09/07/2021
আজ তাদের কথা বলবো যারা মধু বানায়।
যাদের পরিশ্রমে আমরা মধুর স্বাদ নিতে পারি।
জ্বি বুজতে পেরেছেন।
🐝🐝🐝মৌমাছির কথা বলবো।
🍁সত্যিই আল্লাহর কি দারুন সৃষ্টি( সোবাহানআল্লাহ)
🌺🐝মৌমাছি এক ধরনের সামাজিক ও উপকারী পতঙ্গ।
সংঘবদ্ধভাবে রানী, পুরুষ ও শ্রমিক সমন্বয়ে একটি কলোনিতে বসবাস করে।
রানী মৌমাছি;🐝
🌹একটি মৌ কলোনি প্রতিষ্ঠিত হয় একটি মাত্র রানী মৌমাছিকে ঘিরে। রানী মৌমাছি আকারে পুরুষ ও শ্রমিক মৌমাছির চেয়ে বড়, গায়ের রঙ উজ্জ্বল খয়েরি বর্ণের, হুল ফুটাতে পারে না। রানীর শরীর থেকে ফেরোমেন নামক বস্তুর গন্ধ বের হয় বলে অন্যান্য মৌমাছি রানীকে ঘিরে থাকে এবং কলোনি ত্যাগ করে অন্য কলোনিতে যায় না। রানী মৌমাছির একমাত্র কাজ ডিম দেয়া। রানী প্রতিদিন ১,৮০০-২,০০০ ডিম দিতে পারে। একটি রানী তিন-চার বছর বাঁচে। রানী মূলত একটি শ্রমিক মৌমাছি হলেও লার্ভা অবস্থা থেকে তাকে বিশেষভাবে লালন করে রানী হিসেবে বড় করা হয়।
পুরুষ মৌমাছি;🐝🌻
পুরুষ মৌমাছি শ্রমিকের চেয়ে আকারে বড় ও রানীর চেয়ে ছোট আকৃতির হয়। এদের আকৃতি মোটা, গায়ের রঙ কালচে, পেট অনেকটা গোলাকৃতি, হুল নেই, এরা মধু সংগ্রহ করতে পারে না। রানীর সঙ্গে যৌন মিলন হওয়ার পর পুরুষ মৌমাছি মারা যায়। এরা এক-দুই মাস পর্যন্ত বাঁচে।
শ্রমিক মৌমাছি;🐝🥀
এরা আকারে পুরুষ মৌমাছির চেয়ে ছোট, গায়ের রঙ হালকা হলুদ, দেহের শেষ প্রান্তে একটি হুল আছে, তলপেট খুব ছোট ও সুচালো। শ্রমিক মৌমাছিরাই কলোনির সব কাজ করে থাকে। এরা ফুল থেকে মৌ রস ও পরাগ সংগ্রহ করে, মধু তৈরি করে বাচ্চাদের খাওয়ায় এবং লালনপালন করে, কলোনি পরিষ্কার রাখে, রাণীর যত্ন নেয়। এরা স্ত্রী জাতীয় মৌমাছি তবে প্রজননে সক্ষম নয়।
মৌমাছির প্রকারভেদ
প্রকৃতিতে চার প্রকারের মৌমাছি পাওয়া যায়। সেগুলো হলো- অ্যাপিস মেলিফেরা, অ্যাপিস ডরসেটা, অ্যাপিস সেরানা ও অ্যাপিস ফ্লোরিয়া।
মৌমাছির অবদানে আমাদের ঘরে ঘরে মধু আসে।
🧕জাকিয়া
🗣️কুমিল্লা,
👉দক্ষিন সদর
রক্ত- A+