A Wanderer ::এক ভবঘুরে::

A Wanderer ::এক ভবঘুরে:: "Re-search in A New Vision"
একজন ভবঘুরে,
যে এখনও নিজেকে খুঁজে বেড়ায়,
নিজেকে জানার চেষ্টায় নিরন্তর

একজন ভবঘুরে, যে এখনও নিজেকে খুঁজে বেড়ায়, নিজেকে জানার চেষ্টায় নিরন্তর...........

24/12/2025

সকালের মেঘনা

05/12/2024

আমারই গান গাও তুমি.....
=========================
নিজস্বতায় চায়ের পাতার গন্ধ সাথে শীতের হিমশীতল উপস্থিতিতে বারবার মনে হচ্ছিল আমি তথাকথিত আধুনিক সভ্যতা থেকে কতদূরে...চারদিকের চায়ের বাগানের নিস্তব্দতা মনে করিয়ে দিচ্ছিল আমি প্রকৃতি ও আমার অবস্থান। মুক্তি..ঠিক এমন একটি মুক্তি দরকার...মুক্তি দরকার সকল দায়িত্ব কর্তব্য বা কতৃর্ত্ব থেকে।..ভাবতে ভাবতে হটাত শুরু হল অচেনা কন্ঠে চেনা একটি গান--"আমার সাধ না মিটিল...আশা না ভরিল..." আর অচেনা কন্ঠটি ছিল একজন সত্যিকারের মানুষের একজন চা শ্রমিকের। স্থানীয় ভাবে যারা বুগানী হিসাবে পরিচিত বা আরও সহজ বাংলায় বাগানে....
হয়তো ফিরতে হবে, নয়তো পৌছাতে পারবো না...সবার মাঝে..আপন সাজে

গয়ানাথের ঐতিহ্যবাহী বালিশ মিষ্টিনেত্রকোনা এটি বাংলাদেশের নেত্রকোণা জেলার একটি প্রসিদ্ধ মিষ্টি। এটি আকারে বালিশের মত বড়...
20/10/2024

গয়ানাথের ঐতিহ্যবাহী বালিশ মিষ্টি
নেত্রকোনা

এটি বাংলাদেশের নেত্রকোণা জেলার একটি প্রসিদ্ধ মিষ্টি। এটি আকারে বালিশের মত বড় না হলেও দেখতে অনেকটা বালিশের মত, এবং এর উপরে ক্ষীরের প্রলেপ থাকাতে একটি আবরণীসমেত বালিশের মত দেখায়। এই মিষ্টি গয়ানাথের বালিশ নামেও পরিচিত।

#ইতিহাস:
বালিশ মিষ্টির জনক গয়ানাথ ঘোষাল। নেত্রকোণা শহরের বারহাট্টা রোডের 'গয়ানাথ মিষ্টান্ন ভাণ্ডার'-এর স্বত্বাধিকারী গয়ানাথ ঘোষ শত বছরেরও বেশি সময় আগে বালিশ মিষ্টি উদ্ভাবন করেন। গয়ানাথের স্বপ্ন ছিল নতুন কোন ধরনের মিষ্টি আবিষ্কার করা। একদিন তিনি বিশাল সাইজের একটি মিষ্টি তৈরি করলেন এবং ক্রেতাদের খেতে দিলেন এবং ক্রেতারা খুব প্রশংসা করলো। এর আকার অনেকটা কোল বালিশের মতো। তাই ক্রেতাদের পরামর্শে মিষ্টিটির নাম রাখেন বালিশ। স্বাদে অতুলনীয় হওয়ায় অল্পদিনেই সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে বালিশের নাম। এর উদ্ভাবক হিসেবে ব্যাপক পরিচিতি পান গয়ানাথ ঘোষও। তাই এক সময় তার নামটিও জড়িয়ে যায় বালিশের সঙ্গে। লোকমুখে বালিশের নাম হয়ে ওঠে 'গয়ানাথের বালিশ'। সে সময়ে শুধু তার দোকানেই এই মিষ্টি বিক্রি হতো। কিন্তু এখন তার দোকান ছাড়াও অন্যান্য দোকানেও বিক্রি হয় বালিশ মিষ্টি।
১৯৪৭ সালের দেশভাগের সময় ঘোষ পরিবারের অনেকেই ভারতে চলে যায়। কিন্তু গয়ানাথ ঘোষ যাননি। এই মিষ্টির গোপন রহস্য তিনি কাউকে শিখিয়ে যাননি। কিন্তু পরিবারের টানে বালিশ মিষ্টির উদ্ভাবক গয়ানাথ ঘোষ ১৯৬৯ সালে ভারতে চলে যান। এ সময় তিনি প্রতিষ্ঠানটি কুমুদ চন্দ্র নাগের কাছে বিক্রি করেন। কুমুদ ছয় বছর পর বালিশ তৈরির প্রধান কারিগর নিখিল মোদকের কাছে তা বিক্রি করেন। নিখিলের মৃত্যুর পর এটি পরিচালনা করেন তার তিন ছেলে বাবুল, দিলীপ ও খোকন মোদক

#উপকরণ:
বালিশ তৈরি হয় দুধ-ছানা, চিনি ও ময়দা দিয়ে। প্রথমে দুধের ছানার সঙ্গে সামান্য ময়দা মিশিয়ে মণ্ড তৈরি করা হয়। মণ্ড দিয়ে বানানো হয় বিভিন্ন সাইজের বালিশ। পরে তা ভাজা হয় চিনির গরম রসে। এর পর ঠাণ্ডা করেও চিনির রসে ডুবিয়ে রাখা হয় অনেকক্ষণ। এক সময় তা রসে টইটম্বুর হয়ে যায়। বিক্রির সময় বালিশের ওপর দেয়া হয় ক্ষীরের প্রলেপ বা দুধের মালাই। এ ছাড়াও বালিশ বানানোর প্রক্রিয়ায় কিছুটা গোপনীয়তা আছে যা ব্যবসার স্বার্থে প্রকাশ করতে চান না কারিগররা।
#আকার_ও_দাম:
বালিশ বিক্রি হয় পিস হিসেবে। এর সাধারণ সাইজ তিনটি। যার দাম ৩০, ৫০, ১০০, ৫০০ ও ১০০০ টাকা। ২০০ টাকা মূল্যের বালিশ আকারে ১৩ থেকে ১৪ ইঞ্চি হয়। ওই মিষ্টির ওজন ৮০০ থেকে ১০০০ গ্রাম হয়ে থাকে। ৫০-১০০০ টাকা দামের বালিশও বানিয়ে দেন বিক্রেতারা। এর চেয়ে বেশি ওজনের বালিশও বানানো হয়। তবে তা অর্ডার দিলে তৈরি করা হয়। নেত্রকোণায় বিয়ে বা জন্মদিনের মতো অনুষ্ঠান অথবা অন্যান্য সামাজিক বা অফিস-আদালতের অনুষ্ঠানেও খাবার তালিকায় প্রাধান্য পায় বালিশ। আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে বেড়াতে গেলে অনেকে সঙ্গে করে নিয়ে যান বালিশ।

এ অঞ্চলে বালিশ মিষ্টির ঐতিহ্য নিয়ে প্রচলিত বহু ছড়া যুগ যুগ ধরে চলছে আমজনতার মুখে মুখে। বালিশ নিয়ে এমন একটি লোকজ ছড়া হল- ‘‘জাম, রসগোল্লা পেয়ে শ্বশুর করলেন চটে নালিশ আশা ছিল আনবে জামাই গয়ানাথের বালিশ”।

যোগাযোগের ঠিকানা: গয়ানাথ মিষ্টান্ন ভান্ডার, বারহাট্টা রোড নেত্রকোণা, ০১৭৮৭-৭৬৯৩১৭

09/03/2023

রাংগাবালীর সৌন্দর্যের রং..

14/12/2022

সাজেকে একদিন ভোর হয়েছিলো...

স্থান: সাজেক ভ্যালি, রাঙামাটি জেলা

ভ্রমণ বেলা শুরু,নির্জন কংক্রিটের এ জীবন মরু.... প্রকৃতি আর পুরুষের খেলা জমে বেশ,তোমাতে করো আমায় নিঃশেষ...স্থান: সদরঘাট,...
09/12/2022

ভ্রমণ বেলা শুরু,
নির্জন কংক্রিটের এ জীবন মরু....
প্রকৃতি আর পুরুষের খেলা জমে বেশ,
তোমাতে করো আমায় নিঃশেষ...

স্থান: সদরঘাট, ঢাকা

ষাড়বুরুজ, রোহনপুর, চাঁপাইনবাবগঞ্জধারণা করা হয়, রাজা লক্ষন সেন এ স্থান থেকে নদী পথে পলায়ন করেন====================রাজা ...
08/12/2022

ষাড়বুরুজ, রোহনপুর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ
ধারণা করা হয়, রাজা লক্ষন সেন এ স্থান থেকে নদী পথে পলায়ন করেন
====================
রাজা লক্ষন সেনের আমলে রহনপুর বাণিজ্য নগরী হিসেবে জনপ্রিয়তা লাভ করে। বাণিজ্যিক কারণে রহনপুরেই তিনি গড়ে তােলেন সুরম্য অট্টালিকা, যার মধ্যে মসজিদই প্রধান। ষাঁড়বুরুজ নামে খ্যাত এই বিলীন অট্টালিকাটির প্রকৃত নাম শাহুরুজ। শাহ্ শব্দের অর্থ বাদশা আর বুরুজ শব্দের অর্থ অট্টালিকা বা বালাখানা। যা পরবর্তীতে লােকমুখে ষাঁড়বুরুজ নামে খ্যাতি লাভ করে।

বাংলা বিজয়ী ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বিন বখতিয়ার খলজী এ পথে বাংলায় আগমন করেন এবং এ স্থানে কিছু সময় অবস্থান করেন। ইতিহাসে পরিচিত নদীয়া অঞ্চলটি এ স্থাপনাগুলির অঞ্চলের পাশেই অবস্থিত। যা পরবর্তীতে নওদা নামে পরিচিতি লাভ করে। বখতিয়ার খলজীর আগমনের সংবাদে ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে রাজা লক্ষন সেন এ স্থান থেকে নদী পথে পলায়ন করেন। সেই থেকে এটি নওদা বুরুজ নামেও পরিচিত। রহনপুর ষাঁড়বুরুজ রহনপুর ইউনিয়ন বাসীর কাছে ঐতিহ্যের প্রতীক।
এটি ষাড়ের চুড়ার মতাে উচু হওয়ায় এর নাম করন হয় ষাঁড়বুরুজ। এটি কখন কিভাবে তৈরী হয়েছিল তা কেউ বলতে পারেনা। এর আলামত হিসাবে ধরা যায় এই চুড়া যে সব ইট পাথর পাওয়া যায়। সে সব ইটের গাঁয়ে নাকি বগদাদ শহর নামে লেখা দেখা গিয়েছিল। তাই অনেকেই মনে করেন। হয়তাে কোন রাজা বাদশার গােপন আস্তানা। এই চুড়াটি এত উচু ছিলাে যে চুড়াটির শেষ প্রান্তে উঠা অসম্ভ ছিল। কিন্তু কালক্রমে এখন অনেকটা ক্ষয়ে গেছে।

07/12/2022

আমার এমন এক মুহূর্ত....

(কোন এক নদী বক্ষে ভাসমান এক ভবঘুরে....)

ওগো হাকালুকি,অন্তরে দিয়ে গেলে অন্তরতর অন্তরতম উঁকি...ভাবি তুমি প্রকৃতি,বললে তুমি হবে সখী...স্থান: হাকালুকি হাওড়, মৌলভীব...
07/12/2022

ওগো হাকালুকি,
অন্তরে দিয়ে গেলে অন্তরতর অন্তরতম উঁকি...
ভাবি তুমি প্রকৃতি,
বললে তুমি হবে সখী...

স্থান: হাকালুকি হাওড়, মৌলভীবাজার জেলা
তথ্য সংক্ষেপ: হাকালুকি হাওর বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ হাওর। এটি এশিয়ার অন্যতম বৃহত্তম মিঠাপানির জলাভূমি। এর আয়তন ১৮,১১৫ হেক্টর, তন্মধ্যে শুধুমাত্র বিলের আয়তন ৪,৪০০ হেক্টর। এটি মৌলভীবাজার জেলার় বড়লেখা (৪০%), কুলাউড়া (৩০%), এবং সিলেট জেলার় ফেঞ্চুগঞ্জ (১৫%), গোলাপগঞ্জ (১০%) এবং বিয়ানীবাজার (৫%) জুড়ে বিস্তৃত। ভূতাত্ত্বিকভাবে এর অবস্থান, উত্তরে ভারতের মেঘালয় পাহাড় এবং পূর্বে ত্রিপুরা পাহাড়ের পাদদেশে। ভূতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্যের কারণে উজানে প্রচুর পাহাড় থাকায় হাকালুকি হাওরে প্রায় প্রতি বছরই আকষ্মিক বন্যা হয়। এই হাওরে ৮০-৯০টি ছোট, বড় ও মাঝারি বিল রয়েছে শীতকালে এসব বিলকে ঘিরে পরিযায়ী পাখিদের বিচরণে মুখর হয়ে উঠে গোটা এলাকা।

07/12/2022

মাধবকুন্ড জলপ্রপাত, বড়লেখা, মৌলভীবাজার
------------------------------
যদি তুমি হওবা পাষন্ড
একবারের জন্যও যাও মাধবকুন্ড,
সেখানে শেখো নিয়মের সংযম
আর ভালোবাসায় বিলাসিতার প্রাকৃতিক নিয়ম।
হও যদি প্রেমিক,
মাধবকুন্ড তোমার জন্য নয় ঠিক,
সেখানে গিয়ে হয়ে যাবে প্রেমে উন্মত্ত
আর ভুলে যাবে স্বজ্ঞান যা ভালোবাসার সীমান্ত।

নিস্তব্ধ নিঝুম দ্বীপস্থান: হাতিয়া উপজেলা, নোয়াখালী #নিঝুমদ্বীপ_রচনা:২০০১ সালের ৮ এপ্রিল বাংলাদেশ সরকার পুরো দ্বীপটিকে জা...
06/12/2022

নিস্তব্ধ নিঝুম দ্বীপ
স্থান: হাতিয়া উপজেলা, নোয়াখালী
#নিঝুমদ্বীপ_রচনা:
২০০১ সালের ৮ এপ্রিল বাংলাদেশ সরকার পুরো দ্বীপটিকে জাতীয় উদ্যান হিসেবে ঘোষণা করে। ২০১৩ সালে দ্বীপটি জাহাজমারা ইউনিয়ন হতে পৃথক হয়ে স্বতন্ত্র ইউনিয়নের মর্যাদা লাভ করে।
নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলার দক্ষিণে ১৯৫০-এর দশকে এই দ্বীপটি জেগে ওঠে, এরপর ক্রমে পলি জমে দ্বীপটি আজকের আকার ধারণ করে। ১৯৭৪ সালের দিকে বন বিভাগ এই দ্বীপের উত্তর অংশে ব্যাপকভাবে বনায়ন করে, যার ফলে আজ ১৫ বর্গমাইল দ্বীপটির বেশির ভাগই পরিণত হয়েছে অভয়ারণ্যে। শুরুতে ‘চর ওসমান’ নামে পরিচিত হলেও ১৯৭৯ সালে সাবেক মন্ত্রী আমিরুল ইসলাম খান এই দ্বীপের নাম দেন ‘নিঝুম দ্বীপ’। নিঝুম দ্বীপের মূল জনবসতির নাম হলো ‘নামার বাজার’।
দ্বীপটি মূলত বেশ কিছু চরের সমষ্টি। এর মাঝে বয়ে চলেছে নদী আর খাল, যেন অবিকল সুন্দরবন। উপকূলীয় অঞ্চল হওয়ায় শীতকালে শীতের তীব্রতাও তুলনামূলকভাবে এখানে কম। ফুরফুরে সামুদ্রিক বাতাস আর মনোলোভা প্রকৃতি মনে এনে দেবে দারুণ সুখের অনুভূতি। সম্প্রতি দ্বীপের বেশ দক্ষিণে জেগে উঠেছে নতুন এক চর, ভ্রমণপিয়াসীরা যার নাম দিয়েছেন ‘ভার্জিন আইল্যান্ড’।
#নামকরণের_ইতিহাস:
নিঝুম দ্বীপের পূর্ব নাম ছিলো চর-ওসমান, আবার কেউ কেউ একে ইছামতীর চরও বলত। জানা যায়, ওসমান নামের একজন বাথানিয়া তার মহিষের বাথান নিয়ে প্রথম নিঝুম দ্বীপে বসত গড়েন। তখন এই নামেই এর নামকরণ হয়েছিলো। পরে হাতিয়ার সাংসদ আমিরুল ইসলাম কালাম এই নাম বদলে নিঝুম দ্বীপ নামকরণ করেন। প্রায় ১৪,০৫০ একরের দ্বীপটি ১৯৪০ খ্রিষ্টাব্দের দিকে জেগে ওঠে। ১৯৫০ খ্রিষ্টাব্দের দিকে জন বসতি গড়ে উঠে। ১৯৭০ এর ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড়ে দ্বীপটিতে কোন প্রানের অস্তিত্ব ছিলনা। ঘূর্ণিঝড়ের পরে তৎকালীন হাতিয়ার জননন্দিত নেতা আমিরুল ইসলাম কালাম সাহেব দ্বীপটিতে পরিদর্শনে গিয়ে দেখেন যে কোন প্রানের অস্তিত্ব নাই, তাই তিনি আক্ষেপের সুরে বলে ছিলেন হায় নিঝুম! সেখান থেকে দ্বীপটির নতুন নাম নিঝুম দ্বীপ।
এ দ্বীপের মাটি চিকচিকে বালুকাময়, তাই জেলেরা নিজ থেকে নামকরণ করে বালুর চর। এই দ্বীপটিতে মাঝে মাঝে বালুর ঢিবি বা টিলার মতো ছিল বিধায় স্থানীয় লোকজন এই দ্বীপকে বাইল্যার ডেইল বা বাল্লারচর বলেও ডাকত। বর্তমানে নিঝুমদ্বীপ নাম হলেও স্থানীয় লোকেরা এখনো এই দ্বীপকে বাইল্যার ডেইল বা বাল্লারচর বলেই সম্বোধন করে।
মূলত বাল্লারচর, চর ওসমান, কামলার চর এবং মৌলভির চর - এই চারটি চর মিলিয়ে নিঝুম দ্বীপ।
#যে_সৌন্দর্যে_মুগ্ধ_হয়েছিলাম:
মূল দ্বীপসহ আশপাশের দ্বীপগুলোতে শীতকালে আসে হাজার হাজার অতিথি পাখি। এদের মধ্যে আছে সরালি, লেনজা, জিরিয়া, পিয়ং, চখাচখি, রাঙ্গামুড়ি, ভূতিহাঁসসহ নানারকম হাঁস, রাজহাঁস, কাদাখোঁচা, জিরিয়া, বাটান, গুলিন্দাসহ জলচর নানা পাখি, হরেক রকমের গাংচিল, কাস্তেচরা ইত্যাদি। কদাচিৎ আসে পেলিক্যান। আর বছরজুড়ে সামুদ্রিক ঈগল, শঙ্খচিল, বকসহ নানা স্থানীয় পাখি তো আছেই। দ্পাখি দেখতে হলে ট্রলারে করে পার্শ্ববর্তী দ্বীপগুলোতে যেতে হবে, পেরোতে হবে অনেকটা কাদা। কবিরাজের চর ও দমার চর পাখি দেখার জন্য বেশ উত্তম জায়গা।
দ্বীপের আশপাশের জঙ্গলেই আছে হরিণ, শেয়াল, বন্য শূকর, নানা রকম সাপ ও বানর। পাখি বা হরিণ দেখতে হলে খুব ভোরে উঠতে হবে। উল্লেখ্য, বাংলাদেশের বনবিভাগ ৭০-এর দশকে বন বিভাগের কার্যক্রম শুরু করে। প্রথমে পরীক্ষামূলকভাবে চার জোড়া হরিণ ছাড়ে। নিঝুম দ্বীপ এখন হরিণের অভয়ারণ্য। নিঝুম দ্বীপে হরিণের সংখ্যা প্রায় ৫০ হাজার। নিঝুম দ্বীপের মতো দেশের অন্য কোথাও একসাথে এত চিত্রা হরিণ দেখঅ যায় না। হরিণ মূল দ্বীপেই স্থানীয় গাইডদের সাথে গিয়ে দেখে আসতে পারবেন।
বিকেল থেকে সন্ধ্যাার মধ্যে কবিরাজের চরের কাছে চৌধুরীর খাল দিয়ে কিছুক্ষণ হাটলেই হরিণের দেখা পাওয়া সম্ভব। এছাড়া ট্রলার রিজার্ভ নিলে মাঝিই আপনাদের হরিণ দেখিয়ে আনবেন। সন্ধ্যায় কবিরাজের চরে সূর্যাস্থের সাথে হাজার মাহিষের পাল সত্যিই দর্শনীয়। আর কমলার দ্বীপে কমলার খালে প্রচুর ইলিশ পাওয়া যায়।
#নামা_বাজার_সি_বিচ:
নামার বাজার থেকে নামা বাজার সি বীচ হেটে যেতে সময় লাগতে পারে ৯-১০ মিনিট। নামা বাজার সি বীচ সূর্য উদয় ও সূর্যাস্ত দেখা ছাড়াও বারকিকিউ করতে পারবেন।
#ভার্জিন_আইল্যান্ড:
দমার চরের দক্ষিণ দিকে নতুন সি বিচটি ভার্জিন আইল্যান্ড হিসাবে পরিচিতি পেয়েছে। এই আইল্যান্ডে নাম না জানা অনেক পাখির দেখা মিলে। এই দ্বীপে যেতে ৩০০০-৪৫০০ টাকা ট্রলার ভাড়া লাগবে।
এছাড়া ট্রলার রিজার্ভ নিয়ে ভোলার ঢালচর, চর কুকরি-মুকরিও দেখে আসতে পারবেন।
#আবাসন_সুবিধা:
শীতকাল অর্থাৎ অক্টোবর থেকে এপ্রিলের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত নিঝুম দ্বীপ ভ্রমেণর জন্য উপযুক্ত সময়। বছরের অন্য সময় মেঘনা নদী ও সাগর বেশ উত্তাল থাকে, তাই ঐ সময় নিঝুম দ্বীপ ভ্রমণ না করাই ভালো।
নামার বাজার’এর পর্যটন রিসোর্টে থাকতে পারবেন। পাঁচ বেডের ডরমিটরি রুম আছে, ভাড়া বেশ কম। বাজারেই আছে মসজিদ বোর্ডিং, এখানে খুবই কম খরচে থাকা যায়, তবে বিদ্যুতের ব্যবস্থা নেই। গোটা দ্বীপেই সোলার প্যানেল অথবা জেনারেটর ব্যবহার করে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয় সীমিত সময়ের জন্য। কাজেই বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম বুঝেশুনে ব্যবহার করাই ভালো।
এ ছাড়া দ্বীপে থাকতে পারেন সরকারি উপজেলা কমপ্লেক্স অথবা বন বিভাগের ডাকবাংলোয়, তবে এগুলোর জন্য আগে থেকে অনুমতি নিয়ে রাখতে হয়। আর ক্যাম্পিং করতে চাইলে মূল দ্বীপেই করা ভালো। স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, আশপাশের চরগুলোতে মাঝেমধ্যে ডাকাত হানা দিয়ে থাকে।
খাওয়া-দাওয়া বাজার থেকেই করতে পারবেন। দাম অনেক কম পড়বে, তবে মাছ ছাড়া অন্যান্য খাবারের ক্ষেত্রে সংগত কারণেই বৈচিত্র্য পাবেন না।

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when A Wanderer ::এক ভবঘুরে:: posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share