HAMS Marine & Logistics

HAMS Marine & Logistics Our motto is to taking action and doing, is one key to success. Keeping logistics in mind- enormous things are possible.

"কর্ণফুলী" নদীর নামকরণের ইতিহাস।কর্ণফুলী নদীর নামকরণ নিয়ে ২টি কিংবদন্তি প্রচলিত আছে। এর একটি টমাস হারবার্ট লেউইনের 'অ্য...
16/09/2025

"কর্ণফুলী" নদীর নামকরণের ইতিহাস।

কর্ণফুলী নদীর নামকরণ নিয়ে ২টি কিংবদন্তি প্রচলিত আছে। এর একটি টমাস হারবার্ট লেউইনের 'অ্যা ফ্লাই অন দ্য হুইল' বইয়ে লেখা আছে। কথিত আছে, এই নদীর প্রাচীন নাম ছিল 'কাইঞ্চা খাল'। 'কাইঞ্চা খাল' কেন কর্ণফুলী নামে নামকরণ করা হয়েছিল, তা নিয়ে এ বইয়ে একটি গল্প বলা হয়েছে।

এতে বলা হয়, একবার কোনো এক পূর্ণিমা রাতে চট্টগ্রামের এক রাজকুমারী ও রাজকুমার দম্পতি কাইঞ্চা খালে নৌবিহারে জ্যোৎস্না রাতের সৌন্দর্য উপভোগ করছিলেন। ঢেউ খেলানো জলের উপরিভাগে চাঁদের প্রতিবিম্বের সৌন্দর্য উপভোগ করার সময় রাজকুমারী নদীর ওপর কিছুটা ঝুঁকে পড়ে এবং ঠিক তখনই তার কানের ওপরে চুলে আটকানো ফুল হঠাৎ নদীতে পড়ে যায়। এই ফুলটি রাজকুমার তার চুলে গুঁজে দিয়েছিলেন। সেজন্য এটি তার কাছে মহামূল্যবান।

রাজকুমারী ফুলটি হারানোর পর শোকাহত হয়ে পড়েন। ফুলটি উদ্ধারের জন্য সে তৎক্ষণাৎ নদীতে ঝাঁপ দিয়ে ব্যর্থ হন। পরিবর্তে তীব্র স্রোতে তিনি নদীতে তলিয়ে যান। রাজকুমারীকে উদ্ধার করতে রাজকুমারও নদীতে ঝাঁপ দেন। তিনিও তাকে উদ্ধারে ব্যর্থ হন।

শোকাহত রাজকুমার মৃত্যুর পরে রাজকুমারীর সঙ্গে মিলিত হওয়ার জন্য নিজেকে নদীতে ডুবিয়ে দেন। এই ট্র্যাজেডির কারণে 'কর্ণফুল' শব্দ থেকে নদীর নাম 'কর্ণফুলী' হয়েছে। 'কর্ণফুল' অর্থ 'কানে শোভা পায় যে ফুল'।

আরেকটি কিংবদন্তি হলো—একদিন এক পাহাড়ি রাজকন্যা তার সহচরীদের সঙ্গে কাইঞ্চা খালে গোসল করতে গিয়েছিলেন। পানিতে ডুব দিয়ে গোসল শেষে তীরে উঠে দেখতে পান তার 'কর্ণফুল' হারিয়ে গেছে। অনেক চেষ্টা করেও তা খুঁজে পাওয়া যায় না। শোকাহত রাজকন্যা অসুস্থ হয়ে পড়েন। কিছুদিন পর তার মৃ*ত্যু হয়। তখন থেকে 'কাইঞ্চা খাল' কর্ণফুলী নদী নামে পরিচিতি পায়।

প্রখ্যাত গায়ক, গীতিকার ও সঙ্গীতজ্ঞ মলয় ঘোষ দস্তিদার তার 'কর্ণফুলীর গান'-এ লিখেছেন—

ছোড ছোড ঢেউ তুলি (ছোট ছোট ঢেউ তুলে)

লুসাই পাহাড়ুত্তুন নামিয়ারে যারগই কর্ণফুলী (লুসাই পাহাড় থেকে নেমে কর্ণফুলী প্রবাহিত হচ্ছে)।

পাহাড়ি কোন সুন্দরী মায়া (পাহাড়ের এক সুন্দরী মেয়ে),

সেয়ান গইত্তো যায় (নদীতে স্নান করতে গিয়েছিল)।

সেয়ান গরি উডি চায় যে (স্নান করে তীরে উঠার পর সে দেখলো)

কানোর ফুল তার নাই (যে ফুলটি তার কানে শোভা পাচ্ছিল, সেটি নেই)।

যেদিন কানোর ফুল হাজাইয়ে (যেদিন সে কানের ফুল হারালো),

হেই দিনত্তুন নাম কর্ণফুলী (সেদিন থেকে নদীর নাম কর্ণফুলী)।

লুসাই পাহাড়ুত্তুন নামিয়ারে যারগই কর্ণফুলী (লুসাই পাহাড় থেকে নেমে কর্ণফুলী প্রবাহিত হচ্ছে)।

(তথ্যসূত্র: The Daily Star বাংলা)

06/06/2025
ইঞ্জিন পার্টস এর নাম ও কাজ – একদম বিস্তারিত জানুনইঞ্জিন হলো একটি জটিল যন্ত্রাংশের সমষ্টি যা একসাথে কাজ করে একটি  শক্তি স...
25/05/2025

ইঞ্জিন পার্টস এর নাম ও কাজ – একদম বিস্তারিত জানুন

ইঞ্জিন হলো একটি জটিল যন্ত্রাংশের সমষ্টি যা একসাথে কাজ করে একটি শক্তি সরবরাহ করে। অনেকেই ইঞ্জিনের ভেতরে কোন কোন পার্টস আছে এবং সেগুলো কী কাজ করে, তা জানেন না। আজকের এই পোস্টে আমরা আলোচনা করব ইঞ্জিনের গুরুত্বপূর্ণ পার্টস, তাদের কাজ এবং কেন এসব জানাটা গুরুত্বপূর্ণ।



🔹 ইঞ্জিন পার্টস এর তালিকা ও তাদের কাজ

১. সিলিন্ডার (Cylinder)= সিলিন্ডার হচ্ছে ইঞ্জিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এখানে জ্বালানি ও বায়ু মিশ্রণ পুড়ে শক্তি তৈরি হয়। চার সিলিন্ডার, ছয় সিলিন্ডার বা আট সিলিন্ডার যুক্ত ইঞ্জিন হতে পারে।

২. পিস্টন (Piston)= পিস্টন হলো সিলিন্ডারের ভেতরে চলমান একটি ধাতব বস্তু, যা জ্বালানি দহন থেকে উৎপন্ন শক্তিকে নিচে ঠেলে দেয়। এটি ক্র্যাংকশ্যাফট ঘোরাতে সহায়তা করে।

৩. ক্র্যাংকশ্যাফট (Crankshaft)= ক্র্যাংকশ্যাফট পিস্টনের উপরে নিচে চলাচলকে ঘূর্ণনশীল গতিতে রূপান্তর করে, যা প্রপেলার ঘূর্ণনে কাজে লাগে।

৪. ক্যামশ্যাফট (Camshaft)= ক্যামশ্যাফট ভালভ খোলার ও বন্ধ করার কাজ করে। এটি নির্দিষ্ট সময় অনুযায়ী ইনটেক এবং এক্সহস্ট ভালভ নিয়ন্ত্রণ করে।

৫. ভালভ (Valves)= ভালভ দুটি ধরণের হয়: ইনটেক ও এক্সহস্ট। ইনটেক ভালভ জ্বালানি ও বায়ুকে ইঞ্জিনে প্রবেশ করতে দেয়, এবং এক্সহস্ট ভালভ দহন শেষে গ্যাস নির্গত করে।

৬. স্পার্ক প্লাগ (Spark Plug)= পেট্রোল ইঞ্জিনে স্পার্ক প্লাগ থাকে, যা বায়ু ও জ্বালানির মিশ্রণে আগুন ধরায় এবং দহন শুরু করে।

৭. ফুয়েল ইনজেক্টর (Fuel Injector)= ফুয়েল ইনজেক্টর জ্বালানিকে সঠিক পরিমাণে এবং নিখুঁতভাবে সিলিন্ডারে প্রবেশ করায়। এটি আধুনিক গাড়িতে কার্বুরেটরের বিকল্প।

৮. কার্বুরেটর (Carburetor)= পুরাতন গাড়িতে ব্যবহৃত হয়। এটি বায়ু ও জ্বালানির সঠিক অনুপাতে মিশ্রণ তৈরি করে ইঞ্জিনে পাঠায়।

৯. রেডিয়েটর (Radiator)= ইঞ্জিন ঠান্ডা রাখার জন্য রেডিয়েটর খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটি কুল্যান্টের সাহায্যে ইঞ্জিনের অতিরিক্ত তাপ বাইরে বের করে দেয়।

১০. ওয়াটার পাম্প (Water Pump)= ওয়াটার পাম্প কুল্যান্টকে ইঞ্জিনের ভেতরে প্রবাহিত করে, যাতে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে।

১১. টাইমিং বেল্ট / চেইন (Timing Belt / Chain)=ক্যামশ্যাফট ও ক্র্যাংকশ্যাফটকে সঠিক সময়ে ঘোরানোর দায়িত্ব পালন করে টাইমিং বেল্ট বা চেইন। যদি এটি ছিঁড়ে যায়, তাহলে ইঞ্জিনের বড় ক্ষতি হতে পারে।

১২. অয়েল পাম্প (Oil Pump)=ইঞ্জিন অয়েলকে প্রতিটি চলমান অংশে সরবরাহ করে। এটি ইঞ্জিনকে লুব্রিকেট করে ঘর্ষণ কমায় ও তাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

১৩. এয়ার ফিল্টার (Air Filter)= বাইরের বাতাসে থাকা ধুলো ও ময়লা পরিশোধন করে ইঞ্জিনে পরিষ্কার বাতাস সরবরাহ করে।

১৪. এক্সহস্ট ম্যানিফোল্ড (Exhaust Manifold)= দাহ্য গ্যাসগুলোকে একত্র করে এগুলো এক্সহস্ট পাইপে পাঠায় এবং বাইরে বের করে দেয়।

১৫. ইঞ্জিন কন্ট্রোল ইউনিট (ECU)= এটি একটি কম্পিউটার ইউনিট যা ইঞ্জিনের বিভিন্ন সেন্সর থেকে ডেটা নিয়ে পুরো ইঞ্জিন পরিচালনা করে।

• কেন এইসব পার্টস সম্পর্কে জানা জরুরি?

অনেক সময় ইঞ্জিনে সামান্য সমস্যা দেখা দিলেও আমরা গুরুত্ব দেই না। কিন্তু যদি আপনি জানেন কোন পার্টস কী কাজ করে, তাহলে প্রাথমিক সমস্যা আপনি নিজেই চিহ্নিত করতে পারবেন। এতে সময় ও খরচ দুই-ই বাঁচে।

• ইঞ্জিন রক্ষণাবেক্ষণের টিপস:

প্রতি ১হাজার থেকে ১৫শত ঘন্টাপর ইঞ্জিন অয়েল পরিবর্তন করুন।নিয়মিত এয়ার ফিল্টার পরিষ্কার বা পরিবর্তন করুন। কুল্যান্টের স্তর পর্যবেক্ষণ করুন। টাইমিং বেল্ট বা চেইনের অবস্থা চেক করুন। ECU ত্রুটি দেখালে অবহেলা না করে মেকানিক দেখান।

ইনকোটার্মস ২০২০: রপ্তানি-আমদানি ব্যবসায় আপনার অবশ্যই জানা উচিত!আপনি যদি রপ্তানি-আমদানি ব্যবসায় থাকেন, তাহলে ইনকোটার্মস...
05/04/2025

ইনকোটার্মস ২০২০: রপ্তানি-আমদানি ব্যবসায় আপনার অবশ্যই জানা উচিত!

আপনি যদি রপ্তানি-আমদানি ব্যবসায় থাকেন, তাহলে ইনকোটার্মস ২০২০ (Incoterms 2020) সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকা জরুরি। ইনকোটার্মস হলো আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত বাণিজ্যিক শর্তাবলী, যা ক্রেতা ও বিক্রেতার দায়িত্ব নির্ধারণ করে—শিপমেন্ট, ইন্স্যুরেন্স, কাস্টমস ডিউটি এবং ঝুঁকি কার উপর পড়বে, তা নির্ধারণ করে দেয়।

✨ ইনকোটার্মস ২০২০-এর প্রকারভেদ

১️⃣ যেকোনো পরিবহন ব্যবস্থার জন্য প্রযোজ্য

✅ EXW (Ex Works): বিক্রেতা তার প্রাঙ্গণে পণ্য সরবরাহ করবে, ক্রেতা পুরো দায়িত্ব নেবে।
✅ FCA (Free Carrier): বিক্রেতা ক্রেতার মনোনীত ক্যারিয়ারের কাছে পণ্য সরবরাহ করবে।
✅ CPT (Carriage Paid To): বিক্রেতা পরিবহন ব্যয় বহন করবে, তবে ঝুঁকি হস্তান্তর হবে যখন পণ্য পরিবহনের জন্য দেওয়া হবে।
✅ CIP (Carriage & Insurance Paid To): CPT-এর মতো, তবে বিক্রেতা ইন্স্যুরেন্সও বহন করবে।
✅ DAP (Delivered at Place): বিক্রেতা ক্রেতার নির্ধারিত স্থানে পণ্য পৌঁছে দেবে, তবে আমদানি শুল্ক ক্রেতার।
✅ DPU (Delivered at Place Unloaded): বিক্রেতা পণ্য আনলোড করে ক্রেতার কাছে পৌঁছে দেবে।
✅ DDP (Delivered Duty Paid): বিক্রেতা সব খরচ বহন করবে, এমনকি আমদানি শুল্কও।

২️⃣ শুধুমাত্র সমুদ্র ও অভ্যন্তরীণ জলপথের জন্য

⚓ FAS (Free Alongside Ship): বিক্রেতা পণ্য জাহাজের পাশে সরবরাহ করবে; ক্রেতা এটি লোড করবে।
⚓ FOB (Free On Board): বিক্রেতা জাহাজে পণ্য লোড করবে; ঝুঁকি তখনই ক্রেতার উপর স্থানান্তর হবে।
⚓ CFR (Cost and Freight): বিক্রেতা পরিবহন খরচ বহন করবে, তবে ইন্স্যুরেন্স নয়।
⚓ CIF (Cost, Insurance & Freight): বিক্রেতা পরিবহন ও ইন্স্যুরেন্স ব্যয় বহন করবে, কিন্তু ঝুঁকি পণ্য লোড করার পর স্থানান্তর হবে।

✅ সঠিক ইনকোটার্ম নির্বাচন করলে ব্যবসার ঝুঁকি কমে ও লেনদেন সহজ হয়।

Export Sheba এক্সপোর্ট সেবা We help people to start and grow export. Visit : www.bdexporter.com

আপনার ব্যবসায় কোন ইনকোটার্ম বেশি ব্যবহার করেন? কমেন্টে জানান! ⬇️

Freeboard and Load Line on Ships✅✅1. Freeboard:Freeboard is the vertical distance measured from the waterline to the dec...
01/04/2025

Freeboard and Load Line on Ships✅✅

1. Freeboard:
Freeboard is the vertical distance measured from the waterline to the deck line (usually the upper edge of the main deck at the side of the ship). It ensures a ship has enough reserve buoyancy to remain safe in different loading and weather conditions.

Factors affecting freeboard include:
• Ship’s size, design, and hull shape
• Type of cargo (bulk carriers, tankers, etc.)
• Seasonal and geographical restrictions
• Structural integrity and watertight arrangements

Ships with a higher freeboard have greater reserve buoyancy, making them safer in rough seas.

2. Load Line (Plimsoll Line):
The Load Line is a set of marks on a ship’s hull that indicate the maximum permissible draft (submersion) under different water and seasonal conditions. It prevents overloading and ensures stability and safety at sea.

The standard Load Line Mark consists of:
• A circle with a horizontal line through the center (Plimsoll Mark)
• Various draft lines marked forward of the Plimsoll Mark

Different load lines include:
• TF (Tropical Fresh Water) – Highest load line, for tropical fresh waters
• F (Fresh Water) – For operation in fresh water
• T (Tropical Sea Water) – For warmer seas with lower density
• S (Summer Load Line) – Standard load line for normal sea conditions
• W (Winter Load Line) – Lower than summer, for rougher winter conditions
• WNA (Winter North Atlantic) – Lowest load line, for extreme conditions

Regulations and Enforcement:
• The International Load Line Convention (1966) governs freeboard and load lines, ensuring uniform safety standards worldwide.
• The International Maritime Organization (IMO) enforces these rules through classification societies and flag states.

These regulations help prevent accidents like excessive submersion, loss of stability, and structural failure due to overloading.

🌟✨ Welcome 2025! ✨🌟Rolling into 2025 with HOPE, PEACE, and endless POSSIBILITIES! At HAMS Marine & Logistics, we believe...
31/12/2024

🌟✨ Welcome 2025! ✨🌟

Rolling into 2025 with HOPE, PEACE, and endless POSSIBILITIES!

At HAMS Marine & Logistics, we believe every new year is a chance to dream bigger, aim higher, and drive further. May your 2025 be a road full of smooth journeys, exciting opportunities, and incredible milestones.

Here’s to a year of success, happiness, and boundless horizons for us all! 🌍✨

HAMS Marine & Logistics

বাংলাদেশের সমুদ্রসীমায় এমন একটি জায়গা রয়েছে যেটি দীর্ঘদিন ধরে রহস্যে ঘেরা। এই জায়গাটির নাম Swatch of no-ground ও এটি বঙ্...
12/11/2024

বাংলাদেশের সমুদ্রসীমায় এমন একটি জায়গা রয়েছে যেটি দীর্ঘদিন ধরে রহস্যে ঘেরা। এই জায়গাটির নাম Swatch of no-ground ও এটি বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত একটি আংশিকভাবে সংরক্ষিত জায়গা।

এটি পৃথিবীর বৃহত্তম পানিতে নিমজ্জিত গিরিপথ ও অনেক বিশেষজ্ঞের মতে এটি দ্বিতীয় বৃহত্তম খাদ, অথচ এটির গভীরতা নির্ণয় করা অসম্ভব। এই অঞ্চলে রয়েছে বিলুপ্ত হওয়ার পথে থাকা ডলফিন ও আট ধরণের তিমি মাছ।

ব্রিটিশরা ধারণা করেছিল যে, এটির গভীরতার কোনো সীমা নেই। কেউ কেউ বলেন যে, এই অঞ্চলটিতে ধনরত্নে ভরা কিছু জাহাজ লুকিয়ে রয়েছে! এটি কিন্তু সুন্দরবন থেকে খুব বেশি দূরে নয়, দুবলার-চর দ্বীপ থেকে মাত্র ৩০ কিলোমিটার দূরে।

ঊন মানুষের গল্প -----"দাস এক্সপেরিমেন্ট" নামে একটা জার্মান সিনেমা আছে। বাস্তব ঘটনার ওপর ভিত্তি করে নির্মিত এই সিনেমার গল...
22/09/2024

ঊন মানুষের গল্প -----

"দাস এক্সপেরিমেন্ট" নামে একটা জার্মান সিনেমা আছে। বাস্তব ঘটনার ওপর ভিত্তি করে নির্মিত এই সিনেমার গল্প শুরু হয় কয়েকজন লোক দিয়ে, যারা স্বেচ্ছায় টাকার লোভে সাইকোলজিক্যাল একটা এক্সপেরিমেন্টের জন্য রাজি হয়। তাদের মধ্য থেকে চৌদ্দজন বাছাই করে নেওয়া হয়। চৌদ্দজনকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়। ওদের সময় হচ্ছে পনেরদিন। এই পনেরদিন ওদের একভাগ কারাগারের কয়েদি হিসেবে অভিনয় করবে, বাকিরা থাকবে কারাগারের গার্ড এবং ওদের সবসময় সিসিটিভির মাধ্যমে মনিটর করা হবে। শর্ত ছিল, কোনো গার্ড কোনো কয়েদিকে শারীরিক আঘাত করতে পারবে না। কোনোরকম ভায়োলেন্স এলাউড না। প্রথম প্রথম ঠিকঠাক থাকলেও কিছুটা সময় যাওয়ার পর গার্ডরা কয়েদিদের ওপর ক্ষমতা প্রয়োগ করা শুরু করে। সিনেমার শেষদিকে পুরো এক্সপেরিমেন্টেরই বারোটা বেজে যায়।

লক্ষ্য করুন, ওরা জানে ওরা আসল গার্ড নয়। যারা কারাগারে বন্দি, ওরাও প্রকৃত বন্দি নয়। ওদের শুধু অভিনয় করতে বলা হয়েছে। কয়েকটা দিন। অথচ বাহাত্তর ঘন্টা পার হওয়ার আগে শুধুমাত্র বন্দিদের ওপর নিজেদের ক্ষমতা জাহির করার জন্য ওরা কারাগারের লাইট অফ করে, গ্যাস ছেড়ে, কয়েদিদের জামা কাপড় খুলে ন্যাংটো করে, শোবার একমাত্র বিছানাটাও বের করে নেয় যাতে কেউ ঘুমাতে না পারে। শুধু তাই না, সময় গড়ানোর সাথে সাথে কয়েদি একজনকে গোপনে হাত পা বেঁধে অত্যাচার করে, মুখের ওপর প্রস্রাব করে, এক তরুণীকে ধ র্ষ ণে র চেষ্টা করে এবং একজনকে হ ত্যাও করে।

মারিয়া আব্রামোভিচ উনিশশো চুয়াত্তর সালে তর্কসাপেক্ষে পৃথিবীর সবচেয়ে ভয়ংকর সত্যের মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছিলেন মানুষকে, একটা এক্সপেরিমেন্ট দিয়ে। ঐ এক্সপেরিমেন্টের নাম ছিল, রিদম জিরো। লোকজনে ভর্তি একটা রুমের ভেতর মারিয়া স্ট্যাচুর মতোন দাঁড়িয়েছিলেন। সামনে টেবিলে রাখা ছিল বাহাত্তরটা অপ্রাসঙ্গিক অগুরুত্বপূর্ণ একে অপরের সঙ্গে সম্পর্কহীন কিছু জিনিসপত্র। লিপস্টিক, রুটি, ছুরি, কাঁচি, পিস্তল, গোলাপফুল সহ অনেক কিছু। বলা হয়েছিল, রাত আট’টা থেকে দু’টো পর্যন্ত ছয় ঘণ্টা মানুষ যা ইচ্ছে তা করতে পারবে তাঁর সঙ্গে। অনুমতিপত্রে স্বাক্ষর ছিল মারিয়ার। প্রথম আড়াই-তিন ঘণ্টা মারিয়াকে ফুল দিয়েছিল মানুষ। চুল আঁচড়ে দিয়েছিল। ভালোবেসেছিল। যতই সময় গড়ালো, ততই ওরা হিংস্র হয়ে উঠল। শেষ দুই ঘণ্টায় মারিয়াকে থাপ্পড় মারা হয়, পরনের জামা ছিঁড়ে নগ্ন করে দেওয়া হয়, ছুরি দিয়ে আঘাত করা হয়, এমনকি শেষদিকে একজন পিস্তল নিয়ে মারিয়ার গলায় ঠেসে ধরে ট্রিগার টানতে যাচ্ছিল প্রায়।

মারিয়া ওদের কোনো ক্ষতি করেছিল? ওদের কারোর জায়গা জমি নিজের বলে দাবী করেছিল? ওদের কাউকে থুথু মেরেছিল? লাথি দিয়েছিল? প্রতারণা করেছিল? মারিয়া ওদের কাউকে চেনেও না। কিন্তু ওরা মারিয়াকে থাপ্পড় মে রে ছি ল, থুথু ছিটিয়েছিল গায়ে, জামা কাপড় ছিঁড়ে নিয়েছিল, আঘাত করেছিল অনর্গল। এক্সপেরিমেন্ট শেষে মারিয়া যখন হেঁটে সামনে যাচ্ছিল, তখন তাকে আঘাত করা একটা মানুষও চোখের দিকে তাকাতে পারেনি তাঁর। লজ্জায়।

ইসলাম ধর্ম অনুযায়ী পৃথিবীর প্রথম হ ত্যা কারীর নাম কাবিল। তিনি হত্যা করেছিলেন নিজ ভাই হাবিলকে। কারণ, হাবিলের কোরবানী আল্লাহ কবুল করেছিলেন, তার কোরবানী কবুল করেননি। মানুষ সম্পর্কে একটু পড়াশোনা করলে আপনি জানবেন, মানুষ অন্যকে ঘৃণা করে, অপছন্দ করে, হত্যা করে নানান কারণে। তার মগজ বেশী, আমার কম কেন? তার বুদ্ধি বেশী, আমার কম কেন? তার অর্থ বেশী, আমার কম কেন? তার সম্মান বেশী, আমার কম কেন?

দাস এক্সপেরিমেন্ট কিংবা রিদম জিরো আপনাকে জানাবে, একটা মানুষের আরেকটা মানুষকে ঘৃণা, অপছন্দ, হ ত্যা করতে আসলে কোনো কারণই লাগে না। মানুষ কোনোরকম কারণ ছাড়াই আরেকটা মানুষকে অপছন্দ করে, ঘৃণা করে, হ ত্যা করে। কেননা মানুষের স্বভাবই অমন। মানুষ কোনোদিনই শান্তিকামী ছিল না, নয় এবং থাকবেও না। এরা সবসময়ই হিংস্র, লোভী, বর্বর, অমানবিক ও ভণ্ড। সুযোগের অভাবে তাই সবাই মানুষ!!

©️

Type of Dockডকের প্রকারভেদসাধারণত, ডক দুটি বিভাগে শ্রেণীবদ্ধ করা হয়-ভেজা ডক এবং ড্রাই ডক।★ভেজা ডক নাম থেকে বোঝা যায়, ভ...
01/05/2024

Type of Dock
ডকের প্রকারভেদ

সাধারণত, ডক দুটি বিভাগে শ্রেণীবদ্ধ করা হয়-
ভেজা ডক এবং ড্রাই ডক।

★ভেজা ডক
নাম থেকে বোঝা যায়, ভেজা ডকগুলি হল সেইগুলি যেগুলিতে পানির গেট দ্বারা বেষ্টিত থাকে, যাতে বিভিন্ন জোয়ারের রেঞ্জের অঞ্চলে ভাটা থাকলে জাহাজগুলি ভেসে থাকতে পারে। ভেজা ডকগুলি জোয়ারের বৃদ্ধি এবং পতন সত্ত্বেও পানির স্তর বজায় রাখতে সহায়তা করে। এই ডকগুলি মসৃণ ব্যবসায়িক ক্রিয়াকলাপ যেমন কার্গো হ্যান্ডলিং, বার্থিং ইত্যাদির জন্য ব্যাবহৃত হয়। এগুলিকে বন্দর ডকও বলা হয়।

প্রাচীনতম ভেজা ডকটি 1703 সালে টেমসের উপর নির্মিত হয়েছিল, যা হাওল্যান্ড গ্রেট ডক নামে পরিচিত কিন্তু এটি প্রয়োজনীয় বন্দর সুবিধাবঞ্চিত ছিল। ওল্ড ডক নামে পরিচিত প্রথম বাণিজ্যিক ভেজা ডকটি 1715 সালে লিভারপুলে নির্মিত হয়েছিল, যেখানে অসংখ্য গুদাম এবং প্রায় 90 থেকে 100টি সমুদ্রগামী জাহাজ থাকার ক্ষমতা ছিল। আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক বাণিজ্য পরিচালনার জন্য ভেজা ডকগুলি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক সম্পদ।

★শুকনো ডক

একটি শুষ্ক ডক হল পানির স্তর নিয়ন্ত্রণের জন্য গেটগুলির সাথে একটি অনুরূপ কাঠামো, তবে, জাহাজগুলি পরীক্ষা করার জন্য, জাহাজের মেরামত, রক্ষণাবেক্ষণ এবং নির্মাণের জন্য ঘেরা পানি নিষ্কাশন করা যেতে পারে।

বর্তমানে ব্যবহৃত বিশ্বের প্রাচীনতম ড্রাই ডকটি ইংল্যান্ডের হেনরি সপ্তম এর সময় 1495 সালে এইচএমএনবি পোর্টসমাউথে নির্মিত হয়েছিল।

পৃথিবীতে ৫ ধরণের শুকনো ডক রয়েছে:

★গ্রেভিং ডক-
এটি এক ধরনের শুষ্ক ডক যার মধ্যে কাঠামোর মতো বিষণ্ন বগি রয়েছে, যার সাথে দেয়াল এবং একটি পাকা মেঝে রয়েছে। বগির খোলা দিকটি একটি খোলার গেট যা ডকের প্রবেশদ্বার দিয়ে যুক্ত করা হয়েছে।

★ফ্লোটিং ড্রাই ডক-
এটি একটি নিমজ্জনযোগ্য নির্মাণ যা পানি থেকে জাহাজটিকে উপরে উঠাতে পারে এবং এর উচ্ছল প্রকৃতির কারণে এটিকে ভাসিয়ে রাখতে পারে। এই ধরনের শুকনো ডক ইস্পাত দিয়ে তৈরি এবং একটি ফাঁপা অভ্যন্তর রয়েছে। এটি দুটি দেয়াল এবং একটি খোলা মেঝে নিয়ে গঠিত।

যখন একটি জাহাজ মেরামত করার প্রয়োজন হয়, তখন এই ডকটি ভিতরের বগিগুলিতে পানি ছেড়ে দিয়ে পর্যাপ্ত পানির গভীরতায় নিমজ্জিত হতে পারে। ব্যালাস্টিং নামেও পরিচিত, এই প্রক্রিয়াটি নিরাপদ বার্থিংয়ে সহায়তা করে। জাহাজটি বার্থ করার পরে, একটি শক্তিশালী পাম্প ব্যবহার করে বগি থেকে পানি টেনে জাহাজের সাথে ডকটি তোলা হয়।

★ রেলওয়ে ডক-
এই ধরনের ডকে একটি বাঁকানো কাঠামো থাকে যা উপকূল থেকে পানির মধ্যে প্রসারিত হয়, কয়েকটি গাড়ী থাকে যাতে জাহাজগুলিকে বোঝাই করা হয় এবং তারপরে একটি স্লিপে নিয়ে যাওয়া হয়। এটি মেরামতের উদ্দেশ্যে পানি থেকে একটি জাহাজ উত্তোলন করা হয়। এই ডকের স্লিপওয়ে এবং গাড়ী স্টিলের তৈরি, ঝুঁকে থাকা সমতলে চলাফেরা করা যায়। এটা রোলার দ্বারা সমর্থিত, ট্র্যাক উপরে বসানো।

★লিফ্ট ড্রাই ডক-
এই ধরনের শুষ্ক ডক হল একটি চলমান কাঠামো যা জলমগ্ন এবং পানিবাহী শক্তি ব্যবহার করে পানি থেকে উঠানো যায়।

★শিপ লিফ্ট ড্রাই ডক-
এই ডকটি বৈদ্যুতিক বা হাইড্রোলিক শক্তি ব্যবহার করে জাহাজগুলিকে পানি থেকে তুলে নেওয়ার জন্য ব্যাবহার করা হয় । এই ডকগুলি জাহাজগুলিকে শুকনো ডকিং এবং পানিতে ফেলার জন্য নিযুক্ত করা হয়। এই ডকটি দ্রুত বার্থিং এবং একাধিক জাহাজ ডক করা যায়।

Address

48 Strand Road
Chittagong
4100

Telephone

+8801912578625

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when HAMS Marine & Logistics posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to HAMS Marine & Logistics:

Share