Rihlat ilal haramain -2

Rihlat ilal haramain -2 gov approved & trusted hajj, umrah agent

পবিত্র শবে কদর ইসলামের অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ ও বরকতময় একটি রাত। এই রাতকে আরবিতে লাইলাতুল কদর বলা হয়। এই রাত হাজার মাসের...
14/03/2026

পবিত্র শবে কদর ইসলামের অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ ও বরকতময় একটি রাত। এই রাতকে আরবিতে লাইলাতুল কদর বলা হয়। এই রাত হাজার মাসের চেয়েও উত্তম। মহান আল্লাহ এই রাতের মর্যাদা বোঝানোর জন্য পবিত্র কুরআন-এ একটি পূর্ণ সূরা নাযিল করেছেন, যার নাম সূরা আল-কদর।
আল্লাহ তাআলা বলেন—
“লাইলাতুল কদর হাজার মাসের চেয়ে উত্তম।” (সূরা আল-কদর: ৩)
এই রাতে মহান আল্লাহ তাঁর বান্দাদের প্রতি বিশেষ রহমত বর্ষণ করেন। অসংখ্য ফেরেশতা পৃথিবীতে অবতরণ করেন এবং রাতভর শান্তি ও বরকত নাযিল হতে থাকে। এই রাতের ইবাদত, দোয়া ও তওবা আল্লাহর কাছে অত্যন্ত প্রিয়।
হাদিসে প্রিয় নবী মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন—
“যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে এবং সওয়াবের আশায় লাইলাতুল কদরে ইবাদত করবে, তার পূর্বের গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে।” (সহীহ বুখারি, মুসলিম)
সাধারণত রমজান মাসের শেষ দশকের বেজোড় রাতগুলোর মধ্যে শবে কদর হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। তাই এই সময়ে বেশি বেশি নামাজ, কুরআন তিলাওয়াত, জিকির, দোয়া ও ইস্তেগফার করা উচিত।
শবে কদর আমাদের জন্য আল্লাহর বিশেষ নিয়ামত। এই রাতের প্রতিটি মুহূর্ত ইবাদতের মাধ্যমে কাজে লাগানো একজন মুমিনের জন্য অত্যন্ত সৌভাগ্যের বিষয়। তাই আসুন, আমরা সবাই এই বরকতময় রাতে বেশি বেশি ইবাদত করে আল্লাহর নৈকট্য লাভের চেষ্টা করি।
দোয়া:
“اللَّهُمَّ إِنَّكَ عَفُوٌّ تُحِبُّ الْعَفْوَ فَاعْفُ عَنِّي”
অর্থ: হে আল্লাহ! আপনি ক্ষমাশীল, ক্ষমা করতে ভালোবাসেন, তাই আমাকে ক্ষমা করে দিন।

তোমরা রমজানের শেষ দশকের বেজোড় রাতে লাইলাতুল ক্বদ্‌রের অনুসন্ধান করো।  -আল হাদীস
12/03/2026

তোমরা রমজানের শেষ দশকের বেজোড় রাতে লাইলাতুল ক্বদ্‌রের অনুসন্ধান করো। -আল হাদীস

কীভাবে কাটাবো শ্রেষ্ঠ রাতগুলি?কথা হচ্ছিলো এক ফি/লি/স্তি/নি বোনের সাথে।বোন হাযাযাহ, তুমি বেজোড় রাতগুলি কীভাবে কাটাও?বেজোড়...
11/03/2026

কীভাবে কাটাবো শ্রেষ্ঠ রাতগুলি?
কথা হচ্ছিলো এক ফি/লি/স্তি/নি বোনের সাথে।

বোন হাযাযাহ, তুমি বেজোড় রাতগুলি কীভাবে কাটাও?

বেজোড় রাত মানে?

রমাদানের শেষ রাতগুলির ২১, ২৩, ২৫, ২৭, ২৯ তারিখ কীভাবে উদযাপন করো? জেগে থাকো? কী কী ইবাদত করো?

তুমি আমাকে হাসিয়ে ছাড়লে, অথচ আমি অনেকদিন যাবৎ হাসতে ভুলে গিয়েছিলাম।
আমাদের কাছে পুরো রমাদানটাই ক্বদর অন্বেষণের রাত হিসেবে কাটে। রমাদান আমাদের জীবনে আসে এক অসাধারণ ভালোলাগা, ভালোবাসা নিয়ে। যে কারণে আমরা শুরুর দিন থেকেই রাতের ঘুম পরিত্যাগ করি।

আমরা দিনে কিছু ঘন্টা ঘুমিয়ে নিই, ইফতারির পর হালকা বিশ্রাম নিই, অধিক ক্লান্তি এলে দু’চোখ বুজে একটু ঝিমিয়ে নেই। তারপর দীর্ঘ সময় ধরে তারাবিহ আদায় করি। কুরআন তিলওয়াতে নিমগ্ন হই।
অস্থির লাগলে রবের সাথে খানিক সিজদায় আলাপন সেরে নিই।

তারপর শীঘ্রই তাহাজ্জুদের সময় চলে আসে। তাহাজ্জুদে আমরা তারাবির থেকেও অধিক সময় ব্যয়ের চেষ্টা করি এবং আমাদের সিজদার জায়গাগুলি না ভিজলে অন্তর আনন্দিত হয় না।

এরপর হালকা কিছু খেয়ে নিই।
কারণ বেশি খেতে সময়ের প্রয়োজন বেশি, অথচ শেষরাত এক মহা মূল্যবান সময়। তাই একদমই সময় নষ্ট করতে মন চায় না। খাওয়া শেষ হলে ফের কুরআনে ডুবে যাই, এভাবেই ফজর নিকটে চলে আসে। আর আফসোস করি, হায়, যদি রাত আরেকটু দীর্ঘ হতো!

কে জানে আজকের পর আগামীকাল রাত আর পাব কি না? শ/ত্রুর কামান আমাকে বি/ধ্ব/স্ত করে দিলে আজকের রাতই শেষ রাত। ইতোপূর্বে আমি রমাদানের শুরুর দিন চার ভাইকে জান্নাতে যেতে দেখেছি।
একটি বোন ছিল, পঞ্চম রমাদানে বু/লেট এসে তাকেও জান্নাতে নিয়ে গেলো।
এখন আমি আর আমার মা প্রতিদিন অপেক্ষায় থাকি কখন আমার ভাইদের সাথে মিলিত হবো।

কিছুদিন আগে বোনটির সাথে ফের কথা হলো।
বোন হাযাযাহ তুমি কেমন আছ?

আলহামদুলিল্লাহ, অনেক বেশি ভালো আছি।
একটি সুসংবাদ আছে।
আমার মাতা ভাইদের সাথে মসজিদুল আকসার
র/ক্তা/ক্ত প্রহরে মিলিত হয়েছে।

পরিস্থিতি মানুষকে ভাবতে শেখায়। ঈমানদারদের ঈমানকে শাণিত করে। রমাদান চলে যাচ্ছে।
কিছুদিন ধরে ভীষণ এক মনঃকষ্ট কুরে কুরে খাচ্ছে। অন্তর ছটফট করছে এটা ভেবে যে রমাদানের অর্ধেকের বেশি চলেই গেছে! অথচ ইবাদত, দু'আ, আল্লাহর সান্নিধ্যে যাওয়া কতটা এখনও বাকি!
যদি আজ থেকেই ক্বদর অন্বেষন শুরু করতে পারতাম তবে বাকি রমাদান দারুণ উদযাপিত হতো হয়তো।
তাই তো এবারের ক্বদর বোন হাযাযাহ’র মতো কাটাতে চাই…।

সময় ম্যানেজমেন্ট ▪︎

ইফতারির পর সালাত, মাসনুন আমল শেষ করে মিনিমাম রাত ১০/১১টা পর্যন্ত ঘুমানো,

১১টা থেকে ১২:৩০/১:০০টা অব্দি সালাতুত তারাবিহ আদায়,

একটা থেকে দুইটা পর্যন্ত কুরআন তিলওয়াত ও তাদাব্বুর করা,

রাত দুটো থেকে সাড়ে তিনটে অব্দি তাহাজ্জুদ, দু'আয় সময় কাটানো,

সাড়ে তিনটা থেকে চারটার মাঝে সাহরি করা,

চারটা থেকে ফজরের আগ অব্দি ইস্তেগফার ও দু'আ করা।

▪︎ স্পেশাল কিছু আমল ▪︎

নি/র্যা/তিত, মুসলিমদের নিয়ে দু'আর একটি পার্ট অবশ্যই ফিক্সড করে নিতে হবে।
সবচাইতে ভালো হয় যদি দু'আর লিস্ট করতে পারেন।

▪︎ মৃ/তদের নাম ধরে ধরে দু'আ ▪︎

আমার আশেপাশে পরিচিত অন্তত দশজন ব্যক্তির নাম ধরে দু'আ।

ইস্তেগফার, ইসমে আজম, দূরুদ, কুরআন ও সুন্নাহ দু'আগুলি নিয়মিত চর্চা করা, এবং এগুলোর মাধ্যমে আল্লাহর মারেফাতের নূর চাওয়া।

আল্লাহর কাছে অন্তর্চক্ষু, আল্লাহওয়ালাদের সান্নিধ্য , রাসুলুল্লাহর (ﷺ) শাফাআত ও কাবার মেহমান হওয়ার দাওয়াত চেয়ে আকুল আবেদন করা।
এবং এতটাই ইফোর্ট দেওয়া যে আপনাকে দু'আ করার পর শান্ত হয়ে যাবেন এটা ভেবে যে (ইন-শা-আল্লাহ) আল্লাহ আপনার দু'আ কবুল করে নিয়েছেন।

বিশেষ করে নূন্যতম তিনদিন বা যতদিন সম্ভব সময়ের জন্য ইতিকাফে বসা। ইতিকাফে না বসলে বোঝা যায় না সময়ের বারাকাহ কী, আল্লাহর প্রেম কী, কুরআনের নূর কী।

যারা অবিবাহিত তাদের জন্য এটাই শেষ সুবর্ণ সুযোগ ভেবে লুফে নিন এই অফারটি।
জেগে উঠুন প্রেমময় রবের ভালোবাসায়।
প্রতিটি মুহূর্ত এক অনন্য ভালোবাসাকে সঙ্গী করে কাটান। ঠিক করুন ক্বদর আমাকে পেতেই হবে!
ইন-শা-আল্লাহ ...........................

10/03/2026

চলুন একটি হাদীস পড়ি! মন ভালো হয়ে যাবে।

রাসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,
"আল্লাহ তাআলা বলেন, 'আমার এক বান্দা, পা/প, করে আর তারপর বলে, 'ইয়া আল্লাহ, আমার,
অ/পরাধ, মাফ করে দিন।

তারপর আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা বলেন,
'আমার বান্দা, গু/নাহ, করেছে আর এরপর বুঝতে পেরেছে, তার এক "রব্ব" রয়েছেন যিনি, গু/নাহের, জন্য ক্ষমা করতে পারেন, আবার, শা/স্তিও, দিতে পারেন।

সে পুনরায়, পা/প, করে আর বলে, 'ও আমার "রব্ব" আমার, গু/নাহ, মাফ করে দিন।'

এরপর আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা বলেন,
আমার বান্দা, অ/পরাধ, করেছে, আর তারপর বুঝতে পেরেছে, তার এক "রব্ব" রয়েছেন যিনি, গু/নাহের, জন্য ক্ষমা করতে পারেন, আবার, শা/স্তিও, দিতে পারেন।

সে আবারও, গু/নাহ, করে আর বলে,
হে আমার "রব্ব" আমার, পা/প, ক্ষমা করে দিন।'

তারপর আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা বলেন,
আমার বান্দা ,গু/নাহ, করেছে আর এরপর বুঝতে পেরেছে, তার এক "রব্ব" রয়েছেন যিনি,গু/নাহের, জন্য ক্ষমা করতে পারেন, আবার তার বিচারও করতে পারেন। আমি আমার বান্দাকে ক্ষমা করে দিলাম।
তার যা ইচ্ছা সে তা করুক।

যতবার মন দিয়ে পড়ি, অনুভব করি, চোঁখ ভিজে আসে। এত্ত মহানুভব মালিক আমার এত্ত দয়ার মালিক আমার!

এমন মালিকের দাস হবার সৌভাগ্য ক'জন মানুষের হয়? এতই মহৎ, মহান আর স্নেহময় ক্ষমাশীল তিনি! তোমার ফিরে আসার অপেক্ষায় আছেন তিনি।

তবুও কি তুমি বুঝবে না, ফিরবে না? নিজের,
গু/নাহকে, নিজেকে এত বড় ভাবছো এখনো?

তাঁর অপার রহমত আর ক্ষমার চাইতেও নিজের
অ/পরাধকে, গু/নাহকে, বিশাল মনে করার দুঃসাহস কিভাবে করছো তুমি?

এত অহংকার কেন তোমার?
(সহীহ বুখারী: ৭৫০৭)

রমাদানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত হলো কুরআন তিলাওয়াত।ইমাম মালিক (রহ.) রমাদান এলে হাদিসের দরস বন্ধ করে দিতেন এবং সম্পূর্...
09/03/2026

রমাদানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত হলো কুরআন তিলাওয়াত।

ইমাম মালিক (রহ.) রমাদান এলে হাদিসের দরস বন্ধ করে দিতেন এবং সম্পূর্ণ কুরআনের দিকে মনোনিবেশ করতেন। সালাফদের কেউ কেউ রমাদানে কিয়ামুল লাইলে প্রতি ৩ দিনে একবার কুরআন খতম করতেন।

- সংক্ষেপে সালাফদের রমাদান ছিলো-

✔ দিনভর কুরআন তিলাওয়াত
✔ রাতভর কিয়ামুল লাইল ও দোয়া
✔ সর্বোচ্চ সদকা-দান
✔ দুনিয়াবি কাজ এড়িয়ে ইবাদতের প্রতি নিবেদন
✔ শেষ দশকে ইতিকাফ

তাদের মতো কাটাতে পারলে আমাদের রমাদানও হবে বরকতময়!

আলহামদুলিল্লাহ!আজ আমাদের প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে একটি সম্মানিত উমরা কাফেলা পবিত্র ভূমি মক্কা-মদিনার উদ্দেশ্যে যাত্রা করেছ...
08/03/2026

আলহামদুলিল্লাহ!
আজ আমাদের প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে একটি সম্মানিত উমরা কাফেলা পবিত্র ভূমি মক্কা-মদিনার উদ্দেশ্যে যাত্রা করেছে। মহান আল্লাহ তাআলার অশেষ রহমতে আমাদের প্রিয় হাজী সাহেবগণ উমরার এই বরকতময় সফরে রওনা হয়েছেন।
আমরা দোয়া করি, আল্লাহ তাআলা যেন তাদের সফরকে সহজ, নিরাপদ ও কবুলিয়াতপূর্ণ করেন। পবিত্র কাবা শরীফ ও রওজা-এ-রাসূল ﷺ জিয়ারতের মাধ্যমে যেন তারা পরিপূর্ণ রূহানী প্রশান্তি লাভ করেন এবং সুস্থভাবে দেশে ফিরে আসেন।
আপনারাও আমাদের এই উমরা কাফেলার জন্য দোয়া করবেন।

আপনিও যদি নির্ভরযোগ্যভাবে উমরা পালন করতে চান, তাহলে যোগাযোগ করুন আমাদের সাথে —
রিহলাত ইলাল হারামাইন
আপনাদের বিশ্বস্ত উমরা সেবায় নিয়োজিত।

যোগাযোগ 01901108856

“রমজান মাসে উমরা করা আমার সাথে হজ করার সমান সওয়াবের।”عُمْرَةٌ فِي رَمَضَانَ تَعْدِلُ حَجَّةً مَعِيঅর্থ:রমজান মাসে একটি উ...
08/03/2026

“রমজান মাসে উমরা করা আমার সাথে হজ করার সমান সওয়াবের।”

عُمْرَةٌ فِي رَمَضَانَ تَعْدِلُ حَجَّةً مَعِي
অর্থ:
রমজান মাসে একটি উমরা আদায় করা রাসূল ﷺ-এর সাথে হজ করার সমপরিমাণ সওয়াবের মর্যাদা রাখে।

🌙রমজান রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের মাস। এই বরকতময় মাসে পবিত্র কাবার ঘরে উমরা আদায় করা একজন মুমিনের জন্য বিরাট সৌভাগ্যের বিষয়। কারণ রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, রমজানে একটি উমরা তাঁর সাথে হজ করার সমান সওয়াবের। তাই যে কেউ এই মহা সুযোগ পায়, সে যেন আল্লাহর কাছে কৃতজ্ঞ থাকে এবং বেশি বেশি ইবাদত করে।

আজ ১৭ রমজান ঐতিহাসিক ব'দর দিবস। যেখান থেকে ইসলামের সূর্য উদিত হয়েছে। ২য় হিজরির ১৭ই রমজান মদিনার মুসলিম ও মক্কার মুশরিকদে...
07/03/2026

আজ ১৭ রমজান ঐতিহাসিক ব'দর দিবস।

যেখান থেকে ইসলামের সূর্য উদিত হয়েছে। ২য় হিজরির ১৭ই রমজান মদিনার মুসলিম ও মক্কার মুশরিকদের মধ্যে সংঘটিত হয় এ যু'দ্ধ। হুজুর পাক (ﷺ) তাঁর ৩১৩ জন সাহাবাদের নিয়ে মক্কার হাজারোধিক কা'ফেরদের বিরুদ্ধে যু'দ্ধ করে বিজয় লাভ করেছিলেন।

ইসলামের ইতিহাসে এটিই ছিল প্রথম সবচেয়ে বড় যু'দ্ধ। এ যু'দ্ধে মোট ১৪ জন সাহাবা শ'হীদ হন অপর পক্ষে ৭০জন মুশ'রিককে হ'ত্য! ও আরো ৭০জনকে ব'ন্দী করা হয়। ব'দরের যু'দ্ধে মহান আল্লাহ তাআলা সরাসরি ফেরেস্তা প্রেরণের মাধ্যমে মুসলমানদের সাহায্য করেন।

এ সম্পর্কে পবিত্র কোরআনুল করিমে আল্লাহ পাক এরশাদ করেছেন,

'‘বদ'রের যু'দ্ধে যখন তোমরা হীনবল ছিলে, আল্লাহ তো তোমাদের সাহায্য করেছিলেন। সুতরাং তোমরা আল্লাহকে ভয় করো, যাতে তোমরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করো।’'

__ সূরা আলে ইমরান, আয়াত ১২৩-১২৫

ব'দর আমাদের চেতনা, আমাদের অহংকার।

05/03/2026

হাদিস নং ৩৮৭: ‘আমর ইবন দীনার (র) বলেনঃ আমরা ইবন ‘উমর (রা) কে এক ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম—যে ব্যক্তি উমরার জন্য বায়তুল্লাহর তাওায়াফ করেছেন কিন্তু সাফা-মারওয়া সা’ঈ করে নি, সে কি তাঁর স্ত্রীর সাথে সঙ্গত হতে পারবে? তিনি জবাব দিলেন, নবী (সঃ) এসে সাতবার বায়তুল্লাহর তাওওয়াফ করেছেন, মাকামে ইবরাহীমের কাছে দু’রাক’আত সালাত আদায় করেছেন আর সাফা-মারওয়া সা’ঈ করেছেন। তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসুলের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ। আমরা জাবির ইবন ‘আবদুল্লাহ (রা) কে এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করেছি, তিনি বলেছেনঃ সাফা-মারুওায়া সা’ঈ করার আগ পর্যন্ত স্ত্রীর কাছে যাবে না।

সহীহ্ বোখারী শরীফ ১ম খন্ড

অনেকেই ভাবেন শুধু নামাজ-রোজা করলেই জান্নাত নিশ্চিত। কিন্তু রসূলুল্লাহ (সা.) এমন এক নারীর কথা বলেছেন, যে ইবাদত করা সত্ত্ব...
04/03/2026

অনেকেই ভাবেন শুধু নামাজ-রোজা করলেই জান্নাত নিশ্চিত। কিন্তু রসূলুল্লাহ (সা.) এমন এক নারীর কথা বলেছেন, যে ইবাদত করা সত্ত্বেও একটি বিড়ালের আর্তনাদে জাহান্নামী হয়েছে!

📜 ঘটনার গভীরে:

সহিহ বুখারি ও মুসলিম শরীফের বর্ণনা অনুযায়ী, বনী ইসরাঈলের এক নারী ছিল যে খুব ইবাদত করত। কিন্তু তার একটি কাজ তাকে চিরস্থায়ী জাহান্নামের অতল গহ্বরে ঠেলে দিয়েছিল।

সেই নারী একটি বিড়ালকে বন্দি করে রেখেছিল। বিড়ালটি ক্ষুধার্ত ছিল, তৃষ্ণার্ত ছিল। কিন্তু সেই দয়াহীন নারী:

১. বিড়ালটিকে এক লোকমা খাবার দেয়নি।
২. এক ফোঁটা পানি পান করতে দেয়নি।
৩. এমনকি তাকে ছেড়েও দেয়নি, যাতে সে জমিনের পোকা-মাকড় খেয়ে বেঁচে থাকতে পারে।

🔥 সেই করুণ দৃশ্য:

কল্পনা করুন, সেই অবলা প্রাণীটি ক্ষুধার জ্বালায় ছটফট করছিল, তৃষ্ণায় তার বুক ফেটে যাচ্ছিল, কিন্তু বন্ধ দরজার ওপাশে থাকা সেই 'ইবাদতকারী' নারীর মনে দয়ার লেশমাত্র ছিল না। বিড়ালটি ধুঁকে ধুঁকে মারা গেল।

রসূল (সা.) বলেন: > "আমি জাহান্নামে সেই নারীকে দেখেছি, একটি বিড়াল তাকে আঁচড়াচ্ছে এবং কামড়াচ্ছে। সে যেখানেই পালাচ্ছে, বিড়ালটি তাকে আক্রমণ করছে। কারণ সে বিড়ালটিকে অভুক্ত অবস্থায় আটকে রেখে মেরে ফেলেছিল।"

💡 এই ঘটনা থেকে আমাদের শিক্ষা:

* ইবাদত বনাম আচরণ: শুধু কপালে সিজদার চিহ্ন থাকলেই হবে না, আল্লাহর সৃষ্টির প্রতি দয়া না থাকলে সেই ইবাদত মূল্যহীন হয়ে যেতে পারে।

* ছোট গুনাহের ভয়াবহতা: আমরা অনেক সময় প্রাণীদের তুচ্ছ মনে করি, তাদের মারধর করি বা কষ্ট দিই। মনে রাখবেন, একটি বিড়ালের অভিশাপ আপনার সারা জীবনের আমল পুড়িয়ে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট।

* দয়া জান্নাতের চাবিকাঠি: আল্লাহ তায়ালা দয়ালু, আর তিনি দয়ালুদেরই ভালোবাসেন।

উপসংহার: আজই নিজেকে প্রশ্ন করুন—আপনার ঘরের বিড়ালটি, রাস্তার কুকুরটি বা খাঁচায় বন্দি পাখিটির প্রতি আপনি কি নিষ্ঠুরতা করছেন? মনে রাখবেন, বিচার দিবসে আপনার প্রতিটি ছোট কাজের হিসাব হবে।

"তোমরা জমিনবাসীদের প্রতি দয়া করো, তবে আসমানবাসী (আল্লাহ) তোমাদের প্রতি দয়া করবেন।" (সুনানে তিরমিজি)

সাহরির সময়টুকু অত্যন্ত মূল্যবান। ফজরের পূর্বের সময়টিতে কারও সাথে কথা না বলে দু‘আ ও ইস্তিগফার লেগে থাকা উচিত। ফজরের পূর্ব...
03/03/2026

সাহরির সময়টুকু অত্যন্ত মূল্যবান। ফজরের পূর্বের সময়টিতে কারও সাথে কথা না বলে দু‘আ ও ইস্তিগফার লেগে থাকা উচিত। ফজরের পূর্বের ইস্তিগফারের মর্যাদা অপরিসীম।
আল্লাহ্ তা‘আলা কুরআন কারিমে বলেন, ‘‘আর আল্লাহ তাঁর বান্দাদের প্রতি (সু)দৃষ্টি রাখেন, যারা বলে, ‘হে আমাদের রব! আমরা ঈমান এনেছি, কাজেই আমাদের মাফ করে দিন এবং জাহান্নামের শাস্তি থেকে রক্ষা করুন।’ ’’ [সুরা আলে ইমরান, আয়াত: ১৫-১৬]
এই লোকদের প্রশংসায় আল্লাহ্ বলেন, ‘‘তারা ধৈর্যশীল, সত্যবাদী, অনুগত, (সৎপথে) ব্যয়কারী এবং শেষ রাতে ক্ষমা প্রার্থনাকারী।’’ [সুরা আলে ইমরান:১৭]
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘আল্লাহ তাঁর বান্দার অধিক নিকটবর্তী হন শেষ রাতে। ওই সময় যারা আল্লাহর যিকর করে, সম্ভব হলে তুমি তাদের অন্তর্ভুক্ত হয়ো। এই সময়ের নামাজে ফেরেশতাগণ উপস্থিত থাকেন এবং প্রত্যক্ষ করেন।’’ [ইমাম নাসায়ি, আস-সুনান: ৫৭২; হাদিসটি সহিহ]

সহীহ বুখারী ও মুসলিমে (সবচেয়ে উচ্চ মর্যাদাসম্পন্ন হাদীস গ্রন্থ) নবী করীম ﷺ বলেছেন যে, জাহান্নামের অধিকাংশ অধিবাসী নারীদে...
02/03/2026

সহীহ বুখারী ও মুসলিমে (সবচেয়ে উচ্চ মর্যাদাসম্পন্ন হাদীস গ্রন্থ) নবী করীম ﷺ বলেছেন যে, জাহান্নামের অধিকাংশ অধিবাসী নারীদের মধ্য থেকে হবে—এবং এর প্রধান কারণ হিসেবে দুটি বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে:

১। স্বামীর প্রতি কুফরী/অকৃতজ্ঞতা (অর্থাৎ স্বামীর সাথে না-শোকরী, ছোটখাটো ত্রুটি দেখলেই সারাজীবনের ভালোবাসা অস্বীকার করা)।

২। অধিক পরিমাণে লা’নত (অভিশাপ) দেওয়া।
(সহীহ বুখারী ও মুসলিম – একাধিক রেওয়ায়েত)

অন্যান্য সহীহ হাদীসে আরও কিছু কারণ এসেছে যেগুলো নারী-পুরুষ উভয়ের জন্যই প্রযোজ্য, কিন্তু নারীদের ক্ষেত্রে বিশেষভাবে সতর্ক করা হয়েছে:

▪️ পর্দা না করা, শরীর প্রকাশ করে চলাফেরা করা (কাসিয়াতুন আরিয়াত – কাপড় পরেও নগ্নতার মতো) → জান্নাতের ঘ্রাণও পাবে না (সহীহ মুসলিম)।

▪️চুল না ঢেকে বের হওয়া।

▪️ পরপুরুষের সাথে অবৈধ সম্পর্ক / ব্যভিচার।

▪️গীবত, চোগলখোরি, অধিক কথা বলা ইত্যাদি।

কিছু লোক (বিশেষ করে কিছু ওয়াজ মাহফিলে) মিরাজের রাতে নবীজী ﷺ-কে দেখানো বিভিন্ন শাস্তির বর্ণনা থেকে ৯টি বা ৬টি বা ১৫টি শ্রেণির তালিকা বানিয়ে বলেন। এগুলোর মধ্যে অনেকগুলোই দুর্বল বা জাল হাদীসের উপর ভিত্তি করে (যেমন: আলী-ফাতেমা রা. এর সাথে সম্পর্কিত একটি বর্ণনা যা অনেক আলেম দুর্বল বলেছেন)।

সবচেয়ে প্রসিদ্ধ ও সহীহ কারণসমূহ (সংক্ষেপে)

১। স্বামীর প্রতি অকৃতজ্ঞতা ও না-শোকরী (সবচেয়ে বড় কারণ – বুখারী, মুসলিম)।

২। অধিক লা’নত/অভিশাপ দেওয়া (মুসলিম)।

৩। পর্দাহীনতা ও শরীর প্রকাশ করে চলাফেরা (মুসলিম)।

৪৷ চুল ঢাকা না রাখা (কিছু বর্ণনায়)।

৫। অবৈধ সম্পর্ক / যিনা (বিভিন্ন হাদীস)।

৬। গীবত, পরনিন্দা, অধিক কথা বলা।

৭। স্বামীকে কষ্ট দেওয়া (জিহ্বা দিয়ে)।

৮। সন্তান-সন্ততির প্রতি অবহেলা বা অধিকার নষ্ট করা (কিছু বর্ণনায়)।

৯। আল্লাহর হুকুম অমান্য করা (নামাজ, রোজা ইচ্ছাকৃত ছেড়ে দেওয়া ইত্যাদি)।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কথা: এই হাদীসগুলো সতর্কবাণী হিসেবে এসেছে, নারী জাতিকে অভিশাপ দেওয়ার জন্য নয়। নবী ﷺ নারীদেরকে সদকা করতে, ইস্তিগফার করতে বলেছেন যাতে তারা জাহান্নাম থেকে বাঁচতে পারেন। একই সাথে অনেক হাদীসে আছে যে, যে নারী পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে, রমজানের রোজা রাখে, পর্দা করে, স্বামীর হক আদায় করে—তার জন্য জান্নাতের ৮টি দরজা খুলে দেওয়া হয় (তিরমিযী, তাবরানী)।

অর্থাৎ অধিকাংশ নারী জাহান্নামে যাবে—এটা কোনো অভিশাপ নয়, বরং একটা সতর্কতা যাতে নারীরা নিজেদের সংশোধন করে। আল্লাহ যাকে চান ক্ষমা করেন, যাকে চান শাস্তি দেন।

আল্লাহ আমাদের সকলকে (নারী-পুরুষ) জাহান্নাম থেকে হেফাজত করুন এবং জান্নাতুল ফিরদাউস দান করুন। আমীন।

Address

Nearby Baitul Mukarram North Gate, Siddique Mansion, Level-3, Purana Paltan
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Rihlat ilal haramain -2 posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share