কৃতি মিডিয়া -Kriti Media

কৃতি মিডিয়া -Kriti Media কৃত্তি মিডিয়া
বাংলা সাহিত্য • শিক্ষা • সমাজ • ডকুমেন্টারি
চিন্তার গভীরতা, তথ্যের সত্যতা
📺 YouTube: কৃত্তি মিডিয়া

27/02/2026

Assalamuallikum

26/02/2026

🔹 ২️ কারক কত প্রকার?

বাংলায় মোট ৬ প্রকার কারক:

কারক প্রশ্ন উদাহরণ

কর্তৃকারক কে? রাহিম ভাত খায়

কর্মকারক কাকে? কী? আমি বই পড়ি

করণকারক কিসে? সে কলম দিয়ে লেখে

সম্প্রদান কাকে (দেওয়া)? মা আমাকে টাকা দিলেন

অপাদান কোথা থেকে? সে ঢাকা থেকে এসেছে

অধিকরণ কোথায়? সে ঘরে বসে আছে

11/02/2026

বাংলাদেশে নিরব বিপ্লব ঘটতে যাচ্ছে !

কৃতি মিডিয়ার  জনক !
29/01/2026

কৃতি মিডিয়ার জনক !

21/01/2026

আলহামদুলিল্লাহ।

আল্লাহ অশেষ রহমতে শুরু করতেছি আমরা এই পথ চলা।

আল্লাহ আমাকে সফলকামী করুক। আমিন 😊

04/01/2026

সমাপ্তি গল্পের কাহিনী

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘সমাপ্তি’ গল্পটি মূলত এক চঞ্চল ও অবাধ্য কিশোরীর পূর্ণবয়স্কা নারীতে রূপান্তরিত হওয়ার এবং প্রেমের গুরুত্ব উপলব্ধি করার এক মনস্তাত্ত্বিক কাহিনী।

গল্পের মূল ঘটনাপ্রবাহ নিচে দেওয়া হলো:

১. অপুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন: গল্পের নায়ক অপূর্বকৃষ্ণ (অপু) কলকাতায় পড়াশোনা শেষ করে বিএল পরীক্ষা দিয়ে নিজের গ্রামে ফিরে আসে। তার মা তাকে বিয়ে দেওয়ার জন্য ব্যাকুল ছিলেন এবং পাশের গ্রামের এক শান্ত ও সুবোধ মেয়েকে পছন্দ করে রাখেন।

২. মৃন্ময়ীর সঙ্গে পরিচয়: গ্রামে এসে অপূর্বের পরিচয় হয় অপূর্ব সুন্দরী কিন্তু প্রচণ্ড চঞ্চল ও বুনো স্বভাবের কিশোরী মৃন্ময়ীর সাথে। মৃন্ময়ীকে গ্রামের সবাই ‘পাগলি’ বলে ডাকত। তার চঞ্চলতা ও মুক্ত স্বভাব দেখে অপু মুগ্ধ হয় এবং মায়ের পছন্দের মেয়েকে বাদ দিয়ে মৃন্ময়ীকেই বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নেয়।
এই গল্পটি একটি কিশোরীর মানসিক বিকাশের এক অসাধারণ চিত্র তুলে ধরে। মৃন্ময়ী, যে initially বিয়ে এবং সম্পর্কের ধারণা বুঝতে পারে না, ধীরে ধীরে তার স্বামী অপূর্বের প্রতি ভালোবাসা এবং দায়িত্ববোধ অনুভব করতে শেখে।
গল্পে দেখা যায়, মৃন্ময়ী initially তার চঞ্চল স্বভাবের কারণে বিয়ের বাঁধন এবং সংসারের নিয়মকানুন মানতে অস্বীকার করে। তার আচরণ প্রায়শই সমস্যার সৃষ্টি করে। তবে অপূর্বের গ্রাম ছেড়ে কলকাতা চলে যাওয়ার পর মৃন্ময়ীর জীবনে এক পরিবর্তন আসে। সে একা হয়ে যায় এবং এই একাকীত্ব তাকে নিজের অনুভূতিগুলো বুঝতে সাহায্য করে। সে বুঝতে পারে যে সে অপূর্বকে ভালোবাসে এবং তার অনুপস্থিতিতে এক শূন্যতা অনুভব করে।

এই উপলব্ধির পর মৃন্ময়ী ধীরে ধীরে শান্ত এবং পরিপক্ক হয়ে ওঠে। গল্পের শেষে অপূর্ব গ্রামে ফিরে আসে এবং মৃন্ময়ীর এই পরিবর্তিত রূপ দেখে মুগ্ধ হয়। মৃন্ময়ী তখন তার ভালোবাসার প্রকাশ ঘটায় এবং তারা নতুনভাবে তাদের দাম্পত্য জীবন শুরু করে। এটি কিশোরী মৃন্ময়ীর জীবনের এক পর্বের সমাপ্তি এবং পূর্ণাঙ্গ নারী হিসেবে তার নতুন জীবনের সূচনা।
এটি লক্ষ করা গুরুত্বপূর্ণ যে গল্পটি একটি ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে লেখা হয়েছিল এবং প্রধান চরিত্রগুলির মধ্যে বয়সের পার্থক্য আধুনিক মানদণ্ডে সংবেদনশীল বা অনুপযুক্ত বলে বিবেচিত হতে পারে।
এই গল্পের ওপর ভিত্তি করেই সত্যজিৎ রায় তাঁর বিখ্যাত ‘তিন কন্যা’ চলচ্চিত্রের একটি অংশ নির্মাণ করেছিলেন। আপনি চাইলে রবীন্দ্রনাথের গল্পের আরও গভীরে যেতে রবীন্দ্র রচনাবলী সাইটটি ঘুরে দেখতে পারেন।

03/01/2026

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘মধ্যবর্তিনী’ গল্পের কাহিনী সংক্ষেপ

ভূমিকা:
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'মধ্যবর্তিনী' একটি মনস্তাত্ত্বিক ছোটগল্প। নিঃসন্তান দাম্পত্য জীবনে স্বামীর সুখের কথা ভেবে স্ত্রী যখন নিজেই স্বামীর দ্বিতীয় বিয়ের ব্যবস্থা করেন, তখন সম্পর্কের সমীকরণ কীভাবে বদলে যায়—তাই এই গল্পের মূল উপজীব্য।

কাহিনী বিন্যাস:
১. সুখী দাম্পত্য ও অপূর্ণতা: গল্পের নায়ক নিবারণ এবং তার স্ত্রী হরসুন্দরী দীর্ঘকাল সুখে সংসার করেছেন। তাদের অগাধ ভালোবাসা ছিল, কিন্তু সংসারে কোনো সন্তান ছিল না। এই অভাববোধ হরসুন্দরীকেই বেশি পীড়িত করত।

২. হরসুন্দরীর আত্মত্যাগ ও দ্বিতীয় বিবাহ: নিবারণ তার প্রথম স্ত্রীতেই সন্তুষ্ট ছিলেন। কিন্তু হরসুন্দরী স্বামীর বংশরক্ষা এবং বার্ধক্যের একাকিত্ব ঘোচানোর কথা ভেবে জেদ ধরে নিবারণকে পুনরায় বিয়ে করান। নিবারণ অনিচ্ছুক হলেও শেষ পর্যন্ত শৈলবালা নামক এক রূপবতী কিশোরীকে বিয়ে করতে রাজি হন।

৩. মানসিক পটপরিবর্তন: বিয়ের পর দৃশ্যপট দ্রুত বদলে যায়। হরসুন্দরী ভেবেছিলেন শৈলবালা ছোট বোনের মতো হবে এবং তিনি নিজে বড় দিদির মতো সংসার সামলাবেন। কিন্তু যুবতী শৈলবালার চপলতা ও রূপে নিবারণ এতটাই মগ্ন হয়ে পড়েন যে, তিনি হরসুন্দরীকে অবহেলা করতে শুরু করেন। নিবারণের কাছে হরসুন্দরী হয়ে ওঠেন 'প্রয়োজনীয়' আর শৈলবালা হয়ে ওঠেন 'আকাঙ্ক্ষিত'।

৪. ত্রিকোণ দ্বন্দ্ব ও মধ্যবর্তিনী: হরসুন্দরী বুঝতে পারেন যে তার স্বামী তার থেকে মানসিকভাবে দূরে সরে গেছেন। অন্যদিকে, শৈলবালা নিবারণের মনোযোগ সম্পূর্ণ নিজের দিকে টেনে নেন। হরসুন্দরী যখন অবহেলার যন্ত্রণায় পিত্রালয়ে চলে যান, তখন নিবারণ তাকে ফেরানোর কোনো চেষ্টা করেননি। হরসুন্দরী ও নিবারণের দীর্ঘদিনের গভীর সম্পর্কের মাঝে শৈলবালা এক দুর্ভেদ্য দেয়াল বা 'মধ্যবর্তিনী' হিসেবে দাঁড়িয়ে যান।

৫. পরিণতি: গল্পের শেষে দেখা যায়, শৈলবালার অসুস্থতা এবং অস্থিরতায় নিবারণের জীবন বিষাদময় হয়ে ওঠে। যে ভালোবাসার টানে নিবারণ হরসুন্দরীকে ভুলেছিলেন, সেই প্রেমই তাকে ক্লান্ত করে ফেলে। অবশেষে শৈলবালার মৃত্যু এবং হরসুন্দরীর ফিরে আসার মধ্য দিয়ে এক বিষাদময় রিক্ততা ফুটে ওঠে।

উপসংহার:
রবীন্দ্রনাথ এই গল্পে দেখিয়েছেন যে, হৃদয়ের অধিকারে ভাগাভাগি চলে না। হরসুন্দরীর অতিরিক্ত আত্মত্যাগ এবং শৈলবালার আগমনে নিবারণের চারিত্রিক স্খলন—এই তিনের সংঘাতেই গল্পটি ট্র্যাজেডিতে পরিণত হয়েছে।

বাংলা ছোট গল্পের জনক
03/01/2026

বাংলা ছোট গল্পের জনক

বিএনপি চেযারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আজ সকাল ৬টায় ফজরের ঠিক পরে ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্...
30/12/2025

বিএনপি চেযারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আজ সকাল ৬টায় ফজরের ঠিক পরে ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিঊন। আমরা তাঁর রূহের মাগফিরাত কামনা করছি এবং সকলের নিকট তাঁর বিদেহী আত্মার জন্য দোয়া চাচ্ছি।
,

29/12/2025

ইনকিলাব মঞ্চের দায়িত্বশীল কারো সাথে আলোচনা না করে ও নিশ্চিত না হয়ে খাবার-পানীয় না আনার জন্য অনুরোধ।

সুত্র : ইনকিলাব মঞ্চের

📍DeaTH is decided in heaven , Not on earth.                                                ▶️Osman Hadi
29/12/2025

📍DeaTH is decided in heaven , Not on earth.

▶️Osman Hadi

" মানসী " কাব্যগ্রন্থ  রচনায় কবি রবিন্দরনাথ ঠাকুরের কবিত্বপ্রতিভার প্রথম প্রকাশ ঘটে । (৭ মে ১৮৬১ – ৭ আগস্ট ১৯৪১; ২৫ বৈশা...
29/12/2025

" মানসী " কাব্যগ্রন্থ রচনায় কবি রবিন্দরনাথ ঠাকুরের কবিত্বপ্রতিভার প্রথম প্রকাশ ঘটে ।

(৭ মে ১৮৬১ – ৭ আগস্ট ১৯৪১; ২৫ বৈশাখ ১২৬৮ – ২২ শ্রাবণ ১৩৪৮ বঙ্গাব্দ)

Address

255/b Salimuddin Market Mirpur 1 Dhaka1216
Mirpur
1216

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when কৃতি মিডিয়া -Kriti Media posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share