Moto41 Service Center GB

Moto41 Service Center GB সব ধরনের মোটরসাইকেল সার্ভিস ও ইঞ্জিনের কাজ করা হয়।
দক্ষতার সাথে দক্ষ টেকনিশিয়ান দিয়ে কাজ করা হয়।
যোগাযোগ: 01937899682 (whatsApp)

02/03/2026
01/03/2026

সব ধরনের মোটরসাইকেল সার্ভিস ও ইঞ্জিনের কাজ করা হয়।
দক্ষতার সাথে দক্ষ টেকনিশিয়ান দিয়ে কাজ করা হয়।
যোগাযোগ: 01937899682 (whatsApp)

কার্বুরেটর ইঞ্জিনে জ্বালানি ও বাতাস সঠিক অনুপাতে মিশ্রণ তৈরি করার যন্ত্র।1. ফ্লোট চেম্বার (Float Chamber) – জ্বালানি মজু...
05/09/2025

কার্বুরেটর ইঞ্জিনে জ্বালানি ও বাতাস সঠিক অনুপাতে মিশ্রণ তৈরি করার যন্ত্র।

1. ফ্লোট চেম্বার (Float Chamber) – জ্বালানি মজুত রাখে এবং নির্দিষ্ট লেভেল ঠিক রাখে।

2. ফ্লোট ও নিডল ভাল্ব (Float & Needle Valve) – ফুয়েল লেভেল নিয়ন্ত্রণ করে, যাতে বেশি বা কম না হয়।

3. ভেন্টুরি (Venturi) – সংকীর্ণ পথ যেখানে বাতাসের গতি বাড়ে ও চাপ কমে, ফলে জ্বালানি টেনে আনে।

4. জেটস (Jets)

মেইন জেট (Main Jet) – উচ্চ গতিতে চলার সময় জ্বালানি সরবরাহ করে।

আইডল জেট / পাইলট জেট (Idle Jet / Pilot Jet) – ইঞ্জিন স্টার্ট ও আইডলে জ্বালানি দেয়।

5. থ্রটল ভাল্ব বা স্লাইড ভাল্ব (Throttle Valve/Slide) – গ্যাস দেওয়ার সময় বাতাস ও ফুয়েলের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে।

6. চোক ভাল্ব (Choke Valve) – ঠান্ডা অবস্থায় ইঞ্জিন স্টার্ট করতে অতিরিক্ত ফুয়েল সরবরাহ করে।

7. এয়ার ইনলেট (Air Inlet) – বাইরের বাতাস প্রবেশ করে।

8. মিক্সচার স্ক্রু (Mixture Screw) – ফুয়েল-এয়ার রেশিও সূক্ষ্মভাবে ঠিক করে।

9. ভেন্ট (Vent/Overflow Pipe) – চাপ সমান করে ও অতিরিক্ত ফুয়েল বের হতে দেয়।

# সহজভাবে বললে, কার্বুরেটরের প্রধান অংশগুলো হলো – ফ্লোট চেম্বার, নিডল ভাল্ব, ভেন্টুরি, জেটস, থ্রটল, চোক ও মিক্সচার স্ক্রু।

মোটরসাইকেলের ব্রেকিং দুর্বল হওয়ার পেছনে বেশ কিছু কারণ থাকতে পারে –1. ব্রেক প্যাড/শু ক্ষয় হয়ে যাওয়াদীর্ঘদিন ব্যবহারে ...
03/09/2025

মোটরসাইকেলের ব্রেকিং দুর্বল হওয়ার পেছনে বেশ কিছু কারণ থাকতে পারে –

1. ব্রেক প্যাড/শু ক্ষয় হয়ে যাওয়া

দীর্ঘদিন ব্যবহারে ব্রেক প্যাড বা ব্রেক শু পাতলা হয়ে গেলে ঘর্ষণ কমে যায়, ফলে ব্রেক ধরতে চায় না।

2. ব্রেক অয়েল কমে যাওয়া বা নষ্ট হওয়া (ডিস্ক ব্রেকের ক্ষেত্রে)

ব্রেক ফ্লুইড যদি কমে যায় বা পুরনো হয়ে নষ্ট হয়ে যায়, তাহলে ব্রেকিং পাওয়ার কমে যায়।

3. ব্রেক কেবল ঢিলা হওয়া (ড্রাম ব্রেকের ক্ষেত্রে)

কেবলের টান ঢিলা হলে ব্রেক লিভার টানলেও ব্রেক শু ঠিকমতো চাপে না, ফলে ব্রেক দুর্বল হয়।

4. ডিস্ক বা ড্রাম ময়লা জমে যাওয়া / ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া

ডিস্কে মরিচা বা ময়লা জমে গেলে ঘর্ষণ কমে যায়।

ড্রাম ব্রেকের ভেতরে ধুলাবালি জমলেও ব্রেকের কার্যকারিতা কমে যায়।

5. ব্রেক লাইনে বাতাস ঢুকে যাওয়া (ডিস্ক ব্রেকের ক্ষেত্রে)

এয়ার বাবল থাকলে ব্রেক লিভার নরম হয়ে যায়, ফলে চাপ দিলেও ব্রেক ধরে না।

6. টাইরের অবস্থা খারাপ হওয়া

টায়ারের গ্রিপ দুর্বল হলে ব্রেক ঠিকঠাক কাজ করলেও বাইক সহজে থামাতে সমস্যা হয়।

7. ওজন ও লোডিং সমস্যা

অতিরিক্ত ওজন বা পেছনে বেশি লোড থাকলেও ব্রেকিং দুর্বল মনে হয়।

বাইকের এক্সেলেরেশন কমে যাওয়ার কারণ -= মেকানিক্যাল কারণ1. এয়ার ফিল্টার নোংরা বা ব্লক হয়ে যাওয়া – পর্যাপ্ত বাতাস না পেলে ক...
28/08/2025

বাইকের এক্সেলেরেশন কমে যাওয়ার কারণ -

= মেকানিক্যাল কারণ

1. এয়ার ফিল্টার নোংরা বা ব্লক হয়ে যাওয়া – পর্যাপ্ত বাতাস না পেলে কম্বাশন ঠিকভাবে হয় না।

2. ফুয়েল ফিল্টার বা কার্বুরেটর/ইনজেকশন সিস্টেমে সমস্যা – ফুয়েল সঠিকভাবে ইঞ্জিনে পৌঁছায় না।

3. স্পার্ক প্লাগ নষ্ট বা কার্বন জমে যাওয়া – সঠিকভাবে স্পার্ক না হলে পাওয়ার কমে যায়।

4. ইঞ্জিন অয়েল পুরনো বা কমে যাওয়া – লুব্রিকেশন ঠিক না থাকলে ইঞ্জিনের পারফরম্যান্স কমে যায়।

5. ক্লাচ স্লিপ করা – ক্লাচ প্লেট ক্ষয়ে গেলে অ্যাকসেলারেশন কমে যায়।

6. চেইন/স্প্রকেট ক্ষয় হওয়া বা ঢিলা হওয়া – পাওয়ার সঠিকভাবে ট্রান্সফার হয় না।

7. পিস্টন/রিং ক্ষয় হওয়া (কমপ্রেশন লস) – কম্বাশন চেম্বারে চাপ কম হলে ইঞ্জিন শক্তি হারায়।

= ইলেকট্রিক্যাল কারণ

1. সঠিক ইগনিশন টাইমিং না থাকা

2. CDI/ECU সমস্যা

3. ব্যাটারি বা কয়েল দুর্বল হয়ে যাওয়া

= অন্য কারণ

1. টায়ার প্রেসার কম হওয়া

2. ব্রেকে ঘর্ষণ থাকা (ব্রেক শু/প্যাড আটকে থাকা)

3. অতিরিক্ত ওজন বহন করা

* সমাধানের জন্য প্রথমে সহজ জিনিসগুলো চেক করতে হয় — এয়ার ফিল্টার, ফুয়েল সিস্টেম, স্পার্ক প্লাগ, চেইন-স্প্রকেট। তারপরও সমস্যা থাকলে মেকানিক দিয়ে ইঞ্জিন কম্প্রেশন ও ক্লাচ পরীক্ষা করা দরকার।

Aerodynamic: 🔹 বাইকের এয়ারোডাইনামিক কাজ করার মূলনীতি:1. বাতাসের রোধ (Air Resistance / Drag):বাইক যত দ্রুত চলবে, তত বেশি...
17/08/2025

Aerodynamic: 🔹 বাইকের এয়ারোডাইনামিক কাজ করার মূলনীতি:

1. বাতাসের রোধ (Air Resistance / Drag):
বাইক যত দ্রুত চলবে, তত বেশি বাতাস সামনে থেকে ধাক্কা দিবে। বাইকের ফেয়ারিং (Fairing), হেডলাইটের ডিজাইন, উইন্ডস্ক্রিন—এসব জিনিস বাইকের গায়ে বাতাস মসৃণভাবে বইতে সাহায্য করে যাতে রোধ কম হয়।

2. ড্র্যাগ কমানো:
স্পোর্টস বাইকের সামনে অংশ সাধারণত নীচু এবং ধারালো হয়, যাতে বাতাস ভেঙে দুইপাশে চলে যায়। ফলে বাইক কম শক্তি ব্যবহার করেই বেশি স্পিড তুলতে পারে।

3. ডাউনফোর্স (Downforce):
অনেক হাই-পারফরম্যান্স বাইকে ছোট ছোট উইংলেট (winglets) থাকে। এগুলো বাইককে হাই-স্পিডে রাস্তায় চেপে রাখে, যাতে বাইক হালকা হয়ে উড়ে না যায় বা অস্থির না হয়।

4. রাইডারের ভঙ্গি:
রাইডার যদি সোজা হয়ে বসে, বাতাস সরাসরি গায়ে লাগে আর ড্র্যাগ বাড়ে। কিন্তু স্পোর্টস বাইক চালানোর সময় যখন রাইডার হেলমেট নিচু করে ট্যাঙ্কে ঝুঁকে বসে, তখন বাতাস শরীরের উপর দিয়ে মসৃণভাবে বয়ে যায়, ফলে স্পিড বাড়ে।

5. ফেয়ারিং ও উইন্ডস্ক্রিন:

ফেয়ারিং = বাইকের প্লাস্টিক/ফাইবার কভার, যা বাতাস কাটতে সাহায্য করে।

উইন্ডস্ক্রিন = বাতাস রাইডারের বুক/হেলমেটে ধাক্কা কমায়।

---

🔹 সহজভাবে বলা যায়:

বাইকের অ্যারোডাইনামিক ডিজাইন মানে হলো বাতাসকে এমনভাবে বাইকের উপর দিয়ে প্রবাহিত করা, যাতে বাইকের স্পিড বাড়ে, ফুয়েল কম খরচ হয় এবং হাই স্পিডে বাইক স্থির থাকে।

🔹 বাইকের এয়ারোডাইনামিক কাজ করার মূলনীতি:

1. বাতাসের রোধ (Air Resistance / Drag):
বাইক যত দ্রুত চলবে, তত বেশি বাতাস সামনে থেকে ধাক্কা দিবে। বাইকের ফেয়ারিং (Fairing), হেডলাইটের ডিজাইন, উইন্ডস্ক্রিন—এসব জিনিস বাইকের গায়ে বাতাস মসৃণভাবে বইতে সাহায্য করে যাতে রোধ কম হয়।

2. ড্র্যাগ কমানো:
স্পোর্টস বাইকের সামনে অংশ সাধারণত নীচু এবং ধারালো হয়, যাতে বাতাস ভেঙে দুইপাশে চলে যায়। ফলে বাইক কম শক্তি ব্যবহার করেই বেশি স্পিড তুলতে পারে।

3. ডাউনফোর্স (Downforce):
অনেক হাই-পারফরম্যান্স বাইকে ছোট ছোট উইংলেট (winglets) থাকে। এগুলো বাইককে হাই-স্পিডে রাস্তায় চেপে রাখে, যাতে বাইক হালকা হয়ে উড়ে না যায় বা অস্থির না হয়।

4. রাইডারের ভঙ্গি:
রাইডার যদি সোজা হয়ে বসে, বাতাস সরাসরি গায়ে লাগে আর ড্র্যাগ বাড়ে। কিন্তু স্পোর্টস বাইক চালানোর সময় যখন রাইডার হেলমেট নিচু করে ট্যাঙ্কে ঝুঁকে বসে, তখন বাতাস শরীরের উপর দিয়ে মসৃণভাবে বয়ে যায়, ফলে স্পিড বাড়ে।

5. ফেয়ারিং ও উইন্ডস্ক্রিন:

ফেয়ারিং = বাইকের প্লাস্টিক/ফাইবার কভার, যা বাতাস কাটতে সাহায্য করে।

উইন্ডস্ক্রিন = বাতাস রাইডারের বুক/হেলমেটে ধাক্কা কমায়।

---

🔹 সহজভাবে বলা যায়:

বাইকের অ্যারোডাইনামিক ডিজাইন মানে হলো বাতাসকে এমনভাবে বাইকের উপর দিয়ে প্রবাহিত করা, যাতে বাইকের স্পিড বাড়ে, ফুয়েল কম খরচ হয় এবং হাই স্পিডে বাইক স্থির থাকে।
🔹 বাইকের এয়ারোডাইনামিক কাজ করার মূলনীতি:

1. বাতাসের রোধ (Air Resistance / Drag):
বাইক যত দ্রুত চলবে, তত বেশি বাতাস সামনে থেকে ধাক্কা দিবে। বাইকের ফেয়ারিং (Fairing), হেডলাইটের ডিজাইন, উইন্ডস্ক্রিন—এসব জিনিস বাইকের গায়ে বাতাস মসৃণভাবে বইতে সাহায্য করে যাতে রোধ কম হয়।

2. ড্র্যাগ কমানো:
স্পোর্টস বাইকের সামনে অংশ সাধারণত নীচু এবং ধারালো হয়, যাতে বাতাস ভেঙে দুইপাশে চলে যায়। ফলে বাইক কম শক্তি ব্যবহার করেই বেশি স্পিড তুলতে পারে।

3. ডাউনফোর্স (Downforce):
অনেক হাই-পারফরম্যান্স বাইকে ছোট ছোট উইংলেট (winglets) থাকে। এগুলো বাইককে হাই-স্পিডে রাস্তায় চেপে রাখে, যাতে বাইক হালকা হয়ে উড়ে না যায় বা অস্থির না হয়।

4. রাইডারের ভঙ্গি:
রাইডার যদি সোজা হয়ে বসে, বাতাস সরাসরি গায়ে লাগে আর ড্র্যাগ বাড়ে। কিন্তু স্পোর্টস বাইক চালানোর সময় যখন রাইডার হেলমেট নিচু করে ট্যাঙ্কে ঝুঁকে বসে, তখন বাতাস শরীরের উপর দিয়ে মসৃণভাবে বয়ে যায়, ফলে স্পিড বাড়ে।

5. ফেয়ারিং ও উইন্ডস্ক্রিন:

ফেয়ারিং = বাইকের প্লাস্টিক/ফাইবার কভার, যা বাতাস কাটতে সাহায্য করে।

উইন্ডস্ক্রিন = বাতাস রাইডারের বুক/হেলমেটে ধাক্কা কমায়।

---

🔹 সহজভাবে বলা যায়:

বাইকের অ্যারোডাইনামিক ডিজাইন মানে হলো বাতাসকে এমনভাবে বাইকের উপর দিয়ে প্রবাহিত করা, যাতে বাইকের স্পিড বাড়ে, ফুয়েল কম খরচ হয় এবং হাই স্পিডে বাইক স্থির থাকে।

🔹 বাইকের এয়ারোডাইনামিক কাজ করার মূলনীতি:

1. বাতাসের রোধ (Air Resistance / Drag):
বাইক যত দ্রুত চলবে, তত বেশি বাতাস সামনে থেকে ধাক্কা দিবে। বাইকের ফেয়ারিং (Fairing), হেডলাইটের ডিজাইন, উইন্ডস্ক্রিন—এসব জিনিস বাইকের গায়ে বাতাস মসৃণভাবে বইতে সাহায্য করে যাতে রোধ কম হয়।

2. ড্র্যাগ কমানো:
স্পোর্টস বাইকের সামনে অংশ সাধারণত নীচু এবং ধারালো হয়, যাতে বাতাস ভেঙে দুইপাশে চলে যায়। ফলে বাইক কম শক্তি ব্যবহার করেই বেশি স্পিড তুলতে পারে।

3. ডাউনফোর্স (Downforce):
অনেক হাই-পারফরম্যান্স বাইকে ছোট ছোট উইংলেট (winglets) থাকে। এগুলো বাইককে হাই-স্পিডে রাস্তায় চেপে রাখে, যাতে বাইক হালকা হয়ে উড়ে না যায় বা অস্থির না হয়।

4. রাইডারের ভঙ্গি:
রাইডার যদি সোজা হয়ে বসে, বাতাস সরাসরি গায়ে লাগে আর ড্র্যাগ বাড়ে। কিন্তু স্পোর্টস বাইক চালানোর সময় যখন রাইডার হেলমেট নিচু করে ট্যাঙ্কে ঝুঁকে বসে, তখন বাতাস শরীরের উপর দিয়ে মসৃণভাবে বয়ে যায়, ফলে স্পিড বাড়ে।

5. ফেয়ারিং ও উইন্ডস্ক্রিন:

ফেয়ারিং = বাইকের প্লাস্টিক/ফাইবার কভার, যা বাতাস কাটতে সাহায্য করে।

উইন্ডস্ক্রিন = বাতাস রাইডারের বুক/হেলমেটে ধাক্কা কমায়।

---

🔹 সহজভাবে বলা যায়:

বাইকের অ্যারোডাইনামিক ডিজাইন মানে হলো বাতাসকে এমনভাবে বাইকের উপর দিয়ে প্রবাহিত করা, যাতে বাইকের স্পিড বাড়ে, ফুয়েল কম খরচ হয় এবং হাই স্পিডে বাইক স্থির থাকে।

🔹 বাইকের এয়ারোডাইনামিক কাজ করার মূলনীতি:

1. বাতাসের রোধ (Air Resistance / Drag):
বাইক যত দ্রুত চলবে, তত বেশি বাতাস সামনে থেকে ধাক্কা দিবে। বাইকের ফেয়ারিং (Fairing), হেডলাইটের ডিজাইন, উইন্ডস্ক্রিন—এসব জিনিস বাইকের গায়ে বাতাস মসৃণভাবে বইতে সাহায্য করে যাতে রোধ কম হয়।

2. ড্র্যাগ কমানো:
স্পোর্টস বাইকের সামনে অংশ সাধারণত নীচু এবং ধারালো হয়, যাতে বাতাস ভেঙে দুইপাশে চলে যায়। ফলে বাইক কম শক্তি ব্যবহার করেই বেশি স্পিড তুলতে পারে।

3. ডাউনফোর্স (Downforce):
অনেক হাই-পারফরম্যান্স বাইকে ছোট ছোট উইংলেট (winglets) থাকে। এগুলো বাইককে হাই-স্পিডে রাস্তায় চেপে রাখে, যাতে বাইক হালকা হয়ে উড়ে না যায় বা অস্থির না হয়।

4. রাইডারের ভঙ্গি:
রাইডার যদি সোজা হয়ে বসে, বাতাস সরাসরি গায়ে লাগে আর ড্র্যাগ বাড়ে। কিন্তু স্পোর্টস বাইক চালানোর সময় যখন রাইডার হেলমেট নিচু করে ট্যাঙ্কে ঝুঁকে বসে, তখন বাতাস শরীরের উপর দিয়ে মসৃণভাবে বয়ে যায়, ফলে স্পিড বাড়ে।

5. ফেয়ারিং ও উইন্ডস্ক্রিন:

ফেয়ারিং = বাইকের প্লাস্টিক/ফাইবার কভার, যা বাতাস কাটতে সাহায্য করে।

উইন্ডস্ক্রিন = বাতাস রাইডারের বুক/হেলমেটে ধাক্কা কমায়।

---

🔹 সহজভাবে বলা যায়:

বাইকের অ্যারোডাইনামিক ডিজাইন মানে হলো বাতাসকে এমনভাবে বাইকের উপর দিয়ে প্রবাহিত করা, যাতে বাইকের স্পিড বাড়ে, ফুয়েল কম খরচ হয় এবং হাই স্পিডে বাইক স্থির থাকে।

v🔹 বাইকের এয়ারোডাইনামিক কাজ করার মূলনীতি:

1. বাতাসের রোধ (Air Resistance / Drag):
বাইক যত দ্রুত চলবে, তত বেশি বাতাস সামনে থেকে ধাক্কা দিবে। বাইকের ফেয়ারিং (Fairing), হেডলাইটের ডিজাইন, উইন্ডস্ক্রিন—এসব জিনিস বাইকের গায়ে বাতাস মসৃণভাবে বইতে সাহায্য করে যাতে রোধ কম হয়।

2. ড্র্যাগ কমানো:
স্পোর্টস বাইকের সামনে অংশ সাধারণত নীচু এবং ধারালো হয়, যাতে বাতাস ভেঙে দুইপাশে চলে যায়। ফলে বাইক কম শক্তি ব্যবহার করেই বেশি স্পিড তুলতে পারে।

3. ডাউনফোর্স (Downforce):
অনেক হাই-পারফরম্যান্স বাইকে ছোট ছোট উইংলেট (winglets) থাকে। এগুলো বাইককে হাই-স্পিডে রাস্তায় চেপে রাখে, যাতে বাইক হালকা হয়ে উড়ে না যায় বা অস্থির না হয়।

4. রাইডারের ভঙ্গি:
রাইডার যদি সোজা হয়ে বসে, বাতাস সরাসরি গায়ে লাগে আর ড্র্যাগ বাড়ে। কিন্তু স্পোর্টস বাইক চালানোর সময় যখন রাইডার হেলমেট নিচু করে ট্যাঙ্কে ঝুঁকে বসে, তখন বাতাস শরীরের উপর দিয়ে মসৃণভাবে বয়ে যায়, ফলে স্পিড বাড়ে।

5. ফেয়ারিং ও উইন্ডস্ক্রিন:

ফেয়ারিং = বাইকের প্লাস্টিক/ফাইবার কভার, যা বাতাস কাটতে সাহায্য করে।

উইন্ডস্ক্রিন = বাতাস রাইডারের বুক/হেলমেটে ধাক্কা কমায়।

---

🔹 সহজভাবে বলা যায়:

বাইকের অ্যারোডাইনামিক ডিজাইন মানে হলো বাতাসকে এমনভাবে বাইকের উপর দিয়ে প্রবাহিত করা, যাতে বাইকের স্পিড বাড়ে, ফুয়েল কম খরচ হয় এবং হাই স্পিডে বাইক স্থির থাকে।

🔹 বাইকের এয়ারোডাইনামিক কাজ করার মূলনীতি:

1. বাতাসের রোধ (Air Resistance / Drag):
বাইক যত দ্রুত চলবে, তত বেশি বাতাস সামনে থেকে ধাক্কা দিবে। বাইকের ফেয়ারিং (Fairing), হেডলাইটের ডিজাইন, উইন্ডস্ক্রিন—এসব জিনিস বাইকের গায়ে বাতাস মসৃণভাবে বইতে সাহায্য করে যাতে রোধ কম হয়।

2. ড্র্যাগ কমানো:
স্পোর্টস বাইকের সামনে অংশ সাধারণত নীচু এবং ধারালো হয়, যাতে বাতাস ভেঙে দুইপাশে চলে যায়। ফলে বাইক কম শক্তি ব্যবহার করেই বেশি স্পিড তুলতে পারে।

3. ডাউনফোর্স (Downforce):
অনেক হাই-পারফরম্যান্স বাইকে ছোট ছোট উইংলেট (winglets) থাকে। এগুলো বাইককে হাই-স্পিডে রাস্তায় চেপে রাখে, যাতে বাইক হালকা হয়ে উড়ে না যায় বা অস্থির না হয়।

4. রাইডারের ভঙ্গি:
রাইডার যদি সোজা হয়ে বসে, বাতাস সরাসরি গায়ে লাগে আর ড্র্যাগ বাড়ে। কিন্তু স্পোর্টস বাইক চালানোর সময় যখন রাইডার হেলমেট নিচু করে ট্যাঙ্কে ঝুঁকে বসে, তখন বাতাস শরীরের উপর দিয়ে মসৃণভাবে বয়ে যায়, ফলে স্পিড বাড়ে।

5. ফেয়ারিং ও উইন্ডস্ক্রিন:

ফেয়ারিং = বাইকের প্লাস্টিক/ফাইবার কভার, যা বাতাস কাটতে সাহায্য করে।

উইন্ডস্ক্রিন = বাতাস রাইডারের বুক/হেলমেটে ধাক্কা কমায়।

---

🔹 সহজভাবে বলা যায়:

বাইকের অ্যারোডাইনামিক ডিজাইন মানে হলো বাতাসকে এমনভাবে বাইকের উপর দিয়ে প্রবাহিত করা, যাতে বাইকের স্পিড বাড়ে, ফুয়েল কম খরচ হয় এবং হাই স্পিডে বাইক স্থির থাকে।

Address

ডি. বি রোড, পশ্চিমপাড়া, গাইবন্ধা। (গাইবান্ধা বাস স্ট্যান্ড থেকে কিছুদূর সামনে, মেইন রোডের সাথেই)
Dhaka
5700

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Moto41 Service Center GB posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share