প্রিয় চট্টগ্রাম

প্রিয় চট্টগ্রাম চট্টগাম ভিত্তিক ভ্রমন গাইড

চট্টগ্রামের প্রকৃত সৌন্দর্য তুলে ধরতে ও ভ্রমনপিপাসুদের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেয়ার উদেশ্যে আমরা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন জায়গা থেকে ছবি আর তথ্য সংগ্রহ করে থাকি। আমাদের কেবল একটাই উদ্দেশ্য প্রানের প্রিয় এই সুন্দর চট্টগ্রামকে সবার সামনে সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করা।

19/07/2024

The country Bangladesh 🇧🇩 is currently experiencing a complete blackout, with no internet or mobile networks, leaving its people isolated and helpless. The ruling Bangladeshi government, having forcefully and illegally acquired power, is acting with complete disregard for its citizens. Armed forces are being deployed to kill students and other civilians in broad daylight. This regime seems willing to sacrifice half the population to maintain its grip on power. We desperately need the international community to take notice and intervene to restore basic human rights and safety for all Bangladeshis. Please, stand with us in this critical time.

19/07/2024

The government of Bangladesh has shut down the internet. We urgently need / spacex.com to help us stay connected and safe.

নিষিদ্ধ হচ্ছে সেন্টমার্টিনে রাত্রিযাপন২০১৯ সালের ১ মার্চ থেকে সেন্টমার্টিনে রাত্রিযাপন নিষিদ্ধ করা হচ্ছে। পর্যটকরা শুধুম...
03/11/2018

নিষিদ্ধ হচ্ছে সেন্টমার্টিনে রাত্রিযাপন

২০১৯ সালের ১ মার্চ থেকে সেন্টমার্টিনে রাত্রিযাপন নিষিদ্ধ করা হচ্ছে। পর্যটকরা শুধুমাত্র দিনের বেলায় দ্বীপটি ঘুরে দেখার সুযোগ পাবেন। সেন্টমার্টিন দ্বীপ রক্ষায় গঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটি এ সিদ্ধান্ত এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

এ প্রসঙ্গে আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটি একটি বিবৃতি পত্র জারি করেছে। ওই বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের একমাত্র এই প্রবাল দ্বীপটির জীববৈচিত্র্য টিকিয়ে রাখার জন্য এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এজন্য চলতি বছরের ২৩ সেপ্টেম্বর ছেঁড়া দ্বীপ ও গলাচিপা অংশে পর্যটকদের প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

এর আগে ৯ সেপ্টেম্বর পরিবেশ অধিদফতর আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় সেন্টমার্টিন দ্বীপের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য ধ্বংসের নিয়ে ডকুমেন্টরি প্রদর্শন করে। এরপরই আন্ত্রঃমন্ত্রণালয় কমিটি এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।

ইকোপার্ক ও বোটানিকেল গার্ডেনচট্টগ্রাম জেলার সীতাকুণ্ড উপজেলার ঐতিহ্যবাহী চন্দ্রনাথ রির্জাভ ফরেস্ট ব্লকের প্রাকৃতিক সৌন্দ...
27/10/2018

ইকোপার্ক ও বোটানিকেল গার্ডেন
চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুণ্ড উপজেলার ঐতিহ্যবাহী চন্দ্রনাথ রির্জাভ ফরেস্ট ব্লকের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে সুশোভিত চিরসবুজ বনাঞ্চলে বোটানিক্যাল গার্ডেন ও ইকোপার্ক অবস্থিত। এটি চট্টগ্রাম শহর থেকে ৩৫ কি.মি. উত্তরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক এবং রেলপথের পূর্ব পাশে অবস্থিত।
চট্টগ্রাম শহর হতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ধরে এগুতে থাকলে প্রথমে পাহাড়তলী এবং তারপর একে একে কাট্টলী, সিটি তোরন, কুমিরা বাড়বকুন্ড অতিক্রম করতে করতে পূর্ব পাশে চোখে পড়বে সুউচ্চ পাহাড়ের উপর চন্দ্রনাথ মন্দির, যার পাদদেশে অবস্থিত বোটানিক্যাল গার্ডেন ও ইকোপার্ক। সীতাকুণ্ড উপজেলা সদর থেকে ২ কি.মি. দক্ষিণে ফকিরহাট বাজার সংলগ্ন মহাসড়কের পূর্ব পাশে রঙ্গিন ফটক সহ সাইনবোর্ড ইকোপার্কের দিক নির্দেশনা দেয়।

ইকোপার্কে প্রবেশের সাথে সাথে আপনি একটি বড় ডিসপ্লে ম্যাপ দেখতে পাবেন, যার মাধ্যমে আপনি ইকোপার্ক সম্পর্কে সম্পূর্ণ ধারনা পাবেন। এ স্থান থেকে চন্দ্রনাথ মন্দিরের দূরত্ব প্রায় ৫ কি.মি., আপনি পায়ে হেঁ‌টে অথবা জীপ, মাইক্রোতে চড়ে সেখানে যেতে পারবেন। যে সকল ভ্রমনকারী প্রকৃতিকে ভালবাসেন প্রকৃতিকে খুব কাছের থেকে উপভোগ করতে চান তারা অবশ্যই সীতাকুণ্ডে ইকো পার্ক এ আসতে হবে।


উঁচুনিচু নির্জন পাহাড়, হরিণ, ভালুক, বানর, খরগোশ এবং হনুমান সহ বিভিন্ন বন্যপ্রাণীর সমাহার, পাখ পাখালীর কলরব, প্রাকৃতিক ঝর্ণা, চিরসবুজ বৃক্ষরাজি সমৃদ্ধ ইকোপার্ক খুবই মনমুগ্ধকর।সন্ধায় পশ্চিম আকাশে সূর্য যখন গোধূলীর রক্তিম আভা তৈরী করে ইকোপার্কে তখন এক নৈসর্গিক পরিবেশের সৃষ্টি করে।

বোটানিক্যাল গার্ডেন ও ইকোপার্কের প্রধান ফটকের ভিতরে ডান পাশে রয়েছে বোটানিক্যাল গার্ডেন ও ইকোপার্কের প্রধান নার্সারী এবং তার অফিস।এই নার্সারীতেই আছে দেশ-বিদেশের নানা প্রচলিত ও বিলুপ্ত প্রজাতীর ফুল, ফল ও ঔষধি গাছ যেমন – অর্জুন, তেলসুর, চাপালিস, চুন্দুল, করই, জারুল, তুন, জাম, জলপাই সহ আরো অনেক।

বোটানিক্যাল গার্ডেনে একটি চমৎকার অর্কিড হাউসও আছে।এখানে দেশী-বিদেশী বিভিন্ন প্রজাতীর প্রায় ৫০ ধরনের অর্কিড আছে।ইকো পার্কের ভিতরেই একটা ওয়াচ টাওয়ার আছে সেখান থেকে অনেক দুর পযর্ন্ত দেখা যায়। সীতাকুণ্ড ইকো পার্ক অপরূপ প্রাকৃতিক সৌর্ন্দয্যের লীলাভূমি ।এই এলাকা বিভিন্ন ধরনের গাছ, বুনফুল এবং গুল্মলতায় পরিপূর্ণ। সারা বছর জুড়েই অসংখ্য দেশী-বিদেশী পর্যটকদের আনাগোনায় এই স্থানটি মুখরিত থাকে।


পিকনিক কর্ণার: বোটানিক্যাল গার্ডেন ও ইকোপার্কে খাবার পানি, রেষ্টহাউস এবং টয়লেট সহ পিকনিকের সকল সুযোগ সুবিধা বিদ্যামান।

সহস্রধারা ও সুপ্তধারা জলপ্রপাতঃ এই চন্দ্রনাথ রিজার্ভ ফরেষ্ট এলাকায় অনেক ছোট-বড় ঝর্ণা আছে।এই সকল ঝর্ণার মধ্যে বোটানিক্যাল গার্ডেন ও ইকোপার্ক এলাকার মধ্যে দুটো ঝর্ণা রয়েছে।ঝর্ণা দুটি সহস্রধারা ও সুপ্তধারা নামে পরিচিত।সহস্রধারা থেকে অবিরত পানি ঝরছে।কিন্তু সুপ্তধারা থেকে শীতকালে খুব কম পরিমান পানি ঝরে, তবে বর্ষাকালে এগুলো তাদের পরিপূর্ণ ধারায় আবর্তিত হয়।এখানে বলে রাখা ভাল এই সহস্রধারা ঝর্ণা সীতাকুণ্ডের ঐতিহ্যবাহী এবং ধর্মীয় তীর্থস্থান সহস্রধারা নয়।


কিভাবে যাবেনঃ

সড়ক পথেঃ

ঢাকা থেকেঃ বিআরটিসি এর বাসগুলো ছাড়ে ঢাকা কমলাপুর টার্মিনাল থেকে।আর অন্যান্য এসি, ননএসি বাস গুলো ছাড়ে সায়দাবাদ বাস ষ্টেশন থেকে। আরামদায়ক এবং নির্ভর যোগ্য সার্ভিস গুলো হল এস.আলম ও সৌদিয়া, গ্রীনলাইন, সিল্ক লাইন, সোহাগ, বাগদাদ এক্সপ্রেস, ইউনিক প্রভূতি। সবগুলো বাসই সীতাকুণ্ডে থামে। সীতাকুন্ড বাস স্ট্যান্ড থেকে মাত্র ২ কিঃমিঃ দক্ষিণে ফকিরহাট নামক স্থান দিয়ে এ পার্কে প্রবেশ করতে হয়।

চট্টগ্রাম থেকেঃ

ঢাকা সহ দেশের বিভিন্ন জেলায় যাওয়ার বাসগুলো অলঙ্কার,একেখান, কর্ণেলহাট বাস ষ্টেশন থেকে ছাড়ে। আর জেলার অভ্যন্তরের বিভিন্ন রুটের বাসগুলো মাদারবাড়ী, কদমতলী বাসষ্টেশন থেকে ছাড়ে। চট্টগ্রাম থেকে সীতাকুণ্ডে আসতে হলে জেলার আভ্যন্তরীন রুটের বাস গুলোতে ভ্রমণ করতে হবে। তা ছাড়াও অলঙ্কার থেকে কিছু ছোট গাড়ী ছাড়ে ( স্থানী ভাবে মেক্সী নামে পরিচিত) সেগুলো করেও আসা যাবে ফকিরহাট নামক স্থানে।



রেলপথেঃ

ঢাকা থেকেঃ
ঢাকা থেকে ছেড়েঁ আসা দ্রুতগামী ট্রেন “ঢাকা মেইল”-ই শুধু সীতাকুণ্ডে থামে, এটি ঢাকা থেকে ছাড়ে রাত ১১টায় এবং সীতাকুণ্ডে পৌঁছে পরদিন সকাল ৬.৩০ থেকে ৭টায়। অন্যান্য আন্তঃ নগর ট্রেন গুলো সরাসরি চট্টগ্রামে চলে যায়। শুধুমাত্র শিবর্তুদশী মেলার সময় সীতাকুণ্ডে থামে।

চট্টগ্রাম থেকেঃ

চট্টগ্রাম থেকে ৪টি আন্ত নগর ট্রেন ঢাকার উদ্দেশ্যে ছাড়ে (সকাল ৭টা, ৭.১৫ মিনিট, দুপুর ২টায় এবং রাত ১১টায়)। টিকেট অবশ্যই ২-৩দিন আগে সংগ্রহ করতে হয়। চট্টগ্রাম থেকে কিছু লোকাল ট্রেনও ছাড়ে যেগুলো করে সীতাকুণ্ডে আসা যায়, এগুলো ভোর ৫টায়, সকাল ৮টায়, ৯টায়, দুপুর ২টায় এবং সন্ধ্যা ৭টা ৩০মিনিটে,এগুলোর সময়সূচী পরিবর্তনশীল।
আকাশ পথঃ
ঢাকা থেকে চট্টগ্রামের পথে বিমান বাংলাদেশ এয়ার লাইন্স সহ বিভিন্ন কোম্পানীর ফ্লাইট আছে। ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম আসতে বিমানে ৫০ মিনিট সময় নেয়

নাফাখুম  জলপ্রপাত’ বান্দরবন,চট্টগ্রাম।========================আশ্চর্য সুন্দর এক জলপ্রপাত, যার নাম ‘নাফাখুম’। রেমাক্রি খা...
22/10/2018

নাফাখুম জলপ্রপাত’ বান্দরবন,চট্টগ্রাম।
========================
আশ্চর্য সুন্দর এক জলপ্রপাত, যার নাম ‘নাফাখুম’। রেমাক্রি খালের পানি প্রবাহ এই নাফাখুমে এসে বাঁক খেয়ে হঠাৎ করেই নেমে গেছে প্রায় ২৫-৩০ ফুট….প্রকৃতির খেয়ালে সৃষ্টি হয়েছে চমৎকার এক জলপ্রপাত! সূর্যের আলোয় যেখানে নিত্য খেলা করে বর্ণিল রংধনু! ভরা বর্ষায় রেমাক্রি খালের জলপ্রবাহ নিতান্ত কম নয়… প্রায় যেন উজানের সাঙ্গু নদীর মতই। পানি প্রবাহের ভলিউমের দিক থেকে সম্ভবতঃ নাফাখুম-ই বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় জলপ্রপাত।

প্রথমেই আপনাকে যে কোন স্থান হতে গিয়ে পৌছতে হবে বান্দরবন। বান্দরবন হতে যেতে হবে থানচি। বান্দরবানের থানচি ইউনিয়নের মধ্যে পরে তিন্দু, রেমাক্রি। পাথুরে নদীর পাশ ঘেষে গেছে এই যায়গাগুলি। নাফাখুম এ একটি ঝরনা আছে, এটা রেমাক্রি তে। থানচি থেকে নৌকা নিয়ে তিন্দু, রেমাক্রি যেতে হয়। এখন এই ছোট্ট ভূ-স্বর্গ টাকে দেখে আসুন। আর সঙ্গে নিন মশা যাতে না কামড়ায় সে জন্য মলম অডোমাস, বর্ষাতি, ছাতা, পর্যাপ্ত টয়লেট টিস্যু, হাফ বা থ্রি কোয়ার্টার প্যান্ট, পিচ্ছিল পথে হাঁটার উপযোগী স্যান্ডেল, টুকটাক ওষুধ, বারান্দাওয়ালা টুপি, টি-শার্ট, তিনদিকে সেলাই করা বিছানার চাদর (ঘুমানোর জন্য), টর্চলাইট, হেডল্যাম্প, এমনকি ক্যামেরার জন্য পানি নিরোধক ব্যাগ।

মুহুরী প্রকল্প======ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মিরসরাইয়ের জোরারগঞ্জ বাজার থেকে ১২ কিলোমিটার পশ্চিমে মুহুরী সেচ প্রকল্প (ফ...
13/02/2018

মুহুরী প্রকল্প
======

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মিরসরাইয়ের জোরারগঞ্জ বাজার থেকে ১২ কিলোমিটার পশ্চিমে মুহুরী সেচ প্রকল্প (ফেনীর দিক থেকেও মুহুরী প্রকল্পে যাওয়া যায়)।. চট্টগ্রাম জেলার মিরসরাই উপজেলার কিয়দাংশ এবং ফেনী জেলার ফেনী, সোনাগাজী, ছাগলনাইয়া, ফুলগাজী ও পরশুরাম উপজেলার কিয়দাংশের সর্বমোট ৪০,০৮০ হেক্টর জায়গা জুড়ে এই প্রকল্পের অবস্থান। ১৯৭৭-৭৮ অর্থবছর থেকে শুরু হয়ে ১৯৮৫-৮৬ অর্থবছরে এই প্রকল্পের কাজ শেষ হয়। এতে ব্যয় হয় প্রায় ১৫৬ কোটি ৮৬ লক্ষ টাকা। এই প্রকল্পের মাধ্যমে বার্ষিক ৭৫,০০০ মেট্রিক টন ফসল উৎপাদন হয়। এই মুহুরী প্রকল্প এখন বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় মৎস্য জোন হিসেবে পরিচিত। এককথায় বলা যায় বাংলাদেশে মৎস্য চাষে বিপ্লব ঘটিয়েছে এই প্রকল্প। দেশের অনেক নামিদামি প্রতিষ্ঠান বাণিজ্যিকভাবে এখানে মৎস্য প্রকল্প গড়ে তুলেছে; বসুন্ধরা গ্রুপ, মেরিডিয়ান গ্রুপ, ক্লিফটন গ্রুপ, আবুল খায়ের কোম্পানি, রিঙ্কু ফিশ প্রজেক্ট সহ প্রায় দুই হাজার মৎস্য প্রকল্প রয়েছে এখানে। বছরে মত্স্য চাষ থেকে আয় হয় প্রায় ৪০০ কোটি টাকা।

খুবই সুন্দর একটা জায়গা এই মুহুরী প্রকল্প। যারা চট্টগ্রামের নেভালে গিয়েছেন মুহুরী প্রকল্পের প্রবেশদ্বার অনেকটা চট্টগ্রামের নেভালের মত দেখতে। এখানে এলে আপনি দেখতে পাবেন উইন্ড মিল, যা দেশে প্রথম নির্মিত। এই প্রকল্পের আওতাধীন যে বাঁধটি রয়েছে তা ফেনী নদীর উপর দিয়ে নির্মিত হয়েছে। বাঁধের একপাশে দেখতে পাবেন ভরা নদী আর অন্য পাশে দেখতে পাবেন প্রায় পানি শুন্য নদী। নদী যাদের কাছে টানে তাদের জন্য অন্যতম একটা প্রিয় জায়গা হতে পারে এটি। নৌকা করে নদীতে ঘুরে বেড়াতে পারেন চাইলে। শীত মৌসুমে মুহুরী প্রকল্পের অন্যতম আকর্ষণ সাইবেরিয়ার অতিথি পাখি।

তাজিংডং বা বিজয় রুমা চট্টগ্রাম=================দেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ তাজিংডং বা বিজয়। এটির উচ্চতা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে...
12/02/2018

তাজিংডং বা বিজয় রুমা চট্টগ্রাম
=================

দেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ তাজিংডং বা বিজয়। এটির উচ্চতা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় সাড়ে ৪ হাজার ফুট। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ চূড়া কেওক্রাডং পাহাড়ের উচ্চতা প্রায় ৪ হাজার ৩৩২ ফুট। দুটি পর্বত শৃঙ্গই রুমা উপজেলায় অবস্থিত। রুমা থেকে তাজিংডং (বিজয়) চূড়ার দূরত্ব প্রায় ২৫ কিলোমিটার এবং কেওক্রাডং পাহাড়ের দূরত্ব রুমা উপজেলা থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার। হেঁটে যেতে হয় পর্বত চূড়াগুলোতে। তবে শুষ্ক মৌসুমে জীপ গাড়িতে করে তাজিংডং চূড়ার কাছাকাছি পৌঁছানো সম্ভব।

আওয়ার লেডি অব দি হলি রোজারিও ক্যাথিড্রাল চার্চ, চট্টগ্রাম====================================চট্টগ্রাম শহরের পাথরঘাটা এল...
27/04/2016

আওয়ার লেডি অব দি হলি রোজারিও ক্যাথিড্রাল চার্চ, চট্টগ্রাম
====================================

চট্টগ্রাম শহরের পাথরঘাটা এলাকার বান্ডেল সড়কে অবস্থিত আওয়ার লেডি অব দি হলি রোজারিও ক্যাথিড্রাল চার্চ। চট্টগ্রাম শহরের অন্যতম প্রধান এ গির্জাটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ১৬০০ সালে। শহরের যে কোনো জায়গা থেকে আটোরিকশায় যাওয়া যায়।

বাটালী হিল=====চট্টগ্রামের মূল কেন্দ্রে অবস্থিত বাটালী হিল। এটি চট্টগ্রাম শহরের সবচেয়ে উচু পাহাড়। উচ্চতা প্রায় ২৮০ ফু...
25/04/2016

বাটালী হিল
=====
চট্টগ্রামের মূল কেন্দ্রে অবস্থিত বাটালী হিল। এটি চট্টগ্রাম শহরের সবচেয়ে উচু পাহাড়। উচ্চতা প্রায় ২৮০ ফুট। মনে মনে ভাবছেন এতে উঠতে চরম কষ্ট করতে হবে। চিন্তার কোনো কারণ নেই, পাহাড়ে উঠার যাদের নূন্যতম অভিজ্ঞতা নেই তারা অনায়াসে বাটালী হিলে উঠতে পারবেন। চট্টগ্রাম শহরের প্রাণ কেন্দ্রের লালখান বাজার এলাকার ইস্পাহানী মোড়ের উত্তরে ফাহিম মিউজিকের পাশ ঘেষে এবং ম্যাজিস্ট্রেট কলোনীর পিছন দিয়ে পিচ ঢালা পথ বেয়ে উপরে দিকে উঠে গেছে বাটালী হিলের রাস্তা। এই বাটালী হিল আবার ‘জিলাপি পাহাড়’ নামেও পরিচিত। এর কারণ হচ্ছে- পাহাড়ে উঠার রাস্তাটি জিলাপির প্যাঁচের মত আঁকা-বাঁকা পথ বেয়ে উপরের দিকে উঠে গেছে, এর ফলে পাহাড়ের চূড়ায় উঠার সময় অন্যরকম একটা চমৎকার অনুভূতি হয়।
কিন্তু লক্ষ্য করার মত একটা ব্যাপার হচ্ছে- প্রাকৃতিক নৈসর্গে ভরা এই চমৎকার পাহাড়টি চট্টগ্রামের মূল কেন্দ্রে অবস্থিত হলেও খোদ চট্টগ্রামের স্থানীয় অনেকেই এর অবস্থান সম্পর্কে জানেননা। এমনকি আমি নিজেও জানতাম না! যদিও আমি ছোট বেলা থেকে এই পাহাড়ের নাম শুনে এসেছি।
সর্বোচ্চ চূড়াটিকে বলা হয়- শতায়ু অঙ্গন। বাটালী হিলের সর্বোচ্চ চূড়ায় উঠলে পুরো চট্টগ্রাম শহর দেখা যায়। সেখানে গিয়ে অনুভব করা যাবে জঙ্গলের মুগ্ধতা। বিগত ২০০৩ সাল থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত বাটালী হিলে বাংলাদেশ পুলিশের সৌজন্যে জলপাই, কাঠাল, কালজাম, লিচু, কমলা, আম, জাফরান, চন্দন, কফি, অর্জুন গাছ সহ বিভিন্ন প্রজাতির প্রায় সাড়ে ১২ হাজার গাছ রোপন করা হয়। উল্লেখ্য, বাটালী হিল বাংলাদেশ সরকারের গণপূর্ত বিভাগের নিজস্ব সম্পত্তি। উক্ত পাহাড়ের বিভিন্ন চূড়ায় গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অফিস ও বেশ কয়েকটি বাংলো রয়েছে।

জব্বাজ্যের বলী==========২৫ এপ্রিল বিকেল সাড়ে তিনটা থেকে লালদীঘি ময়দানে শুরু হবে বলীখেলা। মেলা শুরু, অপেক্ষা বলীখেলারচট্ট...
24/04/2016

জব্বাজ্যের বলী
==========

২৫ এপ্রিল বিকেল সাড়ে তিনটা থেকে লালদীঘি ময়দানে শুরু হবে বলীখেলা। মেলা শুরু, অপেক্ষা বলীখেলার

চট্টগ্রাম: নগরীর কোতোয়ালী মোড় থেকে আন্দরকিল্লা মোড়। ওদিকে লালদীঘি পাড় থেকে সিনেমা প্যালেস মোড় পর্যন্ত। সড়কের এই পুরো জায়গাটা এখন কেবল দোকানিদের দখলে।

হাতপাখা থেকে শীতল পাটি-মাটির কলস, চুড়ি-ফিতা থেকে হাতের কাঁকন-নাকের নোলক, মাটির ব্যাংক থেকে বেতের তৈজসপত্র-খাট, সবিই পাওয়া যাচ্ছে প্রায় দুই কিলোমিটারের এই জায়গাজুড়েই।

আনুষ্ঠানিকভাবে রোববার থেকে শুরু হতে যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী জব্বারের বলীখেলা ও বৈশাখী মেলার ১০৭ তম আসর। তবে শনিবার থেকেই বিভিন্ন পসরা নিয়ে বসে গেছেন দোকানীরা। জমে উঠেছে বেচাকেনাও। রোববার থেকে বাড়বে এই মেলার জায়গার দৈর্ঘ্যও।

মাটির তৈরি বিভিন্ন তৈজসপত্র নিয়ে নিয়ে ঢাকার শাহবাগ থেকে এসেছেন বছর পঞ্চাশের হারুনুর রশিদ। বসেছেন পূবালী ব্যাংক কার্যালয়ের সামনে। গত ৩৫ বছর ধরে জব্বারের বলীখেলা ও বৈশাখী মেলা চলাকালীন এই জায়গাটিই তার নিয়মিত ঠিকানা।

হারুনুর রশিদ বলেন, ‘৩৫ বছর ধরে জব্বারের বলীখেলা আর বৈশাখী মেলা উপলক্ষে এখানে আসছি।বেশ ভালোই ব্যবসা হয়।তাই আগেভাগে চলে আসলাম। ’

মেলা আয়োজক কমিটি ও স্থানীয় কেউ চাঁদা না নিলেও পুলিশ এসে চা-পানির জন্য টাকা চান বলে দাবি করেন হারুনুর রশিদ।

ঢাকার বিক্রমপুর থেকে এসেছেন শরিফুল ইসলাম।তিনিও বিক্রি করছেন মাটির বিভিন্ন তৈজসপত্র। তার মধ্যে মাটির ব্যাংক আর বিভিন্ন খেলনা জিনিসরই আধিক্য বেশি।

শরিফুল ইসলাম বলেন, ‘বেশ কয়েকবছর ধরে এখানে আসতেছি। গত বছর বৃষ্টির কারণে তেমন লাভ করতে পারিনি। ৪৫ হাজার টাকার জিনিসপত্র এনে মাত্র ৫ হাজার টাকা লাভ করতে পেরেছি। ’

শরিফুলের প্রার্থনা এবার অন্তত বৃষ্টিটা না পড়ুক।

হাজারী লেনের সামনে বেতের তৈরি নানা জিনিসপত্রের পসরা নিয়ে বসেছেন হামিদ উল্লাহ। তিনি এসেছেন দেশের একেবারে উত্তর পাশ থেকে। পঞ্চগড় থেকে আসা এই ব্যবসায়ী বলেন, ‘শুনেছি এই বলীখেলা ও মেলা এই অঞ্চলের সবচেয়ে ঐতিহ্যবাহী আয়োজন।এতে ভালো ব্যবসাও হয়। তাই প্রথমবারের মতো চলে আসলাম।দেখি কী হয়।’

এছাড়া শনিবার বিকেলে মেলাস্থল ঘুরে আরও বিভিন্ন রকমের জিনিসপত্রের বিক্রি করতে দেখা গেছে দোকানিদের। নানা জাতের ফুল গাছ, কাঠের তৈরি বিভিন্ন ডিজাইনের খাট, পুতুল, নকশি কাঁথা, প্লাস্টিক সামগ্রী বেশি দেখা গেছে।

দর্শনার্থীরাও আসতে শুরু করেছেন শনিবার থেকে।তবে তাদের অধিকাংশই কেনার চেয়ে জিনিসপত্র পছন্দ করে রাখছেন।

মেলায় তিন সন্তান নিয়ে ঘুরতে এসেছেন গৃহীনি হালিমা বেগম।তিনি বাংলানিউজকে বলেন, ‘জিনিসপত্র দেখে যাচ্ছি। রোববার অথবা সোমবার কিনবো। আর বলীখেলা দেখারও অনেক বেশি আগ্রহ আছে। দেখি দেখতে পারি কিনা।’

বৈশাখী মেলা দাঁড়িয়ে গেছে। তবে মেলার মূল আকর্ষণ বলী খেলা দেখতে আরও বেশ কিছু ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হবে উৎসুক মানুষদের। ২৫ এপ্রিল বিকেল সাড়ে তিনটা থেকে লালদীঘি ময়দানে শুরু হবে বলীখেলা।

এদিকে শনিবার সকালে নগরীর প্রেসক্লাবে বলীখেলা ও বৈশাখী মেলা উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আয়োজক কমিটির সভাপতি জহরলাল হাজারী বলেন, ‘ইতিমধ্যেই সড়কের এক কিলোমিটার জায়গা জুড়ে বৈশাখী মেলার আসর বসে গেছে। রোববার থেকে পুরোদমে জমে উঠবে মেলা। তবে মূল আকর্ষণ বলী খেলা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে ২৫ এপ্রিল বিকেল সাড়ে তিনটায়।খেলায় অংশ নিতে ইতিমধ্যে ১৫০ বলী নিবন্ধন করেছেন। এছাড়া যে কেউ চাইলেই বলী খেলায় অংশ নিতে পারবেন। আমরা আশা করছি ২০০ জন বলী এতে অংশ নেবেন। দেশের ঐতিহ্যবাহী এই লোকজ উৎসব ভালোভাবে সম্পন্ন করতে আমরা সব প্রস্তুতি নিয়েছি।

হালদা নদী=======হালদা নদী বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের একটি নদী। পার্বত্য চট্টগ্রামের বাটনাতলী পাহাড় হতে উৎপন্ন হয়ে ...
23/04/2016

হালদা নদী
=======

হালদা নদী বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের একটি নদী। পার্বত্য চট্টগ্রামের বাটনাতলী পাহাড় হতে উৎপন্ন হয়ে এটি ফটিকছড়ির মধ্য দিয়ে চট্টগ্রাম জেলায় প্রবেশ করেছে। এটি এর পর দক্ষিণ-পশ্চিমে ও পরে দক্ষিণে প্রবাহিত হয়ে ফটিকছড়ির বিবিরহাট, নাজিরহাট, সাত্তারঘাট, ও অন্যান্য অংশ, হাটহাজারী, রাউজান, এবং চট্টগ্রাম শহরের চান্দগাঁও-বাকলিয়ার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। এটি কালুরঘাটের নিকটে কর্ণফুলী নদীর সাথে মিলিত হয়েছে। এর মোট দৈর্ঘ্য ৮১ কিলোমিটার, যার মধ্যে ২৯ কিলোমিটার অংশ সারা বছর বড় নৌকা চলাচলের উপযোগী থাকে। এটি পৃথিবীর একমাত্র জোয়ার-ভাটার নদী যেখানে রুই জাতীয় মাছ ডিম ছাড়ে এবং নিষিক্ত ডিম সংগ্রহ করা হয়। হালদার সাথে বাংলাদেশ এর অন্যান্য নদী যেমন পদ্মা নদী,মেঘনা নদী,যমুনা নদীর সংযোগ না থাকাতে রুই জাতীয় মাছের "জীনগত মজুদ" সম্পূর্ণ অবিকৃত রয়েছে। হালদা নদী কেবল প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ঐতিহ্য নয়, এটি ইউনেস্কোর শর্ত অনুযায়ী বিশ্ব প্রাকৃতিক ঐতিহ্যের ও যোগ্যতা রাখে।

হালদা খালের উৎপত্তি স্থল মানিকছড়ি উপজেলার বাটনাতলী ইউনিয়নের পাহাড়ী গ্রাম সালদা। সালদার পাহাড়ী র্ঝণা থেকে নেমে আসা ছড়া সালদা থেকে হালদা নামকরণ হয়। সালদা নদী নামে বাংলাদেশে আরো একটি নদী আছে যেটি ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য থেকে উৎপন্ন ব্রাহ্মনবাড়িয়া জেলার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।।

প্রতিবছর হালদা নদীতে একটি বিশেষ মূহুর্তে ও বিশেষ পরিবেশে রুই, কাতলা, মৃগেল, কালিবাউস ও কার্প জাতীয় মাতৃমাছ প্রচুর পরিমাণ ডিম ছাড়ে। ডিম ছাড়ার বিশেষ সময়কে "তিথি" বলা হয়ে থাকে। মা মাছেরা এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত শুধু অমাবস্যা বা পূর্ণিমার তিথিতে অনুকূল পরিবেশে ডিম ছাড়ে। ডিম ছাড়ার এই বিশেষ সময়কে স্থানীয়রা "জো" বলে। এই জো এর বৈশিষ্ট্য হচ্ছে অমাবস্যা বা পূর্ণিমা হতে হবে, সেই সাথে প্রচণ্ড বজ্রপাতসহ বৃষ্টিপাত হতে হবে;- এই বৃষ্টিপাত শুধু স্থানীয় ভাবে হলে হবে না, তা নদীর উজানেও হতে হবে। ফলে নদীতে পাহাড়ি ঢলের সৃষ্টি হয়। এতে পানি অত্যন্ত ঘোলা ও খরস্রোতা হয়ে ফেনাকারে প্রবাহিত হয়। জো এর সর্বশেষ বৈশিষ্ট্য হল নদীর জোয়ার-ভাটার জন্য অপেক্ষা করা। পূর্ণ জোয়ারের শেষে অথবা পূর্ণ ভাটার শেষে পানি যখন স্থির হয় তখনই কেবল মা মাছ ডিম ছাড়ে। মা মাছেরা ডিম ছাড়ার আগে পরীক্ষামূলক ভাবে অল্প ডিম ছাড়ে। ডিম ছাড়ার অনুকূল পরিবেশ না পেলে মা মাছ ডিম নিজের দেহের মধ্যে নষ্ট করে দেয়। ডিম সংগ্রহ করে জেলেরা বিভিন্ন বাণিজ্যিক হ্যাচারিতে উচ্চমূল্যে বিক্রি করেন।

হালদা নদী এবং নদীর পানির কিছু বৈশিষ্ট্যের জন্য এখানে মাছ ডিম ছাড়তে আসে যা বাংলাদেশের অন্যান্য নদী থেকে ভিন্নতর। এই বৈশিষ্ট্যগুলো ভৌতিক , রাসায়নিক ও জৈবিক। ভৌতিক কারন গুলোর মধ্যে রয়েছে নদীর বাঁক, অনেকগুলো নিপাতিত পাহাড়ী ঝর্ণা বা ছড়া প্রতিটি পতিত ছড়ার উজানে এক বা একাধিক বিল, নদীর গভীরতা, কম তাপমাত্রা, তীব্র খরস্রোত এবং অতি ঘোলাত্ব । রাসায়নিক কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে কম কন্ডাক্টিভিটি, সহনশীল দ্রবীভুত অক্সিজেন ইত্যাদি । জৈবিক কারণগুলো হচ্ছে বর্ষার সময় প্রথম বর্ষণের পর বিল থাকার কারণে এবং দুকুলের বিস্তীর্ণ অঞ্চল প্লাবিত হয়ে নদীর পানিতে প্রচুর জৈব উপাদানের মিশ্রণের ফলে পর্যাপ্ত খাদ্যের প্রাচুর্য থাকে যা প্রজনন পূর্ব গোনাডের পরিপক্কতায় সাহায্য করে।

অনেকগুলো পাহাড়ী ঝর্ণা বিধৌত পানিতে প্রচুর ম্যাক্রো ও মাইক্রো পুষ্টি উপাদান থাকার ফলে নদীতে পর্যাপ্ত খাদ্যাণুর সৃষ্টি হয়, এই সব বৈশিষ্ট্যগুলোর কারণে হালদা নদীতে অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টির মাধ্যমে রুই জাতীয় মাছকে বর্ষাকালে ডিম ছাড়তে উদ্বুদ্ধ করে যা বাংলাদেশের অন্যান্য নদী থেকে আলাদা।

হালদা নদীর বাঁকগুলোকে "অক্সবো" বাঁক বলে। এদের প্রধান বৈশিষ্ট্য হল পানির প্রচণ্ড ঘূর্ণন যার ফলে গভীর স্থানের সৃষ্টি হয়। স্থানীয় ভাবে গভীর স্থানগুলোকে "কুম" বা "কুয়া" বলা হয়। উজান হতে আসা বিভিন্ন পুষ্টি ও অন্যান্য পদার্থ কুমের মধ্যে এসে জমা হয়। ফলে পানি অতি ঘোলা হয়। মা মাছেরা কুমের মধ্যে আশ্রয় নেয় এবং ডিম ছাড়ে।

Address

Momin Road
Chittagong
4000

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when প্রিয় চট্টগ্রাম posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share