Travel With Sajal

Travel With Sajal Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Travel With Sajal, Andermanik, Mouchak, Kaliakair, Gazipur.

"লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ (স:)"
আমি আমার মহান আল্লাহর সিক্সটি এই প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করতে চাই এবং আল্লাহর এই সৃষ্টির জন্য তার দরবারে দু হাত তুলে শুকরিয়া জানাই। সত্যিই একমাত্র সেজদাহের মালিক আমার মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন"

কার কার এমন ট্রেইলের অভিজ্ঞতা আছে !
17/08/2025

কার কার এমন ট্রেইলের অভিজ্ঞতা আছে !

কোথায় ঘুরবেন!
17/08/2025

কোথায় ঘুরবেন!

🇧🇩"জাফলং-ডাউকি ব্রিজ – সীমান্তের বুকে স্বপ্নের ঝুলন্ত সেতু!"🇧🇩🖼️০২-০৮-২০২৩📌সিলেটের জাফলংয়ে যে ব্রিজটি বাংলাদেশ ও ভারতকে ...
17/08/2025

🇧🇩"জাফলং-ডাউকি ব্রিজ – সীমান্তের বুকে স্বপ্নের ঝুলন্ত সেতু!"🇧🇩

🖼️০২-০৮-২০২৩

📌সিলেটের জাফলংয়ে যে ব্রিজটি বাংলাদেশ ও ভারতকে সংযুক্ত করেছে, সেটির নাম ডাউকি ব্রিজ। এটি মূলত ভারতের মেঘালয় রাজ্যের ডাউকি শহরে অবস্থিত এবং এর নিচে দিয়ে বয়ে গেছে উমনগট নদী (যা বাংলাদেশে পিয়াইন নদী নামে পরিচিত)।
ঐতিহাসিক এই ঝুলন্ত সেতুটি ১৯৩২ সালে ব্রিটিশ আমলে নির্মিত হয়েছিল। এটি শুধু ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক পথ হিসেবেই কাজ করে না, বরং এর চারপাশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যও পর্যটকদের কাছে অত্যন্ত আকর্ষণীয়।জাফলং “Zero Point” নামে পরিচিত একটি সীমান্ত অঞ্চল থেকে ভারতের ডাউকি পাহাড় এবং ব্রিজটি সুস্পষ্টভাবে দেখা যায়, যা পর্যটকদের জন্য আকর্ষণের কেন্দ্র।
🚘যাতায়াত
ঢাকা → সিলেট:
🚎 সরাসরি এনা, শ্যামলী, হানিফ।
ঢাকা → সিলেট:
🚉 পারাবত, জয়ন্তিকা, কালনী, উপবন।
🛺সিলেট → জাফলং:
➡️সিলেট শহর থেকে জাফলংয়ের দূরত্ব প্রায় ৫৫ কিলোমিটার।সিলেট শহর থেকে সিএনজি বা লেগুনা করে প্রথমে গোয়াইনঘাট যেতে হবে।
🚶‍♂️জাফলং → ডাউকি ব্রিজ:
খুব কাছেই, হেঁটেই যাওয়া যায়।
#ডাউকি_ব্রিজ #ডাওকি #জাফলং #মেঘালয়_ভ্রমণ #ডাউকি_বর্ডার ী #ঝুলন্ত_সেতু #প্রকৃতির_সৌন্দর্য #সীমান্ত_ডাওকি #ভারত_ভ্রমণ

🇧🇩"সিলেটের ভোলাগঞ্জে লুকিয়ে আছে এক টুকরো স্বর্গ!🇧🇩🖼️০২-০৮-২০২৩📌সিলেটের ভোলাগঞ্জ যেন এক টুকরো স্বর্গ। এখানকার প্রধান আকর্...
17/08/2025

🇧🇩"সিলেটের ভোলাগঞ্জে লুকিয়ে আছে এক টুকরো স্বর্গ!🇧🇩

🖼️০২-০৮-২০২৩

📌সিলেটের ভোলাগঞ্জ যেন এক টুকরো স্বর্গ। এখানকার প্রধান আকর্ষণ হলো সাদা পাথর, যা পর্যটকদের মন কেড়ে নেয়। ভারতের মেঘালয় রাজ্যের পাহাড় থেকে নেমে আসা স্বচ্ছ জলধারার সঙ্গে মিশে আছে অসংখ্য সাদা নুড়ি পাথর, যা এই স্থানকে দিয়েছে এক অসাধারণ সৌন্দর্য।
✅এখানে একইসঙ্গে স্বচ্ছ নীল জল, দুধসাদা পাথর আর চারপাশের সবুজের সমাহার দেখতে পাওয়া যায়। নৌকায় করে যখন এই স্থানের দিকে যাওয়া হয় তখন চারপাশের দৃশ্য সকলকে মুগ্ধ করে। মেঘালয় পাহাড়ের মেঘেরা যেন এই সৌন্দর্যের নীরব সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।
যদি প্রকৃতিপ্রেমী হন এবং একঘেয়ে জীবন থেকে ছুটি চান, তবে ভোলাগঞ্জ সাদা পাথর হতে পারে আপনার জন্য সেরা গন্তব্য। বন্ধু-বান্ধব বা পরিবারের সাথে এই অসাধারণ স্থানটি ঘুরে আসতে পারেন।
🚘যাতায়াত:
🚎বাস: ঢাকা থেকে সিলেটে বিভিন্ন বাস সার্ভিস রয়েছে (যেমন: হানিফ, শ্যামলী, গ্রিনলাইন ইত্যাদি)। ভাড়া সাধারণত ৫০০ থেকে ১০০০ টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে।
🚉ট্রেন: ঢাকা কমলাপুর রেল স্টেশন থেকে সিলেটের উদ্দেশ্যে ট্রেন চলাচল করে। এটি একটি আরামদায়ক এবং প্রাকৃতিক দৃশ্য উপভোগ করার জন্য ভালো উপায়।
✈️বিমান: যারা দ্রুত ভ্রমণ করতে চান, তারা ঢাকা থেকে বিমানে করে সিলেটে যেতে পারেন। এতে সময় লাগে প্রায় ৪৫ মিনিট।
🚗সিলেট শহর থেকে ভোলাগঞ্জঃ
✅সিলেট শহরে পৌঁছানোর পর আপনাকে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ভোলাগঞ্জ যেতে হবে। ✅সিলেট শহর থেকে ভোলাগঞ্জের দূরত্ব প্রায় ৩৩-৩৫ কিলোমিটার।
✅সিলেটের আম্বরখানা থেকে ভোলাগঞ্জ সাদা পাথর যাওয়ার জন্য সিএনজি পাওয়া যায়।
🛺লোকাল সিএনজি জনপ্রতি ১৩০ থেকে ১৫০ টাকা ভাড়া লাগে।
🚌ভোলাগঞ্জ থেকে সাদা পাথরঃ
✅ভোলাগঞ্জ বাজারে নেমে আপনাকে "দশ নম্বর নৌকা ঘাট" যেতে হবে।
📓গুরুত্বপূর্ণ তথ্যঃ
✅ সীমান্ত এলাকা হওয়ায় কিছু ক্ষেত্রে বিজিবির অনুমতি লাগতে পারে। তাই সব সময় সতর্ক থাকা এবং স্থানীয় নিয়ম মেনে চলা উচিত।
✅অবশ্যই পানির অবস্থা বুঝে পানিতে নামা উচিত।
✅অবশ্যই পাথর থেকে সাবধান কারণ স্রোত বেশি থাকলে পাথরে পা কেটে যেয়ে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে অতএব সতর্ক থাকুন।
🗞️শেষ কথা :
✅আমি বলব ভ্রমণের জন্য সময় বের করে অবশ্যই ঘুরে আসুন এখান থেকে।
✅✅ বর্তমানে পাথর দস্যুরা এই ভোলাগঞ্জের সৌন্দর্য নষ্ট করে ফেলেছে 😡😡
#ভোলাগঞ্জসাদা_পাথর #সিলেটেরসৌন্দর্য #ভ্রমণ_বাংলাদেশ #প্রকৃতিপ্রেমী #অপরূপ_সিলেট #সিলেট #ভ্রমণ #বাংলাদেশ #ঘুরেবেড়াই #বাংলার_প্রকৃতি

🇧🇩"সিলেটের মায়াবী ঝর্ণা: প্রকৃতির এক লুকানো সৌন্দর্য"🇧🇩🖼️ ০২-০৮-২০২৩📍মায়াবী ঝর্ণাটি সিলেট জেলার গোয়াইনঘাট উপজেলার জাফ...
17/08/2025

🇧🇩"সিলেটের মায়াবী ঝর্ণা: প্রকৃতির এক লুকানো সৌন্দর্য"🇧🇩

🖼️ ০২-০৮-২০২৩

📍মায়াবী ঝর্ণাটি সিলেট জেলার গোয়াইনঘাট উপজেলার জাফলং অঞ্চলে অবস্থিত। জাফলং থেকে মাত্র কয়েক কিলোমিটার দূরেই এই স্বর্গীয় সৌন্দর্যের অবস্থান।
📌সিলেট, যা প্রকৃতির রূপে সমৃদ্ধ এক স্থান, সেখানে আছে এক গোপন সৌন্দর্যের আধার— মায়াবী ঝর্ণা। এর আসল নাম পান্তুমাই ঝর্ণা। এই ঝর্ণাটি মেঘালয়ের পাহাড় থেকে নেমে এসেছে এবং এর জলধারা বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। এটি স্থানীয়ভাবে 'ফাসপাও' বা 'ফাংউ' নামেও পরিচিত।
🏞️এই ঝর্ণাটি এমন এক জায়গায় অবস্থিত, যেখানে ভারত এবং বাংলাদেশের সীমান্ত প্রায় মিলে গেছে। ঝর্ণাটির উৎপত্তিস্থল ভারতের মেঘালয় রাজ্যের পাহাড়ি অঞ্চলে। তাই দূর থেকে এর পুরো সৌন্দর্য উপভোগ করতে হয়, কারণ ঝর্ণার কাছাকাছি যাওয়া যায় না।
🚘যাতায়াত
ঢাকা → সিলেট:
🚎 সরাসরি এনা, শ্যামলী, হানিফ।
ঢাকা → সিলেট:
🚉 পারাবত, জয়ন্তিকা, কালনী, উপবন।
🛺সিলেট → জাফলং:
সিলেট শহর থেকে জাফলংয়ের দূরত্ব প্রায় ৫৫ কিলোমিটার।সিলেট শহর থেকে সিএনজি বা লেগুনা করে প্রথমে গোয়াইনঘাট যেতে হবে।
জাফলং → মায়াবী ঝর্ণা:
⚓ থেকে নেমে হেঁটে যাওয়া যায়। তোমার নৌকা/ ট্রলারে করে।
🗞️ যদি কখনও ব্যস্ত জীবনের ক্লান্তি দূর করে শান্তি খুঁজে পেতে চান, তবে সিলেটের মায়াবী ঝর্ণা হতে পারে আপনার জন্য স্বর্গের প্রথম সিঁড়ি। একবার ঘুরে এলেই বুঝতে পারবেন কেন এ ঝর্ণাকে “মায়াবী” বলা হয়।
#মায়াবী_ঝর্ণা #পান্তুমাই_ঝর্ণা #সিলেটের_ঝর্ণা #প্রকৃতির_সৌন্দর্য #সিলেট_ভ্রমণ #বাংলাদেশ_ভ্রমণ #শান্ত_জলধারা #ঘুরে_বেড়াই #প্রকৃতির_মাঝে

🇧🇩"নীলাদ্রি লেক – বাংলাদেশের স্বর্গের এক টুকরো নীল সৌন্দর্য!"🇧🇩🖼️১৪-০২-২০১৯📌নীলাদ্রি লেক, যা স্থানীয়দের কাছে শহীদ সিরাজ ...
17/08/2025

🇧🇩"নীলাদ্রি লেক – বাংলাদেশের স্বর্গের এক টুকরো নীল সৌন্দর্য!"🇧🇩
🖼️১৪-০২-২০১৯
📌নীলাদ্রি লেক, যা স্থানীয়দের কাছে শহীদ সিরাজ লেক নামেও পরিচিত, বাংলাদেশের অন্যতম দৃষ্টিনন্দন প্রাকৃতিক স্থান। সুনামগঞ্জ জেলার তাহিরপুর উপজেলায় অবস্থিত এই লেকটি তার ফিরোজা-নীল পানির জন্য 'বাংলার কাশ্মীর' হিসেবে খ্যাতি পেয়েছে। মূলত এটি একটি পরিত্যক্ত চুনাপাথরের খনি, যা সময়ের সাথে সাথে জলে ভরে এক অপরূপ প্রাকৃতিক লেকে পরিণত হয়েছে।
🚘যাতায়াতঃ
🚎ঢাকা →সুনামগঞ্জ →🚌তাহিরপুর →🛺নীলাদ্রি লেক
#নীলাদ্রি_লেক #নীলাদ্রি_লেক_সুনামগঞ্জ #বাংলার_কাশ্মীর #তাহিরপুর #সুনামগঞ্জ #শহীদ_সিরাজ_লেক #বাংলাদেশ_ভ্রমণ #প্রকৃতির_রূপ #ভ্রমন_পিপাসু #ঘোরাঘুরি

🇧🇩"সিলেটের ভোলাগঞ্জে লুকিয়ে আছে এক টুকরো স্বর্গ!🇧🇩🖼️০২-০৮-২০২৩📌সিলেটের ভোলাগঞ্জ যেন এক টুকরো স্বর্গ। এখানকার প্রধান আকর্...
13/08/2025

🇧🇩"সিলেটের ভোলাগঞ্জে লুকিয়ে আছে এক টুকরো স্বর্গ!🇧🇩

🖼️০২-০৮-২০২৩

📌সিলেটের ভোলাগঞ্জ যেন এক টুকরো স্বর্গ। এখানকার প্রধান আকর্ষণ হলো সাদা পাথর, যা পর্যটকদের মন কেড়ে নেয়। ভারতের মেঘালয় রাজ্যের পাহাড় থেকে নেমে আসা স্বচ্ছ জলধারার সঙ্গে মিশে আছে অসংখ্য সাদা নুড়ি পাথর, যা এই স্থানকে দিয়েছে এক অসাধারণ সৌন্দর্য।

✅এখানে একইসঙ্গে স্বচ্ছ নীল জল, দুধসাদা পাথর আর চারপাশের সবুজের সমাহার দেখতে পাওয়া যায়। নৌকায় করে যখন এই স্থানের দিকে যাওয়া হয় তখন চারপাশের দৃশ্য সকলকে মুগ্ধ করে। মেঘালয় পাহাড়ের মেঘেরা যেন এই সৌন্দর্যের নীরব সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।

যদি প্রকৃতিপ্রেমী হন এবং একঘেয়ে জীবন থেকে ছুটি চান, তবে ভোলাগঞ্জ সাদা পাথর হতে পারে আপনার জন্য সেরা গন্তব্য। বন্ধু-বান্ধব বা পরিবারের সাথে এই অসাধারণ স্থানটি ঘুরে আসতে পারেন।

🚘যাতায়াত:
🚎বাস: ঢাকা থেকে সিলেটে বিভিন্ন বাস সার্ভিস রয়েছে (যেমন: হানিফ, শ্যামলী, গ্রিনলাইন ইত্যাদি)। ভাড়া সাধারণত ৫০০ থেকে ১০০০ টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে।

🚉ট্রেন: ঢাকা কমলাপুর রেল স্টেশন থেকে সিলেটের উদ্দেশ্যে ট্রেন চলাচল করে। এটি একটি আরামদায়ক এবং প্রাকৃতিক দৃশ্য উপভোগ করার জন্য ভালো উপায়।

✈️বিমান: যারা দ্রুত ভ্রমণ করতে চান, তারা ঢাকা থেকে বিমানে করে সিলেটে যেতে পারেন। এতে সময় লাগে প্রায় ৪৫ মিনিট।

🚗সিলেট শহর থেকে ভোলাগঞ্জঃ
✅সিলেট শহরে পৌঁছানোর পর আপনাকে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ভোলাগঞ্জ যেতে হবে। ✅সিলেট শহর থেকে ভোলাগঞ্জের দূরত্ব প্রায় ৩৩-৩৫ কিলোমিটার।
✅সিলেটের আম্বরখানা থেকে ভোলাগঞ্জ সাদা পাথর যাওয়ার জন্য সিএনজি পাওয়া যায়।

🛺লোকাল সিএনজি জনপ্রতি ১৩০ থেকে ১৫০ টাকা ভাড়া লাগে।

🚌ভোলাগঞ্জ থেকে সাদা পাথরঃ
✅ভোলাগঞ্জ বাজারে নেমে আপনাকে "দশ নম্বর নৌকা ঘাট" যেতে হবে।

📓গুরুত্বপূর্ণ তথ্যঃ
✅ সীমান্ত এলাকা হওয়ায় কিছু ক্ষেত্রে বিজিবির অনুমতি লাগতে পারে। তাই সব সময় সতর্ক থাকা এবং স্থানীয় নিয়ম মেনে চলা উচিত।
✅অবশ্যই পানির অবস্থা বুঝে পানিতে নামা উচিত।
✅অবশ্যই পাথর থেকে সাবধান কারণ স্রোত বেশি থাকলে পাথরে পা কেটে যেয়ে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে অতএব সতর্ক থাকুন।

🗞️শেষ কথা :
✅আমি বলব ভ্রমণের জন্য সময় বের করে অবশ্যই ঘুরে আসুন এখান থেকে।

✅✅ বর্তমানে পাথর দস্যুরা এই ভোলাগঞ্জের সৌন্দর্য নষ্ট করে ফেলেছে 😡😡

#ভোলাগঞ্জসাদা_পাথর #সিলেটেরসৌন্দর্য #ভ্রমণ_বাংলাদেশ #প্রকৃতিপ্রেমী #অপরূপ_সিলেট #সিলেট #ভ্রমণ #বাংলাদেশ #ঘুরেবেড়াই #বাংলার_প্রকৃতি

🇧🇩"লালে মোড়ানো স্বর্গ:সুনামগঞ্জের শিমুলবাগান!"🇧🇩🖼️১৪-০২-২০১৯📌"শিমুল বাগান" এটাকে আমরা সবাই জানি জয়নুল আবেদীন শিমুল বাগ...
09/08/2025

🇧🇩"লালে মোড়ানো স্বর্গ:সুনামগঞ্জের শিমুলবাগান!"🇧🇩
🖼️১৪-০২-২০১৯

📌"শিমুল বাগান" এটাকে আমরা সবাই জানি জয়নুল আবেদীন শিমুল বাগান নামে। ২০১৯ সালের গিয়েছিলাম, শুনেছি বসন্তের শুরুতে নাকি শিমুল বাগানে আগুন জ্বলে। "আর ওই যে একটা গানে শুনেছিলাম "পলাশ শিমুল গাছে লেগেছে আগুন" আর সেই আগুন দেখার জন্য ফাল্গুন মাসের ১ম দিন যেটা ঐদিন ভালোবাসা দিবস ছিল ১৪ ফেব্রুয়ারি চলে গিয়েছিলাম এখানে।

📍সুনামগঞ্জ জেলার তাহিরপুর উপজেলায় অবস্থিত জয়নুল আবেদীন শিমুলবাগান একটি মনোমুগ্ধকর প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি। শুধু বাংলাদেশের নয়, উপমহাদেশের মধ্যে এটি বৃহত্তম শিমুল বাগান হিসেবে পরিচিত। এই বাগানটি এমনভাবে সাজানো হয়েছে যে, বছরের বিভিন্ন সময়ে এর ভিন্ন ভিন্ন রূপ পর্যটকদের মুগ্ধ করে।

📓 ইতিহাস এবং সৃষ্টি:
✅২০০০ সালের দিকে সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার স্থানীয় ব্যবসায়ী জয়নুল আবেদীন তার নিজস্ব উদ্যোগে এই শিমুলবাগানটি গড়ে তোলেন। যাদুকাটা নদীর পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ বিঘা জমির উপর তিনি প্রায় ৩০০০ শিমুল গাছ রোপণ করেন। তার উদ্দেশ্য ছিল একদিকে যেমন প্রাকৃতিক সৌন্দর্য রক্ষা করা, তেমনি পর্যটকদের জন্য একটি নতুন আকর্ষণ তৈরি করা। তার সেই স্বপ্ন আজ এক বিশাল বাগানে পরিণত হয়েছে, যা প্রতি বছর হাজার হাজার দেশি-বিদেশি পর্যটককে আকর্ষণ করে।

🏞️ পর্যটন আকর্ষণ:
✅বসন্তের রং: ফেব্রুয়ারী থেকে মার্চ মাস পর্যন্ত শিমুলবাগানের সবচেয়ে সুন্দর সময়। এই সময় শিমুল গাছে লাল টুকটুকে ফুল ফোটে, যা পুরো বাগানকে এক লাল গালিচায় পরিণত করে। হাজার হাজার শিমুল ফুলের সমারোহে পুরো এলাকা যেন এক রঙিন ক্যানভাসে পরিণত হয়। এই সময়ে আকাশ থেকে দেখলে মনে হয় যেন পুরো বাগানটি লাল রঙে আবৃত।

✅নিরাপদ এবং শান্ত পরিবেশ: শহর থেকে দূরে হওয়ায় শিমুলবাগান একটি শান্ত এবং নিরিবিলি পরিবেশ উপভোগ করার জন্য উপযুক্ত স্থান। পরিবারের সাথে সময় কাটানো, বন্ধুদের সাথে আড্ডা দেওয়া অথবা ছবি তোলার জন্য এটি একটি আদর্শ জায়গা।

✅বর্ষার সৌন্দর্য: বসন্তের ফুল ফোটার মৌসুম ছাড়াও বর্ষার সময়ও শিমুলবাগানের অন্যরকম সৌন্দর্য থাকে। যখন চারপাশ পানিতে ডুবে যায়, তখন এই বাগানটিকে যেন একটি দ্বীপের মতো মনে হয়।

🚘যাতায়াত:
✅ শিমুল বাগান যাওয়ার জন্য আপনাকে প্রথম যেতে হবে ঢাকার মহাখালী থেকে অথবা গাবতলী থেকে সরাসরি সুনামগঞ্জের বাস আছে (হানিফ,শ্যামলী, এনা ইত্যাদি)

🚎ঢাকা থেকে: ঢাকা→সুনামগঞ্জ→তাহিরপুর →শিমুল বাগান।

🚉ট্রেন: কমলাপুর→সিলেট (তারপর সিলেট থেকে বাসে করে সুনামগঞ্জ যেতে হবে, কারণ সিলেটের পর সুনামগঞ্জে কোন স্টেশন নেই)

🛺সুনামগঞ্জ থেকে: সুনামগঞ্জ শহর থেকে তাহিরপুরের দূরত্ব প্রায় ৩০-৩৫ কিলোমিটার।

সিএনজি/মোটরসাইকেল: সুনামগঞ্জ থেকে তাহিরপুর পর্যন্ত সিএনজি অথবা মোটরসাইকেল ভাড়া করে যাওয়া যায়।( 🛺→🏍️)

তাহিরপুর থেকে শিমুলবাগান: তাহিরপুর বাজার থেকে শিমুলবাগান যাওয়া খুবই সহজে অটোতে করে।

🏍️মোটরসাইকেল: তাহিরপুর থেকে শিমুলবাগানে যাওয়ার জন্য সবচেয়ে দ্রুত উপায় হলো মোটরসাইকেল। স্থানীয়ভাবে অনেক মোটরসাইকেল চালক পাওয়া যায় যারা নির্দিষ্ট ভাড়ার বিনিময়ে বাগান পর্যন্ত পৌঁছে দেয়।

⚓নৌকা: বর্ষার সময় নৌকা করেও বাগানে যাওয়া যায়।

🗞️প্রয়োজনীয় তথ্য:
✅সেরা সময়: শিমুলবাগানের সৌন্দর্য পুরোপুরি উপভোগ করতে হলে ফেব্রুয়ারী মাসের মাঝামাঝি থেকে মার্চ মাসের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত যাওয়া সবচেয়ে ভালো।
✅প্রবেশ মূল্য : জনপ্রতি ৫০ টাকা।

✅জয়নুল আবেদীন শিমুলবাগান শুধু একটি বাগান নয়, এটি একজন স্বপ্নদ্রষ্টার বাস্তব রূপ। এর অসাধারণ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, যাদুকাটা নদীর রূপ এবং মেঘালয়ের পাহাড়ের দৃশ্য এক অবিস্মরণীয় অভিজ্ঞতা দেয়। এই বাগানটি নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র, যা প্রকৃতিপ্রেমী এবং ভ্রমণপিপাসুদের কাছে এক দারুণ গন্তব্য।
তাই ভ্রমণের জন্য সময় বের করে ঘুরে আসতে পারেন এই শিমুল বাগান থেকে।

#শিমুল_ফুল #বাংলার_টাইটানিক #আমারবাংলাদেশ #বাংলার_ফুল #শিমুলবাগান #সুনামগঞ্জ #তাহিরপুর #বসন্তেরফুল #বাংলাদেশএক্সপ্লোর #লালফুলেররাজ্য

🕌🇧🇩কিশোরগঞ্জের পাগলা মসজিদঃ কোটি টাকার সিন্দুক!🇧🇩🖼️২৬-০৮-২০২০কিশোরগঞ্জ জেলা ভ্রমণ করবে এবার অত্যন্ত একটি প্রসিদ্ধ পাগলা ...
08/08/2025

🕌🇧🇩কিশোরগঞ্জের পাগলা মসজিদঃ কোটি টাকার সিন্দুক!🇧🇩

🖼️২৬-০৮-২০২০
কিশোরগঞ্জ জেলা ভ্রমণ করবে এবার অত্যন্ত একটি প্রসিদ্ধ পাগলা মসজিদ নিয়ে:

📌কিশোরগঞ্জ শহরের নরসুন্দা নদীর তীরে অবস্থিত পাগলা মসজিদ শুধু একটি ইবাদতখানা নয়, এটি যেন এক অপার রহস্য আর বিশ্বাসের কেন্দ্র। এর নামকরণের পেছনে যেমন লুকিয়ে আছে নানা লোককথা, তেমনি এর বিপুল পরিমাণ দান আর অলৌকিক মানত পূরণের গল্প এটি বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় ধর্মীয় স্থানে পরিণত করেছে।

📓 ইতিহাস ও নামকরণ:
➡️পাগলা মসজিদের নামকরণের পেছনে একাধিক জনশ্রুতি রয়েছে। সবচেয়ে প্রচলিত জনশ্রুতি অনুযায়ী, 'পাগলা বাবা' নামে একজন আধ্যাত্মিক সাধক নরসুন্দা নদীর মাঝখানে মাদুর পেতে ভেসে এসে বর্তমান মসজিদের কাছে বসতি স্থাপন করেন এবং এখানে তার অনেক ভক্ত সমাগম হতো। তার মৃত্যুর পর তার সমাধির পাশে এই মসজিদটি নির্মিত হয় এবং তার নামানুসারেই এটি 'পাগলা মসজিদ' নামে পরিচিতি লাভ করে।

"অন্য একটি জনশ্রুতি অনুযায়ী, ঈশা খাঁর বংশধর দেওয়ান জিলকদর খান, যিনি 'জিল কদর পাগলা সাহেব' নামে পরিচিত ছিলেন, তিনি এই নদীর তীরে বসে নামাজ পড়তেন। পরবর্তীতে তার নামানুসারে মসজিদটি নির্মিত হয়। আবার কেউ কেউ বলেন, হয়বতনগর জমিদার পরিবারের এক নিঃসন্তান বেগম, যাকে সবাই 'পাগলা বিবি' বলে ডাকত, তিনি স্বপ্নাদিষ্ট হয়ে এই মসজিদটি নির্মাণ করেছিলেন, তাই এর নাম হয় 'পাগলা বিবির মসজিদ' যা পরবর্তীতে পাগলা মসজিদ নামে পরিচিত হয়।"

🧱স্থাপত্য ও অবস্থান:
➡️কিশোরগঞ্জ শহরের হারুয়া নামক স্থানে নরসুন্দা নদীর তীরে প্রায় ৩ একর ৮৮ শতাংশ জমির ওপর এই মসজিদ ও ইসলামিক কমপ্লেক্সটি অবস্থিত।

➡️প্রথম দিকে এটি মাত্র ১০ শতাংশ জমির উপর নির্মিত হয়েছিল।
➡️মসজিদটি আধুনিক স্থাপত্যশৈলীতে তৈরি। এতে একটি সুউচ্চ মিনার এবং তিনটি বড় গম্বুজ রয়েছে।
➡️মসজিদের পাশ দিয়ে প্রবাহিত নরসুন্দা নদী খনন করে দৃষ্টিনন্দন সেতু ও সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ করা হয়েছে।
➡️পুরুষদের পাশাপাশি নারীদের জন্যও এখানে নামাজ আদায়ের আলাদা ব্যবস্থা আছে।

🏤পাগলা মসজিদের বিশেষত্ব:
➡️পাগলা মসজিদ তার বিপুল দান-খয়রাতের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। এটি শুধু মুসলিমদের কাছেই নয়, সকল ধর্ম-বর্ণের মানুষের কাছে একটি পবিত্র ধর্মীয় স্থান হিসেবে গণ্য। অনেক মানুষের বিশ্বাস, এই মসজিদে একনিষ্ঠ মনে মানত বা দান করলে তাদের মনের আশা পূর্ণ হয়। তাই প্রতিদিনই অসংখ্য মানুষ এখানে দান করতে আসে।

✔️দান এবং ব্যবস্থাপনা:
➡️মসজিদটিতে নগদ টাকা, বৈদেশিক মুদ্রা, সোনা, রূপা, গবাদি পশু, হাঁস-মুরগি ইত্যাদি দান করা হয়।
➡️মসজিদের দানের টাকা রাখার জন্য অনেকগুলো সিন্দুক রয়েছে, যেগুলো সাধারণত প্রতি তিন থেকে চার মাস পর পর খোলা হয়।
➡️প্রাপ্ত দানের পরিমাণ এতই বেশি যে, তা গণনার জন্য জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও বিভিন্ন ব্যাংকের কর্মকর্তাদের সাহায্য নিতে হয়।
➡️এই বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যবস্থাপনার জন্য জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে একটি কমিটি রয়েছে।
➡️দানের অর্থ থেকে মসজিদ কমপ্লেক্সের ব্যয় নির্বাহের পাশাপাশি অন্যান্য মসজিদ, মাদ্রাসা, এতিমখানা, দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের সহায়তা করা হয়।
➡️বর্তমানে, এই দানের অর্থ ব্যবহার করে এখানে একটি আন্তর্জাতিক মানের ইসলামিক কমপ্লেক্স নির্মাণের কাজ চলছে, যা শেষ হলে একসঙ্গে প্রায় ৩০ হাজার মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারবেন বলে আশা করা হচ্ছে। সম্প্রতি এই মসজিদের জন্য একটি ওয়েবসাইটও চালু করা হয়েছে, যার মাধ্যমে অনলাইনেও দান করার সুযোগ রয়েছে।

🚘যাতায়াত ব্যবস্থা:
🚎🛺ঢাকা(মহাখালী→কিশোরগঞ্জ ( ভাড়া ১৫০)/ সিএন জি (গাজীপুর চৌরাস্তা থেকে ১৫০ (১ জন)→ কিশোরগঞ্জ শহরের মধ্যেই, রিকশায় যাওয়া যায় (ভাড়া ৩০ টাকা)।

🗞️শেষ কথা :
➡️পাগলা মসজিদ বাংলাদেশের বুকে এক অনন্য ধর্মীয় ও সামাজিক কেন্দ্র হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে। এর বিপুল দান, স্বচ্ছ ব্যবস্থাপনা।মসজিদটির ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় আন্তর্জাতিক মানের ইসলামিক কমপ্লেক্স নির্মাণের উদ্যোগ আরও একবার প্রমাণ করে যে, এই প্রতিষ্ঠানটি শুধু একটি নির্দিষ্ট এলাকার নয়, বরং সমগ্র বাংলাদেশের গর্ব।

আমি বলব ভ্রমণের জন্য সময় বের করে ঘুরে আসতে পারেন এই সুন্দর মসজিদটি থেকে।

#পাগলা_মসজিদ #কিশোরগঞ্জ #পাগলামসজিদ #কিশোরগঞ্জের_পাগলা_মসজিদ #দান_বাক্স #মসজিদ #নরসুন্দা_নদী #আশা_পূরণ #কিশোরগঞ্জ_জেলা #ভাইরাল_মসজিদ

🇧🇩“মহাস্থানগড়: ২৩০০ বছরের পুরনো রহস্যময় নগরী!”🇧🇩🖼️৩০-০৯-২০২১📌বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত মহাস্থানগড় বাংলাদেশের...
06/08/2025

🇧🇩“মহাস্থানগড়: ২৩০০ বছরের পুরনো রহস্যময় নগরী!”🇧🇩

🖼️৩০-০৯-২০২১

📌বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত মহাস্থানগড় বাংলাদেশের অন্যতম প্রাচীন ও গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন। এটি একসময় প্রাচীন বাংলার রাজধানী ছিল এবং এর ইতিহাস প্রায় আড়াই হাজার বছরের পুরোনো। এটি পুণ্ড্রবর্ধন বা পুণ্ড্রনগর নামেও পরিচিত ছিল।আমার বগুড়া জেলার পর্বে এবার এই সম্পর্কে আলোচনা করব:

✅নামকরণঃ
➡️এই স্থানের "মহাস্থান” নাম হওয়া সম্বন্ধে স্কন্দপুরাণে একটি আখ্যায়িকা আছে। বিষ্ণুর অবতার পরশুরাম তপস্যা করার জন্য করতোয়ার তীরবর্তী এ স্থানটিকে আবিস্কার করেন এবং তপস্যার দ্বারা সিদ্ধিলাভ করে এর "মহাস্থান" নাম দেন।

📓ইতিহাসঃ
➡️বিখ্যাত চীনা পরিব্রাজক হিউয়েন সাঙ ৬৩৯ থেকে ৬৪৫ খ্রিষ্টাব্দের মধ্যবর্তী সময়ে পুন্ড্রনগরে এসেছিলেন। ভ্রমণের ধারাবিবরণীতে তিনি তখনকার প্রকৃতি ও জীবনযাত্রার উল্লেখ করে বর্ণনা দেন। বৌদ্ধ শিক্ষার জন্য প্রসিদ্ধ হওয়ায় চীন ও তিব্বত থেকে ভিক্ষুরা তখন মহাস্থানগড়ে আসতেন লেখাপড়া করতে৷ এরপর তারা বেরিয়ে পড়তেন দক্ষিণ ও পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশে। সেখানে গিয়ে তারা বৌদ্ধ ধর্মের শিক্ষার বিস্তার ঘটাতেন৷

➡️সেন বংশের শেষ রাজা লক্ষ্মণসেন (১০৮২-১১২৫) যখন গৌড়ের রাজা ছিলেন তখন এই গড় অরক্ষিত ছিল। মহাস্থানের রাজা ছিলেন নল যার বিরোধ লেগে থাকত তার ভাই নীল এর সাথে। এসময় ভারতের দাক্ষিণাত্যের শ্রীক্ষেত্র নামক স্থান থেকে এক অভিশপ্ত ব্রাহ্মণ এখানে আসেন। তিনি রাজা পরশুরাম । এই রাজা পরশুরাম রাম নামে ও পরিচিত ছিলেন।

➡️ইসলাম ধর্ম প্রতিষ্ঠা করতে আসেন ফকির বেশি দরবেশ হযরত শাহ সুলতান মাহমুদ বলখী (র:) এবং তার শীষ্য। ধর্ম প্রচারক শাহ্ সুলতান বলখী সম্পর্কে রয়েছে আশ্চর্য কিংবদন্তি। কথিত আছে, তিনি মহাস্থানগড় অর্থাৎ প্রাচীন পুন্ড্রনগরে প্রবেশ করার সময় করতোয়া নদী পার হয়েছিলেন একটা বিশাল মাছের আকৃতির নৌকার পিঠে চড়ে।

🧱আবিষ্কারঃ
➡️মহাস্থানগড়ের ধ্বংসাবশেষ চিহ্নিত ও উদ্‌ঘাটন করার ক্ষেত্রে একাধিক ব্যক্তির অবদান রয়েছে। ১৮০৮ খ্রিষ্টাব্দে ফ্রান্সিস বুকানন হ্যামিলটন প্রথম মহাস্থানগড়ের অবস্থান চিহ্নিত করেন। ১৮৭৯ খ্রিষ্টাব্দে ব্রিটিশ প্রত্নতত্ত্ববিদ আলেকজান্ডার কানিংহাম প্রথম এই প্রাচীন ঐতিহাসিক নগরীকে পুন্ড্রবর্ধনের রাজধানীরূপে চিহ্নিত করেন। অনেক পর্যটক ও পণ্ডিত ব্যক্তি, বিশেষত সি. জে. ও’ডোনেল, ই. ভি. ওয়েস্টম্যাকট ও হেনরী বেভারীজ এই শহরতলি এলাকাটি পরিদর্শন করেন এবং তাদের প্রতিবেদনে তা উল্লেখ করেন। ১৯৩১ খ্রিষ্টাব্দে প্রত্নতাত্ত্বিক খননে সন্ধান মেলে ব্রাহ্মী লিপির। সেই লিপিতে পুণ্ড্রনগরের প্রাদেশিক শাসক সম্রাট অশোক দুর্ভিক্ষপীড়িত মানুষকে রাজভান্ডার থেকে খাদ্যশস্য ও অর্থ সহায়তা প্রদানের নির্দেশ দেন। এসব তথ্য উপাত্ত থেকে প্রসিদ্ধ এই নগরীর প্রাচীনতমের প্রমাণ মেলে। এখানে তীরের ফলাও পাওয়া যায়।

"ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট"

✅প্রাচীন রাজধানী:
➡️মহাস্থানগড় পুণ্ড্র রাজ্যের প্রাচীন রাজধানী ছিল। এটি মৌর্য, গুপ্ত, পাল এবং সেন রাজবংশের প্রাদেশিক রাজধানী হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।

✅প্রতিষ্ঠা ও নামকরণ:
➡️ধারণা করা হয়, খ্রিস্টপূর্ব ৩০০ অব্দে এই সভ্য জনপদ গড়ে উঠেছিল। "মহাস্থান" শব্দের অর্থ "পবিত্র স্থান" এবং "গড়" শব্দের অর্থ "দুর্গ"।

✅হিউয়েন সাঙ:
➡️বিখ্যাত চীনা পরিব্রাজক হিউয়েন সাঙ ৬৩৯ থেকে ৬৪৫ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে পুণ্ড্রনগর ভ্রমণ করেন এবং তাঁর ভ্রমণকাহিনীতে এর বর্ণনা দেন।

✅খননকার্য:
➡️১৮০৮ সালে ফ্রান্সিস বুকানন হ্যামিলটন প্রথম মহাস্থানগড়ের অবস্থান চিহ্নিত করেন। পরে ১৮৭৯ সালে ব্রিটিশ প্রত্নতত্ত্ববিদ আলেকজান্ডার কানিংহাম এটিকে পুণ্ড্রবর্ধনের রাজধানী হিসেবে চিহ্নিত করেন। ১৯২৮-২৯ সাল থেকে এখানে নিয়মিত প্রত্নতাত্ত্বিক খননকার্য শুরু হয়।

"দর্শনীয় স্থানসমূহ"

মহাস্থানগড়ের প্রধান আকর্ষণগুলো হলো:

✅দুর্গ নগরী:
➡️মূল মহাস্থানগড় একটি দুর্গ নগরী, যা উত্তর-দক্ষিণে প্রায় ১.৫২৩ কিলোমিটার এবং পূর্ব-পশ্চিমে ১.৩৭১ কিলোমিটার বিস্তৃত। এর চারপাশে উঁচু প্রাচীর ও গভীর পরিখা ছিল, যা দুর্গের প্রতিরক্ষায় ব্যবহৃত হতো।

✅মহাস্থান প্রত্নতাত্ত্বিক জাদুঘর:
➡️এই জাদুঘরে মহাস্থানগড়ে প্রাপ্ত বিভিন্ন প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন, যেমন - মৌর্য যুগের লিপিযুক্ত শিলাখণ্ড, বিভিন্ন সময়ের মুদ্রা, পোড়ামাটির ফলক, মূর্তি, ও অন্যান্য জিনিসপত্র দেখতে পাওয়া যায়।

✅গোকুল মেধ (বেহুলার বাসর ঘর):
➡️এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নস্থল। অনেকে মনে করেন, এটি বেহুলা-লখিন্দরের বাসর ঘর ছিল। তবে প্রত্নতাত্ত্বিকরা এটিকে বৌদ্ধ স্তূপ বলে মনে করেন।

✅গোবিন্দ ভিটা:
➡️জাদুঘরের ঠিক সামনে অবস্থিত এই স্থানটি প্রাচীন হিন্দু মন্দিরের ধ্বংসাবশেষ।

✅খোদার পাথর ভিটা:
➡️এখানে প্রাচীন টেরাকোটা শিল্পকর্ম এবং একটি মসজিদের ধ্বংসাবশেষ পাওয়া গেছে।

✅পরশুরামের প্রাসাদ:
➡️মহাস্থানগড়ের সীমানা প্রাচীরের মধ্যে অবস্থিত এই প্রাসাদটি স্থানীয়ভাবে হিন্দু রাজা পরশুরামের প্যালেস নামে পরিচিত।

✅শাহ সুলতান মাহমুদ বলখী (র:)-এর মাজার শরীফ: ➡️মহাস্থানগড় বাস স্ট্যান্ডের কাছেই অবস্থিত এই মাজারটি ইসলাম প্রচারক শাহ সুলতান মাহমুদ বলখী (র:)-এর প্রতি উৎসর্গীকৃত।

✅ভাসু বিহার:
➡️মহাস্থানগড় থেকে প্রায় ৬ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই প্রত্নস্থলটি প্রাচীন বৌদ্ধ বিহারের ধ্বংসাবশেষ।

🚘যাতায়াত ব্যবস্থা:
🚎ঢাকা থেকে:
➡️ঢাকার গাবতলী, কল্যাণপুর, মহাখালী থেকে শ্যামলী, হানিফ, এস আর ট্রাভেলস, টি আর ট্রাভেলস ইত্যাদি পরিবহনের বাসে সরাসরি বগুড়া শহরে নামতে হবে। আমি উঠেছিলাম চন্দ্রা বাসস্ট্যান্ড থেকে ভাড়া ৩৫০ টাকা। সময় লেগেছিল প্রায় ৪-৪:৩০ মিনিট। বগুড়া শহরে নেমে স্থানীয় যেকোনো অটোতে ক4 মহাস্থানগড়ে যাওয়া যায়।

🛺বগুড়া শহর থেকে:
বগুড়া শহর থেকে মহাস্থানগড় প্রায় ১৩ কিলোমিটার উত্তরে অবস্থিত। শহর থেকে সিএনজি, অটোরিকশা বা লোকাল বাসে সহজেই মহাস্থানগড়ে পৌঁছানো যায়। সময় লাগে প্রায় ৩০-৪০ মিনিট।ভাড়া ৪০ টাকা।

🕛প্রত্নতাত্ত্বিক জাদুঘর মহাস্থানগড় সময়সূচি:
✅গ্রীষ্মকালীন (এপ্রিল-সেপ্টেম্বর): সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত খোলা থাকে।
✅শীতকালীন (অক্টোবর-মার্চ): সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত খোলা থাকে।
✅সপ্তাহের রবিবার পূর্ণ দিবস এবং সোমবার অর্ধদিবস বন্ধ থাকে। এছাড়া সরকারি ছুটির দিনেও এটি বন্ধ থাকে।

⚠️ভ্রমণের জন্য জানা প্রয়োজন:
✅অবশ্যই সকাল সকাল এই মস্তান ঘরের ভিতরে প্রবেশ করলে লোকজনের সমাগম কম হয়, পুরোটা ঘুরে দেখতে পারবেন খুব সহজেই।
✅অবশ্যই ভেতরে ঢোকার জন্য প্রবেশ ফ্রি দিতে হবে।
✅সময়সূচী জেনে প্রবেশ করতে হবে এবং বন্ধের দিন ভ্রমণ এড়াতে হবে।

🗞️শেষ কথাঃ
➡️মহাস্থানগড় এক বিশাল ঐতিহাসিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক কেন্দ্র যা বাংলাদেশের প্রাচীন নগর জীবনেরই এক জীবন্ত ছবি। তাই আমি মনে করি ভ্রমণের জন্য সময় বের করে দেখে আসা উচিত।

#মহাস্থানগড় #প্রাচীন_সভ্যতা #ঐতিহাসিক_বাংলাদেশ #পুন্ড্রনগর #বগুড়ার_ইতিহাস #আড়াই_হাজার_বছরের_গল্প #বাংলার_প্রাচীন_রাজধানী #ইতিহাস_প্রেমী #ভ্রমণ_বাংলাদেশ #মহাস্থানগড়_জাদুঘর

Address

Andermanik, Mouchak, Kaliakair
Gazipur
1751

Telephone

+8801711340920

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Travel With Sajal posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Travel With Sajal:

Share