আন নাদওয়া হজ্জ কাফেলা

আন নাদওয়া হজ্জ কাফেলা হৃদয়ে তাকওয়া, সফরে কাবা। পবিত্র হজ্ব ও ওমরাহ যাত্রায় আপনার বিশ্বস্ত সঙ্গী 'আন নাদওয়া হজ্ব কাফেলা'।

আমাদের সম্পর্কে (Our Story/About Us):

আন নাদওয়া হজ্ব কাফেলা: হৃদয়ে তাকওয়া, সফরে কাবা

আন নাদওয়া হজ্ব কাফেলা মুসলিম উম্মাহর ঐক্য, আধ্যাত্মিক পূর্ণতা এবং মহান রবের পরম সান্নিধ্য পাওয়ার অবিস্মরণীয় সুযোগ তৈরিতে বদ্ধপরিকর। আল্লাহর সম্মানিত মেহমানদের সর্বোচ্চ মানের সেবা প্রদানের এক অমলীয় সুযোগ তৈরি করার লক্ষ্য নিয়েই আমাদের পথচলা।

আমাদের পরিচিতি:
"আন নাদওয়া" একটি ধর্মীয় শরীয়ত ভিত্তিক দরবার এ

বং দেশের খ্যাতনামা উলামায়ে কেরামের দিক-নির্দেশনায় প্রতিষ্ঠিত একটি বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান। তরুণ, দক্ষ এবং নৈতিকতা সম্পন্ন একদল অভিজ্ঞ ব্যক্তির সমন্বয়ে পরিচালিত আমাদের এই কাফেলা হজ্ব ও ওমরাহ পালনের ক্ষেত্রে সর্বাধুনিক ও সেরা সেবা প্রদানে অঙ্গীকারবদ্ধ। আমাদের প্রতিটি পদক্ষেপের মূলে রয়েছে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন এবং হাজী সাহেবদের নির্বিঘ্ন ও আরামদায়ক সফর নিশ্চিত করা।

আমাদের সেবা সমূহ:
➡সরাসরি ফ্লাইট ব্যবস্থা
➡হারাম শরীফ ও মদিনা শরীফের নিকটবর্তী স্ট্যান্ডার্ড মানের হোটেল (৩০০/৩০০ মিটারের মধ্যে)
➡হোটেলে ৪-৫ জন রুম শেয়ারিং (কোনো টাইমের সুযোগ নেই)
➡অভিজ্ঞ মোয়াল্লেম ও গাইড দ্বারা হজ্ব ও ওমরাহ সম্পন্ন করার ব্যবস্থা
➡গুরুত্বপূর্ণ যিয়ারতের স্থানসমূহ পরিদর্শনের সুযোগ (মক্কা ও মদিনা উভয় স্থানে)
➡ভিসা ও হেলথ ইন্স্যুরেন্স
➡দুই বেলা উন্নত মানের খাবার
➡আধুনিক ও আরামদায়ক যাতায়াত ব্যবস্থা
➡তরুণ, অভিজ্ঞ ও দক্ষ ব্যবস্থাপনা টিম
➡সৌদি আরবে নিজস্ব প্রতিনিধি এবং ২৪/৭ কাস্টমার সেবা

কেন আন নাদওয়া নির্বাচন করবেন?
হজ্ব ও ওমরাহ আমাদের কাছে নিছক কোনো ব্যবসা নয়, বরং এটি আল্লাহর রহমত, আত্মশুদ্ধি এবং মেহমানদের সেবা করার এক সুবর্ণ সুযোগ। আমরা বিশ্বাস করি, আল্লাহর মেহমানদের সেবা করাই আমাদের পরম সৌভাগ্য। আন নাদওয়া হজ্ব কাফেলা আপনার পবিত্র এই যাত্রার বিশ্বস্ত ও কল্যাণমুখী সঙ্গী হতে চায়।

আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি:
হজ্ব ও ওমরাহকে সহজ, সুন্দর ও বরকতময় করার মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহর আধ্যাত্মিক উন্নতিতে অবদান রাখা।

আমাদের লক্ষ্য:
প্রতি বছর আল্লাহর মেহমানদের জন্য সর্বোচ্চ মানের সেবা নিশ্চিত করে একটি অবিস্মরণীয় পবিত্র অভিজ্ঞতা প্রদান করা।

যোগাযোগের তথ্য (Contact Info):
ফোন/হোয়াটসঅ্যাপ: 01747-280308
ইমেইল: [email protected]
ওয়েবসাইট: annadwahajjkafelabd.com

ঠিকানা:
প্রধান কার্যালয়: F7, Lift-7, 42/43 Fahima Tower, Purana Paltan, Dhaka.
যাত্রাবাড়ী অফিস: 99/E, Shahid Farukh Sharoni, Jatrabari, Dhaka.
মাতুয়াইল অফিস: 83/85, S S Tower (2nd Floor), Hazi Badsha Mia Road (North Side of Tamirul Millat Mahila Kamil Madrasah), Matuail, Dhaka.

06/09/2025

মসজিদে নববী,মদিনা😍

05/09/2025

আসসালাতু আস সালামু আলাইকা ইয়া রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম।

প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ মোস্তফা (সা.) ইরশাদ করেন, ‘যে কেউ আমাকে সালাম দেয় তখনই আল্লাহতায়ালা আমার কাছে প্রেরণ করেন, অতঃপর আমি তার সালামের জবাব দেই।
(’সুনানে আবু দাউদ : ২০৪১)

🖋কাবা ঘরের ইতিহাস - পবিত্র কাবা আল্লাহর ঘর।তারিখ-আল-ইয়াকুবিয় তথ্যমতে,হজরত আদম (আঃ) এর জন্মের দুই হাজার বছর আগে আল্লাহ পা...
04/09/2025

🖋কাবা ঘরের ইতিহাস - পবিত্র কাবা আল্লাহর ঘর।তারিখ-আল-ইয়াকুবিয় তথ্যমতে,হজরত আদম (আঃ) এর জন্মের দুই হাজার বছর আগে আল্লাহ পাকের ইবাদাতের উদ্দেশ্যে বায়তুল মামুরের অনুকরণে ফেরেশতাগণ এ ঘর নির্মাণ করেন। এর অবস্থান মক্কা নগরীতে যা ভৌগলিক ভাবে এশিয়া, ইউরোপ ও আফ্রিকার মধ্যস্থলে। মূলত কাবার সৃষ্টির ইতিহাস কমবেশি সকলের জানা। তাই এর স্থাপত্যগত ইতিহাসে কিছুটা আলোকপাত করা যাক।

সায়মুতি তার বিখ্যাত গ্রন্থ তারিখ-আল-মক্কাতে উল্লেখ করেছেন,পবিত্র কাবাঘর নির্মাণ ও পুনর্নির্মাণ সংঘটিত হয় দশবার।
প্রথমবার, হজরত আদম (আঃ) এর সৃস্টির দুই হাজার বছর
আগে আল্লাহর নির্দেশে ফেরেশ্তাগণ কর্তৃআ নির্মিত।
দ্বিতীয়বার, হজরত আদম (আঃ) হেরা পর্বত, তুরে সিনা, তুরে
জিইতা,জুদি ও লেবানন পাহাড়ের পাথর সংগ্রহ করে
কাবা নির্মাণ করেন
তৃতীয়বার, কাবা নির্মিত হয় আদম (আঃ) এর পুত্র শিষ (আঃ)
কর্তৃক যা নুহ (আঃ) এর সময়ের প্লাবনে ঢাকা পড়ে
যায়।
চতুর্থবার, আল্লাহর নির্দেশনা মোতাবেক হজরত ইবরাহিম (আঃ)
ও ইসমাইল (আঃ) ৯ গজ উঁচু,৩০ গজ লম্বা, ২৩ গজ
চওড়া ও ২ দরজা বিশিষ্ট কাবা নির্মাণ করেন।

এরপর পঞ্চমবার আমালিকা গোত্র, ষষ্ঠবার জোরহাম গোত্র, সপ্তমবার নির্মাণ
করেন মহানবি (সাঃ) এর ৫ম পুর্বপুরুষ কোসাই ইবনে কোলাব। অষ্টমবার নতুন করে তা নির্মাণ করে কুরাইশরা, নবি (সাঃ) এর বয়স তখন ৩৫ বছর।তিনি নিজে এ নির্মাণকাজে শরিক হোন।
নবমবার, হযরত ইবরাহিম (আঃ) এর অনুরুপে কাবা নির্মাণ
করেন আব্দুল্লাহ ইবন জুবাইর রঃ।
দশমবার, খলিফা অলিদ ইবন আব্দুল মালিকের নির্দেশে জুবাইর
নির্মিত কাবা ভেঙ্গে কুরাইশ নির্মিত কাবার অনুরুপে
পুনরায় নির্মাণ করেন হাজ্জাজ ইবন ইউসুফ, যা
আজ পর্যন্ত বর্তমান।

পরবর্তীকালে খলিফা হারুন আর রশিদ চেয়েছিলেন হাজ্জাজ বিন ইউসুফের নির্মিত কাবা ভেঙ্গে রাসুল (সাঃ) এর আকাঙ্খা মোতাবেক হযরত ইবরাহিম (আঃ) এর অনুরুপ করে নির্মাণ করবেন, কিন্তু তা সম্ভব হয় নি। ইমাম মালিক (রাঃ) কঠোর নিষেধাজ্ঞা দেন যে এতে করে কাবাঘর ভাঙ্গা-গড়া রাজা বাদশাহদের খেল তামাশায় পরিণত হবে। সব ওলামায়ে কেরামও এতে ঐকমত্য পোষণ করেন।

ইতিহাস হতে জানা যায়, ১৬০১ সালে (১০২১ হিঃ) সুলতান আহমদ তুর্কি কাবা মেরামত করেন। ১৯৪৭ সালে (১৩৬৭ হিঃ) মহররম মাসে বাদশাহ আজিজ ইবন সাউদ কাবার দরজা নতুন করে তৈরী করেন।

হজরত মুহাম্মাদ (সাঃ) এর কাবা পুনর্নির্মাণের পুর্বে কাবা ছিল পাথরের নির্মিত চার দেয়ালওয়ালা ছাদবিহীন ও একজন মানুষের উচ্চতার সমান।নবি কারীম (সাঃ) এর নির্মিত কাবা ছিল ১৮ গজ লম্বা যা আবিসিনীয় পদ্ধতিতে এক স্তর পাথর আর এক স্তর কাঠ দিয়ে পর্যায়ক্রমে ১৬ টি পাথরের স্তর আর ১৫ টি কাঠের স্তরের সমন্ময়ে ৩১ টি স্তরে নির্মাণ করা হয়।ইয়াকুবির তথ্য অনুসারে ৬টি স্তম্ভের উপর কাঠের ছাদ ছিল। আবিসিনীয় বাকুম রাজমিস্ত্রী (খ্রিস্টান কারিগর) কাঠমিস্ত্রীর কাজ করেছিলেন।

কথিত আছে ইয়েমেনের রাজা তুব্বা-আসআদ আবু কারিব আল হিমআরি নষ্ট হওয়া থেকে রক্ষার জন্য সর্বপ্রথম কাবায় গিলাফ পড়ান বর্তমানে গিলাফ মক্কার দারুল কিসওয়ায় তৈরি হয়।খাঁটি প্রাকৃতিয়া রেশমি কাপড়ের মধ্যে কুর্‌আন শরিফের কিছু আয়াত শোভা পায়। অক্ষরগুলো সোনালি আভায় উদ্ভাসিত। (সংক্ষেপিত ও পরিমার্জিত) ✔

29/08/2025

নবী কারিম (সা.) ইরশাদ করেছেন, যে দিনগুলোতে সূর্য উদিত হয়, ওই দিনগুলোর মধ্যে জুমার দিন সর্বোত্তম। ওই দিন হজরত আদমকে (আ.) সৃষ্টি করা হয়েছে। ওই দিন তাকে জান্নাতে প্রবেশ করানো হয় এবং ওই দিনই তাকে জান্নাত থেকে বের করে দেওয়া হয়। আর ওই দিনই কিয়ামত অনুষ্ঠিত হবে। (মুসলিম শরিফ , হাদিস নম্বর ৮৫৪)

28/08/2025

সাহাবি হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আদি ইবনে হামরা (রা.) বলেন, হজরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন ‘হাযওয়ারা’ নামক স্থানে ছিলেন তখন তাকে উটের ওপর সওয়ার অবস্থায় বলতে শুনেছি। তিনি বলেন, আল্লাহর কসম! নিশ্চয়ই তুমি আল্লাহর শ্রেষ্ঠ জমিন। আর আমার কাছে সবচেয়ে প্রিয়। আল্লাহর কসম! যদি আমাকে তোমার (বুক) থেকে চলে যেতে বাধ্য না করা হতো তাহলে আমি কখনও যেতাম না। -সুনানে ইবনে মাজা

আমাদের সাথে হজ্জ করতে আজই নিবন্ধন করুন।২০২৬ এর হজ্জ নিবন্ধন চলছে.. নিবন্ধনের শেষ তারিখ ১২/১০/২০২৫.নিবন্ধন ফি ৩০,০০০/ টাক...
28/08/2025

আমাদের সাথে হজ্জ করতে আজই নিবন্ধন করুন।২০২৬ এর হজ্জ নিবন্ধন চলছে..
নিবন্ধনের শেষ তারিখ ১২/১০/২০২৫.
নিবন্ধন ফি ৩০,০০০/ টাকা.
প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস-
১. এনআইডি কপি
2. পাসপোর্ট কপি (যদি থাকে)
3. ফটো (পাসপোর্ট সাইজ)
4. সচল মোবাইল নাম্বার

আমাদের হজ্জ পরিচালক হিসেবে থাকবেন মাওলানা কামরুল ইসলাম সাইদ আনসারী পীর সাহেব,টেকেরহাট।

🕋চলমান ওমরাহ প্যাকেজ-
৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ইং।
ফুল প্যাকেজ (ডিরেক্ট ফ্লাইট)

যোগাযোগ- আন-নাদওয়া হজ্জ কাফেলা।
লিফট-৭, এফ ৭,৪২/৪৩ ফাহিমা টাওয়ার,
পুরানা পল্টন, ঢাকা।
ফোন- 01868538281

ওমরা শব্দের অর্থ জিয়ারত করা, পরিদর্শন করা ও সাক্ষাৎ করা। পবিত্র কাবাঘরের জিয়ারতই মূলত ওমরা। ইসলামের ভাষায় হজের সময় ছাড়া ...
27/08/2025

ওমরা শব্দের অর্থ জিয়ারত করা, পরিদর্শন করা ও সাক্ষাৎ করা। পবিত্র কাবাঘরের জিয়ারতই মূলত ওমরা। ইসলামের ভাষায় হজের সময় ছাড়া অন্য যেকোনো সময় পবিত্র কাবাঘরের তাওয়াফসহ নির্দিষ্ট কিছু কাজ করাকে ওমরা বলে। সামর্থ্য থাকলে জীবনে একবার ওমরা করা সুন্নতে মোয়াক্কাদা। এটি পুরুষ ও মহিলা সবার জন্য প্রযোজ্য।

ওমরার জন্য নির্দিষ্ট সময় নেই। শুধু হজের মৌসুমে বা জিলহজ মাসের ৯-১৩ তারিখ পর্যন্ত পাঁচ দিন ওমরা করা মাকরুহ। নিচে ওমরা পালনের পার্থিব ও অপার্থিব উপকার নিয়ে আলোচনা করা হলো—

গুনাহ মাফ হয়....
রাসুলু্ল্লাহ (স.) বলেছেন, ‘এক ওমরার পর আরেক ওমরা—উভয়ের মধ্যবর্তী সময়ের (গুনাহের) জন্য কাফফারাস্বরূপ। আর জান্নাতই হলো কবুল হজের প্রতিদান।’ (বুখারি: ১৭৭৩) তাই সামর্থ্য থাকলে সুযোগ পেলেই ওমরা করা উচিত।

24/08/2025

প্রিয় নবী রাসুল ﷺ বলেন:
"যে ব্যক্তি কাবা ঘরের তাওয়াফ করলো এবং দুই রাকাআত সালাত আদায় করলো, তার জন্য জান্নাত লিখে দেওয়া হবে।"
— তিরমিযি, হাদিস: ৯৫৯

আমাদের সাথে হজ্জ করতে আজই নিবন্ধন করুন।২০২৬ এর হজ্জ নিবন্ধন চলছে.. নিবন্ধনের শেষ তারিখ ১২/১০/২০২৫.নিবন্ধন ফি ৩০,০০০/ টাক...
24/08/2025

আমাদের সাথে হজ্জ করতে আজই নিবন্ধন করুন।২০২৬ এর হজ্জ নিবন্ধন চলছে..
নিবন্ধনের শেষ তারিখ ১২/১০/২০২৫.
নিবন্ধন ফি ৩০,০০০/ টাকা.
প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস-
১. এনআইডি কপি
2. পাসপোর্ট কপি (যদি থাকে)
3. ফটো (পাসপোর্ট সাইজ)
4. সচল মোবাইল নাম্বার

আমাদের হজ্জ পরিচালক হিসেবে থাকবেন মাওলানা কামরুল ইসলাম সাইদ আনসারী পীর সাহেব,টেকেরহাট।

🕋চলমান ওমরাহ প্যাকেজ-
৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ইং।
ফুল প্যাকেজ (ডিরেক্ট ফ্লাইট)

যোগাযোগ- আন-নাদওয়া হজ্জ কাফেলা।
লিফট-৭, এফ ৭,৪২/৪৩ ফাহিমা টাওয়ার,
পুরানা পল্টন, ঢাকা।
ফোন- 01868538281

22/08/2025

মহানবী (ﷺ) বলেছেন, “যে মুসলিম জুমআর দিন অথবা রাতে মারা যায়, আল্লাহ তাকে কবরের ফিতনা থেকে বাচান।” (আহমাদ, মুসনাদ, তিরমিযী, সুনান, জামে ৫৭৭৩

21/08/2025
20/08/2025

হারামাইন বুলেট ট্রেন.....

সৌদি আরবে মক্কা, মদিনা বা জেদ্দায় বুলেট ট্রেন ব্যবহারের কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ...

যারা সৌদি আরবে এসে মক্কা, মদিনা বা জেদ্দার মধ্যে ভ্রমণে বুলেট ট্রেন (Haramain High Speed Railway) ব্যবহার করতে চান, তাদের জন্য কিছু দরকারি টিপস.....

✅ জেদ্দা এয়ারপোর্ট থেকে ট্রেনে মক্কা বা মদিনায় যেতে চাইলে বুলেট ট্রেন স্টেশনটি জেদ্দা এয়ারপোর্টের টার্মিনাল ১-এর সঙ্গে সরাসরি সংযুক্ত। কিন্তু যদি আপনার ফ্লাইট হজ টার্মিনাল-এ নামে (যেমন বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স সাধারণত হজ টার্মিনাল ব্যবহার করে), তাহলে ট্রেন স্টেশনে পৌঁছাতে আলাদা যানবাহনের প্রয়োজন হবে এবং সেটা কিছুটা ঝামেলার হতে পারে। এ অবস্থায় সরাসরি গাড়ি ভাড়া করাই বেশি সুবিধাজনক।

✅ টিকিট কিভাবে কাটবেন.....
HHR (Haramain High Speed Railway) অ্যাপটি ডাউনলোড করে নির্দিষ্ট তারিখের জন্য ভাড়া দেখতে পারবেন। টিকিট কাটার জন্য ডুয়েল কারেন্সি কার্ড থাকা বাধ্যতামূলক।
বুলেট ট্রেনের টিকিটের দাম বিমানের মত ওঠানামা করে, তাই আগেভাগে টিকিট কাটাই বুদ্ধিমানের কাজ। স্টেশন থেকে টিকিট কিনলে ভাড়া অনেক বেশি পড়ে।

✅ বুলেট ট্রেনের অভিজ্ঞতা.....
এই ট্রেন অত্যন্ত আরামদায়ক এবং দ্রুতগতির। ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৩০০ কিমি বেগে চলে। জেদ্দা থেকে মদিনা যেতে সময় লাগে প্রায় ১ ঘণ্টা ৪৫ মিনিট।
মক্কা থেকে মদিনা যেতে সময় লাগবে আনুমানিক ২ ঘণ্টা।

✅ লাগেজ সম্পর্কিত তথ্য....
এই ট্রেনে লাগেজ বহনের জন্য নির্দিষ্ট সাইজ ও পরিমাণের সীমাবদ্ধতা আছে। অতিরিক্ত বড় বা একাধিক লাগেজ থাকলে তা ট্রেনে বহন করতে দিবে না। সেই ক্ষেত্রে ট্রেন স্টেশনে থাকা আলাদা কাউন্টারে লাগেজ জমা দিয়ে আপনি যাত্রা করতে পারবেন, এবং তারা আপনার লাগেজ নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছে দেবে—তবে এজন্য অতিরিক্ত চার্জ দিতে হবে।

✅ স্টেশন থেকে হোটেলে যাতায়াত....
মক্কা বা মদিনার বুলেট ট্রেন স্টেশন থেকে হোটেল বা গন্তব্যে যেতে চাইলে উবার ব্যবহার করাই উত্তম। কারণ, সাধারণ ট্যাক্সি অনেক বেশি ভাড়া চায়।
যেমন, মদিনার স্টেশন থেকে হোটেল পর্যন্ত একজন ড্রাইভার ৭০ রিয়াল চায় সেখানে উবারে মাত্র ৩০ রিয়ালেই পৌঁছা যায়।

✅ কাদের জন্য বুলেট ট্রেন সুবিধাজনক?
যারা একা ভ্রমণ করছেন, বা স্বল্পসংখ্যক সদস্য নিয়ে চলেছেন এবং সাথে খুব বেশি লাগেজ নেই, তাদের জন্য বুলেট ট্রেন খুবই সুবিধাজনক। সময় ও ভ্রমণ—দুটোই আরামদায়কভাবে কেটে যাবে। তবে পরিবারের সদস্য সংখ্যা বেশি হলে এবং লাগেজের পরিমাণ বেশি থাকলে গাড়ি ভাড়া করে যাত্রা করাই ভালো।
তবে আপনি যদি শুধু বুলেট ট্রেনের অভিজ্ঞতা নিতে চান, তাহলে একবার হলেও ভ্রমণ করে দেখা যেতে পারে। সত্যিই এটি একটি আধুনিক, ঝকঝকে এবং সময় সাশ্রয়ী ভ্রমণ ব্যবস্থা।

এই পরামর্শগুলো মেনে চললে সৌদি আরবে আপনার বুলেট ট্রেন যাত্রা হবে আরও সহজ, স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ ও স্মরণীয় ইনশাআল্লাহ।

Address

F7, Lift-7, 42/43 Fahima Tower, Purana Paltan
Dhaka
1000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আন নাদওয়া হজ্জ কাফেলা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category