Ithminaan Hajj & Umrah Services

Ithminaan Hajj & Umrah Services Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Ithminaan Hajj & Umrah Services, 25/13A Tajmahal Road, Mohammadpur, Dhaka.
(14)

সব সফর গন্তব্যে শেষ হয় না, কিছু সফর মানুষকে ভেতরে স্থির করে।

Ithminaan | ইৎমিনান
কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে
পরিমিত, বিশ্বাসভিত্তিক সফরধারা।

ইবাদতের একাগ্রতা, মনের স্থিরতা, আর পবিত্র সফরের সম্মান রক্ষাই আমাদের দায়িত্ব।

📍 ঢাকা, বাংলাদেশ
🔗 www.ithminaan.com সুদক্ষ আলেমগন ও অভিজ্ঞ ম্যানেজমেন্ট টিমের স্বমন্বয়ে ইসলামের মৌলিক বিষয়ের উপর পর্যাপ্ত প্রশিক্ষন প্রদান ও উন্নত সেবা সরবরাহে সচেষ্ট থেকে রহমান আল্ল

াহর মেহমানদের মাবরুর (মকবুল) হজের উত্তম সঙ্গী হওয়ার মাধ্যমে নিজেদের দুনিয়াতে ও আখিরাতে হাসানা নিশ্চিত করাতেই ইৎমিনান।

|| বিশেষত্বঃ
- কুরআন ও সুন্নাহ মোতাবেক হজ ও উমরাহ।
- দক্ষ আলেম ও অভিজ্ঞ টিমের তত্ত্বাবধান।
- সাশ্রয়ী মূল্যে মানসম্মত প্যাকেজ।
- পছন্দসই প্যাকেজ কাস্টোমাইজেশনের সুবিধা।
- বছরব্যাপী প্রশিক্ষণ ও কর্মশালা।
- স্বচ্ছ ও সহজ যোগাযোগ।


|| সেবাসমূহঃ
- হজ প্যাকেজ।
- উমরাহ প্যাকেজ।
- ভিসা প্রসেসিং।
- সুগন্ধি (আতর)।
- বই ও প্রকাশনা।
- মুসলিম জীবনের সাথে সম্পৃক্ত বিভিন্ন পন্য।

মিনায় নতুন কী যোগ হলো জানেন? 🕋যেখানে একসময় ছিল শুধু পানির ফোঁটার ছিটাএখন সেখানে বসানো হয়েছে আধুনিক মিস্টিং ফ্যান। 🌫️জামা...
30/04/2026

মিনায় নতুন কী যোগ হলো জানেন? 🕋

যেখানে একসময় ছিল শুধু পানির ফোঁটার ছিটা
এখন সেখানে বসানো হয়েছে আধুনিক মিস্টিং ফ্যান। 🌫️

জামারাত এলাকার পশ্চিম পাশের প্লাজায়
পুরনো মিস্টিং কলাম সরিয়ে
নতুন, উন্নত মিস্টিং ফ্যান বসানো হয়েছে।

এ কাজটি করেছে কিদানা (Kidana),
যারা মূলত মিনা, আরাফাত ও মুযদালিফার
হজ অবকাঠামো উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে থাকা একটি প্রতিষ্ঠান।

হজের সময় এই জায়গাটাই হয় সবচেয়ে ব্যস্ত
হাজার হাজার হাজি একসাথে এখানে আসেন।
তীব্র গরম আর ভিড় দুটোই বড় চ্যালেঞ্জ।

এই নতুন মিস্টিং ফ্যানগুলো
শুধু ঠান্ডা বাতাসই দেবে না
বরং পুরো এলাকাকে আরও সহনীয় করে তুলবে,
যাতে হাজিরা স্বস্তিতে তাদের ইবাদত আদায় করতে পারেন।

ছোট একটা পরিবর্তন
কিন্তু হাজিদের জন্য বড় স্বস্তি।

হজের প্রতিটা ধাপে এখন
সহজতা আর নিরাপত্তাকে আরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

মক্কার পথে এক ছোট্ট পাহাড়, জাবালুস সালসাল… মদিনা থেকে মক্কার পথে যেতে ডান পাশে,বাইদা আর জাতুল জাইশ এলাকার মাঝামাঝিদক্ষিণ...
30/04/2026

মক্কার পথে এক ছোট্ট পাহাড়, জাবালুস সালসাল…

মদিনা থেকে মক্কার পথে যেতে ডান পাশে,
বাইদা আর জাতুল জাইশ এলাকার মাঝামাঝি
দক্ষিণ-পূর্ব দিকে আছে একটি ছোট পাহাড়,
জাবালুস সালসাল।

দেখতে সাধারণ, কিন্তু ইতিহাসে ভীষণ অর্থবহ।

এই অঞ্চলেই নাযিল হয়েছিল কুরআনের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিধান,
তায়াম্মুমের আয়াত।

ঘটনাটা উম্মুল মু’মিনীন হযরত আয়েশা (রা.)-এর সাথে জড়িত।

এক সফরে তাঁর একটি হার (গলার অলংকার) হারিয়ে যায়। তা খুঁজতে গিয়ে কাফেলা থেমে যায়
কিন্তু তখন সেখানে পানি ছিল না।

সাহাবারা চিন্তায় পড়ে যান অজু করবেন কীভাবে?

ঠিক সেই সময়ই নাযিল হয় আয়াত; পানি না থাকলে, মাটি দিয়েই পবিত্রতা অর্জন করা যাবে।

একটা ছোট ঘটনা
কিন্তু তার মধ্য দিয়েই উম্মাহর জন্য এলো
সহজতা, স্বস্তি, আর এক নতুন বিধান।

30/04/2026

মাসা | সা'ঈ

29/04/2026

তায়েফ ঘুরে, মক্কা পথে... আরেকটি উমরার সুযোগ।
মিকাত মসজিদ, কারন আল মানাজিল।

29/04/2026

হজ ২০২৬: ফ্লাইটের আগেই হাতে নুসুক কার্ড পেয়ে গেলেন হাজিরা। 🕋

শক্তিশালী অ্যালায়েন্স মানেই,
আরও ভালো সেবা, আর নতুনত্বের নিশ্চয়তা। 🤍

28/04/2026

এমন বিদায়, এমন ভালোবাসা আজকাল সত্যিই বিরল… 🤍

হজে যাচ্ছেন গ্রামের এক মুরুব্বি
পুরো গ্রাম যেন দোয়া আর ভালোবাসা নিয়ে
তাকে বিদায় জানাতে নেমে এসেছে।

অনেকেই প্রশ্ন করেছেন“মে মাস কি সত্যিই বসন্ত?”“হজে গরম কি সত্যিই কমবে?” 🕋তাই ২০২৬ থেকে ২০৫০ পর্যন্তআরাফার দিনের সম্ভাব্য ...
28/04/2026

অনেকেই প্রশ্ন করেছেন
“মে মাস কি সত্যিই বসন্ত?”
“হজে গরম কি সত্যিই কমবে?” 🕋

তাই ২০২৬ থেকে ২০৫০ পর্যন্ত
আরাফার দিনের সম্ভাব্য সময় ও তাপমাত্রার একটা চিত্র দেওয়া হলো সৌদি আরবের ন্যাশনাল সেন্টার ফর মেটিওরোলজির তথ্য অনুযায়ী।

হিজরি ক্যালেন্ডারের স্বাভাবিক চলনেই
প্রতি বছর হজ প্রায় ১০–১১ দিন করে এগিয়ে আসে
চার্টটা দেখলেই বিষয়টা পরিষ্কার হবে। 🕋🤍

👉 ২০২৬–২০৩৩
হজ ধীরে ধীরে মে থেকে মার্চে চলে আসছে
মানে তীব্র গরম থেকে তুলনামূলক স্বস্তির দিকে।

👉 ২০৩৪–২০৪১
সময়টা পুরোপুরি শীতকালের মধ্যে পড়ে।

👉 এরপর
আবার ধীরে ধীরে শরৎ হয়ে গরমের দিকে ফিরে যায়।

একটা বিষয় মনে রাখা জরুরি
মক্কা সবসময়ই উষ্ণ আবহাওয়ার জায়গা।
তবে ৪৫–৪৭° আর ২৫–৩২°
এই পার্থক্যটা কিন্তু কম না।

এটা আমাদের কোনো তথ্য না
অফিসিয়াল পূর্বাভাসের একটা চিত্র।

আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ
সবকিছুই আল্লাহর ইচ্ছার ওপর নির্ভরশীল।
আল্লাহই ভালো জানেন। 🤍

সুখবর হাজিদের জন্য!আগামী প্রায় ২৫ বছর হজ আর তীব্র গরমে পড়ছে না। 🕋অনেক বছর ধরেই হজ মানেই ছিল প্রচণ্ড গরমমক্কা ও আশপাশের এ...
27/04/2026

সুখবর হাজিদের জন্য!
আগামী প্রায় ২৫ বছর হজ আর তীব্র গরমে পড়ছে না। 🕋

অনেক বছর ধরেই হজ মানেই ছিল প্রচণ্ড গরম
মক্কা ও আশপাশের এলাকায় ৪৫–৪৭° তাপমাত্রা,
যেটা অনেকের জন্যই বড় একটা চ্যালেঞ্জ ছিল।

কিন্তু ২০২৬ সাল থেকে শুরু হচ্ছে এক নতুন ধাপ।

আগামী ৮ বছর হজ হবে বসন্তকালে,
তারপরের ৮ বছর শীতে,
এরপর আসবে শরৎ
এভাবে দীর্ঘ সময় হজ আর গ্রীষ্মের চূড়ায় পড়বে না।

সৌদি আরবের ন্যাশনাল সেন্টার ফর মেটিওরোলজির তথ্য অনুযায়ী,
এবারের হজই অনেক দিনের জন্য শেষ গ্রীষ্মকালীন হজ।

এই পরিবর্তনের মূল কারণ হিজরি ক্যালেন্ডার,
যা প্রতি বছর প্রায় ১১ দিন করে এগিয়ে আসে।
এই কারণেই হজ ধীরে ধীরে ঋতু পরিবর্তন করে।

২০২৬ সালের হজ সম্ভাব্য মে মাসের ২৫–৩০ তারিখের মধ্যে,
মানে সময়টা বসন্তের ভেতরেই পড়ছে।

এর প্রভাবটা সবচেয়ে বেশি পড়বে হাজিদের ওপর
বিশেষ করে বয়স্ক এবং শারীরিকভাবে দুর্বলদের জন্য
হজ কিছুটা সহজ হবে ইনশাআল্লাহ।

একই সাথে crowd management, নিরাপত্তা
এবং সামগ্রিক ব্যবস্থাপনাতেও আসবে স্বস্তি।

তাওয়াফের সময় উপরের ফ্লোরে থাকলে,রুকনে ইয়ামানি ঠিক কোথায়, এটা বোঝা অনেকের জন্যই কঠিন হয়ে যায়। 🕋এই বিষয়টা মাথায় রেখেনতুন ক...
27/04/2026

তাওয়াফের সময় উপরের ফ্লোরে থাকলে,
রুকনে ইয়ামানি ঠিক কোথায়, এটা বোঝা অনেকের জন্যই কঠিন হয়ে যায়। 🕋

এই বিষয়টা মাথায় রেখে
নতুন করে একটি সোনালি চিহ্ন বসানো হয়েছে
যেটা সরাসরি রুকনে ইয়ামানির অবস্থান দেখায়।

এখন থেকে উপরের ফ্লোরে তাওয়াফ করার সময়
এই চিহ্ন দেখলেই বুঝে নেওয়া যাবে জায়গাটা।

ছোট একটা পরিবর্তন
কিন্তু তাওয়াফের সময় অনেক বড় সহায়তা।

তাওয়াফের সময় কীভাবে বুঝবেন এখন আপনি হাজরে আসওয়াদের সামনে? 🕋তাওয়াফ করতে গিয়ে অনেকেই একটু confused হয়ে যানশাওত কোথা থেকে শ...
26/04/2026

তাওয়াফের সময় কীভাবে বুঝবেন এখন আপনি হাজরে আসওয়াদের সামনে? 🕋

তাওয়াফ করতে গিয়ে অনেকেই একটু confused হয়ে যান
শাওত কোথা থেকে শুরু করবো, কোথায় শেষ করবো…

আসলে বিষয়টা খুব সহজ।

মসজিদুল হারামের ছাদের দিকে খেয়াল করলে
একটা সবুজ লাইট বা সবুজ দাগ দেখতে পাবেন। 💚
এই চিহ্নটা যখন আপনার ডান পাশে থাকবে
তখন বুঝবেন, আপনি হাজরে আসওয়াদের ঠিক বরাবর আছেন।

এটাই সেই জায়গা
এখান থেকেই প্রতিটি শাওত শুরু হয়,
এবং এখানেই এসে প্রতিটি শাওত শেষ হয়।

তাওয়াফ: কাবা ঘরকে কেন্দ্র করে সাতবার প্রদক্ষিণ। 🤍🕋‘তাওয়াফ’ শব্দটি আরবি “তাফা” (طاف) থেকে এসেছে, যার অর্থ ঘুরে চলা বা কোন...
26/04/2026

তাওয়াফ: কাবা ঘরকে কেন্দ্র করে সাতবার প্রদক্ষিণ। 🤍🕋

‘তাওয়াফ’ শব্দটি আরবি “তাফা” (طاف) থেকে এসেছে, যার অর্থ ঘুরে চলা বা কোনো কিছুকে প্রদক্ষিণ করা। শরিয়তের দৃষ্টিতে তাওয়াফ হলো কাবা শরীফকে কেন্দ্র করে বিপরীত ঘড়ির কাঁটার দিকে সাতবার ঘোরা। এর প্রতিটি চক্করকে বলা হয় শাওত (شوط)।

তাওয়াফ শুরু হয় হাজরে আসওয়াদ থেকে।
সেখান থেকেই কাবাকে বাম পাশে রেখে ঘোরা শুরু করতে হয়।

প্রতিটি চক্কর শেষ হয় আবার হাজরে আসওয়াদের কাছে ফিরে এসে।
এ সময় ইস্তিলাম করা হয়; চুম্বন, স্পর্শ অথবা দূর থেকে ইশারার মাধ্যমে।

এভাবে সাতটি শাওত পূর্ণ হলে একটি তাওয়াফ সম্পন্ন হয়।

তাওয়াফের ফজিলত নিয়েও বহু হাদিস রয়েছে।

ইবন আব্বাস (রা.) বর্ণনা করেন, রাসূল ﷺ বলেছেন,
প্রতিদিন বায়তুল্লাহর ওপর ১২০টি রহমত নাযিল হয়।
এর মধ্যে ৬০টি তাদের জন্য, যারা তাওয়াফ করেন,
৪০টি তাদের জন্য, যারা সালাত আদায় করেন,
আর ২০টি তাদের জন্য, যারা শুধু কাবার দিকে তাকিয়ে থাকেন।

ইবন উমর (রা.) বর্ণনা করেন, রাসূল ﷺ বলেছেন,
যে ব্যক্তি কাবাকে সাতবার তাওয়াফ করে এবং দুই রাকাত নামাজ আদায় করে,
সে যেন একটি দাস মুক্ত করার সমান সওয়াব পায়।
আর তাওয়াফের সময় তার প্রতিটি পদক্ষেপে
১০টি নেকি লেখা হয়, ১০টি গুনাহ মাফ করা হয়
এবং ১০টি মর্যাদা বৃদ্ধি করা হয়।

ইবন আব্বাস (রা.) আরও বর্ণনা করেন,
যে ব্যক্তি ৫০টি তাওয়াফ সম্পন্ন করে,
সে তার সমস্ত গুনাহ থেকে এমনভাবে মুক্ত হয়ে যায়
যেন সে নতুন জন্ম নিয়েছে।

তাওয়াফেরও ভিন্ন ভিন্ন ধরন রয়েছে। মোট পাঁচ ধরনের তাওয়াফ আছে:

তাওয়াফে কুদুম
এটাকে স্বাগত তাওয়াফ বলা হয়।
মক্কায় পৌঁছে প্রথম যে তাওয়াফ করা হয়
হজ, উমরাহ, ব্যবসা বা যেকোনো উদ্দেশ্যেই আসা হোক না কেন।

তাওয়াফে ইফাদা
এটাকে তাওয়াফুল হজও বলা হয়।
হজের অন্যতম ফরজ আমল
প্রতিটি হাজির জন্য এটি করা আবশ্যক

তাওয়াফে বিদা
মক্কা ছেড়ে যাওয়ার আগে শেষ তাওয়াফ।
হজ বা অন্য যেকোনো কাজ শেষে বিদায়ের মুহূর্তে
এই তাওয়াফের মাধ্যমে এক ধরনের শেষ সালাম জানানো হয়।

তাওয়াফে নফল
যে কোনো সময় করা যায়। এর জন্য নির্দিষ্ট কোনো সময় বা সীমা নেই।

তাওয়াফে উমরাহ
উমরাহর অংশ হিসেবে এই তাওয়াফ করা হয়। এটি উমরাহর একটি মূল রুকন।

তাওয়াফ শুধু একটা চলাফেরা না
এটা একটা অনুভূতি, যেখানে মানুষ নিজেকে কেন্দ্র থেকে সরিয়ে
একটাই কেন্দ্রের দিকে ঘুরতে থাকে…

কাবাকে ঘিরে
আর আল্লাহর দিকে ফিরে।

মীকাত: হজ ও উমরাহর সেই সীমারেখা, যেখান থেকে শুরু হয় এক ভিন্ন যাত্রা। 🤍🕋মক্কার চারপাশে নির্দিষ্ট কিছু স্থান রয়েছে, যেগুলো...
25/04/2026

মীকাত: হজ ও উমরাহর সেই সীমারেখা, যেখান থেকে শুরু হয় এক ভিন্ন যাত্রা। 🤍🕋

মক্কার চারপাশে নির্দিষ্ট কিছু স্থান রয়েছে, যেগুলোকে মীকাত বলা হয়। হজ বা উমরাহর নিয়তে যারা আসেন, তাদের এই সীমারেখা অতিক্রম করার আগেই ইহরামে প্রবেশ করতে হয়। নিয়ত করা, গোসল করা এবং সেলাইবিহীন সাদা পোশাক পরার মাধ্যমে একজন মানুষ নিজেকে এক ভিন্ন অবস্থায় নিয়ে যান যেখানে দুনিয়ার বাহ্যিকতা ছেড়ে আল্লাহর জন্য নিজেকে হাজির করা।

মোট পাঁচটি মীকাত রয়েছে। এর মধ্যে চারটি নির্ধারণ করেছিলেন রাসূল ﷺ, আর একটি নির্ধারণ করেন হযরত উমর (রা.) তাঁর খিলাফতের সময়। ইবন আব্বাস (রা.) বর্ণনা করেন, মদিনাবাসীদের জন্য যুল হুলাইফা, শামবাসীদের জন্য আল-জুহফা, নাজদের জন্য কারন আল-মানাজিল এবং ইয়েমেনবাসীদের জন্য ইয়ালামলাম নির্ধারণ করা হয়। (সহিহ বুখারি)

যুল হুলাইফা (আবিয়ার আলি):
মসজিদে নববী থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরে এবং মক্কা থেকে প্রায় ৪৫০ কিলোমিটার উত্তরে অবস্থিত। মদিনা থেকে আগত হাজিরা এখান থেকেই ইহরামে প্রবেশ করেন।

জাত ইর্‌ক:
মক্কার উত্তর-পূর্ব দিকে প্রায় ৯৪ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। ইরাক, ইরান এবং ওই দিক থেকে আগত হাজিদের জন্য এটি নির্ধারিত। বসরা ও কুফা বিজয়ের পর হযরত উমর (রা.) এই মীকাত নির্ধারণ করেন। অন্য বর্ণনায় আয়েশা (রা.) থেকে জানা যায়, রাসূল ﷺ নিজেও এই স্থান নির্ধারণ করেছিলেন। এলাকাটির নামকরণ হয়েছে ইর্‌ক আসওয়াদ নামের একটি পাহাড় থেকে। বর্তমানে এখানে একটি মসজিদ নির্মাণাধীন, যেখানে পুরুষ ও নারীদের জন্য আলাদা নামাজের ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে।

কারন আল-মানাজিল (আস-সাইল আল-কাবীর):
মক্কার পূর্বদিকে প্রায় ৭৫ থেকে ৮০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। নাজদ, তায়েফ, রিয়াদ এবং উপসাগরীয় দেশসহ দূরবর্তী অঞ্চল থেকে আগত হাজিরা এই মীকাত ব্যবহার করেন। ১৯৮২ সালে এখানে একটি মসজিদ নির্মাণ করা হয়, যেখানে প্রায় ৩,০০০ মুসল্লি একসাথে নামাজ আদায় করতে পারেন। এই এলাকাতেই তায়েফের ঘটনার পর রাসূল ﷺ-এর সামনে জিবরাইল (আ.) উপস্থিত হয়েছিলেন।

ইয়ালামলাম (সাদিয়্যাহ):
মক্কার দক্ষিণে প্রায় ৯২ থেকে ১০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। ইয়েমেন এবং দক্ষিণ দিক থেকে আগত হাজিদের জন্য এটি নির্ধারিত। অতীতে ভারতীয় উপমহাদেশ থেকে সমুদ্রপথে আগত লোকেরাও এই মীকাত ব্যবহার করতেন। এখানে প্রায় ১,৫০০ মুসল্লির একটি মসজিদ রয়েছে।

আল-জুহফা:
মক্কার উত্তর-পশ্চিমে প্রায় ১৮৩ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। শাম, মিশর, তুরস্ক এবং ওই অঞ্চলের হাজিদের জন্য এটি নির্ধারিত। রাসূল ﷺ যখন মক্কা বিজয়ের উদ্দেশ্যে মদিনা থেকে রওনা দেন, তখন তাঁর চাচা আব্বাস (রা.) এই স্থানেই তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

মীকাত শুধু একটি ভৌগোলিক সীমারেখা নয়, এটা এমন একটি মুহূর্ত, যেখানে একজন মানুষ নিজের ভেতরেও পরিবর্তনের শুরু অনুভব করে। এখান থেকেই হজের যাত্রা শুধু পথের নয়, বরং নিয়ত ও প্রস্তুতির দিক থেকেও শুরু হয়। 🤍🕋

Address

25/13A Tajmahal Road, Mohammadpur
Dhaka
1207

Opening Hours

Monday 10:00 - 18:00
Tuesday 10:00 - 18:00
Wednesday 10:00 - 18:00
Thursday 10:00 - 18:00
Saturday 10:00 - 18:00
Sunday 10:00 - 18:00

Telephone

+8801911539030

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ithminaan Hajj & Umrah Services posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Ithminaan Hajj & Umrah Services:

Share