SabreTrip

SabreTrip SabreTrip is a premium travel tech firm.Provides one-stop dashboard for travellers.

যারা থাইল্যান্ডের ই-ভিসার জন্য আবেদন ঘরে বসেই করতে চান তাদের জন্য নিচে পুরো প্রক্রিয়াটি ব্যাখ্যা করা হলো:  প্রথম ধাপ:প্...
04/01/2025

যারা থাইল্যান্ডের ই-ভিসার জন্য আবেদন ঘরে বসেই করতে চান তাদের জন্য নিচে পুরো প্রক্রিয়াটি ব্যাখ্যা করা হলো:

প্রথম ধাপ:
প্রথমে আপনাকে নীচের এই ওয়েবসাইট তে ভিজিট করতে হবে: [https://www.thaievisa.go.th](https://www.thaievisa.go.th)
১. এখান থেকেই আপনাকে রেজিস্ট্রেশন এবং আবেদন সম্পুর্ণ করতে হবে।

২. একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করুন:
- একটি অ্যাকাউন্ট থেকে সর্বোচ্চ ১০ জনের আবেদন জমা দেওয়া যাবে।
- পাসপোর্ট বায়োডাটা পেজ এবং ছবি আপলোড করুন (jpg File 3 MB এর মধ্যে হতে হবে)।
- পাসপোর্ট থেকে তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফর্মে আসবে। এর পরেও তথ্য সঠিকভাবে যাচাই করে নিবেন।

৩. তথ্য এবং ডকুমেন্টস আপলোড করুন:
- প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস যেমন ব্যাঙ্ক স্টেটমেন্ট বা বর্তমান অবস্থানের প্রমাণ আপলোড করুন।

৪. ভিসার ধরন নির্বাচন করুন:
ভিসা ফি (টাকা):
- ট্যুরিস্ট ভিসা (সিঙ্গেল এন্ট্রি): 3,500
- ট্যুরিস্ট ভিসা (মাল্টিপল এন্ট্রি): 17,000
আপনি যদি অন্য ধরণের ভিসার আবেদন করতে চান যেমন মেডিকেল / বিজনেস ইত্যাদি তবে সেখানেই অর্থাৎ অন্যান্য সেই সকল ভিসার বিস্তারিত ফি ও তথ্য ওয়েবসাইটে পাবেন।

৫. এম্বেসি নির্বাচন করুন:
- বাংলাদেশ থেকে আবেদনকারীরা শুধুমাত্র ঢাকার রয়্যাল থাই এম্বেসির মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।

২য় ধাপ: পেমেন্ট প্রক্রিয়া
১. পেমেন্ট ইনফো সামারি (P*S) শীট:
- আবেদন জমা দেওয়ার পর QR কোড এবং রেফারেন্স নাম্বার সম্বলিত একটি শীট পাবেন।

২. পেমেন্ট করুন: [Commercial Bank of Ceylon](https://www.combank.net.bd/thaievisa)-এর ওয়েবসাইটে যান।
- ভিসা ফি জমা দেওয়ার পর P*S শীটটি পেমেন্ট প্ল্যাটফর্মে আপলোড করুন।
- পেমেন্ট নিশ্চিত হলে ই-রিসিপ্ট ই- মেইলে পাঠানো হবে।

৩য় ধাপ: ভিসা অনুমোদন
১. প্রসেসিং সময়:
- আবেদন প্রক্রিয়ার জন্য মিনিমাম ১০ কার্যদিবস সময় লাগবে।
- এম্বাসি প্রয়োজন মনে করলে অতিরিক্ত ডকুমেন্ট চাইতে হতে পারে।

২. ই-ভিসা গ্রহণ:
- যদি আবেদন এপ্রোভাল হয় তবে ই- মেইলের মাধ্যমে অনুমোদিত ভিসা পেয়ে যাবেন।
- ই-ভিসা প্রিন্ট করে থাই ইমিগ্রেশনে দেখান।

আবেদন পত্র সম্পুর্ণ হলো কিনা তা নিশ্চিত হতে পারবেন।

প্রাপ্তি ও সময়সূচি (পয়েন্ট আকারে)

★রেজিস্ট্রেশন:
- অ্যাকাউন্ট এবং পাসওয়ার্ড পাবেন।

★আবেদন জমা দেওয়ার পর:
- P*S শীট (QR কোড এবং পেমেন্ট তথ্য সহ) পাবেন।
★পেমেন্টের পর: ই-রিসিপ্ট
★অনুমোদনের পর:
- ই-ভিসা / অতিরিক্ত তথ্যের অনুরোধ / আবেদন প্রত্যাখ্যান সংক্রান্ত ই-মেইল পাবেন।
সহজেই আবেদন করুন, নিরাপদে ভ্রমন করুন থাইল্যান্ড।

30/11/2024

#ইউরোপ_ভিসা
যারা ইউরোপে ভ্রমণ করতে যেতে চান, তাদের জন্য খুব কাজে আসবে এই পোস্টটা। সেইভ করে রাখতে পারেন।

আমার পরিচিত এক ভাই আজ মাত্র ১৪ দিনের মধ্যে শেনজেন ভিসা পেয়েছেন, যার মাধ্যমে ইউরোপের ২৭ টি দেশ ঘুরতে পারবেন।

এখন অনেকেরই ভিসা হচ্ছে আবার অনেকের বিভিন্ন কারণে হচ্ছে না।

এপ্লাই করার আগে, গুছিয়ে এক জায়গায় সব ইনফরমেশনস কোথাও পায়নি। তাই ভাবলাম, গুছিয়ে লিখে দেই। সবার উপকারে আসবে।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য :

১. শেনজেন ভিসাতে এপ্লাই করার জন্য, বেশিরভাগ জায়গাতেই আপনার আগে Appointment নিতে হয়। আর এখন Appointment এর জন্যই অনেক ক্ষেত্রে ২-৩ মাস লেগে যায়।

তাই যারা ভ্রমণ করতে যেতে চাচ্ছেন, তাদের জন্য Sweden embassy বেশ ভালো চয়েস। Appointment এর কোনো ঝামেলা নাই। পাশাপাশি ১৪ দিনের মধ্যেই পজিটিভ বা নেগেটিভ মেসেজ দিয়ে জানিয়ে দিবে।

২. কমেন্টস সেকশনে VFS Global Sweden এর website এর লিংক দিয়ে দিচ্ছি। Check list অনুযায়ী সব কাগজপত্র গুছিয়ে সোজা ওদের অফিসে চলে গেলেই হবে।

বনানী শেরাটন হোটেলের উল্টো দিকের বিল্ডিংয়ের (Borak Mehnur) ৭ম তলায় ওনাদের অফিস।

৩. সকাল ৯ টা থেকে Application জমা নেয়া হয়। কিন্তু বিল্ডিংয়ের বাইরে সকাল ৮ টা থেকেই সিরিয়াল পড়ে যায়। আর খুবই সুশৃঙ্খলভাবে ঐ সিরিয়াল মেইনটেইন করে সকাল ৯ টা থেকে লোকজন ভেতরে নেয়া হয়।

৪. বর্তমানে ভিসা ফি প্রায় ১০,৩৫০ জন প্রতি (বাংলাদেশি টাকা)। ক্যাশ টাকা নিয়ে যেতে হয়। কার্ডে পেমেন্ট হয় না। এইটা একটা ঝামেলা।

৫. একটা জিনিস খেয়াল রাখবেন, ৩৫x ৪৫ ছবি নতুন করে তুলে নিয়ে যাওয়া ভালো। আগে ভিসা পেয়েছেন এমন ছবি ব্যাবহার করা উচিৎ না।

৬. ভিসা ফর্ম আর কাভার লেটারটা খুব যত্ন করে করা উচিৎ।

কাভার লেটারটা খুব প্রফেশনাল হতে হবে। কোন কোন দেশের কোথায় কোথায় যাবেন, কবে যাবেন, কেন যাবেন সুন্দর করে উল্লেখ করতে হবে। আমি একটা টেম্পলেট দিয়ে দিবো দরকার হলে।

৭. মনে রাখবেন শেনজেন ভিসায় আপনি কবে যাবেন আর কবে ফিরে আসবেন, তা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

আপনি যদি উল্লেখ করেন যে, আপনি ১৫ দিন ইউরোপের বিভিন্ন দেশ ঘুরবেন, তাহলে ওরা ঠিক ১৫ দিনের জন্যই ভিসা দিবে।

তাই খুব বুঝে শুনে এই তারিখ উল্লেখ করবেন।

চেষ্টা করবেন, যে দেশের এম্বাসি হয়ে এপ্লাই করছেন সেই দেশে বেশি সময় থাকার।

৮. বুকিং ডট কম থেকে যেখানে যেখানে যাবেন সব জায়গার হোটেল বুকিং দিয়ে সুন্দর করে প্রিন্ট করে নিতে হবে। ফ্রি কেন্সেলেশন আছে এমন হোটেল বুকিং দিতে পারেন। ভিসা হলে cancel করে দিতে পারেন, আপনার প্ল্যান অনুযায়ী।

৯. ইন্সুরেন্স কপিগুলো অবশ্যই এক সেট ফটোকপি করবেন। অরজিনালটা আপনার কাছেই থাকবে।

১০. আগের সব শেনজন ভিসার ফটোকপি জমা দিতে হবে।

১১. অবশ্যই বাচ্চাদের school থেকে ভ্রমণের তারিখ উল্লেখ করে একটা NOC নিতে হবে।

১২. আপনি যতদিন ভ্রমণের চিন্তা করেছেন, তার estimated cost অনুযায়ী আপনার Bank Statement এ সামঞ্জস্যপূর্ণ Amount থাকতে হবে।

১৩. আপনি যে দেশ দিয়ে ঢুকবেন, চাইলে অন্যদেশ দিয়ে ফেরত আসতে পারবেন। তাই ফ্লাইটের মেইন টিকেট বুকিং দেখালেই চলবে। Internal flight বা bus, train এর টিকেট না দেখালেও চলবে।

১৪. অবশ্যই আপনার আগের পাসপোর্টগুলো সাথে রাখবেন।

১৫. ১৪ দিন পর মেসেজ আসলে একই বিল্ডিংয়ে দুপুর ৩-৪ টার মধ্যে সিরিয়াল ধরেই কালেক্ট করতে হবে। ওরা একটা প্যাকেটের মধ্যে পাসপোর্ট ভরে ফেরত দিবে।

যদি প্যাকেটটির ভেতরে পাসপোর্টের পশাপাশি কোনো কাগজ আছে মনে হয়, তাহলে বুঝবেন ভিসা হয়নি। সেটি explanation letter . আর প্যাকেটে শুধু পাসপোর্ট থাকলে বুঝে নিবেন ভিসা হয়ে গেছে।

লেখাটি যদি আপনাদের কোন উপকারে আসে আইডিটি ফলো এবং শেয়ার করে দিবেন এবং অন্যকে দেখার সুযোগ করে দিবেন

ধন্যবাদ সবাইকে।

best year,best fare
28/11/2024

best year,best fare

Address

Dhaka
1100

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when SabreTrip posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share