The Agarpara Buzz

The Agarpara Buzz আগরপাড়া ও সংলগ্ন এলাকার প্রতিদিনের সব খবর, আড্ডা আর জীবনের গল্প—আমাদের এখানেই।

Follow the The Agarpara Buzz Page on Facebook

Story of Agarpara Rail Stn (AGP)
12/08/2026

Story of Agarpara Rail Stn (AGP)

Unknown Facts about the Stations of Kolkata Suburban Railway (Part - 5)

আগরপাড়া রেলওয়ে স্টেশন / Agarpara (AGP)

উত্তর 24 পরগনার ঘনবসতিপূর্ণ অঞ্চলের ব্যস্ত জনজীবনের মাঝখানে দাঁড়িয়ে আছে আগরপাড়া রেলওয়ে স্টেশন। শিয়ালদহ – রানাঘাট – কৃষ্ণনগর সিটি লাইনের প্রতিদিনের হাজারো যাত্রীর কাছে এই স্টেশনটি আজ এক অদ্ভুত নির্ভরতার প্রতীক। প্রতিদিন অফিসযাত্রী, ছাত্রছাত্রী, ব্যবসায়ী, দোকানদার থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ—সকলেই তাদের জীবনের প্রতিদিনের ছন্দে এই স্টেশনের সঙ্গে বাঁধা পড়ে আছেন।

আগরপাড়া রেলওয়ে স্টেশনের ইতিহাস শতাব্দীপ্রাচীন। প্রায় 1890 বা 1898 সালের দিকে এই স্টেশনটি চালু হয়। তখনকার দিনে আগরপাড়া আজকের মতো জনবহুল শহরতলি ছিল না; বরং চারিদিকে আলের মাঠ, চাষের জমি আর নির্জন পথঘাটেই তখনকার জনজীবন সীমাবদ্ধ ছিল। তবুও সেই প্রাচীন কালের ছোট্ট রেললাইনই হয়ে ওঠে এলাকার ভবিষ্যৎ উন্নয়নের ভিত্তি।

1926 সালে ওয়েলিংটন ব্রিজ, অর্থাৎ আজকের বিবেকানন্দ সেতু চালু হওয়ার আগে আগরপাড়া স্টেশন থেকে আগরপাড়া জুট মিল এবং বরাহনগর জুট মিল পর্যন্ত একটি বিশেষ শিল্পলাইন তৈরি করা হয়েছিল, সেই ছোট্ট রেললাইন মূলত পণ্য পরিবহনের জন্য ব্যবহৃত হতো। 1990 সালের দিকে শিল্পের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে সেই পুরনো লাইনটি তুলে নেওয়া হয়, আর আগরপাড়া ফিরে আসে সাধারণ যাত্রী পরিষেবার মূল রূপে।

1962 সালে শিয়ালদহ – রানাঘাট লাইনের বিদ্যুতায়ন সম্পন্ন হয়। তার এক বছর পর, 1963 সালে ব্যারাকপুর লোকাল ট্রেন চালু হওয়ার পর থেকেই আগরপাড়া স্টেশনে যাত্রী চলাচল বাড়তে থাকে। এই সময় থেকেই আগরপাড়া সত্যিকারের এক শহরতলির পরিচয় পেতে শুরু করে।

তবে এই স্টেশনের ইতিহাস শুধু উন্নয়নের নয়, প্রতিবাদের ও। 1959 সালের খাদ্য আন্দোলনের উত্তাল দিনে কমিউনিস্ট পার্টির কর্মীরা আগরপাড়া স্টেশনে ব্যাপক বিক্ষোভ দেখান। সেই ঘটনায় তৎকালীন স্টেশন মাস্টার গুরুতর আহত হন এবং টিকিট কাউন্টারে বোমা নিক্ষেপ করে সেটি সম্পূর্ণ ধ্বংস করা হয়। সেই ঘটনার পর আবার নতুন করে টিকিট কাউন্টার তৈরি হয় এবং স্টেশনের কার্যক্রম স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে।

পরবর্তী কয়েক দশকে আগরপাড়া স্টেশন ধীরে ধীরে আধুনিক রূপ নিতে শুরু করে। ২০০৮ সালের দিকে ৪ নম্বর প্ল্যাটফর্মের পাশে কোনো টিকিট কাউন্টার না থাকায় যাত্রীদের প্রবল অসুবিধা হতো। বিশেষ করে অফিসগামী যাত্রীরা প্রতিদিনই সমস্যায় পড়তেন। অবশেষে ২০১০ সালে সেই পাশে নতুন টিকিট কাউন্টার চালু করা হয়, যা আজও সক্রিয় রয়েছে এবং হাজারো মানুষ প্রতিদিন ব্যবহার করছেন।

বর্তমানে আগরপাড়া স্টেশনে চারটি লাইন ও চারটি প্ল্যাটফর্ম রয়েছে। সাইকেল রাখার জন্য আলাদা জায়গা থাকলেও গাড়ি পার্কিংয়ের কোনও সুব্যবস্থা এখনো তৈরি হয়নি। পানীয় জলের ব্যবস্থা তেমন ভালো নয়, তবে বর্তমানে সেই পরিষেবা উন্নত করার কাজ চলছে। পাশাপাশি প্ল্যাটফর্ম উঁচু করার, নতুন আলো বসানোর এবং বসার বেঞ্চ বাড়ানোর কাজও শুরু হয়েছে।

স্টেশনের 1 নম্বর প্ল্যাটফর্মের পাশে রয়েছে ব্যস্ত নর্থ এবং সাউথ স্টেশন রোড তেমনই 4 নম্বর প্ল্যাটফর্মের পাশে রয়েছে ব্যস্ত ইস্ট স্টেশন রোড ও সেনবাজার। সকাল ও বিকেলের ব্যস্ত সময়ে এখানে ভিড় জমে পড়ে। এখান থেকে সরাসরি আলিপুর চিড়িয়াখানার জন্য বাস রুট 230 পাওয়া যায়, যা শহরমুখী যাত্রীদের জন্য বিশেষ সুবিধাজনক।

যদিও অর্থনৈতিক দিক থেকে আগরপাড়া রেলওয়ে স্টেশন বর্তমানে বেশ ভালো অবস্থানে রয়েছে, 2025 সালে এটি ইস্টার্ন রেলের 203 টি স্টেশনের মধ্যে আয়ের দিক থেকে 51 তম স্থানে রয়েছে — তবুও নিরাপত্তা এখন বড় উদ্বেগের কারণ। সাম্প্রতিক সময়ে মোবাইল চুরি, পকেটমার ও ছিনতাইয়ের ঘটনা বেড়ে গেছে। গত আগস্ট এবং সেপ্টেম্বর মাসেই অন্তত পনেরো থেকে কুড়িজন যাত্রীর মোবাইল ফোন এখান থেকে চুরি হয়েছে। নতুন ফুটওভার ব্রিজের উপরে প্রায়ই বসে মদের আসর ও গাঁজার ঠেক, যা নিয়ে স্থানীয়দের ক্ষোভ বাড়ছে, কিন্তু কর্তৃপক্ষের তেমন কোনো কঠোর ব্যবস্থা চোখে পড়ছে না।

এই সমস্ত সমস্যার মধ্যেও যাত্রীরা একটাই প্রত্যাশা করছেন — আগরপাড়া স্টেশন যেন আরও উন্নত হয়। স্থানীয় বাসিন্দা ও নিয়মিত যাত্রীদের দাবি, আগরপাড়া স্টেশনকে যেন একটি ফ্ল্যাগ স্টেশন থেকে ব্লক স্টেশনে উন্নীত করা হয়। এতে রেল যোগাযোগ আরও সুরক্ষিত ও কার্যকর হবে। একইসঙ্গে সন্ধ্যা ছয়টা থেকে রাত ন’টার মধ্যে অফিস ফেরত সময়ে কিছু গ্যালপিং ট্রেনের স্টপেজ আগরপাড়ায় দেওয়া হলে অসংখ্য অফিসগামী মানুষ উপকৃত হবেন।

এক শতাব্দীরও বেশি পুরনো এই স্টেশন আজও প্রতিদিন হাজারো জীবনের নিত্যসঙ্গী। যেভাবে এটি সময়ের সঙ্গে পরিবর্তিত হয়েছে, তাতে স্পষ্ট যে আগরপাড়া রেলওয়ে স্টেশন শুধু একটি পরিবহন কেন্দ্র নয়, এটি আসলে উত্তর কলকাতা ও ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চলের মানুষের জীবনের এক অঙ্গ। অতীতের ইতিহাস, বর্তমানের ব্যস্ততা এবং আগামীর প্রত্যাশা যেনো সব মিলিয়ে আগরপাড়া আজও এক চলমান কালের সেতুবন্ধন।

এমন আরও তথ্য জানতে ফলো করো! 🚉

Facebook - https://www.facebook.com/share/1BXkMKtmr2/

Instagram - https://www.instagram.com/ig_kolkatadude?igsh=aGs1d2Zrdnk4aGkw

YouTube - https://youtube.com/?si=qYY74j5kAMfeS4wv

নীলগঞ্জ রোডএকসময়কার কলকাতা যাওয়ার নবাব সিরাজউদ্দৌলার আমলের রাস্তা, আর আজকের এই সুন্দর ‘মডার্ন’ জলমগ্ন রূপ! 👑🛶শোনা যায়,...
09/08/2026

নীলগঞ্জ রোড
একসময়কার কলকাতা যাওয়ার নবাব সিরাজউদ্দৌলার আমলের রাস্তা, আর আজকের এই সুন্দর ‘মডার্ন’ জলমগ্ন রূপ! 👑🛶

শোনা যায়, এককালে নাকি কলকাতার দিকে আসার জন্য নবাব সিরাজউদ্দৌলা বা তাঁর সেনারাই বারাসাত থেকে এই নীলগঞ্জ রোড ব্যবহার করতেন! কে জানে, হয়তো ইতিহাস সত্যি বলছে নাকি না। কিন্তু ঐতিহাসিক সেই রাস্তাটার আজ ঠিক কী দশা হয়েছে, তা একবার এই ছবিটা দেখলে আর বুঝতে বাকি থাকে না।

সবচেয়ে বড় রহস্য হলো — আগরপাড়ার এই লোক্যালিটিটা যে ঠিক কোন মিউনিসিপ্যালিটির আন্ডারে আসে, সেটা স্বয়ং উপরওয়ালা নিজেই কনফিউজড! আজ বন্ধুর সাথে সাইকেল নিয়ে দিব্যি আসছিলাম, মাইরি বলছি, এই বড় বড় গর্তগুলোকে হাত জোড় করে নমস্কার জানাতে হয়! এই জঘন্য রাস্তার সাইকেল চালিয়ে আসতে না আসতেই অন্তত ৩ থেকে ৪ বার তো আমার সাইকেলের চেন পড়ে গিয়ে একদম বেহাল দশা!

নারুলা কলেজের ছাত্রছাত্রীরা যারা এই রাস্তা ধরে হস্টেলের দিকে যায়, এই জলকষ্ট আর যাতায়াতের নরকযন্ত্রণা নিয়ে তারা অলরেডি মারাত্বক ভাবে ফেড আপ! নারুলার ইঞ্জিনিয়ারিং বা অন্যান্য কোর্সের পড়ার চাপের চেয়েও বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে এই নীলগঞ্জ রোড পার করা।

নবাব হয়তো কোনো এককালে হাতিতে চড়ে বা পালকিতে করে হুশ করে চলে যেতেন, কিন্তু আজকের দিনে দাঁড়িয়ে এই ঐতিহ্যবাহী রাস্তায় নারুলা ইনস্টিটিউটের সামনে দিয়ে সাইকেল বা বাইক নিয়ে যাতায়াত করতে গেলে নবাবী তো দূরের কথা, আস্ত এক দফা নৌকাডুবির ফিল চলে আসবে।

নারুলার কোন কোন স্টুডেন্ট বা লোকাল মানুষ এই দুর্ভোগে নিয়মিত পড়ছেন, হাত তুলে কমেন্টে জানান!

আর আমি এমনিও জানিনা যে কোন মিউনিসিপ্যালিটির আওতায় আসে তাই ছবির সাথে আমি স্যাটেলাইট ম্যাপের রাস্তার ছবি, রাস্তার লোকেশনটাও অ্যাড করে দিলাম লিংক সহ আর পোস্টটা শেয়ার করে দিন, যাতে প্রশাসন অন্তত দেখতে পায় এই রাস্তা দিয়ে মানুষ কি কষ্ট করে যাতায়াত করে! 👇

Location - https://maps.app.goo.gl/dd4d4729VEdN5vDf9

আগরপাড়া ইস্ট স্টেশন রোডের নতুন রূপ: ইট বিছিয়ে রাস্তা উঁচু করার কাজ! 🧱🚧সোদপুর-আগরপাড়ার জল জমার সমস্যা নিয়ে নতুন করে কিছু ...
06/08/2026

আগরপাড়া ইস্ট স্টেশন রোডের নতুন রূপ: ইট বিছিয়ে রাস্তা উঁচু করার কাজ! 🧱🚧

সোদপুর-আগরপাড়ার জল জমার সমস্যা নিয়ে নতুন করে কিছু বলার নেই। তবে লক্ষ্য করলে দেখবেন, বর্তমানে আগরপাড়া ইস্ট স্টেশন রোড, কদমতলা অটো স্ট্যান্ডের সামনে (যা উষুমপুর, ওঙ্কার পার্ক, ঘোলা পোস্ট অফিস এবং কদমতলার দিকে গেছে)—সেখানে রাস্তা নতুন করে তৈরি করার জন্য সিমেন্টের বস্তা ও ইট দিয়ে বেশ অনেকটা উঁচু করা হচ্ছে।

রাস্তা উঁচু করা অবশ্যই জরুরি, কিন্তু শুধু রাস্তা উঁচু করলেই কি সমস্যার সমাধান সম্ভব? আমাদের এলাকায় প্রয়োজন পরিকল্পিত নিকাশি ব্যবস্থা (Proper Drainage System)। ড্রেনগুলো সংস্কার করা, জমানো জল ঠিকমতো বেরিয়ে যাওয়ার পথ তৈরি করা এবং নিকাশি ব্যবস্থার আধুনিকায়ন ছাড়া এই উঁচু রাস্তা খুব বেশিদিন বর্ষার জল সামলাতে পারবে না।

আমরা চাই, রাস্তা উঁচু করার পাশাপাশি নিকাশি ব্যবস্থার ওপরও সমান গুরুত্ব দেওয়া হোক। তাহলেই হয়তো আগামী দিনে আমরা জল জমার অভিশাপ থেকে মুক্তি পাব।

আপনার কী মনে হয়? কেবল রাস্তা উঁচু করা কি যথেষ্ট, নাকি পরিকল্পিত নিকাশি ব্যবস্থাই আসল সমাধান? কমেন্টে জানান।

ভবিষ্যতের আগরপাড়া, পানিহাটি ও কামারহাটি মেট্রো স্টেশন! 🚇✨বহু প্রতীক্ষিত কলকাতা মেট্রো লাইন ৫ (বরানগর-ব্যারাকপুর রুট)-এর ...
02/08/2026

ভবিষ্যতের আগরপাড়া, পানিহাটি ও কামারহাটি মেট্রো স্টেশন! 🚇✨

বহু প্রতীক্ষিত কলকাতা মেট্রো লাইন ৫ (বরানগর-ব্যারাকপুর রুট)-এর কাজ এগোচ্ছে। বিটি রোডের ওপর আমাদের আগরপাড়া, পানিহাটি ও কামারহাটি এলাকায় এই এলিভেটেড মেট্রো স্টেশনগুলো তৈরি হলে যাতায়াত হবে একদম জলভাত!

ভবিষ্যতের এই আধুনিক রূপের একটা ঝলক রইল আপনাদের সামনে। আপনাদের এলাকার স্টেশনের জন্য কতটা এক্সাইটেড? কমেন্টে জানান! 👇

🚌 আগরপাড়ার হারিয়ে যাওয়া S-185/1 মিনিবাসের গল্প!আজ আপনাদের সাথে শেয়ার করব আগরপাড়ার অচেনা ও হারিয়ে যাওয়া একটি মিনিবাস রুট ...
26/07/2026

🚌 আগরপাড়ার হারিয়ে যাওয়া S-185/1 মিনিবাসের গল্প!

আজ আপনাদের সাথে শেয়ার করব আগরপাড়ার অচেনা ও হারিয়ে যাওয়া একটি মিনিবাস রুট নিয়ে, যা অনেকের কাছেই অজানা। ১৯৮০-র দশক বা তার কাছাকাছি সময়ে নিমতা পাইকপাড়া বাসস্ট্যান্ড থেকে কিছু বাস উষুমপুর বটতলাতে নিয়ে এসে উষুমপুর থেকে হাওড়া স্টেশন পর্যন্ত একটি স্পেশাল মিনিবাস রুট চালু হয়েছিল —(S-185/1)।

উষুমপুর আদর্শ বিদ্যালয় ➔ বেলঘরিয়া ত্রিভাষা স্কুল ➔ ৪ নম্বর রেলগেট ➔ পাঞ্জাভিলা মোড় ➔ প্রবর্তক জুটমিল ➔ ডানলপ ➔ বরানগর ➔ কাশীপুর ➔ বাগবাজার ➔ বড়বাজার হয়ে সোজা হাওড়া ব্রিজ পার করে হাওড়া স্টেশন পর্যন্ত ছিল এই বাসগুলোর রুট ম্যাপ। এই বাসে আগরপাড়া ও ঘোলার যাত্রীদের যাতায়াত বেশ ভালোই হতো। সবচেয়ে বড় এবং সুন্দর ব্যাপারটি হলো, উষুমপুর আদর্শ বিদ্যালয় ও ত্রিভাষা স্কুলের ছাত্র - ছাত্রীদের জন্য এই বাসের ভাড়া সম্পূর্ণ ফ্রি ছিল! এমনকি প্রতি বছর মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার সময় স্টুডেন্টদের সুবিধার জন্য আলাদা এক্সট্রা বাসও নামানো হতো।

কিন্তু ২০০৭ সাল পর্যন্তও এই রুটে গাড়ি বেশ ভালোই চললেও, ২০০৮ সালের পর থেকে ধীরে ধীরে এই রুটটি লোকসানের মুখে পড়তে শুরু করে। ওই রুটের ড্রাইভার - কন্ডাক্টরদের চরম মিসম্যানেজমেন্ট এবং গাড়ির মেইনটেন্যান্স খরচ হু-হু করে বেড়ে যাওয়ার কারণে ২০১১ সালে চিরতরে বন্ধ হয়ে যায় এই মিনিবাস সার্ভিসটি।

আজও আগরপাড়ার অনেকেই হয়তো জানেন না বা ভুলেই গেছেন যে, একসময় মন্দ্রাক্রান্তার পেছনের ত্রিকোণ পার্ক থেকে ওই লাল রঙের কাঠের বডিওয়ালা মিনিবাসগুলো হাওড়ার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যেত। ভবিষ্যতে এই রুট আর কোনোদিন চালু হবে কিনা, তা আমাদের জানা নেই।।

আপনার কি এই বাসে চড়ার কোনো স্মৃতি আছে? কিংবা আপনার ছোটবেলার কোনো ঘটনা জড়িত এর সাথে? কমেন্টে জানান আপনাদের সেই নস্টালজিক মুহূর্তগুলো! 👇

ছবিটি Kolkata Bus O Pedia গ্রুপ থেকে নেওয়া ❤️


゚viralシ

🚦 আগরপাড়ার লাইফলাইন নাকি প্রতিদিনের ভোগান্তি? কথা ৫ নম্বর রেল গেট নিয়ে!বিটি রোড বা নীলগঞ্জ রোড থেকে তারাপুকুর, শক্তিপুর,...
21/07/2026

🚦 আগরপাড়ার লাইফলাইন নাকি প্রতিদিনের ভোগান্তি? কথা ৫ নম্বর রেল গেট নিয়ে!

বিটি রোড বা নীলগঞ্জ রোড থেকে তারাপুকুর, শক্তিপুর, ঘোষপাড়া, উষুমপুর, নিমতা কদমতলা, আজাদ হিন্দ নগর কিংবা উত্তরপল্লী — ভেতরের এই সমস্ত এলাকার সাথে যোগাযোগের জন্য একমাত্র ভরসা হলো এই ৫ নম্বর রেল গেট। দক্ষিণ দিকে ৪ নম্বর (বাসুদেবপুর, যা বেলঘরিয়ার দিকে) আর উত্তর দিকে ৬ নম্বর (সোদপুর রেল গেট) থাকায়, আগরপাড়ার এই চত্বরের গাড়িগুলোকে বিটি রোডে উঠতে গেলে এই একটাই রাস্তা পার হতে হয়।

কিন্তু আসল সমস্যা হলো এর দৈনন্দিন দশা। বেশি ব্যবহারের চাপে গেটটি প্রায়ই খারাপ হয়ে বন্ধ থাকে, যার জেরে লেগেই থাকে তীব্র যানজট। এই কনজেশনের ভয়ে ওলা - উবার ক্যাবগুলো এপারে আসতেই চায় না, আর আসতে হলেও তারা আরো বেশি ভাড়া চায়। তার ওপর বর্ষাকাল এলে তো কথাই নেই— ডাউন রেললাইনের সাইডে পুকুর থাকায় দুই পাশেই জল জমে রাস্তা দিয়ে হাঁটা বা যাতায়াত করা নরকসমান হয়ে দাঁড়ায়।

আপনারও কি প্রতিদিন এই ৫ নম্বর রেল গেট পার হয়ে যাতায়াত করতে হয়? এই চরম সমস্যার স্থায়ী সমাধান কী হওয়া উচিত? কমেন্টে আপনাদের মতামত জানান! 👇

Address

81,Nilgunj Road, Agarpara
Kolkata
700109

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when The Agarpara Buzz posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share