21/06/2026
🇧🇩🤝🇲🇾 বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার সম্পর্কে নতুন অধ্যায়: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঐতিহাসিক সফর!
ব্যবসায়ী এবং উদ্যোক্তা বন্ধুদের জন্য দারুণ খবর! বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও এক ধাপ এগিয়ে যাচ্ছে।
আজ, ২২ জুন ২০২৬, মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী দাতো’ সেরি আনোয়ার ইব্রাহিমের আমন্ত্রণে মালয়েশিয়ায় প্রথম আনুষ্ঠানিক সফরে যাচ্ছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে দায়িত্ব নেওয়ার পর এটিই তাঁর প্রথম বিদেশ সফর!
📌 এই সফরের মূল আকর্ষণসমূহ এবং ব্যবসায়ী ক্ষেত্র:
বিনিয়োগ ও বাণিজ্য সম্প্রসারণ: দুই দেশের শীর্ষ নেতারা বাণিজ্য, সেমিকন্ডাক্টর, জ্বালানি, কৃষি, শিক্ষা এবং মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনার মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলোতে সহযোগিতা আরও জোরদার করবেন।
৩টি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি স্বাক্ষর: এই সফরে একটি সমঝোতা স্মারক (MoU) এবং দুটি নোট বিনিময় (EoN) হবে:
১. সাংস্কৃতিক সহযোগিতা বিষয়ক MoU।
২. কাউন্টার-টেররিজম রিসার্চ বা সন্ত্রাসবাদ বিরোধী গবেষণা সংক্রান্ত EoN।
৩. বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং সহজীকরণ (Investment Promotion and Facilitation) সংক্রান্ত EoN। (যা নতুন বিনিয়োগকারীদের জন্য দারুণ সুযোগ তৈরি করবে!)
📊 এক নজরে বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া বাণিজ্য (২০২৫-এর পরিসংখ্যান):
দুই দেশের মোট বাণিজ্য ছিল ১২.১৮ বিলিয়ন রিঙ্গিত (প্রায় ২.৮৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার)।
মালয়েশিয়া থেকে বাংলাদেশে প্রধানত পেট্রোলিয়াম পণ্য রপ্তানি হয়।
বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়ায় প্রধানত টেক্সটাইল, তৈরি পোশাক এবং জুতা আমদানি করা হয়।
দক্ষিণ এশিয়ায় ভারতের পরেই বাংলাদেশ হচ্ছে মালয়েশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম বাণিজ্য অংশীদার!
💡 আমাদের মতামত: ১৯৭২ সালে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের পর থেকে দুই দেশের বন্ধন অত্যন্ত মজবুত। এই সফরের মাধ্যমে ব্যবসা-বাণিজ্য, আমদানি-রপ্তানি এবং জনশক্তি খাতে নতুন নতুন সম্ভাবনার দুয়ার উন্মোচিত হতে যাচ্ছে। যারা মালয়েশিয়া ও বাংলাদেশের মধ্যে ব্যবসা বা বিনিয়োগের কথা ভাবছেন, তাদের জন্য এখনই সঠিক সময় সঠিক পরিকল্পনা করার!
আপনার ব্যবসা বা ক্যারিয়ারে এই নতুন সম্পর্কের কী প্রভাব পড়তে পারে বলে আপনি মনে করেন? কমেন্টে জানান! 👇
inbox