই অতিরিক্ত ভাড়া বহন করা কষ্টসাধ্য হবে অনেকের জন্যই।
এই ভাড়া বৃদ্ধির কারণ হিসেবে বাংলাদেশ রেলওয়ের ওয়েবসাইটে ডলারের মূল্য বৃদ্ধির কথা বলা হয়েছে। কিন্তু দুই দেশের প্রায় সকল সংবাদ মাধ্যমেই সম্প্রতি যাত্রী সেবায় কিছু ছোট ছোট উন্নয়নের দিকে নির্দেশ করে বলছেন এই ভাড়া বৃদ্ধি আসলে করা হয়েছে এই সকল নতুন সুবিধার সাথে সামঞ্জস্যতা তৈরির লক্ষ্যে। আর যাত্রীদের বক্তব্য অনুসারে এই মূল্যবৃদ্ধি করা হয়েছে মুনাফা বৃদ্ধির একমাত্র উদ্দেশ্যকে মাথায় রেখে। যেটাই আসল কারন হোক না কেন অকস্মাৎ এই ৫০% মূল্য বৃদ্ধিতে ২ দেশের যাত্রীরাই ক্ষুব্ধ।
সূত্র: প্রিয়.কম

১০ নভেম্বর থেকে শুল্ক-অভিবাসনের আনুষ্ঠানিকতা ঢাকা-কলকাতা স্টেশনে=============================================কলকাতা এবং ...
11/11/2017

১০ নভেম্বর থেকে শুল্ক-অভিবাসনের আনুষ্ঠানিকতা ঢাকা-কলকাতা স্টেশনে
=============================================

কলকাতা এবং ঢাকার ক্যান্টনমেন্ট স্টেশনেই যাত্রীদের শুল্ক-অভিবাসনের (কাস্টমস ও ইমিগ্রেশন) কাজ করতে হবে ১০ নভেম্বর থেকে। সেদিনই যাত্রীদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ হতে চলেছে।

এর ফলে ভারতের গেদে ও বাংলাদেশের দর্শনা সীমান্তে দুই ঘণ্টা করে মোট চার ঘণ্টা অতিরিক্ত সময় ব্যয় করতে হবে না। এতে মৈত্রী এক্সপ্রেসের যাত্রীদের ১২ ঘণ্টার দীর্ঘ যাত্রা কমে দাঁড়াবে মাত্র আট ঘণ্টায়।

দীর্ঘ দিন ধরেই যাত্রীরা এ দাবি জানিয়ে আসছিলেন। সময় কমলে এই রুটে যাত্রী সংখ্যা আরো বাড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরাও। আজ (৬ নভেম্বর) ভারতীয় পূর্ব রেলের প্রধান জনসংযোগ দফতর থেকে পাঠানো ইমেইল বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।

এর আগে ৩১ অক্টোবর পূর্ব রেলের প্রধান জনসংযোগ কর্মকর্তা রবি মহাপাত্র সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, আগামী ৯ নভেম্বর থেকে প্রক্রিয়াটি শুরু হবে। তবে তিনি এ বিষয়ে আর কোনও কথা বলতে রাজি হননি।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের খবর, ভারতীয় অংশে প্রস্তুতির কাজ শেষ হলেও ঢাকার ক্যান্টনমেন্ট স্টেশনে শুল্ক-অভিবাসনের কাজ করার জায়গা প্রস্তুত না হওয়ার কারণে এটি একদিন পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে।

এর আগে ৩১ অক্টোবর কলকাতায় ভারতীয় পূর্ব-রেলের প্রধান কার্যালয়ে দুই দেশের রেল, পররাষ্ট্র ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্টরা বৈঠক করে দিনটি চূড়ান্ত করেন।

বর্তমান ব্যবস্থাপনায় ঢাকার ক্যান্টনমেন্ট স্টেশনে যাত্রীরা শুধু তাঁদের মালামাল এক্স-রে করে পাসপোর্ট দেখিয়ে ট্রেনে চড়ে বসেন। এরপর, বাংলাদেশের চুয়াডাঙা জেলার দর্শনা সীমান্তে পৌঁছে শুল্ক ও অভিবাসনের কাজ সম্পন্ন করেন। সেখানে ব্যয় হয় কমপক্ষে দেড় থেকে দুই ঘণ্টা।

একইভাবে মাত্র পাঁচ মিনিটের পথ অতিক্রম করে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার গেদে সীমান্তে পৌঁছে একই যাত্রীকে আবারও ভারতীয় অংশের শুল্ক ও অভিবাসনের কাজ শেষ করতে হয়। সেখানেও একইভাবে দেড় থেকে দুই ঘণ্টা সময় দিতে হয় যাত্রীদের।

তবে নতুন ব্যবস্থাপনায় যাত্রীদের উড়োজাহাজের মতো গন্তব্যের দুই প্রান্তে সব ব্যবস্থা শেষ হবে। ঢাকার যাত্রীরা ক্যান্টনমেন্ট স্টেশনে তাদের কাস্টমস-ইমিগ্রেশন শেষ করে উঠবেন কলকাতাগামী ট্রেনে। ভারতের প্রান্তিক স্টেশন চিৎপুরের ‘কলকাতা স্টেশন’-এ নেমে একইভাবে ভারতের অংশে কাস্টমস ও ইমিগ্রেশনের কাজ শেষ করে সহজেই যাত্রীরা বেরিয়ে পড়তে পারবেন।

সূত্র: কলকাতা প্রতিনিধি, দি ডেইলী স্টার

খুলনা-কলকাতা রুটের বন্ধন এক্সপ্রেসের টিকেট বিক্রি শুরু==========================ঢাকা-কলকাতা মৈত্রী এক্সপ্রেসের’ পর এবার ...
11/11/2017

খুলনা-কলকাতা রুটের বন্ধন এক্সপ্রেসের টিকেট বিক্রি শুরু
==========================

ঢাকা-কলকাতা মৈত্রী এক্সপ্রেসের’ পর এবার খুলনা-কলকাতা রুটে চালু হচ্ছে ‘বন্ধন এক্সপ্রেস’। আগামী ১৬ নভেম্বর দুপুরে প্রথম যাত্রীবাহি ট্রেনটি খুলনা থেকে কলকাতার উদ্দেশে ছেড়ে যাবে। এরই মধ্যে টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে। খুলনা থেকে কলকাতা পর্যন্ত যাতায়াতে সময় লাগবে পাঁচ ঘণ্টা। ‘বন্ধন এক্সপ্রেস’ চালুর মধ্য দিয়ে দুই দেশের বন্ধন আরো নিবিড় হবে, এমনটাই প্রত্যাশা খুলনাবাসীর। গতকাল ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আনুষ্ঠানিকভাবে এই রেল পরিসেবার উদ্বোধন করেন।

খুলনা-কলকাতা রেল রুটের নতুন ট্রেন ‘বন্ধন এক্সপ্রেস’ কলকাতা থেকে বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে বৃহস্পতিবার বিকেলে খুলনা রেলস্টেশনে পৌঁছায়। এসময় স্থানীয় সাংসদ ও রেল বিভাগের কর্মকর্তাসহ বিপুলসংখ্যক মানুষ তাদের ফুল দিয়ে স্বাগত জানায়।

তবে যাত্রীবাহি প্রথম ট্রেনটি খুলনা থেকে কলকাতার উদ্দেশে ছেড়ে যাবে আগামী বৃহস্পতিবার দুপুর ১টা ২০ মিনিটে। সেই ট্রেনে যাত্রী থাকবেন ৪শ’ ৫৬ জন। এরইমধ্যে খুলনা থেকে টিকিট বিক্রিও শুরু হয়েছে।

বন্ধন এক্সপ্রেস আপাতত প্রতি বৃহস্পতিবার সকাল ৭টা ১০ মিনিটে কলকাতা স্টেশন থেকে ছেড়ে দুপুর ১২টায় বাংলাদেশে এসে পৌঁছাবে। আর দুপুর ১টা ২০ মিনিটে খুলনা স্টেশন ছেড়ে কলকাতা পৌঁছাবে সন্ধ্যে ৬টা ১০ মিনিটে। জানালেন, বন্ধন এক্সপ্রেসের সমন্বয়কারী অশোক কুমার বিশ্বাস ও ট্রেনচালক শিলাজিত।

ভ্রমণ ট্যাক্স ও ভ্যাটসহ মোটা ভাড়া হবে এসি চেয়ারের জন্য ১৫০০ টাকা এবং এসি কেবিন ২০০০ টাকা। যাত্রীসেবার মানও ভালো হবে বলে মনে করেন বাংলাদেশ রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চলীয় জি এম খায়রুল আলস।

এদিকে, খুলনা-কলকাতা বাস সার্ভিসের পর এবার সরাসরি ট্রেন সার্ভিস শুরু হওয়ায় খুশি দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষ। জানালেন, রেলওয়ে সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সংসদ সদস্য মিজানুর রহমান মিজান।

‘বন্ধন এক্সপ্রেস’ চালুর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ-ভারত বন্ধন আরো নিবিড় হবে, এমনটাই প্রত্যাশা প্রতিবেশী দেশ দু’টির নাগরিকদের।

সূত্র: খুলনা প্রতিনিধি, বৈশাখী টিভি

Address

Kamalapur
Dhaka
1000

Opening Hours

09:00 - 17:00

Telephone

01986016156

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Maitree Express- মৈত্রী এক্সপ্রেস posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share