02/05/2026
গতকাল ছিল পহেলা মে দিবস যেদিন সকল শ্রমজীবী মানুষদের সম্মানের সাথে স্মরণ করা হয় একই সাথে শুক্রবার পরে যাওয়াই এটি সাপ্তাহিক ছুটির দিন ও ছিল। আমরা ৩ জন রকি, কাওসার ও আমি মিলে রওনা দেই নওগাঁ, বদলগাছির ভান্ডারপুর নামক একটি বাজারে ঐদিকে জয়পুরহাট সদর থেকে আক্কেলপুর হয়ে গেলে আমাদের সুবিধা হয় কারণ এই দিক দিয়ে গেলে রাস্তা কম হয়। ভান্ডারপুর বাজারে যাবার কারণ হলো আমরা ওখানে বিকালের নাস্তা টা সেরে নিবো সেই কারণে আর ওখানে একটা দোকানে চিকেন ফ্রাই ( ছোট ছোট পিস্ করা ) এবং পরোটা পাওয়া যায়। জামালগঞ্জ থেকে আক্কেলপুর যাবার পথে আমার দেখায় জয়পুরহাটের সবচেয়ে সুন্দর রাস্তা গুলার একটা পরে এখানে আমরা নেমে কিছুক্ষন রাস্তার দুই পাশের ধানের জমি ও আশপাশের পরিবেশ দেখতে লাগলাম একটু পরে আমরা সামনে এগুতেই দেখি ধানের জমি পার হয়ে ব্রিজের নিচে ছোট ঝর্ণার মতো একটা জায়গা তো আমরা কি আর ওখানে না গিয়ে থাকতে পারি। ওখানে যাবার মতো তেমন রাস্তা নেই ধানের জমি ও আইল ধরে সেখানে যেতে হয় যদিও জায়গাটা আমাদের কাছে বেশ সুন্দর লাগছে। আমরা পানিতে নেমে ছবি উঠলাম সবাই এবং যাবার পথে কিছু ইট সংগ্রহ করে রাস্তায় বিছিয়ে দিলাম যাতে কাদাপানি ছাড়াই রাস্তা পার হওয়া যায় এবং এর পরে ওখানে কেউ গেলে যেন সহজে যেতে পারে। এর পরে আমরা আমাদের ভাড়ায় নেওয়া অটোতে ভান্ডারপুর বাজারে পৌঁছে যায় এবং আমাদের খাবার অর্ডার দেই একটু পরে খাবার চলে আসে এবং আমরা তৃপ্তি সহকারে খেয়ে দোকানদারের কাছ থেকে বিদায় নিয়ে জয়পুরহাটের দিকে রওনা দেয়। যাবার পথে আকাশ কিছুটা মেঘাছন্ন ছিল আমরা মনে করছিলাম হয়তো বৃস্টি চলে আসবে কিন্তু বির্সটি তখন শুরু হয়নাই আমরা প্রায় ৪৫ মিনিট যাত্রা করার পরে দুর্গাদহ বাজারের কাছে পৌঁছানোর পরে বৃষ্টির ভাব প্রকট আকার ধারণ করেছিল। আমরা সিদ্ধান্ত নেই আমাদের গাড়ি থামাবোনা এবং যত দ্রুত সম্ভব জয়পুরহাট পৌঁছাতে পারি। আমরা দুর্গাদহ বাজার হয়ে আয়ুশগাড়া হয়ে ডিগ্ৰী কলেজের পিছন দিক দিয়ে স্টেশনে যাবার জন্য আমার গাড়ি চলতে থাকে এর মাঝে একটি কলার বাগানের পাশ দিয়ে যাবার সময় প্রচন্ড বাতাস উঠে যায় এবং আমাদের গাড়ি বাতাসে উল্টে যাবার উপক্রম হয় আমরা কালবৈশাখী ঝড়ের কবলে পরে যায় তারপরের আমাদের গাড়ি চলতে থাকে এবং আমরা কিছুটা ভয় পেলেও আল্লাহর রহমতে আমরা জয়পুরহাট স্টেশন পৌঁছে যাই। এখানে একটা কথা বলে রাখা দরকার আমাদের অটো রিক্সার সামনের গ্লাস ছিল না যার কারণে আমাদের গাড়ির ভিতর বাতাস সহজে আটকাতে পারেনাই। পৌঁছানোর পরে প্রায় ঘন্টা খানেক সময় জয়পুরহাট গতকাল মুসল ধারায় বৃষ্টি হয় যাতে করে জয়পুরহাটে সদরে প্রায় অনেক রাস্তা পানিতে ডুবে যায় এতো অল্প সময়ের বৃষ্টিতে।