30/05/2026
বাংলাদেশের হাজার হাজার তরুণ-তরুণী প্রতিদিন ঘুম থেকে উঠে একটাই চিন্তা করে “ভালো একটা চাকরি কবে হবে?” কেউ বিসিএসের পেছনে বছরের পর বছর ছুটছে, কেউ ব্যাংক জবের জন্য কোচিং করছে, কেউ আবার মাসের পর মাস সিভি জমা দিয়েও কোনো উত্তর পাচ্ছে না। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ভালো রেজাল্ট করে বের হওয়ার পরও অনেকের জীবনের বাস্তবতা এমন হয়ে দাঁড়ায় যে, মাস শেষে নিজের খরচ চালাতেই হিমশিম খেতে হয়। ২৫-৩০ হাজার টাকার চাকরির জন্য হাজার হাজার আবেদন, ইন্টারভিউয়ের পর ইন্টারভিউ, তারপর কোনোভাবে একটি চাকরি পেলেও দেখা যায় মাসের শেষে হাতে কিছুই থাকছে না। বাসা ভাড়া, খাবার, যাতায়াত, পরিবারকে সাহায্য সবকিছু মিলিয়ে জীবনটা যেন শুধু টিকে থাকার লড়াই হয়ে দাঁড়ায়।
কিন্তু ঠিক এই সময়েই আপনারই কোনো সহপাঠী, কোনো জুনিয়র কিংবা পরিচিত কেউ হয়তো বিদেশের কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে স্কলারশিপ নিয়ে পড়ছে। সে একই বয়সে শুধু পড়াশোনাই করছে না, বরং মাসে লাখ লাখ টাকা সমপরিমাণ স্টাইপেন্ড পাচ্ছে। সে গবেষণা করছে, আন্তর্জাতিক কোম্পানিতে ইন্টার্নশিপ করছে, বিশ্বসেরা মানুষের সাথে কাজ করছে, নতুন দেশ ঘুরছে, নিজের ক্যারিয়ারকে এমন উচ্চতায় নিয়ে যাচ্ছে যেখানে বাংলাদেশের অধিকাংশ চাকরিজীবী পৌঁছাতে ১৫-২০ বছর লেগে যায়। বিষয়টি শুনতে অবিশ্বাস্য মনে হলেও এটি কোনো কল্পকাহিনি নয়; বরং আজকের পৃথিবীতে এটি হাজার হাজার বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর বাস্তব জীবন।
আমরা ছোটবেলা থেকে শুনে এসেছি, “ভালো করে পড়ালেখা করো, তাহলে ভালো চাকরি পাবে।” কিন্তু বর্তমান পৃথিবীতে শুধু চাকরি পাওয়াই সাফল্যের একমাত্র মানদণ্ড নয়। এখন সময় হলো গ্লোবাল সুযোগকে কাজে লাগানোর। পৃথিবী বদলে গেছে। এখন একজন মেধাবী শিক্ষার্থীর জন্য পৃথিবীর দরজা খোলা। আপনি যদি সঠিকভাবে প্রস্তুতি নিতে পারেন, তাহলে আপনার জন্মস্থান কিংবা পারিবারিক অবস্থা আপনার ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করতে পারবে না। আপনি বাংলাদেশের একটি ছোট শহর কিংবা গ্রামের সাধারণ পরিবার থেকেও উঠে এসে বিশ্বের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে পারেন, পূর্ণ স্কলারশিপ পেতে পারেন, এমনকি পড়াশোনা করতে করতেই এমন আয় করতে পারেন যা আপনার পুরো পরিবারের অর্থনৈতিক অবস্থাই বদলে দিতে সক্ষম।
বাংলাদেশে একজন ফ্রেশ গ্র্যাজুয়েটের বাস্তবতা খুব কঠিন। বিশ্ববিদ্যালয় শেষ করে একজন শিক্ষার্থী যখন চাকরির বাজারে নামে, তখন সে প্রথম যে ধাক্কাটা খায়, সেটা হলো বেতনের বাস্তবতা। ২০-৩০ হাজার টাকার চাকরি পেতে অনেক সময় বছরের পর বছর লেগে যায়। ঢাকায় একটি ছোট বাসায় থাকতে গেলে ১০-১৫ হাজার টাকা ভাড়া চলে যায়। খাবার, যাতায়াত, মোবাইল বিল, পরিবারকে সাহায্য সব মিলিয়ে মাস শেষে নিজের জন্য সঞ্চয় করার মতো কিছুই থাকে না। একজন মানুষ তখন শুধু বেঁচে থাকে, কিন্তু নিজের স্বপ্নগুলোকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার মতো অর্থনৈতিক স্বাধীনতা অর্জন করতে পারে না।
অন্যদিকে বিদেশে স্কলারশিপ পাওয়া একজন শিক্ষার্থীর জীবন সম্পূর্ণ ভিন্ন। সে যখন মাস্টার্স কিংবা পিএইচডি করতে যায়, তখন বিশ্ববিদ্যালয় তাকে শুধু টিউশন ফি মওকুফই করে না, বরং থাকার খরচ, খাবার, স্বাস্থ্য বীমা, গবেষণা খরচ সবকিছুর জন্য মাসিক স্টাইপেন্ড দেয়। যুক্তরাষ্ট্রে একজন রিসার্চ অ্যাসিস্ট্যান্ট বা টিচিং অ্যাসিস্ট্যান্ট মাসে ৩ থেকে ৫ লাখ টাকা সমপরিমাণ স্টাইপেন্ড পেতে পারে। ইউরোপে ইরাসমুস মুন্ডুস স্কলারশিপে পড়া শিক্ষার্থীরা মাসে প্রায় ২ লাখ টাকা সমপরিমাণ ভাতা পায়। জার্মানির DAAD স্কলারশিপ, কানাডার Vanier Scholarship, যুক্তরাজ্যের Chevening বা Commonwealth Scholarship এসব শুধু ডিগ্রি দেয় না, বরং শিক্ষার্থীদের অর্থনৈতিক স্বাধীনতার নতুন দরজা খুলে দেয়।
অনেকেই মনে করেন বিদেশে পড়তে গেলে অনেক টাকা লাগে। বাস্তবে স্কলারশিপের জগৎ সম্পর্কে জানলে ধারণাটাই বদলে যাবে। পৃথিবীর অসংখ্য বিশ্ববিদ্যালয় চায় মেধাবী আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা তাদের প্রতিষ্ঠানে পড়তে আসুক। কারণ এই শিক্ষার্থীরাই গবেষণা করে, নতুন আবিষ্কার করে, বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম বাড়ায়। তাই বিশ্ববিদ্যালয়গুলো তাদের পড়ার খরচ নিজেরাই বহন করে। অর্থাৎ, আপনি যদি যোগ্য হন, তাহলে আপনার টিউশন ফি, থাকার খরচ, এমনকি বিমান ভাড়াও অনেক সময় বিশ্ববিদ্যালয় বহন করবে।
এখানেই শেষ নয়। বিদেশে পড়তে গিয়ে সবচেয়ে বড় যে পরিবর্তনটি আসে, সেটি হলো আপনার মানসিকতার পরিবর্তন। আপনি যখন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মেধাবী মানুষের সাথে কাজ করবেন, তখন আপনার চিন্তার পরিধি বদলে যাবে। আপনি বুঝতে পারবেন পৃথিবী কত বড়, সুযোগ কত বিশাল। বাংলাদেশে যেখানে অনেক মানুষ শুধুমাত্র “চাকরি পেলেই হলো” মানসিকতায় আটকে থাকে, সেখানে বিদেশে গিয়ে আপনি শিখবেন কীভাবে সমস্যা সমাধান করতে হয়, কীভাবে নতুন কিছু উদ্ভাবন করতে হয়, কীভাবে নিজের দক্ষতাকে আন্তর্জাতিক মানে নিয়ে যেতে হয়।
বিদেশে উচ্চশিক্ষা শুধু একটি ডিগ্রি নয়; এটি আসলে জীবনের গতিপথ বদলে দেওয়ার সুযোগ। আপনি যখন আন্তর্জাতিক পর্যায়ের গবেষণায় যুক্ত হবেন, তখন আপনার কাজের মূল্যায়ন হবে বৈশ্বিকভাবে। আপনি কনফারেন্সে অংশ নেবেন, নতুন মানুষের সাথে পরিচিত হবেন, বড় বড় কোম্পানির রিক্রুটারদের নজরে আসবেন। আজকের পৃথিবীতে গুগল, মাইক্রোসফট, অ্যামাজন, মেটা, টেসলার মতো কোম্পানিগুলো পৃথিবীর সেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষার্থীদের খুঁজে বেড়ায়। আপনি যদি সেই পরিবেশে পৌঁছাতে পারেন, তাহলে আপনার ক্যারিয়ার শুধু চাকরিতে সীমাবদ্ধ থাকবে না; বরং আপনি এমন অবস্থানে পৌঁছাতে পারবেন যেখানে আপনার কাজের মূল্য কোটি টাকায় পরিমাপ করা হবে।
অনেক বাংলাদেশি শিক্ষার্থী বিদেশে গিয়ে সামার ইন্টার্নশিপ করেই কয়েক লাখ টাকা আয় করছে। যুক্তরাষ্ট্রে গুগল বা মাইক্রোসফটে একটি সামার ইন্টার্নশিপ থেকেই ৮-১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত আয় করা সম্ভব। ইউরোপের বড় বড় গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলো শিক্ষার্থীদের গবেষণার জন্য আলাদা ফান্ড দেয়। পিএইচডি শিক্ষার্থীরা বছরে ১০-৫০ লাখ টাকা সমপরিমাণ গবেষণা ফান্ড পেয়ে থাকে। ভাবুন তো, যে বয়সে বাংলাদেশে অনেকেই ৩০ হাজার টাকার চাকরি নিয়ে ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তায় থাকে, সেই বয়সেই কেউ কেউ আন্তর্জাতিক গবেষণা করছে, লাখ লাখ টাকা আয় করছে এবং নিজের পরিবারকে অর্থনৈতিকভাবে সাহায্য করছে।
সবচেয়ে বড় বিষয় হলো, এই সুযোগগুলো শুধুমাত্র ধনী পরিবারের সন্তানদের জন্য নয়। বরং অনেক ক্ষেত্রেই সাধারণ পরিবার থেকে উঠে আসা শিক্ষার্থীরাই সবচেয়ে বেশি সফল হয়। কারণ তাদের ভেতরে থাকে নিজের জীবন বদলে দেওয়ার তীব্র ইচ্ছা। বাংলাদেশের অসংখ্য শিক্ষার্থী গ্রামের স্কুল থেকে পড়াশোনা করে, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে, তারপর নিজের চেষ্টা, পরিশ্রম এবং পরিকল্পনার মাধ্যমে ফুল ফান্ডেড স্কলারশিপ নিয়ে বিদেশে চলে যাচ্ছে। তাদের গল্পগুলো প্রমাণ করে, স্বপ্ন দেখার জন্য ধনী হওয়া লাগে না; লাগে সাহস, ধৈর্য এবং সঠিক দিকনির্দেশনা।
আপনি যদি আজ সিদ্ধান্ত নেন যে আগামী এক বছর নিজেকে স্কলারশিপের জন্য প্রস্তুত করবেন, তাহলে আপনার জীবনও বদলে যেতে পারে। ইংরেজি দক্ষতা বাড়ানো, ভালো সিজিপিএ ধরে রাখা, রিসার্চ বা প্রজেক্টে যুক্ত হওয়া, ভালো SOP লেখা, সঠিক বিশ্ববিদ্যালয় খুঁজে আবেদন করা এই কয়েকটি কাজ ধারাবাহিকভাবে করতে পারলেই আপনার জন্যও বিশ্বের দরজা খুলে যেতে পারে। অনেকেই ভাবে, “আমার দ্বারা হবে না”, “আমার ইংরেজি ভালো না”, “আমার পরিচিত কেউ নেই”, “আমার টাকা নেই” কিন্তু সত্যি হলো, স্কলারশিপ পাওয়ার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ধারাবাহিক চেষ্টা।
আজ যে শিক্ষার্থী বিদেশে স্কলারশিপ নিয়ে মাসে লাখ টাকা সমপরিমাণ স্টাইপেন্ড পাচ্ছে, সেও একসময় আপনার মতোই সাধারণ ছিল। পার্থক্য শুধু একটাই সে শুরু করেছিল। সে ভয় পায়নি। সে নিজের স্বপ্নকে গুরুত্ব দিয়েছিল। সে সময় নষ্ট না করে প্রস্তুতি নিয়েছিল। পৃথিবীতে বড় পরিবর্তন কখনো একদিনে আসে না। ছোট ছোট প্রস্তুতির ফলই একসময় বিশাল সাফল্যে রূপ নেয়।
আপনার বাবা-মা হয়তো সারাজীবন কষ্ট করে আপনাকে বড় করেছেন। হয়তো তারা কখনো নিজেদের স্বপ্ন পূরণ করতে পারেননি, কিন্তু আপনার জন্য স্বপ্ন দেখেছেন। বিদেশে উচ্চশিক্ষা হতে পারে সেই স্বপ্ন পূরণের একটি বড় সুযোগ। আপনি শুধু নিজের জন্যই নয়, পুরো পরিবারের ভবিষ্যৎ বদলে দিতে পারেন। আপনি যখন বিশ্বের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়বেন, আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার গড়বেন, তখন আপনার পরিবারও গর্ব করবে। তারা বুঝবে, তাদের সন্তানের পরিশ্রম বৃথা যায়নি।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এখনই সময়। পৃথিবী দ্রুত বদলে যাচ্ছে। Artificial Intelligence, Data Science, Robotics, Biotechnology, Renewable Energy এমন অসংখ্য ক্ষেত্র তৈরি হচ্ছে যেখানে দক্ষ মানুষের চাহিদা প্রতিনিয়ত বাড়ছে। আপনি যদি এখন থেকেই প্রস্তুতি নেন, তাহলে আগামী ৫-১০ বছরে আপনি এমন অবস্থানে যেতে পারবেন যা আজ কল্পনাও করছেন না। কিন্তু যদি ভয়, অলসতা কিংবা “পরে করবো” মানসিকতায় সময় নষ্ট করেন, তাহলে একসময় আফসোস হতে পারে।
মনে রাখবেন: ১ বছর কঠিন প্রস্তুতি নিলেই মিলছে আজীবন বদলে দেওয়ার সুযোগ। কেউ এই সুযোগ হাতে এনে দেবে না, আপনাকে ছিনিয়ে নিতে হবে।
জীবনে কিছু সিদ্ধান্ত পুরো ভবিষ্যৎ বদলে দেয়। বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য প্রস্তুতি নেওয়ার সিদ্ধান্ত হতে পারে তেমনই একটি সিদ্ধান্ত। আজকে হয়তো আপনি ছোট্ট একটি রুমে বসে এই লেখাটি পড়ছেন, কিন্তু কয়েক বছর পর হয়তো আপনিই ইউরোপের কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণাগারে কাজ করবেন, আমেরিকার কোনো টেক কোম্পানিতে ইন্টার্নশিপ করবেন, কিংবা বিশ্বের বড় কোনো কনফারেন্সে নিজের গবেষণা উপস্থাপন করবেন। স্বপ্ন আর বাস্তবতার দূরত্ব অনেক সময় শুধুমাত্র একটি সিদ্ধান্তের।
বিশ্বের ৪০টি জনপ্রিয় স্কলারশিপ✌️ কোথায় সবচেয়ে বেশি টাকা পাওয়া যায়?🤔
১. স্ট্যানফোর্ড নাইট-হেনেসি স্কলারশিপ (যুক্তরাষ্ট্র)
• $3,000-$3,500 (≈ ৩.৫-৪.১ লাখ টাকা)
[https://knight-hennessy.stanford.edu/](https://knight-hennessy.stanford.edu/)
২. হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় স্কলারশিপ (যুক্তরাষ্ট্র)
• $2,800-$3,200 (≈ ৩.৩-৩.৮ লাখ টাকা)
[https://college.harvard.edu/financial-aid](https://college.harvard.edu/financial-aid)
৩. MIT স্কলারশিপ (যুক্তরাষ্ট্র)
• $2,500-$3,000 (≈ ২.৯-৩.৫ লাখ টাকা)
[https://mitadmissions.org/](https://mitadmissions.org/)
৪. ফুলব্রাইট স্কলারশিপ (যুক্তরাষ্ট্র)
• $2,500-$3,000 (≈ ২.৯-৩.৫ লাখ টাকা)
[https://foreign.fulbrightonline.org/](https://foreign.fulbrightonline.org/)
৫. গেটস কেমব্রিজ স্কলারশিপ (যুক্তরাজ্য)
• £1,800-£2,200 (≈ ২.৮-৩.৫ লাখ টাকা)
[https://www.gatescambridge.org/](https://www.gatescambridge.org/)
৬. ETH Zurich Excellence Scholarship (সুইজারল্যান্ড)
• CHF 2,000-2,500 (≈ ২.৮-৩.৫ লাখ টাকা)
[https://ethz.ch/en/studies/financial/scholarships.html](https://ethz.ch/en/studies/financial/scholarships.html)
৭. সুইস এক্সিলেন্স স্কলারশিপ (সুইজারল্যান্ড)
• CHF 1,900-2,200 (≈ ২.৬-৩ লাখ টাকা)
[https://www.sbfi.admin.ch/](https://www.sbfi.admin.ch/)
৮. রোডস স্কলারশিপ (অক্সফোর্ড, যুক্তরাজ্য)
• £1,500-£1,800 (≈ ২.৪-২.৮ লাখ টাকা)
[https://www.rhodeshouse.ox.ac.uk/](https://www.rhodeshouse.ox.ac.uk/)
৯. অক্সফোর্ড ক্ল্যারেনডন স্কলারশিপ (যুক্তরাজ্য)
• £1,500-£1,800 (≈ ২.৪-২.৮ লাখ টাকা)
[https://www.ox.ac.uk/clarendon](https://www.ox.ac.uk/clarendon)
১০. অস্ট্রেলিয়া অ্যাওয়ার্ডস স্কলারশিপ
• AUD 2,700-3,500 (≈ ২.১-২.৮ লাখ টাকা)
[https://www.dfat.gov.au/people-to-people/australia-awards](https://www.dfat.gov.au/people-to-people/australia-awards)
১১. কানাডা ভ্যানিয়ার স্কলারশিপ
• CAD 2,500 (≈ ২.২ লাখ টাকা)
[https://vanier.gc.ca/](https://vanier.gc.ca/)
১২. ইরাসমুস মুন্ডুস Masters স্কলারশিপ (ইউরোপ)
• €1,400-€1,500 (≈ ২-২.২ লাখ টাকা)
[https://www.eacea.ec.europa.eu/scholarships_en](https://www.eacea.ec.europa.eu/scholarships_en)
১৩. হংকং PhD ফেলোশিপ
• HKD 15,000-18,000 (≈ ১.৮-২.২ লাখ টাকা)
[https://www.polyu.edu.hk/hkpf/](https://www.polyu.edu.hk/hkpf/)
১৪. চেভেনিং স্কলারশিপ (যুক্তরাজ্য)
• £1,200-£1,500 (≈ ১.৯-২.৪ লাখ টাকা)
[https://www.chevening.org/](https://www.chevening.org/)
১৫. VLIR-UOS Scholarship (বেলজিয়াম)
• €1,150-€1,500 (≈ ১.৬-২.২ লাখ টাকা)
[https://www.vliruos.be/](https://www.vliruos.be/)
১৬. কমনওয়েলথ স্কলারশিপ
• £1,100-£1,400 (≈ ১.৭-২.২ লাখ টাকা)
[https://cscuk.fcdo.gov.uk/](https://cscuk.fcdo.gov.uk/)
১৭. Eiffel Excellence Scholarship (ফ্রান্স)
• €1,181-€1,700 (≈ ১.৭-২.৪ লাখ টাকা)
[https://www.campusfrance.org/](https://www.campusfrance.org/)
১৮. Yale University Scholarship (যুক্তরাষ্ট্র)
• $2,500-$3,500 (≈ ২.৯-৪.১ লাখ টাকা)
[https://admissions.yale.edu/financial-aid](https://admissions.yale.edu/financial-aid)
১৯. Joint Japan World Bank Scholarship
• Full tuition + monthly allowance
(≈ ১.৫-২ লাখ টাকা)
[https://www.worldbank.org/](https://www.worldbank.org/)
২০. ADB-Japan Scholarship
• Full funded + stipend
(≈ ১.৫-২ লাখ টাকা)
[https://www.adb.org/](https://www.adb.org/)
২১. Türkiye Burslari Scholarship
• TRY 4,500-9,000 (≈ ১-১.৮ লাখ টাকা)
[https://www.turkiyeburslari.gov.tr/](https://www.turkiyeburslari.gov.tr/)
২২. University of Bologna Scholarship (ইতালি)
• €6,500 + tuition waiver
(≈ ৮-১০ লাখ টাকা yearly benefit)
[https://www.unibo.it/](https://www.unibo.it/)
২৩. নেদারল্যান্ডস স্কলারশিপ
• €1,000-€1,300 (≈ ১.৪-১.৯ লাখ টাকা)
[https://www.studyinnl.org/finances/scholarships](https://www.studyinnl.org/finances/scholarships)
২৪. সিঙ্গাপুর সরকারী স্কলারশিপ
• SGD 1,500-2,000 (≈ ১.৪-১.৯ লাখ টাকা)
[https://www.moe.gov.sg/financial-matters/awards-scholarships](https://www.moe.gov.sg/financial-matters/awards-scholarships)
২৫. Invest Your Talent in Italy (IYT)
• €900-€1,000 (≈ ১.৩-১.৫ লাখ টাকা)
[https://investyourtalentapplication.esteri.it/](https://investyourtalentapplication.esteri.it/)
২৬. নিউজিল্যান্ড স্কলারশিপ
• NZD 2,000-2,300 (≈ ১.৪-১.৭ লাখ টাকা)
[https://www.studywithnewzealand.govt.nz/scholarships](https://www.studywithnewzealand.govt.nz/scholarships)
২৭. DAAD স্কলারশিপ (জার্মানি)
• €850-€1,200 (≈ ১.২-১.৭ লাখ টাকা)
[https://www.daad.de/en/](https://www.daad.de/en/)
২৮. অস্ট্রিয়ান সরকারী স্কলারশিপ
• €1,000-€1,200 (≈ ১.৪-১.৭ লাখ টাকা)
[https://grants.at/en/](https://grants.at/en/)
২৯. MAECI Scholarship (ইতালি)
• €900 (≈ ১.৩ লাখ টাকা)
[https://studyinitaly.esteri.it/](https://studyinitaly.esteri.it/)
৩০. সুইডিশ ইনস্টিটিউট স্কলারশিপ
• SEK 10,000-12,000 (≈ ১.১-১.৩ লাখ টাকা)
[https://si.se/en/apply/scholarships/](https://si.se/en/apply/scholarships/)
৩১. নরওয়ে আর্কটিক স্কলারশিপ
• NOK 10,000-12,000 (≈ ১.২-১.৪ লাখ টাকা)
[https://www.studyinnorway.no/scholarships](https://www.studyinnorway.no/scholarships)
৩২. MEXT স্কলারশিপ (জাপান)
• ¥144,000-¥147,000 (≈ ১.২-১.৩ লাখ টাকা)
[https://www.studyinjapan.go.jp/en/](https://www.studyinjapan.go.jp/en/)
৩৩. Global Korea Scholarship (GKS)
• KRW 1,000,000 (≈ ৮৫ হাজার-১ লাখ টাকা)
[https://www.studyinkorea.go.kr/](https://www.studyinkorea.go.kr/)
৩৪. KAIST Scholarship (দক্ষিণ কোরিয়া)
• KRW 350,000-500,000 + tuition waiver
(≈ ৮০ হাজার-১.২ লাখ টাকা)
[https://www.kaist.ac.kr/](https://www.kaist.ac.kr/)
৩৫. Stipendium Hungaricum Scholarship (হাঙ্গেরি)
• HUF 43,700-180,000
(≈ ৪০ হাজার-১.৭ লাখ টাকা)
[https://stipendiumhungaricum.hu/](https://stipendiumhungaricum.hu/)
৩৬. Chinese Government Scholarship (CSC)
• ¥3,000-3,500 (≈ ৫০-৬০ হাজার টাকা)
[https://www.campuschina.org/](https://www.campuschina.org/)
৩৭. Brunei Darussalam Scholarship
• BND 500-650 (≈ ৪৫-৬০ হাজার টাকা)
[https://www.mfa.gov.bn/](https://www.mfa.gov.bn/)
৩৮. Lester B. Pearson Scholarship (কানাডা)
• Full tuition + living support
[https://future.utoronto.ca/pearson/](https://future.utoronto.ca/pearson/)
৩৯. Schwarzman Scholars (চীন)
• সম্পূর্ণ ফান্ডেড + living stipend
(≈ ২-৩ লাখ টাকা সমপরিমাণ সুবিধা)
[https://www.schwarzmanscholars.org/](https://www.schwarzmanscholars.org/)
৪০. DSU Regional Scholarship (ইতালি)
• Free accommodation + meals + €5,000-7,000 yearly grant
(≈ বছরে ৭-১০ লাখ টাকার সুবিধা)
[https://www.dsu.toscana.it/](https://www.dsu.toscana.it/)
দ্রষ্টব্যঃ টাকার conversion হিসাব আন্তর্জাতিক ব্যাংক বিনিময় হার অনুযায়ী আনুমানিকভাবে করা হয়েছে। বাস্তবে ডলার, ইউরো, পাউন্ড ও অন্যান্য মুদ্রার রেট পরিবর্তনের কারণে টাকার পরিমাণ আরও বেশি বা কম হতে পারে। এছাড়াও অধিকাংশ স্কলারশিপে টিউশন ফি, স্বাস্থ্য বীমা, রিসার্চ ফান্ড, বিমান ভাড়া, ফ্রি হাউজিং ও খাবারের সুবিধা থাকে, যার ফলে প্রকৃত আর্থিক সুবিধা তালিকায় উল্লেখিত পরিমাণের চেয়েও অনেক বেশি হয়।