14/01/2026
ভারত ভ্রমণের জন্য মেডিকেল ভিসার (Medical Visa) আবেদনের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় নথিপত্র নিচে দেওয়া হলো। এই তালিকাটি মূলত বাংলাদেশ থেকে আবেদনকারীদের জন্য প্রযোজ্য এবং নথিপত্রগুলো নির্ভুলভাবে জমা দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।
রোগীর জন্য প্রয়োজনীয় নথিপত্র
বৈধ পাসপোর্ট: মূল পাসপোর্ট যার মেয়াদ কমপক্ষে ৬ মাস থাকতে হবে এবং অন্তত ৩টি সাদা পৃষ্ঠা থাকতে হবে।
পাসপোর্ট ডেটা পেজের ফটোকপি: পাসপোর্টের তথ্য পাতার একটি ফটোকপি।
ছবি: সাম্প্রতিক তোলা দুই কপি পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি (২x২ ইঞ্চি), সাদা ব্যাকগ্রাউন্ডসহ।
অনলাইন ভিসা আবেদন ফর্ম: অনলাইনে পূরণকৃত এবং স্বাক্ষরিত ভিসা আবেদন ফর্ম। এটি Indian Visa Online Portal থেকে পাওয়া যাবে।
ভারতীয় হাসপাতাল থেকে আমন্ত্রণপত্র (VIL): ভারতের যে হাসপাতালে চিকিৎসা হবে, সেই হাসপাতালের একজন অনুমোদিত কর্মকর্তার স্বাক্ষরিত একটি মূল আমন্ত্রণপত্র। এতে রোগীর নাম, পাসপোর্টের তথ্য, এবং চিকিৎসার বিস্তারিত উল্লেখ থাকবে।
গুরুত্বপূর্ণ: এপ্রিল ২০২৫ থেকে কিছু ভারতীয় হাসপাতালকে ভারত সরকারের AYUSH পোর্টালের মাধ্যমে একটি "মেডিকেল ভিসা রেফারেন্স নম্বর" সহ আমন্ত্রণপত্র ইস্যু করতে হয়।
চিকিৎসা সংক্রান্ত কাগজপত্র:
বাংলাদেশের স্থানীয় ডাক্তার বা হাসপাতাল থেকে প্রাথমিক চিকিৎসার পরামর্শপত্র (Preliminary medical advice)।
সকল সাম্প্রতিক মেডিকেল রিপোর্ট এবং তদন্ত রিপোর্ট (investigatory reports)।
ঠিকানার প্রমাণ: গত তিন মাসের ইউটিলিটি বিলের কপি (যেমন: বিদ্যুৎ, পানি বা গ্যাস বিল)।
আর্থিক সচ্ছলতার প্রমাণ: গত তিন মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্ট অথবা যিনি চিকিৎসার খরচ বহন করবেন তার আর্থিক নিশ্চয়তা পত্র (Financial Guarantee/Affidavit) এবং তার ব্যাংক স্টেটমেন্ট।
পেশাগত প্রমাণ: চাকরিরত হলে এনওসি (NOC) বা ট্রেড লাইসেন্সের কপি (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)।
বিমান টিকেট: রিটার্ন বা পরবর্তী যাত্রার টিকিটের কপি।
মেডিকেল অ্যাটেনডেন্ট (সহযোগী) ভিসার জন্য প্রয়োজনীয় নথিপত্র
রোগীর সাথে সর্বোচ্চ দুজন নিকটাত্মীয় মেডিকেল অ্যাটেনডেন্ট ভিসার জন্য আবেদন করতে পারেন।
সকল সাধারণ নথিপত্র: উপরে উল্লিখিত রোগীর জন্য প্রয়োজনীয় পাসপোর্ট, ছবি, ফর্ম, ঠিকানার প্রমাণ ইত্যাদি সব নথিপত্র অ্যাটেনডেন্টের জন্যও লাগবে।
ভারতীয় হাসপাতাল থেকে চিঠি: ভারতীয় হাসপাতাল থেকে অ্যাটেনডেন্টের নাম এবং রোগীর সাথে তার সম্পর্ক উল্লেখ করে একটি চিঠি।
সম্পর্কের প্রমাণ: রোগীর সাথে সম্পর্কের প্রমাণপত্র (যেমন: জন্মসনদ, বিয়ের সনদ বা জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি)।
রোগীর মেডিকেল ভিসার কপি: যদি রোগী এবং অ্যাটেনডেন্ট আলাদাভাবে ভিসার জন্য আবেদন করেন, তবে অ্যাটেনডেন্টকে অবশ্যই রোগীর মেডিকেল ভিসার একটি কপি জমা দিতে হবে।
সঠিক ও নির্ভুল কাগজপত্র দ্রুত ভিসা পেতে সাহায্য করে। জরুরি চিকিৎসার ক্ষেত্রে প্রমাণের ভিত্তিতে ১-২ দিনের মধ্যেও ভিসা ইস্যু হতে পারে। ভিসা আবেদন প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে IVAC Bangladesh ওয়েবসাইট ভিজিট করতে পারেন।