28/05/2026
ত্যাগ, সম্প্রীতি ও মানবতার বার্তা নিয়ে পবিত্র ঈদুল আজহা
মুসলিম উম্মাহর অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহা ত্যাগের মহিমায় উজ্জ্বল এক অনন্য দিন। হযরত ইব্রাহিম (আ.)-এর মহান আত্মত্যাগের স্মৃতিকে ধারণ করে প্রতি বছর মুসলমানরা এই ঈদ উদযাপন করেন ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও আনন্দের মধ্য দিয়ে।
ঈদুল আজহার মূল শিক্ষা হলো আত্মত্যাগ, ধৈর্য, সহমর্মিতা ও আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আনুগত্য। কুরবানির মাধ্যমে মানুষ কেবল পশু জবাই করে না, বরং নিজের ভেতরের লোভ, হিংসা ও অহংকারকেও ত্যাগ করার শিক্ষা গ্রহণ করে। সমাজের অসহায় ও দরিদ্র মানুষের সঙ্গে কুরবানির মাংস ভাগাভাগি করার মধ্য দিয়ে গড়ে ওঠে ভ্রাতৃত্ববোধ ও সামাজিক সম্প্রীতি।
ঈদের দিন সকালেই মুসল্লিরা ঈদগাহ ও মসজিদে সমবেত হয়ে নামাজ আদায় করেন। পরে পরিবার-পরিজন, আত্মীয়স্বজন ও প্রতিবেশীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়ের মধ্য দিয়ে উৎসবের আনন্দ ছড়িয়ে পড়ে সর্বত্র। একই সঙ্গে পরিচ্ছন্ন পরিবেশ বজায় রেখে কুরবানি সম্পন্ন করার বিষয়েও সচেতনতা বৃদ্ধি পেয়েছে।
পবিত্র ঈদুল আজহা আমাদের ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে ত্যাগ, মানবতা ও সৌহার্দ্যের শিক্ষা ছড়িয়ে দিক—এটাই সবার প্রত্যাশা।
লেখক: সংবাদকর্মী।