21/03/2026
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পরিদর্শনে মাননীয় বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটন মন্ত্রী
ঢাকা, শনিবার (২১ মার্চ ২০২৬): পবিত্র ঈদ উল ফিতরের দিনেই মাননীয় বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পরিদর্শন করেছেন। ঈদের মতো গুরুত্বপূর্ণ উৎসবের দিনেও বিমানবন্দরের সার্বিক কার্যক্রম নিরবচ্ছিন্নভাবে সচল রাখা এবং দায়িত্বরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপনের লক্ষ্যে এই পরিদর্শন পরিচালিত হয়।
পরিদর্শনকালে তিনি বিমানবন্দরে উপস্থিত হয়ে দায়িত্বরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং তাদের দায়িত্ব পালনের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।
পরিদর্শনকালে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)-এর চেয়ারম্যান এবং অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দসহ বিমানবন্দরে কর্মরত বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন। তারা মাননীয় মন্ত্রীকে ঈদের দিনেও যাত্রীসেবা, নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা এবং অপারেশনাল কার্যক্রম কীভাবে সমন্বিতভাবে পরিচালিত হচ্ছে সে সম্পর্কে বিস্তারিত অবহিত করেন। মাননীয় মন্ত্রী বিমানবন্দরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকা ঘুরে দেখেন এবং সামগ্রিক পরিস্থিতি সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন।
এ সময় মাননীয় মন্ত্রী দায়িত্বরত বিভিন্ন সংস্থার সদস্যদের সঙ্গে আন্তরিকভাবে মতবিনিময় করেন এবং ঈদের মতো পারিবারিক ও সামাজিক আনন্দের সময়েও পেশাগত দায়িত্ব পালনে অবিচল থাকার জন্য তাদের আন্তরিক ধন্যবাদ ও প্রশংসা জ্ঞাপন করেন। তিনি বলেন, দেশের সেবায় নিয়োজিত এসব সদস্যদের ত্যাগ ও নিষ্ঠা সত্যিই প্রশংসার দাবিদার। দায়িত্বরত সদস্যদের মনোবল বৃদ্ধি এবং উৎসবের আনন্দ ভাগাভাগি করার লক্ষ্যে তিনি তাদের মাঝে মিষ্টি বিতরণ করেন, যা কর্মরত সদস্যদের মাঝে এক আনন্দঘন ও প্রেরণাদায়ক পরিবেশ সৃষ্টি করে।
মাননীয় মন্ত্রী আরও বলেন, দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক প্রবেশদ্বার হিসেবে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্যক্রম সব সময় সচল রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সকল সংস্থার সমন্বিত প্রচেষ্টা ও পেশাদারিত্ব অত্যন্ত ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে। তিনি যাত্রীসেবার মানোন্নয়ন, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি, নিরাপত্তা ব্যবস্থার আরও জোরদারকরণ এবং সেবার গুণগত মান উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
পরিদর্শন শেষে মাননীয় মন্ত্রী সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং সংশ্লিষ্ট সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, ভবিষ্যতেও এ ধরনের আন্তরিকতা, পেশাদারিত্ব ও দায়িত্ববোধ বজায় রেখে বিমানবন্দরের সার্বিক ব্যবস্থাপনাকে আরও আধুনিক, নিরাপদ ও যাত্রীবান্ধব হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব হবে। একই সাথে তিনি সংশ্লিষ্ট সকলকে নিজ নিজ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের মাধ্যমে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল রাখার আহ্বান জানান।