03/06/2026
আমরা চাই না কোনো গ্রাহকের সঙ্গে আমাদের সম্পর্কের অবনতি হোক।
বাংলাদেশ কাস্টমস যখন কোনো চালান জব্দ করে, তখন তা ছাড় করাতে কিছুটা সময় লাগে। তবে এই সময়সীমা নির্দিষ্ট নয়, তাই ঠিক কতদিন লাগবে তা আগাম বলা সম্ভব হয় না।
আমরা বুঝি, আপনার প্রয়োজনের কারণেই আপনি মালামাল পাঠিয়েছেন। সেখানে আপনার সন্তানের প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী, প্রিয়জনের জন্য উপহার কিংবা অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পণ্য থাকতে পারে। তাই আপনার উদ্বেগ ও অপেক্ষার কষ্ট আমরা অনুভব করি।
আপনারা অবগত আছেন যে, ফেব্রুয়ারির ২৩-২৪ তারিখে কুয়েত থেকে বাংলাদেশে পাঠানোর জন্য প্রস্তুত করা একটি শিপমেন্টে কিছু নিষিদ্ধ লিথিয়াম ব্যাটারিযুক্ত খেলনা ও চার্জার লাইট পাওয়া যায়। এর ফলে কুয়েত বিমানবন্দরে আমাদের চালান প্রায় ৫ দিন আটকে রাখা হয়।
পরবর্তীতে ফ্লাইটের তারিখ নির্ধারিত হওয়ার পর শুরু হয় যুদ্ধ পরিস্থিতি। নানা প্রতিকূলতা অতিক্রম করে মালামাল কুয়েত থেকে দুবাই হয়ে বাংলাদেশে পৌঁছালেও দেশে এসে কাস্টমস জটিলতায় পড়ে।
এ অবস্থায় আমরা বারবার বিষয়টি ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করলেও অনেকেই মনে করছেন আমরা ইচ্ছাকৃতভাবে মালামাল আটকে রেখেছি। প্রকৃতপক্ষে বিষয়টি মোটেও এমন নয়।
আলহামদুলিল্লাহ, এতসব প্রতিকূলতার মধ্যেও আমরা ইতোমধ্যে দুটি শিপমেন্টের মালামাল কাস্টমস থেকে ছাড় করিয়ে গ্রাহকদের কাছে বুঝিয়ে দিতে সক্ষম হয়েছি।
তাই নওশিন নওরিন এয়ার কার্গোর সম্মানিত সকল গ্রাহকের প্রতি আমাদের বিনীত অনুরোধ—ধৈর্য ধারণ করুন। ইনশাআল্লাহ, সমস্যার সমাধান হবে।
আপনারা আমাদের মাধ্যমে মালামাল পাঠিয়েছেন, আশা করি ভবিষ্যতেও পাঠাবেন। কাউকে না কাউকে তো বিশ্বাস করেই আপনার পণ্য পাঠাতে হবে। তাই অনুরোধ থাকবে, ফোনে অযথা উত্তেজিত না হয়ে পরিস্থিতি বিবেচনা করুন। কারণ কারওই ইচ্ছা নেই মালামাল কাস্টমসে আটকে রেখে প্রতিদিন জরিমানা গুনতে।
আপনাদের সহযোগিতা, ধৈর্য এবং আস্থার জন্য আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ।
ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন।
ধন্যবাদ।
— নওশিন নওরিন এয়ার কার্গো