Air bird

Air bird You don’t need to be perfect. You just need to be better than you were yesterday.

19/03/2026
Evil can also be beautiful. The Coliseum in Rome, for example, a wonderful structure with an awful past. Just think abou...
30/07/2025

Evil can also be beautiful. The Coliseum in Rome, for example, a wonderful structure with an awful past. Just think about the bloody gladiator fights there.Air bird

08/06/2025

@
একদিন এক ইঁদুর খাবার খুঁজতে খুঁজতে রাজার ঘরে প্রবেশ করল। সেখানে কোনো খাওয়ার জিনিস না পেয়ে সে একটি হীরার টুকরো গিলে ফেলল। এদিকে হীরা চুরি হওয়ার কারণে রাজপ্রাসাদে হুলুস্থুল কাণ্ড বেধে গেল!

রাজামশাই জ্যোতিষীকে ডাকলেন। গণনা করে জ্যোতিষী বলল, হীরার টুকরোটি একটি ইঁদুর খেয়ে ফেলছে।

সেনাপতি হীরা উদ্ধারের জন্য ঢেঁড়া পিটিয়ে পুরস্কার ঘোষণা করল। এরপর এক শিকারী রাজসভায় এসে বলল, সে ইঁদুর মেরে হীরা উদ্ধার করবে।

শিকারী যখন ইঁদুরটির খোঁজে বের হলো তখন দেখতে পেল, হাজার হাজার ইঁদুর একে অন্যের সাথে দল বেঁধে রয়েছে। আর একটা মাত্র ইঁদুর সবার থেকে আলাদা এক জায়গায় একটি ইটের ওপর বসা যেন সে সিংহাসনে বসে আছে।

শিকারী তখন ওই ইঁদুরটিকে হত্যা করে তার পেট চিরে হীরার টুকরো বের করে রাজার হাতে তুলে দিল।

রাজামশাই অনেক খুশি হয়ে শিকারীকে তার প্রাপ্য পুরস্কার বুঝিয়ে দিয়ে জিজ্ঞাসা করলেন, হাজার হাজার ইঁদুরের মধ্যে তুমি কিভাবে বুঝলে যে ওই ইঁদুরটাই হীরা চুরি করেছে?

শিকারী মৃদু হেসে জবাব দিল, এটা খুবই সহজ মহারাজ! মূর্খ যখন হঠাৎ বিত্তবান হয়ে যায়, তখন নিজেকে অন্যের থেকে আলাদা মনে করে, নিজের জাতির সঙ্গে চলাফেরা এবং মেলামেশা বন্ধ করে দেয়। এই মূর্খ ইঁদুরটাও তাই করেছিল। হীরা চুরি করে নিজেকে সবচেয়ে ধনী এবং ইঁদুরদের রাজা ঘোষণা করে আলাদা ভাবে বসে ছিল।

নীতিকথা: হঠাৎ অর্থাগমে স্বজন বা বন্ধু-বান্ধব ভুলে গেলে ধ্বংস সন্নিকটে।

আমরা আবার মাস্ক পরার দিকে ফিরে যাচ্ছি। COVID-Omicron XBB অতীতের থেকে আলাদা কারণ এটি মারাত্মক এবং সনাক্ত করা সহজ নয়, তাই...
05/06/2025

আমরা আবার মাস্ক পরার দিকে ফিরে যাচ্ছি। COVID-Omicron XBB অতীতের থেকে আলাদা কারণ এটি মারাত্মক এবং সনাক্ত করা সহজ নয়, তাই সকলকে মাস্ক পরার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। রাজশাহীতে নতুন ভাবে ৯ জনের করোনা শনাক্ত!

১. নতুন COVID-Omicron XBB এর লক্ষণগুলি হল:

i). কাশি নেই।
ii). জ্বর নেই।
বেশিরভাগ লক্ষণগুলি নিম্নরূপ।

iii). জয়েন্টে ব্যথা।

iv). মাথাব্যথা।
v). গলা ব্যথা।

vi). পিঠে ব্যথা।

vii). নিউমোনিয়া।

viii). ক্ষুধা নাটকীয়ভাবে হ্রাস পেয়েছে।

২. এছাড়াও, COVID-Omicron XBB ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের তুলনায় ৫ গুণ বেশি বিষাক্ত এবং এর মৃত্যুর হারও বেশি।

৩. খুব অল্প সময়ের মধ্যে লক্ষণগুলি অত্যন্ত তীব্র হয়ে উঠবে এবং স্পষ্ট লক্ষণগুলির অনুপস্থিতিতেও পরিবর্তন ঘটবে।

৪. তাই আপনাকে আরও সতর্ক থাকতে হবে।

* এই রূপটি নাসোফ্যারিঞ্জিয়াল অঞ্চলে পাওয়া যায়নি, এবং তুলনামূলকভাবে অল্প সময়ের মধ্যে এটি সরাসরি ফুসফুসের "জানালা" প্রভাবিত করে এবং নিউমোনিয়ার লক্ষণ দেখাতে শুরু করে।

৫. COVID-OmicronXBB-তে সংক্রামিত অল্প সংখ্যক রোগীকে জ্বর-মুক্ত এবং ব্যথা-মুক্ত হিসাবে শ্রেণীবদ্ধ করা হয়, তবে এক্স-রেতে হালকা নিউমোনিয়া দেখা যায়। এছাড়াও, নাকের গহ্বরের মধ্য দিয়ে তুলার সোয়াব পরীক্ষা করে COVID-Omicron XBB নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে এবং নাসোফ্যারিঞ্জিয়াল পরীক্ষার সময় মিথ্যা নেতিবাচক পরীক্ষার উদাহরণ বাড়ছে। তাই এই ভাইরাসটি খুবই ধূর্ত। এর ফলে, ভাইরাসটি সম্প্রদায়ের মধ্যে সহজেই ছড়িয়ে পড়ে, সরাসরি মানুষের ফুসফুসকে সংক্রামিত করে, ভাইরাল নিউমোনিয়া সৃষ্টি করে এবং তীব্র শ্বাসকষ্টের সমস্যা সৃষ্টি করে। এটি ব্যাখ্যা করে যে কেন COVID-Omicron XBB এত সংক্রামক এবং মারাত্মক হয়ে উঠেছে। *

৬. যতটা সম্ভব জনাকীর্ণ স্থান এড়িয়ে চলুন, খোলা জায়গায় এমনকি ১.৫ মিটার দূরত্ব বজায় রাখুন, মাস্কের উপযুক্ত স্তর পরুন এবং লক্ষণ ছাড়া কাশি বা হাঁচি না দিলে ঘন ঘন হাত ধুয়ে নিন।

এই COVID-Omicron XBB "WAVE" প্রথম COVID-19 মহামারীর চেয়েও মারাত্মক।
* অতএব, বিচক্ষণ, বৈচিত্র্যময় এবং নিবিড় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা আবশ্যক।

নিরাপদ থাকার জন্য বাইরে বের হওয়ার সময় মাস্ক পরতে ভুলবেন না।

©

যারা অন্যকে কষ্ট দেয়, তারাও কি ভবিষ্যতে কষ্ট পায়?মানুষের জীবনে সম্পর্ক, আচরণ এবং কর্মের প্রভাব এক গভীর ও জটিল বিষয়। আ...
04/06/2025

যারা অন্যকে কষ্ট দেয়, তারাও কি ভবিষ্যতে কষ্ট পায়?

মানুষের জীবনে সম্পর্ক, আচরণ এবং কর্মের প্রভাব এক গভীর ও জটিল বিষয়। আপনি নিশ্চয়ই লক্ষ্য করেছেন, কেউ কাউকে কষ্ট দিলে আমাদের মনে প্রশ্ন জাগে “এদের কি কোনো পরিণতি হয় না?” এই পোস্টে আমি সেই প্রশ্নেরই উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করেছি।

সাইকোলজির গবেষণায় দেখা গেছে, মানুষের আচরণ এবং তার ফলাফলের মধ্যে একটা গভীর সম্পর্ক রয়েছে। যারা অন্যকে কষ্ট দেয়, তারা প্রায়ই নিজেরাও মানসিক, সামাজিক এবং শারীরিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। চলুন দেখি কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক।

১/ The Boomerang Effect,
সাইকোলজিতে “বুমেরাং এফেক্ট” নামে একটা ধারণা আছে। এর মানে হলো, আমাদের নেতিবাচক আচরণ প্রায়ই আমাদের দিকেই ফিরে আসে। ২০১২ সালের একটা গবেষণায় দেখা গেছে, যারা আগ্রাসী বা ক্ষতিকর আচরণ করে, তারা ধীরে ধীরে সামাজিকভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। এই বিচ্ছিন্নতা মানসিক চাপ, উদ্বেগ এবং একাকীত্বের জন্ম দেয়।

২/ Guilt and Remorse,
আপনি জানেন কি, যারা অন্যকে কষ্ট দেয়, তারা নিজেরাও প্রায়ই অপরাধবোধ (guilt) এবং অনুশোচনা (remorse) এ ভোগে? ২০১৬ সালের এক গবেষণায় দেখা গেছে, এই অপরাধবোধ মানুষের মানসিক স্বাস্থ্যের উপর দীর্ঘমেয়াদে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে, যার ফলে জীবনে অসুখীতা ও অস্থিরতা বাড়ে।

৩/ সামাজিক প্রতিক্রিয়া ও খ্যাতি।
যারা অন্যকে কষ্ট দেয়, তারা সমাজে নেতিবাচক খ্যাতি অর্জন করে। ফলে, তারা প্রায়ই বয়কট বা অবজ্ঞার শিকার হয়। এর প্রভাব পড়ে সম্পর্ক, ক্যারিয়ার এবং মানসিক স্বাস্থ্যের উপর।
সাইকোলজির দৃষ্টিকোণ থেকে, যারা অন্যকে কষ্ট দেয়, তারা ভবিষ্যতে কিছু পরিণতির মুখোমুখি হয়, যেমন:

🔺 মানসিক অস্থিরতা, উদ্বেগ ও বিষণ্ণতা।
🔺 সামাজিক বিচ্ছিন্নতা ও সম্পর্কের অবনতি।
🔺 আত্মসম্মান হ্রাস ও জীবনে অর্থহীনতার অনুভূতি।
🔺 শারীরিক স্বাস্থ্যের অবনতি মানসিক চাপ থেকে হৃৎরোগ, উচ্চ রক্তচাপ ইত্যাদি।

✦ যদি ইসলামিক দৃষ্টিকোণ থেকে বলি...! তাহলে দেখা যাবে
ইসলাম একটা পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা, যেখানে আচরণ, নৈতিকতা ও কর্মফল নিয়ে স্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে। আপনি যদি কোরআন ও হাদীস অনুসরণ করেন, তাহলে দেখবেন।

১/ কর্মফলের ধারণা। আল্লাহ বলেন:
“যে কেউ একটি কণা পরিমাণ ভালো কাজ করবে, সে তার ফল দেখতে পাবে। আর যে কেউ একটি কণা পরিমাণ মন্দ কাজ করবে, সে তারও ফল দেখতে পাবে।" (সূরা যিলযাল, ৯৯:৭-৮) এই আয়াত স্পষ্টভাবে বুঝিয়ে দেয় আপনার প্রতিটা কাজ, তা ভালো হোক বা খারাপ, তার ফল আপনি পাবেন দুনিয়া ও আখিরাতে।

২/ অন্যায়ের শা'স্তি, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন:
“মুসলিম সেই ব্যক্তি, যার হাত ও মুখ থেকে অন্য মুসলিম নিরাপদ থাকে।” (সহীহ বুখারী ও মুসলিম)

আরেকটি হাদীসে এসেছে:
“যে ব্যক্তি তার ভাইয়ের প্রতি জুলুম করে, সে যেন ক্ষমা চেয়ে নেয়, কারণ আখিরাতে দিনার বা দিরহাম থাকবে না। তখন তার করা ভালো কাজ থেকে নিয়ে জুলুমের শিকার ব্যক্তিকে দেওয়া হবে।”
(সহীহ বুখারী) এই শিক্ষাগুলো আপনাকে স্মরণ করিয়ে দেয় অন্যকে কষ্ট দিলে কেবল দুনিয়াতেই নয়, আখিরাতেও এর ভয়াবহ পরিণতি রয়েছে।

৩/ সম্ভাব্য পরিণতি। ইসলামিক দৃষ্টিকোণ থেকে যারা অন্যকে কষ্ট দেয়, তাদের জীবনে যা ঘটতে পারে।
🔺 সম্পর্কের অবনতি, আল্লাহর রহমত থেকে বঞ্চিত হওয়া, অশান্তি ও বিপর্যয়।
🔺 আখিরাতে জা'হান্নামের শাস্তি, নেক আমল কমে যাওয়া, এবং অন্যের হকের কারণে নিজের আমল হারিয়ে ফেলা।

তবে আল্লাহ তওবার দরজা সবসময় খোলা রেখেছেন। আপনি যদি আন্তরিকভাবে অনুতপ্ত হন, সংশোধন চান, ও যার প্রতি অন্যায় করেছেন তার কাছে ক্ষমা চান, তাহলে আল্লাহ আপনাকে ক্ষমা করতেও পারেন।

ইকোলজি ও ইসলাম দুই দৃষ্টিকোণই একমত যে।
যারা অন্যকে কষ্ট দেয়, তাদের পরিণতি কষ্টদায়কই হয়। মানসিক ও সামাজিকভাবে যেমন ক্ষয় হয়, তেমনি আধ্যাত্মিক ও পারলৌকিক পরিণতিও ভয়ঙ্কর হতে পারে। তাই আমাদের উচিত, সদয় আচরণ করা, ক্ষমা চাওয়া এবং ক্ষমা করা, যেন আমরা নিজেও শান্তিতে থাকতে পারি এবং অন্যের জীবনেও শান্তির বার্তা দিতে পারি।

আপনি যদি নিজে শান্তি চান, তবে অন্যকে শান্তি দিন। কারণ আপনার কর্মই একদিন আপনার সামনে ফিরে আসবে, সেজন্যই বুদ্ধিমানরা অন্যকে কষ্ট দেওয়ার আগে বহুবার চিন্তা করেন।
#সংগৃহীত

এক দেশে অদ্ভুত এক নিয়ম ছিল। যারা বার্ধক্যে উপনীত হয়ে কাজ করতে অক্ষম হয়ে পড়ত, তাদের পাহাড়ে ফেলে আসতে হতো। ওই দেশের রাজা ম...
04/06/2025

এক দেশে অদ্ভুত এক নিয়ম ছিল। যারা বার্ধক্যে উপনীত হয়ে কাজ করতে অক্ষম হয়ে পড়ত, তাদের পাহাড়ে ফেলে আসতে হতো। ওই দেশের রাজা মনে করতেন, বয়স্কদের যত্ন নেওয়ার বোঝা কমালে সাধারণ মানুষের জীবন সহজ হয়ে যাবে।

সেই দেশে এক পিতা পুত্র খুব ভালোবাসত একে অপরকে। সময় গড়িয়ে গেল। পিতা বুড়ো হলেন, তিনি আর আগের মতো কাজ করতে পারেন না। দেশের নিয়ম অনুযায়ী, ছেলেকে বাধ্য হয়ে তাকে পাহাড়ে ফেলে আসতে হবে। কিন্তু বাবাকে ছেড়ে থাকতে পারার কথা ছেলে ভাবতেই পারছিল না। তবু, শাস্তির ভয়ে সে বাবাকে কাঁধে নিয়ে পাহাড়ের দিকে রওনা দিল।

পাহাড়ের চূড়ায় পৌঁছে তার মন কেঁদে উঠল। শেষ পর্যন্ত বাবাকে সেখানে রেখে আসতে পারল না। সে বাবাকে সঙ্গে নিয়ে ফিরে এলো এবং বাড়ির পিছনে লুকিয়ে রাখল। প্রতিদিন চুপিচুপি খাবার এনে তাকে খাওয়াতে লাগল।

একদিন রাজা তার প্রজাদের বুদ্ধি পরীক্ষা করতে চাইলেন। তিনি ঘোষণা করলেন: "যে ছাই দিয়ে দড়ি বুনে এনে দিতে পারবে, তাকে পুরস্কৃত করা হবে!"

ঘোষণা শুনে লোকজন হতভম্ব হয়ে গেল। ছাই দিয়ে কি কখনও দড়ি তৈরি করা সম্ভব? ছেলেটি এই ধাঁধার কথা শুনে বাবাকে বলল। বাবা বললেন, "একটা দড়ি নিয়ে বড় পাত্রে পেঁচিয়ে রাখো, তারপর সেটা জ্বালিয়ে দাও।"

ছেলে বাবার কথা মতো কাজ করল। দড়ি পুড়ে গেল, কিন্তু তার ছাই ঠিক আগের মতো দড়ির আকারেই থেকে গেল। সে সেটি রাজাকে দেখাল এবং পুরস্কার জিতে নিল।

এক মাস পর, রাজা দ্বিতীয় পরীক্ষার আয়োজন করলেন। তিনি একটি কাঠের ডাল দিলেন এবং বললেন, "এর আগা আর গোড়ার খুঁজে বের করো!"

ডালের দু’প্রান্ত দেখতে একই রকম ছিল, তাই কেউই এর উত্তর খুঁজে পেল না। ছেলে কাঠের ডালটি বাড়িতে এনে বাবাকে দেখাল। বাবা বললেন, "ডালটি পানিতে রাখো। যেটি বেশি ডুবে যাবে, সেটি গোড়া, আর যেটি ভেসে থাকবে, সেটি আগা।"

ছেলে বাবার উপদেশ মতো কাজ করল এবং রাজাকে দেখিয়ে আবারও পুরস্কার জিতল।

এরপর রাজা আরও কঠিন এক ধাঁধা দিলেন। তিনি বললেন, "একটি ঢোল তৈরি করো, যা কোনো আঘাত ছাড়াই শব্দ করবে!"

এবার সবার মাথা ঘুরে গেল। কেউই এমন ঢোল বানানোর উপায় খুঁজে পেল না। ছেলে আবার বাবার শরণাপন্ন হলো। বাবা বললেন, "একটি ঢোল তৈরি করে তার ভেতরে একটি মৌমাছির চাক রাখো।"

ছেলে বাবার নির্দেশ মতো ঢোল বানিয়ে রাজাকে দিল। রাজা ঢোলটি হাতে নিয়ে নাড়া দিতেই এর ভেতরের মৌমাছিরা উড়তে লাগল, ফলে ঢোলে আঘাত ছাড়াই শব্দ হতে লাগল!

রাজা বিস্মিত হয়ে ছেলেকে জিজ্ঞাসা করলেন, "তুমি কীভাবে এত কঠিন প্রশ্নের উত্তর পেলে?"

ছেলে বলল, "মহারাজ, আমার নিজের কোনো অভিজ্ঞতা নেই। আমার বৃদ্ধ বাবাই সব উত্তর দিয়েছেন।"

ছেলের কথা শুনে রাজা খুবই নরম হয়ে গেলেন। তিনি উপলব্ধি করলেন, জীবনের কঠিন সমস্যার সমাধান বের করতে অভিজ্ঞতা সবচেয়ে মূল্যবান।

রাজা সঙ্গে সঙ্গে ঘোষণা করলেন, "আজ থেকে আর কোনো বৃদ্ধকে পাহাড়ে ফেলে আসতে হবে না!" এরপর থেকে সকল বৃদ্ধ-বৃদ্ধারা পরিবারের সঙ্গেই আনন্দে থাকতে লাগলেন।

শিক্ষা: অভিজ্ঞতা অমূল্য। বয়স্করা আমাদের জীবনের আশীর্বাদ। তাদের যত্ন নেওয়া আমাদের দায়িত্বই নয়, বরং এটা আমাদের সৌভাগ্য।

31/05/2025

Address

6/F Monipuripara Tejgaon
Dhaka
1215

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Air bird posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share