Rejuan-ism

Rejuan-ism ভাবনা, অনুভূতি আর উপলব্ধির নিজস্ব ভাষা...
𝐑𝐞𝐣𝐮𝐚𝐧-𝐢𝐬𝐦 — 𝒘𝒉𝒆𝒓𝒆 𝒕𝒉𝒐𝒖𝒈𝒉𝒕𝒔 𝒇𝒊𝒏𝒅 𝒎𝒆𝒂𝒏𝒊𝒏𝒈.

২৬ মার্চ, মহান স্বাধীনতা দিবস। মুক্তিযুদ্ধের সকল শহীদ ও বীর সেনানীদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা-
26/03/2026

২৬ মার্চ, মহান স্বাধীনতা দিবস। মুক্তিযুদ্ধের সকল শহীদ ও বীর সেনানীদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা-

সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা"ঈদ মোবারক" তাকাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম🌙
20/03/2026

সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা
"ঈদ মোবারক" তাকাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম🌙

হে আমাদের রব!হেদায়াতের পর তুমি আমাদের অন্তরগুলোকে আবার বক্র করে দিও না, আমাদেরকে তোমার নিকট হতে রহমত প্রদান কর, মূলতঃ তু...
20/03/2026

হে আমাদের রব!
হেদায়াতের পর তুমি আমাদের অন্তরগুলোকে আবার বক্র করে দিও না, আমাদেরকে তোমার নিকট হতে রহমত প্রদান কর, মূলতঃ তুমিই মহান দাতা। (আলে-ইমরান : ৮)

কালের গর্ভে কত অহংকারী সাম্রাজ্যই তো বিলীন হয়েছে! আজ বোধহয় আমরা আরেকটি অমোঘ পতনের পদধ্বনি শুনছি।তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের অ...
18/03/2026

কালের গর্ভে কত অহংকারী সাম্রাজ্যই তো বিলীন হয়েছে! আজ বোধহয় আমরা আরেকটি অমোঘ পতনের পদধ্বনি শুনছি।
তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সৈয়দ মোহাম্মদ মারান্দির বিশ্লেষণে যে চিত্রটি ফুটে উঠেছে, তা নিছক কোনো রাজনৈতিক বয়ান নয়; বরং এক অনিবার্য বাস্তবতার প্রতিচ্ছবি। ইসরায়েলের বুকে যে ক্ষতের সৃষ্টি হয়েছে, তা আর কখনোই শুকোবার নয়। মারান্দির ভাষায়, আমরা হয়তো এক ‘অনিবার্য সমাপ্তির সূচনা’ (The Beginning of the End) দেখতে পাচ্ছি। এমন এক পোড়ামাটিতে ভবিষ্যতের কোনো বিনিয়োগকারী আর পা রাখবে না।

যুদ্ধক্ষেত্রের সমীকরণও আজ অদ্ভুতভাবে বদলে গেছে। একসময় তেল আবিবে সাইরেন বাজার দশ মিনিট পর আঘাত হানতো মিসাইল, আর আজ? আজ আঘাত হানার মাত্র কয়েক সেকেন্ড আগে বেজে ওঠে বিপৎসংকেত। আকাশছোঁয়া অহংকার আর আমেরিকা-ইসরায়েলের তথাকথিত দুর্ভেদ্য প্রতিরক্ষার মিথ আজ ক্লান্ত, পরিশ্রান্ত। পাশার দান এখন পুরোপুরি ইরানের হাতে।

ওদিকে আটলান্টিকের ওপারেও বাজছে পশ্চাদপসরণের সুর। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তড়িঘড়ি করে ‘মিশন কমপ্লিট’ বলে একটি সম্মানজনক প্রস্থানের পথ খুঁজছেন। কিন্তু তেহরান তাকে এতো সহজে মুক্তি দেবে কেন? ট্রাম্পের দূতেরা দু-দুবার আলোচনার প্রস্তাব নিয়ে গেলেও, অতীতের তিক্ত বিশ্বাসঘাতকতার স্মৃতি মনে রেখে ইরান তা সগর্বে ফিরিয়ে দিয়েছে।

নেতৃত্বের এই ক্রান্তিলগ্নে ইরানের দৃশ্যপটে এসেছেন নতুন রাহবার—আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি। দীর্ঘ দুই দশক ধরে যিনি জ্ঞানবিতরণে মগ্ন ছিলেন, এক অনাড়ম্বর আর সাধাসিধে জীবনের অধিকারী এই প্রাজ্ঞ স্কলার যেন পূর্বসূরিরই এক নিরবচ্ছিন্ন ধারাবাহিকতা।

এ লড়াই আজ আর কেবল মধ্যপ্রাচ্যের রুক্ষ বালুকাতেই সীমাবদ্ধ নেই। এটি আজ যেন সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে বিশ্বের আপামর শোষিত মানুষের এক সম্মিলিত বিজয়ের রূপ নিচ্ছে। পাহাড়সম অর্থনৈতিক অবরোধ আর নিষেধাজ্ঞার শেকল ভেঙে ইরানের ‘প্রতিরোধ অর্থনীতি’ (Resistance Economy) আজ প্রমাণ করেছে— কৌশল যদি সুনিপুণ হয়, তবে অবিচল থেকে বিজয়ের হাসি হাসা যায়।

17/03/2026

টাকা হলে বুঝিয়ে
দেবো যে,
সালামি চেয়ে নেওয়ার জিনিস না..

17/03/2026

ইরান-হিজরায়েল যুদ্ধ কেবল তারাই বুঝতেছে
যাদের কাছে বাইক আছে কিন্তু তেল নেই 🙂

16/03/2026

Your normal day is someone's dream,
So be thankful everyday...

15/03/2026

ক্ষমা করা তোমারি গুন,
মুছে দাও পাপের আগুন...

14/03/2026

আসক্তি হোক দুরুদে..!
হৃদয় শান্তি খুঁজে নিক রাসূল (সঃ) এর নামে...

লাইলাতুল কদর হওয়ার আলামত সমূহ-
12/03/2026

লাইলাতুল কদর হওয়ার আলামত সমূহ-

মুজতবার বাবা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি যেদিন শাহাদাত বরণ করেন, একই হামলায় শহীদ হন তার মা, স্ত্রী ও বোন। জুনিয়র খামেনি মুজতবা...
10/03/2026

মুজতবার বাবা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি যেদিন শাহাদাত বরণ করেন, একই হামলায় শহীদ হন তার মা, স্ত্রী ও বোন। জুনিয়র খামেনি মুজতবা সেদিন ওই বাসায় ছিলেন না। অনেক জায়গায় বোমা হামলা করে তাকে মারার চেষ্টা করা হয়েছে, কিন্তু এখনো বেঁচে আছেন তিনি। শেষ পর্যন্ত বাবার স্থলাভিষিক্ত হয়ে ইরানের সুপ্রিম লিডার হয়েছেন।

ঐতিহ্যগতভাবে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হওয়ার জন্য ‘আয়াতুল্লাহ’ যোগ্যতা অর্জন করা লাগে। কিন্তু মুজতবা খামেনি হচ্ছেন ‘হুজ্জাতুল ইসলাম’। শিয়া ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানকে সাধারণত হাওজা বা সেমিনারি বলা হয়। সেখানকার আলেমদের পড়াশোনা ও যোগ্যতার আলোকে বিভিন্ন রকম উপাধি আছে।

• তালেবে ইলম (জ্ঞান অন্বেষণকারী) : ছাত্র
• সিগাতুল ইসলাম (ইসলামের বিশ্বাস) : জুনিয়র আলেম
• হুজ্জাতুল ইসলাম (ইসলামের প্রমাণ) : মাঝারি পর্যায়ের আলেম
• হুজ্জাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলিমিন : সিনিয়র আলেম‍। ধর্মীয় বক্তা হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেছেন‍।
• আয়াতুল্লাহ (আল্লাহর নিদর্শন) : উচ্চ পর্যায়ের আলেম, যিনি মুজতাহিদ। ইসলামি বিধানের নতুন ব্যাখ্যা দেওয়ার মতো ইজতিহাদের যোগ্যতা অর্জন করেছেন।
• গ্রান্ড আয়াতুল্লাহ (আয়াতুল্লাহ আল উজমা) : বহু বছরের গবেষণা ও পাণ্ডিত্য যার আছে। তাকে বলা হয় মারাজা-ই-তাকলিদ (রেফারেন্স পার্সন)।

আলজাজিরার রিপার্টে বলা হয়েছে, মুজতবা খামেনি নেতা হবেন এমন কোনো ইঙ্গিত তিনি কখনো দেননি। নেতার ছেলে নেতা হলে অতীতের পাহলবি রাজতন্ত্রের মতো বংশগত শাসনের জন্ম দেবে এমন আশঙ্কা করা হতো। মুজতবা নিজের জন্য লো প্রোফাইল মেইনটেইন করতেন। খুব একটা প্রকাশ্যে আসতেন না, জনসমাবেশে রাজনৈতিক বক্ততা দিতেন না, জুমআর নামাজেও খুতবা দিতেন না, কোনো ইস্যুতেই কোনো আলোচনায় অংশ নিতেন না। বেশিরভাগ ইরানি কখনো মুজতবা খামেনির কণ্ঠ শোনেনি। কিন্তু তারপরও অনেক বছর ধরে সবাই জানত, সরকারের ভেতরে মুজতবা একজন গুরুত্বপূর্ণ ও প্রভাবশালী ব্যক্তি।

মুজতবার বাবা ৮ বছর ইরানের প্রেসিডেন্ট ছিলেন, ৩৬ বছর সুপ্রিম লিডার ছিলেন; কিন্তু মুজতবা তেমন কোনো পদ হোল্ড করেননি। তিনি কখনো কোনো নির্বাচনে অংশ নেন নাই, বড় কোনো অফিসের দায়িত্বেও ছিলেন না। কিন্তু সর্বোচ্চ নেতার ছেলে হিসেবে ক্ষমতার কেন্দ্রে অবস্থান করেছিলেন। খামেনির নিজস্ব সার্কেলে একজন বুদ্ধিদীপ্ত মানুষ হিসেবে প্রভাবশালী হয়ে উঠেছিলেন, বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর সঙ্গে তার যোগাযোগ ও ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়েছিল।

শুরুটা হয়েছিল টগেবগে তরুণ বয়সে। আশির দশকে ইরাক-ইরান যুদ্ধের সময় মুজতবা বিপ্লবী গার্ডের হাবিব ব্যাটলিয়নে যুক্ত ছিলেন, বেশকিছু সামরিক অভিযানে অংশ নিয়েছিলেন। তার সেই সময়ের সহযোদ্ধারা অনেকেই পরবর্তীতে নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা শাখায় বড় বড় পদে চলে যান। তারাই এখন মুজতবাকে সমর্থন করছেন। সিনিয়র অনেক নেতৃত্বকে ডিঙিয়ে বয়সে ছোট মুজতবার সর্বোচ্চ নেতা হওয়ার ক্ষেত্রে তাই সমস্যা হয়নি।

ইরানের ৮৮ সদস্য বিশিষ্ট এসেম্বলি অব এক্সপার্টস মুজতবা খামেনিকে সুপ্রিম লিডার নির্বাচিত করেছে। তারপর এসেম্বলি দেশের সকল ইরানিকে, বিশেষ করে এলিট বুদ্ধিজীবী ও বিশ্ববিদ্যালয় পণ্ডিতদেরকে মুজতবার প্রতি আনুগত্য দেখানো ও ঐক্য বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছে।

বড় মাপের আলেম না হয়ে এমন শীর্ষ ধর্মীয় রাষ্ট্রীয় পদে বসা নিয়ে বিতর্ক হতে পারে বলে অনেক বিশ্লেষক ধারণা করছেন। তবে মুজতবার বাবা আলী খামেনিও যখন সুপ্রিম লিডার হন, তখন তিনি আয়াতুল্লাহ ছিলেন না। কিন্তু অন্যান্য যোগ্যতার আলোকে সংবিধান সংশোধন করে তাকে সর্বোচ্চ নেতা বানানো হয়েছিল। ছেলেকে নেতা বানিয়ে ইরান সম্ভবত এই বার্তা দিতে চায়, খামেনিকে হত্যা করে তার কঠোর নেতৃত্বের ধারা বন্ধ করা যাবে না।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মুজতবার নাম প্রথম আলোচনায় আসে ২০০৫ সালে। তখন আহমেদিনেজাদকে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত করতে মুজতবা পর্দার আড়ালে ভূমিকা রেখেছিলেন বলে অভিযোগ ওঠে। বিরোধী সংস্কারপন্থী নেতা মেহদি কারুবি খামেনিকে লেখা এক খোলা চিঠিতে ভোটে কারচুপি হয়েছে দাবি করেন এবং তাতে মুজতবা ও বিপ্লবী গার্ড বাহিনী জড়িত বলে অভিযোগ করেন। চারবছর পর আহমেদিনেজাদ পুনরায় নির্বাচিত হলে বিরোধীরা সারাদেশে গ্রিন মুভমেন্ট নামে বিক্ষোভ করে।

ব্লুমবার্গের এক রিপোর্টে বলা হয়, মুজতবা বহুবছর ধরে গোপনে বিদেশে বিশাল সম্পত্তি ও বিনিয়োগ নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছেন। লন্ডন, দুবাই, জার্মানি, স্পেন, অস্ট্রিয়াসহ বিভিন্ন জায়গায় কোটি কোটি ডলারের সম্পত্তি আছে বলে অভিযোগ করা হয়। তবে মুজতবার নিজের নামে কিছু নাই। ইরানি বিজনেসম্যান আলী আনসারীর মাধ্যমে শেল কোম্পানি ও অফশোর ফার্মের নামে এসব সম্পত্তি করেছেন বলে রিপোর্টে বলা হয়েছে। তবে আনসারী এসব অভিযোগ অস্বীকার করেন‍। ২০১৯ সালে যুক্তরাষ্ট্র মুজতবার উপরে নিষেধাজ্ঞা জারি করে।

মুজতবার জন্ম ১৯৬৯ সালে। ছয় ভাইবোনের মধ্যে তিনি দ্বিতীয়। তার শৈশব জড়িয়ে আছে পাহলবীর স্বৈরতন্ত্র উৎখাত আন্দোলনের উত্তাল সময়ে। ধর্মীয় ও সাধারণ দুই ধরনের শিক্ষা নিয়েছেন। রাজনৈতিক অর্থনৈতিক সামরিক অনেক অভিজ্ঞতা আছে। ৫৬ বছর বয়সে মোটামুটি পরিবারের সবাইকে হারিয়েছেন। এখন আর তার হারানোর কিছু নেই। এই পর্যায়ে মুজতবার সুপ্রিম লিডার হওয়ার অর্থ খামেনির মতো একই রক্তধারায় কঠোর নীতিতে দেশ শাসন করবেন তিনি। কোনো অবস্থাতেই শত্রুপক্ষের কাছে মাথানত করবেন না।
..
তামিম ইশতিয়াক

Address

BAU
Mymensingh

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Rejuan-ism posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share