Cox's Bazar Railway Station - কক্সবাজার রেলওয়ে স্টেশন

  • Home
  • Bangladesh
  • Cox's Bazar
  • Cox's Bazar Railway Station - কক্সবাজার রেলওয়ে স্টেশন

Cox's Bazar Railway Station - কক্সবাজার রেলওয়ে স্টেশন Chittagong-Cox's Bazar Railway line is a 120km Dual-Gauge Passenger line. The project is endorsed by the South Asia Sub regional Economic Cooperation (SASEC).
(2)

Chittagong-Cox’s Bazar railway line is a 120km dual-gauge passenger line from village in south-east Bangladesh to Cox’s Bazar, one of the most popular tourist destinations in the country.

The greenfield project is one of seven investment sub-projects being undertaken by the Bangladesh Railway (BR) to improve the country’s rail c

onnectivity with other Asian countries. It is part of Trans-Asian Railway (TAR) network and will improve access to Myanmar and beyond. The project will take five years to complete, and generate employment for approximately 3,500 workers in local communities. It will also enhance trade and tourism in the southern-most parts of the country. Civil works for the project began in March 2018 and it is expected to be completed by 2022. Chittagong-Cox’s Bazar rail line route

The first phase of the railway project will include a single-track rail line approximately 102km in length. It will pass through eight sub-districts (upazilas), including the Chandanaish, Satkania and Lohagara sub-divisions in Chittagong district and the Chakaria, Cox’s Bazar Sadar and Ramu sub-divisions in Cox’s Bazar district. The line will begin at Dohazari village and continue southwards to Cox’s Bazar. The first 29km segment will run across flat, open land in the Chittagong district, while the next 33km will travel through agricultural land and forests in the Chakaria Upazila of Cox’s Bazar District. During the project’s second phase, the rail line will be extended to the Myanmar border, as well as a planned deep-sea port on Matarbari Island. Stations along the rail route

A total of eight new stations will be built for the new alignment, in addition to an existing station at Dohazari. The existing station will be demolished to construct a new facility on the opposite side of the tracks, while 2km of existing tracks near the Dohazari station will be renovated. The proposed line crosses the Sangu River, south of Dohazari. The section of track north of the river will be lifted for sufficient clearance. Stations will be equipped with relay batteries, generator rooms, sewage and waste management facilities, and energy-saving features such as solar panels. They will feature separate facilities for women, children, elderly and the disabled. Other infrastructure

A total of 183 water crossings, including 39 bridges and 144 culverts, will be constructed along the new alignment. Six large bridges will be constructed over the Sangu, Matamuhuri and Bakkhali rivers, as well as the Idgaon Chara tributary. The culverts will offer a single and multi-cell concrete design to enhance drainage. Financing

The estimated investment for the project is $2.013bn, which includes $512m provided by the Bangladesh Government. ADB offered a loan of $1.5bn in September 2016 for the project. The first tranche of the loan of approximately $300m was released by ADB in June 2017, while the second tranche of $400m was released in May 2019. The Government of Bangladesh will add $50m to ADB’s second tranche. The Export-Import Bank of Korea is providing a loan of $99.04m. Project background and benefits

Chittagong-Cox’s Bazar railway project is expected to connect the national and sub-regional railway networks for the first time. The new line will connect Cox’s Bazar district to sub-regional markets in order to enhance trade. By providing intermodal facilities for passengers and freight, the project will also improve connections to Myanmar. With dual-gauge tracks, the project will offer connections to western Bangladesh and India, where most of the railways are broad-gauge, and towards north-eastern India and Southeast Asia, which primarily offer meter-gauge tracks. The project helps Bangladesh to meet its targets under its 7th Five-Year plan and its railway master plan, which aim to raise the country’s freight market share to 15% and its passenger market share to 10%. Contractors

The detailed design for the new rail line was provided by SMEC. The construction of the project has been divided into two lots, Lot 1 and Lot 2. The contract for Lot 1 was awarded to a joint venture (JV) of China Railway Engineering Group (CREC) and Toma Group, while Lot 2 was awarded to a JV of China Civil Engineering Construction Corporation (CCECC) and Max Group. Both the contracts were awarded in September 2017.

16/10/2025

🇧🇩 বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে গৌরবময় ক্যারিয়ারের সুযোগ! ⚓

দেশ সেবার সুযোগ, নেতৃত্বের চ্যালেঞ্জ এবং রোমাঞ্চকর জীবনের অভিজ্ঞতা অর্জনের অনন্য সুযোগ নিয়ে এসেছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী।

👉 এখনই আবেদন করুন ২০২৬বি অফিসার ক্যাডেট ব্যাচ (দ্বিতীয় গ্রুপ) এ।
📚 যোগ্যতা: SSC ও HSC উভয় পরীক্ষায় A+ প্রাপ্ত প্রার্থী
🧭 নির্বাচনী পরীক্ষা: লিখিত, মৌখিক ও ISBB বোর্ডে অংশগ্রহণের সুযোগ
📆 আবেদন করার সময়: ১ অক্টোবর থেকে ১৬ নভেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত
🌐 আবেদন করুন অনলাইনে: www.joinnavy.navy.mil.bd

✨ JOIN BANGLADESH NAVY — SERVE THE NATION 🇧🇩
সাহস, নেতৃত্ব ও দেশপ্রেমের প্রতীক হোন – নৌবাহিনীর অফিসার ক্যাডেট হিসেবে গড়ে তুলুন গৌরবময় ভবিষ্যৎ!

পুরনো ইঞ্জিনের দীর্ঘস্থায়ী সংকট নিরসনের লক্ষ্যে চীন বাংলাদেশ রেলওয়েকে ১,৫৯১ কোটি টাকার অনুদানের আওতায় ২০টি বিনামূল্যে...
15/09/2025

পুরনো ইঞ্জিনের দীর্ঘস্থায়ী সংকট নিরসনের লক্ষ্যে চীন বাংলাদেশ রেলওয়েকে ১,৫৯১ কোটি টাকার অনুদানের আওতায় ২০টি বিনামূল্যে মিটার-গেজ লোকোমোটিভ প্রদান করছে। ২০২৬-২০২৭ সালের জন্য নির্ধারিত এই প্রকল্পে স্থানীয় প্রকৌশলীদের জন্য খুচরা যন্ত্রাংশ, সরঞ্জাম এবং প্রশিক্ষণও অন্তর্ভুক্ত থাকবে যাতে জ্ঞান স্থানান্তর নিশ্চিত করা যায়। বর্তমান এমজি লোকোমোটিভের ৭০% এরও বেশি পরিষেবা জীবন শেষ হয়ে গেছে, এই উদ্যোগ বিলম্ব হ্রাস করবে, রক্ষণাবেক্ষণ খরচ কমাবে এবং যাত্রী ও মালবাহী পরিবহন উভয় ক্ষেত্রেই নির্ভরযোগ্যতা উন্নত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

🇧🇩🤝🇨🇳

15/09/2025

সেন্টমার্টিনের সেরা কিছু হোটেল ও রিসোর্টের খোঁজ
সেন্টমার্টিন, যা 'বঙ্গোপসাগরের টিপ' নামেও পরিচিত, বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় ভ্রমণ গন্তব্যগুলোর মধ্যে একটি। প্রতি বছর হাজার হাজার পর্যটক এই সুন্দর দ্বীপে ভিড় করেন। সেন্টমার্টিনে যারা ভালো মানের এবং সাশ্রয়ী মূল্যের হোটেল বা রিসোর্ট খুঁজছেন, তাদের জন্য নিচে কিছু পরিচিত হোটেল ও রিসোর্টের তালিকা, তাদের সুবিধা, অসুবিধা এবং যোগাযোগের বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হলো।
১. হোটেল ব্লু মেরিন
সেন্টমার্টিনের সেরা হোটেলগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম। জেটি থেকে খুব কাছেই এর অবস্থান।
* সুবিধা: চমৎকার অবকাঠামো, বিলাসবহুল ৩৪টি রুম, নিজস্ব রেস্টুরেন্ট এবং ভালো রেটিং (ফেসবুকে ৪.২০/৫.০০)।
* অসুবিধা: বাজারের কাছে হওয়ায় একটু বেশি কোলাহল থাকে। সরাসরি সমুদ্র দেখার সুযোগ নেই।
* ভাড়া: প্রতি রুমের ভাড়া ২,৫০০-৩,৫০০ টাকা।
* যোগাযোগ: ০১৭১৩-৩৯৯০০০ (ঢাকা), ০১৭১৩-৩৯৯২৫০ (সেন্টমার্টিন)।
২. নীল দিগন্তে রিসোর্ট
দ্বীপের দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত এটি একটি বড় আকারের রিসোর্ট।
* সুবিধা: বড় জায়গা, ৩৮টি রুম এবং নিজস্ব রেস্টুরেন্ট রয়েছে।
* অসুবিধা: জেটি থেকে বেশ দূরে, তাই ভ্যান ভাড়া করতে হবে। রুম থেকে সমুদ্র দেখা যায় না। ফেসবুক রেটিং খুব ভালো নয় (৩.১০/৫.০০)।
* ভাড়া: প্রতি রুমের ভাড়া ২,০০০-৪,৫০০ টাকা।
* যোগাযোগ: ০১৭৩০-০৫১০০৫, ০১৭৩০-০৫১০০৬, ০১৭৩০-০৫১০০৭।
৩. সী ভিউ রিসোর্ট এন্ড স্পোর্টস
নর্থ বীচের একেবারে লাগোয়া এই রিসোর্টটি নতুন ম্যানেজমেন্টের অধীনে এসে অনেক উন্নত হয়েছে।
* সুবিধা: জেটি থেকে হাঁটা দূরত্বে (৭ মিনিট), বেশিরভাগ রুম থেকে সমুদ্র দেখা যায়, ফ্রি ওয়াইফাই (শীঘ্রই আসবে), এবং ছোটখাটো খেলার ব্যবস্থা রয়েছে। এর ফেসবুক রেটিং অসাধারণ (৪.৯০/৫.০০)।
* অসুবিধা: নিজস্ব রেস্টুরেন্টটি রিসোর্ট থেকে কিছুটা দূরে।
* ভাড়া: প্রতি রুমের ভাড়া ১,২০০-৩,০০০ টাকা।
* যোগাযোগ: ০১৮৪০-৪৭৭৭০৭ (ঢাকা), ০১৮৪০-৪৭৭৯৫৬ (সেন্টমার্টিন)।
৪. লাবিবা বিলাস রিসোর্ট
সুপ্রশস্ত এই দ্বিতল রিসোর্টটি নর্থ বীচে অবস্থিত।
* সুবিধা: ৪৩টি রুম, একটি রেস্টুরেন্ট, ছোট সেমিনার রুম এবং বিভিন্ন খেলার ব্যবস্থা রয়েছে।
* অসুবিধা: শিপঘাট থেকে হেঁটে যেতে ১৫-২০ মিনিট লাগে এবং রুমগুলোর অবস্থা খুব একটা ভালো নয়।
* ভাড়া: প্রতি রুমের ভাড়া ১,৬০০-৪,০০০ টাকা।
* যোগাযোগ: ০১৭৪৪-১৩৬১৪৫ (ঢাকা), ০১৮৩৪-২৬৭৯২২ (সেন্টমার্টিন)।
৫. হোটেল প্রাসাদ প্যারাডাইজ
হোটেল ব্লু মেরিনের কিছুটা উত্তরে এটি অবস্থিত।
* সুবিধা: ১৬টি কক্ষ, নিজস্ব রেস্টুরেন্ট এবং ভালো রেটিং (ফেসবুকে ৪.২০/৫.০০)।
* অসুবিধা: সমুদ্র থেকে একটু দূরে হওয়ায় মাত্র কয়েকটি রুম থেকে সমুদ্রের সামান্য অংশ দেখা যায়।
* ভাড়া: প্রতি রুমের ভাড়া ২,০০০-৪,০০০ টাকা।
* যোগাযোগ: ০১৫৫৬-৩৪৭৭১১।
৬. সীমানা পেরিয়ে রিসোর্ট
ওয়েস্ট বীচে অবস্থিত এই রিসোর্টটি সমুদ্রের খুব কাছে।
* সুবিধা: ১৪টি রুম, নিজস্ব রেস্টুরেন্ট এবং কয়েকটি রুম থেকে সমুদ্র দেখা যায়।
* অসুবিধা: জেটি থেকে ভ্যানে করে যেতে হয়।
* ভাড়া: প্রতি রুমের ভাড়া ১,৫০০-২,৫০০ টাকা।
* যোগাযোগ: ০১৯১১-১২১২৯২, ০১৮১৯-০১৮০২৭।
৭. কোরাল ভিউ রিসোর্ট
নৌবাহিনী দ্বারা পরিচালিত এই রিসোর্টটি ইস্ট বীচে অবস্থিত।
* সুবিধা: বড় জায়গা, বেশিরভাগ রুম থেকে সমুদ্র দেখা যায়, সামনে সবুজ মাঠ এবং নিজস্ব রেস্টুরেন্ট আছে। ফেসবুক রেটিং খুব ভালো (৪.২০/৫.০০)।
* অসুবিধা: জেটি থেকে বেশ দূরে হওয়ায় ভ্যান বা বোট নিয়ে যেতে হবে।
* ভাড়া: প্রতি রুমের ভাড়া ২,৫০০-৬,০০০ টাকা।
* যোগাযোগ: ০১৯৮০-০০৪৭৭৭, ০১৯৮০-০০৪৭৭৮।
অন্যান্য জনপ্রিয় কিছু হোটেল ও রিসোর্ট
এছাড়াও সেন্টমার্টিনে হোটেল সী ইন, প্রিন্স হ্যাভেন রিসোর্ট, সী প্রবাল রিসোর্ট এবং আরও অনেক জনপ্রিয় রিসোর্ট রয়েছে যেমন: কোরাল ব্লু, ড্রিম নাইট, সায়রি, অবকাশ, স্যান্ড শোর, ব্লু লেগুন, সিটিবি ইত্যাদি।
ভ্রমণ টিপস
* হোটেল বা রিসোর্ট বুক করার আগে জেটি থেকে দূরত্ব, সমুদ্রের কাছে অবস্থান, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং খাবার ব্যবস্থা দেখে নেওয়া উচিত।
* ডিসেম্বর থেকে জানুয়ারির মাঝামাঝি সময়ে রুমের ভাড়া অনেক বেশি থাকে। অন্য সময়ে দরদাম করে কম দামে রুম পাওয়া যেতে পারে।
আপনার সেন্টমার্টিন ভ্রমণ শুভ হোক! আর কোনো কিছু জানার থাকলে জিজ্ঞাসা করতে পারেন।

#সেন্টমার্টিন #সেন্টমার্টিনদ্বীপ #সেন্টমার্টিনহোটেল #ভ্রমণ #পর্যটন #বাংলাদেশ #হোটেল #রিসোর্ট #সমুদ্রসৈকত

আয় বেশি ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটের ট্রেনে, কক্সবাজার রুটে কতকক্সবাজার রুটে চলাচলরত চার জোড়া ট্রেন থেকে এক অর্থবছরে আয় হয়েছে শত...
13/08/2025

আয় বেশি ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটের ট্রেনে, কক্সবাজার রুটে কত
কক্সবাজার রুটে চলাচলরত চার জোড়া ট্রেন থেকে এক অর্থবছরে আয় হয়েছে শত কোটি টাকার কাছাকাছি। আবার রুটগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আয় হয়েছে ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথ থেকে।

দুর্ঘটনার ঝুঁকি কম। যাত্রাপথে নিরাপত্তা নিয়েও তেমন কোনো শঙ্কা নেই। নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যে দূরের গন্তব্যে যেতে ও সময়মতো পৌঁছাতে আন্তনগর ট্রেন পছন্দ মানুষের। পরিবার–পরিজন নিয়ে পর্যটনকেন্দ্রগুলোয় যেতেও লোকজন রেলপথকে প্রাধান্য দিচ্ছেন। যার একটা ছাপ পাওয়া গেছে রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের আয়ে।

বিদায়ী অর্থবছরে (গত বছরের ১ জুলাই থেকে চলতি বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত) আন্তনগর ট্রেনগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আয় হয়েছে ঢাকা-কক্সবাজার রুটে চলাচলরত দুই জোড়া ট্রেন থেকে। বৃহত্তম সমুদ্রসৈকতের পর্যটন শহর কক্সবাজারে ঘুরতে যান লাখো মানুষ। সড়কপথে নানা ঝক্কিঝামেলা এড়াতে ট্রেনেই যাতায়াত করেন তাঁরা। কক্সবাজার রুটে চলাচলরত চার জোড়া ট্রেন থেকে এক অর্থবছরে আয় হয়েছে শত কোটি টাকার কাছাকাছি। আবার রুটগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আয় হয়েছে ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথ থেকে। দেশের প্রধান দুই শহরে যাতায়াতের জন্য ট্রেন ব্যবহার করেছেন ৪০ লাখের বেশি মানুষ। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলে আন্তনগর ট্রেনগুলোয় চড়েছেন ১ কোটি ৫১ লাখ মানুষ। তাঁদের কাছ থেকে ভাড়া আদায় হয়েছে ৫০৩ কোটি ৮১ লাখ টাকা। রেলওয়ের পূর্বাঞ্চল থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

ট্রেন পরিচালনার সুবিধার্থে বাংলাদেশ রেলওয়ে দুটি অঞ্চলে বিভক্ত। একটি অঞ্চল যমুনা নদীর পূর্ব পাশে, যা পূর্বাঞ্চল রেলওয়ে (ঢাকা-চট্টগ্রাম-সিলেট-ময়মনসিংহ বিভাগ) হিসেবে পরিচিত। আর যমুনা নদীর পশ্চিম পাশ নিয়ে পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ে গঠিত (রাজশাহী-রংপুর-খুলনা বিভাগ)। রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলে প্রতিদিন গড়ে ২৯ জোড়া আন্তনগর ট্রেন চলাচল করে। যে রুটে যাত্রী ও আয় বেশি
রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের ২৯ জোড়া আন্তনগর ট্রেন বিগত অর্থবছরে যাত্রী পরিবহন করেছে ১ কোটি ৫১ লাখ জন। পূর্বাঞ্চলের রুটগুলোর মধ্যে ঢাকা-চট্টগ্রাম পথে চলাচল করা ট্রেনগুলোয় সবচেয়ে বেশি যাত্রী আসা-যাওয়া করেছে। এই পথে আন্তনগর ট্রেনের সংখ্যা অন্যান্য রুটের চেয়ে বেশি। ছয় জোড়া আন্তনগর ট্রেনে যাতায়াত করেছেন ৪০ লাখ ৩৮ হাজার ৭৩৩ জন। তুলনামূলকভাবে এই রুট থেকে প্রতি অর্থবছরে সবচেয়ে বেশি ভাড়া আদায় হয় রেলের। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। ১৬৭ কোটি ৭১ লাখ টাকার ভাড়া আদায় হয়েছে।

ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথে চলাচল করা ছয় জোড়া আন্তনগর ট্রেনের প্রতিটির আয় হয়েছে ২০ কোটি টাকার ওপরে। এর মধ্যে তূর্ণা এক্সপ্রেসের আয় হয় ৩১ কোটি ২০ লাখ টাকা। বিরতিহীন আন্তনগর সুবর্ণ এক্সপ্রেস ও সোনার বাংলা এক্সপ্রেসের আয় যথাক্রমে ২৯ কোটি ৫৮ লাখ টাকা ও ২৯ কোটি টাকা।

ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে সব সময় বেশি যাত্রী পরিবহনের বিষয়ে রেলওয়ের কর্মকর্তারা জানান, দেশের দুই বড় শহর হচ্ছে ঢাকা ও চট্টগ্রাম। ঢাকা হচ্ছে দেশের রাজধানী। আর চট্টগ্রাম বাণিজ্যিক রাজধানী। এখানে দেশের প্রধান ও কার্যকর সমুদ্রবন্দর রয়েছে। একে ঘিরে এই অঞ্চলে শিল্পকারখানা থেকে শুরু করে নানা ধরনের বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষও অর্থনৈতিক প্রয়োজনে এখানে অবস্থান করেন। দেশের দুই বড় শহরের মধ্যে মানুষ নানা প্রয়োজনে নিয়মিত যাতায়াত করেন। তাঁদের অধিকাংশের পছন্দ ট্রেন।

ঢাকা-দেওয়ানগঞ্জ রুটে চলাচলরত দুই জোড়া ট্রেন থেকে আয় হয়েছে ৪০ কোটি ৪৬ লাখ টাকা। আর যাত্রী পরিবহন করেছে ১৩ লাখ ৭২ হাজার। ঢাকা-কিশোরগঞ্জে তিন জোড়া ট্রেন থেকে আয় হয় ২০ কোটি ৫১ লাখ টাকা। যাতায়াত করেছেন ১৬ লাখ ৫৬ হাজার যাত্রী। রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের ঢাকা-মোহনগঞ্জ রুটে দুই জোড়া ট্রেনে যাতায়াত করেছেন ৯ লাখ ২৮ হাজার জন। আয় হয়েছে ২১ কোটি টাকা।

চট্টগ্রাম-জামালপুর রুট থেকে রেলের আয় হয় ১৯ কোটি টাকা। ঢাকা থেকে তারাকান্দি রুটে ১৪ কোটি ৮৯ লাখ টাকা, ঢাকা-নোয়াখালী রুটে ১৪ কোটি ৩৮ লাখ, ঢাকা-জামালপুর রুটে ৭ কোটি ৭৫ লাখ টাকা।

কক্সবাজার রুটে আয় প্রায় শত কোটি টাকা
চালুর পর থেকে রেলযাত্রীদের আগ্রহ ও আকর্ষণের কেন্দ্রে রয়েছে কক্সবাজার রুটের ট্রেনগুলো। ঢাকা থেকে সড়কপথে পর্যটন শহরে যেতে ৯ থেকে ১০ ঘণ্টা লাগে। আবার কখনো কখনো এর চেয়ে বেশি সময় লেগে যায়। এর মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন স্থানে যানজটের ভোগান্তি, গাড়ি নষ্ট ও দুর্ঘটনায় পড়ার শঙ্কা। সবচেয়ে বেশি আতঙ্ক কাজ করে চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত সরু মহাসড়কে, যেখানে প্রায় সময় পর্যটকবাহী গাড়ি দুর্ঘটনার শিকার হয়। এসব ভোগান্তি এড়াতে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষ ট্রেনেই চড়েন।গত ১২ মাসে ঢাকা-কক্সবাজার রেলপথে চলাচলরত দুই জোড়া ট্রেন থেকে আয় হয়েছে ৮৭ কোটি ৪৭ লাখ টাকা। এর মধ্যে কক্সবাজার এক্সপ্রেস থেকে ৪৭ কোটি ৫২ লাখ এবং পর্যটক এক্সপ্রেস থেকে ৩৯ কোটি ৯৩ লাখ টাকা। এসব ট্রেনে করে কক্সবাজারে আসা-যাওয়া করেছেন ১০ লাখ ২৯ হাজার ২৬৭ জন।

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুট থেকে আয় হয়েছে ৭ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। এই রুটে প্রতিদিন দুই জোড়া আন্তনগর ট্রেন চলাচল করে। এগুলোয় এবার যাত্রী যাতায়াত করেছেন ৩ লাখ ৯৪ হাজার জন। কক্সবাজারের পরে দেশের মানুষের ভ্রমণের অন্যতম কেন্দ্র হচ্ছে চায়ের রাজধানীখ্যাত সিলেট। এখানে রয়েছে পাহাড়, ঝরনা, মাধবকুণ্ড জলপ্রপাত, রাতারগুল জলাবনের মতো পর্যটন স্পট। নতুন নতুন পর্যটন স্পটও তৈরি হচ্ছে। ফলে সিলেটে বেড়াতে যাওয়া মানুষের সংখ্যা বাড়ছে। এর সঙ্গে নিত্যপ্রয়োজনে যাতায়াত করা মানুষ তো আছেই। পূর্বাঞ্চলের রুটের মধ্যে তৃতীয় সর্বোচ্চ ভাড়া এসেছে ঢাকা-সিলেট রুট থেকে। রেলওয়ের আয় হয়েছে ৭৫ কোটি ৩০ লাখ টাকা। আয়ে তৃতীয় হলেও যাত্রী পরিবহনে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ঢাকা-সিলেট। এবার আসা-যাওয়া করেছেন ২৬ লাখ ৮৫ হাজার মানুষ। এই পথে চলাচল করা পারাবত এক্সপ্রেস একক ট্রেন হিসেবে সবচেয়ে বেশি যাত্রী বহন করেছে, যার পরিমাণ ১০ লাখ ২৪ হাজার জন। আয় হয়েছে ২১ কোটি ৩৯ লাখ টাকা। এ ছাড়া চট্টগ্রাম-সিলেট রুটে দুই জোড়া ট্রেন থেকে আয় হয়েছে ২১ কোটি টাকা। রেলওয়ের বিভাগীয় রেল ব্যবস্থাপক (চট্টগ্রাম) এ বি এম কামরুজ্জামান প্রথম আলোকে বলেন, ঢাকা ও চট্টগ্রাম দেশের দুই গুরুত্বপূর্ণ শহর। অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক কেন্দ্র হচ্ছে এ দুই শহর। এ কারণে ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে সব সময় যাত্রী পরিবহন হয় বেশি। তিনি বলেন, ‘চালুর পর থেকে কক্সবাজার রুট খুবই লাভজনক ও জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এ রুটের ট্রেনগুলোর টিকিটের চাহিদা অনেক বেশি। আরও ট্রেন চালানো হলে যাত্রীর অভাব হবে না। সিলেট, চাঁদপুর থেকে ট্রেন কক্সবাজার পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া হলেও যাত্রী পাওয়া যাবে। এ রুটে ট্রেন বাড়ানোর পরিকল্পনা আছে। তবে ইঞ্জিনসংকটের কারণে এই মুহূর্তে তা বাস্তবায়ন করা যাচ্ছে না।’

🇧🇩 🚉

Address

Cox's Bazar Railway Station
Cox's Bazar
4700

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Cox's Bazar Railway Station - কক্সবাজার রেলওয়ে স্টেশন posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Cox's Bazar Railway Station - কক্সবাজার রেলওয়ে স্টেশন:

Share