25/07/2023
থানকোয়াইন জলপ্রপাতে অনেকক্ষণ দাপাদাপি করে, চা-নাশতা সেড়ে রওনা হই মেনকিউ পাড়ার উদ্দেশ্যে। অনেক দূর যেতে হবে, তবে স্বস্তির ব্যাপার ছিলো এই যে গত ৩ দিন শুধু উপরের দিকে উঠেছি , এবার নামতে থাকবো। জলপ্রপাতের এই জলের ধারা ধরেই আমরা এগোতে থাকি, এই ঝিরিই আমাদের নিয়ে যাবে দু-ছড়ি বাজার যেখানে সে মিলেছে মেনকিউ পাড়ার দিক থেকে আসা আরেকটা ঝিরির সাথে - সে থেকেই নাম হয়েছে "দু-ছড়ি"। পথটা হঠাৎ হঠাৎ এতো সুন্দর যে কিছুক্ষণ বিরতি না নিয়ে এগোতে ইচ্ছাই করেনা।
অনেকক্ষণ পর একটা পাড়ায় এসে পৌঁছাই- রাইতমুনি পাড়া। এই পাড়ায় দেখলাম একটু নাগরিক ছোঁয়া লেগেছে- কংক্রিটের ঘর! বুঝলাম বাজার বেশি দূরে নয়। সবাই মিলে এক কাঁদি পাহাড়ি কলা সাবাড় করে আবার রওনা হই। আবার অনেকক্ষণ পর একটা অন্যরকম পাড়ায় পৌঁছাই - এই পাড়ায় অনেক অনেক ফল গাছ - জগৎচন্দ্র পাড়া। পেয়ারা, কমলা, আনারস, ডালিম, আমড়া, পেঁপে, বেল আরো অনেক ফল গাছ! দীদার ঘরে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিয়ে আমরা আবার রওনা হয়ে যাই, দুছড়ি বাজার পৌঁছাতে হবে।
বাজারে পৌঁছে আমরা নাস্তা করে নিলাম, ওষুধ পত্র নিলাম, আর্মি ক্যাম্প এ কথা বলে আর দেরি না করে রওনা দিয়ে দেই। বেলা ফুরিয়ে আসতেছে, আঁধার নামার আগেই পৌঁছাতে হবে মেনকিউ পাড়ায়। দুছড়ি বাজার থেকে পাড়াটা কাছেই ঘন্টা খানেক পরেই পৌঁছে যায় আমরা, ততক্ষণে সন্ধ্যা হয়ে গিয়েছে। পাড়ার মুখেই ঝিরির পাশেই একটা মাচায় বৈঠক-ঘর, সেখানেই কারবারি(পাড়ার প্রধান) আমাদের থাকার ব্যবস্থা করলেন। রাতটা বেঘোরে ঘুমিয়ে কাটিয়ে দিলাম।
Youtube: https://youtu.be/cmT2i1V4eDQ