Travel & Tourism BD

Travel & Tourism BD Travel, Tour, Tourism all about details in this page.

সুর্যাস্ত এর সময়ে
24/04/2026

সুর্যাস্ত এর সময়ে

🚨 FLIGHT EXPART ✈️  শত শত কোটি টাকা নিয়ে পালালো❗🤬😪যারা কিছুদিন আগে কম টাকা দেখে টিকেট ক্রয় করেছিল আমি তাদের কথা ভাবছি❗Fl...
02/08/2025

🚨 FLIGHT EXPART ✈️ শত শত কোটি টাকা নিয়ে পালালো❗🤬😪

যারা কিছুদিন আগে কম টাকা দেখে টিকেট ক্রয় করেছিল আমি তাদের কথা ভাবছি❗

Flight Expert এর মালিক গতকাল রাতে দেশ ছেড়েছে। আজ সকাল থেকে ওদের পোর্টাল ডাউন।

কোন দেশে আছি, এই দেশে কাকে বিশ্বাস করবো 💔

🇧🇩 ভারত না গিয়ে একদম কম খরচে চলে আসুন নেপালে! 🏞️নেপাল! আমাদের প্রতিবেশী দেশ, যেখানে কম খরচে আপনি অনুভব করতে পারবেন প্রক...
01/06/2025

🇧🇩 ভারত না গিয়ে একদম কম খরচে চলে আসুন নেপালে! 🏞️

নেপাল! আমাদের প্রতিবেশী দেশ, যেখানে কম খরচে আপনি অনুভব করতে পারবেন প্রকৃতির অনবদ্য সৌন্দর্য, পাহাড়, শান্ত পরিবেশ এবং ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতি। ✨

কেন নেপাল ভ্রমণ করবেন?

🌄 শান্ত নদী, 🏔️ হিমালয় পর্বত, এবং 🏛️ ঐতিহাসিক মন্দিরগুলো—সবকিছু মিলিয়ে নেপাল এক অদ্ভুত সৌন্দর্যের অভয়ারণ্য! কম খরচে ভ্রমণ করতে চান? নেপাল হতে পারে আপনার আদর্শ গন্তব্য! 😍

কিভাবে নেপাল যাবেন?

✈️ ফ্লাইট বুকিং:
ঢাকা থেকে কাঠমান্ডু ফ্লাইটে যেতে খরচ হবে প্রায় ১৫,০০০ থেকে ২০,০০০ টাকা। জনপ্রিয় এয়ারলাইনসগুলোর মধ্যে Biman Bangladesh Airlines, US-Bangla Airlines, এবং Thai Airways রয়েছে।

ফ্লাইট বুকিং ওয়েবসাইট:

www.skyscanner.com

www.gojayan.com

www.biman-airlines.com

কোথায় থাকবেন?

নেপালে থাকার খরচ খুবই কম এবং বাজেট হোটেলগুলোতে থাকলে আপনি ৭০০ থেকে ১৫০০ টাকার মধ্যে রাত কাটাতে পারবেন।

🌟 কিছু জনপ্রিয় হোটেল:

1. Thamel Eco Resort (কাঠমান্ডু)

📍 ঠিকানা: Thamel, Kathmandu

📞 ফোন: +977 1 4250569

💵 খরচ: ৮০০-১২০০ টাকা (প্রতি রাত)

2. Hotel Bright Star (পোখরা)

📍 ঠিকানা: Lakeside, Pokhara

📞 ফোন: +977 61 463080

💵 খরচ: ৭০০-১৫০০ টাকা (প্রতি রাত)

খাবারের খরচ

🍽️ নেপালের খাবারের খরচও খুব সস্তা। আপনি ২০০ থেকে ৫০০ টাকার মধ্যে সুস্বাদু খাবার উপভোগ করতে পারবেন। আর স্ট্রিট ফুড তো আছেই, ১০০-২০০ টাকার মধ্যে স্ন্যাকসও পাওয়া যাবে। 😋

ভ্রমণ স্পট

🎯 কাঠমান্ডু ভ্যালি:
এখানে রয়েছে মন্দির, পুরাতন নগরী এবং ঐতিহ্য।
🎯 পোখরা:
প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, শান্ত হ্রদ এবং পাহাড়ি দৃশ্যের জন্য বিখ্যাত।
🎯 চিতওয়ান:
বন্যপ্রাণী দেখার জন্য সেরা গন্তব্য। 🦁

ভিসা প্রক্রিয়া

বাংলাদেশী নাগরিকদের জন্য নেপাল ভ্রমণের জন্য ভিসা প্রয়োজন। আপনি সহজেই নেপাল দূতাবাসে অথবা অনলাইনে ই-ভিসা আবেদন করতে পারবেন।

নেপাল দূতাবাস, ঢাকা:
📍 ঠিকানা: House No 23, Road 1/A, Gulshan 1, Dhaka, Bangladesh
📞 ফোন: +880 2 881 3245

ই-ভিসার ওয়েবসাইট:
www.online.nepalimmigration.gov.np/tourist

মোট খরচের হিসাব

💰 ফ্লাইট: ১৫,০০০ - ২০,০০০ টাকা
💰 স্ট্যান্ডার্ড হোটেল: ৮০০ - ২০০০ টাকা (প্রতি রাত)
💰 খাবার: ৫০০ - ১০০০ টাকা (প্রতি দিন)
💰 ভ্রমণ স্পট: ১০০০ - ৩,০০০ টাকা

মোট খরচ (৩ দিনের জন্য): ২০,০০০ - ২৫,০০০ টাকা

যোগাযোগ নাম্বার এবং ওয়েবসাইট

📞 নেপাল দূতাবাস (ঢাকা): +880 2 881 3245
📱 ফ্লাইট বুকিং:

www.biman-airlines.com

www.us-banglaairlines.com

www.skyscanner.com

এখন আপনার নেপাল ভ্রমণ পরিকল্পনা শুরু করুন এবং কম খরচে এক সুন্দর অভিজ্ঞতা লাভ করুন! 🌍✈️

চট্টগ্রাম জেলার ১০৬টি দর্শনীয় স্থানঃ 🔵১. পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত২. ফয়েজ লেক৩. মহামায়া লেক৪. চন্দ্ৰনাথ পাহাড় ও মন্দির৫.  ব...
22/04/2025

চট্টগ্রাম জেলার ১০৬টি দর্শনীয় স্থানঃ 🔵
১. পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত
২. ফয়েজ লেক
৩. মহামায়া লেক
৪. চন্দ্ৰনাথ পাহাড় ও মন্দির
৫. বাঁশবাড়িয়া সমুদ্র সৈকত
৬. গুলিয়াখালী সমুদ্র সৈকত
৭. কুমিরা ঘাট
৮. ভাটিয়ারী লেক
৯. বাঁশখালী সমুদ্র সৈকত
১০. সোনাইছড়ি ট্রেইল
১১. সুপ্তধারা ঋণী
১২. নাপিত্তাছড়া ঝর্ণা
১৩. লালদীঘি
১৪. খেজুরতলা বীচ
১৫. আকিলপুর সী-বিচ
১৬. খৈয়াছড়া ঝর্ণা
১৭. ঝরঝরি ঝর্ণা
১৮. কমলদহ ঝর্ণা
১৯. সোনাইছড়া ঝর্ণা
২০. বোয়ালিয়া ঝর্ণা
২১. বাওয়াছড়া লেক
২২. হরিণমারা হাঁটুভাঙ্গা ট্রেইল
২৩. হাজারিখিল অভয়ারণ্য
২৪. বাঁশখালী ইকোপার্ক
২৫. কালুরঘাট ব্রিজ
২৬. চট্টগ্রাম ওয়ার সিমেট্রি
২৭. বেলগাঁও চা বাগান
২৮. সহস্র ধারা ঝর্ণা
২৯. চট্টগ্রাম ডিসি পার্ক
৩০. জাম্বুরী পার্ক
৩১. ডিসি হিল / নজরুল স্কয়ার
৩২. সিআরবি পাহাড়
৩৩. ছাগল কান্দা পাহাড়
৩৪. চেরাগি পাহাড়
৩৫. চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানা
৩৬. হযরত বায়েজিদ বোস্তামী (রঃ) মাজার
৩৭. হযরত শাহ আমানত (রঃ) মাজার
৩৮. চালন্দা গিরিপথ
৩৯. বোটানিক্যাল গার্ডেন এবং ইকোপার্ক, সীতাকুণ্ড
৪০. আন্দরকিল্লা শাহী মসজিদ
৪১. জাতিতাত্ত্বিক জাদুঘর
৪২. পারকি সমুদ্র সৈকত
৪৩. শেখ রাসেল এভিয়ারি ইকো পার্ক
৪৪. বুদবুদির ছড়া
৪৫. মুহুরী প্রজেক্ট
৪৬. সন্দ্বীপ
৪৭. কল্পলোক বীচ
৪৮. বাড়বকুণ্ড
৪৯. নেভাল একাডেমি এবং নেভাল এরিয়া
৫০. চেরাগি পাহাড় মোড় (স্মৃতি মিনার)
৫১. কালুরঘাট বেতার
৫২. পার্কির চর
৫৩. বৌদ্ধ তীর্থ স্থান চক্রশালা, পটিয়া
৫৪. বাটালী হিল
৫৫. কর্ণফুলী টি গার্ডেন
৫৬. মিনি বাংলাদেশ এবং স্বাধীনতা কমপ্লেক্সে
৫৭. মহামুনি বৌদ্ধ বিহার
৫৮. রাঙ্গুনিয়া কোদালা চা বাগান
৫৯. বাটারফ্লাই পার্ক
৬০. অভয়মিত্র ঘাট
৬১. ফিশারি ঘাট
৬২. কর্ণফুলী টানেল
৬৩. খানখানাবাদ সমুদ্র সৈকত, বাঁশখালী
৬৪. খিরাম সংরক্ষিত বনাঞ্চল, ফটিকছড়ি
৬৫. লোহাগাড়া বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য
৬৬. চুনতি বন্যপ্রাণ অভয়ারণ্য
৬৭. বারৈয়াঢালা জাতীয় উদ্যান
৬৮. বেলগাঁও চা বাগান, পুকুরিয়া, বাশখালী
৬৯. বিপ্লব উদ্যান, শহর
৭০. খেজুরতলা পর্যটন কেন্দ্র
৭১. বাশখালি চা বাগান
৭২. আশুনিয়া চা বাগান
৭৩. চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
৭৪. ভুজপুর সংরক্ষিত বনাঞ্চল
৭৫. কর্ণফুলী নদী
৭৬. চট্টগ্রাম বন্দর
৭৭. চারুলতা পার্ক, শহর
৭৮. রানী রাসমনি ঘাট
৭৯. হামিদ চর
৮০. আরসি নগর ফিউচার পার্ক
৮১. শেখ রাসেল শিশু পার্ক
৮২. রেলওয়ে জাদুঘর
৮৩. জিয়া স্মৃতি জাদুঘর
৮৪. কর্ণফুলী নতুন ব্রীজ
৮৫. জাতিসংঘ পার্ক
৮৬. ঠাণ্ডাছড়ি পিকনিক স্পট
৮৭. আগ্রাবাদ কর্ণফুলী শিশু পার্ক
৮৮. ভাটিয়ারী গলফ ও কান্ট্রি ক্লাব
৮৯. কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র
৯০. কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার
৯১. গুপ্ত জমিদার বাড়ি
৯২. চাকমা রাজবাড়ি
৯৩. প্রসন্ন কুমার জমিদার বাড়ি
৯৪. পরৈকোড়া জমিদার বাড়ি
৯৫. ভুজপুর জমিদার বাড়ি
৯৬. সত্য সাহার জমিদার বাড়ি
৯৭. চট্টগ্রাম তোরণ
৯৮. মাইজ ভান্ডার দরবার শরীফ
৯৯. শমসের গাজীর কেল্লা
১০০. আমানত শাহ দরগাহ
১০১. ভুজপুর রাবার ড্যাম
১০২. হারুয়ালছড়ি রাবার ড্যাম
১০৩. দাঁতমারা রাবার বাগান বা সেলফি রোড
১০৪. বাগানবাজার রাবার বাগান
১০৫. হালদা নদী
১০৬. বায়েজিদ লিংক রোড

কতগুলো জায়গা ঘুরে দেখেছেন?

18/04/2025

এক নজরে সুন্দরবন Travel & Tourism BD

থাইল্যান্ডের ই-ভিসা আবেদন করার পদ্ধতি:থাইল্যান্ডের আবেদন প্রক্রিয়া এখন আরও সহজ! e-Visa পদ্ধতিতে ঘরে বসেই ভিসার জন্য আবে...
11/01/2025

থাইল্যান্ডের ই-ভিসা আবেদন করার পদ্ধতি:
থাইল্যান্ডের আবেদন প্রক্রিয়া এখন আরও সহজ! e-Visa পদ্ধতিতে ঘরে বসেই ভিসার জন্য আবেদন করা সম্ভব। নিচে পুরো প্রক্রিয়াটি ব্যাখ্যা করা হলো:
প্রথম ধাপ: রেজিস্ট্রেশন এবং আবেদন

১. ওয়েবসাইট ভিজিট করুন:
[https://www.thaievisa.go.th](https://www.thaievisa.go.th)

২. একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করুন:
- একটি অ্যাকাউন্ট থেকে সর্বোচ্চ ১০ জনের আবেদন জমা দেওয়া যাবে।
- পাসপোর্ট বায়োডাটা পেজ এবং ছবি আপলোড করুন (jpg ফাইল, ৩MB এর কম)।
- পাসপোর্ট থেকে তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফর্মে আসবে। তথ্য সঠিকভাবে যাচাই করুন।

৩. তথ্য এবং ডকুমেন্ট আপলোড করুন:
- প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস যেমন ব্যাঙ্ক স্টেটমেন্ট বা বর্তমান অবস্থানের প্রমাণ আপলোড করুন।

৪. ভিসার ধরন নির্বাচন করুন:
ভিসা ফি (টাকা):
- ট্যুরিস্ট ভিসা (সিঙ্গেল এন্ট্রি): ৪০০০+১০০০+১৫০=৫১৫০ টাকা

- ট্যুরিস্ট ভিসা (মাল্টিপল এন্ট্রি): ২০,০০০ + লাগে।

৫. এম্বেসি নির্বাচন করুন:
- বাংলাদেশ থেকে আবেদনকারীরা শুধুমাত্র ঢাকার রয়্যাল থাই এম্বেসির মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।

২য় ধাপ: পেমেন্ট প্রক্রিয়া
১. পেমেন্ট ইনফো সামারি (P*S) শীট:
- আবেদন জমা দেওয়ার পর এটি পাবেন। শীটটিতে QR কোড এবং রেফারেন্স নম্বর থাকবে।

২. পেমেন্ট করুন:
[Commercial Bank of Ceylon](https://www.combank.net.bd/thaievisa)-এর ওয়েবসাইটে যান।
- ভিসা ফি জমা দেওয়ার পর P*S শীটটি পেমেন্ট প্ল্যাটফর্মে আপলোড করুন।
- পেমেন্ট নিশ্চিত হলে ই-রিসিপ্ট ইমেইলে পাঠানো হবে।

৩য় ধাপ: ভিসা অনুমোদন
১. প্রসেসিং সময়:
- আবেদন প্রক্রিয়ার জন্য অন্তত ১০ কার্যদিবস সময় লাগবে।
- অতিরিক্ত ডকুমেন্ট চাওয়া হতে পারে।
২. ই-ভিসা গ্রহণ:
- ইমেইলের মাধ্যমে অনুমোদিত ভিসা পাবেন।
- ই-ভিসা প্রিন্ট করে থাই ইমিগ্রেশনে দেখান।

কী প্রাপ্তি ও সময়সূচি (পয়েন্ট আকারে)
★রেজিস্ট্রেশন:
- অ্যাকাউন্ট এবং পাসওয়ার্ড পাবেন।
★আবেদন জমা দেওয়ার পর:
- P*S শীট (QR কোড এবং পেমেন্ট তথ্য সহ) পাবেন।
★পেমেন্টের পর: ই-রিসিপ্ট
★অনুমোদনের পর:
- ই-ভিসা / অতিরিক্ত তথ্যের অনুরোধ / আবেদন প্রত্যাখ্যান সংক্রান্ত ই-মেইল পাবেন।
সহজেই আবেদন করুন, নিরাপদে ভ্রমন করুন থাইল্যান্ড

ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল: প্রতিষ্ঠাতা এবং ইতিহাসভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল ভারতের কলকাতায় অবস্থিত একটি আইকনিক স্মৃতিসৌধ, যা ব...
23/12/2024

ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল: প্রতিষ্ঠাতা এবং ইতিহাস

ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল ভারতের কলকাতায় অবস্থিত একটি আইকনিক স্মৃতিসৌধ, যা ব্রিটিশ রাজের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন। এটি তৈরি করা হয়েছিল রানি ভিক্টোরিয়ার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে। রানি ভিক্টোরিয়া ১৯০১ সালে প্রয়াত হন। তার শাসনকাল (১৮৩৭-১৯০১) ছিল ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অন্যতম দীর্ঘ শাসনকাল এবং ভারতীয় ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।

প্রতিষ্ঠাতা

ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল তৈরির উদ্যোগ নেন লর্ড কার্জন, যিনি ১৮৯৯ থেকে ১৯০৫ সাল পর্যন্ত ভারতের ভাইসরয় ছিলেন। তার মত ছিল, রানি ভিক্টোরিয়ার স্মৃতিকে অমর করে রাখতে একটি বিশাল স্থাপত্য তৈরি করা হোক, যা হবে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের গৌরব এবং শক্তির প্রতীক।

নির্মাণের কারণ

ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল তৈরির মূল উদ্দেশ্য ছিল:

রানি ভিক্টোরিয়ার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানানো।

ব্রিটিশ শাসনের গৌরব ও ঐতিহ্যকে তুলে ধরা।

এটি শুধুমাত্র একটি স্মৃতিসৌধ নয়, বরং একটি জাদুঘরও, যেখানে ব্রিটিশ রাজ এবং ভারতের ইতিহাসের বিভিন্ন নিদর্শন সংরক্ষণ করা হয়েছে।

নির্মাণ কাজ

স্থাপত্যশৈলী:
ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালের নকশা করেন ব্রিটিশ স্থপতি স্যার উইলিয়াম এমারসন। এটি ইন্দো-সারাসেনিক স্থাপত্যশৈলীতে নির্মিত, যা ইউরোপীয়, মুঘল, এবং ভেনিশিয়ান শৈলীর সংমিশ্রণ।

উপাদান:
মেমোরিয়ালটি নির্মাণে ব্যবহার করা হয়েছে মকরানা মার্বেল, যা ভারতের রাজস্থানের বিখ্যাত।

নির্মাণকাল:
মেমোরিয়ালটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয় ১৯০৬ সালে, এবং এর কাজ শেষ হয় ১৯২১ সালে।

অবস্থান এবং আকর্ষণীয়তা

ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল কলকাতার কেন্দ্রস্থলে, ময়দানের কাছে অবস্থিত। এটি একটি সুন্দর বাগানের মধ্যে স্থাপিত, যা পর্যটকদের অন্যতম আকর্ষণ।
মেমোরিয়ালের শীর্ষে একটি "এঞ্জেল অফ ভিক্টরি" নামে একটি ব্রোঞ্জের মূর্তি রয়েছে, যা ঘূর্ণায়মান এবং বাতাসের সঙ্গে দুলতে পারে।

জাদুঘর

ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালে একটি বিশাল জাদুঘর রয়েছে, যেখানে রানি ভিক্টোরিয়ার ব্যক্তিগত জিনিসপত্র, চিঠিপত্র, ব্রিটিশ শাসনের স্মৃতিচিহ্ন এবং শিল্পকর্ম প্রদর্শিত হয়।

মোট খরচ

মেমোরিয়াল নির্মাণে প্রায় ১০ লাখ ভারতীয় রুপি খরচ হয়েছিল, যা মূলত ব্রিটিশ ভারতের রাজ্য এবং প্রজাদের কাছ থেকে সংগৃহীত তহবিল দিয়ে নির্মিত হয়।

বর্তমান গুরুত্ব

ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল এখন একটি ঐতিহাসিক এবং পর্যটনস্থল।



কমদামে বিমানের টিকিট কেনার ৭টি টিপস১. মঙ্গলবার এবং বুধবার বুক করুনমঙ্গলবার এবং বুধবার হল বিমান টিকিট কেনার সেরা দিনগুলির...
26/11/2024

কমদামে বিমানের টিকিট কেনার ৭টি টিপস
১. মঙ্গলবার এবং বুধবার বুক করুন
মঙ্গলবার এবং বুধবার হল বিমান টিকিট কেনার সেরা দিনগুলির মধ্যে একটি।
বেশিরভাগ এয়ারলাইনস সাধারণত মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭:০০ টায় তাদের বুকিং
সিস্টেম আপডেট করে।
কারণ এয়ারলাইনস জানে যে বেশিরভাগ যাত্রী শুধুমাত্র সপ্তাহের দিনগুলোতে টিকিট বুক করার সময় পান।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী প্রমাণিত হয়েছে, আমাদের বেশিরভাগই সাধারণত শুক্রবার, শনিবার কিংবা রবিবার টিকিটের দাম দেখেন।
২. আগে বুক করুন, তবে খুব বেশি আগে নয়
অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে, ভ্রমণের তারিখের কমপক্ষে ২১ দিন আগে টিকিট বুক করা উচিত। বেশিরভাগ এয়ারলাইনস তাদের সিস্টেমগুলো এমনভাবে সেট করেছে যাতে যত বেশি সম্ভব টিকিট বিক্রি করতে পারে। তাই, সিস্টেমের মধ্যে একটি নির্দিষ্ট কোটা থাকে কমদামে টিকিটের জন্য।
উদাহরণস্বরূপ, ঢাকা থেকে লন্ডনের ফ্লাইটের জন্য সিস্টেমে নির্ধারণ করা হয় যে প্রথম ২০ জন যাত্রী সবচেয়ে কম দাম পাবেন। পরবর্তী ২০০ জন মাঝারি দাম পাবেন, এবং বাকিরা সম্ভবত আরও বেশি মূল্য দিতে হতে পারে।
সংক্ষেপে, এয়ারলাইন্সের সিস্টেম ঢাকা থেকে লন্ডন যাওয়ার সময় তারা যে মার্জিন চায় তার উপর ভিত্তি করে টিকিটের দাম নির্ধারণ করবে।
৩. উড়ার জন্য উপযুক্ত দিন
মঙ্গলবার বা বুধবার উড়ার জন্য টিকিট বুক করার চেষ্টা করুন। বেশিরভাগ এয়ারলাইনস এই দুই দিনকে ‘কম ব্যস্ত দিন’ হিসেবে নির্ধারণ করে বুকিং সিস্টেমের জন্য। এয়ারপোর্টও সাধারণত এই দুই দিন অন্যান্য দিনের তুলনায় কম ব্যস্ত থাকে, বিশেষ করে শুক্রবার এবং রবিবার যখন বুকিং সিস্টেম এবং এয়ারপোর্ট অনেক ব্যস্ত হয়ে ওঠে।
৪. আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের জন্য 'বেস্ট ডিল' খুঁজুন
বেশিরভাগ এয়ারলাইনস আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের জন্য প্রায় ১১ থেকে ১২ সপ্তাহ আগে 'বেস্ট ডিল' অফার করে। তাই, এই সময়ের মধ্যে নিয়মিত টিকিটের দাম পরীক্ষা করুন।
৫. ছোট এয়ারপোর্ট বেছে নিন
এই পদ্ধতি চেষ্টা করতে পারেন, যা হল প্রধান এয়ারপোর্টে না নেমে গন্তব্যের কাছাকাছি একটি ছোট এয়ারপোর্টে নামা। উদাহরণস্বরূপ, আপনি যদি লন্ডনে যেতে চান, অনেকেই সাধারণত হিথ্রোতে নামেন। পরের বার, হিথ্রোতে না নেমে, হিথ্রোর কাছাকাছি একটি ছোট এয়ারপোর্ট যেমন ম্যানচেস্টারের এয়ারপোর্টে নামার চেষ্টা করুন। তারপর ম্যানচেস্টার থেকে আপনি ট্রেনে করে লন্ডনে যেতে পারেন। এই পদ্ধতি চেষ্টা করুন।
৬. 'কুকিজ' ক্লিয়ার করুন
অনেকে এটা জানেন না। যদি আপনি ৩০ দিনের মধ্যে এয়ারলাইনসের ওয়েবসাইটে গিয়ে থাকেন, তাহলে আপনার ল্যাপটপ, স্মার্টফোন এবং পিসি থেকে কুকিজ ক্লিয়ার করুন।
কারণ এই কুকিজের মাধ্যমে এয়ারলাইনসের বুকিং সিস্টেম মনে করবে যে আপনি বারবার তাদের ওয়েবসাইট দেখেছেন।
তাই, বুকিং সিস্টেম একই দাম দেখাবে এমনকি যদি আপনি বহুবার ওয়েবসাইটে যান, কখনও কখনও দাম বাড়তেও পারে!
তাই, আপনার ইন্টারনেট ব্রাউজারের কুকিজ ক্লিয়ার করার অভ্যাস তৈরি করুন।
আপনি যদি জানেন না কিভাবে তা মুছতে হয়, তাহলে গুগলকে জিজ্ঞাসা করুন!
৭. দাম যাচাই করুন
গুগল করতে এবং আপনি যে টিকিট কিনতে চান তার দাম অন্যান্য ওয়েবসাইটে যাচাই করতে অলস হবেন না।
শুধু এক ওয়েবসাইটে ফোকাস করবেন না, আপনি অবাক হবেন, কারণ কখনো কখনে আপনি একই এয়ারলাইনসের টিকিট আরও সস্তায় পাবেন। এখানে কিছু সার্চ ইঞ্জিন রয়েছে যা আমি প্রায়ই ভ্রমণের জন্য ব্যবহার করি।

1. Skyscanner
2. CheapFlight
3. Momondo
4. Kayak
5. Google Flight
6. Ita Software

শ্রীলঙ্কায় সবচেয়ে কম খরচে ঘুরাঘুরি করতে চাইলে বেস্ট উপায় হচ্ছে তাদের ট্রেন ব্যবহার করা। দেশের টপ ট্যুরিস্ট ডেস্টিনেশনের ...
25/11/2024

শ্রীলঙ্কায় সবচেয়ে কম খরচে ঘুরাঘুরি করতে চাইলে বেস্ট উপায় হচ্ছে তাদের ট্রেন ব্যবহার করা। দেশের টপ ট্যুরিস্ট ডেস্টিনেশনের বেশিরভাগ জায়গাতেই রেল যোগাযোগ আছে।

আমি এজন্য প্রথমেই খুজতাম ট্রেন কতদুর যায়। এরপর সেটার সাথে অন্য কিছু কানেক্ট করে গন্তব্যে যেতাম। ট্রেনগুলোতে ৩ টা ক্লাস আছে। বাজেট অনুযায়ী টিকেট কেটে নিতে পারবেন।

যখন তখন টিকেট বুক করা যায়। ২য় ও ৩য় ক্লাসের টিকেটে সিট নাম্বার থাকেনা। যে যেই সিট পাবে সে সেই সিটে ট্রাভেল করে।সাধারণত সিট পাওয়াই যায়।

সিট নিয়ে আমার মাথাব্যথা ছিলো না কখনই। কারন আমি গেটের সামনে বসে থাকতেই বেশি কম্ফোর্ট ফিল করি।

বাই দ্যা ওয়ে, ওদের রেলওয়ের ওয়েব সাইটে গেলেই টাইম শিডিউল ,রুট ,সব পেয়ে যাবেন ইজিলি।

Address

Barishal
8200

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Travel & Tourism BD posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category